

কুমিল্লায় দৃষ্টান্ত
ফাউন্ডেশন ও কুমিল্লা ক্যাটস হোমের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে এতিম শিশুদের নিয়ে
ব্যতিক্রমী আয়োজন পিঠা উৎসব ও বাউল গানের আসর।
শুক্রবার রাতে সংরাইশ
সরকারি শিশু পরিবারে দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন ও কুমিল্লা ক্যাটস হোমের প্রতিষ্ঠাতা
মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন রনীর সভাপতিত্বে পিঠা উৎসব ও বাউল গান অনুষ্ঠিত হয়।
কুমিল্লা রিপোর্টার্স
ইউনিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন, পায়রা সমুদ্র বন্দরের পরিচালক (উপসচিব) ড. আতিকুল
ইসলাম, জেলা প্রশাসক খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র
(ভারপ্রাপ্ত) হাবিবুর আল আমিন সাদি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পংকজ বড়ুয়া,
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কাবিরুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার
আশফাকুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কামরান হোসেন, জেলা সমাজসেবা
কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জেড এম মিজানুর রহমান খান, কোতয়ালী থানা অফিসার ইনচার্জ
(ওসি) ফিরোজ, বাংলাদেম আওয়ামীলীগের কৃষি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার জারিফ আল মামুন ।
আরকে ফিড এন্ড পোট্রি
লিমেটেড এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত পিঠা উৎসব ও বাউল গানের আশরে উপস্থিত ছিলে, জেলা
সমাজ সেবা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক ফারহানা আমিন, এস এম জোবায়েদ, মৌলভীবাজার
জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সাইফ উদ্দিন,
শহর সমাজসেবা অফিসার মো. নাছির উদ্দিন, আদর্শ সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা
মো. আরিফুল ইসলাম, সংরাইশ সরকারি শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক
শরফুন্নাহার মনি, আরকে ফিড এন্ড পোট্রি লিমেটেড ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রেহান
উদ্দিন, ডাক্তার মারুফ হাসান ইমরান, ডাক্তার সামিয়া আফরিন ঐশি, ভেট
আসিফ, মানবাধিকার কর্মী রাজিয়া সুলতানা স্মৃতি, আজকের বিজনেস বাংলাদেশ
পত্রিকার ডেক্স ইনচার্জ ইমরান মাসুদ, রোটারিয়ান ডা. মোঃ সেলিম রেজা, রোটারিয়ান আতাউল মাসুদ রাজিব, রোটারিয়ান মাহফুজুর রহমান বাবুল, রোটারিয়ান আবদুল্লাহ হিল বাকী, ব্যবসায়ী
আবদুল বারিক খান রানা, মশিউর মাসুদ, মারুফ সোহাগ, আফরোজা
বেগম, মুন চৌধুরী, মোঃ আবু রাসেল, সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল, দেলোয়ার হোসাইন
আকাইদ সহ আরো অনেকে।
অনুষ্ঠানে বাহারী রকমের
পিঠার আয়োজন করা হয় এবং বাউল দেওয়ান রাসেল, বজলুর
রহমান বাবুল, ওমর ফারুক, দেওয়ান রবিউল, আয়শা সিদ্দিকা সুমাসহ ৪টি বাউল দলের অংশগ্রহনে প্রানবন্ত বাউল গানের আসর উপভোগ করে শিশু
পরিবারের সদস্যরা। পরে উপস্থিত সবাই নৈশভোজে অংশগ্রহন করেন।
মন্তব্য করুন


মো মিজানুর রহমান মিনু:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ছকিনা বেগম ও রেনু বেগম নামে ২ নারীসহ ৩ জন নিহত হয়েছে।
ছকিনা বেগম ও রেনু বেগম উভয়ে চাচাতো বোন মঙ্গলবার দুপুরে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে দু’জনে কুমিল্লায় যায় রাত সাড়ে নয়টায় কুমিল্লা থেকে ফিরে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিয়াবাজারে সড়ক পারাপার হচ্ছিল এ সময় চট্টগ্রামমুখী তিশা প্লাটিনাম পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় তারা ছিটকে পড়ে এতে ঘটনাস্থলে ছকিনা বেগম নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় রেনু বেগমকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারও মৃত্যু হয়।
এদিকে প্রবাসী ছেলের বিয়ের জন্য মেয়ে দেখে ফেরার পথে উজিরপুর ইউনিয়নের বেলঘর রাস্তার মাথায় সিএনজি ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে আবদুর রশিদ মারা যান।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ এস এম লোকমান হোসাইন বলেন, এ ঘটনায় ওই যাত্রীবাহী বাসটি জব্দ করে ফাঁড়িতে নিয়ে গেছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুমিল্লাসহ সারা দেশে আলোচিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জান্নাতুন নাঈম ফারিহার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় প্রধান আসামি নিহতের স্বামী মেহেদী হাসান হৃদয়ের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
আজ ২০ মে বুধবার সোয়া ১১টার দিকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (১ নং আমলী আদালত) মমিনুল হকের আদালতে এ রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। এ সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অমর্ত্য মজুমদার আসামিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। বিবাদী পক্ষের আইনজীবী মাসুদ সালাউদ্দিন ও মাহবুবুল হক খন্দকারসহ আরও কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড নামঞ্জুর করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানান। অপরদিকে, বাদী পক্ষের আইনজীবী তাফসীরুল আলমসহ ১০/১৫ জন আইনজীবী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালতে মামলার বাদী নিহত ফারিহার বাবা স্কুল শিক্ষক মো: হানিফ মজুমদার, তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও আত্মীয়স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ফারিহার মায়ের আহাজারিতে আদালত প্রাঙ্গণ ভারী হয়ে ওঠে। তিনি তাঁর মেয়ে হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন এবং মেহেদী হাসান হৃদয়ের বাসায় থাকা ফারিহার ব্যবহা্য জিনিসপত্র উদ্ধারের জন্য মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে আর্তনাদ জানাতে থাকেন।
মামলার প্রধান আসামি মেহেদী হাসান হৃদয়ের সাথে আদালত প্রাঙ্গণে কথা হলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, "আমি ঘটনার দিন বাড়িতে ছিলাম না। আমি মেঘনা উপজেলার ছোট সাতমোরা গ্রামে নানার বাড়িতে ছিলাম।"
অভিযুক্ত মেহেদী হাসান হৃদয়ের মামা মোটর পার্টস ব্যবসায়ী মো: আবদুর রহমান জানান, মেহেদী এবং তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে ফারিহার ওপর কোনো চাপ ছিল না। মেয়ের মা সবসময় মেহেদী বেকার থাকায় বিরক্ত হতেন এবং তাকে অপমান করে কথা বলতেন। মেহেদীর মুন্সেফবাড়ির বাসাতেই তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। মেহেদী হাসান হৃদয়ের নানা মো: আফজল মিয়া বলেন, "মেহেদী ঘটনার দিন আমার গ্রামের বাড়ি মেঘনার ছোট সাতমারা গ্রামে ছিল। আমরা যদি এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকি, তাহলে আল্লাহ যেন আমাদের বিচার করেন।"
এর আগে, গত ৫ মে মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালীপট্টি এলাকার ‘কাশেম গার্ডেন’ নামে একটি বহুতল ভবনের স্বামী ও শ্বশুরের ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ ফারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১২তম ব্যাচের ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাড় ইউনিয়নের কান্দাল গ্রামে।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ফারিয়া ও হৃদয়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার বাসিন্দা আবদুর রহিমের ছেলে হৃদয়ের সঙ্গে ১৫ লাখ টাকা দেনমোহরে ফারিয়ার বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর থেকেই তাঁর স্বামী ও পরিবারের লোকজন ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিল। ফারিয়ার পরিবার সেই টাকা দিতে না পারায় তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দেয় এবং এ নিয়ে একাধিকবার ফারিয়াকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।
এদিকে, মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী তাফসীরুল আলম অভিযোগ করে বলেন, "আমরা যেভাবে এজাহার জমা দিয়েছিলাম, পুলিশ সেভাবে এজহার গ্রহণ করেনি। এতে করে মামলার ভিত দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে। তারপরেও আমরা আশা করছি, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।"
মন্তব্য করুন


সংঘবদ্ধ
চোর চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি।
গত
১৬ ডিসেম্বর এবং ১৮ ডিসেম্বর আবুল খায়ের মোঃ মাহবুব পারভেজ (৫৬) এবং হাসনা বেগম (৪১)
অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় দুইটি পৃথক মামলা দায়ের করে।
পরবর্তী
পুলিশ সুপার কুমিল্লার নির্দেশে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা কুমিল্লার
একটি চৌকষ টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন চাঙ্গীনি কোটবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন মনিরের বাড়ী থেকে মনিরকে
গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে চোরাইকৃত ১টি এলইডি সনি টিভি এবং একটি এন্ড্রোয়েড মোবাইল
ফোন উদ্ধার করে। মনিরকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার সহযোগী সোহেল, সুমনকে একই থানা এলাকার
কচুয়া চৌমুহনী নুরুল ইসলামের বাড়ীর ২য় তলা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে। তাদের বাসা তল্লাশি
করে চুরির কাজে ব্যবহৃত ১টা পাইপ রেঞ্জ, ১টি হাতুড়ি, ১টি প্লাস এবং ১টি এন্ড্রোয়েড
মোবাইল উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের তথ্যের ভিত্তিতে তাদের অপর সহযোগী বিল্লাল
(২৫)’কে চান্দিনা থানাধীন বাতাগাছি এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে চোরাইকৃত
আরো ১টি এলইডি সনি টিভি উদ্ধার করা হয়।
জেলা
গোয়েন্দা শাখা ডিবি জানান, তারা ১০/১৫ জনের একটি গ্রুপ কুমিল্লা চাঁদপুর, ফেনী জেলার
বিভিন্ন জায়গায় খালি বাসা গুলোতে তালা কেটে চুরি করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো:
১।
মনির (৩৭), পিতা- মৃত আব্দুর রশিদ, মাতা-জোহরা খাতুন, সাং- পইয়াবাড়ি (মিয়া হাজী বাড়ী),
থানা- দেবিদ্বার, জেলা- কুমিল্লা এ/পি- চাঙ্গীনি, থানা- সদর দক্ষিণ, জেলা- কুমিল্লা।
২।
সোহেল (২৮), পিতা- আব্দুল হক, মাতা- পারুল বেগম, সাং- পাইপেরগোড়া, থানা- কর্ণফুলী,
জেলা- চট্টগ্রাম, এ/পি- কইচ্চা চৌমুহনী, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা- কুমিল্লা।
৩।
সুমন (২৮), পিতা- জশিম, মাতা- ফুল মাসা, সাং- লাজুর, থানা- মুরাদনগর, জেলা- কুমিল্লা,
এ/পি- মুনসুরাবাদ (বোয়ালখোলা মাঠ), থানা- ডবলমুরিং, জেলা- চট্টগ্রাম।
৪।
বিল্লাল (২৫), পিতা- মৃত মজিবুর রহমান, মাতা- সাজিয়া বেগম, সাং- বাতাঘাসি, থানা- চান্দিনা,
জেলা- কুমিল্লা।
উল্লেখ্য
যে, আসামী মনির, সোহেল এবং বিল্লাল এর বিরুদ্ধে পূর্বে ০১টি করে চুরি মামলা এবং সুমন
এর বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫২ কেজি গাঁজা সহ ১জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা।
গতকাল (১৫জানুয়ারী) জেলা গোয়েন্দা শাখা কুমিল্লায় কর্মরত এসআই (নিঃ) আরিফুল ইসলাম, এএসআই গিয়াস উদ্দিন, এএসআই মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থানাধীন চট্টগ্রাম-টু-ঢাকা গামী মহাসড়কের মিয়া বাজার সাকিনস্থ প্রতাপপুর রাস্তার মাথায় একটি পুরাতন কাভার্ডভ্যান গাড়ী আসতে দেখে গাড়ীটি থামানোর জন্য চালককে সংকেত দিলে চালক সহ গাড়ীতে থাকা অপর একজন ডিবি পুলিশকে চিনতে পেরে চালক উক্ত স্থানে গাড়ীটি থামিয়ে কৌশলে গাড়ীর দরজা খুলে দ্রুত পালিয়ে যায় এবং গাড়ীর ভিতরে চালকের পাশের সিটে বসা মোঃ লাবলু কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: মোঃ লাবলু (২৯), পিতা-মৃত নুরুন্নবী, মাতা-মনোয়ারা বেগম, গ্রাম-মির্জানগর (জয় মিয়ার বাড়ী), থানা-মেঘনা, জেলা-কুমিল্লা, বর্তমান ঠিকানা- গ্রাম-তারাবৌ ভরাবৌ বাজার (আতাউর রহমান এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া), থানা-রূপগঞ্জ, জেলা-নারায়নগঞ্জ। কাভার্ডভ্যান গাড়ীটি তল্লাশী করে গাড়ীর পিছনের বডিতে ৩টি প্লাষ্টিকের বস্তার ভিতরে রাখা সর্বমোট ৫২কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।
উক্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১৪ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
বৃহস্পতিবার
(১৮ জানুয়ারী) কুমিল্লা জেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন
৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বালুতোপা এলাকায় দারুত তাহজিব স্কুল এন্ড মাদ্রাসার সামনে
তল্লাশি করে ১৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ পারভেজ মিয়া কে গ্রেফতার করা হয়।
উক্ত
ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-সিলেট
মহাসড়কের কুমিল্লার দেবীদ্বারে বাস-ট্রাক ও লরির ত্রিমুখী সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত
হয়েছেন। আহতদের দেবীদ্বার উপজেলা সদর ও কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
আজ
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার চরবাকর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে মহাসড়কের
যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
দুর্ঘটনার
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন মিয়া।
স্থানীয়দের
বরাত দিয়ে তিনি জনান, কুমিল্লাগামী একটি মালবাহী ট্রাক পাংচার হয়ে মাঝ রাস্তায় থেমে
যায়। এ সময় পেছন থেকে কোম্পানীগঞ্জ থেকে দেবীদ্বারগামী রয়েল সুপার এসি নামে একটি বাস
ও দেবীদ্বারগামী একটি লরি ট্রাকটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকটি দুমরে-মুচরে যায়। অপরদিকে
বাস ও লরিটিও রাস্তার পাশে উল্টে যায়।
এতে
তিনটি যানবাহনের চালকসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত প্রাণহানির তথ্য
নেই বলে তিনি জানান।
তবে
তাৎক্ষণিক আহতদের পরিচয় নিশ্চিত করেতে পারেননি ওসি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
গাজীপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত হাসনাত আবদুল্লাহর উপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লার দেবীদ্বারে বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা এনসিপি ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংস।
রোববার রাত ৮ টায় দেবীদ্বার নিউ মার্কেট চত্তর থেকে বিক্ষোভ মিছিল টি বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বিক্ষোভ জাতীয় নাগরিক পার্টির উপজেলা নেতা নাজমুল হাসান নাহিদ, শামীম কাউসার, ফয়সাল হোসেন, এমরান হোসেন, আবদুল্লাহ সামি, ফয়সাল মির্জা, জালাল হোসেন, জামাল হোসেন, শাহাদাত হোসেন শ্যামল, বাংলাদেশ ছাত্র সংসদের নেতা রাকিবুল হাসান হৃদয়, মোক্তাদির জারিফ সিক্ত, সাজেদুল রাফসান ও মোঃ হাসান আরও অনেকে।
বক্তারা হাসনাত আবদুল্লাহর উপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির দাবী করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২৫ বোতল ফেন্সিডিল ও একটি
কাভার্ডভ্যান গাড়ীসহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানার পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাত ২ টা ৪৫ মিনিটে
চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ আলমগীর সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
চৌদ্দগ্রাম থানাধীর সুজাতাপুর লাকি হোটেলের পশ্চিম পাশে ঢাকা-চট্টগ্রামগামী মহাসড়কে
একটি কাভার্ডভ্যান তল্লাশী করে ১২৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ মোরশেদ আলম
সোহেল, মোঃ আলাউদ্দিন, মোঃ সাদ্দাম হোসেন ও মোঃ ওমর ফারুককে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো-১। খাগড়াছড়ি
জেলার মানিকছড়ি থানাধীন যোগ্যছোলা ৬নং ওয়ার্ড এলাকার খোরশেদ আলম এর ছেলে মোঃ মোরশেদ
আলম সোহেল (২৫), ২। নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানাধীন সাং—মাছিমপুর, ০৪নং ওয়ার্ড, ১৬নং
নেওয়াজপুর ইউপি এলাকার হাজী তোফায়েল আহমেদ এর ছেলে মোঃ আলাউদ্দিন (৩৮), ৩।খাগড়াছড়ি
জেলার মানিকছড়ি থানাধীন সাং—যোগ্যছোলা, (চেয়ারম্যানপাড়া) ৬নং ওয়ার্ড, ৩নং যোগ্যছোলা
ইউপি এলাকার মোঃ সাজু মিয়ার ছেলে মোঃ সাদ্দাম হোসেন (২৫), ৪। চট্টগ্রাম জেলার ভুজপুর
থানাধীন পশ্চিম সাপমারা এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোঃ ওমর ফারুক (১৯)।
উক্ত ঘটনায় কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম
থানার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন উত্তর রামপুর ও কোতয়ালী মডেল থানাধীন পশ্চিম মাঝিগাছা এলাকা হতে ৯৮ বোতল ফেন্সিডিল ও ৩২ কেজি গাঁজা’সহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৯ নভেম্বর রবিবার দুপুরে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন উত্তর রামপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৯৮ বোতল ফেন্সিডিল’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলো: নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানার বাতানিয়া গ্রামের মৃত মোঃ আনোয়ার হোসেন এর ছেলে আলী হোসেন রতন (২২) এবং সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ার থানার দোয়ারগাঁও গ্রামের ইফসুফ আলী এর ছেলে আকির মিয়া রাকিব (২৫)।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৯ নভেম্বর রবিবার রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন পশ্চিম মাঝিগাছা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৩২ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলো: কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার উত্তর রামপুর গ্রামের মোঃ আনোয়ার হোসেন এর ছেলে মোঃ সোহেল রানা (৩৯) এবং একই জেলার কোতয়ালী মডেল থানার আড়াইউড়া গ্রামের শামসুল হক এর ছেলে মোঃ সোহাগ (২৬)।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ নোয়াখালী, সুনামগঞ্জ, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিল, গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ ও কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আন্তঃজেলা ট্রান্সফরমার চোর চক্রের মূল হোতাসহ আরো ৮ সদস্য গ্রেফতার এবং চোরাই মালামাল উদ্ধার করেছে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গত ২৪ জানুয়ারি রুজুকৃত বুড়িচং থানার মামলা নং-১৮, তারিখ-২৪/০১/২০২৪, ধারা- ২০১৮ সালের বিদ্যুৎ আইনের ৩৫ এর রহস্য উদ্ঘাটন পূর্বক গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ মনির হোসেন (৩২), ২। মোঃ সোহেল (৩০), ৩। কামরুল হাসান (৩২), ৪। মাঈনউদ্দিন (২৮), ৫। রুবেল আহমেদ @মিন্টু (২৯) দের গত ০৪/০২/২০২৪খ্রিঃ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। বিজ্ঞ আদালতে আসামি সোহেল ও মাঈনউদ্দিন ফোজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
উল্লেখ্য যে, তারা কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন থানায় ট্রান্সফরমার চুরি সংক্রান্তে রুজুকৃত ৮টি মামলার ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলো এবং তাদের দেওয়া তথ্য তদন্তকালে প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণে সত্যতা পাওয়া যায়।
আসামী মাঈন উদ্দিন (২৮) এর দেওয়া বিজ্ঞ আদালতের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি মোতাবেক কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস টিম অভিযান পরিচালনা করে তথ্য প্রযুক্তি ও স্থানীয় সোর্সের সহায়তায় চোর চক্রের চোরাই মাল ক্রয় -বিক্রয়ের মূল মধ্যস্থতাকারী রুবেল (২৮) কে নোয়াগাঁও চৌমোহনী এলাকায় মা-বাবার দোয়া এন্টারপ্রাইজ দোকানের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়। কুমিল্লার অধিকাংশ চোরাই মাল ক্রয়কারী মাঈন উদ্দিন ঢাকায় চোরাই মাল বিক্রয় করে। ঢাকায় চোরাইমাল ক্রয় চক্রের মূলহোতা ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ এর মালিক দেলোয়ার ও ম্যানেজার মনসুর। তার দেওয়া তথ্য মতে চোরাই মালামাল ক্রয়কারী ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ এর ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম মনছুর কে ঢাকা মিডফোর্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মনসুরের দেখানো মতে ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ নামক দোকান হতে ৫০ কেজি চোরাই তামার তার উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়।
উল্লেখ্য, ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক দেলোয়ার পলাতক রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামী রুবেলকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে কুমিল্লায় ট্রান্সফরমার চোর চক্রের সাথে জড়িত অনেক সদস্যের নাম প্রকাশ করে। প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে লালমাই থানার মামলা নং-০২, তারিখ-০৩/০২/২০২৪ ইং, ধারা- ২০১৮ সালের বিদ্যুৎ আইনের ৩৫/৪১ এর পলাতক আসামী চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য ১। রবিউল আলম @ রফিক (২৬) কে নোয়াগাঁও চৌমোহনী এলাকায় থেকে গ্রেফতার করা হয় । তার দেখানো স্থান হতে ২টি ট্রান্সফরমারের খালি খোসা, ৩৩ কেজি ষ্টিলের পাত, ২টি ট্রান্সফরমারের ঢাকনা ও ২টি লোহার তৈরি কয়েলের ঢাকনা উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। রবিউল আলম রফিককে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে অত্র মামলার সাথে জড়িত আসামী ২। মেহেদী হাসান শাকিল (২৩), ৩। রুবেল (২৬), ৪। মাসুদ রানা (২৩) দেরকে ভূশ্চি এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয় এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত অটোটি জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী রুবেলের দেওয়া তথ্য মতে, তথ্য প্রযুক্তি ও স্থানীয় সোর্সের মাধ্যমে সদর দক্ষিণ থানার মামলা নং-৭, তারিখ- ০২/০২/২০২৪ ইং, ধারা- ৩৭৯ দন্ডবিধি এর পলাতক আসামী জহিরুল ইসলাম (২৮) কে সদর দক্ষিণ থানাধীন সুয়াগাজি থেকে গ্রেফতার করা হয়। জহিরুল ইসলাম (২৮) এর দেওয়া তথ্য মতে, অত্র মামলার আর এক পলাতক আসামী মোঃ কবির হোসেন (৩০) কে জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় যে, তারা ট্রান্সফরমার চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা ৩/৪ বছর যাবৎ কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর, চান্দিনা, চৌদ্দগ্রাম, দেবিদ্বার, সদর দক্ষিণ থানাসহ বিভিন্ন থানা এলাকায় এবং পাশর্^বর্তী জেলা চাঁদপুর ও নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় ট্রান্সফরমারের তামার তার চুরি করে আসছে। তারা দিনের বেলায় টার্গেট ট্রান্সফরমারের স্থানে রেকি করে এবং রাতের বেলা গিয়ে ট্রান্সফরমারের ঢাকনা খুলে তামার তার নিয়ে চলে আসে। ট্রান্সফরমার থেকে তামার তার চুরি করতে তাদের মাত্র ২০ থেতে ২৫ মিনিট সময় লাগে। চুরি করার পরে ট্রান্সফরমারের খালি খোলস (বক্স) সাধারণত ঘটনাস্থলেই ফেলে দেয়।
উল্লেখ্য যে, আসামী মোঃ কবির হোসেন এর বিরুদ্ধে পূর্বে ৬টি মাদক মামলা রয়েছে। আসামী জহিরুল ইসলাম জহির এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১ টি চুরি মামলা, ৩টি মাদক মামলা, ২টি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রয়েছে। আসামী মাসুদ রানা এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১টি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রয়েছে। আসামী মেহেদী হাসান শাকিল এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১ টি চুরি মামলা, ১টি ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা রয়েছে। আসামী রবিউল আলম রফিক এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১টি মাদক ও ১টি মারামারি মামলা রয়েছে। আসামী রফিকুল ইসলাম মনছুর এর বিরুদ্ধে পূর্বে ১টি মারামারি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো:
১। মোঃ কবির হোসেন (৩০), পিতাঃ মোঃ জসিম উদ্দিন, সাং-কাদির বক্স বাড়ী, গ্রাম- সৈয়দপুর, থানা- দেবিদ্বার, জেলা- কুমিল্লা,
২। জহিরুল ইসলাম (২৮), পিতাঃ মৃত মোঃ জাকির হোসেন, সাং- পূর্ব পাড়া, গ্রাম- বড় দৌলতপুর, থানা- কোতয়ালী, জেলা- কুমিল্লা
৩। রুবেল (২৬), পিতাঃ মিজান, সাং- চৌকিদার বাড়ী, গ্রাম- দূর্গাপুর, ওয়ার্ড- ১, থানা- সদর দক্ষিণ, জেলা- কুমিল্লা।
৪। মাসুদ রানা (২৩), পিতাঃ আব্দুল গফুর, সং- গ্রাম- ভুচ্চি (নুরপুর) মুক্তিযোদ্ধা জহির সাহেবের বাড়ী, থানা- লালমাই, জেলা- কুমিল্লা।
৫। মেহেদী হাসান @শাকিল (২৩), পিতাঃ শুক্কুর আলী,সাং- মোহরী বাড়ী, গ্রাম- চেংহাটা, থানা- লালমাই, জেলা- কুমিল্লা।
৬। রবিউল আলম @রফিক (২৬), পিতাঃ মৃত সুরুজ, সাং- ভুচ্চি( নুরপুর) ডাক্তার বাড়ী, থানা- লালমাই, জেলা-কুমিল্লা।
৭। রুবেল (২৮), পিতাঃ মৃত ফোরকান মিয়া, সাং- আহাম্মদপুর(ধানুর বাড়ী), থানা-নবীনগর, জেলা- ব্রাহ্মনবাড়ীয়া
৮। মোঃ রফিকুল ইসলাম @মনছুর (৪৮), পিতাঃ মোঃ শাহজাহান আলী , সাং- পায়না (প্রামানিক বাড়ী), থানা- ভেড়া, জেলা- পাবনা
মন্তব্য করুন