

গেলো বছরের ন্যায় এবারও শত ব্যস্ততার মাঝেও একটু বিনোদনের উদ্দেশ্যে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে CDBA T-10 ক্রিকেট টূর্ণামেন্ট-২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লা টিক্কাচরস্থ শেখ কামাল ক্রীড়া পল্লীতে অনুষ্ঠিত হয়।
ওই খেলায় ময়নামতি-১৬ কে হারিয়ে সিবিএ এডভোকেটস্ জিতলেন।
ওই খেলায় সিবিএ এডভোকেটস্ এর খেলোয়াড় এডভোকেট রানা মজুমদারকে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ ঘোষণা করেন কুমিল্লার সাবেক জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান লিটন।
এ-সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান লিটন, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ তৌহিদুর রহমান তৌহিদ, সাবেক রিক্রিয়েশন সেক্রেটারি মোঃ সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, রিক্রিয়েশন সেক্রেটারি কাজী আবদুল কাইয়ুম মিন্টু, ট্রেজারার এডভোকেট মোঃ নবেন্দু বিকাশ সর্বাধিকারী দোলন ও সাবেক আইটি সম্পাদক এডভোকেট এমএম মঈন এবং এডভোকেট বদিউল আলম সুজন প্রমুখ।
সিবিএ এডভোকেটস্ এর টিম ম্যানেজার হলেন- এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, প্রধান বির্বাচক এডভোকেট মোঃ ইলিয়াস মজুমদার, নির্বাচক এডভোকেট মোঃ মনিরুল ইসলাম ও এডভোকেট মোঃ আমজাদ হোসেন লিটন, হেড কোচ এডভোকেট মোঃ মহসিন ভূইয়া, সহ- হেড কোচ এডভোকেট মোঃ হারুনুর রশিদ সবুজ, ব্যাটিং কোচ এডভোকেট মোঃ নুরুদ্দীন মিয়াজি বুলবুল, বোলিং কোচ এডভোকেট মোঃ আতিকুর রহমান সুমন, ফিল্ডিং কোচ এডভোকেট মোঃ জুয়েল হোসেন, মিডিয়া ম্যানেজার এডভোকেট মোঃ তাপস চন্দ্র সরকার, মাইন্ড ট্রেইনার এডভোকেট শাহ্ আলম, সহঃ ব্যাটিং কোচ এডভোকেট আল নোমান সরকার ও সহঃ মিডিয়া কোচ এডভোকেট আবুল কাশেম এবং খেলোয়াড়েরা হলেন- এডভোকেট মোঃ মঈনুল আলম মনি, এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, এডভোকেট শওকত হাসান দিদার, এডভোকেট শাহাবুদ্দিন নাসেফ, এডভোকেট মোঃ মোবারক হোসেন, এডভোকেট মোঃ আবু হাসনাত মুন্সি পলাশ, এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, এডভোকেট মোঃ শেখ সাদী ভূইয়া, এডভোকেট মোঃ তাহের আলম নিপু, এডভোকেট মোঃ সোহেল আহাম্মদ, এডভোকেট মোঃ আলমগীর হোসাইন, এডভোকেট মোঃ মজিবুর রহমান (মুজিব), এডভোকেট মোঃ আরিফ হোসেন সৈকত, এডভোকেট রানা মজুমদার ও অধিনায়ক এডভোকেট মোঃ সালাহউদ্দিন মোমেন।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১টি আসনের ভোট গ্রহণের সরঞ্জামাদি কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন উপজেলা সদর থেকে আনসার-পুলিশসহ নির্বাচনি কর্মকর্তাদের তাদের স্ব স্ব কেন্দ্রে পাঠানোর আগে নির্দেশনা দিয়েছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাগণ।
শনিবার সকাল থেকে কুমিল্লা জিলা স্কুল মাঠ থেকে জেলার ১১টি আসনের ১৭টি উপজেলায় বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের সরঞ্জামাদি পাঠানোর কার্যক্রম শুরু হয়। রোববার ভোটগ্রহণের দিন সকালে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালট পেপার পাঠানো হবে।
কুমিল্লা জেলায় ১৪৩৫টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
পুলিশের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, তারা ১ হাজার কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান জানান, নির্বাচনি পরিবেশ পর্যবেক্ষণের জন্য জেলায় মোট ৯১ জন জুডিশিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্র্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। সাড়ে ৪ হাজার পুলিশ সদস্য, ১৭ হাজারেরও বেশি আনসার সদস্য, ৩৩ প্লাটুন বিজিবি ও সেনা বাহিনীর সদ্যস্যরা আইনশৃঙ্খলার কাজে নিয়োজিত থাকবেন।
মন্তব্য করুন


"মাদককে না বলি, মাদক ছেড়ে খেলা ধরি" এই মূল প্রতিপাদ্যে যুব ও ক্রীড়া এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার উদ্যোগে কুমিল্লার মুরাদনগরে অনুষ্ঠিত হয়েছে বৈষম্য বিরোধী শহীদদের স্মরণে টিভি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট।
গতকাল বিকেলে মুরাদনগর উপজেলার আকুবপুর ইয়াকুব আলী ভূইয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে খেলা শেষে আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক সৈয়দ তৌফিক আহামেদ মীর। বক্তব্য রাখেন মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক শাহআলম সরকার, ২নং আকুবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শিমুল বিল্লাল শিমুল, এডভোকেট আলী আশরাফ তাজু, ব্যবসায়ী আব্দুস ছাত্তারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
টুর্নামেন্টে ৬ জন শহীদের নামানুসারে ৬টি দল অংশগ্রহণ করে। ফাইনালে শহীদ শাকিল পারভেজ একাদশ ও শহীদ হোসাইন একাদশের মধ্যকার খেলায় নির্ধারিত সময়ে গোল শূন ড্র হয়। পরে ট্রাইব্রেকারে শহীদ শাকিল পারভেজ বিজয়ী এবং শহীদ হোসাইন একাদশ রানারআপ হয়।
খেলায় অংশগ্রহণ করা অন্য দলগুলো হলো শহীদ আবু সাইদ একাদশ, শহীদ ফয়সাল একাদশ, শহীদ হোসাইন একাদশ ও শহীদ শাকিল পারভেজ একাদশ।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
নগরীর বাগিচাগাঁও এলাকায় ভোক্তা অধিদপ্তরের একটি অভিযানে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে
অনিয়ম ও ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
আজ
বুধবার (২৮ মে) দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট
ব্যবহার ও প্রযুক্তিবিদ (টেকনোলজিস্ট) না থাকায় “কুমিল্লা তিতাস মেডিকেল” প্যাথলজিকে ৫০,০০০ টাকা
এবং আল নুর হাসপাতালের এক্স-রে বিভাগে রেডিওলজিস্ট না থাকায় ২০,০০০ টাকা জরিমানা করা
হয়।
ভোক্তা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা তিতাস মেডিকেলে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া রিএজেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছিল এবং সেখানে কোনো রেজিস্টার্ড মেডিকেল টেকনোলজিস্ট কর্মরত ছিলেন না। অন্যদিকে, আল নুর হাসপাতালে এক্স-রে পরীক্ষার সময় কোনো রেডিওলজিস্ট উপস্থিত না থাকায় রোগীদের সেবা বিঘ্নিত হচ্ছিল। এছাড়া, প্রতিষ্ঠান দুটি রোগীদেরকে প্রতিশ্রুতিসম্মত সেবা প্রদান করতে ব্যর্থ হয়।
ভোক্তা
অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর অধীন এ অনিয়মের জন্য মোট ৭০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
পাশাপাশি, ভবিষ্যতে সঠিকভাবে সেবা প্রদান ও নিয়ম মেনে চলার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া
হয়।
জাতীয়
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়ার নেতৃত্বে
এই অভিযান পরিচালিত হয়। তাকে সহযোগিতা করেন অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা
জেলা পুলিশের একটি টিম।
ভোক্তা
অধিদপ্তর জানিয়েছেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো প্রতিষ্ঠানই
ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে রেয়াত পাবে না।
মন্তব্য করুন


ভারতীয় সীমান্তে পাচারের সময় ৪৪০ কেজি
ইলিশ মাছ জব্দ করেছে বিজিবি।
শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন ৬০ বিজিবির অধিনায়ক এ এম জাবের বিন জব্বার।
তিনি বলেন, প্রথম প্রহরে কুমিল্লা জেলার
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী মনোরা নামক স্থানে পাওয়া যায় এসব ইলিশ।
তিনি জানান, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্ত
পিলার ২০৫৭২-এস হতে ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মনোরা নামক স্থানে এসব ইলিশ পাওয়া
যায়৷ এসময় কাউকে পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বিজিবি আসার খবরে এসব ইলিশ ফেলে পালিয়ে
যায় চোরাকারবারিরা।
৪৪০ কেজি ইলিশ মাছের মূল্য ৯ লাখ ৬৮
হাজার টাকা। ইলিশগুলো বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর বুড়িচংয়ের আনন্দপুর
সীমান্তে সাড়ে ৬০০ কেজি ইলিশ জব্দ করেছিলো বিজিবি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) জুলাই
গণঅভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদান প্রদান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
রবিবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভার্চুয়াল
ক্লাস রুমে ২৯ জন আহত শিক্ষার্থীকে জনপ্রতি ১০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ এবং আন্দোলন পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন, আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থী, সমন্বয়ক ও শিক্ষকরা।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বীর শিক্ষার্থীদের
সামনে দাঁড়াতে পেরে গর্ববোধ করছি। আমরা পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি, আহতদের
সাহায্য করা হবে, কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তোমাদের দাবি দাওয়া
গুলো শুনেছি, সেগুলো যৌক্তিক। তবে আমাদের সীমাবদ্ধতা গুলোকেও ভাবতে হবে। একজনের সিদ্ধান্তে
সবকিছু হতে পারে না। আমাদের সব কাজ হবে সম্মিলিতভাবে আলোচনার ভিত্তিতে। আগে অনেকেই
স্বৈরাচারের দলের হয়ে কাজ করেছেন। এখন একাধিক সমন্বয়ক দল তৈরি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে
আমাদের এগিয়ে যাওয়া কঠিন। আমাদের কাছে অনেকেই আসে কথা বলতে। তাদের অতীত ইতিহাস শুনলে
বিশ্বাস হয় না। আবার সুযোগ পেলে যে আগের চরিত্রে ফিরে যাবে না, তার কী গ্যারান্টি।
নৈতিকতার অবক্ষয়ের কারণে সব জায়গায় আমরা ঝামেলায় পড়ে যাচ্ছি।
বিশেষ অতিথি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক
ড. মাসুদা কামাল বলেন, জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার যে আন্দোলন হয়েছে তা পৃথিবীতে বিরল।
ছাত্ররা আবারও প্রমাণ করে দেখিয়েছে যে, ভীরুতা সমাধান নয় বরং সাহসিকতার সাথে নির্যাতনের
বিরুদ্ধে মোকাবিলা করাটাই কাম্য। তাই তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমাদের
প্রশাসনের কাজ সম্পর্কে কিছু কথা এসেছে, আমার
খুবই ভালো লেগেছে। আসলে আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে এবং আমরা ভুলের উর্ধ্বে নই।
বিশেষ অতিথি ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ
সোলায়মান বলেন, দেশকে ফ্যাসিবাদ মুক্ত করতে যারা আত্মত্যাগ করেছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত
কামনা করি। যতদিন এই বাংলাদেশ থাকবে ততদিন তাদের আত্মত্যাগ অম্লান থাকবে। আমরা প্রশাসনে
আসার পর থেকে আহত ছাত্রদের খোঁজ খবর রেখেছি এবং চেষ্টা করেছি কিভাবে তাদেরকে সহযোগিতা
করা যায়। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে আমরা এই উদ্যোগটি সফল করতে সক্ষম হয়েছি। আজকে এখানে
ছাত্র-ছাত্রীরা যে দাবিগুলো উপস্থাপন করেছে, আমি তাদের সাথে একমত।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবদুল হাকিম বলেন, আমাদের দায়িত্ব ছিল চেকগুলো তোমাদের বাসায় পৌঁছে দেওয়া। অবিশ্বাস্য ও অভূতপূর্ব ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে এই জেনজির হাত ধরে। তারাই বুঝিয়ে দিয়েছে সংগ্রামের পথেই মুক্তি। তোমরাই জাতির সূর্য সন্তান। তোমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ হবে বৈষম্যহীন। তোমাদের পাশে দাঁড়িয়েছি এটা বলব না, শুধু তোমাদের খোঁজ খবর নিয়েছি।
এছাড়াও আহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে
বক্তব্য রাখেন মোঃ ওমর ফারুক, মোঃ সাইফুল ইসলাম, ফরহাদ মিয়া কাউছার এবং সমন্বয়কদের
পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন মোজাম্মেল হোসেন আবীর ও জিয়া উদ্দিন মুহাম্মদ রুবেল।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৫২ কেজি গাঁজাসহ
২ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ।
বৃহস্পতিবার আনুমানিক রাত
১১টায় জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটি টিম কুমিল্লা জেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা
করে।
উক্ত অভিযানে গোয়েন্দা তথ্যের
ভিত্তিতে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ৫নং পাঁচতুবি ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ডুমুরিয়া
চাঁনপুর ব্রীজের দক্ষিণ পার্শ্বে রাস্তার উপর
হতে ৫২(বায়ান্ন) কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ মামুন মিয়া (৫২) ও মোঃ সুজন
মিয়া (৩৩)কে গ্রেফতার করা হয়।
উক্ত ঘটনায় কুমিল্লার কোতয়ালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে ।
মন্তব্য করুন


আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা
২০২৩ সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা পুলিশ কর্তৃক পূজা উদযাপন কমিটির সাথে মতবিনিময়
সভা অনুষ্ঠিত।
শনিবার সকাল ১১টায় কুমিল্লা
জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স শহীদ আরআই এ.বি.এম আব্দুল হালিম মিলনায়তনে আয়োজিত
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৩ উদযাপন উপলক্ষ্যে নিরাপত্তা প্রস্তুতি সংক্রান্ত সভায়
সভাপতিত্ব করেন, কুমিল্লা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম বার।
মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার
শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৩ উদযাপন উপলক্ষ্যে পূজা মণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতি ও প্রাসঙ্গিক বিষয়ে উপস্থিত সকলের মতামত শুনেন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সার্বিক
নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি পূজা পূর্ববর্তী ও পূজা চলাকালীন করণীয় বর্জনীয় এবং পূজা
উদযাপন কমিটি, নিরাপত্তা সহায়তা কমিটি সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সার্বিক দায়িত্ব-কর্তব্য
সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, আবহমান কাল ধরে
অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্ভাসিত লাল সবুজের এই বাংলাদেশ। জাতির পিতার এই বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতার
কোন স্থান নেই। আমরা সকলে মিলে উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠুভাবে কুমিল্লায় শারদীয় দুর্গোৎসব
উদযাপন করবো।
উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত
ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মংনেথোয়াই মারমা, খন্দকার আশফাকুজ্জামান
বিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্), নাজমুল হাসান অতিরিক্ত পুলিশ
সুপার (ট্রাফিক)সহ জেলা পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাগণ, অফিসার ইনচার্জগণ ও জেলা, মহানগর
ও উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২ কেজি ৫শ গ্রাম কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,সিপিসি-২।
গতকাল (২৭ এপ্রিল) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মোঃ সোহেল রানা (৩১) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১২.৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ সোহেল রানা (৩১) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার ময়নামতি গ্রামের মোঃ শাহ আলম এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
বরুড়া থানাধীন চাঞ্চল্যকর আব্দুস সাত্তার হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ০৫ আসামীকে কুমিল্লা
জেলাধীন দাউদকান্দি এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লা ও র্যাব-০২,
সিপিসি-৩, আগারগাঁও, ঢাকা এর যৌথ আভিযানিক দল।
গত
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখ কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানাধীন জালগাঁও গ্রামের ভিকটিম আব্দুস
সাত্তার (৫৫) খুন হয়। উক্ত ঘটনাটি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমসমূহে প্রচারিত হলে
এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বাদীর দায়েরকৃত এজাহারের মাধ্যমে জানা যায় যে, কুমিল্লা
জেলার বরুড়া থানার জালগাঁও গ্রামের বাসিন্দা ভিকটিম আব্দুস সাত্তার (৫৫) এর সাথে গ্রেফতারকৃত
আসামীদের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলতে থাকে। এরই জের ধরে গত ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখ
ভিকটিম তার নিজ জমিতে চাষাবাদ করতে গেলে গ্রেফতারকৃত আসামীরা ও সাথে থাকা অন্য পলাতক
আসামীরা লাঠিশোঠা দিয়ে ভিকটিমকে হত্যার উদ্দেশ্যে নির্মমভাবে মাথায় আঘাত করে। এর ফলে
ভিকটিম মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এসময় অন্যান্য আসামীরা তাদের সাথে থাকা লাঠি দিয়ে ভিকটিমকে
এলোপাতাড়িভাবে পিটিয়ে আহত করে। ভিকটিম বাঁচার আশায় সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময়
নিকটবর্তী একটি কচু ক্ষেতের জলার মধ্যে উপস্থিত হলে গ্রেফতারকৃত আসামী ইমন, রাজ্জাক
ও আজাদ তাদের সাথে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ভিকটিমের বাম পা ভেঙে দেয় এবং চাকু দিয়ে আঘাত করে
ভিকটিমের দুই পায়ের হাটুর নিচে ছিদ্র করে ফেলে। ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিত জেনে আসামীরা
দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের স্ত্রী সহ অন্যান্য লোকজন ভিকটিমকে
ঘটনাস্থল হতে উদ্ধার করে সিএনজি যোগে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত
চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের স্ত্রী রোশন আরা বেগম (৪০) বাদী হয়ে
কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
উক্ত
ঘটনার প্রেক্ষিতে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের নিমিত্তে
র্যাব-১১, কুমিল্লা ও র্যাব-০২, সিপিসি-৩, আগারগাঁও, ঢাকা মাঠ পর্যায়ে ছায়াতদন্ত
শুরু করে। ছায়া তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, কুমিল্লা
ও র্যাব-০২, সিপিসি-৩, আগারগাঁও, ঢাকা এর একটি আভিযানিক দল গত ১৮/০৯/২০২৩ ইং তারিখ
সকালে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার টোল প্লাজা এলাকায় একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা
করে। উক্ত অভিযানে এই হত্যা মামলার ০৪ নং আসামী ইমন @ রিমন (২০), পিতা-মোঃ বাবুল, ০৬
নং আসামী আব্দুর রাজ্জাক (৪৫), পিতা-মৃত আবুল হাসেম, ০৭ নং আসামী সেকান্দার আলী (৬০),
পিতা-মৃত কলিম উদ্দিন, ০৮ নং আসামী জয়নাল (৪৬), পিতা-মৃত আব্দুল গনি ও ০৯ নং আসামী
আজাদ (৪০), পিতা- মৃত আব্দুল গনি, সর্ব সাং- জালগাঁও, থানা-বরুড়া, জেলা-কুমিল্লা’কে
গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানায় হস্তান্তর
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ১৪ উপজেলাতেই লেগেছে বন্যার ছোবল। স্মরণকালের ভয়াবহতার শিকার হয়েছেন কুমিল্লাবাসী। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বুড়িচং, নাঙ্গলকোট, চৌদ্দগ্রাম ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা অন্তত আড়াই শ’ গ্রাম।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলাজুড়ে ৭২৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৭০ হাজারের মতো মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।
এদিকে গোমতী, সালদা ও ঘুংঘুর নদীর ভাঙনের মাঝে পড়ে বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ার মানুষ এখন পানির তলায়। ডুবছে দেবিদ্বারও। লাকসাম, মনোহরগঞ্জ, তিতাস উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে। বন্যায় বাড়ছে প্রাণহানি, ভাঙনের তোড়ে ভেসে গেছে বাড়িঘর খেত খামার, মাছের প্রজেক্ট।
সরকারি হিসেবে, বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন ২ শিশুসহ ৪ জন। বন্যাকবলিত ক্ষতিগ্রস্ত জনসংখ্যা সাড়ে ৯ লাখ, আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয়গ্রহণকারীর সংখ্যা ৬৭ হাজার। বেসরকারি হিসেবে, এসব সংখ্যা ছাড়িয়েছে বহু গুণ।
বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যাহত হওয়ায় খোঁজও নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না দুর্গত এলাকাগুলোর।
এ দিকে কৃষি বিভাগের তথ্য, ৬০ হেক্টর কৃষি জমি আক্রান্ত হয়েছে বন্যায়। পনিতে তলিয়ে যাওয়া সবজির আবাদ সবই বিনষ্ট হয়েছে।
বন্যাকবলিত এলাকায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি, স্বেচ্ছাসবী সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বিভিন্ন উপজেলায়। তবে নৌকা ও স্পিডবোট কম থাকার কারণে সেসব ত্রাণও সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে উদ্ধার কাজও ব্যাহত হচ্ছে প্রকটভাবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান বলেন, বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরের পানিও ঝুঁকির। বর্তমানে গোমতীর পানি বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঘণ্টায় দেড় থেকে ২ সেন্টিমিটার পানি কমছে।
মন্তব্য করুন