

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তি। সংগঠনটির চবি শাখার প্রথম কমিটিতে নেতৃত্বে আসছেন আব্দুল্লাহ আল মাহাতির ও মো. ইসমাইল।
শুক্রবার (৮ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খান তালাত মাহমুদ রাফি।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকানের সঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
ওই বৈঠকেই ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খান তালাত মাহমুদ রাফি প্রথমবারের মতো চবি শাখা ছাত্রশক্তির সম্ভাব্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করেন।
ঘোষণা অনুযায়ী, সভাপতি পদে থাকছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহাতির এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে থাকছেন ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইসমাইল।
এসময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক জোবাইরুল হাসান আরিফসহ সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতারা। সূত্র জানায়, এ সপ্তাহের মধ্যেই ৫ বা ৭ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।
সম্ভাব্য সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহাতির বলেন, “ক্যাম্পাসে ছাত্রশক্তির অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী রয়েছে। আনুষ্ঠানিক কমিটি গঠিত হলে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গুছিয়ে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।”
এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতা খান তালাত মাহমুদ রাফি বলেন, “আগামী দুয়েক দিনের মধ্যেই চবি শাখার অফিসিয়াল কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।”
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’ বিলুপ্ত করে জাতীয় ছাত্রশক্তি গঠন করা হয়। সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিক কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
বায়েজীদ বোস্তামী থানাধীন বার্মা কলোনী’র শিশু রুজিনা (৫)কে অপহরণ এবং হত্যা মামলার
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোঃ দুলালকে ঢাকার আশুলিয়া হতে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭,
চট্টগ্রাম।
গত
৮ ডিসেম্বর ২০০০ তারিখে চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজীদ বোস্তামী থানাধীন উত্তর বার্মা
কলোনী এলাকার শিশু রুজিনা (৫)কে প্রতিবেশী জসিম উদ্দিন ইকবাল তার ঘরে আটকে রাখে। পরবর্তীতে
শিশু রোজিনাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বস্তায় ঢুকিয়ে আলমিরাতে লুকিয়ে রাখে। এদিকে
শিশু রুজিনার পরিবার পাগলের মত হয়ে মেয়েকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে এবং সবার সাথে জসিম
নিজেও রুজিনাকে খোঁজাখুঁজি করে। একপর্যায়ে জসিম নিজে বাদী থেকে টাকা নিয়ে মাইকে নিখোঁজ
সংবাদ প্রচার করে। রাত আনুমানিক ৯:০০ ঘটিকায় আসামী জসিম উদ্দিন ইকবাল এবং তার স্ত্রী
পারভিন আক্তার ও মোঃ দুলাল একটি চিরকুটি নিয়ে ভিকটিমের মার ঘরে হাজির হয়। চিরকুট কমন
টয়লেটের সামনে পাওয়া গেছে মর্মে উল্লেখ করা হয়। চিরকুটে ১২ হাজার টাকা নিয়ে কাফকোর
পাশে পাহাড়ে গেলে সেখানে নিখোঁজ রুজিনাকে ফেরত দেয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু
৩ জনের কথাবর্তা অসংলগ্ন মনে হওয়ায় উপস্থিত লোকজন ৩ জনকেই আটক করে রাখে। গভীর রাতে
প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার কথা বলে কৌশলে জসিম উদ্দিন ইকবাল পালিয়ে যায়। পরদিন জসিম
উদ্দিন ইকবালের গৃহে তল্লাশি চালিয়ে তার ঘরের আলমিরা হতে শিশু রুজিনার বস্তাবন্দি লাশ
উদ্ধার করা হয়।
উক্ত
ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে বায়েজীদ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং
০৮(১২)২০০০, ধারা-৩০২/৩৪। মামলা রুজুর পর পুলিশ পারভীন ও দুলালকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে
আসামী ২ জন জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায়
আদালতে হাজিরা না দেওয়ায় আসামীদের অনুপস্থিতে বিজ্ঞ আদালত পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন
এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামী সন্ত্রাসী জসিম উদ্দিন ইকবাল ও তার স্ত্রী
পারভীনকে মৃত্যুদন্ড এবং দুলালকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে
আরো ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ প্রদান করে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।
র্যাব-৭,
চট্টগ্রাম গোপন সূত্রে জানতে পারে যে, পলাতক আসামি দুলাল ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানা এলাকায়
অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-১, ঢাকা এর একটি
যৌথ আভিযানিক দল গত ১৯ আগস্ট ২০২৩ ইং বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে আসামী দুলালকে
গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: দুলাল (৪২), পিতা-মোঃ ছলিমুদ্দিন, সাং-নয়া চৈতাপাড়া, থানা কলমাকান্দা,
জেলা-নেত্রকোনা বর্তমানে-উত্তর বার্মা কলোনী, থানা-বায়েজীদ বোস্তামী, জেলা-চট্টগ্রাম।
গ্রেফতারকৃত
আসামী সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দেশে ভোটার তালিকা হালনাগাদ নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তালিকা অনুযায়ী দেশে বর্তমানে মোট ভোটার ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ২১ লাখ ৪৪ হাজার ৫৮৭ জন। নারী ভোটার ৫ কোটি ৯৭ লাখ ৪ হাজার ৬৪১ জন। আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৯৩২ জন।
শনিবার (২ মার্চ) এ তালিকা প্রকাশ করে ইসি।ভোটার তালিকা হালনাগাদে ২ দশমিক ২৬ শতাংশ ভোটার বেড়েছে। গত বছর ২ মার্চ দেশে মোট ভোটার ছিল ১১ কোটি ৯১ লাখ ৫১ হাজার ৪৪০ জন।
এর আগে এ বছর ২১ জানুয়ারি ২০২৩ সালের হালনাগাদ করা খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করে ইসি। সেই সময় হালনাগাদে যুক্ত হয়েছিল ২০ লাখ ৮৬ হাজার ভোটার যুক্ত হয়েছিল। ওই তালিকার পর দাবি আপত্তি গ্রহণ ও নিষ্পত্তি শেষে ২ মার্চ ভোটার দিবসে নতুন ভোটার তালিকা প্রকাশ করে ইসি।
মন্তব্য করুন


রংপুরে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) পদে মাঠ পরীক্ষা দিতে গিয়ে ফারিজুল ইসলাম নামের এক যুবকের তীব্র দাবদাহে স্ট্রোক করে মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (৭ জুন ২০২৩ইং) দুপুরে রংপুর শেখ রাসেল স্টেডিয়ামে মাঠ পরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে নেওয়া হয়। ওই দিন রাত ৯টায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফারিজুলের মৃত্যু হয়েছে।
রংপুর জেলার মিঠাপুকুরের কোমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে ফারিজুল ইসলাম কর্মরত ছিলেন। দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি। ফারিজুলের বাড়ি মিঠাপুকুর উপজেলার চেংমারি ইউনিয়নে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার আবু মারুফ হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, এসআই নিয়োগের মাঠ পরীক্ষা চলাকালীন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যান ফারিজুল। সঙ্গে সঙ্গে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। পরে রাত ৯টার দিকে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
তিনি আরও জানান, তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজে রাখা আছে। ময়নাতদন্তের পর বোঝা যাবে আসলে কী কারণে মারা গেছেন।
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে ফারিদুলের মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসক তার মৃত্যু সনদে উল্লেখ করেছেন বলে পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


আজ (৮ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামে যাবেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক
হাসনাত আবদুল্লাহ এবং মুন্সিগঞ্জ যাবেন সমন্বয়ক সারজিস আলম।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তারা এ তথ্য জানান।
গতকাল সমন্বয়ক ফেসবুকে হাসনাত আবদুল্লাহ
জানান, প্রিয় চট্টগ্রামবাসী! আগামীকাল (রোববার) ৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সফর। এ সফরের অংশ হিসেবে আমাদের একটি সমন্বয়ক
টিম প্রত্যেকটি জেলার অভ্যুত্থান ঘটানো ছাত্র-জনতার সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করবে।
সফরের প্রথম জেলা হিসেবে আগামীকাল চট্টগ্রামে দুটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। ছাত্র-জনতার
সঙ্গে মতবিনিময় নিয়ে প্রথম সভাটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।
একইদিনে ছাত্র-জনতার সঙ্গে মতবিনিময়
নিয়ে দ্বিতীয় সভাটি চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘির ময়দানে বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে।
রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ ছাত্র-জনতার সঙ্গে আগামীকাল দেখা হবে, ইনশাআল্লাহ।
মুন্সিগঞ্জে’শিরোনামে আরেকটি স্ট্যাটাস
দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম।
তিনি ফেসবুকে লেখেন, আগামীকাল রোববার
(৮ আগস্ট) থেকে শুরু হচ্ছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সফর।
যেখানে আমাদের একটি সমন্বয়ক টিম প্রত্যেকটি জেলার অভ্যুত্থান ঘটানো ছাত্র-জনতার সঙ্গে
মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করবে। ঢাকা বিভাগীয় সফরের প্রথম জেলা হিসেবে আগামীকাল মুন্সিগঞ্জে
সেই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ছাত্র-জনতার সঙ্গে মতবিনিময়
সভা হবে মুন্সিগঞ্জের সরকারি হরগঙ্গা কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে বিকেল ৩টায়। রক্তের বন্ধনে
আবদ্ধ ছাত্র-জনতার সঙ্গে আগামীকাল দেখা হচ্ছে ইনশাআল্লাহ।
মন্তব্য করুন


‘বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনে’ আহতদের দেখতে সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ ঢাকা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে যান। বাচ্চাদের সুচিকিৎসা সরকারের প্রধান ম্যান্ডেট। এই বাচ্চাদের যদি
নিরাপদ জীবন দিতে না পারি তাহলে আমরা অকৃজ্ঞ জাতি হবো।
এ
সময় উপস্থিত সাংবাদিকদেরকে তিনি বলেন, এ আন্দোলনে আহত-নিহতদের হাসপাতালের রেজিস্ট্রার
থেকে তথ্য নিয়ে সবার ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। আহতের পুনর্বাসনের জন্য যা যা করার সমাজকল্যাণ
মন্ত্রণালয় তার নৈতিকতার জায়গা থেকে করবে। আহতদের পুনর্বাসিত করবে মন্ত্রণালয়।
সোমবার
(১৯ আগস্ট) ছাত্র আন্দোলনে আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে এসব কথা
বলেন তিনি।
তিনি
এ সময় আহতদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন।
এ
সময় উপস্থিত চিকিৎসকদের বলেন, সুচিকিৎসার জন্য যা যা করতে হবে সব করার অঙ্গীকার ব্যক্ত
করেন। তিনি যত্ন, ভালোবাসা, সুচিকিৎসা ও সেবার মান এবং আন্তরিকতার জন্য ধন্যবাদ জানান
কর্তব্যরত চিকিৎসকদের।
তিনি
বলেন, আমরা নতুন করে ডাক্তারদের পেলাম নতুন করে চিকিৎসা সেবা দেখলাম। এই ডাক্তার ও
সেবাই চায় নতুন বাংলাদেশ।
উপদেষ্টা
উপস্থিত মিডিয়ার প্রতিনিধিদের কাছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের তথ্য দেয়ার
অনুরোধ জানান। এর জন্য মন্ত্রণালয় একটি সেল খোলা কথাও জানান উপদেষ্টা।
এ
সময় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. সফিকুর রহমান, ঢাকা মেডিক্যালের
উপ-পরিচালক ডা. মো. খালেকুজ্জামান, সহকারী পরিচালক ডা. আশ্রাফুল আলম, ডা. আব্দুর রহমান
ও ডা. আ. সামাদ সহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ নম্বর বান্দরবান আসনের ১৮২ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে দুর্গম ১২টি ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনী সামগ্রী ও নির্বাচনী জনবল আনা নেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হবে হেলিকপ্টার ।
রোববার দুর্গম ও যাতায়াত ব্যবস্থা স্বাভাবিক না থাকায় এসব কেন্দ্রে হেলিকপ্টার ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে বলে জানান জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন।
তিনি বলেন, ১২টি হেলিস্যুটি ভোটকেন্দ্রগুলোর মধ্যে রোয়াংছড়ি উপজেলায় ১টি, রুমা উপজেলায় ৩টি, থানচি উপজেলায় ৭টি ও আলীকদম উপজেলায় ১টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বান্দরবানের ৭ উপজেলার ২ পৌরসভা ও ৩৪টি ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮৮ হাজার ২৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৪৮হাজার ৫৮৩জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৬ জন। ১৮২টি কেন্দ্রে ভোটকক্ষ থাকবে ৭২৭টি।
বান্দরবানের রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করার জন্য সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দুর্গম এলাকার ১২টি হেলিস্যুটি ভোটকেন্দ্রে সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সহায়তায় হেলিকপ্টারের মাধ্যমে যাবতীয় নির্বাচনী সরঞ্জাম ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের আনা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনি প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি।
মন্তব্য করুন


কাজের ক্ষেত্রে কারো রক্তচক্ষু বা ধমক
আমলে না নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মাঠ প্রশাসনকে
আইন অনুযায়ী দেশের জন্য কাজ করতে বলেছেন।
আজ রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে
১০টায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হলে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, কারও রক্তচক্ষুর কারণে, কারো ধমকের কারণে কোনো কাজ করার প্রয়োজন নাই। আমি
নিজের মতো করে যেটাই আইন, যেটা দেশের জন্য করা দরকার সেটা করবো। সে কাজেই আমি ব্যস্ত
থাকবো যাতে আমি করতে পারি।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, বিনা কারণে মানুষকে হয়রানি করা হয়। হয়রানি
করাটাই যেন আমাদের ধর্ম! সরকার মানেই মানুষকে হয়রানি—এটার থেকে উল্টে দাও। সরকার ভিন্ন জিনিস,
আপনার অধিকার আপনার দরজায় পৌঁছে দেওয়া আমাদের কাজ। এটাই যেন আমরা স্মরণ রাখি।
দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ
অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা যেহেতু এমন পরিস্থিতিতে
এসেছি, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা মস্ত বড় ইস্যু হয়ে গেল। এটাতে আমরা কে কী পরিমাণে
অগ্রসর হলাম, কী করণীয়—এটা
এক নম্বর বিবেচ্য বিষয়। আইন-শৃঙ্খলায় আমরা যেন বিফল না হই, কারণ এটাতে আমাদের সমস্ত
অর্জন সফলভাবে অর্জিত হতে বা বিফলতায় পর্যবসিত হতে পারে। সেটাই নিয়ে এই সম্মেলনে আলোচনা
হোক। ফিরে যাওয়ার পর যেন এটা বোঝার মধ্যে কোনো গলদ না থাকে।
মন্তব্য করুন


দেশের চলমান পরিস্থিতিতে জনসাধারণের
জান- মাল ও সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ড রোধ ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে
দেশব্যাপী নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ অক্টোবর ২০২৪
(শনিবার) আনুমানিক রাত ১০টার দিকে মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র
ব্রিগেড,র্যাব এবং পুলিশের সমন্বয়ে এই যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। এই অভিযানে সেনাবাহিনী,র্যাব
এবং পুলিশের একাধিক দল অংশগ্রহণ করে।
নিরাপত্তাহীনতায় নিমজ্জিত মোহাম্মদপুরবাসীর জীবনে স্বস্তি আনয়নের লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর এ অভিযান সুপরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়। এই অভিযানে মোহাম্মদপুর এলাকা হতে ৪৫ জন অপরাধী (০৯ টি দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ) গ্রেপ্তার হয়। ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাপ্রাপ্তির পর থেকে মোহাম্মদপুর, আদাবর এবং শের-ই-বাংলানগর থানাধীন ১৫২ জন অপরাধী, ১৮টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২৭১ রাউন্ড গোলাবারুদ, ১৭২ ধরনের বিভিন্ন দেশী বিদেশী অস্ত্র, ১টি গ্রেনেড এবং বিপুল পরিমাণ নেশাজাত দ্রব্য উদ্ধার হয়। সন্ত্রাস দমন এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারের পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদেরকে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বুধবার অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অর্থ আত্মসাৎকারীদের স্থানীয় সম্পদ অধিগ্রহণ এবং বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরানোর কাজ শুরু করেছে সরকার।
এতে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোর নতুন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ বিএফআইইউ, পুলিশের সিআইডি ও দুদকের সহায়তায় আত্মসাৎকারীদের স্থানীয় সম্পদ অধিগ্রহণ এবং বিদেশে পাচার করা অর্থ প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থ পুনরুদ্ধারে কাজ শুরু হয়েছে।
সরকার খুব শিগগির একটি ব্যাংকিং কমিশন গঠন করবে, যারা সংশ্লিষ্ট প্রতিটি ব্যাংকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করবে এবং ব্যাংকগুলোর
পুনর্গঠনের জন্য ছয় মাসের মধ্যে একটি বাস্তবায়নযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়ন করবে।
কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও অন্যান্য প্রভাবশালী ব্যক্তি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাংকিং খাতে ব্যাপক দুর্নীতি ও প্রতারণার মাধ্যমে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন এবং বিদেশে পাচার করেছেন। এর সঠিক পরিমাণ নির্ণয়ের কাজ চলমান আছে। এই আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ লক্ষাধিক কোটি টাকার ওপরে বলে ধারণা করা যায়।
অর্থ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বিভিন্ন বিদেশি সংস্থার সহায়তা চেয়ে ইতিমধ্যে যোগাযোগ শুরু করা হয়েছে।
এ ধরনের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইতিমধ্যে সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংকের পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে। অবশিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে
সংস্কার কার্যক্রম শুরু করা হবে।
নতুন ব্যবস্থাপনা
কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা এসব অর্থের প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং তাদের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থের প্রকৃত পরিমাণ নির্ণয়ে অডিট কার্যক্রম শুরু করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের লক্ষ্য হলো সব আন্তর্জাতিক
মানদণ্ড পরিপালনে সক্ষম একটি শক্তিশালী ব্যাংকিং খাত গড়ে তোলা। তবে এই উদ্দেশ্য অর্জনের কার্যক্রম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কারিগরি সহায়তা ও অর্থের প্রয়োজন হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার অর্থ আত্মসাৎকারীদের দেশি-বিদেশি সম্পদ অধিগ্রহণ ও বিদেশ থেকে ফেরত এনে ব্যাংকগুলোকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে কার্যক্রম হাতে নিচ্ছে। ব্যাংকগুলোর এই পুনর্গঠন ও আর্থিক খাতের কাঠামোগত সংস্কার সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে সরকার বাংলাদেশের আর্থিক খাতকে আন্তর্জাতিক
মানের করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
মন্তব্য করুন