

রফিকুল ইসলাম বাবু, চাঁদপুর:
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে মা ছালেহা খাতুনকে
(৮০) মারধর করে হত্যার দায়ে ছেলে আবুল কালাম বাহারকে (৫০) যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০
হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত।
মঙ্গলবার চাঁদপুরের জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা
জজ মো. মহিসনুল হক এই রায় দেন।
হত্যার শিকার ছালেহা খাতুন জেলার ফরিদগঞ্জ
উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের পূর্ব ধানুয়া গ্রামের মিজি বাড়ীর মৃত আব্দুল খালেক
মিজির স্ত্রী এবং কারাদন্ড প্রাপ্ত আবুল কালাম বাহারের ছেলে।
মামলার বিবরণ ও বাদী মো. রুহুল আমিন মিজির
সাথে আলাপ করে জানাগেছে, আসামী বাহার এক সময় প্রবাসে ছিলেন। দেশে ফিরে সে অনেক সময়
এলোমেলো কথাবার্তা বলতেন। যার কারণে তার স্ত্রী চলে যায়। এরপরে বিভিন্ন সময়ে বাহার
তার মাকে মারধর করে আহত করত। ঘটনার দিন ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই দিনগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে
মায়ের ঘরে প্রবেশ করে অতর্কিতভাবে মারধর করে বাহার। ধাক্কা ধাক্কির এক পর্যায়ে ঘরের
স্টীলের দরজার আংটা মায়ের চোখে ডুকে যায় এবং তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। ঘরের অন্য সদস্যরা
চিৎকার দিলে লোকজন এগিয়ে আসে এবং ছালেহা খাতুনকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল
হাপসাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ফরিদগঞ্জ
ও চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ মরদেহ সুরতহাল করে ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের নিকট ছালেহা
বেগমের মরদেহ হস্তান্তর করেন।
এই ঘটনায় ছালেহা খাতুনের মেয়ের জামাতা মো.
রুহুল আমিন মিজি ঘটনার পরিদন ২৪ জুলাই ফরিদঞ্জ থানায় আবুল কালাম বাহারকে আসামী করে
হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়
ফরিদগঞ্জ থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী মো. জাকারিয়াকে। তিনি মামলাটি তদন্ত
শেষে ওই বছর ১৩ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।
সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটার
(পিপি) রনজিত রায় চৌধুরী বলেন, মামলাটি ৪ বছরের অধিক সময় চলাকালীন সময়ে আদালত ১২জনের
স্বাক্ষ্য গ্রহন করেন। স্বাক্ষ্য গ্রহন ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আসামীর অপরাধ
প্রমাণিত হওয়ায় এই রায় দেন। রায়ের সময় আসামী আবুল কালাম বাহার উপস্থিত ছিলেন।
আসামী পক্ষে সরকার থেকে নিযুক্ত (এসডিএলআর)
আইনজীবী ছিলেন, অ্যাডভোকেট সফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের
পতেঙ্গা থানার আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর শিশু অপহরণ ও মুক্তিপন আদায় মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত
পলাতক আসামি শামিম মাহমুদ বাপ্পীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
অপহৃত
শিশু (ভুক্তভোগী) অপহরণের এক মাস পূর্বে উক্ত মামলার আসামী আসমা ও শামিম মাহমুদ বাপ্পি স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ভুক্তভোগীর পিতা: হাবিবুর
রহমান এর বাসায় সাবলেট হিসাবে ভাড়া নেয়। ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক ৭ টায় হাবিবুর রহমানের
৭ মাস বয়সী শিশুকে শামীম মাহমুদ তার সাজানো স্ত্রী আসমা এবং অপরাপর সহযোগীদের সহায়তায়
কৌশলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে শামীম মাহমুদ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অপহৃত শিশুর
পিতার কাছে মুক্তিপন হিসাবে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। অপহৃত শিশুর পিতা-মাতা নিরুপায়
হয়ে প্রাথমিকভাবে বিকাশের মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা পাঠায় এবং বিষয়টি চট্টগ্রাম জেলার পতেঙ্গা
থানা পুলিশকে অবহিত করে।
পরবর্তীতে
পতেঙ্গা থানা পুলিশের প্রচেষ্টায় চট্টগ্রাম জেলার কর্ণেল হাট এলাকা থেকে মূল অপহরণকারী
শামিম মাহমুদ বাপ্পিকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃত আসামী শামিম মাহমুদের তথ্য মতে একই
এলাকা থেকে অপহরণের সাথে সম্পৃক্ত আরো দুজন আসামী আলাউদ্দিন ও তার পাতানো স্ত্রী আসমা
বেগমেকে আটক এবং অপহৃত শিশুকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। অপহৃত শিশু উদ্ধার পরবর্তী সময়ে
ভিকটিমের পিতা হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জেলার পতেঙ্গা থানায় শামিম মাহমুদ
বাপ্পিকে মুল আসামী এবং তার স্ত্রী আসমা বেগম ও আলাউদ্দিনের নাম উল্লেখ করে একটি অপহরণ
মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৪(০৯)১৬; ধারা-৭/৮;২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন
ও দমন আইন (সংশোধিত ২০০৩)। মামলা রুজুর ৬ মাস পর আসামী জামিনে বের হয়ে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে
চলে যায়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় আদালতে হাজিরা না দেওয়ার আসামীর অনুপস্থিতে বিজ্ঞ আদালত
পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামী শামিম মাহমুদ বাপ্পিকে
যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ২ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ১ বছরের সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত
প্রদান করে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।
র্যাব-৭,
চট্টগ্রাম গোপন সূত্রে জানতে পারে যে, উক্ত পলাতক আসামি শামিম মাহমুদ বাপ্পি চট্টগ্রাম
মহানগরীর ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী রোড সংলগ্ন খালপাড় এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের
ভিত্তিতে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-৩, ঢাকা এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গত ১৮ আগস্ট ২০২৩ ইং তারিখে উক্ত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে আসামী শামিম মাহমুদ
বাপ্পিকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: শামিম মাহমুদ বাপ্পি (৩৪), পিতা- আব্দুল
মান্নান , সাং-দক্ষিণ করিমপুর, থানা- দাগনভূইয়া, জেলা- ফেনী।
গ্রেফতারকৃত
আসামী সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর
করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বিড়াল প্রেমীদের জন্য একটি বিশ্বস্ত নাম Cat's Home বিড়ালের বাড়ি। এখানে বিড়ালের অভিভাবকরা কোথাও বেড়াতে গেলে তাদের আদরের প্রানীটি রেখে যান Cat's Home বিড়ালের বাড়িতে। এ জন্য তাদের দিতে হয় না কোন খরচ। এছাড়া বিড়ালের চিকিৎসার জন্য প্রতি মাসে একজন ভেট বসেন Cat's Home বিড়ালের বাড়িতে।
বর্তমানে নবাব, সিম্বা, পেজকুনি, পুষ্প, রুড গুলিত, ব্যানজামা, ভিনিসিয়াস, জ্যাক, মিনু, ডিউক, ক্যামেলিয়া, রোনালদো, প্রিসিলা, এমবাপে, মুয়েজ্জা ও কয়েকজন অতিথিসহ ২০ জন।
দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন, কুমিল্লা বিভিন্ন সামাজিক কাজের পাশাপাশি পশু-প্রানীদের ভালবেসে ৭ ডিসেম্বর ২০২২ সালে প্রথম চিকিৎসা ক্যাম্প করে প্রায় ৪০ টি বিড়াল ও কুকুরের চিকিৎসা প্রদান করে। এ পর্যন্ত ১১ টি ক্যাম্পে প্রায় সাড়ে ৫ শতাধিক কুকুর-বিড়ালের চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এখানে রেসকিউ করা কুকুর বিড়ালের চিকিৎসা ফ্রি করা হয়। মানবিক কারনে ভেট মারুফ হাসান ইমরান কিছু ছাড় দিয়ে চিকিৎসা প্রদান করেন। দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন, কুমিল্লা পশু প্রানীদের ভালবেসে এই চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করছে।
Cat's Home বিড়ালের বাড়ি এর স্বত্তাধিকারী মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন রনী জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২ টা বিড়াল এডপশনের পোস্ট দেখে তার বিড়াল পোষার শখ হয়। যোগাযোগ করে এক ডাক্তারের কাজ থেকে নবাব-সিম্বা নামের তার আদরে ২ টা বিড়াল এডপশন নিয়ে শুরু করেন বিড়াল পোষা।
তিনি আরো জানান, প্রথমদিকে শখের বসে কুমিল্লা, নারায়নগঞ্জ, সাভারের বিরুলিয়া, মীরপুর শেওরাপাড়া থেকে কয়েকটি বিড়াল সংগ্রহ করলেও কিছু মানুষের অনুরোধ রাখতে গিয়ে বর্তমানে বিড়ালের সংখ্যা ১৫ টি। মাঝে মাঝে বিপদগ্রস্ত বিড়ালের অভিভাবকরা তাদের প্রিয় পোশা প্রানীটিকে Cat's Home বিড়ালের বাড়ি তে রেখে যায় নিরাপদ আশ্রয় ভেবে। এ জন্য কোন থাকা, খাওয়া, চিকিৎসা ফ্রি করা হয়। কোন প্রকার খরচ কারো থেকে নেয়া হয় না।
বিড়াল প্রেমী লাকি রহমান জানান, কুমিল্লায় বিড়ালের ভাল চিকিৎসক কম। তাছাড়া সার্জারি করার মতো ভেট পাওয়া যেত না। Cat's Home বিড়ালের বাড়িতে ক্যাম্প করার কারনে বিড়ালের অভিভাবকরা বিড়ালের চিকিৎসার প্রতি সচেতন হচ্ছেন।
আরেক বিড়াল প্রেমী শায়লা শিলা জানান, আমরা কোথাও বিড়াল কুকুরকে অসহায় অবস্থায় দেখলে রেসকিউ করি। রেসকিউ করার পর চিকিৎসা দেয়া কঠিন ছিল। Cat's Home বিড়ালের বাড়িতে ক্যাম্প হওয়ায় আমরা বিনা পয়সায় চিকিৎসার সুযোগ পাচ্ছি।
ভেট মারুফ হাসান ইমরান জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাইফ উদ্দিন রনীর ভাইয়ের পোস্ট দেখে মানবিক কারনে তিনি ওনার ডাকে সারা দিলেন। কুমিল্লায় পোষা প্রানীদের প্রতি তাদের অভিভাবকদের আন্তরিকতা দেখে তিনি অভিভুত।
নিজের কষ্টের কথা বলতে না পারা এই অসহায় প্রানীরা যেন বিনা চিকিৎসা বা ভুল চিকিৎসায় মারা না যায়, তার জন্য কাজ করে যাব ইনশালাল্লাহ। সহযোগিতা পেলে এই প্রানীদের জন্য একটা চিকিৎসা কেন্দ্র খোলার পরিকল্পনা আছে দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন, কুমিল্লার। সারাদেশে অসহায় পশু-প্রানী উদ্ধারে অনেক টিম কাজ করে। অনেক জায়গায় টিমের স্পনসর থাকলেও কুমিল্লায় কাজ করা টিম তেমন স্পনসর নাই। অর্থের অভাবে প্রয়োজনী সরঞ্জাম কিনতে পারে না। নিজেরা অর্থের ব্যবস্থা করে উদ্ধার কাজ করতে হয় তাদের। বিত্তবানদের প্রতি উদ্ধার টিমকে স্পনসর করে অসহায় পশু-প্রানীদের পাশে দাড়ানোর আহবান জানান দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন, কুমিল্লা ও Cat's Home বিড়ালের বাড়ি’র সাইফ উদ্দিন রনী ।
মন্তব্য করুন


মেয়ে শিশু জন্ম নেওয়ায় ওই নবজাতককে মা-বাবা ও পরিবারের সদস্যরা নবজাতককে হাসপাতালে ফেলে পালিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে ওই ঘটনাটি ঘটে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে। বিষয়টি জানাজানি হয় বিকেলে।
নবজাতক রেখে পালিয়ে যাওয়া দম্পতি হলো আলমগীর হোসেন ও পাপিয়া খাতুন। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামের বাসিন্দা ওই নবজাতককে মা-বাবা।
নিজেদের সন্তান হাসপাতালে ফেলে পালানোর বিষয়ে জানা যায়, তিন মেয়ের পর এবার ছেলেসন্তানের আশায় বুক বেঁধেছিলেন এ দম্পতি। ফের কন্যাসন্তান হলে স্ত্রী পাপিয়াকে তালাকের হুমকিও দেন আলমগীর! কিন্তু এবারও কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন পাপিয়া। তাই তারা হাসপাতালে সন্তান রেখেই পালিয়ে গেছেন।
হাসপাতাল থেকে জানা গেছে, প্রসব বেদনা উঠলে সকাল ৭টা ৪৩ মিনিটে পাপিয়া খাতুনকে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানেই কন্যাসন্তান প্রসব করেন পাপিয়া। পরে তাকে ভর্তি করা হয় গাইনি ওয়ার্ডে। কিছুক্ষণ পর নবজাতককে আলমডাঙ্গা উপজেলার ছত্রপাড়া গ্রামের বিলকিস বানু নামে এক নারীর কাছে রেখে পালিয়ে যান ওই নবজাতকের মা-বাবা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।
খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিদ্দিকা সোহেলী রশীদ ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী।
পরে নবজাতকটিকে সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স মালেকা খাতুনের তত্ত্বাবধায়নে রাখা হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা ওই নবজাতকের নাম রাখেন ‘পুষ্প’।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেন, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ওয়াহেদ মাহমুদ রবিন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী জানান, ওই দম্পতি হাসপাতালে যে নাম ও ঠিকানা দিয়েছেন তা যাচাই করা হয়েছে। তারা ভুল তথ্য দিয়েছেন। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ও ছবি দেখে ওই নারী ও তার স্বজনদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
নবজাতকটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়নে রয়েছে। প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন মধ্যম আশ্রাফপুর এলাকা হতে ২০ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ২০ নভেম্বর সোমবার রাতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন মধ্যম আশ্রাফপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ২০ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী নরসিংদী জেলার পলাশ থানার পলাশ (নতুন বাজার) গ্রামের শেখ আবুল খায়ের এর ছেলে শেখ জুম্মন (২৫)।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ নরসিংদী, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


তাড়াশ উপজেলায় নিজ বাড়িতে একই পরিবারে তিনজনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছ ।
এ ঘটনায় সিআইডি ও পিবিআই তদন্ত শুরু করেছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামিউল আলম ঘটনাস্থলে থেকে সার্বিক বিষয় তদারকি করছেন।
মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) ভোরে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার পৌর শহরের বারোয়ারী বটতলা মহল্লার নিজ বাড়ি থেকে একই পরিবারের স্বামী, স্ত্রী ও তাদের মেয়ের (তিন জনের) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সকাল ৮টায় নিহতের বাসায় তারা উৎসুক জনতার প্রবেশ সংরক্ষিত করে এ কার্যক্রম শুরু করে।
নিহত বিকাশ সরকার (৪৫) হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের তাড়াশ উপজেলা শাখার কোষাধ্যক্ষ ও তাড়াশ গোপাল জিউ বিগ্রহেরও কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। আর নিহতের বড়ভাই প্রকাশ চন্দ্র সরকার তাড়াশ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। তারা দুই ভাই পৃথকভাবে ওই বাসার তৃতীয় তলার আলাদা দুটি ফ্লাটের বসবাস করতেন।
তাদের লাশ উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
উল্লেখ্য, এলাকাবাসী জানায়, দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে গোপনে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে হত্যার পর লাশ ফেলে, ফ্ল্যাটে তালা লাগিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। স্বজনরা দুদিন ধরে তাদের খোঁজ না পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশগুলো উদ্ধার করে।
মন্তব্য করুন


ফেনী
জেলার ফেনী মডেল থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৭ কেজি গাঁজাসহ ১ জন রোহিঙ্গা নাগরিক’কে
গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
র্যাব-৭,
চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী ফেনী জেলার ফেনী
মডেল থানাধীন নোয়াখালী টু ফেনীগামী পাঁকা রাস্তার উপর দুইটি বস্তা ভর্তি মাদকদ্রব্যসহ
গাড়ীতে উঠার জন্য অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক
দল গত ২৩ আগস্ট ২০২৩ ইং তারিখ উক্ত স্থানে হাজির হওয়া মাত্রই র্যাবের উপস্থিতি আঁচ
করতে পেয়ে মাদক কারবারীরা কৌশলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র্যাব সদস্যরা অভিযান পরিচালনা
করে আসামী মোঃ শাকের কে ২ টি প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর হতে সর্বমোট ১৭ কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ
গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: মোঃ শাকের (৩২), পিতা- মনির আহম্মদ @মিন্টু
চকিদার, সাং- ধর্মপুর, থানা ও জেলা- ফেনী।
র্যাব
জানান, আটককৃত আসামী দীর্ঘদিন যাবৎ সুকৌশলে মাদকদ্রব্য (গাঁজা) ফেনী জেলার সীমান্তবর্তী
এলাকা হতে সংগ্রহ করে পরবর্তীতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ পার্শ্ববর্তী জেলার বিভিন্ন
মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের নিকট অধিকমূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
গ্রেফতারকৃত
আসামী ও উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আজ দুপুরে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বাসের সাথে সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ৭ জন নিহত হয়েছেন। চট্টগ্রামের মির্জাপুর ইউনিয়নের চারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহজাহান বলেন, হাটহাজারীতে সড়ক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করি। মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আহতদের চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় এখনও মেলেনি নিখোঁজ ৫ জনের সন্ধান। তাদের উদ্ধারে চলমান রয়েছে ফায়ার সার্ভিস, বি.আই.ডব্লিউ.টি.এ ও নৌ পুলিশের অভিযান।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বি.আই.ডব্লিউ.টি.এ) নারায়ণগঞ্জের উপ-পরিচালক ওবায়দুল করিম খান জানান, ডুবে যাওয়া ট্রলারের সন্ধান মিলেছে। সেটি চেইনের মাধ্যমে ওপরের দিকে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি গণমাধ্যমকে জানান, এই ঘটনায় এখনো ৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে দুজন শিশু ও তিনজন নারী। দুর্ঘটনার পর গতকাল (শনিবার) রাত ১২টা পর্যন্ত ৮ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। রাতে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হয় বৃষ্টির কারণে। ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আবারও উদ্ধার অভিযানে নামেন।
দুর্ঘটনার পর পর উদ্ধারাভিযানের তদারকি করছেন মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক আবু জাফর রিপন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসলাম খান, লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আউয়ালসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
শনিবার (৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মার শাখা নদীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় ডুবে যায় একটি পিকনিকের ট্রলার।
এ দুর্ঘটনায় ৩৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছেন পাঁচজন।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় দেশীয় বন্দুক ও গুলিসহ মাসুদুর রহমান সজীব (৩৫) নামে এক ডাকাত সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
৩১ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে তাকে।
এর আগে, সোমবার রাত ১টায় উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের ভূইয়ারহাট বাজার থেকে আটক করা হয় তাকে।
উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের দৌলত রামদি গ্রামের মৃত বজলুর রহমানের ছেলে মাসুদুর রহমান সজীব।
পুলিশ জানায়, সোমবার রাতে উপজেলার ভূইয়ারহাট এলাকায় টহল দিচ্ছিল পুলিশ। এসময় পুলিশ দেখে সজীব দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ ধাওয়া করে আটক করে তাকে। এসময় উপস্থিত লোকজনের সামনে সজীবের হাতে থাকা শপিং ব্যাগ তল্লাশি করে একটি দেশি বন্দুক ও দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ পায় পুলিশ। পরে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, তিনি একজন ডাকাত সদস্য, তার নামে বিভিন্ন থানায় ৫টি মামলা রয়েছে।
কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা নেওয়া হয়েছে। এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে দুপুরে নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
মন্তব্য করুন


হবিগঞ্জ আদালতের এজলাস
থেকে হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়া মাদক কারবারি রাজু মিয়াকে (২৪) সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ
থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
১০ সেপ্টেম্বর রোববার রাতে
হবিগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) নির্মলেন্দু চক্রবর্তী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
হবিগঞ্জের সহকারী পুলিশ
সুপার (এএসপি) নির্মলেন্দু চক্রবর্তী জানান, কোম্পানীগঞ্জে
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করা
হয় তাকে।
হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর
উপজেলার শিবরামপুর গ্রামের গ্রামের চান বাদশা মিয়ার ছেলে গ্রেফতারকৃত রাজু।
এএসপি বলেন, গত শনিবার
(০৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে জব্দ করা হয়েছিল হাতকড়াটি। ১০
সেপ্টেম্বর রোববার প্রযুক্তির ব্যবহারসহ বিভিন্ন কৌশলে সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করা
হয়েছে তাকে।
আদালত সূত্রে জানা যায়,
গত ৩১ আগস্ট ১৬৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ রাজুকে আটকের পর মাধবপুর থানায় সোপর্দ করে র্যাব।
গত বৃহস্পতিবার (০৭ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে নেওয়া হয় পুলিশের করা পাঁচদিনের রিমান্ড
আবেদন শুনানির জন্য।
রিমান্ড আবেদন শুনানির
জন্য হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফখরুল ইসলামের আদালতের এজলাসে তোলা
হয় রাজুকে। সেখান থেকে হাতকড়াসহ দৌড়ে পালিয়ে যায় রাজু। পুলিশ এ ঘটনায় তিন সদস্যের
তদন্ত কমিটি গঠন করে।
মন্তব্য করুন