চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান
তেলবাহী জাহাজ



ইরানের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, তেহরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে সীমিতসংখ্যক তেলবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে ভাবছে। তবে এর শর্ত থাকবে—তেলের মূল্য চীনা মুদ্রা ইউয়ানে পরিশোধ করতে হবে।

সূত্রটি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলের পথ সহজ করতে ইরান সরকার একটি নতুন পরিকল্পনার ওপর কাজ করছে।

বিশ্ববাজারে তেলের লেনদেন সাধারণত ডলারে হয়, তবে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়ার তেলের লেনদেন এখন রুবল বা ইউয়ানে হচ্ছে।

হরমুজ প্রণালী বিশ্বের জ্বালানি-বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান ধমনী। এই অঞ্চলে অস্থিরতার কারণে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে গেছে। ২০২২ সালের জুলাইয়ের পর তেলের যে স্তরে পৌঁছেছিল, তা এখন সেই সীমাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা দিলে ত্রাণ ও মানবিক সহায়তার কাজেও বড় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের মানবিক বিষয়-সংক্রান্ত আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল টম ফ্লেচার বলেন, “এই প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হলে তার ফল সুদূরপ্রসারী হবে। খাদ্য, ওষুধ ও সারের মতো জরুরি সামগ্রী সরবরাহ কঠিন হয়ে যাবে এবং পরিবহন খরচও বৃদ্ধি পাবে।”

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেছি: প্রধানমন্ত্রী

২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে দেশ গড়ায় নামতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

জামায়াত আমির কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না: ফখরুল

বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানি মজুদ বাড়ানো হচ্ছে : মন্ত্রী

বিচার বিভাগের দুনীর্তির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

১০

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

১১

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

১২

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

১৩

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৫

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৬

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১৭

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১৮

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১৯

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

২০

সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম শহীদ খান গ্রেপ্তার

সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম শহীদ খান গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত



শাহবাগ থানার মামলায় সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম শহীদ খানকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার রাজধানীর রমনা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানায়, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম শহীদ খানসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


উল্লেখ্য, আবু আলম শহীদ খান ১৯৯৬-২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেছি: প্রধানমন্ত্রী

২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে দেশ গড়ায় নামতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

জামায়াত আমির কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না: ফখরুল

বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানি মজুদ বাড়ানো হচ্ছে : মন্ত্রী

বিচার বিভাগের দুনীর্তির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

১০

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

১১

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

১২

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

১৩

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৫

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৬

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১৭

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১৮

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১৯

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

২০

রাজনীতিতে ঢুকতে চাই না, কোনো দলের পক্ষে-বিপক্ষেও নই আমরা: সিইসি

রাজনীতিতে ঢুকতে চাই না, কোনো দলের পক্ষে-বিপক্ষেও নই আমরা: সিইসি
ছবি: সংগৃহীত

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, নির্বাচন কমিশন কোনো দলের পক্ষে বা বিপক্ষে দাঁড়াতে চায় না। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, ইলেকশন কমিশনের বদনামের সবচেয়ে বড় কারণ হলো রাজনীতির কাছে নির্বাচন কমিশনকে সঁপে দেওয়া।


নাসির উদ্দিন বলেন, "আমরা কমিশনে যারা আছি, আমরা কোনো রাজনীতিতে জড়াতে চাই না। আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে দাঁড়াতে চাই না। আমরা নিরপেক্ষ থাকতে চাই। আপনারা আমাদেরকে সাহায্য করবেন।"


রোববার ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) বার্ষিক সাধারণ সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।


সিইসি বলেন, "সব জায়গায় মতপার্থক্য থাকবে। ভিন্নমত মানেই বিপক্ষে নয়। একই বিষয়ে ভিন্নমত থাকবেই। এটা সহজ হিসাব। কিন্তু এই জিনিসটা অনেকে মানতে পারে না। তবে মানার বিষয়ে আমার অভ্যাস আছে। আমাকে নিয়ে সমালোচনা করলে ধরে নেব কোনো ঘাটতি বা সমস্যা রয়েছে, তখন নিজেকে শুধরে নেব।"


তিনি তালে তাল মেলানোর সংস্কৃতি থেকে বের হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "সবাই তালি বাজাতে বাজাতে দেশটার ১২টা বাজিয়েছে। তালি বাজানো আমাদের ভুলে যেতে হবে। সব বিষয় বাস্তবতার ভিত্তিতে দেখতে হবে। একজন একটা কথা বলল, আর আমি তালি বাজাতে থাকলাম—এটা যাতে না হয়।"


নাসির উদ্দিন আরও বলেন, "ইলেকশন কমিশনের এত বদনাম, এত গালি দেওয়া হয়, এটা কেন হলো? ১০০টা কারণ বলতে পারবেন, ২০০টা কারণ বলতে পারবেন। কিন্তু আমার কাছে এক নম্বর কারণ হলো—পলিটিক্যাল কন্ট্রোল অব দ্য ইলেকশন কমিশন। এটি আমার কাছে মনে হয়েছে সবচেয়ে বড় কারণ। রাজনীতির কাছে নির্বাচন কমিশনকে সঁপে দেওয়া, এটি হচ্ছে সবচেয়ে বড় কারণ।"


নির্বাচন কমিশনের উপর আস্থা ফেরাতে রাজনীতিবিদদের প্রভাব বিস্তার বন্ধ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন সিইসি। তিনি বলেন, "রাজনীতিবিদদের 'ইনফ্লুয়েন্স অন দ্য ইলেকশন কমিশন' যদি বন্ধ করা না যায়, আবার সেই পুরনো জিনিস রিপিট হবে বলে আমি মনে করি। এটি আমার কাছে সবচেয়ে বড় কারণ মনে হয়েছে অতীতে। এখান থেকে আমাদেরকে বের হয়ে আসতে হবে। আমরা যথাযথ নির্বাচন করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সেজন্য আমাদের বাংলাদেশের সবার সহযোগিতা লাগবে। আমাদের একার পক্ষে এটা সম্ভব নয়—যদি না আমরা সবার সহযোগিতা পাই।"


অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসি সচিব আখতার আহমেদ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেছি: প্রধানমন্ত্রী

২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে দেশ গড়ায় নামতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

জামায়াত আমির কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না: ফখরুল

বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানি মজুদ বাড়ানো হচ্ছে : মন্ত্রী

বিচার বিভাগের দুনীর্তির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

১০

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

১১

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

১২

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

১৩

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৫

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৬

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১৭

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১৮

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১৯

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

২০

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগের নির্দেশ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগের নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে দ্রুত সময়ের মধ্যে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।


সোমবার (১৪ জুলাই) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন।


বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়াসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে এসব তথ্য জানান।


তিনি বলেন, বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান সম্পর্কে এবং কোন স্কুলগুলো ভালো করছে সে ব্যাপারে মূল্যায়ন জানতে চান প্রধান উপদেষ্টা।


উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য অনেক অর্থ ব্যয় হয়েছে। কিন্তু মূল যে উদ্দেশ্য শিক্ষার মান বৃদ্ধি, সেটা সাধন হয়নি। আমরা মূল্যায়ন করে স্কুলগুলোকে র্যাংকিং করছি। যে সব স্কুলের বাচ্চারা পিছিয়ে আছে তাদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি নিচ্ছি।


তিনি জানান, মূল্যায়নে দেখা গেছে যেসব স্কুলের মান ভালো সেখানে প্রধান শিক্ষকের যোগ্যতা ও তার সঙ্গে অন্য সহকর্মীদের সম্পর্ক-ব্যবহার বড় ধরনের ভূমিকা রাখছে। দেশের ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান বলেও প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন তিনি।


বৈঠকে প্রধান শিক্ষক পদে পদায়নের পাশাপাশি নতুন নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, স্কুলগুলোতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে কীভাবে যোগ্যদের নিয়ে আসা যায় সে বিষয়টিকে প্রাধান্য দিতে হবে। কয়েকটা ক্যাটাগরি করে দিতে হবে। যারা বহু বছর ধরে শিক্ষকতা করে আসছেন, অভিজ্ঞ তারা প্রাধান্য পাবেন। এর পাশাপাশি তরুণদেরও প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য সুযোগ দিতে হবে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হবে।


সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সঙ্গে সমন্বয় করে অতিদ্রুত বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্নের নির্দেশ দেন তিনি। এর পাশাপাশি শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রেও নীতিমালায় পরিবর্তন আনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।


তিনি বলেন, অনেক সময় এক উপজেলায় নিয়োগ পেয়ে পরে অন্য উপজেলায়, শহরের কাছে কোনো স্কুলে শিক্ষকরা বদলির জন্য চেষ্টা করেন, তারা সুপারিশ-তদবির নিয়ে বিভিন্ন মহলে ঘোরেন। এক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা ও প্রক্রিয়া থাকতে হবে। কেবল ওই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই তিনি বদলি হতে পারবেন।


স্কুলগুলোতে মেয়েদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা, স্কুলের অবকাঠামো নারীবান্ধব কি না এসব বিষয়েও জানতে চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, স্কুলের ভবন নির্মাণের সময় কমিটিতে অন্তত একজন নারী স্থপতি রাখতে হবে যাতে নারীবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ হয়। পরিকল্পনায়, চিন্তায়, বাস্তবায়নে মেয়েদের বিষয় আলাদা করে গুরুত্ব দিতে হবে, সব ব্যবস্থা রাখতে হবে।


এছাড়া দেশের সব প্রাথমিক স্কুলকে ধারাবাহিকভাবে ইন্টারনেট সংযোগ ও মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ তৈরির বিষয়েও জোর দেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেছি: প্রধানমন্ত্রী

২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে দেশ গড়ায় নামতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

জামায়াত আমির কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না: ফখরুল

বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানি মজুদ বাড়ানো হচ্ছে : মন্ত্রী

বিচার বিভাগের দুনীর্তির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

১০

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

১১

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

১২

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

১৩

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৫

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৬

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১৭

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১৮

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১৯

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

২০

৫ দিনের রিমান্ডে সাবেক প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান

৫ দিনের রিমান্ডে সাবেক প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান
ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকা জেলার সাভারে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কাইয়ুম হত্যা মামলায় সাবেক দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তার ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।


রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ইকবাল হোসেন রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিলের পক্ষে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কে এম মহিউদ্দিনের আদালত এ আদেশ দেন। এ ছাড়া সাভার থানার আরও ৬টি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।


উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকা জেলার সাভার বাসস্ট্যান্ডে ৫ আগস্ট দুপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর শিক্ষার্থী কাইয়ুম। এ ঘটনায় তার মা কুলছুম বেগম সাভার মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেছি: প্রধানমন্ত্রী

২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে দেশ গড়ায় নামতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

জামায়াত আমির কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না: ফখরুল

বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানি মজুদ বাড়ানো হচ্ছে : মন্ত্রী

বিচার বিভাগের দুনীর্তির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

১০

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

১১

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

১২

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

১৩

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৫

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৬

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১৭

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১৮

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১৯

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

২০

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত
ছবি: সংগৃহীত



যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভিসা বন্ড বা জামানত দেওয়ার শর্তযুক্ত দেশের তালিকা প্রায় তিন গুণ বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সর্বশেষ বাংলাদেশসহ আরও ২৫টি দেশকে এই তালিকায় যুক্ত করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।


এর আগে এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে সাতটি দেশকে ভিসা বন্ডের আওতায় আনা হয়েছিল। নতুন সংযোজনের ফলে মঙ্গলবার পর্যন্ত তালিকাভুক্ত দেশের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮টি। পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই নিয়ম আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।


রয়টার্সের খবরে বলা হয়, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর বেশিরভাগই আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার। বাংলাদেশের পাশাপাশি এতে রয়েছে আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ভুটান, কিউবা, জিবুতি, ফিজি, নাইজেরিয়া, নেপাল ও উগান্ডাসহ একাধিক দেশ। দেশভেদে এই নীতির কার্যকর হওয়ার তারিখ ভিন্ন হবে।


মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর পাসপোর্টধারীরা যদি বি-১/বি-২ (ব্যবসা ও পর্যটন) ভিসার জন্য যোগ্য হন, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের সময় তাদের ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় সর্বোচ্চ বন্ডের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২.৩১ টাকা হিসাবে)।


ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও ইন্টারভিউয়ের ভিত্তিতে কনস্যুলার অফিসার বন্ডের অঙ্ক নির্ধারণ করবেন। আবেদনকারীদের মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বন্ড প্রদানে সম্মতি জানাতে হবে। তবে কনস্যুলার অফিসারের নির্দেশনা ছাড়া আগাম কোনো অর্থ জমা না দিতে সতর্ক করেছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট।


এই ভিসা বন্ড নীতি একটি পাইলট কর্মসূচির আওতায় গত আগস্টে প্রথম চালু করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, যেসব দেশের নাগরিকদের মধ্যে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার হার বেশি, মূলত সেসব দেশকেই এই কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেছি: প্রধানমন্ত্রী

২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে দেশ গড়ায় নামতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

জামায়াত আমির কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না: ফখরুল

বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানি মজুদ বাড়ানো হচ্ছে : মন্ত্রী

বিচার বিভাগের দুনীর্তির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

১০

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

১১

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

১২

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

১৩

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৫

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৬

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১৭

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১৮

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১৯

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

২০

বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩, শতাধিক আহত

বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩, শতাধিক আহত
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব ইজতেমা ময়দান দখলকে কেন্দ্র করে জুবায়ের ও সাদপন্থিদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩ জন নিহত ও প্রায় শতাধিক মুসল্লি আহত হয়েছেন। এদিকে ইজতেমা ময়দান নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করে ভিডিও বক্তব্য দিচ্ছেন সাদপন্থিরা। বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোররাত সোয়া ৩টার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়।


নিহতরা হলেন- কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া থানার এগারসিন্দু গ্রামে আমিরুল ইসলাম বাচ্চু (৭০), ঢাকার দক্ষিণ খানের বেড়াইদ এলাকার বেলাল (৬০), বগুড়ার তাজুল ইসলাম (৭০)।


আহতরা হলেন- আ. রউফ (৫৫) বি বাড়িয়া, মজিবুর রহমান (৫৮) ময়মনসিংহ,  আ. হান্নান (৬০), জহুরুল ইসলাম (৩৮)  টঙ্গী, আরিফ (৩৪) গোপালগঞ্জ,  ফয়সাল (২৮) সাভার,  তরিকুল (৪২) নরসিংদী, সাহেদ (৪৪) চট্রগ্রাম, উকিল মিয়া (৫৮) নরসিংদী, পান্ত ( ৫৫) টঙ্গী, খোরশেদ আলম (৫০), বেলাল (৩৪) কেরানীগঞ্জ, আনোয়ার (৫০) নারায়ণগঞ্জ, আবু বক্কর (৫৯) নারায়ণগঞ্জ, আরিফুল ইসলাম (৫০),  আনোয়ার (২৬) সাভার, আনোয়ার (৭৬) নোয়াখালী সদর, ফোরকান আহমেদ (৩৫),  সাতক্ষিরা, আ.রউফ (৫৫) বি বাড়িয়া, মজিবুর রহমান (৫৮) ময়মনসিংহ, আ. হান্নান (৬০) গাজীপুর,  জহুরুল ইসলাম (৩৮) টঙ্গী, সাহেদ (৪৪) চট্রগ্রাম। অন্যদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। 


স্থানীয়রা জানিয়েছে, রাত ৩টার দিকে সাদপন্থিরা তুরাগ নদীর পশ্চিম তীর থেকে কামারপাড়া ব্রীজসহ বিভিন্ন রাস্তা দিয়ে ইজতেমা ময়দানে প্রবেশ করতে থাকে। এ সময় ময়দানের ভেতর থেকে যোবায়েরপন্থিরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। জবাবে সাদপন্থিরাও পালটা হামলা চালায়। একপর্যায়ে সাদপন্থিরা ময়দানে প্রবেশ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে ৩ জন নিহত ও শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। 



সাদপন্থিদের প্রভাবশালী মুরুব্বী মুয়াজ বিন নূর এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ইজতেমা ময়দান আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জুবায়েরপন্থিদের আক্রমণে আমাদের এক ভাই শহিদ হয়েছেন। ময়দানে অনেক জুবায়েরপন্থি চাকু ও ছোঁড়াসহ আটক হয়েছেন।


এদিকে ইজতেমা ময়দানে সংঘর্ষের ফলে হতাহতদের টঙ্গী আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। 


টঙ্গী আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত হাফিজুল ইসলাম বলেন, এ পর্যন্ত একজন নিহত ও অসংখ্য আহত ব্যক্তিদের আনা হয়েছে। 


টঙ্গী আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালক আশরাফুল ইসলাম জানান, ঢাকায় নেওয়ার পথে বেলাল নামে একজন মারা গেছেন। তার বাড়ি ঢাকার বেড়াইদ।


তৃতীয় ব্যক্তির মৃত্যু নিশ্চিত করেন সাদপন্থিদের মিডিয়া সমন্বয়ক মো. সায়েম। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। হতাহতদের ঢাকা মেডিকেলসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।  


এ ব্যাপারে টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি ইস্কান্দার হাবিবুর রহমান জানান, ইজতেমা ময়দানে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনার খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেছি: প্রধানমন্ত্রী

২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে দেশ গড়ায় নামতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

জামায়াত আমির কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না: ফখরুল

বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানি মজুদ বাড়ানো হচ্ছে : মন্ত্রী

বিচার বিভাগের দুনীর্তির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

১০

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

১১

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

১২

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

১৩

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৫

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৬

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১৭

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১৮

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১৯

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

২০

অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে: ফখরুল

অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে: ফখরুল
ছবি: সংগৃহীত



অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশের বর্তমান সংকটের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার দায়ী, নির্বাচনের আগে গণভোটের কোনো সুযোগ এখন আর নেই। নির্বাচনের দিনই গণভোট হবে, দুটি ব্যালট থাকবে, একটি গণভোটের জন্য।  


শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) ৫৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।


অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, যেদিন ঐকমত্যের নথি জমা দেওয়া হলো, মনে আছে, সেদিন বৃষ্টি হচ্ছিল ১৭ তারিখ। তার আগে আবার সবকিছু এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল। আমরা আবার ঠিকঠাক করে সব রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়ে বৃষ্টির মধ্যে ছাতা ধরে সেখানে স্বাক্ষর করলাম। কিন্তু যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে সেটা উপস্থাপন করা হলো, তখন দেখা গেলো অনেক পার্থক্য। বিশেষ করে আমরা যে ‘নোট অব ডিসেন্ট’গুলো দিয়েছিলাম, সেগুলো উল্লেখ করা হয়নি। তাই আমরা বলেছি, ‘ইটস অ্যা ব্রিচ অব ট্রাস্ট’। অথচ তারা সেই আস্থার সেতু ভেঙে দিয়েছে। জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।  


আলোচনা সভায় অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্যে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আপনারা যে কমিশন তৈরি করেছেন, সেই কমিশন প্রায় এক বছর আট-নয় মাস ধরে ঐকমত্যের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে। সংস্কার ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমরা অনেক ক্ষেত্রে একমত হয়েছিলাম। কয়েকটি বিষয়ে মতভেদ থাকায় আমরা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছিলাম। অর্থাৎ, আমাদের মধ্যে মতভেদ থাকলেও মূল বিষয়ে আমরা ঐকমত্যে পৌঁছেছিলাম, এটাই নিয়ম। যখন আমরা নির্বাচনে যাবো, তখন ম্যানিফেস্টোতে এই বিষয়গুলো থাকবে। জনগণ যদি আমাদের ভোট দেয়, তাহলে আমরা সেসব বিষয় সামনে আনবো, পার্লামেন্টে পাস করে দেশের পরিবর্তন ঘটাবো। আর যদি ভোট না দেয়, তাহলে সেটি বাদ পড়বে।


তিনি আরও বলেন, যারা বলে বিএনপি সংস্কার চায় না, তারা জাতিকে বিভ্রান্ত করছে। বিএনপি সব সময় সংস্কারের পক্ষে। আগে ১০ দফা, পরে ২৭ দফা, এরপর ৩১ দফা দিয়েছে, সবই সংস্কারের জন্য। আমরা প্রত্যেকটি সভায় উপস্থিত থেকেছি, আলোচনা করেছি, শেষ পর্যন্ত ঐকমত্যের সনদে সই করেছি। বিভ্রান্তি যদি আসে, সেটা ঐকমত্য কমিশনের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের কাছ থেকে এসেছে। 


নির্বাচন ও গণভোট প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা নির্বাচন করবো, নির্বাচন করতে চাই। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণার সঙ্গে আমরা একমত। কিন্তু আজকে সেই নির্বাচন বানচাল করার জন্য একটি মহল উঠে-পড়ে লেগেছে, তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। 


বিএনপির এই নেতা বলেন, নির্বাচনের আগে গণভোটের কোনো সুযোগ এখন আর নেই। নির্বাচনের দিনই গণভোট হবে, দুটি ব্যালট থাকবে, একটি গণভোটের জন্য, আরেকটি জাতীয় সংসদের জন্য। এই বিষয়ে কারও দ্বিমত থাকার কথা নয়।


বিএনপি মহাসচিব বলেন, যারা এই নিয়ে রাস্তায় নেমে গোলমাল করছেন, তাদের অনুরোধ করবো জনগণকে আর বিভ্রান্ত করবেন না। এক সময় আপনারা পাকিস্তানের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলেন। আজকে জনগণ যে নির্বাচন চায়, তার বিরোধিতা করবেন না। এই দেশের মানুষ দেশ বিক্রির রাজনীতি ক্ষমা করে না।


তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে সরকার গঠন করতে চাই। যাদের সঙ্গে আমরা দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে লড়েছি, একসঙ্গে কাজ করেছি, তাদের নিয়েই আমরা জাতীয় সরকার গঠন করতে চাই। এক্ষেত্রে আমাদের বক্তব্য খুবই স্পষ্ট আসুন, সবাই মিলে নির্বাচনের সুযোগকে কাজে লাগাই। সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করে জনগণের পার্লামেন্ট, জনগণের সরকার গঠন করি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেছি: প্রধানমন্ত্রী

২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে দেশ গড়ায় নামতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

জামায়াত আমির কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না: ফখরুল

বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানি মজুদ বাড়ানো হচ্ছে : মন্ত্রী

বিচার বিভাগের দুনীর্তির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

১০

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

১১

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

১২

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

১৩

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৫

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৬

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১৭

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১৮

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১৯

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

২০

‘ফ্যাসিবাদ আ. লীগের পতনের পর স্বস্তির পরিবেশ বিরাজ করছে’

‘ফ্যাসিবাদ আ. লীগের পতনের পর স্বস্তির পরিবেশ বিরাজ করছে’
ছবি: সংগৃহীত




ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পতনের পর কিছুটা হলেও মুক্তি ও স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল সংলগ্ন মাঠে বিএনপির বর্ধিত সভায় শোক প্রস্তাব উত্থাপনকালে তিনি এ কথা বলেন।


তিনি বলেন, ‘যারা ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে সাহসিকতার সাথে শেখ হাসিনার নিষ্ঠুর শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন, তাদের অনেকেই আজ আমাদের মাঝে নেই। তাদের অনেকেরই কোনো খোঁজ মেলেনি। কতজন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, কতজনকে আয়নাঘরে বন্দী করে রাখা হয়েছে, তাদের কোথায় রাখা হয়েছে, তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। অসংখ্য নেতাকর্মী ও দেশের বিভিন্ন পেশার মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। আমরা তাদের সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং তাদের আত্মার শান্তি কামনা করি।’


তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে আজ দলের এই বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সভার শুরুতেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে দলের প্রতিষ্ঠাতা, মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর বিক্রমকে। তিনি ছিলেন বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা, দেশ গঠনের অগ্রদূত এবং জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক। বাংলাদেশের রাজনীতিতে ন্যায়নিষ্ঠা, সততা ও দেশপ্রেমের এক অনন্য প্রতীক ছিলেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।


তিনি আরও যোগ করেন, ‘যখনই দেশ ও গণতন্ত্র বিপন্ন হয়েছে, জিয়াউর রহমান তখনই আপসহীনভাবে দেশ ও গণতন্ত্রের পক্ষে সংগ্রাম করেছেন।’


বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, গণতন্ত্রের প্রতীক ও গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হচ্ছে। এছাড়া, ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের সময় দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা যারা মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। আজকের বর্ধিত সভায় তাদের স্মরণে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। এছাড়াও, দেশের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, সুরকার, গীতিকারসহ যাদের আমরা হারিয়েছি, তাদের সকলের আত্মার শান্তি কামনা করা হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেছি: প্রধানমন্ত্রী

২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে দেশ গড়ায় নামতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

জামায়াত আমির কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না: ফখরুল

বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানি মজুদ বাড়ানো হচ্ছে : মন্ত্রী

বিচার বিভাগের দুনীর্তির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

১০

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

১১

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

১২

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

১৩

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৫

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৬

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১৭

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১৮

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১৯

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

২০

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহার

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহার
ছবি: সংগৃহীত

উচ্চ আদালতের নির্দেশে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহার করা হয়েছে।


রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১৭) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক রফিকুল ইসলাম এ আদেশ দেন।


এর আগে গত ১ ডিসেম্বর বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেন এই মামলার সব আসামিকে খালাস দেন।


দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুর রশীদ মোল্লা জানান, মামলায় তারেক রহমানসহ খালাস পাওয়া বেশ কয়েকজন আসামি পলাতক ছিলেন। রায়ে তাদের বিরুদ্ধে পূর্বে থাকা গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের আদেশ দেন আদালত। হাইকোর্টের সেই আদেশ বিচারিক আদালতে আসলে আমরা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে তারেক রহমানসহ অন্যদের গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের আবেদন করি। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত পরোয়ানা প্রত্যাহারের আদেশ দেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেছি: প্রধানমন্ত্রী

২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে দেশ গড়ায় নামতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

জামায়াত আমির কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না: ফখরুল

বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানি মজুদ বাড়ানো হচ্ছে : মন্ত্রী

বিচার বিভাগের দুনীর্তির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

১০

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

১১

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

১২

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

১৩

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৫

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৬

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১৭

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১৮

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১৯

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

২০

ভ্যাট-শুল্ক বাড়ানোতে জনগণের ওপর চাপ বাড়াবে: ফখরুল

ভ্যাট-শুল্ক বাড়ানোতে জনগণের ওপর চাপ বাড়াবে: ফখরুল
ছবি: সংগৃহীত

সরকার চলতি বছরের মাঝপথে ভ্যাট ও শুল্ক বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে জনগণের ওপর চরম চাপ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।


মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চলমান অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেই সরকার ১০০টিরও বেশি পণ্যের ওপর ভ্যাট ও শুল্ক আরোপ করেছে। এ সিদ্ধান্ত জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’


বর্তমান রাজস্ব আদায় দিয়ে বাজেট মেটানো সম্ভব হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার কার্যত অর্থনীতিকে ধ্বংসের পথে নিয়ে গেছে। এখন ভ্যাট ও শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়ে জনগণের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।’


অন্তর্বর্তী সরকারের পদক্ষেপের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকার টাকার অযৌক্তিক মুদ্রণ করে অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এভাবে চলতে থাকলে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে। জ্বালানি খরচসহ দৈনন্দিন খরচও বেড়ে যাবে, যা জনগণের নাভিশ্বাস উঠাবে।’


সরকারের অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘অপ্রয়োজনীয় উন্নয়ন প্রকল্প বাদ দিয়ে বাজেটের খরচ ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব। এতে অন্তত ৬০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে বাজেটে আরও ১ কোটি টাকার সাশ্রয় করা যেতে পারে।’


আন্তর্জাতিক মহলে সরকারের ভাবমূর্তি পুনর্গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াবে। তাই আইএমএফসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কঠিন শর্ত শিথিল করার চেষ্টা করা উচিত।’


সরকারকে ভ্যাট ও শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহারের আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের উচিত সবার আগে বাজেটের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো এবং সঠিক নীতি গ্রহণের মাধ্যমে জনগণের স্বস্তি নিশ্চিত করা।’

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেছি: প্রধানমন্ত্রী

২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে দেশ গড়ায় নামতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

জামায়াত আমির কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না: ফখরুল

বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানি মজুদ বাড়ানো হচ্ছে : মন্ত্রী

বিচার বিভাগের দুনীর্তির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান

এক হাজার মাদরাসায় কারিগরি ট্রেড কোর্স চালু হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাসের ভাড়া বাড়াল সরকার

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

১০

ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনায় কোনো জটিলতা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

১১

পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল: সড়কমন্ত্রী

১২

ঋণখেলাপিদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা করার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

১৩

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৪

পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৫

জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রুহুল কবির রিজভী

১৬

১৩ হাজার ৩৪১ হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন

১৭

দেশে তেলের কোনো ঘাটতি না থাকলে, পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কেন?

১৮

আবারও ১২ কেজিতে এলপিজির দাম বাড়লো ২১২ টাকা

১৯

৫ জেলায় বজ্রাঘাতে ১১ জনের মৃত্যু

২০