

ঢাকা
প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে ত্রিমুখী সংঘর্ষে
শিক্ষার্থী, পাঁচ পুলিশসহ ১৭ জন আহত হয়েছেন।
রোববার
(১৭ মে) শহীদ মিনারে নবনিযুক্ত ভিসি সমর্থিত শিক্ষার্থী, আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে
এ সংঘর্ষ হয়।
জানা
গেছে, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবালকে ডুয়েটের
ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। আর এই নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারির পরপরই তা প্রত্যাখ্যান
করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের শিক্ষার্থীরা।
এ
নিয়ে গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হয় বিক্ষোভ। রোববার সকালে নবনিযুক্ত ভিসিকে লাল
কার্ড কর্মসূচি ব্যানারে বিক্ষোভের ডাক দেয় আন্দোলনরত ছাত্ররা। তারা শহীদ মিনারে জড়ো
নবাগত ভিসির সমর্থিত ছাত্রদের সাথে আন্দোলনকারীদের ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
শিক্ষার্থীদের
দাবি, ভাইস চ্যান্সেলর ডুয়েটের অভ্যন্তরীণ শিক্ষকদের মধ্য থেকেই নিয়োগ দিতে হবে। ডুয়েটের
শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষার্থীদের বাস্তবতা, একাডেমিক কাঠামো ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষকদের অভিজ্ঞতা ও ধারণা তুলনামূলক বেশি। ফলে ডুয়েটের উন্নয়ন
ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অভ্যন্তরীণ শিক্ষক থেকে উপাচার্য নিয়োগ অধিক কার্যকর
হবে।
সদর
মেট্রো থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে রয়েছি, আমিসহ ৫ জন পুলিশ সদস্য আহত
হয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।
মন্তব্য করুন


তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামলে স্কুল-কলেজ বন্ধ হবে বলে সিদ্ধান্ত জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর আগে তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির নিচে নামলে স্কুল-কলেজ বন্ধ হবে বলে মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) যে নির্দেশনা দিয়েছিল, সেটির সংশোধনী দেওয়া হচ্ছে।
একইদিন শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানায়, পরিবর্তন এসেছে অধিদপ্তরের জারি করা ওই নির্দেশনায়।
চলমান শৈত্যপ্রবাহের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সংক্রান্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশোধিত চিঠিতে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন জেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ প্রবাহিত হচ্ছে। চলমান এ শৈত্যপ্রবাহে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে মর্মে জানা যাচ্ছে।
এক্ষেত্রে যেসব জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নেমে যাবে, আঞ্চলিক উপ-পরিচালকেরা সেসব জেলার জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেবেন।
মন্তব্য করুন


বিশ্বব্যাপী আলোচিত এবং সমাদৃত প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’ এবং ‘সামাজিক ব্যবসায়’ ধারণাটি
বাস্তবায়নে সমবায় অধিদপ্তর অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী
উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভুঁইয়া।
আজ রোববার (৫ জানুয়ারি) ঢাকায় সমবায়
অধিদপ্তর পরিদর্শন এবং পায়রা সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা জানান। উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী
গৃহীত ‘থ্রি জিরো তত্ত্ব’ একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যার ভিত্তি হচ্ছে
শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব এবং শূন্য কার্বন নিঃসরণ। এ সময় ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’
এবং ‘সামাজিক ব্যবসায়’ ধারণাটি বাস্তবায়নে কাজ করতে সমবায় অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
নির্দেশ দেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, সমবায় অধিদপ্তরের
প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম এবং পারফরম্যান্স নিম্নমুখী বলে মনে হচ্ছে, কিন্তু তা ঊর্ধ্বমুখী
করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সমবায় আইন সংশোধন এবং যুগোপযোগী করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের
নির্দেশনা দেন তিনি। দ্রুত সময়ের মধ্যে শূন্যপদ পূরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার
বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন উপদেষ্টা। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সমবায় অধিদপ্তরের সদস্যদের
নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে পাইলটিং প্রকল্প গ্রহণ এবং দ্রুত বাস্তবায়ন করার নির্দেশনা দেন
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা। এছাড়াও দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং সুষম সম্পদের বণ্টনের
জন্য সমবায় অধিদপ্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মতবিনিময় সভার শুরুতে সমবায় অধিদপ্তরের
নিবন্ধক ও মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে সমবায় কার্যক্রম সম্পর্কে মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন
দেন যুগ্ম নিবন্ধক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. মোখলেছুর রহমান। সভায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও সমবায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


পুলিশ-র্যাব-আনসারের পোশাক পরিবর্তনের
সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো.
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ সোমবার (২০ জানুয়ারি) আইনশৃঙ্খলা
সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বৈঠকে আয়রন, রয়েল ব্লু,
ডিপখাকি, ডিপব্লু, জলপাইসহ কয়েকটি রংয়ের পোশাকের মডেল উপস্থাপন করা হয়। সেখান থেকে
আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে তিন বাহিনীর জন্য আলাদা আলাদা রংয়ের পোশাক
চূড়ান্ত করা হয়।
এই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুলিশের
পোশাকের রং হচ্ছে ‘আয়রন’। র্যাবের পোশাক হচ্ছে জলপাই বা অলিভ রংয়ের এবং আনসারের পোশাকের
রং হচ্ছে ‘গোল্ডেন হুইট’।
মন্তব্য করুন


তীব্র তাপদাহের মধ্যে আগামীকাল রবিবার
(২৮ এপ্রিল) খুলছে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সব প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ
থাকবে।
শনিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন এ তথ্য জানিয়েছেন।
এতে বলা হয়, চলমান তাপপ্রবাহের কারণে
কোমলমতি শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট
পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর লার্নিং সেন্টারগুলোতে
শ্রেণি কার্যক্রম চালুর বিষয়ে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
১. আগামী ২৮ এপ্রিল রবিবার থেকে সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকার্যক্রম চলমান থাকবে।
২. এক শিফটে পরিচালিত বিদ্যালয়সমূহ
প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলবে।
৩. দুই শিফটে পরিচালিত বিদ্যালয়সমূহ
প্রথম শিফট সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা এবং দ্বিতীয় শিফট ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত
চলমান থাকবে।
৪. তাপদাহ সহনীয় পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত
অ্যাসেম্বলি বন্ধ থাকবে।
৫. উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সংশ্লিষ্টদের
নিয়ে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে পাঠানো রুটিন
বিবেচনায় নিয়ে উপজেলা ভিত্তিক শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সাপ্তাহিক রুটিন প্রণয়ন
করবেন।
৫. প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির কার্যক্রম
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
তাপদাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে আসার পূর্ব-পর্যন্ত
এবং পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত উল্লিখিত সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিনব কায়দায় চুরি ও ছিনতাই চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে স্বর্ণ ও নগদ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তরা আদতে ছেলে হলেও নারী বেশে চুরি করেন, আবার সড়কে হিজড়া সেজে চাঁদাবাজি ছিনতাই করে আসছিলেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, হিজড়া মনির ওরফে প্রকাশ মণি (২৭) ও রফিক প্রকাশ ওরফে অপরূপা প্রকাশ রূপা (২৮)।
বৃহস্পতিবার রাতে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ মহসীন এ ব্যাপারে বলেন, মিরপুরের একটি চুরির তদন্তে বেরিয়ে আসে ধূর্ত এ চক্রের নাম ।
তিনি বলেন, চক্রটি গত রোববার (২৭ আগস্ট) মিরপুর মডেল থানার ৬০ ফিট এলাকার টুর অ্যান্ড ট্রাভেলসে চুরি করে। ওই প্রতিষ্ঠান থেকে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও দুইটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায় তারা।
সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, চুরি করেছে এক নারী। পরে তদন্ত করে অভিযান চালিয়ে যখন গ্রেপ্তার করা হয় তখন দেখা যায় চোর নারী নয় নন,আদতে পুরুষ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতেই মেয়ে সেজে চুরি করে তারা। ঘরে মেয়ে সেজে চুরি করলেও রাস্তায় আবার তারা সাজে হিজড়া! হিজড়া সেজে তারা মানুষের কাছ থেকে চাঁদাবাজি ও সুযোগ বুঝে ছিনতাই করে।
সাধারণত শুক্রবার ও শনিবার ছুটির দিন হলেও রফিক ও মনিরের কাছে এই দুই দিনই কাজের দিন! কারণ এ সময় অফিস বন্ধ থাকে। তারা যে অফিসেই যায় সেখান ঢুকতেই মাথায় ঘোমটা দিয়ে ঢুকে! আবার রুমে ঢুকলে মাথায় ছাতাও ধরে! কারণ এসব জায়গায় সিসি ক্যামেরা থাকে। সেই ক্যামেরায় যাতে তাদের মুখ না আসে সে জন্যই এ পদ্ধতি ব্যবহার করে তারা। যেখানেই চুরি করে সেখানেই সিসি ক্যামেরা ভেঙে দিয়ে আসে।
আসল নাম রফিক। কিন্তু বাইরে তিনি পরিচয় দেন রূপা নামে! একইভাবে আরেকজনের নাম মনির। কিন্তু তিনি বাইরে পরিচিত মণি নামেই। তারা দুইজনই ছেলে হলেও বাইরে তারা কখনও হিজড়া হিসেবে, আর কখনও মেয়ে হিসেবেই পরিচয় দিতেন!
প্রায় ৪ বছর ধরে তারা চুরি করছিলেন। এ পর্যন্ত শতাধিক চুরি করেছে তারা। কিন্তু মেয়ে সেজে করার কারণে অধিকাংশ সময়ই তাদের শনাক্ত করা যায়নি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শেরে বাংলা নগর থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
তাদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা, দুইটি মোবাইল ও ১ ভরি ৫ আনা স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে দুইটি করে মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


তিনি ৩৬টি বিভিন্ন চাকরির
পরীক্ষার প্রিলি পাস করতে পারেননি। তারপরও হার মেনে নেননি, দমেও যাননি। তার কাছে
NO মানে Next Opportunity. তিনি তার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছিলেন এবং দৃঢ় প্রতিজ্ঞ
ছিলেন যে অবশ্যই পারবেন, অবশ্যই সফল হবেন।
অবশেষে ৩৭ নম্বর চাকরির
পরীক্ষায় প্রথমবারের মতো প্রিলি পাস করেন। এরপর থেকে মোটামুটি সকল প্রিলি পরীক্ষায়
পাস করতে থাকেন। তারই ধারাবাহিকতায় ৩৮তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পাস করেন। ধীরে ধীরে
আত্মবিশ্বাস ফিরে আসে। ৩৮তম বিসিএস এ নন-ক্যাডার তালিকায় জায়গা পান। কিন্তু দুঃখ
তখনো রয়ে গিয়েছিল কারণ ক্যাডার হতে পারেননি।
চেষ্টা অব্যহত থাকে, ৪১তম
বিসিএস শেষ বিসিএস। অবশেষে ৪১তম বিসিএস বন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। হ্যাঁ,
৪১তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত পিংকি রানী মজুমদারের গল্প এটি।
পিংকি রানী মজুমদার, ৪১তম
বিসিএসে (বন) ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তার বাবা দুলাল চন্দ্র মজুমদার,
যিনি দীর্ঘ দিন প্রবাসে ছিলেন। মা মমতা রানী মজুমদার একজন গৃহিণী। পিংকি রানী
মজুমদার কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার শাকপুর ইউনিয়নের জাগুরিয়া (ধলিরপাড়) গ্রামে
জন্মগ্রহণ করেন। তার ছোটবেলা থেকে বেড়ে ওঠা বরুড়া পৌরসভার অফিসপাড়ায়। স্নাতক ও
স্নাতোকত্তর পাস করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে।
পিংকি রানী মজুমদার বলেন,
সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় আমি ৪১তম বিসিএস বন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি। এ
অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। তবে আমার এই সাফল্যে আমার বাবা-মা অনেক খুশি।
বাবা-মার সুখই আমার সুখ। তাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারাই আমার সফলতা। প্রথমে বলতে
চাই বিসিএস একটি ধৈর্য্যের পরীক্ষা। প্রতি বিসিএসে ক্যাডার হয় প্রায় ২ হাজারের মতো
বাকিরা ক্যাডার হয় না। তাই শুধু বিসিএসকে লক্ষ্য করে এগিয়ে যাওয়াটা বুদ্ধিমানের
কাজ হবে না। বিকল্প পথ রাখতে হবে। যেমন- আমি চাকরির প্রস্তুতির পাশাপাশি বিকল্প
হিসেবে কুমিল্লা ল কলেজ থেকে এল এল বি সম্পন্ন করি। যাতে করে চাকরি না হলেও আমি
এডভোকেটশিপ নিতে পারি। সেই সাথে সৃষ্টিকর্তার ওপর বিশ্বাস রেখে এগিয়ে যেতে হবে।
নিয়মিত পড়াশোনা করতে হবে। ২ দিন পড়ে ২ দিন পড়বে না এমনটা করা যাবে না। পড়াশোনার
ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। যেহেতু বন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন তাই দেশের
বনজ সম্পদ রক্ষা, উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে অবদান রাখতে চান।
মন্তব্য করুন


সরকারি চাকরিতে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির পদে এ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রাপ্ত জনবলের পূর্ণাঙ্গ তথ্য চেয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার
(১৫ আগস্ট) মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর সচিব/সিনিয়র সচিবদের কাছে এ তথ্য চেয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে মন্ত্রণালয়গুলোকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ করা জনবলের তথ্য পাঠাতে একটি ছক করে দেওয়া হয়েছে। ছক অনুযায়ী প্রার্থীর নাম, নিয়োগপ্রাপ্ত পদ ও শ্রেণি; বাবার নাম ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা, যার মুক্তিযোদ্ধা সনদ/গেজেটের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন (পিতা/মাতা/পিতামহ/মতামহ) তার নাম ও ঠিকানা; মুক্তিযোদ্ধার নাম, পিতা/মাতা/পিতামহ/মাতামহের মুক্তিযোদ্ধা সনদ ও গেজেট নম্বর এবং নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ার তারিখ জানাতে হবে।
অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অনেক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে সনদ দেওয়া হয়েছে। সেই সনদ দিয়ে অনেকে চাকরি নিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়টি খতিয়ে দেখার পদক্ষেপ নিয়েছে।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল)
থেকে শুরু হচ্ছে চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফরম পূরণ
যা চলবে আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত।
ফরম পূরণ এর ফি নিয়ে শিক্ষা
বোর্ডগুলো বলছে, এবার বিজ্ঞান শাখার পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণের ফি ২ হাজার ৬৮০ টাকা
নির্ধারণ এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার জন্য ফি ২ হাজার ১২০ টাকা।
তবে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা
শাখার কোনো পরীক্ষার্থীর চতুর্থ বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা থাকলে নির্ধারিত ফি এর সঙ্গে
অতিরিক্ত ১৪০ টাকা যুক্ত হবে। আর নৈর্বাচনিক বিষয়ে ব্যবহারিক থাকলে বিষয়প্রতি আরও ১৪০
টাকা যোগ করা হবে।
এ ছাড়া অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের
ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ডগুলো বলছে পরীক্ষার্থী প্রতি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা
। জিপিএ উন্নয়ন ও প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০০ টাকা তালিকাভুক্তি ফি নির্ধারণ
করা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন নবায়ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০ টাকা। আর বিলম্ব ফি নির্ধারণ
করা হয়েছে ১০০ টাকা।
তবে কোন শিক্ষার্থী ২৫ তারিখের
মধ্যে ফর্ম পূরণ করতে না পারলে নির্ধারিত সময়ের পর বিলম্ব ফি দিয়ে ২৯ এপ্রিল থেকে ২
মে পর্যন্ত ফরম পূরণ করতে পারবে ।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের এইচএসসি
ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২০ জুন হতে শুরু হবে।
মন্তব্য করুন


বগুড়ার
শিবগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় এক পরীক্ষার্থীর নিরাপত্তা ও পরীক্ষা গ্রহণের দায়িত্বে নিয়োজিত
শিক্ষক, পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ ৮ জন।
বুধবার
(১৩ মে) উপজেলার গুজিয়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষার দিনে এ
ঘটনা ঘটে।
জানা
গেছে, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় গুজিয়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে
নিবন্ধিত পরীক্ষার্থী ছিল মাত্র একজন। তবে পরীক্ষার্থী সংখ্যায় কম হলেও শিক্ষা বোর্ডের
নিয়ম অনুযায়ী কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। ফলে নিয়ম মেনেই ওই কেন্দ্রের বড় একটি কক্ষে
একজন পরীক্ষার্থীর জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়েছে।
গুজিয়া
উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব শাহিনুর আলম বলেন, ‘পরীক্ষার্থী একজন
হোক বা একশ বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
নিয়মের কোনো ব্যত্যয় না ঘটিয়ে আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি। ফলে একজন পরীক্ষার্থীর
জন্যও আমাদের পূর্ণাঙ্গভাবে কেন্দ্র পরিচালনা করতে হচ্ছে।’
ওই
কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমান, একজন
ট্যাগ অফিসার, কেন্দ্র সচিব, কক্ষ পরিদর্শক, সহকারী শিক্ষক, একজন পুলিশ সদস্য এবং দুইজন
অফিস সহায়ক। বোর্ড নির্ধারিত নিয়ম মেনে একজন পরীক্ষার্থীর পেছনে প্রশাসনের এই বিপুল
আয়োজন এলাকায় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মন্তব্য করুন