

হিট পিডিমা
গরমে অনেকের হাত-পা ফুলে যায়।
চিকিৎসা পরিভাষায় যাকে ‘হিট পিডিমা’ বলে। অনেকেরই হয় এমন। বিশেষত পা বেশি ফুলে
যায়। কখনও আবার হাত এবং পা একসঙ্গে ফুলে যায়। এই রোগেরও বিশেষ কোনও ওষুধ নেই।
বিশ্রাম নিলে, বেশি করে জল খেলে আর উঁচু বালিশের উপর পা তুলে রাখলে দ্রুত সেরে ওঠা
যায়।
হিট স্ট্রোক
গরমের সময়ে সবচেয়ে ঝুঁকি থাকে
হিট স্ট্রোক হওয়ার। এই স্ট্রোক হলে শরীর অত্যধিক শুকিয়ে যায়। ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়।
শরীরের ভিতরটা গরম হয়ে যায়। কিন্তু হাত-পা ঠান্ডা থাকে। হৃৎস্পন্দনের গতি কমে যায়।
শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে সমস্যা হয়। কারও ক্ষেত্রে খিঁচুনি উঠতে পারে। ভুল বকা কিংবা
সাময়িক ভাবে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়াও হিট স্ট্রোকের লক্ষণ। এমন হলে রোগীকে
ভাল করে স্নান করিয়ে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
হিট ক্র্যাম্প
গরমে কায়িক পরিশ্রম বেশি হলে
কিংবা দীর্ঘ ক্ষণ শরীরচর্চা করলে ‘হিট ক্র্যাম্প’ হতে পারে। এমন হলে কাঁধ, ঘাড়
এবং ঊরুর পেশিতে টান ধরে। বেশি করে জল খেলে অবশ্য স্বস্তি মেলে। তবে শুধু জল না
খেয়ে ওআরএস কিংবা নুন-চিনির জল খেলে বেশি উপকার হয়। সেই সঙ্গে বিশ্রাম নিলে আর রোদ
এড়িয়ে চললেই টান ধরা কমে যাবে।
হিট টিটানি
অত্যধিক তাপপ্রবাহে অনেক সময়
হাত-পা বেঁকে যায়। হাত-পায়ের সাড় চলে যায়। হাত আর পা ভাঁজ করতেও বেগ পেতে হয়। এই
ধরনের সমস্যাকে ‘হিট টিটানি’ বলে। এমন হলে প্রাথমিক ভাবে বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। সেই
সঙ্গে হাত-পা মালিশ করতে পারলে ভাল। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিলে আর পরিমাণমতো জল খেলেই
ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠা যায়।
হিট সিঙ্কোপ
মাথা ঘুরে যাওয়া, চোখমুখে
অন্ধকার দেখা— প্রচণ্ড রোদে বেরোলে অনেক সময়ে এমন কিছু শারীরিক সমস্যা হয়।
এগুলিকেই ‘হিট সিঙ্কোপ’ বলে। দীর্ঘ ক্ষণ আগুনের ধারে থাকলেও এমন হতে পারে। এমন হলে
সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা জলে স্নান করে নেওয়া জরুরি। কিংবা বরফজল দিয়ে গা-হাত-পা মুছে নিতে
পারলে ভাল। অবশ্যই বেশি করে জল খেতে হবে। না হলে যে কোনও সময় এমন হতে পারে।
ঘামাচি
ঘামাচি গরমের সবচেয়ে বড়
সমস্যা। কিন্তু অনেকে বিষয়টিকে ততটাও গুরুত্ব দেন না। ঘামাচি কমাতে অধিকাংশেই
ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন। তাতে হিতে বিপরীত হয়। পাউডারের কারণে
ঘর্মগ্রন্থিগুলিতে সংক্রমণ হয়। তখন চিকিৎসকের কাছে ছুটতে হয়। তবে আগে থেকেই বিষয়টি
নিয়ে সচেতন হলে বাড়াবাড়ি হওয়ার সুযোগ থাকে না।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর জানান,অবরোধ-হরতালে পরিবহন বা স্থাপনা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগকারীদের ধরিয়ে দিলে অথবা সুনির্দিষ্ট তথ্য দিলে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। অবরোধ-হরতালে পরিবহন বা স্থাপনা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগকারীদের উপযুক্ত প্রমাণ অথবা সুনির্দিষ্ট তথ্যসহ ধরিয়ে দিলে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেবেন আইজিপি। তবে যিনি তথ্য দেবেন তার পরিচয় গোপন রাখা হবে।
এর আগে সোমবার (৬ নভেম্বর) ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, বিভিন্ন স্থানে যারা গাড়িতে আগুন দিচ্ছে, পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করছে, সহিংসতা ও নাশকতা করছে তাদের অনেককে আমরা হাতেনাতে গ্রেফতার করেছি। অনেক প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা পুলিশের হাতে তাদের ধরিয়ে দিয়েছেন। চলমান অবরোধের মধ্যে যারা যানবাহনে আগুন দিচ্ছে ও পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করছে তাদের ধরিয়ে দিলেই ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, ঢাকা শহর অনেক বড়। অনেক মানুষের বসবাস এখানে। কিছু কিছু ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। পুলিশ কিন্তু অনেক ঘটনা নিবৃত করেছে। অনেককে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে এসেছে। হাতেনাতে অনেককে আটক করেছে। হাতেনাতে আটক করার ক্ষেত্রে যারা আমাদের সহযোগিতা করেছেন তাদেরও আমরা নগদ পুরস্কার দেবো।
মন্তব্য করুন


ইসির আইন শাখার উপ-সচিব মো. আব্দুছ সালামের ২৩ নভেম্বর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে জানা গেছে,আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পূর্ব অনিয়মের তদন্ত করতে ৩০০ বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধান কমিটি নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
প্রতি জেলার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ এবং সিনিয়র সহকারী জজদের নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে ৩০০ আসনের জন্য ৩০০ নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি গঠন করল ইসি।
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম সংঘটিত হলে তা অনুসন্ধানপূর্বক তৎমর্মে প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে পাঠাবেন এবং সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসার ওই অনুসন্ধান প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশন সচিবের কাছে পাঠাবেন। এর পর তা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত দেবে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি কর্তৃক দায়িত্ব পালনকালে ০১(এক) জন বেঞ্চ সহকারী/ স্টেনোগ্রাফার/অফিস সহকারীকে সহকারী হিসেবে সঙ্গে নিতে পারবেন।
এদিকে জেলা প্রশাসককে ইসি নির্দেশ দিয়েছে , কমিটির কর্মকর্তাদের চাহিদা এবং প্রয়োজন অনুসারে সার্বক্ষণিকভাবে জিপগাড়ি বা মাইক্রোবাস বা স্পিডবোট এবং ক্ষেত্রমতো প্রয়োজনীয় যানবাহন সরবরাহের ব্যাবস্থা রাখার।
একইসঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে নিরাপত্তার স্বার্থে অনুসন্ধান কমিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে পুলিশ বাহিনীর ০২(দুই) জন অস্ত্রধারী সদস্যকে নিয়োগ করার জন্য সব পুলিশ কমিশনার/পুলিশ সুপারকেও নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি ৫ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনি প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন


এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোর নোটিশটি ভুয়া জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এইচএসসি পরীক্ষা এক মাস পেছানোর বিষয়ে একটি নোটিশ ঘুরছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে। নোটিশটি ভুয়া।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া নোটিশটি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আবুল বাশারের স্বাক্ষর ব্যবহার করে শুক্রবারে ছড়ানো হয়।
নোটিশটিতে বলা হয়, ‘আগাম ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও দুই দফা ছাত্র-ছাত্রীদের দেশব্যাপী আন্দোলোনের ওপর ভিত্তি করে আগামী ৩০ শে জুন অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি পরীক্ষা আগামী ৩০ শে জুলাই বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত শর্ট সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, শিগগিরই ২০২৪ সালের ৩০ শে জুলাই অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষার নতুন সময়সূচি প্রকাশিত হবে। ’
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের বলেন, পরীক্ষা আগের রুটিন অনুযায়ী হবে। কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে।
মন্তব্য করুন


৬৪ জেলার ১২০০+ বাইকারের অংশগ্রহনে কুমিল্লার লালমাই স্কাউট গ্রাউন্ডে শেষ হলো, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাইকার্স মেগা ক্যাম্পিং ফেষ্ট।
৪ দিন ব্যাপী এই আয়োজনে অংশগ্রহনকারি সারা দেশের বাইকারগন।
ট্র্যাক টেইল, স্লো রেইস সহ বিভিন্ন খেলার আয়োজন ছিল।
এছাড়া ছিলো হিরু, বাইক বিডি, এপোলো টায়ার, ওয়েদার, কোডস, সহ অনেক নামি-দামি কোম্পানির স্টল ।
ফিউরিয়াস মটো ক্লাব কুমিল্লা কর্তৃক আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিরু বাংলাদেশের জেনারেল মেনেজার ।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বনভূমিতে গারোদের অধিকার সংরক্ষণে কাজ করছে সরকার।
আজ শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজে গারো সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ফসল কাটার উৎসব ‘ওয়ানগালা’ উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বনবাসীদের সাথে বন বিভাগের দ্বন্দ্ব নিরসনে কাজ করা হবে। এলক্ষ্যে সামাজিক বনায়ন বিধিমালার প্রয়োজনীয় সংশোধনের কাজ চলছে। গারোদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আদিবাসী পরিষদ কাজ শুরু করেছে। মধুপুর বনের বিরোধপূর্ণ সীমানা চিহ্নিত করতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে বনবাসীদের বাইরে রেখে কিছু করা হবে না। বালু দস্যু ও পাথর খেকোদের বিরুদ্ধে ভূমি ও পানি মন্ত্রণালয় একসাথে কাজ করবে। ওয়ানগালা গারো সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিশেষ প্রতীক। এটি আমাদের সমাজে সম্প্রীতির শক্তি বাড়ায়। ওয়ানগালা প্রকৃতি ও মানবসমাজের সম্পর্কের প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ফসল কাটার এই সময় প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মুহূর্ত। আমাদের সকলের উচিত পরিবেশ সুরক্ষায় গারোদের মতো প্রাকৃতিক সম্পদের যত্ন নেয়া।
ঢাকা ওয়ানগালা ২০২৪ উদযাপন অনুষ্ঠানে নকমা সীমান্ত চিসিম এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এনবিআর সদস্য ফজলুল হক, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য) নাফরিজা শায়মা, লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ, কবি ও গবেষক পরাগ রিচিল, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি রেজিস্ট্রার মো. শাকির হোসেন, কারিতাস ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট এর পরিচালক থিওফিল নকরেক, উন্নয়ন গবেষক ড. বাপন মানখিন, বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল ও কলেজ অধ্যক্ষ ড. মশিউর রহমান, দ্য ক্রিশ্চিয়ান কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন সভাপতি হেমন্টো করায়া প্রমুখ।
পরে উপদেষ্টা ওয়ানগালা উপলক্ষে প্রকাশিত বিশেষ ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন করেন।
মন্তব্য করুন


জামায়াতে
ইসলামীর নায়েবে আমীর সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের ঢাকায় নিযুক্ত চীনের
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন-এর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন।
আজ
বুধবার জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল
মঙ্গলবার ঢাকায় চায়না দূতাবাসে এ সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত আন্তরিকতা
ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
এ
সময় রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ দেশের সার্বিক বিষয় নিয়ে তারা আলোচনা করেন।
মতবিনিময়কালে
তারা আশা প্রকাশ করেন, সামনের দিনগুলোতে দুই দেশের জনগণ ও সরকারের সাথে আরও ঘনিষ্ঠভাবে
কাজ করার সুযোগ রয়েছে এবং আগামী দিনগুলোতে এ ধরনের পারস্পরিক সংলাপ দুই দেশের স্বার্থে
অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
ভবিষ্যতে
বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা আরও জোরদার
হবে বলে তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের
জুনের মধ্যে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি
ইলেকশনস (এএনএফআরইএল)-কে আশ্বস্ত করেছেন।
বৃহস্পতিবার
ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এএনএফআরইএল এর একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, এই নির্বাচন হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সেরা
এবং দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এক মাইলফলক।
এএনএফআরইএল
প্রতিনিধিদলে ছিলেন নির্বাহী পরিচালক ব্রিজা রোসালেস, বাংলাদেশ নির্বাচন ও গণতন্ত্র
কর্মসূচির পরামর্শক মে বুটয়, প্রচারাভিযান ও অ্যাডভোকেসি বিভাগের সিনিয়র প্রোগ্রাম
কর্মকর্তা থারিন্ডু অ্যাবেইরাথনা, প্রোগ্রাম অফিসার আয়ান রহমান খান এবং প্রোগ্রাম অ্যাসোসিয়েট
আফসানা আমেই।
প্রধান
উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ কথা জানান।
এএনএফআরইএল
হলো নাগরিক সমাজের একটি আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক যা এশিয়ায় গণতান্ত্রিক নির্বাচনী ব্যবস্থার
উন্নয়নে নিবেদিত, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ, গণতান্ত্রিক সংস্কার
এবং নাগরিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বৈঠকে,
এএনএফআরইএল প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ বিশেষ করে নাগরিক সমাজের-নেতৃত্বাধীন
স্বাধীন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কাঠামো পুনর্গঠনের অঙ্গীকার তুলে ধরেন।
প্রতিনিধিদলটি
অংশীজন ম্যাপিং এবং চাহিদা নিরূপণের মাধ্যমে নাগরিক সমাজের সম্পৃক্ততা জোরদার এবং নির্বাচনী
স্বচ্ছতা বৃদ্ধির সুযোগ চিহ্নিত করার বিষয়েও আলোচনা করে।
এএনএফআরইএল
প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সঙ্গে বৈঠকের সুযোগ পেয়ে কৃতজ্ঞতা
প্রকাশ এবং বাংলাদেশে স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে অংশীজনদের সঙ্গে
চলমান সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।
মন্তব্য করুন


সেনাপ্রধান
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত কোনো অ্যাকাউন্ট নেই।
বৃহস্পতিবার
(৫ সেপ্টম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য
জানিয়ে বলা হয়, সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধানের ব্যক্তিগত কোনো অ্যাকাউন্ট নেই।
সাথে
আরো বলা হয় যে, এ অবস্থায় সেনাবাহিনী প্রধানের পরিচয় বা ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
কোনো ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে প্রচারিত পোস্ট দেখে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য আইএসপিআর থেকে
অনুরোধ করা হয়।
মন্তব্য করুন


শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী জানিয়েছেন, রমজানের ছুটি সমন্বয় করতে আগামী বছর থেকে প্রয়োজনে শনিবার স্কুল খোলা রাখা যেতে পারে বলে ।
মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সব মতের মানুষের বিশ্বাস ও চিন্তা-চেতনার প্রতি সম্মান রেখে পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নসহ সব বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে মন্ত্রণালয়। রমজানের ছুটি সমন্বয় করতে আগামী বছর থেকে প্রয়োজনে সারা বছর শনিবার স্কুল খোলা রাখা যেতে পারে।
এ বছর রমজানে স্কুল ছুটির আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। তবে স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্তে অনড় ছিল মন্ত্রণালয়। রমজানের আগের দিন তারা আপিল করে বসে।
আর এরপরে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে করা আবেদনের শুনানি হয়। শুনানিতে স্কুল খোলা রাখার বিষয়ে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা এ এম আমিন উদ্দিন। উচ্চ আদালতের আদেশ স্থগিত না করে মঙ্গলবার (১২ মার্চ) আপিল বিভাগে শুনানির দিন ধার্য করা হয়।
পরে রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধের বিষয়ে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেন আপিল বিভাগ।
মন্তব্য করুন


শহুরে
ব্যস্ত জীবনে এখন সম্পর্কের নতুন ঠিকানা হয়ে উঠছে কর্মক্ষেত্র। সকালের তাড়াহুড়া, একসঙ্গে
ডেডলাইন সামলানো, সাফল্যের মুহূর্ত ভাগ করে নেয়া, খারাপ দিনে পাশে থাকা, দুপুরের ছোট্ট
কফি বিরতি কিংবা দিনের শেষে ক্লান্ত মুখে ‘আজ অনেক চাপ গেল’,
এভাবেই অজান্তে কাছাকাছি চলে আসেন অনেক সহকর্মী।
একই
অফিসে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাতে কাটাতে কখন যে পেশাদার কথাবার্তার ভেতর একটু
আলাদা যত্ন, অপেক্ষা কিংবা ভালো লাগা জন্ম নেয়, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না শুরুতে। এসব
থেকেই অনেক সময় তৈরি হয় নির্ভরতা এবং প্রেম। এখন কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক বা ‘ওয়ার্কপ্লেস
রোমান্স’ আগের চেয়ে অনেক বেশি সাধারণ হয়ে উঠছে।
তবে
অফিসের সম্পর্ক শুধু সিনেমার মতো রোমান্টিক গল্প নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পেশাদারিত্ব,
ব্যক্তিগত সীমারেখা, সহকর্মীদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং কর্মপরিবেশের ভারসাম্যও।
সাম্প্রতিক
‘ওয়ার্কপ্লেস রোমান্স স্ট্যাটিস্টিকস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন বলছে, ৬০ শতাংশেরও
বেশি কর্মজীবী মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন।
এর মধ্যে প্রায় ৪৩ শতাংশ সম্পর্ক পরিণয়ে গড়িয়েছে। অর্থাৎ, অফিসে শুরু হওয়া সম্পর্কের
অনেকগুলোই শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছে। ফোর্বস ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ
করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা
বলছেন, এর বড় কারণ হলো সময়ের পরিবর্তন। এখন মানুষের জীবনের বড় একটা অংশ কাটে কর্মস্থলে।
সকালে বের হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত অফিসেই সময় যায়। ফলে বাইরের সামাজিক যোগাযোগ কমে যাচ্ছে।
নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও আগের মতো নেই। তাই স্বাভাবিকভাবেই সহকর্মীদের
মধ্যেই তৈরি হচ্ছে কাছাকাছি আসার সুযোগ।
ফোর্বসের
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক তৈরির পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ‘স্বাচ্ছন্দ্যবোধ’।
প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ বলেছেন, সহকর্মীর সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করতে করতে একটা বিশ্বাস
ও মানসিক নিরাপত্তা তৈরি হয়। এছাড়া ৬১ শতাংশ জানিয়েছেন, কাজের বাইরে নতুন মানুষের সঙ্গে
পরিচিত হওয়ার সময় না থাকাও একটি বড় কারণ। তবে অফিসের সম্পর্ক সবসময় সহজ বা সুন্দর অভিজ্ঞতা
হয় না। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নানা ধরনের জটিলতাও।
সমীক্ষায়
দেখা গেছে, প্রায় ৫৭ শতাংশ কর্মী মনে করেন, অফিসের সম্পর্ক তাদের কাজের পারফরম্যান্সে
প্রভাব ফেলেছে। কেউ কেউ কাজের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়েছেন, আবার অনেকের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত
টানাপোড়েন কাজের পরিবেশকেও অস্বস্তিকর করে তুলেছে।
এছাড়া
৫২ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, সম্পর্কের কারণে সহকর্মীদের আচরণ বদলে গেছে। অফিসে গুজব,
ঈর্ষা বা পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও বেড়েছে অনেক ক্ষেত্রে। প্রায় অর্ধেক কর্মী বলেছেন,
সহকর্মীদের মধ্যে তাদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা বা কানাঘুষা চলেছে।
আরও
একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, প্রায় ৩৫ শতাংশ কর্মী তাদের সম্পর্কের বিষয়টি অফিস কর্তৃপক্ষকে
জানান না। কারণ হিসেবে তারা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, অস্বস্তি কিংবা চাকরিগত ঝুঁকির কথা
উল্লেখ করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের
মতে, কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। মানুষ যেখানে বেশি সময় কাটায়,
সেখানেই আবেগ তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে সম্পর্কের কারণে যেন কর্মপরিবেশ, পেশাদারিত্ব
বা অন্য সহকর্মীদের স্বস্তি নষ্ট না হয়, সেই বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ
অফিসের সম্পর্ক শুধু দুজন মানুষের ব্যক্তিগত বিষয় হয় না, অনেক সময় সেটি পুরো কর্মপরিবেশের
ওপরও প্রভাব ফেলে।
এ
ব্যাপারে সাদমিনা নামের এক তরুণী বলেন, ‘অফিসে একজনকে ভালো লাগে। একসঙ্গে কাজ করতে
করতে কখন যে তার প্রেমে পড়ে গেলাম টেরই পেলাম না। আমরা একসঙ্গে লাঞ্চে যাই, চা খেতে
যাই, কাজের বাইরেও অনেক গল্প হয়। তবে ভালোলাগার কথাগুলো এখনও আদান-প্রদান হয়নি।’
এদিকে
সহকর্মীকে বিয়ে করা শাহরিয়ার নীরব নামের এক যুবক বলেন, ‘আমরা একই অফিসে চাকরি করি।
৫ বছর আগে যখন আমাদের প্রেম হয় তখন আশেপাশের সহকর্মীরা আমাদের দেখে হাসতো, মজা নিতো।
ব্যাপারটা আমরাও বেশ উপভোগ করতাম।’
নীরব
হেসে হেসে আরও বলেন, ‘আমরা যখন প্রেম করতাম তখন অফিসের কাজের চাপ থাকলেও চাপ মনে হতো
না। প্রেয়সীর চোখের দিকে তাকালেই সব ক্লান্তি দূর হয়ে যেত, অফিস ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও
টের পেতাম না।’
সহকর্মীর
সঙ্গে সংসার কেমন কাটছে এমন প্রশ্নের জবাবে নীরব বলেন, ‘আমরা ভালো আছি। সংসার জীবনের
এত বছরেও প্রেমের প্রথম দিনের মতোই মনে হয় এখনও। আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আমরা এখনও
সহকর্মী।’
মন্তব্য করুন