লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
পেট-কোমরের থলথলে মেদ কিছুতেই কমছে না। শরীরচর্চা করছেন, খাওয়া-দাওয়াতেও নিয়ম মানছেন, তবুও মনের মতো ফল পাওয়া যাচ্ছে না! ওজন কমানোর জন্য কত কিছুই না চেষ্টা করছেন। কিন্তু কখনও কফিতে দারুচিনি মিশিয়ে খেয়ে দেখেছেন? ওজন কমাতে ঘি কফি নিয়ে এখন খুব শোনা যাচ্ছে। তবে দারুচিনি দেওয়া কফির পুষ্টিগুণও অনেক।
‘ফুড সায়েন্স অ্যান্ড নিউট্রিশন’-এর তথ্য বলছে, দুধ-চিনি ছাড়া কালো কফিতে দেড় গ্রামের মতো অর্থাৎ এক চা-চামচ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে হজমশক্তি যেমন বাড়বে, তেমনই ওজনও কমবে। প্রতিদিন নিয়ম করে দারুচিনি মেশানো কফি খেলে কোমরের পরিধিও কমবে বলে দাবি গবেষকদের।
দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়েও কফি তৈরি করতে পারেন, আবার কফি তৈরির জন্য জল গরম করার সময় এক টুকরো দারুচিনি ফেলে দিলেও মশলাটির গুণ কফিতে মিশে যাবে। দারুচিনি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, খিদে কমায়। যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। মূলত দুই ধরনের দারুচিনি পাওয়া যায় বাজারে। ক্যাসিয়া এবং সিলন। সিলনের দারুচিনির পুষ্টিগুণ তুলনামূলকভাবে বেশি।
গবেষকেরা বলছেন, দারচিনিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে, যা কফির ক্যাফিনের খারাপ প্রভাব কমিয়ে দিতে পারে। তা ছাড়াও দারুচিনিতে আছে ‘পলিফেনল’। এই উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
দারুচিনি দেওয়া কফি খুব ভাল ডিটক্স পানীয়ের কাজ করতে পারে। এটি নিয়মিত খেলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমবে। সারাদিনের খাবার থেকে যে পরিমাণ টক্সিন বা দূষিত পদার্থ শরীরে জমা হয়, তা ছেঁকে বার করে দিতে পারে দারুচিনি। ফলে ঝরঝরে এবং চাঙ্গা হয় শরীর। রোজ সকালে দারুচিনি মেশানো কফি খেলে হজমশক্তি বাড়বে। শরীরচর্চার পরেও খেতে পারেন দারুচিনি দেওয়া কফি। তাতেও উপকার হবে।
মন্তব্য করুন
লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
ঋতু পরিবর্তনের এ সময় কমবেশি সবাই ভুগছেন সর্দি-হাঁচি-কাশির সমস্যায়। এর থেকে আরাম পেতে এ সময় কিছু ভেষজ উপাদান পাতে রাখুন। তাহলে বাড়বে ইমিউনিটি। জেনে নিন কী কী পান করবেন-
১. গরম দুধে অল্প হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে পান করা সব সময়ই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এই পানীয় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও বাড়ায়। আবার রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হলুদ মেশানো হালকা গরম দুধ পান করলে আপনার ঘুমও ভালো হবে।
২. অন্যদিকে মৌরি ভেজানো পানি পান করলে ওজন কমে ও হজমশক্তি বাড়ে। তবে অনেকেরই হয়তো জানা নেই যে চায়ের মধ্যে মৌরি দিয়ে পান করারও উপকার অনেক। এতে বাড়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। ফলে হুট করে কোনো সংক্রমণে আক্রান্ত হবে না।
৩. আমলকির রস খালি পেটে পান করলে অনেক উপকার মেলে। এর মধ্যে অন্যতম হলো আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। এতে সর্দি-কাশির সমস্যা কমবে অল্পদিনেই। আবার আমলকির রস অন্ত্রের স্বাস্থ্যেরও খেয়াল রাখে। বদহজমের সমস্যা কমায়। ফলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি এইসব সমস্যা দেখা যায় না।
৪. অশ্বগন্ধা আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। দুধের সঙ্গে এই অশ্বগন্ধা মিশিয়ে খেতে পারলে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। অশ্বগন্ধা মেশানো দুধ পান করলে স্ট্রেসের মাত্রাও কমবে আপনার। এছাড়া আপনার শরীর সার্বিকভাবে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এই পানীয়।
৫. আদা মেশানো চা পান করলে গলা ব্যথা কিংবা সর্দির সমস্যায় দারুণ আরাম মেলে। আদা চা নিয়মিত পান করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। ফলে ঘনঘন অসুস্থতা দেখা দেবে না।
মন্তব্য করুন
লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
পেট-কোমরের থলথলে মেদ কিছুতেই কমছে না। শরীরচর্চা করছেন, খাওয়া-দাওয়াতেও নিয়ম মানছেন, তবুও মনের মতো ফল পাওয়া যাচ্ছে না! ওজন কমানোর জন্য কত কিছুই না চেষ্টা করছেন। কিন্তু কখনও কফিতে দারুচিনি মিশিয়ে খেয়ে দেখেছেন? ওজন কমাতে ঘি কফি নিয়ে এখন খুব শোনা যাচ্ছে। তবে দারুচিনি দেওয়া কফির পুষ্টিগুণও অনেক।
‘ফুড সায়েন্স অ্যান্ড নিউট্রিশন’-এর তথ্য বলছে, দুধ-চিনি ছাড়া কালো কফিতে দেড় গ্রামের মতো অর্থাৎ এক চা-চামচ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে হজমশক্তি যেমন বাড়বে, তেমনই ওজনও কমবে। প্রতিদিন নিয়ম করে দারুচিনি মেশানো কফি খেলে কোমরের পরিধিও কমবে বলে দাবি গবেষকদের।
দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়েও কফি তৈরি করতে পারেন, আবার কফি তৈরির জন্য জল গরম করার সময় এক টুকরো দারুচিনি ফেলে দিলেও মশলাটির গুণ কফিতে মিশে যাবে। দারুচিনি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, খিদে কমায়। যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। মূলত দুই ধরনের দারুচিনি পাওয়া যায় বাজারে। ক্যাসিয়া এবং সিলন। সিলনের দারুচিনির পুষ্টিগুণ তুলনামূলকভাবে বেশি।
গবেষকেরা বলছেন, দারচিনিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে, যা কফির ক্যাফিনের খারাপ প্রভাব কমিয়ে দিতে পারে। তা ছাড়াও দারুচিনিতে আছে ‘পলিফেনল’। এই উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
দারুচিনি দেওয়া কফি খুব ভাল ডিটক্স পানীয়ের কাজ করতে পারে। এটি নিয়মিত খেলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমবে। সারাদিনের খাবার থেকে যে পরিমাণ টক্সিন বা দূষিত পদার্থ শরীরে জমা হয়, তা ছেঁকে বার করে দিতে পারে দারুচিনি। ফলে ঝরঝরে এবং চাঙ্গা হয় শরীর। রোজ সকালে দারুচিনি মেশানো কফি খেলে হজমশক্তি বাড়বে। শরীরচর্চার পরেও খেতে পারেন দারুচিনি দেওয়া কফি। তাতেও উপকার হবে।
মন্তব্য করুন
লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
শীতে ব্যাক্টেরিয়া-ভাইরাস বেড়ে যাওয়ায় সংক্রামক রোগ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মৌসুম বদলের এই সময়ে জ্বর, সর্দিকাশি লেগেই থাকবে। ঠান্ডা লাগলেই শ্বাসের সমস্যা দেখা দেয়। তাই শরীর সুস্থ রাখতে কেবল মুঠো মুঠো ওষুধ না খেয়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়াতে হবে।
এর জন্য বিভিন্ন ডিটক্স পানীয় যেমন জরুরি, তেমন রোজের খাওয়াদাওয়াতেও নজর দিতে হবে। ডিটক্স পানীয় অনেকেই খান না। তার থেকে রোজের চায়ে এমন কিছু মশলা মিশিয়ে দিন, যা স্বাভাবিকভাবেই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটা বাড়িয়ে দিতে পারে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই সকল ওষুধি গুণসম্পন্ন চা এর বিষয়ে।
তুলসী-
তুলসী নানা রোগ নিরাময় করতে পারে এবং অনাক্রম্যতা শক্তিশালী করে। এতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং ব্যথানাশক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা শুকনো কাশি-সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসায় সাহায্য করে। তুলসী পাতার চা অ্যালার্জিজনিত ব্রঙ্কাইটিস এবং হাঁপানিও নিরাময় করতে পারে।
আদা-
সর্দি, কাশি, গলা ব্যথার চিকিৎসায় আদা যুগ যুগ ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে। আদা আমাদের শরীর উষ্ণ রাখে। যে কারণে শীতকালে আদা চা পান দারুণ কার্যকর। এক কাপ পানিতে আদা থেঁতো করে দিয়ে ফোটান। এতে এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন। গলা ব্যথার জন্য দারুণ কার্যকর এই পানীয়।
হলুদ-
হলুদে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা সর্দি-কাশি এবং ফ্লু প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়া হলুদ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে এবং জয়েন্ট ভাল রাখে। এক কাপ জলে আদা, এক চা চামচ হলুদ এবং অর্ধেক লেবু দিয়ে পান করুন। সর্দি, কাশিতে এই পানীয় ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
দারুচিনি-
দারুচিনিও আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে খুব উপকারি। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ দারুচিনি যে কোনও সংক্রমণ এবং প্রদাহ কমাতে পারে। ঠান্ডা আবহাওয়ায় নিজেকে সুস্থ রাখতে দারুচিনি খেতে পারেন। এক কাপ পানিতে আদা দিয়ে ফোটান। এতে ১/২ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো ও মধু মিশিয়ে পান করুন।
তেজপাতা-
তেজপাতায় অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল ও মাইক্রোব্যাক্টেরিয়াল উপাদান থাকায় এটি অনেক অসুখবিসুখ সারাতে পারে। হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী করতে তেজপাতা বেশ কার্যকর। এছাড়াও কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও তেজপাতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আর্থ্রাইটিসের ব্যথা কমাতেও তেজপাতা খুবই কার্যকরী।
লবঙ্গ-
লবঙ্গে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান। যা প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। পেটের গোলমাল ঠেকাতে লবঙ্গ খুবই উপকারী। ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য লবঙ্গ উপকারী। গবেষণা বলছে, লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে শর্করার পরিমাণ অনেকটাই কমে। পাশাপাশি সর্দিকাশি সারাতেও লবঙ্গের ভূমিকা রয়েছে। এক কাপ গরম জলে ৪-৫ টি লবঙ্গ দিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে রেখে দিন। একটু ঠান্ডা হলে খেয়ে নিন। সপ্তাহে ৩-৪ দিন খেতে পারেন লবঙ্গ চা।
গোলমরিচ-
ব্যাকটেরিয়ারোধী বৈশিষ্ট্যের কারণে এই মশলাটি সর্দি, কাশি এবং ফ্লুর বিস্তার প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে এবং রেসপিরেটরি ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে। এক কাপ হলুদ দুধে গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। দুধ না খেতে চাইলে চায়ের সঙ্গে গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন।
মন্তব্য করুন