

ঢাকাইয়া চলচ্চিত্রের নায়িকা পরিমনী এবার পা রাখতে যাচ্ছেন
ওপার বাংলায়। বাংলাদেশের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রী টলিউডের সিনেমায় কাজ করলেও অভিনেত্রী
পরীমণি আজও টলিউডে পা রাখনেনি। অনেক দিন ধরে ওপার বাংলার দর্শকের মনে একটাই প্রশ্ন
ছিল। কবে ওপার বাংলার ছবিতে দেখা যাবে পরীমণিকে?
নায়িকাকে কলকাতার ছবিতে দেখার অপেক্ষায় দর্শক। পরীর
অনুরাগীদের সেই স্বপ্নই এ বার সত্যি হতে চলেছে। সেই সুখবর দিয়েছে আনন্দবাজার অনলাইনকে।
আনন্দবাজার
অনলাইনকে পরীমনি বলেন, কলকাতার ছবিতে কাজ করছি। এখনই বিস্তারিত কিছু বলতে চাই না।
সবটাই ক্রমশ প্রকাশ্যে। ছেলের জন্মদিন কাটলেই কলকাতায় আসব।
কলকাতার
ইন্ডাস্ট্রিতে পরী অভিনয় না করলেও বাংলাদেশের মানুষের কাছে নানান কারণে বেশ
পপুলার। বিশেষ করে, তাঁর সৌন্দর্য দুর্দান্ত ব্যক্তিত্ব, সবটাই মানুষকে আকৃষ্ট করে
প্রতিনিয়ত। তাই ভক্তদের একপ্রকার ইচ্ছে ছিলই এবার তাকে টলিউডে ছবিতে দেখার জন্য!
মন্তব্য করুন


বছর দুয়েক আগে মাদক মামালায় শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানকে গ্রেপ্তার করেন এনসিবি অফিসার সমীর ওয়াংখেড়ে। সেই ঘটনার নাকি মাসুল দিতে হচ্ছে মামালার ভারপ্রাপ্ত এই অফিসারকে। মুম্বাই থেকে আরিয়ানকে গ্রেপ্তার করেছিলেন সমীর। সম্প্রতি এ অফিসারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা রুজু করেছে সিবিআই।
মাদক গ্রহণের অভিযোগে গ্রেপ্তার আরিয়ানকে ২২ দিন জেলে থাকতে হয়েছিল। ২০২২-এর মে মাসে সাক্ষ্যপ্রমাণের অভাবে এনসিবি আরিয়ানের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয়। তবে সিবিআইয়ের অভিযোগ, এই ঘটনায় নাকি খান পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তা।
আরিয়ানকে মুক্ত করতে নাকি প্রায় ২৫ কোটি টাকা চান সমীর। ভিজিল্যান্স রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে তদন্তকারীদের প্রাথমিক তদন্তের পর সমীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হয়।
সমীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি বৃদ্ধি করতে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। তার পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা দায়ের করল সিবিআই। শুধু তাই নয় সম্প্রতি সমীরের বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। প্রায় ১৩ ঘণ্টা ধরে চলে এই তল্লাশি অভিযান। ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন সমীরের স্ত্রী ও পুত্র। তার পরই নিজের প্রতিক্রিয়া জানান সমীর। তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিকারের দেশপ্রেমিক হওয়ার মাসুল গুনছি। তবে আমি আমৃত্যু লড়ে যাব। আমার গোটা পরিবার ভয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছে।’
এমএ
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


ঢাকায় গান গাইতে আসছেন
ভারতীয় তরুণ গায়ক, সুরকার ও গীতিকার দর্শন রাওয়াল। ‘দর্শন রাওয়াল লাইভ ইন ঢাকা’
শীর্ষক কনসার্টে গান গাইবেন ‘খিচ মেরি ফটো’খ্যাত গায়ক।
টোয়েন্টি টু ইভেন্টস কনসার্টটি
আয়োজন করবে।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়,
আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাজধানী ঢাকার আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি
বসুন্ধরার (আইসিসিবি) নবরাত্রি হলে গান পরিবেশন করবেন ভারতীয় গায়ক দর্শন রাওয়াল।
হিন্দি, গুজরাটি,
পাঞ্জাবি, বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষায় গান করেন দর্শন রাওয়াল। তরুণদের কাছে দর্শন
রাওয়ালের খ্যাতি অন্যরকম।
২০১৪ সালে ভারতের একটি
রিয়েলিটি শোর মাধ্যমে পরিচিতি পান দর্শন রাওয়াল। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত দর্শন
রাওয়ালের গান ‘মাহিয়া জিন্নাহ সোহনা’ দারুণ সাড়া পেয়েছে।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয় তুর্কি সিরিয়াল ‘কুরুলুস উসমান’ সিরিজের অভিনেতা বুরাক অ্যাজিভিট ঢাকায়
এসেছেন।
এর আগে বুরাক বৃহস্পতিবার (২৩ মে) তার সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান, তিনি ঢাকার ভক্ত-অনুরাগীদের
উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
এ অভিনেতা ২৪ মে ঢাকায় এসে পৌঁছান বলে জানা গেছে।
তুর্কি সিরিয়ালের জনপ্রিয় এ অভিনেতা তিনি এখন হোটেল রেডিসন ব্লুতে অবস্থান করছেন।
একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণেই বাংলাদেশে এসেছেন কুরুলুস উসমানের নায়ক বুরাক
অ্যাজিভিট। আগামীকাল (২৬ মে) ঢাকার ভক্তদের সঙ্গে দেখা করবেন এ অভিনেতা।
এই মুহূর্তে হোটেল রেডিসন ব্লুতে অবস্থান করছেন তুর্কি সিরিয়ালের জনপ্রিয় এ অভিনেতা।
জানা গেছে, বহুজাতিক একটি প্রতিষ্ঠান তাদের রূপান্তর যাত্রার অংশ হিসেবে আমন্ত্রণ
জানিয়েছেন বুরাককে। আর সে আমন্ত্রণেই বাংলাদেশে এসেছেন কুরুলুস উসমানের নায়ক বুরাক
অ্যাজিভিট।
বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ধারাবাহিক কার্যক্রমে অংশ নিতেই সফরে আসেন তিনি। দেখা
করবেন তার ভক্তদের সঙ্গেও।
বহুজাতিক সেই কোম্পানি থেকে যারা পণ্য কিনেছেন তাদের মধ্য থেকেই ভাগ্যবান বিজয়ী
এই প্রিয় অভিনেতার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পারবেন। আগামী ২৬
মে বিজয়ী ভক্তদের সঙ্গে দেখা করবেন বুরাক।
অভিনেতা বুরাক অ্যাজিভিটের তুরস্ক ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অসংখ্য ভক্ত রয়েছে।
তিনি উসমানীয় সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট উসমানের চরিত্রে রূপদান করে বিশ্বব্যাপী বিনোদনপ্রেমীদের
মন জয় করেছেন। তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্বের প্রায় ১৬ মিলিয়ন মানুষ অনুসরণ করে।
বুরাক অ্যাজিভিটের ১৯৮৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তুরস্কের মারমারা
বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় পড়াশোনা করেছেন।
মন্তব্য করুন


পৃথিবীর দ্বিতীয় জনবহুল দেশ চীনের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিয়ের প্রতি অনাগ্রহ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। তাদের এমন অনাগ্রহের কারণে দেশটির জনসংখ্যাও কমছে আশঙ্কাজনক হারে। তরুণ বয়সেই বিয়ের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে চীনের সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
চীনের পূর্বাঞ্চলের চ্যাংসান কাউন্টি ঘোষণা দিয়েছে, যদি কোনো তরুণ-তরুণী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং ওই নববধূর বয়স ২৫ বছর বা তার কম হয় তাহলে নতুন দম্পতিকে নগদ ১ হাজার ইউয়ান পুরস্কার দেওয়া হবে।
চ্যাংসান কাউন্টির অফিসিয়াল উইচ্যাট অ্যাকাউন্টে এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘উপযুক্ত বয়সে বিয়ে’ এবং ‘গর্ভধারনের’ জন্য এই পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া যেসব দম্পতির সন্তান রয়েছে তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বিশেষ সুযোগ-সুবিধাও রেখেছে তারা।
২০২২ সালে গত ৬০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো চীনের জনসংখ্যা কমে যেতে দেখা যায়। জন্মহার খুবই কম হওয়ায় দেশটিতে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে গেছে; অপরদিকে বেড়ে গেছে বয়স্কদের সংখ্যা। এ বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে চীন। জন্মহার বাড়াতে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দেয়।
চীনের আইন অনুসারে দেশটিতে ছেলেদের বিয়ের বৈধ বয়স হলো ২২। মেয়েদের বিয়ের বৈধ বয়স হলো ২০। এ বয়সী তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিয়ের কোনো চিন্তাভাবনাই দেখা যায় না। আর এ বিষয়টি জন্মহারে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে।
২০২২ সালে চীনে মাত্র ৬০ লাখ ৮০ হাজার বিয়ে হয়। যা ১৯৮৬ সালের পর সর্বনিম্ন। ২০২১ সালে যে সংখ্যক বিয়ে হয়েছিল ২০২২ সালে সে তুলনায় ৮ লাখ কম বিয়ে হয়েছিল।
সন্তান লালন-পালনের ব্যয় ও নানান কারণে দেশটির অনেক নারী বিয়ের পরও সন্তান নিতে চান না।
সূত্র: রয়টার্স
মন্তব্য করুন


চাষী
আলম এত দিন ব্যাচেলর দলে থাকলেও এবার ছাদনাতলায় বসতেই হলো। ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকে
অভিনয় করে আলোচনায় আসেন ‘হাবু ভাই’ খ্যাত অভিনেতা চাষী আলম।
শুক্রবার
রাতে রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠান শেষে কনেকে ঘরে তুলেছেন চাষী আলম অর্থাৎ মাহবুবুর
রহমান চাষী । কনের নাম তুলতুল মোহনা।
২৪
আগস্ট বৃহস্পতিবার ছিল তার গায়ে হলুদ। ২৫ আগস্ট শুক্রবার গুলশানের একটি রেস্তোরাঁয়
বসবে তার বিয়ের আসর। পাত্রী তুলতুল ঢাকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে পড়ছেন।
এবার
চাষী আলম জানালেন স্ত্রীও তাকে ‘হাবু ভাই’ বলে ডাকেন। শ্বশুর-শাশুড়ি দুজনই আমার অভিনয়ের
ভক্ত। বউ আমাকে “হাবু ভাই” বলে ডাকে। ওপরওয়ালা তুলতুলকে আমাকে মিলিয়ে দিয়েছে। আমার
বউটা লক্ষ্মী। সে খুবই আধুনিক এবং স্টাইলিস্ট। আমার মনে মতো। তুলতুলের চুল ও চোখ বেশি
পছন্দ আমার। ওর চোখে গভীর মায়া আছে।
মন্তব্য করুন


চঞ্চল চৌধুরী আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্সের তৈরি করা ছবিতে এবার সুপারহিরো হলেন । আজ নিজেই পোস্ট করেছেন নিজের সেই ছবি।
‘এমন যদি হতো…’, কথাটি লিখেই নিজের এই ছবি পোস্ট করেছেন জনপ্রিয় এই অভিনেতা।
প্রথম ঝলকে কিন্তু অভিনেতাকে চেনাই দায়। তবে একটু ভাল করে দেখলে বোঝা যাবে এ চেহারা চঞ্চল চৌধুরীর। এ আই-এর জাদুকাঠির ছোঁয়ায় যার দুটি ডানা হয়েছে।
অভিনেতার এই ছবি তৈরি করেছেন জনপ্রিয় গায়িকা আঁখি আলমগীর। উপহার হিসেবে পেয়েছেন নিজের এই নতুন রূপ। বিয়ষটি জানিয়েছেন চঞ্চল নিজেই।
চঞ্চল চৌধুরীর এই রূপ দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। ‘দারুণ হতো! হতেই পারে!’, ‘অসম্ভব সুন্দর মানিয়েছে দাদা’- এমন মন্তব্যে ভরা তার কমেন্ট বক্সে। কারও কারও আবার অভিনেতার ন্যাচরাল লুকই পছন্দ। তাদের মতে, ‘আপনি যেমন তেমনি ভালো। ’
একজন আবার গ্লোবাল সিনেমা তৈরি করার পরামর্শও দিয়েছেন। কেউ আবার লেখেন, ‘আপনি যে আয়নাবাজি আমাদের উপহার দিয়েছেন তা আর কম কিসে?’
নির্দিষ্ট কিছু চরিত্রের মধ্যে বন্দী না রেখে ক্রমাগত নিজেকে ছড়িয়ে দেওয়া চঞ্চল চৌধুরীর কাজের জন্য এখন মুখিয়ে থাকেন অনেক দর্শকরা। কারণ, তারা জানেন যে এই অভিনেতা তাদের ।
শিগগিরই ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির ‘পদাতিকে’ এ দেখা যাবে তাকে। বরেণ্য নির্মাতা মৃণাল সেনের লুকে চঞ্চল চৌধুরীকে দেখে ইতিমধ্যেই হইচই পড়ে গেছে দুই বাংলায়। নির্মাতা-প্রযোজকের ইচ্ছে- সিনেমাটি একসঙ্গে ভারত ও বাংলাদেশে মুক্তি দেওয়ার।
মন্তব্য করুন


সাভারের বোট ক্লাবে গিয়ে মদপানের পর ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় ক্লাবের পরিচালক ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনির নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।
আজ রোববার (২৬ জানুয়ারি) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুনাইদ এ পরোয়ানা জারি করেন।
পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী জানান, রোববার মামলায় চার্জ শুনানির দিন ধার্য ছিল। আমরা আসামিপক্ষে সময় আবেদন করি। আদালত সময় আবেদন নামঞ্জুর করে তার নামে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই সঙ্গে তার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
এর আগে ২০২২ সালের ৭ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে এ মামলা করেন নাসির। মামলায় পরীমনি ছাড়াও তার দুই সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমিকে আসামি করা হয়। আদালত পিবিআকে ঘটনা বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন।
মামলার আরজিতে বলা হয়, পরীমনি ও তার সহযোগীরা অ্যালকোহল সেবী। সুযোগ বুঝে তারা বিভিন্ন নামিদামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। পরীমনি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করে হয়রানির ভয় দেখান। ২০২১ সালের ৯ জুন রাত ১২টার পর আসামিরা সাভারের বোট ক্লাবে ঢুকে দ্বিতীয় তলার ওয়াশরুম ব্যবহার করেন। পরে তারা ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন। বাদী ও তার সহযোগী শাহ শহিদুল আলম রাত সোয়া ১টার দিকে যখন ক্লাব ত্যাগ করছিলেন, তখন পরীমনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাদী নাসির উদ্দিনকে ডাক দেন এবং তাদের সঙ্গে কিছু সময় বসার অনুরোধ করেন। একপর্যায়ে পরীমনি অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে নাসির উদ্দিনকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং একটি ব্লু লেবেল অ্যালকোহলের বোতল বিনামূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য বাদীকে চাপ দেন। বাদী এতে রাজি না হওয়ায় পরীমনি বাদীকে গালমন্দ করেন। বাদী এবং আসামিদের মধ্যে বাদানুবাদের একপর্যায়ে পরীমনি বাদীর দিকে একটি সারভিং গ্লাস ছুড়ে মারেন এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোনটিও ছুড়ে মারেন। এতে নাসির উদ্দিন মাথায় এবং বুকে আঘাত পান। পরীমনি ও তার সহযোগীরা নাসির উদ্দিনকে মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন ও ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরীমনি সাভার থানায় বাদীসহ দুজনের নামে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করেন।
গত বছর এ মামলায় পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরীমনি ছাড়া এ মামলায় তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে তার সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।
এরপর গত বছর ১৮ এপ্রিল এ মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রতিবেদনের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে শুনানি শেষে তাদের দুজনকে হাজির হতে সমন জারি করেন।
এরপর গত বছর ২৫ জুন ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম. সাইফুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন।
মন্তব্য করুন


গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ছোট পর্দার অভিনেতা মুশফিক আর ফারহান।
শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার (০৩ জানুয়ারি) রাতে তাকে আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
মুশফিক আর ফারহানের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, নাটকের শুটিংসেটে ফারহান হঠাৎ জ্বর ও শরীর ব্যথার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে শুক্রবার হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। সেখানে অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর তাকে দ্রুত আইসিইউতে নেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


বলিউড অভিনেতা সোনু সোদ মানবিক কাজের জন্য বরাবরই প্রশংসিত । এই অভিনেতাকে গরীবের ‘মাসিহা’ (ত্রানকর্তা) বলা হয়ে থাকে। করোনাকালীন সময় তিনি দুই হাত উজাড় করে সাহায্য করেছেন অসহায়দের।
তাছাড়াও বিভিন্ন সময় নিজের মানবিক কাজের জন্য শিরোনামে উঠে আসে তার নাম। এবারও তিনি এলেন লাইমলাইটে। জয়পুরের একটি ২২ মাস বয়সী ছেলের জীবন বাঁচানোর উদ্যোগ নিয়েছেন অভিনেতা সোনু সোদ। শিশুটির জীবন বাঁচাতে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ইনজেকশনের ব্যবস্থা করলেন এই অভিনেতা।
আর সেই ইনজেকশেনর দাম ১৭ কোটি টাকা বলে জানা যাচ্ছে।
জানা গেছে, জয়পুরের এই শিশুটি ‘স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রফি টাইপ-২’রোগে আক্রান্ত। পেশির সঞ্চালনকে নিয়ন্ত্রণ করে যে মোটর নিউরোন, তা নষ্ট হওয়ার কারণেই মেরুদণ্ডের এই বিরল রোগ হয়। এই রোগের চিকিৎসা খুবই খরচসারপেক্ষ।
২২ মাসের এই শিশুটি এমনই জটিল রোগে ভুগছে। সেই শিশুর চিকিৎসা সাহায্যের হাত বাড়ান সোনু সুদ। বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থের ব্যবস্থা (ক্রাউডফান্ডিং) করেন অভিনেতা। মাত্র তিন মাসের মধ্যে নয় কোটি টাকা জোগাড় করেন তিনি। শিশুটিকে সুস্থ জীবন দান করার জন্য এভাবেই ১৭ কোটি টাকার ইনজেকশনের ব্যবস্থা করেন তিনি।
খুবই অল্প সময়ের মধ্যে এই বড় অঙ্কের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন অভিনেতা সোনু সোদ। আর তাই বরাবরের মতোই ভক্ত অনুরাগীদের প্রশংসায় ভাসছেন অভিনেতা।
এর আগেও বিভিন্ন ভাবে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন সোনু সোদ। চিকিৎসায় সাহায্য করে প্রায় ৯ জনের জীবন বাঁচিয়েছেন তিনি।
মন্তব্য করুন