

অভিনেত্রী ও মডেল রিশতা লাবণী সীমানা (৩৯) মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল ৬টায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। গণমাধ্যমকে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন সীমানার ছোট ভাই এজাজ বিন আলী। ৩৯ বছর বয়সে শেষ হলো অভিনেত্রীর পথচলা।
গত ২১ মে রাতে আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী সীমানা। সে রাতেই ধানমন্ডির এক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। সেখানেই তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের বিষয়টি জানা যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য পরদিন ঢাকার আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। সেখানে অস্ত্রোপচার হয় অভিনেত্রীর। এরপর সীমানার চিকিৎসা চলছিল ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে। শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাকে।
অভিনেত্রী সীমানা দুই সন্তানের মা। বড় ছেলের নাম শ্রেষ্ঠ। ছোট সন্তান স্বর্গের বয়স তিন। ২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিনোদন অঙ্গনে কাজ শুরু করেন সীমানা।
মন্তব্য করুন


লম্বা দাড়ির জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করলেন এরিন হানিকাট নামের এক তরুণী। ৩৮ বছর বয়সী এই তরুণী আমেরিকার মিচিগান শহরের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা দাড়িওয়ালা নারী।
১৩ বছর বয়সে প্রথমবার শারীরিক তথা সামাজিক অস্বস্তির মধ্যে পড়েন এরিন। যেহেতু কিশোরীর মুখে ‘ছেলেদের মতো’ দাড়ি গজাতে শুরু করে। শুরুতে নিয়মিত মুখের পশম তুলে ফেলতেন এরিন। ওয়াক্সিং করতেন, হেয়ার রিমুভাল লোশনও ব্যবহার করতেন। কিন্তু একবার উচ্চ রক্তচাপের কারণে চোখে স্ট্রোক হয় তার। এর পরেই দাড়ি কাটা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে দিনে দিনে এরিনের দাড়ির দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকে। এমনকি তা পুরনো গিনেস রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।
প্রায় ১ ফুট লম্বা দাড়ি এরিনের। সঠিক হিসাবে দিলে ১১.৮ ইঞ্চি। তিনি ৭৫ বছরের ভিভিয়ান হুইলারের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। ভিভিয়ানের দাড়ির দৈর্ঘ্য ১০.০৪ ইঞ্চি। অর্থাৎ এরিনের দাড়ি ১.৪ ইঞ্চি বেশি লম্বা। সেই কারণেই নতুন গিনেস রেকর্ডের মালিক হলেন তিনি।
এরিন জানিয়েছেন, পরিবার পাশে থাকাতেই সেসব কটাক্ষকে অতিক্রম করতে পেরেছেন তিনি। আমি আমাকে নিয়ে খুশি।
সূত্র : এনডিটিভি, দ্য গার্ডিয়া
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
সোমবার (১৫ মে) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চিত্রনায়ক ফারুকের ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, চিত্রনায়ক ও সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন পাঠান দুলু ওরফে ফারুকের প্রথম নামাজে জানাজা সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ আসবে। পরে সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
উল্লেখ্য, চিত্রনায়ক ফারুক সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন। মঙ্গলবার (১৬ মে) সকালে তার মরদেহ দেশে আনা হবে।
মন্তব্য করুন


সাভারের বোট ক্লাবে গিয়ে মদপানের পর ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় ক্লাবের পরিচালক ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনির নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।
আজ রোববার (২৬ জানুয়ারি) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুনাইদ এ পরোয়ানা জারি করেন।
পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী জানান, রোববার মামলায় চার্জ শুনানির দিন ধার্য ছিল। আমরা আসামিপক্ষে সময় আবেদন করি। আদালত সময় আবেদন নামঞ্জুর করে তার নামে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই সঙ্গে তার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
এর আগে ২০২২ সালের ৭ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে এ মামলা করেন নাসির। মামলায় পরীমনি ছাড়াও তার দুই সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমিকে আসামি করা হয়। আদালত পিবিআকে ঘটনা বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন।
মামলার আরজিতে বলা হয়, পরীমনি ও তার সহযোগীরা অ্যালকোহল সেবী। সুযোগ বুঝে তারা বিভিন্ন নামিদামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। পরীমনি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করে হয়রানির ভয় দেখান। ২০২১ সালের ৯ জুন রাত ১২টার পর আসামিরা সাভারের বোট ক্লাবে ঢুকে দ্বিতীয় তলার ওয়াশরুম ব্যবহার করেন। পরে তারা ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন। বাদী ও তার সহযোগী শাহ শহিদুল আলম রাত সোয়া ১টার দিকে যখন ক্লাব ত্যাগ করছিলেন, তখন পরীমনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাদী নাসির উদ্দিনকে ডাক দেন এবং তাদের সঙ্গে কিছু সময় বসার অনুরোধ করেন। একপর্যায়ে পরীমনি অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে নাসির উদ্দিনকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং একটি ব্লু লেবেল অ্যালকোহলের বোতল বিনামূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য বাদীকে চাপ দেন। বাদী এতে রাজি না হওয়ায় পরীমনি বাদীকে গালমন্দ করেন। বাদী এবং আসামিদের মধ্যে বাদানুবাদের একপর্যায়ে পরীমনি বাদীর দিকে একটি সারভিং গ্লাস ছুড়ে মারেন এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোনটিও ছুড়ে মারেন। এতে নাসির উদ্দিন মাথায় এবং বুকে আঘাত পান। পরীমনি ও তার সহযোগীরা নাসির উদ্দিনকে মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন ও ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরীমনি সাভার থানায় বাদীসহ দুজনের নামে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করেন।
গত বছর এ মামলায় পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরীমনি ছাড়া এ মামলায় তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে তার সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।
এরপর গত বছর ১৮ এপ্রিল এ মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রতিবেদনের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে শুনানি শেষে তাদের দুজনকে হাজির হতে সমন জারি করেন।
এরপর গত বছর ২৫ জুন ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম. সাইফুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন।
মন্তব্য করুন


কিছুদিন আগেই দ্বিতীয়বার মা হওয়ার খবর প্রকাশ্য়ে এনেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি। গেল সপ্তাহেই ছিমছামভাবে সম্পন্ন হয়েছে শুভশ্রীর সাধের অনুষ্ঠান।
কিন্তু তার মাঝে নিয়মিত জিমে যাচ্ছেন শুভশ্রী।
শেয়ার করছেন জিমের এক্সারসাইজের ভিডিও। সেই ভিডিও দেখেই নেটিজেনদের মধ্য়ে হইচই। অভিনেত্রীকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি নেটিজেনরা। সোজা সাপটা শুভশ্রীকে কেউ কেউ লেখেন, এই অবস্থায় জিম করে কি আপনি ঠিক করছেন? অনেকে আবার লেখেন, অন্যকে নকল করা ঠিক নয়।
২০২০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর শুভশ্রী-রাজ চক্রবর্তীর প্রথম সন্তান যুবানের জন্ম হয়। তারপর থেকেই বাবা-মায়ের নয়নের মণি একরত্তি। রাজ-শুভশ্রীও ছেলের নানা মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন।
দ্বিতীয়বার মা হওয়ার খবর জানিয়ে যুবানের উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ার একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন রাজ ও শুভশ্রী। ক্যাপশনে লিখেছিলেন, বড় দাদা হিসেবে যুবানের প্রমোশন হয়ে গেল।
নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে দীর্ঘদিন প্রেম করেছেন শুভশ্রী গাঙ্গুলি। এরপর ২০১৮ সালের ৬ মার্চ বাগদান সারেন শুভশ্রী-রাজ। একই বছরের ১১ মে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও সম্পন্ন করেন তারা।
মন্তব্য করুন


ঢাকাই
সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক আরিফিন শুভর মা খাইরুন নাহার মারা গেছেন। (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া
ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তিনি
বুধবার রাত ১১ টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর নিউরো সাইন্স হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল
করেছেন। বিষয়টি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক
ও চিত্রনায়ক জায়েদ খান।
চিত্রনায়ক
জায়েদ খান জানান, বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং রাজধানীর শহীদ
বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফনকাজ সম্পন্ন হবে।
জানা
যায়, গত ৮ বছর ধরে শুভর ঢাকার বাসায়ই থাকতেন তার মা খাইরুন নাহার। ২০১৭ সাল থেকে সিজোফ্রেনিয়া
নামক রোগে ভুগছিলেন তিনি। এছাড়াও বার্ধক্যজনিক আরও নানান সমস্যা ছিল । কাজের ফাঁকে
মায়ের সেবা-ডাক্তার-ওষুধ নিয়েও ছোটাছুটির মধ্যে থাকতে হতো নায়ক আরিফিন শুভকে।
মন্তব্য করুন


বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের মেয়ে সুহানা খানের এখনো কোনো ছবি মুক্তি পায়নি। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক এক প্রসাধনী সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সুহানা।
এতে প্রথম সাফল্য পেলেন সুহানা খান। কিন্তু প্রথম কাজেই সমালোচনার মুখে সুহানা। লোকে সুহানার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখন্ডেকে।
সম্প্রতি সুহানাকে ওই আন্তর্জাতিক প্রসাধনী সংস্থার লিপস্টিকের বিজ্ঞাপনে দেখা মাত্রই ধেয়ে এসেছে কটাক্ষ। ঠোঁটে লাল রং, গায়ের রং যেন ফেটে পড়ছে সুহানার। পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, চিৎকার করার ভঙ্গি করছেন শাহরুখ-কন্যা। তার গায়ের রঙে এমন বদল দেখে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কেউ লিখেছেন, সুহানা খান আসলে কালার কারেক্টেড প্রো ম্যাক্স। কেউ লিখেছেন, ওকে অঙ্কিতা লোখান্ডের মতো দেখতে লাগছে। কেউ কেউ লেখেন, অনায়াসেই সুহানার নিজস্ব স্কিন টোন ব্যবহার করা যেত। অন্য কোনো শেডের লিপস্টিক পরানো যেত তাকে। কোনো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের কাছ থেকে তো এমনটাই আশা করা উচিত, তাই না? কারও সোজাসাপটা প্রশ্ন, তার গায়ের রং ফর্সা করার কী দরকার? কেউ লিখেছেন, ‘সুহানার মুখে প্যানকেক মেকআপ ব্যবহার করে ওর আসল রংটা নষ্ট করার কোনো দরকার ছিল কি?
এসব সমালোচনার বিষয়ে সুহানা কোনা মন্তব্য করেননি। জানা গেছে, শিগগিরই ‘দি আর্চিজ’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হতে চলেছে শাহরুখ কন্যা সুহানার।
মন্তব্য করুন


আজ
(২৫ আগস্ট) ‘হাবু’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা মাহবুবুর রহমান চাষীর বিয়ে।
জানা
গেছে, আজ রাতে রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে।
গতকাল (২৪ আগস্ট) তার
গায়েহলুদের অনুষ্ঠান হয়েছে। জানা গেছে, কনের নাম তুলতুল। তুলতুল ঢাকারই মেয়ে। কনে
স্নাতক সম্পন্ন করছেন।
বিয়ে
সম্পর্কে চাষী আলম বলেন, আমাদের বিয়ে হচ্ছে পারিবারিকভাবেই। গতকাল আমাদের গ্রামের
বাড়িতে গায়েহলুদের অনুষ্ঠান হয়েছে। এখনই বিয়ের কোনো পরিকল্পনা ছিল না। বেশ কিছুদিন
আগে আমি মেয়ে দেখেছিলাম। আমার এবং আমার পরিবারের সবার পছন্দ ছিল মেয়ে।এর মধ্যে
আমার চাচি, মা ও বড় বোন মিলে বিয়ের দিন ঠিক করে ফেলেছেন। তাদের কথা, দেরি হলে নাকি
আমি আর বিয়ে করব না। কী আর করা।
ব্যাচেলর
পয়েন্ট নাটকের অভিনয়ের মাধ্যমে চাষী আলম জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। এতে তার অভিনীত
চরিত্রের নাম ছিল ‘হাবু’। এই চরিত্রটি এতোটাই দর্শকপ্রিয়তা লাভ করেছে যে, এখন চাষী
আলমকে সবাই ‘হাবু’ নামেই ডাকতে পছন্দ করে।
মন্তব্য করুন


এমন রহস্যময় ছবি ও ক্যাপশন দেখে নেটিজেনদের মধ্যে কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে । কারণ ছবিতে দেখা যায়, ক্যাজুয়াল কালো এবং সাদা পোশাকে স্ক্রিপ্ট পড়ছেন এই অভিনেত্রী।
এছাড়া সানি লিওন তার ‘কেনেডি’ সিনেমাতে চার্লি চরিত্রে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য প্রচুর প্রশংসা পেয়েছেন। ‘কেনেডি’ সিনেমাটি কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০২৩-এ স্ট্যান্ডিং ওভেশন পেয়েছে এবং কান ২০২৩ সালে মধ্যরাতের স্ক্রীনিংয়ের সময় প্রিমিয়ার হয়েছিল।
মন্তব্য করুন


এ
যেন রহস্যে ঘেরা, অদৃশ্য এক শক্তির ছোঁয়া! আধ্যাত্মিক ও বাস্তবতার সমন্বয়ে গড়ে
উঠেছে ‘পাফ ড্যাডি’র গল্প। গল্পের পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে রহস্য। আর সেই ফাঁদে পড়েছেন
জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণি। যার প্রমাণ মেলে ‘পাফ ড্যাডি’ ওয়েব ফিল্মের ট্রেলারে।
ঢাকাই
সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণি। তার অভিনীত ওয়েব ফিল্ম ‘পাফ ড্যাডি’। প্রায় ৪
বছর আগে শুরু হয় ‘পাফ ড্যাডি’র কাজ। শুরুতে এটি ছিল ওয়েব সিরিজ, পরিচালনায় ছিলেন
মাসুদ হাসান উজ্জ্বল। তবে এরপরে উজ্জ্বল সরে যান, নির্মাণে যুক্ত হন সহীদ উন নবী ও
মুশফিকুর রহমান মঞ্জু। সিরিজ হিসেবে শুটিং হলেও এটি মুক্তি পাচ্ছে সিনেমা
ফরম্যাটে। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর বঙ্গ-তে মুক্তি পাবে ওয়েব ফিল্মটি।
সিনেমাটির নাম ভূমিকায় অভিনয়
করেছেন আজাদ আবুল কালাম। তাকে ঘিরেই যত রহস্য। উঠতি নায়িকা থেকে তরুণ রাজনীতিক,
সবাই সাহায্যের জন্য তার কাছে ছুটে আসে। এই ‘বাবা’র আশীর্বাদ পেলেই যেন জাদুকরী
উপায়ে প্রসন্ন হয়ে যায় সবার ভাগ্য! এতে উঠতি নায়িকা টিনার চরিত্রে আছেন পরীমণি।
যিনি তার সিনেমা হিট করানোর জন্য ‘পাফ ড্যাডি’র সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন। তাদের অন্তরঙ্গ
দৃশ্যও উঠে এসেছে সিনেমার ট্রেলারে। এছাড়া তরুণ রাজনীতিকের ভূমিকায় থাকা সজলের
সঙ্গেও টিনা তথা পরীমণির ঘনিষ্ঠতা দেখা গেছে।
এ সিনেমাটি
নিয়ে পরিচালক সহিদ উন নবী বলেছেন, প্রতিটি মানুষের জীবনে একটা ফাদার ফিগার বা বস
থাকে। তাদের আমরা ‘বাবা’ বলি। সাফল্য পাওয়ার জন্য তাদের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। কেউ
মন থেকে সহযোগিতা করে, আবার কেউ নিজের সুবিধার জন্য করে। মানুষের জীবনে সেই
বাবাদের প্রভাব নিয়েই ‘পাফ ড্যাডি’র গল্প।
এ সিনেমাটিতে বিভিন্ন চরিত্রে
আরও অভিনয় করেছেন ইন্তেখাব দিনার, শহীদুজ্জামান সেলিম, সালাউদ্দিন লাভলু, বিজরী
বরকতুল্লাহ, মৌটুসী বিশ্বাস, ফারুক আহমেদ সহ আরো অনেকে।
মন্তব্য করুন


বছর দুয়েক আগে মাদক মামালায় শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানকে গ্রেপ্তার করেন এনসিবি অফিসার সমীর ওয়াংখেড়ে। সেই ঘটনার নাকি মাসুল দিতে হচ্ছে মামালার ভারপ্রাপ্ত এই অফিসারকে। মুম্বাই থেকে আরিয়ানকে গ্রেপ্তার করেছিলেন সমীর। সম্প্রতি এ অফিসারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা রুজু করেছে সিবিআই।
মাদক গ্রহণের অভিযোগে গ্রেপ্তার আরিয়ানকে ২২ দিন জেলে থাকতে হয়েছিল। ২০২২-এর মে মাসে সাক্ষ্যপ্রমাণের অভাবে এনসিবি আরিয়ানের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয়। তবে সিবিআইয়ের অভিযোগ, এই ঘটনায় নাকি খান পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তা।
আরিয়ানকে মুক্ত করতে নাকি প্রায় ২৫ কোটি টাকা চান সমীর। ভিজিল্যান্স রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে তদন্তকারীদের প্রাথমিক তদন্তের পর সমীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হয়।
সমীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি বৃদ্ধি করতে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। তার পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা দায়ের করল সিবিআই। শুধু তাই নয় সম্প্রতি সমীরের বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। প্রায় ১৩ ঘণ্টা ধরে চলে এই তল্লাশি অভিযান। ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন সমীরের স্ত্রী ও পুত্র। তার পরই নিজের প্রতিক্রিয়া জানান সমীর। তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিকারের দেশপ্রেমিক হওয়ার মাসুল গুনছি। তবে আমি আমৃত্যু লড়ে যাব। আমার গোটা পরিবার ভয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছে।’
এমএ
মন্তব্য করুন