

বলিউড তারকা সালমান খান পশ্চিমবঙ্গের এ সপ্তাহে কলকাতা সফরে গিয়েছিলেন। যেখানেই সালমান পা রেখেছেন, তাকে দেখতে ভক্তরা ভিড় জমিয়েছিলেন। কিন্তু সালমানের সঙ্গে আলাদা করে দেখা করার সুযোগ পেয়েছিলেন টলিপাড়ার অভিনেত্রী আয়ুশী তালুকদার।
সালমানের ভক্ত আয়ুশী বলেন, যে দিন প্রথম শুনেছিলাম যে, উনি কলকাতায় আসছেন, তখন থেকে আমি চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু তার চারপাশে কড়া নিরাপত্তা। তাই বুঝতে পারছিলাম না, কীভাবে সাক্ষাৎ কবে। শেষে অভিনেত্রী পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চেষ্টায় সালমানের সঙ্গে দেখা করেন আয়ুশী।
তিনি বলেন, পূজা মুম্বাইয়ে কাজ করেন। সালমানের টিমের একজনের সঙ্গে তার পরিচয় ছিল। তাতেই বিষয়টা সহজ হয়ে যায়।
আয়ুশী জানালেন, শোয়ের শেষে মাঝরাতে সালমানের হোটেলের স্যুইটে সুপারস্টারের সঙ্গে তিনি ও পূজা দেখা করেন। উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বললেন, শেরা দরজার বাইরে ছিলেন। আমি ভেতরে ঢোকার পর চোখের সামনে সালমানকে দেখে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না! আমাদের দেখেই এমনভাবে সোফায় বসতে বললেন যেন কত দিনের পরিচিত।
তারপর শো কেমন হয়েছে, আয়ুশীর কাছে তা জানতে চান সালমান। আয়ুশী বললেন, উনি তার আগেই ৩-৪ ঘণ্টা পারফর্ম করেছেন। এ দিকে রাত ২টার দিকে আবার মুম্বাইয়ের বিমান ধরবেন। কিন্তু দেখে বোঝার উপায় নেই।
সালমানের সঙ্গে শুধু ছবি তোলাই নয়, অভিনেতার আতিথেয়তায় মুগ্ধ আয়ুশী। বললেন, উনি আমাদের স্ন্যাক্স অফার করলেন। আমি সেটা খাব কী, তখন সময়টা আমার জন্য থেমে গিয়েছিল।
সালমানের জন্য তার টিমের তরফে কলকাতার বিশেষ বিরিয়ানির বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। আয়ুশী বললেন, উনি জানতেন যে, আমরা শো দেখে সরাসরি এসেছি। আমাদের বিরিয়ানি অফার করলেন। আরও একবার আমার অবাক হওয়ার পালা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর খাইনি।
মুম্বাই ফিরে ‘টাইগার ৩’ ছবির শুটিংয়ে যোগ দেবেন সালমান। মঙ্গলবার এই শিডিউলে সালমানের সঙ্গে শাহরুখ খানের ক্যামিয়ো অংশের শুটিং হওয়ার কথা। আয়ুশীকে সেই শুটিংয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সালমান। তিনি বলেন, ‘‘পুজাদির বাড়ির পাশেই লোকেশন। আমাকে শুটিং দেখতে আমন্ত্রণ করেছেন সালমান। হতেই পারে, সোমবার রাতেই আমি ফ্লাইটে মুম্বাই পৌঁছে যেতে পারি!
সালমানের সঙ্গে মাত্র ১৫ মিনিটের জন্য দেখা করেছিলেন আয়ুশী। বললেন, অল্প কয়েকজন বলিউড তারকার সঙ্গে দেখা করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। কিন্তু সালমানের সামনে সেগুলো তুচ্ছ। এই অভিজ্ঞতা কোনো দিন ভুলতে পারব না।
মন্তব্য করুন


স্কুলে পড়ার বয়সেই কাড়ি কাড়ি অর্থ কামাই করছে খুদে মডেল সিতারা। । সম্প্রতি একটি জুয়েলারি হাউসের বিজ্ঞাপনের জন্য ১ কোটি রুপি নিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছে সে। তার নামেই লঞ্চ করেছে তাদের নতুন কালেকশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা ১ কোটি ৩০ লাখ
জি ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,জুয়েলারি হাউসের গয়নার নতুন কালেকশনের নাম ‘সিতারা কালেকশন’। সেই গয়নার কালেকশনের বিজ্ঞাপনের মডেলও শুট করেছে সিতারা।
জানা যায়, সিতারাই প্রথম মডেল, যে মাত্র ১১ বছর বয়সে স্থান পেয়েছে টাইমস স্কোয়ারের বিলবোর্ডে। মেয়ের এই সাফল্যে আনন্দে আত্মহারা সুপারস্টার বাবা ও অভিনেত্রী মা।
প্রসঙ্গত, সিতারা দক্ষিণের সুপারস্টার মহেশবাবু ও নব্বইয়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নম্রতা শিরোদকরের মেয়ে। মেয়ের সাফল্যগাঁথা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন গর্বিত বাবা-মা। এই বয়সেই নামের মতোই তারকা বনে গেছে সিতারা।
সূত্র : জি ইন্ডিয়া
মন্তব্য করুন


তরুণ
অভিনেত্রী নিশাত আরা আলভিদা (১৯) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে
মারা গেছেন।
৩১
আগস্ট বৃহস্পতিবার মারা গেছেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি
রাজিউন)।
জানা
যায়, ৪ দিন আগে হঠাৎ জ্বরে
আক্রান্ত হন নিশাত। শারীরিক
অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। তার প্লাটিলেট
কমতে থাকে। অবশ্য এক দিনের মাথায়
প্লাটিলেট আবার বাড়তে থাকে।
কিছুটা সুস্থ বোধ করায় বাসায়
চলে আসে। কিন্তু শেষ
রক্ষা হয়নি। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় নিশাত
বাসাতেই মারা যান।
গতকালই
নিশাতের মরদেহ নাটোরে নিয়ে যাওয়া হয়।
নাটোর হাফ রাস্তা এলাকায়
তারা থাকতেন। সেখানেই একটি কবরস্থানে তার
দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
নিশাতের
বেড়ে ওঠা নাটোর জেলায়।
এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন নিশাত। সর্বশেষ সে অ্যাকাউন্টিং পরীক্ষা
দিয়েছে। এরপর আর কোনো
পরীক্ষা দিতে পারল না। অভিনয়
নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল
নিশাতের। ইচ্ছা ছিল থিয়েটারে অভিনয়
শেখার। কয়েক মাস আগে
সে থিয়েটারিয়ান নামের একটি নাট্যদলে কর্মশালা
করেছিল। থিয়েটার শুরুর ইচ্ছা ছিল। সম্প্রতি একটা
নাটকে পুরো গল্পে ছিলেন
নিশাত।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


বছর দুয়েক আগে মাদক মামালায় শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানকে গ্রেপ্তার করেন এনসিবি অফিসার সমীর ওয়াংখেড়ে। সেই ঘটনার নাকি মাসুল দিতে হচ্ছে মামালার ভারপ্রাপ্ত এই অফিসারকে। মুম্বাই থেকে আরিয়ানকে গ্রেপ্তার করেছিলেন সমীর। সম্প্রতি এ অফিসারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা রুজু করেছে সিবিআই।
মাদক গ্রহণের অভিযোগে গ্রেপ্তার আরিয়ানকে ২২ দিন জেলে থাকতে হয়েছিল। ২০২২-এর মে মাসে সাক্ষ্যপ্রমাণের অভাবে এনসিবি আরিয়ানের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয়। তবে সিবিআইয়ের অভিযোগ, এই ঘটনায় নাকি খান পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তা।
আরিয়ানকে মুক্ত করতে নাকি প্রায় ২৫ কোটি টাকা চান সমীর। ভিজিল্যান্স রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে তদন্তকারীদের প্রাথমিক তদন্তের পর সমীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হয়।
সমীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি বৃদ্ধি করতে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। তার পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা দায়ের করল সিবিআই। শুধু তাই নয় সম্প্রতি সমীরের বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। প্রায় ১৩ ঘণ্টা ধরে চলে এই তল্লাশি অভিযান। ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন সমীরের স্ত্রী ও পুত্র। তার পরই নিজের প্রতিক্রিয়া জানান সমীর। তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিকারের দেশপ্রেমিক হওয়ার মাসুল গুনছি। তবে আমি আমৃত্যু লড়ে যাব। আমার গোটা পরিবার ভয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছে।’
এমএ
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের তরুণ আলি হাসান ‘ব্যবসার পরিস্থিতি’ শিরোনামে একটি গান দিয়ে রাতারাতি আলোচনায় আসেন। এরপর আলি হাসানকে বেশ কিছু গানে কণ্ঠ দিতে দেখা যায়।
সম্প্রতি কোক স্টুডিও বাংলার তৃতীয় সিজনের দ্বিতীয় গান ‘মা লো মা’তে অংশ নিয়েছেন আলি হাসান। যেখানেও নিজের র্যাপের তালে দর্শকদের মাতিয়েছেন আলি হাসান। মাত্র ৭ দিনের প্রস্তুতিতে এই গানে কণ্ঠ দিয়েছেন বলে জানান আলি হাসান।
সবকিছুই ঠিকঠাক ছিল, তবে সম্প্রতি এক মন্তব্যের জন্য নতুন করে বিতর্কের মুখে পড়েছেন আলি হাসান।
একটি বেসরকারি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ‘গানবাজনার টাকা হারাম’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
ওই সাক্ষাৎকারে আলি হাসান বলেছেন, ‘গান বাজনার টাকা হারাম। এতে কোনো হাদিস চলব না, যেটা হারাম সেটা হারামই। আমার অটো বিজনেসের টাকা হালাল। সংগীত থেকে আয় হারাম।
গান নিয়ে এমন মন্তব্যের পরই কটাক্ষের মুখে পড়েছেন আলি হাসান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার এই বক্তব্যের কঠোর সমালোচনায় মেতেছেন নেটিজেনরা।
বিষয়টি নিয়ে আলি হাসান বলেছেন, ‘আমি শুনেছি, আমার বক্তব্যে নিয়ে অনেক সমালোচনা হচ্ছে। আসলে গান কখনোই আমার ক্যারিয়ারের প্রধান লক্ষ্য ছিল না। আমি অটোর ব্যবসা করি, সারাদিন নিজের ব্যবসা, গ্যারেজ এগুলো নিয়েই ব্যস্ত থাকি। আগামীতে ব্যবসাতেই পুরোপুরো সময় দেব।’
আলি হাসান বলেন, সম্প্রতি ‘‘মা লো মা’’ গানটি মুক্তি পেয়েছে। এই গানেও ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছি। আরও দুই-তিনটা গান প্রকাশের অপেক্ষায় আছে। তবে আগামীতে কাজের পরিমাণ আরও কমিয়ে দেব। শিগগিরই গানবাজনা ছেড়ে দিব।’
কেন গান ছাড়বেন জানতে চাইলে আলি হাসান বলেন, ‘আমার পরিবারের সবাই ধার্মিক। স্ত্রী মাদরাসায় পড়ালেখা করেছেন, ছেলেকে মাদরাসায় ভর্তি করেছি। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, গানবাজনা ছেড়ে দেব।’
সমালোচকদের সমালোচনার জবাবে আলি হাসান বলেন, ‘হারাম-হালালের বিষয়টি হয়তো আমি সেভাবে গুছিয়ে বলতে পারিনি। তবে যারা আমাকে পছন্দ করেন, তারা হয়তো আমার জায়গা থেকে বিষয়টা বুঝতে পারবেন। আর আমি বিশ্বাস করি, খ্যাতি অর্জন বা হারানো সবকিছুই সৃষ্টিকর্তার হাতে। তাই কেউ আমাকে ভুল বুঝলেও করার কিছু নেই।’
মন্তব্য করুন


বিমানে
উড়তে গিয়ে মাঝপথে আকাশে হয়েছিল বিপত্তি। মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরলেন ভারতের দক্ষিণী
সিনেমার নায়িকা রাশমিকা মান্দানা। অভিনেত্রী রাশমিকা নিজেই জানিয়েছেন এই চাঞ্চল্যকর
খবর।
নিজের
ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ২টি ছবির কোলাজ পোস্ট করেছেন রাশমিকা মান্দানা। একটিতে তার সঙ্গে
দেখা যাচ্ছে শ্রদ্ধা দাসকে। হাসিমুখেই ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন ২ নায়িকা। এই ছবির
নিচেই আবার আরেকটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ২জনের পা সামনের সিটে ঠেকানো। যেন সেখানে পা
রেখেই নিজেদের ভারসাম্য বজায় রেখেছিলেন তারা।
এমন
ছবিতেই রাশমিকা লেখেন, আপনাদের জানিয়ে রাখি, আজ আমরা মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলাম…।
জানা
যায়, মুম্বাই থেকে হায়দরাবাদে যাচ্ছিলেন রাশমিকারা। ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দর থেকে সবে মাত্র তাদের বিমান ছেড়েছিল। হঠাৎ ফ্লাইটে কিছু সমস্যা দেখা দেয়।
প্রায় ৩০ মিনিট পরে আবার বিমানবন্দরে ফ্লাইট ফিরিয়ে আনা হয়। পুরো এই সময়টায় বেশ উদ্বিগ্ন
ছিলেন যাত্রীরা। কিন্তু নিরাপদে বিমানবন্দরে ফিরেই হাসি ছড়িয়ে যায় রাশমিকা-শ্রদ্ধার
মুখে।
যে
সংস্থার বিমানে রাশমিকা-শ্রদ্ধা যাচ্ছিলেন সেই সংস্থার মুখপাত্র জানান, বিমান ওড়ার
কিছুক্ষণের মধ্যেই টেকনিক্যাল সমস্যা দেখা দেয়। আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই তা
ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


বিয়ে
করেছেন ‘হাবু ভাই’খ্যাত অভিনেতা চাষী আলম।
২৫
আগস্ট গত শুক্রবার ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’র
নির্মাতা ও অভিনেতারা। কিন্তু দেখা যায়নি
‘কাবিলা’খ্যাত অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশকে।
জানা
যায়, ৩ দিনের জন্য তাবলিগ জামাতে যাওয়ায় গিয়েছিলেন জিয়াউল
হক পলাশ। আর সেকারণে হাবু ভাইয়ের বিয়েতে উপস্থিত হতে পারেননি পলাশ।
একাধিক
ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা যায়, জিয়াউল হক
পলাশ ছোটবেলা থেকেই তাবলিগ জামাতে যান। মাঝে অনেক দিন দূরে ছিলেন। তবে গত ২৪ আগস্ট
তিনি ৩ দিনের জন্য তাবলিগ জামাতে যান। ইবাদত শেষে বাসায় ফেরেন ২৭ তারিখ।
এদিকে,
পলাশের তাবলিগ জামাতে অংশ নেওয়া একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইলার হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দুই
বছর আগেই চিত্রনায়িকা আঁচল আঁখি বিয়ে করেছেন। নায়িকা নিজেই সম্প্রতি সেই খবর প্রকাশ্যে
এনেছেন । তার স্বামী সৈয়দ অমি একজন গায়ক। মিউজিক্যাল ফিল্মে কাজের সুবাদে পরিচয় তাদের।
এরপর ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে করেন তারা।
অমির
সঙ্গে পরিচয়ের ফিরিস্তি দিতে গিয়ে আঁচল জানান, ‘ও জান রে’ শিরোনামে একটি গানের ভিডিও
চিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে অমির সঙ্গে পরিচয় তার। গানে কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি মডেলও হয়েছিলেন
অমি। অমির সঙ্গে তার অল্প পরিচয়েই হয়েছে বিয়ে। ‘ও জান রে’ গানটি রিলিজের পর সেটির এডিটিং
মুগ্ধ করে আঁচলকে। ধন্যবাদ জানাতে তিনি ফোন করেন অমিকে। তখনই নায়িকাকে ট্রিট দেওয়ার
প্রস্তাব দেন গায়ক।
এক
সপ্তাহ পর একটি রেস্তোরাঁয় আঁচল-আমির দেখা হয়। তখন আঁচলকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দেন
অমি। আঁচল এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, অমির বাড়ি কুমিল্লায়। কুমিল্লার ছেলেদের অনেক
সাহস, আমি একটা নায়িকা, আমাকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। আমি শুনে অবাক হয়েছিলাম।
তখন
আঁচল অমিকে বলেছিলেন, ‘প্রেম নয়, বন্ধুত্ব নয় সরাসরি বিয়ে প্রস্তাব, কত বড় সাহস তোমার?
আমরা তো বন্ধু হতে পারি। প্রেম হওয়ার মতো হলে পরে হবে। উত্তরে অমি জানায়, সে আঁচলকে
অনেক আগে থেকেই পছন্দ করে। তার সিনেমার ভক্ত। এ ছাড়াও সব কিছু জেনে বুঝে নিয়ে তার পরিবারের
সঙ্গে কথা বলতে আঁচলকে অনুরোধ করেন অমি।
চিত্রনায়িকা
আঁচল জানান,পরিবারের সদস্যদের সিদ্ধান্তের পরই বিয়েটা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টির ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি ঝোঁক ছিল। অভিনয়কে
ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নেওয়ার পর ইচ্ছে ছিল সিনেমায় কাজ করার। কিন্তু বিরূপ
অভিজ্ঞতার কারণে পরবর্তীতে তা আর করা হয়ে ওঠেনি।
ক্যারিয়ারের শুরুতে
সুযোগ পেয়ে যান আকরাম খানের ‘ঘাসফুল’ ছবিতে। এরপর বেশ কিছু সিনেমার প্রস্তাব পেলেও
নিয়মিত হননি বড় পর্দায়।
তানিয়া বৃষ্টি বলেন, সিনেমায়
অনেক প্রস্তাব পেলেও স্বপ্নটা এগিয়ে নিতে পারিনি। তখন মনে হয়েছে, ওই সময়টাতে ওই
জায়গা আমার জন্য নয়। যে কারণে প্রস্তাব গ্রহণ করিনি। আমার বড় পর্দার নায়িকা হওয়ার
খুব ইচ্ছা ছিল, কিন্তু সেসব প্রস্তাব নিতে পারছিলাম না। সেই কারণে আমার মন খারাপ
ছিল।
তার কথায়, আমি একটা
প্ল্যাটফর্ম থেকে আসছি, কাজ করব। সেই সুযোগ নাটকে সহজেই হয়ে যায়। কিন্তু সিনেমায়
একটু কঠিন। সিনেমার প্রস্তাবে শুনতে হয়েছে, কাজের বিপরীতে কিছু চায়। সবাই না, এই
কথাগুলো কেউ কেউ বলেছেন। তাদের প্রস্তাবে মন খারাপ হতো। হয়তো তারা যথাযথ
প্রতিষ্ঠানের ছিলেন না এবং উদ্দেশ্যও ভালো ছিল না।
আগামী বৃহস্পতিবার
বাংলাভিশনে প্রচারিত হবে ‘ফ্রিল্যান্স ধান্দাবাজ’ নামের একটি নাটক। এস আর
মজুমদারের পরিচালনায় এতে তার বিপরীতে দেখা যাবে নিলয় আলমগীরকে।
মন্তব্য করুন


ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী হুমায়রা হিমুর মৃত্যুর ঘটনায় কথিত প্রেমিক মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ওরফে রাফিকে শুক্রবার (৩ নভেম্বর) র্যাব গ্রেফতার করেছে ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
তিনি বলেন, হুমায়রা হিমুর মৃত্যুর পর অভিযোগ পাওয়া যায়, বয়ফ্রেন্ড রাফির সঙ্গে হিমুর বিয়ের কথাবার্তা চলছিল। কয়েকদিন ধরে হিমুর সঙ্গে রাফির ঝগড়া-বিবাদও নাকি হয়েছে। হাসপাতালে হিমুকে ফেলে রাফি পালিয়ে যায়। এরপর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ওরফে রাফিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে জানিয়ে কমান্ডার খন্দকার আল মঈন আরো বলেন, হুমায়রা হিমুর মৃত্যুর রহস্য রহস্য উদঘাটন করা হবে।
পুলিশ জানায়, রাজধানীর উত্তরার ১০ নম্বর সেক্টরের ২ নম্বর সড়কের হিমু নিজ বাসায় থাকতেন। বিকেলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় পায়।
মন্তব্য করুন