

মুম্বাইয়ে সোমবার স্ত্রী গৌরী খানের প্রথম বই প্রকাশ করলেন শাহরুখ খান। ডিজাইনার গৌরী খানের এই কফি টেবিল বইয়ের নাম ‘মাই লাইফ ইন ডিজাইন’। মূলত ইন্টিরিয়র ডিজাইন নিয়েই এই বই লেখা। এদিন অনুষ্ঠানে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার সময় নিজের সঙ্গে স্ত্রীয়ের সম্পর্ক নিয়েও মুখ খোলেন কিং খান। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা তার কাছে যে স্বামীর ডিউটির থেকেও বেশি, তাও বোঝান।
অভিনেতা বলেন, ‘আমি ও গৌরী একে অপরকে বহু বছর ধরে চিনি। ও তখন ১৪, আমি ১৮ এবং বহু বছর ধরে একে অপরকে চিনি আমরা এবং কখনও কখনও যদি একে অন্যকে এত বছর ধরে চেনা হয়ে যায় তাহলে একে অপরের কাজের প্রতি সেই সম্মানটা হারিয়ে যেতে শুরু করে। কারণ একে অন্যকে তখন আমরা টেকেন ফর গ্রান্টেড করে নিই। আমি আমার কাজ বহুদিন ধরে করছি এবং তাতে গৌরী নিজের যতটুকু অংশ করার তার সেরাটা করেছে। আমরা তিনজন সুন্দর বাচ্চা বড় করেছি। একজন সিনে তারকার স্ত্রী হয়ে থেকেছে ও যে কিনা ঈশ্বর ও মানুষের আশীর্বাদে প্রবল খ্যাতি অর্জন করেছে।’
এরপরও শাহরুখ খান বলেন, আমাদের পরিবারে, আমার ১০ বছরের ছেলে সমেত, সবার মধ্যেই সৃজনশীলতার সূক্ষ্ম একটা বুদ্ধি আছে। আমার মনে হয় আমাদের বিবাহিত জীবনের ২৩ থেকে ২৪ বছর, মুম্বাইয়ে ঘর বাঁধতে এবং আমাদের পেশা থেকে মানুষের এত ভালোবাসা পেতে, বাচ্চাদের বড় করতেও এত ব্যস্ত ছিলাম যে গৌরী বোঝেনি যে ওঁর একটা অন্যদিকও আছে যাকে জীবন দেওয়া প্রয়োজন। এই বইটা আমি মনে করি সেই সবকিছুর প্রতিনিধিত্ব করে।
মন্তব্য করুন


সম্প্রতি একটি
অনুষ্ঠানে লাল রঙের জ্যাকেট সেট পরে অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি। যা নেটিজেনদের
দৃষ্টিগোচর হয়েছে।তা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে সামনে
এসেছে পোশাকটির দামের বিষয়।
পোশাকটির
দামের বিষয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, প্রিন্টেড জ্যাকেট
সেটটি ডিজাইন করেছেন ভারতীয় ফ্যাশন ডিজাইনার নচিকেত ভার্বে। ওয়েবসাইট ঘুরে দেখা
যায়, এ পোশাকের নাম দিয়েছেন মুনফ্লাওয়ার জ্যাকেট সেট। সেখানে আরও উল্লেখ করা
হয়েছে, পোশাকটি মূল্য ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮৫০ রুপি। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ লাখ ৬৩
হাজার টাকার বেশি।
মন্তব্য করুন


১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন সদ্য প্রয়াত অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। তখন তার নামে ৩৬টি মামলায় হয়। ছাত্র রাজনীতিতে তিনি তখন বেশ সক্রিয়, সিনেমা অভিনয় নিয়ে কোনো ভাবনাই ছিল না তার।
তবে একের পর এক যখন মামলা হতে থাকল তখন তার বন্ধুরাই বলল, ‘সিনেমায় ঢুকে যাও।’ সেই ঘটনার বিবরণ দিয়ে ফারুক বিবিসি বাংলাকে বলেছিলেন, ‘আমার নামে হয়রানিমূলক ৩৬টি মামলা হয়। এগুলো থেকে বাঁচার জন্য আমার কিছু বন্ধুবান্ধব বলে, চলচ্চিত্রে ঢুকে যাও। এরপরই চলচ্চিত্রে আসি।’
ফারুকের প্রথম সিনেমা ‘জলছবি’। ছবিটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘১৯৬৮ সালে ছবিটির শুটিং শুরু হয় কিন্তু মুক্তি পায় ১৯৭১-এ। মুক্তির তারিখ ২৫-এ মার্চ বা এর দুই কী তিন দিন আগে, ঠিক মনে নেই। ছবিতে আমার সহকর্মী ছিলেন কবরী। বলা যায়, আমার সিনেমাজীবন শুরুই হয় কবরীর সঙ্গে।’
সাক্ষাৎকারে চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পীদের পারিশ্রমিক নিয়েও আক্ষেপ করতে শোনা যায় অভিনেতাকে। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই তিনি জানান প্রথম সিনেমা ‘জলছবি’র পারিশ্রমিক কত ছিল। ফারুক বলেন, ‘আমাকে যথাযথ সম্মান ও সম্মানী দেওয়া হয়নি। আমাকে প্রথম ছবিতে পাঁচ শ টাকা দেওয়া হয়েছিল।’
বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি অভিনয় করেছেন ‘আবার তোরা মানুষ হ’, ‘আলোর মিছিল’, ‘সুজন সখী’, ‘লাঠিয়াল’, ‘সূর্যগ্রহণ’, ‘মাটির মায়া’, ‘নয়নমনি’, ‘সারেং বৌ’, ‘গোলাপি এখন ট্রেনে’, ‘নাগরদোলা’, ‘দিন যায় কথা থাকে’, ‘কথা দিলাম’, ‘মাটির পুতুল’, ‘সাহেব’, ‘ছোট মা’, ‘এতিম’, ‘ঘরজামাই’, ‘মিয়া ভাই’র মতো অসংখ্য সিনেমায়।
ফারুক তার অভিনয়ের জন্য ১৯বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে মনোনীত হয়েছিলেন। কিন্তু তার হাতে পুরস্কার উঠেছিল কেবলই একবার। অবশ্য ২০১৬ সালে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। অভিনয়ের বাইরে তিনি ঢাকা ১৭ আসনের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন।
মন্তব্য করুন


চঞ্চল চৌধুরী আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্সের তৈরি করা ছবিতে এবার সুপারহিরো হলেন । আজ নিজেই পোস্ট করেছেন নিজের সেই ছবি।
‘এমন যদি হতো…’, কথাটি লিখেই নিজের এই ছবি পোস্ট করেছেন জনপ্রিয় এই অভিনেতা।
প্রথম ঝলকে কিন্তু অভিনেতাকে চেনাই দায়। তবে একটু ভাল করে দেখলে বোঝা যাবে এ চেহারা চঞ্চল চৌধুরীর। এ আই-এর জাদুকাঠির ছোঁয়ায় যার দুটি ডানা হয়েছে।
অভিনেতার এই ছবি তৈরি করেছেন জনপ্রিয় গায়িকা আঁখি আলমগীর। উপহার হিসেবে পেয়েছেন নিজের এই নতুন রূপ। বিয়ষটি জানিয়েছেন চঞ্চল নিজেই।
চঞ্চল চৌধুরীর এই রূপ দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। ‘দারুণ হতো! হতেই পারে!’, ‘অসম্ভব সুন্দর মানিয়েছে দাদা’- এমন মন্তব্যে ভরা তার কমেন্ট বক্সে। কারও কারও আবার অভিনেতার ন্যাচরাল লুকই পছন্দ। তাদের মতে, ‘আপনি যেমন তেমনি ভালো। ’
একজন আবার গ্লোবাল সিনেমা তৈরি করার পরামর্শও দিয়েছেন। কেউ আবার লেখেন, ‘আপনি যে আয়নাবাজি আমাদের উপহার দিয়েছেন তা আর কম কিসে?’
নির্দিষ্ট কিছু চরিত্রের মধ্যে বন্দী না রেখে ক্রমাগত নিজেকে ছড়িয়ে দেওয়া চঞ্চল চৌধুরীর কাজের জন্য এখন মুখিয়ে থাকেন অনেক দর্শকরা। কারণ, তারা জানেন যে এই অভিনেতা তাদের ।
শিগগিরই ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির ‘পদাতিকে’ এ দেখা যাবে তাকে। বরেণ্য নির্মাতা মৃণাল সেনের লুকে চঞ্চল চৌধুরীকে দেখে ইতিমধ্যেই হইচই পড়ে গেছে দুই বাংলায়। নির্মাতা-প্রযোজকের ইচ্ছে- সিনেমাটি একসঙ্গে ভারত ও বাংলাদেশে মুক্তি দেওয়ার।
মন্তব্য করুন


হিমু, কুমিল্লা:
ভালোবাসার আরেক নাম আমাদের সালমান শাহ্ । স্বপ্নের নায়ক "সালমান শাহ্"এর মৃত্যুর ২৭ বছর পূর্ণ হলো আজ ৬ সেপ্টেম্বর। সালমান শাহ্ এর মৃত্যু বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা। দেখতে দেখেতে ২৭ বছর পেরিয়ে গেলো সালমান নেই। ১৯৯৬ সালের আজকের এই দিনে সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান সালমান শাহ্। সালমানের মতো অভিনেতার অকাল মৃত্যু সত্যিই আমাদের জন্য অনেক বেদনার, অনেক কষ্টের।
বাংলাদেশের রোমান্টিক চলচ্চিত্রের ধ্রুবতারা, অমর কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহ্ আমাদের চলচ্চিত্র জগতে নুতন এক স্পন্দন জাগিয়ে তুলতে পেরেছিলেন।
আজও অবধি সিনেমাপ্রেমীদের অন্তরে দীর্ঘশ্বাসের সাথে উচ্চারিত হয় সালমান শাহ্ এর নাম । কেননা সালমান শাহ্ পরবর্তী সময়ে যারা চলচ্চিত্রে নায়ক হওয়ার জন্য এসেছেন তারা প্রত্যেকেই বলেছেন, এখনো - সালমান শাহ্ -ই ছিলেন তাদের অনুপ্রেরণার প্রধান উৎস।
আমাদের চলচ্চিত্র জগতের স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ যুগ যুগ বেঁচে থাকবেন চলচ্চিত্র প্রেমিদের হৃদয়ে। তার প্রকৃত নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। আমাদের রুপালি পর্দায় তিনি সালমান শাহ্ নামেই পরিচিত।
জনপ্রিয় একটি হিন্দি সিনেমার অফিশিয়াল রিমেক ছিল 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত'। সোহানুর রহমান সোহানের হাত ধরে ১৯৯২ সালে 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' সিনেমার মাধ্যমে ধূমকেতুর মতোই নায়ক রূপে ঢালিউড চলচ্চিত্র জগতে উদিত হয়েছেন সালমান শাহ্।
এ সিনেমা মুক্তির পর রাতারাতি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেন সালমান শাহ্ । এরপরে আর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক নুতন ছবিতে অভিনয় করে চলচ্চিত্রের জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। সালমানের এই অভিযাত্রা ছিল যেন " এলাম, পা- রাখলাম, জয় করলাম এর মতো।
পর্দায় সালমান শাহ্ এর উপস্থিতি, পোশাক-পরিচ্ছেদ, সংলাপ বলার ধরন, হাঁটা কিংবা অভিনয় দক্ষতা সবকিছু মিলিয়ে দর্শকের মনে স্থান করে নিতে এতোটুকু সময় লাগেনি এ স্বপ্নের নায়কের। সালমান শাহ্ খুব তাড়াতাড়ি হয়ে উঠেছিলেন বাংলাদেশের তরুণদের ফ্যাশন আইকন।
বাংলা সিনেমার মাধ্যমে সালমান শাহ্ যে স্টাইল তৈরি করে গেছেন, এখন পর্যন্ত সেটা থেকে কেউ বের হতে পারেনি।
সালমান শাহ্ এর মাথায় রুমাল কিংবা চোখে গোল কালো ফ্রেমের চশমা। বড় শার্ট গিট্টু দিয়ে বেধে রাখা, মাথায় গামছা বাঁধা কিংবা তার স্টাইলিশ টুপি। যুগ যুগ দর্শক তা মনে রাখবে। টি শার্ট, সামনের দিকে ইন করে রাখলেও, পিছনের দিকে একটু খুলে রাখা, দাঁত দিয়ে নখ কাঁটা, চারকোণা সানগ্লাসের ট্রেন্ড ভেঙ্গে, গোল বা ওভাল সানগ্লাস পরা শুরু করা, মিলাদে বা, কারও জানাজায় পকেটে টুপি থাকা সত্ত্বেও রুমাল গিট্টু মেরে মাথায় পরা, স্নিকারস বা ক্যানভাস সু , কালো জুতার সাথে সাদা মোজা পরা, প্যান্টের বেল্টের ফুঁটা থেকে দ্বিগুণ তিনগুন সাইজে বড় গলার মেডেলের মত বড় বাকেলসেরওয়ালা বেল্ট পরা, ডায়াল নিচের দিকে দিয়ে হাত ঘড়ি পড়া, মাঝে মাঝে ডান হাতে ঘড়ি পরা, একটু পর পর চশমায় হাত দেয়া, তার এরকম হাজারটা স্টাইল আছে যা বলে শেষ করা যাবে না।
সালমান শাহ্ এই স্টাইল থেকে কি প্রজন্ম এখনো বের হতে পারছে? সেটা হয়তো সময় বলে দেবে। সালমান শাহ্ এর জন্ম হয়েছিল আমাদের চলচ্চিত্র জগতে ইতিহাস সৃষ্টি করার জন্য, তিনি তা করতেও পেরেছিলেন।
সালমান শাহ্ ধুমকেতুর মতো ক্ষণিকের চলচ্চিত্র জগতের অবস্থানে মাত্র ৩ বছরের তার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের উপহার দিয়েছেন ২৭ টি ব্যবসা সফল ছবি।
আজও কৌতূহলী মানুষের মনে প্রশ্ন, সালমান শাহ্ এর বিশেষত্ব কী ছিল? কেন তিনি এতটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন দর্শক হৃদয়ে? কেন মৃত্যুর দুই যুগ পরেও তাঁর জনপ্রিয়তা আজও ম্লান হয়নি এতোটুকুও কমেনি?
পৃথিবীতে বেঁচে থাকলে সালমান শাহ্ এর বয়স হতো এখন ৫২ বছর। সালমান শাহ্ এখন আর পৃথিবীতে নেই। তাঁর মৃত্যুতে এ দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আজও পূরণ হয়নি।
হয়তো স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ এর জন্ম হয়েছিল চলচ্চিত্র জগতে ক্ষণিকের বিচরণে উনার কারিশমাটিক অভিনয়ের সৃজনশীলতায় এমনি করে দর্শকের হৃদয়ে বেঁচে থাকার জন্য।
এই দেশের চলচ্চিত্র প্রেমীরা যত দিন বেঁচে থাকবে, সালমান শাহ্ তত দিন বেঁচে থাকবেন তাদের হৃদয়ে। নায়ক হিসেবে মৃত্যুর ২৭ বছর পরেও এমন অর্জন পৃথিবীর বুকে আর কারোও নেই। আজকের এই দিনে সালমান শাহ্ কে গভীর ভালোবাসা। আল্লাহ উনাকে বেহেশত নসীব করুন।
মন্তব্য করুন


ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী হুমায়রা হিমুর মৃত্যুর ঘটনায় কথিত প্রেমিক মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ওরফে রাফিকে শুক্রবার (৩ নভেম্বর) র্যাব গ্রেফতার করেছে ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
তিনি বলেন, হুমায়রা হিমুর মৃত্যুর পর অভিযোগ পাওয়া যায়, বয়ফ্রেন্ড রাফির সঙ্গে হিমুর বিয়ের কথাবার্তা চলছিল। কয়েকদিন ধরে হিমুর সঙ্গে রাফির ঝগড়া-বিবাদও নাকি হয়েছে। হাসপাতালে হিমুকে ফেলে রাফি পালিয়ে যায়। এরপর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ওরফে রাফিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে জানিয়ে কমান্ডার খন্দকার আল মঈন আরো বলেন, হুমায়রা হিমুর মৃত্যুর রহস্য রহস্য উদঘাটন করা হবে।
পুলিশ জানায়, রাজধানীর উত্তরার ১০ নম্বর সেক্টরের ২ নম্বর সড়কের হিমু নিজ বাসায় থাকতেন। বিকেলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় পায়।
মন্তব্য করুন


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
ডোনা গ্রিফিথস টানা ৯৭৬ দিন হাঁচি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করেছেন । ১২ বছর বয়সে এই হাচির
সমস্যা শুরু হয় ডোনা গ্রিফিথস। ডোনার জন্ম ১৯৬৯ সালে। ১৯৮১ সালের ২৬ জুলাই থেকে
শুরু হয় তার হাঁচি। স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি হাঁচি হচ্ছিল ডোনার। প্রথমে তিনি
ভেবেছিলেন ধুলা থেকে বা ঠান্ডা থেকে হাঁচি হচ্ছে।
তবে এই হাঁচি থেমেছিল
দুই বছর পর ১৯৮৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর। এই ২বছর তিনি লাখ লাখ হাঁচি দিয়েছেন। তবে
দিনে বেশ কয়েকবার তার হাঁচি হত এবং তারমধ্যে একটি দিনও বাদ যায়নি। ১৯৮৩ সালের ১৭
সেপ্টেম্বর তিনি প্রথম একটি হাঁচি মুক্ত দিন কাটিয়েছিলেন বলে ডোনা তার লেখা বইয়ে
উল্লেখ করেন ডোনা।
২০২০ সালের
জানুয়ারিতে, ডোনার রেকর্ডটি ব্রিটিশ টিভি প্যানেল শো কিউআইতে দেখানো হয়েছিল। তখন
কমেডিয়ান জিমি কার রসিকতা করে বলেছিলেন যে, ডোনা নিশ্চয়ই একটি মরিচ কারখানায় কাজ
করতেন। কিন্তু ডোনা কোনো মরিচ কারখানায় সেসময় কাজ করতেন না। এরপরই গিনেস বুক অব
ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি হাঁচি দেওয়ার জন্য ডোনা গ্রিফিথস এর নাম
ঘোষণা করা হয়।
সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড
রেকর্ড/ আরব নিউজ
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের মতো বড়পর্দায় একসঙ্গে জুটি বাঁধতে চলেছেন ভিকি কৌশল ও সারা আলি খান। বেশ কয়েকবার শ্যুটিংয়ের একাধিক ঝলকও মিলেছে। কিন্তু ছবির নাম এতদিন ঘোষণা করা হয়নি। মাঝে শোনা গিয়েছিল এই ছবির নাম হতে পারে 'লুকা ছুপি ২'। তবে সামাজিক মাধ্যমে বহুপ্রতীক্ষিত এই ছবির নাম ঘোষণা করেছেন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। প্রকাশ্যে এসেছে ট্রেলার প্রকাশের তারিখও।
ছবির নাম ঘোষণা হয়েছে, ''জারা হাটকে জারা বাচকে''। আগামী ২ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। ইতোমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবির নাম ও ফার্স্ট লুক টিজার শেয়ার করা হয়েছে।
রোববার ভিকি কৌশল একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে সারা আলি খান ও ভিকি কৌশলের নতুন ছবির একাধিক পোস্টার দেখা গেছে।
ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, 'রোম্যান্টিক? নাকি নাটকীয়? কী মনে হয় আপনার, কেমন হতে চলেছে আমাদের গল্প? ''জারা হাটকে জারা বাচকে'' ছবির ট্রেলার মুক্তি পাচ্ছে আগামীকাল। প্রেক্ষাগৃহে আসছে ২ জুন, ২০২৩।' এই ভিডিওয় ছবির
ছবিটি রোম্যান্টিক ঘরানার বলেই মনে করা হচ্ছে। ছবিটি ২ জুন মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে, আগামীকাল অর্থাৎ ১৫ মে প্রকাশ্যে আসবে ছবির ট্রেলার। সূত্র- এপিবি লাইভ
মন্তব্য করুন


ছোট পর্দার এই সময়ের অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি । ইতোমধ্যে শোবিজে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন এ অভিনেত্রী। বিভিন্ন সময় ব্যক্তিজীবন ও কাজ নিয়ে আলোচোনায় এসেছেন তিনি। নতুন বছরে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন মাহি।
তবে এবার আলোচনা কাজ দিয়ে নয়, মেকাপ ছাড়া তার একটি ভিডিও সোশ্যাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আর এ নিয়েই চলছে বিভিন্ন প্রকার মন্তব্য।
ফেসবুকে মাহির নো-মেকআপ লুক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে । তারপর থেকে তার গায়ের রং নিয়ে ট্রল করছেন নেটজনতা। চলছে বর্ণবৈষম্য। ভিডিওটি দেখে বোঝা যাচ্ছে কোন একটি নাটকের শুটিংয়ের ফাঁকে মেকাপ ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন এই অভিনেত্রী। আর সে সময় তার এক সহকর্মী মজার ছলেই ভিডিও করে। পরে যা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। যেখানে অনেকেই মাহির গায়ের রঙ নিয়ে বিভিন্ন প্রকার কটূক্তি করছেন।
সোশ্যাল সাইটে নাতিদীর্ঘ এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে সেই অনুভূতির কথা জানিয়েছেন মাহি।গায়ের রঙ নিয়ে ট্রল করায় কষ্ট পেয়েছেন তিনি। মাহি লিখেছেন, প্রায়ই অভিনেত্রীদের স্কিন কালার নিয়ে নানা ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য শোনা যায়। নিজের বাইরেও অনেকের পোস্টেই এসব মন্তব্য চোখে পড়ে। কিন্তু একজন অভিনেতার ক্ষেত্রে তেমনটা ঘটে না। এর কারণ আসলেই অজানা। হয়ত আমরা অনেকেই মধ্যযুগীয় চিন্তা-চিতনা নিয়েই চলছি।
ক্যারিয়ারের শুরু থেকে কাজকে গুরুত্ব দিয়েছেন জানিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে বরাবরই কাজকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছি। বর্তমান যে জায়গায় দাঁড়িয়ে সেখানেও অনেক চেষ্টা, কষ্ট, পরিশ্রম আছে। মানুষের ভালোবাসা রয়েছে। কিন্তু তারপরও মাঝে মধ্যে রঙ নিয়ে মানুষের এমন ট্রল করা আমাকে ভীষণ ভাবায়। যদিও কিছু মানুষই কেবল এমনটা করে থাকে। অথচ একজন মানুষকে, একজন অভিনেত্রীকে তার কাজের মাধ্যমে বিচার করা উচিত। অন্য কোনো কিছু দিয়ে বিচার করা নয়।আমার কাজের সমালোচনা করুন, আমি মাথা পেতে নেব। নিজেকে আরও শুধরানোর জন্য চেষ্টা করব। কিন্তু এভাবে গায়ের রঙ নিয়ে মন্তব্য করে নিজের পরিচয় দেবেন না। আমি আপনাদের জন্যই কাজ করছি, আর করে যাব। আপনাদের সবার ভালোবাসায় থাকতে চাই এবং বাঁচতে চাই।
এর আগে গত বছর মাহি তার সোশ্যাল মাধ্যমে এক যুবকের সাথে ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন। প্রেমিক হিসেবে ঘোষণা না দিলেও তাদের অন্তরঙ্গতা প্রেমের আভাসই দিচ্ছিল যেন। মাহি অবশেষে প্রেমের কথাও স্বীকার করেন।
প্রেমের বিষয়টি স্বীকার করে মাহি জানান ,কোভিডের আগে, ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে আমাদের পরিচয় হয়। কোভিডের সময় যোগাযোগ বাড়ে, সেখানে থেকেই আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। ওর নাম সাদাত শাফি নাবিল। আর পারিবারিকভাবেই ওদের গাড়ির ব্যবসা আছে।
মন্তব্য করুন


ভারতীয়
জনপ্রিয় গায়ক, সুরকার ও গীতিকার দর্শন রাওয়াল প্রথমবারের মতো ঢাকার শ্রোতাদের গান শোনাবেন।
এ গায়ককে নিয়ে ‘দর্শক রাওয়াল লাইভ ইন ঢাকা’ শীর্ষক একটি কনসার্ট আয়োজন করছে টোয়েন্টি
টু ইভেন্টস। দর্শনের সঙ্গে বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী তানভির ইভানও গান গাইতে দেখা
যাবে।
প্রতিষ্ঠানটি
জানিয়েছে, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার (আইসিসিবি)
নবরাত্রি হলে গান পরিবেশন করবেন দর্শন রাওয়াল।
আয়োজক
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কনসার্টের টিকিট বিক্রি শুরু হয়ে গেছে। টিকিট পাওয়া যাচ্ছে টিকিফাই
ওয়েবসাইটে। দর্শনের উপস্থিতিতে ১৩ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত তুলে
ধরা হবে।
দর্শন
রাওয়াল একাধারে গায়ক, গীতিকার ও সুরকার দর্শন রাওয়াল ভারতজুড়ে গানের পাশাপাশি নিজস্ব
ফ্যাশনকেও তুলে ধরে ধরায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তার কণ্ঠ তার হিট ভয়েস দিয়ে
চার্টে রাজত্ব করছেন।
মন্তব্য করুন


৭ আগস্ট সোমবার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা হঠাৎ নিজের অসুস্থতার কথা জানান। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি।
এসময় সামাজিক মাধ্যমে হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা একটি ছবি প্রকাশ করেন তানজিন তিশা।
জানা যায়, হাসপাতালে দুর্বিষহ দিন পার করতে হয়েছে এ অভিনেত্রীকে। চিকিৎসকদের ধারণা, ডায়েটের ও দুশ্চিন্তার কারণেই এমনটা হয়েছে। তবে এখন সুস্থ রয়েছেন অভিনেত্রী, ফিরছেন হাসপাতাল থেকে বাসায়ও।
তানজিন তিশা জানান, গেল কয়েকদিন ধরেই অসুস্থবোধ করছিলেন। এরপর জ্বর ওঠে ১০৩ ডিগ্রি। অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি হন। ডেঙ্গুসহ আরও কিছু পরীক্ষা করিয়েছি। এসব হয়নি। আমি কিছুদিন ধরে ডায়েট করছিলাম। তা ছাড়া দুশ্চিন্তাও করছিলাম। চিকিৎসকের ধারণা, এসব মিলিয়েই এমনটি হয়েছে। আপাতত, আমাকে ডায়েট বন্ধ করতে বলেছেন। প্রচুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বর্তমানে বাসায় বিশ্রামে আছি। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। চিকিৎসক এটা দেখার পরে একটা ওষুধ দেন। ওষুধটি নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মনে হলো, পুরো শরীরে আগুন ধরে গেছে। মনে হচ্ছিল, আমি মারা যাব। যেন মৃত্যুযন্ত্রণা কাছ থেকে দেখেছি। ওই সময় আমার মাকে জড়িয়ে ধরেছিলাম। প্রায় ৩ঘণ্টা পর কিছুটা সুস্থবোধ করি।
সোমবার বিকেলে হাসপাতাল থেকে বাসায় আসেন তিশা।
মন্তব্য করুন