

চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে গত ১ জুলাই অজ্ঞাতনামা এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। নাম আকরাম উল্লাহ (৪২) যিনি ছিলেন পেশায় কাভার্ড ভ্যানচালক,বাড়ি নোয়খালীর সেনবাগ উপজেলায়।
আকরাম হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কাহিনী বের করে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিট।
সংস্থাটির কর্মকর্তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ভুক্তভোগী কাভার্ড ভ্যানচালকের প্রেমিকা রোজিনা বেগম রোজিকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে। ৩ জুলাই খুলনা নগরের ফুলবাড়ি গেট মিন্টুর মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখানে বড় বোনের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন রোজি। গত বৃহস্পতিবার আকরাম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে চট্টগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পিবিআই কর্মকর্তারা জানান, আকরাম উল্লাহ এবং রোজির দুজনেরই আলাদা সংসার ছিল। নোয়াখালীর সেনবাগ এলাকার বাসিন্দা আকরামের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার বড় ছেলে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। অন্যদিকে রোজির বিয়ে হয় বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার কবীর মোল্লার সঙ্গে। তাদের সংসারে ৫ বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
পিবিআই সূত্র আরো জানায়, রোজি এবং তার তার স্বামী দুজনেই পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। কিন্তু করোনাকালীন সময়ে তারা দুজনেই বেকার হয়ে যান। সংসার চালাতে রোজির স্বামী ওই সময় ইপিজেড থানার লেবার কলোনিতে একটি চায়ের দোকান দেন। ২০২০ সালে সেই চায়ের দোকানে প্রায় সময় চা খেতে আসতেন আকরাম। ওইসময় রোজি ও তার স্বামী কবীরের সঙ্গে আকরামের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কবীর মাঝেমধ্যে দোকানের বাইরে গেলে তখন আকরামকে ক্যাশে বসিয়ে যেতেন। একপর্যায়ে রোজির সঙ্গে আকরামের প্রেমের সম্পর্ক হয়। কিছুদিনের মধ্যে সেই সম্পর্কের বিষয় জানতে পারেন কবীর। এনিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার কয়েকবার ঝগড়া হয়।
এরপর রোজির সঙ্গে আকরামের প্রেম ঠেকাতে কবীর স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যান। সেখানে কয়েকমাস থেকে কবীর জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে চলে যান। ২০২২ সালে রমজান মাসের আগে রোজি পুনরায় চট্টগ্রাম চলে আসেন এবং মেয়েকে নিয়ে তার ভাই মিজানের কলসীদিঘীর পাড় এলাকার বাসায় থাকা শুরু করেন। একই সঙ্গে তিনি পুনরায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি শুরু করেন। এরই মধ্যে তার সঙ্গে আবার সেই পুরনো প্রেমিক ও কাভার্ড ভ্যানচালক আকরামের যোগাযোগ হয়। দুজনে মিলে আলাদা বাসায় ওঠার সিদ্ধান্ত নেন।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে রোজি তার মেয়েকে খুলনা বোনের বাড়িতে রেখে আসেন। এরপর আকরামকে নিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ঘটনার ৩ মাস আগে একটি ভাড়া বাসায় উঠেন। সেখানে দুই মাস থেকে তারা জুনের শুরু থেকে ইপিজেড থানার নিউমুরিং কেবি ম্যানশনের তৃতীয় তলার ৩০৭ নম্বর রুমে উঠেন। বাসাটিতে একমাস থেকে চলে যাওয়ার কথা ছিল দুজনের। কিন্তু তার আগেই খুন হন আকরাম।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রোজি পিবিআই কর্মকর্তাদের জানান, আকরাম কয়েকমাস ধরে বেকার ছিলেন। তারা একসঙ্গে থাকলে বেশিরভাগ খরচ চালাতে হত রোজিকে। এই খরচের পাশাপাশি মেয়ের জন্য বোনের কাছে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া লাগত রোজির। টানাপড়েনে পড়ে মাঝেমধ্যে স্বামী কবীরের কাছ থেকে টাকা নিতেন রোজি। সবমিলিয়ে তিনি বাসা ভাড়া ও খাবারের খরচ চালাতেন। কিন্তু আকরাম তেমন কোনো টাকা খরচ করতে পারতেন না। এনিয়ে প্রায় সময় দুজনের মধ্যে ঝগড়া হত।
এরই মধ্যে গত ৩০ জুন রোজির স্বামী কল করে তাকে শরীরের গোপন অংশের ছবি ও ভিডিও পাঠাতে বলেন। কথামতো রোজি ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ইমো অ্যাপস ব্যবহার করে পাঠানোর চেষ্টা করে। কিন্তু মোবাইলের কোনো জটিলতায় তিনি এগুলো স্বামীর কাছে পাঠাতে পারেননি। তবে এগুলো মোবাইলের গ্যালারিতে সেভ হয়ে যায়। এদিকে রোজির মোবাইল ফোনে আকরাম এসব গোপন ছবি-ভিডিও দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে রোজির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন।
কিন্তু ওই সময় রোজির পিরিয়ড চলছিল। এ কারণে তিনি আকরামকে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে বারণ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রোজির স্বামীকে সব জানিয়ে দেবে বলে হুমকি দিতে থাকে আকরাম। এ জন্য আকরাম রোজির মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়।
একপর্যায়ে রোজি আকরামের গোপন অঙ্গে সজোরে চেপে ধরে। এতে আকরাম দাঁড়ানো থেকে মেঝেতে পড়ে যায় এবং মাথায় আঘাত পেয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। এ সময় নাক দিয়ে রক্ত পড়তে দেখে একটি রশি দিয়ে আকরামের গলা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে রোজি। এরপর তাকে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে।
পরদিন ১ জুলাই সকাল ১১টার দিকে বাসায় তালা লাগিয়ে রোজি খুলনার উদ্দেশ্যে বের হয়। তিনি নিউমুরিং গিয়ে খুলনার টিকিট কাটেন। তবে ওই সময় খুলনা না গিয়ে তিনি পুনরায় বাসায় ফিরে আসেন। এরপর বাসায় থাকা রক্তমাখা তোয়ালে ও আকরামের রক্তমাখা হাফ হাতা গোল গেঞ্জি বাসার পেছনের ময়লার ড্রেনের মধ্যে ফেলে দেয়। বিকেলে বাড়ির কেয়ারটেকার এসে রোজিকে বাসা ছেড়ে দিতে বলে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রোজি পুনরায় বাসায় তালা লাগিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে বের হয়। প্রথমে একটি অটোরিকশাযোগে তিনি নগরের অলংকার মোড়ে বের হন। সেখান থেকে রাত ৯টায় বাসযোগে খুলনা চলে দিয়ে বোনের বাসায় ওঠেন। ওই বাসা থেকেই পিবিআই কর্মকর্তারা তাকে গ্রেপ্তার করে।
পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটের পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদ পারভেজ এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বলেন, রোজি এবং আকরাম দুজনেরই আলাদা সংসার রয়েছে। তারা দুজনে মিলে বিয়ে না করে অবৈধভাবে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে একত্রে থেকেছেন। একপর্যায়ে সম্পর্কের টানাপড়েনের জেরে কৌশলে আকরামকে হত্যা করে রোজি। হত্যাকাণ্ডের আগে থেকে আকরামের সঙ্গে তার পরিবারের তেমন যোগাযোগ ছিল না। তবে হত্যাকাণ্ডের পর খবর পেয়ে আকরামের স্বজনরা তার মরদেহ নিয়ে যায় এবং তার বড় ছেলে আশরাফুল ইসলাম রাজু বাদী হয়ে ইপিজেড থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
কামরাঙ্গীরচরে মুজিবরের ঘাট এলাকার একটি
বাসার ছাদে ফানুস ওড়ানোর
সময় ৩ জন দগ্ধ
হয়েছেন। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) দিনরাত
সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনা
ঘটে। তারা হলেন- মো.
সিয়াম (১৬), মো. রাকিব
(১৮) ও মো. রায়হান
(১৬)।
পরে
দগ্ধ অবস্থায় রাত দেড়টার দিকে
তাদের ৩ জনকে শেখ
হাসিনা জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক ও সার্জারি ইনস্টিটিউটের
জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
দগ্ধ
সিয়ামের বাবা স্বপন জানান,
নতুন বছর উপলক্ষে বাসার
ছাদে ফানুসে আগুন দেওয়ার সময়
ছেলে সিয়াম ও আমার ২
ভাই আগুনে দগ্ধ হয়। বর্তমানে
তিনজন চিকিৎসাধীন।
ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ
ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো: বাচ্চু মিয়া
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি
জানান, তাদের মধ্যে সিয়ামের শরীরে বেশি অংশ পুড়ে
গেছে ও বাকি ২জনের
শরীরের সামান্য কিছু অংশ পুড়েছে।
তাদের জরুরি বিভাগের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঢাকা
দক্ষিণ ও উত্তরসহ দেশের ১২ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে অপসারণ করা হয়েছে।
স্থানীয়
সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম স্বাক্ষরিত
এক প্রজ্ঞাপনে আজ (১৯ আগস্ট) এ কথা জানানো হয়েছে।
‘স্থানীয়
সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ এর ধারা ১৩ক প্রয়োগ করে এসব সিটি
কর্পোরেশনের মেয়রদের স্ব স্ব পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা
হয়েছে।
যে
১২ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করা হয়েছে এগুলো হলো- ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর,
চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর ও
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।
এ
ছাড়া অন্য এক প্রজ্ঞাপনে ১২টি সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা উত্তর
ও ঢাকা দক্ষিণ এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে অতিরিক্ত সচিব ও সমমর্যাদার চার কর্মকর্তাকে
প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম,
খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনে বিভাগীয় কমিশনারদের
প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
‘স্থানীয়
সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ২৫ক-এর উপধারা (১) প্রয়োগ
করে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই প্রশাসকদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে
উল্লেখ করা হয়েছে।
এদের
মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব
ড. মো. শের আলীকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, স্থানীয় সরকার বিভাগের মহাপরিচালক
(অতিরিক্ত সচিব) মো. মাহমুদুল হাসানকে ঢাকা
উত্তর সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রামের বিভাগীয়
কমিশনারকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, খুলনার বিভাগীয় কমিশনারকে খুলনা সিটি কর্পোরেশন,
রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারকে সিলেট
সিটি কর্পোরেশনে, বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে, স্থানীয়
সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ. এইচ. এম কামরুজ্জামানকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন,
কুমিল্লার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড)-এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব)কে
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন, রংপুরের বিভাগীয়
কমিশনারকে রংপুর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
এবং ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনারকে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ
দেয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান
মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের
দুই সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচার
দুদক কার্যালয়ে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা চেয়ারম্যানের সঙ্গে তারা কথা বলেন।
সাংবাদিকদের সাক্ষাৎ শেষে সমন্বয়ক হাসনাত
আবদুল্লাহ বলেন, অনেকের নামে দুদকে মামলা হচ্ছে এসবের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের
কোনো সম্পর্ক নেই। দুদক স্বাধীনভাবে তাদের কাজ করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, আমাদের নাম
ব্যবহার করে কেউ যদি কোথাও চাঁদাবাজি করে তাহলে তাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে
দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


বিভিন্ন
রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও জনগণের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার যে দাবি উঠেছে, তা
অন্তর্বর্তী সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
আজ
শুক্রবার (৯ মে) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে
বলা হয়েছে, সম্প্রতি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও জনগণের পক্ষ থেকে স্বৈরশাসন ও সন্ত্রাসী
কার্যক্রমের অভিযোগে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার যে দাবি উঠেছে, তা সরকার গুরুত্বের সাথে
বিবেচনা করছে। এ ব্যাপারে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে ইতোমধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করেছে,
তাদের সাথে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
সকলকে
ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের নেতা ও সমর্থকদের
সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিষয়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদন সরকার বিবেচনায় রাখছে। সে পর্যন্ত
সকলকে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানাচ্ছে।
উল্লেখ্য,
ইতোমধ্যে সরকার জনদাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রচলিত আইনের অধীনে সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগকে
নিষিদ্ধ করেছে।
বিবৃতিতে
আরও বলা হয়, সরকারের পক্ষে থেকে মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
গ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সাবেক
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের দেশত্যাগের বিষয়ে বলা হয়, ফ্যাসিবাদী সরকারের সাবেক রাষ্ট্রপতি
ও হত্যা মামলার আসামি আবদুল হামিদের বিদেশ গমন সম্পর্কে জনমনে ক্ষোভের বিষয়ে সরকার
অবগত। এ ঘটনার সাথে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনগত ব্যবস্থা নিতে সরকার বদ্ধপরিকর
রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বুধবার (২৮ আগস্ট ২০২৪) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্ভাব্য সকল পন্থা অবলম্বনের মাধ্যমে উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
দ্রুততার সাথে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা ও ত্রাণ বিতরণের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ ১৬ টি হেলিকপ্টার সর্টির মাধ্যমে ফেনী সদর, ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া, পরশুরাম, মধুগ্রাম ও সেনবাগ এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উল্লেখ্য, হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ছয় জন মুমূর্ষ রোগীকে উদ্ধারপূর্বক হাসপাতালে স্থানান্তর ও ১৬ জন ব্যক্তিকে দুর্যোগপূর্ণ এলাকা হতে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হয়। প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও ৯২২৮ কেজি ত্রান, ৬৫০ লিটার বিশুদ্ধ পানি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বন্যা কবলিত এলাকায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার এর মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ০৩ টি ফিল্ড হাসপাতাল ও ১৮ টি মেডিকেল টিম বন্যা দুর্গতদের চিকিৎসা সেবা প্রদানে নিরলস ভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আজ (১৪
ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের
প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
আজ সকাল ৭টায় প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো.
সাহাবুদ্দিন এবং পরে প্রধান উপদেষ্টা সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা
নিবেদন শেষে তারা সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল
রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানকে রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়।
এ সময় বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।
দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর
বাঙালি জাতির চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র দুই দিন আগে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর দখলদার পাকিস্তানি
বাহিনী ও তাদের এই দেশীয় দোসররা জাতিকে মেধা শূন্য করতে এই দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের
হত্যা করে।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের সখীপুরে
স্বামীর সাথে ঘুরতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়
বাড়ি ফেরার পথে উপজেলার কচুয়া হাজী চৌরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ৬জনকে
গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী
আমির হামজা ৭/৮ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দিয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো: এ এলাকার
হযরত আলীর ছেলে বুলবুল আহমেদ (২৪), ফরহাদ আলীর ছেলে মোহাম্মদ বাবুল (৩০), হযরত
আলীর ছেলে লাবু মিয়া (২৬), গনি মিয়ার ছেলে আসিফ (২৩), আশরাফ আলীর ছেলে শফিক আহমেদ
(২৫) ও সমেশ আলীর মোজাম্মেল হক (৩০)।
পুলিশ
জানায়, স্বামী-স্ত্রী বাড়ি থেকে স্থানীয় কচুয়া চাঁদের হাট এলাকায় ঘরতে আসে। ওই এলাকা
দিয়ে ঘুরাঘুরি শেষে সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে কচুয়া হাজী চৌরাস্তা এলাকায় পৌঁছালে
৭-৮ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তাদের আটক করে। এসময় তাদের ২জনকে স্থানীয় একটি শাল গজারি
বনের ভিতরে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এক পর্যায়ে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর
করে এবং স্ত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা।
সখীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা মো: রেজাউল করিম বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। রাতেই অভিযান
চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


সেনাসদর মিলিটারি অপারেশনস ডাইরেক্টরেটের কর্নেল স্টাফ কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মতৎপরতায় ঢাকাসহ সারাদেশে মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি ও হত্যার ঘটনা আগের চেয়ে কমেছে ।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গত ৫০ দিনে সেনাবাহিনীর কার্যক্রমের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, অপরাধের হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে। হটস্পটগুলো সার্বক্ষণিক ২৪ ঘণ্টা নজরদারির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।
সারাদেশে মব জাস্টিসের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, শুধু মব জাস্টিস নয়, চাঁদাবাজি, চুরি, রাহাজানি ও হত্যা আগের চাইতে কমেছে। গত দুই মাস আগে চাঁদাবাজির অভিযোগ ছিল ২৫০টি, কিন্তু বর্তমানে কমে ১২০টিতে নেমেছে। চুরি ৮৫০টির মতো হতো, বর্তমানে ৬০০টির নিচে নেমে এসেছে। হত্যা সাড়ে তিনশো ছিল, বর্তমানে ১২০-তে নেমেছে। সেনাবাহিনীর কর্মতৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে।
ঢাকার মোহাম্মদপুর ও বনানীতে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য এবং কিছু অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এ বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা হবে। আর যারা অবসরপ্রাপ্ত সদস্য তাদের দেশের প্রচলিত আইনে বিচার করা হবে। কোনো অন্যায়কে সেনাবাহিনী কখনো প্রশ্রয় দেয় না। সেনাবাহিনী সবসময় সততার সঙ্গে আছে এবং থাকবে। জনগণের আস্থার জায়গায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে পাশে পাবেন।
সেনাবাহিনী মাঠে কাজ করতে গিয়ে কোনো চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেনাবাহিনী কোনো চ্যালেঞ্জ ফেস করছে না। তবে আমরা দীর্ঘ ছয় মাস বাইরে নিয়োজিত রয়েছি। অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী।
তিনি বলেন, ২৮ ডিসেম্বর থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনে সেনাবাহিনীর কার্যক্রমের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী ১৭২টি অবৈধ অস্ত্র এবং ৫২৭ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে।
এই সময়কালে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে (মূলত গাজীপুর, আশুলিয়া ও সাভার এলাকায়) ৮৮টি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে উদ্ভুত ৩০বার মূল সড়ক অবরোধ নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। কারখানাগুলোকে চালু রাখার জন্য মালিকপক্ষ, শ্রমিকপক্ষ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, শিল্পাঞ্চল পুলিশ, বিজিএমইএসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বয়ে পদক্ষেপ নিয়েছে। ফলে বর্তমানে দেশের ২ হাজার ৯৭টি পোশাক কারখানার মধ্যে গুটিকয়েক (বেক্সিমকো গ্রুপ, সাউদার্ন ডিজাইনার'স লিমিটেড, স্বাধীন গার্মেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড এবং সেলফ ইননোভেটিভ ফ্যাশন লিমিটেড) ছাড়া সকল কারখানাই চালু রয়েছে।
শিল্পাঞ্চল ছাড়াও সেনাবাহিনীর সদস্যরা গত এক মাসে ৪২টি বিভিন্ন ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে, যার মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত ঘটনা ছিল ১৪টি, সরকারি সংস্থা/অফিস সংক্রান্ত তিনটি, রাজনৈতিক কোন্দল ৯টি এবং অন্যান্য ঘটনা ছিল ১৬টি।
বিশ্ব ইজতেমা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ইজতেমা ময়দানে তুরাগ নদীর ওপর ৫টি ব্রিজ স্থাপন, বোম ডিসপোজাল দলসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবল মোতায়েন ও পর্যাপ্ত সংখ্যক সেনাসদস্য যে কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া রাজধানীর সংস্কার কর্মকাণ্ড যেমন- অ্যান্টি পলিঘিনি অপারেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পরিচালিত খাল পুনরুদ্ধার অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়েছে।
সেনাসদরের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন সময় যারা আহত হয়েছেন, তাদের সুচিকিৎসার জন্য সেনাবাহিনী আজ পর্যন্ত তিন হাজার ৮৫৯ জনকে দেশের বিভিন্ন সিএমএইচে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে, যার মধ্যে ৪১ জন এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি বলেন, দেশের বিরাজমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, দেশের জনগণের জানমাল এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ও স্থাপনার নিরাপত্তা প্রদানসহ সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে এ সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করে কর্মধারা অব্যাহত রাখতে সেনাবাহিনী অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন কর্নেল শফিকুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


তীব্র তাপদাহের মধ্যে আগামীকাল রবিবার
(২৮ এপ্রিল) খুলছে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সব প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ
থাকবে।
শনিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন এ তথ্য জানিয়েছেন।
এতে বলা হয়, চলমান তাপপ্রবাহের কারণে
কোমলমতি শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট
পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর লার্নিং সেন্টারগুলোতে
শ্রেণি কার্যক্রম চালুর বিষয়ে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
১. আগামী ২৮ এপ্রিল রবিবার থেকে সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকার্যক্রম চলমান থাকবে।
২. এক শিফটে পরিচালিত বিদ্যালয়সমূহ
প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলবে।
৩. দুই শিফটে পরিচালিত বিদ্যালয়সমূহ
প্রথম শিফট সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা এবং দ্বিতীয় শিফট ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত
চলমান থাকবে।
৪. তাপদাহ সহনীয় পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত
অ্যাসেম্বলি বন্ধ থাকবে।
৫. উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সংশ্লিষ্টদের
নিয়ে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে পাঠানো রুটিন
বিবেচনায় নিয়ে উপজেলা ভিত্তিক শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সাপ্তাহিক রুটিন প্রণয়ন
করবেন।
৫. প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির কার্যক্রম
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
তাপদাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে আসার পূর্ব-পর্যন্ত
এবং পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত উল্লিখিত সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন