বোরকা পরে বোনের কুলখানিতে, ৩৩ বছর পর গ্রেপ্তার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি

বোরকা পরে বোনের কুলখানিতে, ৩৩ বছর পর গ্রেপ্তার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি

তরুণ বয়সে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল সিলেটের গোলাপগঞ্জের বাসিন্দা মাসুক মিয়ার। ঘটনার পর ৩৩ বছর আত্মগোপনে কাটিয়ে বৃদ্ধ বয়সে এসে গ্রেপ্তার হলেন পুলিশের হাতে।

১৯৯০ সালে পলাতক তরুণ মাসুক মিয়ার বয়স এখন ৫৬ বছর। গ্রেপ্তার হওয়া মাসুক মিয়া (৫৬) সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষনাবন্দ ইউনিয়নের করগাঁওয়ের চরন মিয়ার ছেলে।

শুক্রবার (১১আগস্ট) ভোরে আসামির নিজ বাড়ি উপজেলার করগাঁও এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ । বোনের মৃত্যুশোকে বোরকা পরে গোপনে কুলখানিতে অংশ নিতে এসে গ্রেপ্তার হলেন পুলিশের হাতে।

পুলিশ সূত্র জানায়, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ১৯৯০ সালের এপ্রিল মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে খুন হন সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষণাবন্দ ইউনিয়নের করগাঁওয়ের হাছন মিয়ার ছেলে আব্দুস সালাম। ঘটনার রাতে উপজেলার পুরকায়স্থ বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ছুরিকাঘাতে তাকে খুন করা হয়।

খুনের ঘটনায় ওই বছরের ১৩ এপ্রিল থানায় মামলা করা হয়। দায়েরকৃত মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন মাসুক মিয়া। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের পর তিনি ভারতে পালিয়ে যান। এরপর ১৯৯২ সালে সিলেটের আদালত থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হন মাসুক মিয়া। দীর্ঘ আত্মগোপনকালে সৌদি আরবেও অবস্থান করেন তিনি।

সিলেট জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. সম্রাট তালুকদার জানান, কিছুদিন আগে বোনের কুলখানিতে অংশগ্রহণের জন্য দেশে আসেন। শুক্রবার (১১ আগস্ট) ভোরে আসামি বোরকা পরে এলাকায় প্রবেশ করলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ১৯৯০ সালে খুনের ঘটনার পর মাসুক মিয়া পালিয়ে চট্রগ্রামে ৬ মাস থাকার পর আসামে চাচার কাছে চলে যান। সেখান থেকে সৌদি আরব গিয়ে বেশ কিছুদিন থেকে আবার আসামে ফিরে বিয়েও করেন। কিন্তু নিঃসন্তান থাকার কারণে স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদ হয়। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে আগেও একাধিকার বোরকা পরে তিনি এলাকায় যাতায়াত করেছিলেন। সে খবর আমাদের কাছে ছিল। যে কারণে সোর্স নিয়োগ করি। কিন্তু এবার তা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি বোনের কুলখানিতে অংশ নিতেই তিনি দেশে এসেছিলেন। শুক্রবার ভোর আড়াইটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, মামলাটি বেশ পুরোনো। তাই ওয়ারেন্ট তামিল ছাড়া কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। তবে তিনি তরুণ বয়সে পলাতক ছিলেন। বৃদ্ধ বয়সে এসে গ্রেপ্তার হলেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে হলো বড় রদবদল

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে হলো বড় রদবদল

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল করা হয়েছে। এর মধ্যে আবারও স্বাস্থ্য প্রশাসনের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে দায়িত্বরত অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীরকে।


বুধবার (৭ ফেব্রয়ারি) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পারসোনেল-২ শাখার যুগ্মসচিব মো. মঞ্জুরুল হাফিজের সই করা প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে ।


এছাড়াও জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক পদে থাকা অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরাকে করা হয়েছে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক।


 বর্তমানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্বরত মো. শামিউল ইসলামকে করা হয়েছে জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিলেট বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. হারুন অর রশীদকে।


বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার/ স্বাস্থ্য সার্ভিসের নিন্ম বর্ণিত কর্মকর্তাদের তাদের নামের পাশে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে বদলি/পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো এবং অনতিবিলম্বে কার্যকর করা হবে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

মাতৃভাষার জন্য জীবন দেওয়ার ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন : প্রধান উপদেষ্টা

মাতৃভাষার জন্য জীবন দেওয়ার ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন : প্রধান উপদেষ্টা

মাতৃভাষার জন্য জীবন দেওয়ার ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি এনে দিতে আমাদের আত্মত্যাগ করতে হয়েছে অনেক। জাতির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, ভাষাভিত্তিক জাতিসত্তা ও রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত রচিত হয়।


তিনি আরো বলেন, পৃথিবীর প্রায় সব দেশে নানান দেশের নানান ভাষার কিংবা হাতে গোনা কয়েকটি দেশের কিছু মানুষ নাগরিকত্ব গ্রহণ করে কয়েক প্রজন্ম ধরে বসবাস করে। নতুন দেশের ভাষা তাদের দৈনন্দিন জীবনে চব্বিশ ঘণ্টার ভাষায় পরিণত হয়ে যায়, কিন্তু তবু সে ভাষা তার মাতৃভাষায় পরিণত হয় না। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সব জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে মাতৃভাষার চেতনা ও মর্যাদা রক্ষার প্রেরণা ও এ চেতনার সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিকতার সূত্রে ২০০১ সালের ১৫ মার্চ ঢাকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। বিশ্বের সব মাতৃভাষার সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও গবেষণার ইতিবৃত্তকে লক্ষ্য করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট তার যাত্রা শুরু করে।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, একটি নতুন ভাষা শিখলেই পুরনো ভাষায় দুর্বল হয়ে পড়বে এই ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। পৃথিবীর বহু দেশে একই নাগরিক সাবলীলভাবে কয়েকটি ভাষায় কথা বলবে এটা খুবই স্বাভাবিক বলে ধরে নেওয়া হয়। তারা শৈশব থেকে নানান ভাষায় অভ্যস্ত হয়ে যায়। স্কুলে পড়ার সময় প্রত্যেক ছাত্রকে অন্তত একটি ভিন্ন ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করা হয়। ছাত্ররাও আনন্দ সহকারে সেটা করে থাকে। ইংরেজি শিখলেই বাংলা ভুলে যেতে হবে এমন কোনো চিন্তা তাদের কারও মাথায় আসে না।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা দ্রুত গতিতে নতুন পৃথিবী সৃষ্টি করে যাচ্ছি। এর জন্য মূলত নিত‍্যনতুন প্রযুক্তি প্রধানত দায়ী। প্রযুক্তির প্রাধান্যের সঙ্গে আসে ভাষার প্রাধান্য। যে দেশের প্রযুক্তি পৃথিবীতে প্রাধান্য অর্জন করতে থাকবে তার সঙ্গে প্রাধান্য অর্জন করতে থাকবে প্রযুক্তিদাতা দেশের ভাষা। সারা পৃথিবী এই ভাষা শেখার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়বে।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, ভাষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির সঙ্গে সাহিত্য, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান- সরাসরি জড়িত। আমরা যখন মাতৃভাষায় কথা বলি তখন যেন মনে রাখি মাতৃভাষা মানুষের প্রাথমিক ভাষা। সেই ভাষা প্রথম শ্রবণে যতই রূঢ় মনে হোক না কেন তা একদিন তার প্রাথমিক স্তর পার হয়ে বহু দেশের বহু মানুষের অত‍্যন্ত নমস‍্য ভাষায় পরিণত হতে পারে। যদি সে ভাষা পৃথিবীর অগ্রযাত্রায় কৌশলগত ভূমিকা দখল করে নিতে পারে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

পুরান ঢাকাবাসী ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন উৎসবে মেতেছে

পুরান ঢাকাবাসী ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন উৎসবে মেতেছে

পৌষ মাসের শেষ দিন পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের সাকরাইন উৎসবে মেতে ওঠার দিন। এ উৎসবের মূল আকর্ষণ ঘুড়ি উড়ানো।

রবিবার (১৪ জানুয়ারি) পৌষের শেষ দিন। ঐতিহ্যের আলোয় পৌষের শেষদিনকে রঙিন করতে মাতোয়ারা পুরান ঢাকাবাসী। তাই উৎসব ঘিরে পুরান ঢাকার অলিগলিতে চলছে ঘুড়ি বেচাকেনার উৎসব। শিশু, তরুণ, বৃদ্ধরা কিনছেন ঘুড়ি, নাটাই, সুতা। চলছে সুতায় মাঞ্জা দেওয়ার কাজ। পুরান ঢাকায় চলছে ঘুড়ি বেচাকেনার ধুম। দোকানে দোকানে হরেক রকমের ঘুড়ি সাজিয়ে রাখা হয়েছে। রঙ-বেরঙের ঘুড়ি আর নাটাই-সুতা সারি সারি করে সাজিয়ে রেখেছেন দোকানিরা। বাজারে বিভিন্ন নামের ঘুড়ি পাওয়া যাচ্ছে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম- চোখদার, চশমাদার, কাউটাদার, লাভবার্ড, পঙ্খিরাজ, প্রজাপতি, চক্ষুদার, ঈগল, সাদাঘুড়ি, চার বোয়া, দুই বোয়া, টেক্কা, লাভঘুড়ি, তিন টেক্কা, মালাদার, দাবা ঘুড়ি, বাদুড়, চিল, অ্যাংগ্রি বার্ডস হরেক রঙের ঘুড়ি। এসব নাটাই মিলবে ৫০০ থেকে তিন হাজার টাকার মধ্যে। সেসব সুতার মধ্যে রক সুতা, ডাবল ড্রাগন, কিংকোবরা, ক্লাক ডেবিল, ব্লাক গান, ডাবল গান, সম্রাট, ডাবল ব্লেট, মানজা, বর্ধমান, লালগান ও টাইগার অন্যতম।

জানা যায়, রবিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে ঐতিহ্যবাহী উৎসব সাকরাইন শুরু হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘুড়ি ওড়ানোর পাশাপাশি বাড়িতে বাড়িতে চলবে পিঠাপুলির উৎসব।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

সেনাবাহিনী প্রধানের ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন

সেনাবাহিনী প্রধানের ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি আজ ( অক্টোবর ২০২৪) দুর্গাপূজা উদযাপনে গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা অবলোকনে ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সকলকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।

 

সময় তিনি উপস্থিত মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ এর সভাপতি অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে মতবিনিময় করেন।

 

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে সারা দেশব্যাপী জেলায় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন থেকে পূজামন্ডপ সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সদা তৎপর রয়েছে।

 

সেই সাথে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, হিন্দু ধর্মাবলম্বী প্রত্যেক বাংলাদেশী অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করবেন।

 

পাশাপাশি, তিনি অন্য সকল ধর্মাবলম্বীদের সহযোগিতা সম্প্রীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনে এগিয়ে আসার আহব্বান জানান।




global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

দেশের সব জেলা ও মহানগরে জামায়াতের নতুন আমিরদের নাম ঘোষণা

দেশের সব জেলা ও মহানগরে জামায়াতের নতুন আমিরদের নাম ঘোষণা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশের সব জেলা মহানগরে দলটির নতুন আমিরের নাম ঘোষণা করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের বৈঠকে নতুন আমিরদের নাম ঘোষণা করা হয়। ঢাকায় মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনিই নতুন আমিরদের নাম ঘোষণা করেছেন।

সময় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাড়ে ১৫ বছর ধরে আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে হাজারো প্রাণের বিনিময়ে দেশ স্বৈরশাসনের কবল থেকে মুক্তি লাভ করেছে। হাজার হাজার মানুষ আহত পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। এখনো চিকিৎসা চলা অবস্থায় অনেকের মৃত্যু হচ্ছে। তিনি হতাহতদের স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। পাশাপাশি আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার লক্ষ্যে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

জেলা মহানগরে আমির হলেন যারা :

পঞ্চগড়ে মো. ইকবাল হোসাইন, ঠাকুরগাঁওয়ে বেলাল উদ্দিন প্রধান, দিনাজপুরে আনিছুর রহমান, নীলফামারীতে আব্দুস সাত্তার, লালমনিরহাটে আবু তাহের, রংপুর মহানগরে মাওলানা টি এম আযম খান, রংপুর জেলায় মো. গোলাম রব্বানী, কুড়িগ্রামে মাওলানা মো. আবদুল মতিন ফারুকী, গাইবান্ধায় মো. আব্দুল করিম সরকার, জয়পুরহাটে ডা. ফজলুর রহমান সাইদ।

বগুড়া শহরে মাওলানা আবিদুর রহমান সোহেল, বগুড়া জেলায় মাওলানা আবদুল হক সরকার, সিরাজগঞ্জে মাওলানা মো. শাহিনুর আলম, পাবনায় মো. আবু তালেব মন্ডল, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাওলানা মো. আবুজর গিফারী, নওগাঁয় মো. আব্দুর রাকিব, রাজশাহী মহানগরে মো. কেরামত আলী, রাজশাহী জেলায় আবদুল খালেক, নাটোরে মীর নুরুল ইসলাম, মেহেরপুরে মো. তাজউদ্দীন খান, কুষ্টিয়ায় মো. আবুল হাশেম, চুয়াডাঙ্গায় মো. রুহুল আমিন।

ঝিনাইদহে আলী আজম মো. আবু বকর, যশোরে মো. গোলাম রছুল, মাগুরায় এম বি বাকের, নড়াইলে মো. আতাউর রহমান, বাগেরহাটে মাওলানা রেজাউল করিম, খুলনা মহানগরে মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, খুলনা জেলায় মাওলানা মুহা. এমরান হুসাইন, সাতক্ষীরায় শহীদুল ইসলাম।

বরগুনায় মাওলানা মো. মহিববুল্লাহ, পটুয়াখালীতে নাজমুল আহসান, ভোলায় মুহা. জাকির হোসেন, বরিশাল মহানগরে জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, বরিশাল জেলায় মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার, ঝালকাঠিতে হাফিজুর রহমান, পিরোজপুরে তাফাজ্জল হোসাইন।

জামালপুরে মাওলানা আব্দুস সাত্তার, শেরপুরে মাওলানা হাফিজুর রহমান, ময়মনসিংহ মহানগরে মাওলানা কামরুল আহসান, ময়মনসিংহ জেলায় আবদুল করিম, নেত্রকোনায় ছাদেক আহমাদ।

কিশোরগঞ্জে মো. রমজান আলী, ঢাকা মহানগর উত্তরে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণে নূরুল ইসলাম বুলবুল, টাঙ্গাইলে আহসান হাবিব, মানিকগঞ্জে মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম, ঢাকা জেলায় মাওলানা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন, গাজীপুর মহানগরে মুহা. জামাল উদদীন, গাজীপুর জেলায় মো. জাহাঙ্গীর আলম, মুন্সিগঞ্জে মাওলানা রুহুল কুদ্দুস, নারায়ণগঞ্জ মহানগরে মুহাম্মদ আবদুল জব্বার, নারায়ণগঞ্জ জেলায় মো. মমিনুল হক সরকার, নরসিংদীতে মাওলানা মো. মোছলেহুদ্দিন, রাজবাড়ীতে মো. নূরুল ইসলাম, ফরিদপুরে মাওলানা মুহাম্মদ বদরুদ্দীন, গোপালগঞ্জে রেজাউল করিম, মাদারীপুরে মাওলানা মোখলিসুর রহমান, শরীয়তপুরে মাওলানা আবদুর রব হাশেমী।

সুনামগঞ্জে মাওলানা তোফায়েল আহমদ খান, সিলেট মহানগরে মো. ফখরুল ইসলাম, সিলেট জেলায় মাওলানা হাবীবুর রহমান, মৌলভীবাজারে মো. শাহেদ আলী, হবিগঞ্জে মাওলানা মোখলিসুর রহমান।

চট্টগ্রাম মহানগরে শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তরে আলাউদ্দিন শিকদার, চট্টগ্রাম দক্ষিণে আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, কক্সবাজারে মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী, খাগড়াছড়িতে সৈয়দ মো. আব্দুল মোমেন, রাঙামাটিতে মোহাম্মদ আবদুল আলীম এবং বান্দরবানে এস এম আবদুছ ছালাম আজাদ।

কুমিল্লা মহানগরে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, কুমিল্লা উত্তরে মো. আবদুল মতিন, কুমিল্লা দক্ষিণে মো. শাহজাহান, চাঁদপুরে মাওলানা বিলাল হোসেন মিয়াজী, ফেনীতে মুফতি আবদুল হান্নান, নোয়াখালীতে মো. ইছহাক খন্দকার, লক্ষ্মীপুরে রুহুল আমিন ভূঁইয়া।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২৫০০ টাকা

পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২৫০০ টাকা

মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) সচিবালয়ে মজুরি ঘোষণা করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান। 

পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৮ সালে পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী, আট হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি পাচ্ছিলেন পোশাকশ্রমিকরা। আগের তুলনায় ন্যূনতম মজুরি বেড়েছে সাড়ে ৪ হাজার টাকা।

আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে নতুন মজুরি কার্যকর হবে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, ‌প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মালিক ও শ্রমিক পক্ষ এবং নিরপক্ষ প্রতিনিধিদের নিয়ে দ্রুত নতুন মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন শ্রমজীবী মানুষ আন্দোলন করে আসছেন মজুরি বাড়ানোর জন্য। মালিক ও শ্রমিকপক্ষকে নিয়ে মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আলাপ-আলোচনার মধ্যদিয়ে একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন।মজুরির যদি কোনো তারতম্য হয়ে যায় আমরা শেষ সম্বল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বারস্থ হই সবসময়। উনার মৌখিক নির্দেশে আজকে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি ঘোষণা করছি।

তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের রেশনের দাবি আছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, একটি পরিবারের জন্য একটি ফ্যামিলি কার্ডের মধ্যেই নির্ধারিত থাকবে যতগুলো সদস্য কার্ডটি ব্যবস্থা করতে পারবে। পরবর্তীতে এ কার্ডের মাধ্যমে রেশনিং ব্যবস্থা চালুর কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।এখানে শ্রমজীবী মানুষ ও রাষ্ট্রের স্বার্থ আছে। শিল্প বাঁচলে শ্রমিক বাঁচবে। শ্রমিকের সঙ্গে শিল্পও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। উভয়দিক লক্ষ্য রেখেই মজুরি ঘোষণা করা হচ্ছে।

মজুরি ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়বে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আট হাজার থেকে সাড়ে ১২ হাজার টাকা করা হয়েছে। ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট বহাল আছে।

আন্দোলন-অবরোধের কারণে শিল্পাঞ্চলের বাড়িভাড়া মওকুফের জন্য মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, ডিসেম্বরের বেতন নতুন বেতনের আলোকে হবে। গেজেট এখনই করতে দেবে, কোনো সংশোধন থাকলে ১৪ দিনের মধ্যে করবে।

মজুরি ঘোষণার সময় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী মোল্লা, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তৌফিকুল আরিফ, বিকেএমইএ'র সভাপতি সেলিম ওসমান, বিজিএমইএ'র সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, শ্রমিক প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম রনি উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

অফিসে প্রেমের সম্পর্কে জড়াচ্ছেন ৬০ শতাংশেরও বেশি মানুষ

অফিসে প্রেমের সম্পর্কে জড়াচ্ছেন ৬০ শতাংশেরও বেশি মানুষ

শহুরে ব্যস্ত জীবনে এখন সম্পর্কের নতুন ঠিকানা হয়ে উঠছে কর্মক্ষেত্র। সকালের তাড়াহুড়া, একসঙ্গে ডেডলাইন সামলানো, সাফল্যের মুহূর্ত ভাগ করে নেয়া, খারাপ দিনে পাশে থাকা, দুপুরের ছোট্ট কফি বিরতি কিংবা দিনের শেষে ক্লান্ত মুখে ‘আজ অনেক চাপ গেল, এভাবেই অজান্তে কাছাকাছি চলে আসেন অনেক সহকর্মী।

একই অফিসে প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাতে কাটাতে কখন যে পেশাদার কথাবার্তার ভেতর একটু আলাদা যত্ন, অপেক্ষা কিংবা ভালো লাগা জন্ম নেয়, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না শুরুতে। এসব থেকেই অনেক সময় তৈরি হয় নির্ভরতা এবং প্রেম। এখন কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক বা ‘ওয়ার্কপ্লেস রোমান্স আগের চেয়ে অনেক বেশি সাধারণ হয়ে উঠছে।

তবে অফিসের সম্পর্ক শুধু সিনেমার মতো রোমান্টিক গল্প নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পেশাদারিত্ব, ব্যক্তিগত সীমারেখা, সহকর্মীদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং কর্মপরিবেশের ভারসাম্যও।

সাম্প্রতিক ‘ওয়ার্কপ্লেস রোমান্স স্ট্যাটিস্টিকস শীর্ষক এক প্রতিবেদন বলছে, ৬০ শতাংশেরও বেশি কর্মজীবী মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৪৩ শতাংশ সম্পর্ক পরিণয়ে গড়িয়েছে। অর্থাৎ, অফিসে শুরু হওয়া সম্পর্কের অনেকগুলোই শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছে। ফোর্বস ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর বড় কারণ হলো সময়ের পরিবর্তন। এখন মানুষের জীবনের বড় একটা অংশ কাটে কর্মস্থলে। সকালে বের হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত অফিসেই সময় যায়। ফলে বাইরের সামাজিক যোগাযোগ কমে যাচ্ছে। নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও আগের মতো নেই। তাই স্বাভাবিকভাবেই সহকর্মীদের মধ্যেই তৈরি হচ্ছে কাছাকাছি আসার সুযোগ।

ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক তৈরির পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ‘স্বাচ্ছন্দ্যবোধ। প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ বলেছেন, সহকর্মীর সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করতে করতে একটা বিশ্বাস ও মানসিক নিরাপত্তা তৈরি হয়। এছাড়া ৬১ শতাংশ জানিয়েছেন, কাজের বাইরে নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সময় না থাকাও একটি বড় কারণ। তবে অফিসের সম্পর্ক সবসময় সহজ বা সুন্দর অভিজ্ঞতা হয় না। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নানা ধরনের জটিলতাও।

সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রায় ৫৭ শতাংশ কর্মী মনে করেন, অফিসের সম্পর্ক তাদের কাজের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলেছে। কেউ কেউ কাজের প্রতি বেশি মনোযোগী হয়েছেন, আবার অনেকের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত টানাপোড়েন কাজের পরিবেশকেও অস্বস্তিকর করে তুলেছে।

এছাড়া ৫২ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, সম্পর্কের কারণে সহকর্মীদের আচরণ বদলে গেছে। অফিসে গুজব, ঈর্ষা বা পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও বেড়েছে অনেক ক্ষেত্রে। প্রায় অর্ধেক কর্মী বলেছেন, সহকর্মীদের মধ্যে তাদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা বা কানাঘুষা চলেছে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, প্রায় ৩৫ শতাংশ কর্মী তাদের সম্পর্কের বিষয়টি অফিস কর্তৃপক্ষকে জানান না। কারণ হিসেবে তারা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, অস্বস্তি কিংবা চাকরিগত ঝুঁকির কথা উল্লেখ করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। মানুষ যেখানে বেশি সময় কাটায়, সেখানেই আবেগ তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে সম্পর্কের কারণে যেন কর্মপরিবেশ, পেশাদারিত্ব বা অন্য সহকর্মীদের স্বস্তি নষ্ট না হয়, সেই বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ অফিসের সম্পর্ক শুধু দুজন মানুষের ব্যক্তিগত বিষয় হয় না, অনেক সময় সেটি পুরো কর্মপরিবেশের ওপরও প্রভাব ফেলে।

এ ব্যাপারে সাদমিনা নামের এক তরুণী বলেন, ‘অফিসে একজনকে ভালো লাগে। একসঙ্গে কাজ করতে করতে কখন যে তার প্রেমে পড়ে গেলাম টেরই পেলাম না। আমরা একসঙ্গে লাঞ্চে যাই, চা খেতে যাই, কাজের বাইরেও অনেক গল্প হয়। তবে ভালোলাগার কথাগুলো এখনও আদান-প্রদান হয়নি।

এদিকে সহকর্মীকে বিয়ে করা শাহরিয়ার নীরব নামের এক যুবক বলেন, ‘আমরা একই অফিসে চাকরি করি। ৫ বছর আগে যখন আমাদের প্রেম হয় তখন আশেপাশের সহকর্মীরা আমাদের দেখে হাসতো, মজা নিতো। ব্যাপারটা আমরাও বেশ উপভোগ করতাম।

নীরব হেসে হেসে আরও বলেন, ‘আমরা যখন প্রেম করতাম তখন অফিসের কাজের চাপ থাকলেও চাপ মনে হতো না। প্রেয়সীর চোখের দিকে তাকালেই সব ক্লান্তি দূর হয়ে যেত, অফিস ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও টের পেতাম না।

সহকর্মীর সঙ্গে সংসার কেমন কাটছে এমন প্রশ্নের জবাবে নীরব বলেন, ‘আমরা ভালো আছি। সংসার জীবনের এত বছরেও প্রেমের প্রথম দিনের মতোই মনে হয় এখনও। আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আমরা এখনও সহকর্মী।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম বদলে বিয়ে,২০ বছর পর গ্রেপ্তার

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম বদলে বিয়ে,২০ বছর পর গ্রেপ্তার

শুক্রবার (০৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে  র‍্যাব-৪ সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান জানান,নওগাঁ জেলার আত্রাই থানার রতন মিয়া হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল হামিদকে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বিভিন্ন জেলায় পলাতক থাকার পর সাভার থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৪। 

আর এই ২০ বছরে পলাতক থেকে নাম-পরিচয় বদলে নরসিংদীতে বিয়েও করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সাভার মডেল থানার গেন্ডা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আব্দুল হামিদ (৪৫) নওগাঁ জেলার বাসিন্দা।

র‍্যাব-৪ জানায়, আব্দুল হামিদ গত ২০০৪ সালের ১৬ মে মাসে নওগাঁ জেলার আত্রাই থানার সাহেবগঞ্জ এলাকার নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে তার সহকর্মী রতন মিয়াকে কলহের জেরে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করলে রতন মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। সংবাদ পেয়ে আত্রাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামি আব্দুল হামিদ ও তার অন্যান্য সহযোগীরা ঘটনাস্থল থেকে সুকৌশলে পালিয়ে যায়।  

ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে ভিকটিমের ছোট ভাই রিপন মিয়া বাদী হয়ে নওগাঁ জেলার আত্রাই থানায় আসামির বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা করার পর থেকে হত্যাকারী আব্দুল হামিদ আত্মগোপন করে। দীর্ঘদিন ধরে আসামির অনুপস্থিতিতে নওগাঁ জেলার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত হত্যা মামলার বিচার কার্য চালিয়ে যায়। দীর্ঘ বিচার কার্য শেষে আদালত গত ২০১০ সালের ১৯ মে আসামি আব্দুল হামিদকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

র‍্যাব-৪ আরো জানায়, এসব তথ্য জানার পর র‍্যাব-৪ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল বৃহস্পতিবার সাভারের গেন্ডা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দীর্ঘ ২০ বছর পলাতক থাকা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল হামিদকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

র‍্যাব-৪ সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের পর হতে সে পালিয়ে প্রথমে রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, ঢাকা, নরসিংদী পরবর্তীতে চট্রগ্রাম ও পার্বত্য চট্রগ্রাম জেলায় ও সর্বশেষ ঢাকা জেলার সাভার এলাকায় আত্মগোপন করে নিজের নাম, বাবার নাম ও ঠিকানা পরিবর্তন করে বসবাস করে আসছিল। গ্রেপ্তার আসামি নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানা এলাকায় পরিচয় গোপন করে বিয়ে করে।  

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

কুমিল্লায় মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৬

কুমিল্লায় মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৬

কুমিল্লায় মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা, গাঁজা, ট্যাপান্টাডল ও মদসহ ৬ জনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

বুধবার (২০ মে ) দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ইসতিয়াক মাহমুদের নেতৃত্বে কুমিল্লা “খ সার্কেলের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এ অভিযান পরিচালনা করে।

কুমিল্লা আদর্শ সদর থানার শাসনগাছা ও আশপাশ এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ৫ পিস ইয়াবা, ১০০ গ্রাম গাঁজা, ১০ পিস ট্যাপান্টাডল এবং ১০০ মিলিলিটার মদ উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে মোট ৬ জনকে আটক করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য সেবন এবং জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

২৬ বছর পর হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

২৬ বছর পর হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলার পলাতক আসামি মো. জসিম ওরফে দিদারুল ইসলামকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। 

গতকাল নগরের চান্দগাঁও থানার খাঁজা রোড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত জসিম রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পশ্চিম নিশ্চিন্তপুর এলাকার মরহুম মেহেরুজ্জামানের ছেলে।

চট্টগ্রাম র‌্যাবের সিনিয়র সহকারী পরিচালক তাপস কর্মকার বলেন, আসামি জসিম দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে বেড়িয়েছে। শনিবার এক অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি বলেন, আইনানুগ প্রক্রিয়া গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০