

বিনোদন ডেস্ক:
এবার একটি কনসার্টে ভারতের জনপ্রিয় গায়িকা সুনিধি চৌহানের দিকে ছুড়ে মারা হলো পানির বোতল। লাইভ কনসার্টে উন্মাদনার তুঙ্গে ঘটে গেল এ অনভিপ্রেত ঘটনা।
মঞ্চে পারফর্ম করার সময় গায়ক-অভিনেতাদের ওপর হামলা এর আগেও হয়েছে। গত বছর অরিজিৎ সিং-কে হাত ধরে এত জোরে টান দেওয়া হয়েছিল যে, গায়ককে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছিল।
গায়িকা ভারতের উত্তরাখন্ডের দেরাদুনের এসজিআরআর বিশ্ববিদ্যালয়ে পারফর্ম করেছিলেন। এদিন অনুষ্ঠানে ‘শিলা কি জওয়ানি’, ‘ধুম মচালে’, ‘ক্রেজি কিয়া রে’, ‘দেশি গার্ল’, ‘কমলি’, ‘শাকি শাকি’-র মতো গান তিনি উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। তিনি যখন শ্রোতাদের তার গানে মাতিয়ে রাখছিলেন, তখন মেতে উঠেছিল গোটা স্টেডিয়াম। ঠিক সেই সময়, সামনের সারিতে বসা এক ব্যক্তি তার দিকে পানির বোতল ছুড়ে মারেন।
এ ঘটনা রীতিমতো হতবাক করে দেয় সুনিধি চৌহানকে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে নিজেকে সামলে নেন তিনি। তারপর সেই ভক্তের দিকে তাকিয়ে ভর্ৎসনা করেন। যদিও সেই ভর্ৎসনার জন্য বেছে নেন সংগীতের পথ।
সুরে-সুরেই তিনি বলে ওঠেন- ‘আপনি আমার দিকে বোতল নিক্ষেপ করলে কী হবে? অনুষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হবে। আপনি কি এটি চান?’
সুনিধি চৌহান এই কনসার্ট থেকে কিছু ছবিও শেয়ার করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। গ্লিটারি টপ, কালো শর্টস গায়ে ছিল গায়িকার। টপে ছাপানো ছিল 'ঝঈ ০১'। খোলা চুল, পায়ে লং বুট। একেবারে রকস্টার লুক।
ক্যাপশনে তিনি লিখলেন- ‘তুমি কি কখনো ছিলে আমার পার্টিতে? দেখো সেটা কেমন হয়।
মন্তব্য করুন


‘করণ অর্জুন’ ছবিটি পরিচালনা করতে গিয়ে কালঘাম ছুটেছিল বলিউড পরিচালক-প্রযোজক রাকেশ রোশনের। ছবির দুই প্রধান নায়ক, শাহরুখ খান ও সালমান খান, এর অন্যতম কারণ ছিলেন। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তথ্যচিত্র সিরিজ ‘দ্য রোশনস’। সেখানে পরিচালক রাকেশ রোশন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান ও ভাইজানখ্যাত সালমান খানের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি জানান, প্রতিদিন শুটিংয়ে যাওয়ার আগে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতেন।
এই ছবির গল্প নিয়ে শাহরুখ ও সালমানের কোনো আগ্রহই ছিল না। রাকেশ রোশন বলেন, "তাদের প্রতি কোনো আস্থা ছিল না, এবং তারা ছবির বিষয়ে মোটেও সিরিয়াস ছিল না।" এমনকি এই তথ্যচিত্রে শাহরুখ খান নিজেই স্বীকার করেছেন যে, সেই সময় তিনি দুর্ব্যবহার করতেন। এজন্য তিনি রাকেশ রোশনের স্ত্রীর কাছ থেকেও বকুনি খেয়েছিলেন। রাকেশ রোশন ভয়ে ভয়ে থাকতেন, যাতে তিনি নিজের মেজাজ হারিয়ে ফেলেন না।
পরিচালক জানান, "সব ছবিতেই আমি নিশ্চিন্তে কাজ করেছি, কিন্তু 'করণ অর্জুন' ছবিতে প্রথম থেকেই সমস্যা ছিল। একেক দিন ভাবতাম, কেন এসব ঘটছে? তবে মেনে নিয়েছিলাম।" তিনি আরও বলেন, "প্রতিদিন সকালে প্রার্থনা করতাম— যেন আমি মেজাজ হারিয়ে না ফেলি। এই ছেলে দুটো অপরিণত। তারা যেমন আচরণ করছে করুক, আমি যেন মাথা গরম না করি এবং কাজটা শেষ করি।"
রাকেশ রোশন জানান, সালমান ও শাহরুখের ছবির গল্প নিয়ে কোনো আগ্রহই ছিল না। তিনি মনে করেন, "একদিন একটি দৃশ্যের শুটিংয়ের সব কিছু প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল, সূর্য ডোবার মুখে, কিন্তু তারা কোথাও ছিল না। শেষ মুহূর্তে তারা এল এবং তাড়াহুড়ো করে শুটিং শুরু করল।"
এই সিরিজে বর্ষীয়ান অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিংহও তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি বলেন, "ওরা সত্যিই খুব যন্ত্রণা দিয়েছিল রাকেশ রোশনের, কোনো সহযোগিতা করেনি। এমন পরিস্থিতি দেখে রাকেশের স্ত্রী তাদের খুব বকাঝকা করেছিলেন।"
শাহরুখ খান তার কথায় বলেন, "সালমান আর আমার মধ্যে আমার আচরণ তুলনামূলক ভালো ছিল। অন্তত আমি সামনে ভালো ব্যবহার করতাম। আমরা দুজন বাচ্চা মিলে একজন পিতৃসম ব্যক্তিকে খুব জ্বালিয়েছিলাম।"
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
গত সাত বছর ধরে সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল। গত ২৩ জুন এ তারকা জুটি আইনি মোতাবেক বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। এর পর রিসেপশনের আয়োজন হয়। এ তারকা জুটির বিয়েতে ছিল না কোনো ধর্মীয় আচার। বিয়ের পর সোনাক্ষী ধর্ম পরিবর্তন করবেন না বলেও জানিয়েছিলেন জ়াহির ইকবালের বাবা।
এদিকে বিয়ের দিন রিসেপশেন দেখা যায়নি অভিনেত্রীর দুই ভাই লব সিনহা ও কুশ সিনহার। এ নিয়ে চারদিকে সমালোচনা শুরু হয়। বিয়েতে এসেছিলেন শত্রুঘ্ন সিন্হাসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। এ নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে মিশ্র সমালোচনা হয়।
নানা রকম সমালোচনার মাঝে অবশেষে মুখ খুললেন লব সিন্হা। সামাজিকমাধ্যমে একটি পোস্ট করে সোনাক্ষী ও জ়াহিরের বিয়ে নিয়ে কথা বলেন তিনি। লব সিনহা বলেন, এত সমালোচনা সত্ত্বেও পরিবারের প্রতি তার ভালোবাসা কোনোভাবেই কমবে না। পরিবারই তার কাছে প্রাথমিক বিষয়।
কেন তিনি বিয়েতে উপস্থিত থাকেননি জানিয়ে লব সিনহা লিখেছেন— ‘কেন আমি বিয়েতে উপস্থিত থাকিনি, এটিই হলো প্রশ্ন! আমার বিরুদ্ধে কিছু মিথ্যে কথা প্রচার করে কোনো লাভ নেই। আমার কাছে সব সময় আমার পরিবারই অগ্রাধিকার পাবে।‘
এমন প্রশ্ন সোনাক্ষীর আরেক ভাই কুশ সিনহাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, সেই সময় লব বলেছিল— ‘দু’একটা দিন সময় দিন। আমার যদি মনে হয়, তা হলে আমি নিশ্চয়ই এই প্রশ্নের উত্তর দেব।‘
বিয়েতে আসেন শত্রুঘ্ন সিনহা। বাবা হিসেবে মেয়ের বিয়েতে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়বেন এটাই স্বাভাবিক। সিনহা পরিবারের নয়নমণি সোনাক্ষী সিনহা। মা-বাবার চোখের মধ্যমণি। তাই বিয়ের দিনে বাবা শত্রুঘ্ন সিনহা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। কন্যার জীবনের নতুন ইনিংসে যেমন তিনি উচ্ছ্বসিত, তেমনি চাপাকান্না বুকে কষ্ট।
নিজস্ব অ্যাপার্টমেন্ট ‘অওরিয়েত’-এ ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজনদের সাক্ষী রেখে আইনি বিয়ে সারেন সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল। পরনে নবদম্পতির দুধ সাদা পোশাক। মেয়ের পাশেই হাসিমুখে দাঁড়িয়েছিলেন শত্রুঘ্ন সিনহা।
সেই অনুষ্ঠানে প্রবীণ অভিনেতা বললেন, ‘মেয়েকে পছন্দের পাত্রের হাতে তুলে দেবেন বলে সব বাবাই এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। জাহিরের সঙ্গে আমার মেয়েকে সব থেকে বেশি খুশি থাকতে দেখেছি। তারা সুখে থাকুক, এ প্রার্থনাই করি।‘
জাহির ইকবালের প্রশংসায় পঞ্চমুখ শত্রুঘ্ন সিনহা বলেন, ‘গুড বয়’ জাহির। খুব ভালো ছেলে। আমার মেয়েকে ভালো রাখবে ওৃ।‘ তিনি আরও বলেন, ’৪৪ বছর আগে আমি একজন সফল, সুন্দরী ও ভীষণ ট্যালেন্টেড একটি মেয়েকে নিজের পছন্দে বিয়ে করেছিলাম। সে হচ্ছে পুনম সিনহা। আজ আমার মেয়ে সোনাক্ষীর পালা। ওর পছন্দই আমাদের পছন্দ। ওর নিজের জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার এই সিদ্ধান্তকে আমি পূর্ণ সমর্থন করি।‘
উল্লেখ্য, এর আগে সোনাক্ষী-জাহিরের বিয়ের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসতেই শোনা গিয়েছিল শত্রুঘ্ন নাকি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান। তিনি বলেছিলেন— এই প্রজন্মের সন্তান কারও অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন মনে করে না। ওরা শুধু নিজেদের সিদ্ধান্ত জানায়।
সেই থেকেই জল্পনার সূত্রপাত যে, জামাই হিসেবে জাহির ইকবালকে হয়তো পছন্দ নয় শত্রুঘ্ন সিনহার তাই এমন কথা বলেছিলেন! তবে বিয়ের দুদিন আগেই নিন্দুকদের ‘চুপ’ করে দিয়ে জাহির ইকবালকে বুকে টেনে নেন শত্রুঘ্ন সিনহা।
মন্তব্য করুন


বলিউড তারকা সালমান খান পশ্চিমবঙ্গের এ সপ্তাহে কলকাতা সফরে গিয়েছিলেন। যেখানেই সালমান পা রেখেছেন, তাকে দেখতে ভক্তরা ভিড় জমিয়েছিলেন। কিন্তু সালমানের সঙ্গে আলাদা করে দেখা করার সুযোগ পেয়েছিলেন টলিপাড়ার অভিনেত্রী আয়ুশী তালুকদার।
সালমানের ভক্ত আয়ুশী বলেন, যে দিন প্রথম শুনেছিলাম যে, উনি কলকাতায় আসছেন, তখন থেকে আমি চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু তার চারপাশে কড়া নিরাপত্তা। তাই বুঝতে পারছিলাম না, কীভাবে সাক্ষাৎ কবে। শেষে অভিনেত্রী পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চেষ্টায় সালমানের সঙ্গে দেখা করেন আয়ুশী।
তিনি বলেন, পূজা মুম্বাইয়ে কাজ করেন। সালমানের টিমের একজনের সঙ্গে তার পরিচয় ছিল। তাতেই বিষয়টা সহজ হয়ে যায়।
আয়ুশী জানালেন, শোয়ের শেষে মাঝরাতে সালমানের হোটেলের স্যুইটে সুপারস্টারের সঙ্গে তিনি ও পূজা দেখা করেন। উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বললেন, শেরা দরজার বাইরে ছিলেন। আমি ভেতরে ঢোকার পর চোখের সামনে সালমানকে দেখে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না! আমাদের দেখেই এমনভাবে সোফায় বসতে বললেন যেন কত দিনের পরিচিত।
তারপর শো কেমন হয়েছে, আয়ুশীর কাছে তা জানতে চান সালমান। আয়ুশী বললেন, উনি তার আগেই ৩-৪ ঘণ্টা পারফর্ম করেছেন। এ দিকে রাত ২টার দিকে আবার মুম্বাইয়ের বিমান ধরবেন। কিন্তু দেখে বোঝার উপায় নেই।
সালমানের সঙ্গে শুধু ছবি তোলাই নয়, অভিনেতার আতিথেয়তায় মুগ্ধ আয়ুশী। বললেন, উনি আমাদের স্ন্যাক্স অফার করলেন। আমি সেটা খাব কী, তখন সময়টা আমার জন্য থেমে গিয়েছিল।
সালমানের জন্য তার টিমের তরফে কলকাতার বিশেষ বিরিয়ানির বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। আয়ুশী বললেন, উনি জানতেন যে, আমরা শো দেখে সরাসরি এসেছি। আমাদের বিরিয়ানি অফার করলেন। আরও একবার আমার অবাক হওয়ার পালা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর খাইনি।
মুম্বাই ফিরে ‘টাইগার ৩’ ছবির শুটিংয়ে যোগ দেবেন সালমান। মঙ্গলবার এই শিডিউলে সালমানের সঙ্গে শাহরুখ খানের ক্যামিয়ো অংশের শুটিং হওয়ার কথা। আয়ুশীকে সেই শুটিংয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সালমান। তিনি বলেন, ‘‘পুজাদির বাড়ির পাশেই লোকেশন। আমাকে শুটিং দেখতে আমন্ত্রণ করেছেন সালমান। হতেই পারে, সোমবার রাতেই আমি ফ্লাইটে মুম্বাই পৌঁছে যেতে পারি!
সালমানের সঙ্গে মাত্র ১৫ মিনিটের জন্য দেখা করেছিলেন আয়ুশী। বললেন, অল্প কয়েকজন বলিউড তারকার সঙ্গে দেখা করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। কিন্তু সালমানের সামনে সেগুলো তুচ্ছ। এই অভিজ্ঞতা কোনো দিন ভুলতে পারব না।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বরাবরের মতো এবারের কান উৎসবেও অংশ নিয়েছেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। তবে তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ নন। হাতে প্লাস্টার নিয়ে রূপের দ্যুতি ছড়ালেন এই তারকা।
বৃহস্পতিবার উৎসবের লাল গালিচায় হেঁটেছেন তিনি।
এ সময় ঐশ্বরিয়ার পরনে ছিল ফাল্গুনি-শেন পিককের কালো-সোনালি গাউন। বিশেষ করে তার গাউনের লম্বা টেইল নজর কাড়ে সবার। ইতোমধ্যে সেই ছবি ও ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল।
একজন লিখেছেন, ‘কে বলবে তার হাতে চোট লেগেছে। আপনার আত্মবিশ্বাস দেখে কুর্নিশ জানাতে হয়। আপনাকে ছাড়া লাল গালিচা অসম্পূর্ণ।’
এর আগে বুধবার মেয়ে আরাধ্যকে নিয়ে ৭৭তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে ভারত ছাড়েন ঐশ্বরিয়া। সে সময় প্লাস্টার জড়ানো হাতে তাকে মুম্বাই এয়ারপোর্টে দেখে চমকে গিয়েছিলেন অনেকেই। ভেবেছিলেন লাল গালিচায় হয়তো হাঁটতে দেখা যাবে না তাকে। কিন্তু সব দ্বন্দ্ব-শঙ্কা ফু দিয়ে উড়িয়ে লাল গালিচায় দ্যুতি ছড়ালেন এই অভিনেত্রী।
প্রসঙ্গত, কান চলচ্চিত্র উৎসবে ঐশ্বরিয়া আলো ছড়াচ্ছেন ২০০২ সাল থেকে। ওই বছর ভারী সোনার গয়না ও শাড়িতে প্রথম লালগালিচায় হাঁটেন তিনি। সেবার তার কান সফর শুরু হয় ‘দেবদাস’ সিনেমা নিয়ে। সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা শাহরুখ খান ও পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালি। এরপর থেকে প্রায় প্রতি বছরই উৎসবে হাজির থেকেছেন এই অভিনেত্রী।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
মালাইকা আরোরা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে পছন্দ করেন। গত কয়েক বছরে তাকে বিভিন্ন কারণে ট্রোল করা হয়েছে, যার মধ্যে তার হাঁটার ধরন এবং আরবাজ খানের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, বয়সে ছোট অর্জুন কাপুরের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়েও নানা সমালোচনা উঠেছে। যদিও মালাইকা হাস্যরসের সাথে একবার দাবি করেছেন যে, তিনি কোনো স্কুলের বাচ্চার সঙ্গে প্রেম করছেন না, তাই এই বিষয়ে এত আলোচনা হওয়ার কিছু নেই।
মালাইকা অর্জুনের চেয়ে ১২ বছরের ছোট। তারা এক ছাদের নিচে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন। অনেকের মতে, মালাইকা অর্জুনের জীবন নষ্ট করছেন। তবে, তাদের সম্পর্কের মধ্যে ফাটল ধরেছে বলে গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে।
নিজের প্রেম জীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মালাইকা জানান, তিনি অর্জুনের জীবন নষ্ট করছেন না। তিনি বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত আমি কেবল এক বৃদ্ধা নই, বরং আমার চেয়ে বয়সে অনেক ছোট একজন যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছি। এটা আমার সাহস, তাই না? আপনাদের মনে হতে পারে, আমি ওর জীবন নষ্ট করছি। কিন্তু আমি কি একজন স্কুল ছাত্রের সঙ্গে প্রেম করছি? আর সে আমার জন্য স্কুল মিস করছে? তার লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে কি আমার জন্য?”
তিনি আরও বলেন, “অর্জুন প্রাপ্তবয়স্ক। আমরা দু'জনেই অ্যাডাল্ট। নিজেদের জীবনের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিতে পারি। যদি কোনো বয়সে বড় মানুষ একজন অল্প বয়সী মেয়েকে বিয়ে করেন, তখন তাকে খেলোয়াড় বলা হয়। কিন্তু উল্টোটা ঘটলে সবাই বলতে থাকেন যে, বিশেষ চাহিদার কারণে নারীটি এমন করেছেন।”
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
গোটা দুনিয়ার সিনেপ্রেমী দর্শকের নজর এখন ফ্রান্সের কান সৈকতে। কারণ সেখানেই যে বসেছে সিনেমার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ কান চলচ্চিত্র উৎসবের আসর। এরই মধ্যে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পরিচালক, প্রযোজক, অভিনয়শিল্পীরা। প্রথমবারের মতো সেখানে এবার গিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে জানা যায়, প্রতিবারই কানে বলিউড অভিনেত্রীদের ভালো প্রভাব থাকে। লাল গালিচায় ভিন্ন ভিন্ন পোশাকে নজর কাড়েন তারা। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এরই মধ্যে ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন, অদিতি রাও হায়দারি, সবিতা ধুলিপালা ও উর্বশী রাওতেলা লাল গালিচায় নজর কেড়েছেন।
‘রেড সি ফিল্ম ফাউন্ডেশন উইমেন ইন সিনেমা’ গালায় ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। রেড কার্পেটে হাঁটার আগে নায়িকা তার ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে কান চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের সাজসজ্জার একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। ভিডিওটি শেয়ার করে কবির সিং’খ্যাত নায়িকা ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘রিভেরায় মিলনমেলা।’
এ সময় নায়িকার কানে দেখা যায় মানানসই মুক্তার লম্বা দুল ও পায়ে সাদা হাই হিল। এক হাতে আংটি, অন্য হাতের কবজিতে সুন্দর কাজ করা রিস্টব্যান্ড। কিয়ারার এ পোশাকটি ডিজাইন করেছেন প্রবাল গুরুং। তবে এর মূল্য প্রকাশ করা হয়নি।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
ফ্রান্সের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের শহর কানে বসেছে চলচ্চিত্রজগতের সম্মানজনক আসর ‘কান চলচ্চিত্র উৎসব’। গত ১৪ মে এ উৎসবটির ৭৭তম আসরের পর্দা উঠেছে। বরাবরের মতো এবারের আসরেও আবেদনময়ী লুকে রূপের দ্যুতি ছড়িয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলা।
কানের প্রথম দিনে লাল গালিচায় তোলা কিছু ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন উর্বশী। ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন— ‘কান চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।’ তাতে দেখা যায়, গোলাপি রঙের গাউনে সেজেছেন তিনি।
প্রিয় তারকাকে এমন লুকে দেখে প্রশংসা করছেন উর্বশীর ভক্তরা। রীতিমতো মন্তব্যের ঝড় উঠেছে অভিনেত্রীর কমেন্টস বক্সে। একজন লিখেছেন, ‘তোমার সৌন্দর্যের সঙ্গে কেউ পাল্লা দিতে পারবে না। এমনকি কাইলি জেনারও নয়।’ আরেকজন লেখেন, ‘গোলাপি রানি।’
ভারতীয় গণমাধ্যমের সূত্র অনুসারে, উর্বশীর গাউনটি ডিজাইন করেছেন তারকা ডিজাইনার খালেদ ও মারওয়ান। লেবাননের বৈরুতে অবস্থিত আউত কুচার নামে একটি ফ্যাশন হাউস তৈরি করেছে অভিনেত্রীর পোশাকটি।
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে মিস ডিভা ইউনিভার্স খেতাব জেতেন উর্বশী। একই বছর মিস ইউনিভার্স আসরে ভারতের প্রতিনিধিত্বও করেন তিনি। এখন পর্যন্ত সুন্দরী প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে বেশি বিজয়ী হওয়ার রেকর্ড রয়েছে তার। পাশাপাশি বলিউডের বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করে নজর কাড়েন উর্বশী।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্কঃ
কলকাতার চলচ্চিত্র উৎসবে জায়গা হয়নি বাংলাদেশের। আগামী ৪ ডিসেম্বর শুরু হতে যাওয়া এই উৎসবে স্থান পেয়েছে ২৯টি দেশের ১৮০টি সিনেমা। আর এবারই প্রথম ‘কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (কেআইএফএফ)’-এ থাকছে না বাংলাদেশের নাম। রাজনৈতিক অবস্থা ও ভিসা জটিলতার কারণেই এমনটা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উৎসবের চেয়ারম্যান গৌতম ঘোষ।
কলকাতার উৎসবে বাংলাদেশের সিনেমার জায়গা না পেলেও ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এ ঠিকই থাকছে ভারতীয় সিনেমা। আগামী ১১ জানুয়ারি শুরু হবে উৎসবের ২৩তম আসর। ৯ দিনব্যাপী এই উৎসবে প্রদর্শিত হবে ৭৫টি দেশের প্রায় ২৫০টি সিনেমা। যদিও এখনো পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেনি আয়োজক কর্তৃপক্ষ। তবে তাদের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ‘এশিয়ান ফিল্ম কমপিটিশন’ বিভাগের তালিকা রয়েছে দুটি ভারতীয় সিনেমা। এগুলো হলো- জটলা সিদ্ধার্থের ‘ইন দ্য বেলি অব আ টাইগার’ ও সৌমিক রায় চৌধুরীর ‘বেলাইন’। এছাড়াও ‘সিনেমা অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ বিভাগে আছে সৃজিত মুখার্জির ‘পদাতিক’।
বিষয়টি নিয়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজক রেইনবো ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি আহমেদ মুজতবা জামাল বলেন, ‘সরকারি আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসব। সেখানে বাংলাদেশের সিনেমা কেন নেই- এর উত্তর দিতে পারবে উৎসব কর্তৃপক্ষ ও তাদের সরকার। ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত ইফিতে কিন্তু বাংলাদেশের সিনেমা প্রদর্শিত হয়েছে। আর ঢাকা চলচ্চিত্র উৎসব সরকারি কোনো আয়োজন হয় না। আমরা সিনেমাকে প্রাধান্য দিয়েছি। এখানে পাকিস্তানের সিনেমা যেমন আছে, তেমনি ভারত, চীনসহ ৭০টির বেশি দেশের সিনেমা আছে। আমরা কোনো দেশ বিবেচনায় সিনেমা নির্বাচন করছি না। এছাড়া সরকার থেকে আমাদের এমন কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি যে নির্দিষ্ট কোনো দেশের সিনেমা দেখানো যাবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবার চলচ্চিত্র উৎসবে ভারতের সিনেমার সংখ্যা কমে গেছে। অন্যান্যবার ২৫-৩০টি সিনেমা থাকে। এবার মাত্র ৫-৬টি সিনেমা আছে। তাছাড়া ভারতের কোনো ফিল্মমেকার, কলাকুশলী বা অতিথি কেউ আসছেন না ভিসা জটিলতার কারণে।’
গতবার ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এ আলো ছড়িয়েছিলেন ইরানের নির্মাতা মাজিদ মাজিদি, ভারতের শর্মিলা ঠাকুর, অঞ্জন দত্তরা।
মন্তব্য করুন


মার্কিন পপতারকা কেটি পেরি এবার ইতিহাস গড়তে চলেছেন। মহাকাশ অভিযানে অংশ নিয়ে তিনি নিজের নাম ইতিহাসের পাতায় লিখে রাখতে চলেছেন। জেফ বেজোসের প্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিনের রকেটে যাত্রা করবেন কেটি পেরি। তবে তিনি একা নন, তার সঙ্গে থাকবেন আরও পাঁচজন নারী অভিযাত্রী। এই বিশেষ মিশনের নেতৃত্বেও থাকবেন কেটি পেরি।
বিবিসি জানিয়েছে, ব্লু অরিজিনের মতে— ১৯৬৩ সালে ভ্যালেন্টিনা তেরেশকোভার ঐতিহাসিক মহাকাশ ভ্রমণের পর এটিই হবে প্রথম নারী নেতৃত্বাধীন মহাকাশ মিশন। কেটির সঙ্গে এই অভিযানে অংশ নিচ্ছেন জেফ বেজোসের বাগদত্তা লরেন সানচেজ, জনপ্রিয় সঞ্চালক গেইল কিং, সাবেক নাসা বিজ্ঞানী ড. আইশা বোয়ি, মানবাধিকারকর্মী অ্যামান্ডা গুয়েন এবং চলচ্চিত্র প্রযোজক ক্যারিয়ান ফ্লিন।
চলতি বছরেই ব্লু অরিজিনের এনএস-৩১ মিশনটি মহাকাশের পথে রওনা দেবে। আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত বিশ্ব কনসার্ট ট্যুরে ব্যস্ত থাকবেন কেটি পেরি। তাই ধারণা করা হচ্ছে— এর আগেই এই মহাকাশ অভিযান সম্পন্ন হবে।
সম্প্রতি এক বিবৃতিতে ব্লু অরিজিন জানিয়েছে, এত বড় একটি মিশনে নেতৃত্ব দিতে পেরে কেটি পেরি নিজেকে গর্বিত মনে করছেন। কেটি নিজেও আশা প্রকাশ করছেন, এই অভিযান পরবর্তী প্রজন্মের নারীদের মহাকাশ গবেষণায় অংশ নিতে অনুপ্রাণিত করবে।
উল্লেখ্য, ৪০ বছর বয়সি কেটি পেরি বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় পপতারকা। ২০০১ সালে ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে তিনি পাঁচবার আমেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস ও পাঁচবার বিলবোর্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস জিতেছেন। তার সর্বশেষ স্টুডিও অ্যালবাম ‘১৪৩’ প্রকাশিত হয় গত বছর, যদিও এটি তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি।
মন্তব্য করুন


বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুকের মরদেহ ঢাকায় আনা হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৬ মে) সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট তার মরদেহ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয় বলে এয়ারলাইন্সটির জনসংযোগ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ইউএস-বাংলার বিএস-৩০৮ ফ্লাইটটি নায়ক ফারুকের মরদেহ নিয়ে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।
সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন চিত্রনায়ক ফারুক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন।
তার ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান জানান, গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ আসবে। পরে সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
বেলা ১১টায় জাতীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য নেওয়া হবে। বাদ জোহর এফডিসিতে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন এবং সেখানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষ সন্ধ্যা ৭টায় গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমুলিয়া দক্ষিণ সোম গ্রামের বাড়িতে চতুর্থ জানাজা সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
মন্তব্য করুন