

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পালাখাল মডেল ইউনিয়নের সফিবাদ পশ্চিম পাড়া মাদক বিরোধী মিনি ফুটবল টুর্ণামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে সফিবাদ পশ্চিম পাড়া যুব সমাজের আয়োজনে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সৌরভের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ইউপি চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান জয়। খেলায় চিনামুড়া একাদশ ও সফিবাদ মেহেদী একাদশে খেলা হয় । খেলায় নির্ধারিত সময় গেলেও ট্রাইব্রেকারে চিনামূড়া একাদশ জয়ী লাভ করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় ও হাসপাতালের রেন্ট কালেক্টর ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. সাজেদুল হাসান কামাল,ইউপি সদস্য জাকির হোসেন মোল্লা,সিটি ব্যাংকের কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন সরকার,কচুয়া থানার এএসআই সাগর চন্দ্র,সাবেক ইউপি সদস্য সফিউল খান,আব্দুর রশিদ,আওয়ামী লীগ নেতা মাসুদুর রহমান সরকার,মামুন সরকার,শরীফুল ইসলাম,ইয়াছিন শিকারী প্রমুখ। এসময় ছাত্রলীগ নেতা আব্দুর কাদের জিলানী সহ খেলার আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ খেলায় উপভোগ করেন।
মন্তব্য করুন


সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টেবিল টেনিসে অনূর্ধ্ব ১৯ বালক দলগত খেলায় স্বর্ণপদক জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই স্বর্ণপদক অল্পের জন্য মিস হয়েছে। বাংলাদেশ, নেপাল এবং শ্রীলংকার তিন দলের পয়েন্ট সমান হওয়ার ফলে টাই হয়। পরবর্তীতে প্রত্যেক ম্যাচের সেট স্কোর হিসাব করে নেপাল স্বর্ণপদক, শ্রীলঙ্কা রৌপ্য এবং বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পদক লাভ করে।
গতকাল বাংলাদেশ যদি শুধু নেপালের বিরুদ্ধে একটি সেটও জিতত, তাহলে গতবারের স্বর্ণপদক ধরে রাখতে পারতো বাংলাদেশ। ভারতের অরুণাচল প্রদেশের ইটানগরে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশীপের সমস্ত দলগত খেলা গুলো রাউন্ড রবিন লীগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের জন্য দলগত খেলায় মিশ্র ফলাফল এসেছে।
আজ সকালে বালক অনূর্ধ্ব -১৯ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৩-২ ব্যবধানে জয়লাভ করে। কিন্তু গতকালকে নেপালের বিরুদ্ধে ৩-০ সেটে হারে এবং মালদ্বীপের বিরুদ্ধে ৩-০ সেটে জিতে । আজকে যে শ্রীলঙ্কাকে বাংলাদেশ ৩-২ সেটে হারিয়েছে সেই শ্রীলংকা নেপালকে গতকালকে ৩-১ সেটে হারিয়েছিল।
অনূর্ধ্ব ১৫ বালক দল অল্পের জন্য রৌপ্য পদক মিস করে । বালক দল প্রথমে মালদ্বীপকে (৩-০) ব্যবধানে হারায় ও পরের ম্যাচে শ্রীলংকার সাথে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ৩-২ সেটে বাংলাদেশ পরাজিত হয় আজ সকালে নেপালের সাথে (৩-০) জয়লাভ করে এবং পরের খেলায় শক্তিশালী ভারতের সাথে ৩-০ সেটে পরাজিত হয়ে বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পদক লাভ করে।
বালিকা অনূর্ধ্ব ১৫ দলগত বিভাগে প্রথমবারের মতো ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করে । আজ সকালে বাংলাদেশ মালদ্বীপকে ৩-২ সেটে পরাজিত করে । আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে একক, দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈতের খেলা।
মন্তব্য করুন


আসন্ন কাতার সফরে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গী হচ্ছেন বাংলাদেশের চার জাতীয় নারী
ক্রীড়াবিদ। তাঁরা হলেন ফুটবলার আফিদা খন্দকার ও শাহেদা আক্তার রিপা, ক্রিকেটার সুমাইয়া
আক্তার ও শারমিন সুলতানা।
এবারই প্রথম কোনো
সরকার প্রধানের রাষ্ট্রীয় সফরে সঙ্গী হতে যাচ্ছেন নারী ক্রীড়াবিদদের একটি দল।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা
৬টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তাঁর সফরসঙ্গী
হতে যাওয়া এই চার ক্রীড়াবিদ। বাংলাদেশের এই নারী ক্রীড়াবিদদের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে
কাতার সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে কাতার ফাউন্ডেশন।
প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন চার নারী ক্রীড়াবিদ।
তারা বলেন, ‘আমরা
এ সফরের আমন্ত্রণ পেয়ে ভীষণ আনন্দিত এবং আমাদের টিমমেটরাও আমাদের এ আমন্ত্রণে উচ্ছ্বসিত।’
নারী ফুটবলাররা জানান,
‘দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে এশিয়ার অন্য দলের সঙ্গে ম্যাচ খেলার খুব একটা সুযোগ আমাদের হয়
না। আমরা কাতার নারী টিমকে আমাদের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ খেলার আমন্ত্রণ জানাতে চাই। এ
সফরে আমরা তাদের স্পোর্টস ফ্যাসিলিটিসগুলো ঘুরে দেখতে চাই। তাদের প্রফেশনাল চিন্তাভাবনাগুলো
জানতে চাই।’
নারী ক্রিকেটাররা
প্রধান উপদেষ্টাকে বলেন, ‘কাতারে ক্রিকেট তেমনটা জনপ্রিয় নয়। আমরা এ সফরে ক্রিকেট নিয়ে
তাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরির চেষ্টা করব। আমাদের পুরুষ ক্রিকেট দল ও নারী ক্রিকেট দলের
গল্পগুলো তুলে ধরব। আমরা একটি প্রেজেন্টেশন তৈরি করে নিয়ে যাব।’
বৈঠকে নিজেদের জীবন
সংগ্রামের কথা প্রধান উপদেষ্টাকে জানান চার নারী ক্রীড়াবিদ। সরকার প্রধানের সঙ্গে রাষ্ট্রীয়
সফরের সুযোগ দেওয়ায় প্রধান উপদেষ্টাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান তারা।
তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা
ও কাতার সফর নিয়ে পরিকল্পনা শুনে ব্যাপক উৎসাহ ও সমর্থন জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ইউনূস।
তিনি বলেন, ‘আমি চাই,
তোমরা তোমাদের জীবনের সত্যিকারের কথাগুলো তাদের কাছে তুলে ধরবে। তোমরাই এদেশের স্পোর্টস
অ্যাম্বাসেডর। সেখানে তোমরা এদেশের স্পোর্টসকে প্রতিনিধিত্ব করবে। তোমাদের এ রাষ্ট্রীয়
সফরে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারে আমিও ভীষণ আনন্দিত।’
নারী ক্রীড়াবিদদের
এ সফর সফল করতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে বলেও আশ্বাস
দেন মুহাম্মদ ইউনূস।
আর্থনা সম্মেলনে যোগ
দিতে আগামী সোমবার চারদিনের সফরে কাতার যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নক আউট পর্বে খেলা নিশ্চিত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। বুধবার রাতে নিজেদের মাঠের খেলায় স্প্যানিশ ক্লাবটি ব্রাগাকে উড়িয়ে দিয়েছে। পর্তুগীজ ক্লাবের বিপক্ষে ৩-০ গোলে জয় পেয়েছে। এই জয়ে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই সর্বাধিকবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী রিয়াল মাদ্রিদ নক আউটে খেলা নিশ্চিত হয়েছে। তবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া এখনো নিশ্চিত হয়নি। পর্তুগীজ ক্লাবটির বিপক্ষে গোল করেছেন ব্রাহিম দিয়াজ, ভিনিসিয়াস জুনিয়র ও রদ্রিগো।
রিয়াল মাদ্রিদ আগামী ম্যাচে ইতালির ক্লাব নাপোলির মুখোমুখি হবে। এ ম্যাচ থেকে এক পয়েন্ট পেলেই তাদের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিশ্চিত হবে। বর্তমানে ৭ পয়েন্ট নিয়ে নাপোলি রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। ব্রাগা ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে। আর এফসি ইউনিয়ন বার্লিনের সংগ্রহ মাত্র ১ পয়েন্ট। স্বাভাবিকভাবে তারা পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে রয়েছে। গত রাতে নাপোলিকে রুখে দিয়ে এই এক পয়েন্ট পেয়েছে তারা।
রিয়াল মাদ্রিদ কোচ কার্লো আনচেলোত্তি নিয়মিত খেলোয়াড়দের অনেককেই প্রথম একাদশের বাইরে রেখেছিলেন। প্রতিপক্ষ অপেক্ষাকৃত দুর্বল এমন চিন্তা ভাবনা তো ছিলই, সে সঙ্গে নিয়মিত খেলোয়াড়দের বিশ্রামের পাশাপাশি অনিয়মিতদের সুযোগ দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। তারপরও তাদের সহজ জয়ে কোনো সমস্যা হয়নি। 'সি' গ্রুপে একমাত্র দল হিসেবে শতভাগ জয়ের রেকর্ড ধরে রেখেছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বাধিকবারের চ্যাম্পিয়নরা। ৪ ম্যাচ থেকে তাদের সংগ্রহ ১২ পয়েন্ট।
সর্বাধিক ১৪ বারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদের জয়ের ব্যবধানটা আরো বড় হতে পারতো। কিন্তু ম্যাচের শুরুতে পাওয়া পেনাল্টিটা তারা কাজে লাগাতে পারেনি। ফাউলের সুবাদে একটা পেনাল্টি পেয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু আলভারো দালোর দুর্বল শট ব্রাগার গোরলক্ষক আন্দ্রি লুনিন সহজে রুখে দেন।
শুরুর এ ব্যর্থতা মুছে ফেলতে রিয়াল মাদ্রিদ আরো সংগঠিত হয়ে আক্রমণ শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় ২৭ মিনিটে দিয়াজ দলের হয়ে প্রথম গোল করেন। প্রথমার্ধে আর কোনো গোল না পেলেও খেলায় পূর্ণ আধিপত্য বিস্তার করে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ভিনিসিয়াস জুনিয়র গোল করে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেয়। তিন মিনিট পরই রদ্রিগো স্কোর শিটে নাম লেখান।
মন্তব্য করুন


ইতালি প্রবাসী ফুটবলার ফাহমিদুল ইসলামকে প্রাথমিক ক্যাম্পে ডেকেও দেশে আনা হয়নি। এ নিয়ে দেশের ফুটবলে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে আর সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হওয়া এ ক্ষোভ গড়িয়েছে আন্দোলনেও।
এমন পরিস্থিতিতে
রাজধানীর নগর ভবনে আজ দুপুর আড়াইটায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ
মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ ফুটবলের নতুন সম্ভাবনা
হামজা চৌধুরী। এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত হয়ে চলমান সঙ্কট নিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টার
সঙ্গে আলোচনায় বসেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল।
এসময় ক্রীড়া উপদেষ্টা
সমর্থকদের পক্ষ থেকে আসা অভিযোগ সম্পর্কে বাফুফে সভাপতি বলেন, ‘ফুটবল ফেডারেশনে
সিন্ডিকেট করার কোনো সুযোগ নেই। যোগ্যতা অনুযায়ী সবাই যার যার জায়গা করে নেবে, এমন
কোন কিছুর আভাস মিললে ব্যবস্থা নেবে ফেডারেশন। ফাহমিদুলকে আমরা বাদ দিয়ে দেইনি। তবে
ওকে আমরা আরও সময় দিতে চেয়েছি। আগামী জুনেই ঘরের মাঠে বাংলাদেশের ম্যাচ রয়েছে,
খুব শিগগিরই হয়তো তাকে আমরা মাঠে দেখতে পারি। সমর্থকদের এতটুকু বলবো, হতাশ হওয়ার
কিছু নেই।
আন্দোলনের
সঙ্গে জড়িতরা বলছেন, স্বজনপ্রীতি ও সিন্ডিকেটের কারণেই নেওয়া হয়নি ফাহমিদুলকে।
আলোচনায় সিন্ডিকেট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আনা অভিযোগ এবং ফাহমিদুলের বাদ পড়া প্রসঙ্গে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘দেশের স্বার্থেই যোগ্য খেলোয়াড়দের বঞ্চিত করার কোনো সুযোগ নেই। প্লেয়ার সিলেকশনে যেনো স্বজনপ্রীতি বা সিন্ডিকেটের শিকার কেউ না হোন সে বিষয়ে বাফুফেকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। এ বিষয়ে দুর্নীতির প্রমাণ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার।
যে কোনো সঙ্কট
মোকাবিলায় বাফুফেকে আরো সুদৃঢ় পদক্ষেপ নিয়ে দেশের ফুটবলকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার
আহ্বান জানান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
আলোচনায় বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের প্রতি আধুনিক ধারার দৃষ্টিভঙ্গি এবং আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসার প্রয়াসকে প্রশংসিত করে ক্রীড়া উপদেষ্টাকে সাধুবাদ জানান হামজা। বাংলাদেশ ফুটবলকে নিয়ে নতুন সম্ভাবনার কথা শুনিয়ে হামজা চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসায় আমি আপ্লুত, দেশের ফুটবলকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমার আপ্রাণ চেষ্টা থাকবে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়াতে পর্দা উঠেতে
যাচ্ছে কোপা আমেরিকার ৪৮তম আসরের। টুর্নামেন্টটির উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নামবে বর্তমান
চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও কানাডা। মার্সিডিজ-বেনজ স্টেডিয়ামে শুক্রবার (২১ জুন) বাংলাদেশ
সময় ভোর ৬টায় ম্যাচটি শুরু হবে।
জানা গেছে, বাংলাদেশে টি-স্পোর্টস এ
দেখা যাবে খেলাটি। এছাড়াও অনলাইনে টি-স্পোর্টস অ্যাপেও দেখা যাবে খেলা। আর ভারতে সনি
ওয়ান, সনি ওয়ান এইচডি, সনি টু, সনি টু এইচডি, সনি লিভ অ্যাপে খেলা উপভোগ করা যাবে।
টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা
উরুগুয়ের সঙ্গে যৌথভাবে ১৫টি শিরোপা জিতেছে।
উদ্বোধনী ম্যাচে খেলতে নামলেই একটি
রেকর্ড গড়বেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ঐতিহ্যবাহী টুর্নামেন্টিটর সবচেয়ে বেশি
ম্যাচ খেলার রেকর্ডটি মেসির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন চিলির গোলরক্ষক সের্হিও লিভিংস্তোন।
তবে কানাডার বিপক্ষে মাঠে নামলেই এককভাবে চূড়ায় উঠবেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। কোপা আমেরিকার
সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক আর্জেন্টিনার নরবের্তো মেন্ডেস ও ব্রাজিলের জিজিনিয়ো। যৌথভাবে
সমান সংখ্যক ১৭ গোল করে এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছে তারা। কোপা আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি গোলের
রেকর্ড গড়তে মেসির দরকার আরও ৫টি। ৩৪ ম্যাচে তার গোল ১৩টি। মেসি এবার কোপার সপ্তম
আসর খেলতে নামবেন। প্রথম আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় হিসেবে ভিন্ন সাত আসরে খেলার কীর্তি গড়বেন
মায়ামির এই ফুটবলার। কোপা আমেরিকায় দুটি করে হ্যাটট্রিক আছে ১০ জনের। এবার একটি হ্যাটট্রিক
করলে এই তালিকায় নাম লেখাবেন মেসি। টুর্নামেন্টিতে তার একমাত্র হ্যাটট্রিক ২০১৬ আসরে,
পানামার বিপক্ষে।
সূচি অনুযায়ী, এবারের আসর চলবে ২৬ দিন।
গ্রুপ পর্ব হবে ২০ জুন থেকে ২ জুলাই। কোয়ার্টার ফাইনাল ৪ থেকে ৬ জুলাই। সেমিফাইনাল
৯ ও ১০ জুলাই। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ১৩ জুলাই। ফাইনাল হবে ১৪ জুলাই।
মন্তব্য করুন


১৪ বছর পর সেমিতে উঠেও কুয়েত বাধা টপকাতে পারেনি জামাল ভূঁইয়ারা। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত খেলেও ফাইনালে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ। ফাইনালে খেলার স্বপ্ন পূরণ না হলেও ব্যক্তিগত একটি অর্জন সঙ্গী হয়েছে বাংলাদেশের গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোর। এবারের সাফের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জিতেছেন তিনি।
সেমি শেষে বাংলাদেশ দল দেশে ফিরে আসায় মঞ্চে সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারেননি বাংলাদেশ দলের গোলরক্ষক। তাই জিকোর পক্ষ থেকে স্মারক পুরস্কার গ্রহণ করেছেন সাফের কম্পিটিশন ম্যানেজার আসিফ। তিনি বাংলাদেশে এসে জিকোকে সেটি বুঝিয়ে দেবেন।
টুর্নামেন্টের ফাইনাল শেষে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সেরা গোলরক্ষকের এই স্বীকৃতি পান জিকো।
সেরা গোলরক্ষক হওয়ার পর কাল রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়ার সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে আনিসুর রহমান লিখেছেন, 'আলহামদুলিল্লাহ। সাফ টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক।'
এরপর সেই পোস্টের মন্তব্যে আনিসুর রহমান লিখেছেন, 'তাদেরকে বলে দিয়েন সাফ টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক আপনাদের জিকো।'
মন্তব্য করুন


ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) পারফর্ম করা তরুণ ক্রিকেটারদের চান রবি শাস্ত্রী। এদের গড়ে তুলতে রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিদের সাময়িক সময়ের জন্য দলের বাইরে চান ভারতের সাবেক এই কোচ। অবশ্য ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যদি রোহিত-কোহলিরা ফর্মে না থাকেন বা ধারাবাহিক না হন- সেক্ষেত্রে ওই সময়ে এগিয়ে থাকা ক্রিকেটারকেই দলে চান তিনি।
এবারের আইপিএলে দারুণ পারফর্ম করছেন ইয়াশভি জয়সাওয়াল, জিতেশ শর্মা, তিলক ভার্মা, নেহাল ওয়াধেরা, রিঙ্কু সিং, প্রভসিমরান সিং, আনমলপ্রীত সিংদের মতো ক্রিকেটাররা। জয়সাওয়াল, রিঙ্কু, জিতেশরা যেমন আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিয়মিত রান করে দল জেতাচ্ছেন, বাকিরাও প্রয়োজন অনুযায়ী দারুণ খেলছেন।
বিশেষ করে ১২০-৩০ বা ১৭০-৮০, এমনকি দুইশর বেশি স্ট্রাইক রেটেও রান করছেন অনেকেই। এসব প্রতিভাবানদের হারাতে চান না শাস্ত্রী। দ্রুতই তাদের ভারতীয় দলে চান সাবেক এই ক্রিকেটার।
শাস্ত্রী বলেন, 'এরপর প্রথম যে টি-টোয়েন্টি সিরিজই আসে, এই তরুণদের খেলানো উচিত। এদের সামনে আনা উচিত। তাদের এখনই প্রস্তুত করা উচিত। রোহিত, কোহলির মতো ক্রিকেটাররা আগেই প্রমাণিত। আপনি জানেন তারা কী করতে পারে।'
'আমি আইপিএলে পারফর্ম করাদেরই দলে চাইব যেন তারা সুযোগ পায়। এতে তারাও যেমন সুযোগ পাবে, রোহিত-কোহলিরাও ওয়ানডে আর টেস্ট ক্রিকেটের জন্য নিজেদের সতেজ রাখতে পারবে।'
ক্রিকইনফোর সেই অনুষ্ঠানে শাস্ত্রীর এমন আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়া হয়, 'তাহলে রোহিত, কোহলি বা লোকেশ রাহুলরা কি জাতীয় দলের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে খেলবেন না?'
জবাবে শাস্ত্রী বলেন, 'এক বছর অনেক লম্বা সময়। কেউ ফর্মে থাকতে পারে। ফর্ম হারাতেও পারে। আপনার ওই সময়ের সেরা ক্রিকেটারকে খুঁজে বের করতে হবে। অবশ্যই অভিজ্ঞতা বা ফিটনেস- এসবও বিবেচনায় আসবে। কে সেই মুহূর্তে ধারাবাহিক, রান করছে কিনা, কোথায় রান করছে- এসবও দেখতে হবে।'
'দলে সঠিক পজিশনের জন্য সঠিক ক্রিকেটারকে দরকার। কেউ যদি ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তিন-চারে ব্যাটিং করে তাহলে জাতীয় দলে তাকে দিয়ে আপনি ওপেন করাবেন বা ছয়ে নামাবেন- ব্যাপারটা কিন্তু তেমন নয়।'
মন্তব্য করুন


১২ বছর বয়সী নুরে জারিন নুদার। বর্তমান সময়েরর ছেলে-মেয়েদের থেকে একটু আলাদা। যে বয়সে মেয়েরা মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত। ওই বয়সে ক্ষুদে এ শিক্ষার্থী হাতে কোরআন লিখে পার করছে ব্যস্ত সময়। তার গল্প শুনলে অনেকেরই চোখ কপালে উঠবে। এই মাদরাসা শিক্ষার্থীর কোনো ক্লাসে পড়তে হয়নি প্রাইভেট। মাত্র ১০ মাসে নির্ভুল ভাবে সে পুরো আল-কোরআন হাতে লিখেছেন। তার দৃষ্টিনন্দন হাতের লেখা দেখলে যে কারো চোখ আটকাবে। মনে হবে এটি কম্পিউটারে ছাপা লেখা। চোখ জুড়ানো হাতের লেখায় পবিত্র কোরআন লিখে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সে।
বর্তমানে নুদার বসুরহাট দারুল ইহসান গার্লস মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। ২০২২ সালের সেপ্টম্বর মাসের ঘটনা। তখন ১০ বছর বয়সী নুদার বাড়ির পাশের ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। একদিন হঠাৎ মেয়ের সুন্দর আরবি হাতের লেখা চোখে পড়ে বাবার। এরপর তিনি মেয়েকে উদ্বুদ্ধ করেন পবিত্র কোরআন হাতে লিখতে। যে কথা, সেই কাজ। মেয়েকে প্রথমে এক রিম খোলা সাদা কাগজ এনে দেন তিনি। সেই থেকে শুরু। এরপর আস্তে আস্তে ১০ মাসে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে নুদার কোরআন লিখে শেষ করেন। এরপর তার বাবা হাতে লিখা কোরআন শরীফ নিয়ে নুদারের মাদরাসার আরবী শিক্ষক মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান শরনাপন্ন হন। সেই থেকে নুদারের লেখা শেষে তিনি বানান সংশোধন করে পুনঃনিরীক্ষণ করে দিতেন। তার উৎসাহে ও সহযোগিতায় নুদারের লেখা আরও গতি পায়। পরবর্তীতে পান্ডুলিপি থেকে ১০ পারা করে তিন ভাগে পুর্ণাঙ্গ কোরআন বাঁধাই করা হয়। কোরআন লিখতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬১১টি এ ফোর সাইজের সাদা কাগজ ও ৫৫টি বলপেন কলম। মেয়ের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত মা-বাবা,দাদা-দাদী সহ এলাকাবাসী। মা-বাবার আশা মেয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে দেশবাসীর কল্যাণে দ্বীনি শিক্ষা প্রসারে কাজ করবে। নুরে জারিন নুদার নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের মওদুদ স্কুল এলাকার ছেলামত মঞ্জিলের মো.নুরুল হুদা মামুনের মেয়ে।
নুরে জারিন নুদার বলেন, বাবা-মায়ের উৎসাহে আমি চতুর্থ শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় পবিত্র কোরআন মাজিদ লেখা শুরু করি। এরপর পঞ্চম শ্রেণিতে উঠলে আমার লেখা শেষ হয়। আমার এ লেখা দেখে মা-বাবা আমাকে মাদরাসায় পড়া লেখার পাশাপাশি এখন হিফজ বিভাগে ভর্তি করে দেয়। আমি দেশ বাসীর কাছে দোয়া চাই।
নুদারের বাবা মো.নুরুল হুদা, আমি প্রথমে আমার মেয়ের সুন্দর আরবি হাতের লেখা দেখে খুব আনন্দিত হই। আমারও তার শিক্ষকদের উৎসাহে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে সে কোরআন নিজ হাতে লেখা শুরু করে। যখন এক পারা লেখা সম্পন্ন হতো তখন ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার শিক্ষক মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান আরবি বানান গুলো যাচাই বাচাই করে পুনঃনিরীক্ষণ করে দিতে। এভাবে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে পুরো কোরআন লিখে শেষ হয়। পরে পুনরায় আবার বানান পুনঃনিরীক্ষণ করে ১০ পারা করে তিন ভাগে বাধাই করা হয়। মেয়ের এমন কাজে আমি গর্বিত। এমন কাজে অন্য ছেলে মেয়েরা উদ্ধুদ্ধ হবে বলেও আমি আশা করি।
মা বিবি ফাতেমা বলেন, আমার মেয়ে নিজ হাতে কোরআন লিখেছে, আমরা তাকে উৎসাহ দিয়েছি। লেখার সময় অনেক সময় মনমানসিকতা অন্য রকম হয়ে যেত, তো লিখবো, লিখেনা। আবার মনমানসিকতা ঠিক করে আগ্রহ দিয়ে লিখতে বসত। বিশেষ করে ভালো কাজে শয়তানের প্ররোচনা থাকে। খাতা-কলমে দাগ টানা সহ বিভিন্ন ভাবে তাকে আমি সহযোগিতা করেছি। চার বছর বয়স থেকে সে নিয়মিত নামাজ পড়ে।
ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার নাজেমে তালিমাত, মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, কোরআন লেখার যে প্রাচীন নিয়ম রয়েছে। সে অক্ষরে অত্যন্ত সুনিপুন ভাবে নুদার ১০ মাসের প্রচেষ্ঠায় কোরআন হাতে লিখে সম্পন্ন করেন। ওই সময় আমি তার লেখার তত্বাবধান করি। বোঝার উপায় নেই, এটি হাতে লিখা না, না কম্পিউটারে লিখা। তার লেখা কোরআন পুরোটাই আমি পুনঃনিরীক্ষণ করি।
ইকরা আরাবিয়া মাদরাসা মোহতামিম মাওলানা মোতালেব হোসেন পারভেজ বলেন,নুরানী বোর্ডের সমাপনী পরীক্ষায় নুদার পুরো বাংলাদেশে দশম স্থান অর্জন করে। সে একজন মেধাবী ছাত্রী। তার স্বহস্তে কোরআন লেখার এ কৃতিত্বকে আমরা স্বগত জানাই।
বসুরহাট পৌরসভা ৯নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবিএম ছিদ্দিক বলেন, পবিত্র কোরআন হাতে লেখার উদ্যোগ নিয়ে সম্পন্ন করার কাজটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। এতো সুন্দর ভাবে কোরআন লিখলেন সেটি আসলেই অবাক হওয়ার মতো ঘটনা। আমি তার উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি।
মন্তব্য করুন


একমাত্র টেস্টে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৫৪৬ রানের জয় তুলে নিয়েছে টাইগাররা। রান বিবেচনায় এটি টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়। আন্তর্জাতিক টেস্ট ইতিহাস দেখলে রান হিসাবে এটি তৃতীয় বড় জয়।
এর আগে সবচেয়ে বড় জয় ছিলো ২২৬ রানে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে প্রায় দেড়যুগ আগে ২০০৫ সালে এই জয় পায় বাংলাদেশ।
১৯৩৪ সালের পর এই প্রথম কোনো দল টেস্ট ক্রিকেটে ৫০০ রানের বেশি ব্যবধানে জয় পেলো।
মিরপুরে আগের দিনের ২ উইকেটে ৪৫ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে আফগানিস্তান। যেখানে ঢাকা টেস্টে জিততে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৮ উইকেট। অন্যদিকে, মিরাকল কিছু ঘটাতে আফগানদের লাগবে আরও ৬১৭ রান। আর ড্র করতে হলে উইকেটে কাটাতে হবে পাক্কা দুই দিন!
এমন সমীকরণে দিনের শুরুতেই আফগানিস্তান শিবিরে আঘাত হানে টাইগার পেসার ইবাদত হোসেন। এরপর এতে যোগ দেন শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ। ফলে ১১৫ রানেই গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। আর ৫৪৬ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিটন দাসের দল।
মন্তব্য করুন


কোপা আমেরিকার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ডান পায়ের অ্যাঙ্কেলে মারাত্মক চোট পেয়েছিলেন লিওনেল মেসি। তার পা ভীষণ ফুলে গিয়েছিল। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দেখা গেছে যে, লিওনেল মেসির লিগামেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর এ কারণে তাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে। মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত রবিবার কোপা আমেরিকার ফাইনালে কলম্বিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচে পায়ে চোট পেয়ে ৬৪ মিনিটে মাঠ ছাড়েন মেসি। ক্যামেরায় দেখা গেছে, মেসির ডান অ্যাঙ্কেল বেশ ফুলে গেছে। এসময় তিনি ডাগ-আউটে বেঞ্চে বসে মুখ ঢেকে কেঁদেছিলেন। গত সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভালো বোধ করা’র কথা জানিয়েছিলেন মেসি। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।
মেসির চোটের অবস্থা নিয়ে ইন্টার মায়ামির অফিসিয়াল বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মেডিকেল পরীক্ষার পর এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে, লিওনেল মেসি ডান অ্যাঙ্কেলে লিগামেন্টে চোট পেয়েছেন। অধিনায়ককে কবে পাওয়া যাবে, সেটি নির্ভর করছে তার সেরে ওঠা এবং শারিরীক অবস্থার ওপর।
এর আগে মায়ামি কোচ জেরার্দো মার্তিনো জানিয়েছিলেন, মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) দলের পরবর্তী দুটি ম্যাচে মেসিকে পাওয়া যাবে না। কিন্তু এবার অনির্দিষ্টকালের জন্যই মাঠের বাইরে গেলেন মেসি।
মন্তব্য করুন