

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গণনা একই সময়ে চলবে এবং ফলাফলও একসঙ্গে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালট বিতরণ আজ থেকেই শুরু হয়েছে। এবার প্রায় ৭ লাখ ভোটার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেবেন। সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গণনা একই সময়ে চলবে এবং ফলাফলও একসঙ্গে ঘোষণা করা হবে।
সোমবার দুপুরে আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান ইসি সচিব।
ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল ৩ থেকে ৪ ঘণ্টার মধ্যেই পাওয়া যাবে জানিয়ে ইসি সচিব বলেন, তবে প্রবাসীদের ভোট গণনায় কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে, যা নির্ভর করবে কত ভোট সময়মতো এসে পৌঁছায়, তার ওপর।
বিদেশে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর বর্তাবে, সেখানে নির্বাচন কমিশনের সরাসরি কিছু করার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এবারের সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে মাঠে থাকবেন প্রায় ৫৫ হাজার দেশি পর্যবেক্ষক।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন আর গণভোট একসঙ্গে করায় কারণে খরচ বাড়বে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তবে এই বাজেট নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানান তিনি।
সোমবার সচিবালয়ে ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন আর গণভোট একসঙ্গে করার কারণে খরচ বাড়বে তবে এটা নিয়ে কোনো চিন্তা করতে হবে না। নির্বাচনের জন্য এরই মধ্যে যে বাজেট ধরা হয়েছে, গণভোটের কারণে এবং প্রবাসীদের জন্য ভোটের ব্যবস্থা করায় সেই বাজেট বাড়বে।
নির্বাচন এবং গণভোট দুইদিন করা অনেক কঠিন বিষয় বলেও মন্তব্য করেন অর্থ উপদেষ্টা। তিনি আরও বলে, নির্বাচন এবং গণভোট একদিনে করাই ভালো। পৃথিবীর অনেক দেশেই এ ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, পরিশোধিত তেল আনবে জ্বালানি মন্ত্রণালয়, আজ সেটার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চালের দাম স্থিতিশীল ছিলো, আবার কিছুটা বাড়ছে। এজন্য নন বাসমতি চাল আমদানি করা হবে। সাধারণত ৪০ থেকে ৫০ হাজার টনের কম আমদানি করা হয় না। দেশের ব্যবসায়ীদের একটু দায়িত্বশীল হতে হবে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে জিনিসপত্রের দাম এভাবে বাড়ে না। এর সমাধান প্রশাসন দিয়ে হয়না, রাজনৈতিক সরকার লাগে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাজ্যের লন্ডন হিথরো, ব্রাসেলস ও বার্লিনসহ ইউরোপের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক সাইবার হামলার প্রেক্ষিতে দেশের সব আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। সংস্থাটি সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করে সব বিমানবন্দরে পাঠিয়েছে ১০টি বিশেষ নির্দেশনা।
বেবিচকের সদস্য (পরিকল্পনা ও পরিচালনা) এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মেহবুব খানের সই করা নির্দেশনাপত্রটি দেশের সব বিমানবন্দরের প্রধান এবং বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
বিশেষ ১০ নির্দেশনা-
১. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে পাসওয়ার্ড পুনরায় ব্যবহার থেকে বিরত থাকা এবং পাসওয়ার্ড নিয়মিত পরিবর্তন করা।
২. অপরিচিত বা সন্দেহজনক ইমেইল ও লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকা।
৩. হোয়াটসআপ, মেসেঞ্জারসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবাঞ্ছিত বা সন্দেহজনক লিংক কিংবা অ্যাটাচমেন্টে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকা।
৪. সফটওয়্যার (সিকিউরিটি প্যাচ) ও অ্যান্টিভাইরাস নিয়মিত আপডেট রাখা।
৫. পাইরেটেড বা ক্র্যাকড সফটওয়্যার ব্যবহার না করা।
৬. অফিসিয়াল ডিভাইসে ব্যক্তিগত সফটওয়্যার বা অ্যাপস ইনস্টল না করা।
৭. মাল্টি ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (এমএফএ) ব্যবহার করা।
৮. দাপ্তরিক কাজে বেবিচক এর ইমেইল অ্যাড্রেস (caab.gov.bd ডোমেইন) ব্যবহার করা।
৯. গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্তের নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা।
১০. পেনড্রাইভ স্ক্যান ব্যতিরেকে ব্যবহার না করা।
বেবিচক সূত্র জানায়, গত মাসে কুর্মিটোলায় বেবিচকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সাইবার হামলার ঝুঁকি ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ওই বৈঠকে লন্ডনের কিছু বিমানবন্দরে হামলার পর সেখানে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করতে হয়েছিল বলে অবহিত করা হয়।
সেই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশেও আগাম সতর্কতা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী সম্প্রতি দেশের সব বিমানবন্দরে সাইবার সিকিউরিটি সংক্রান্তে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, চলতি মাসের মধ্যে শব্দ দূষণের বিধিমালা চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা হবে।
আজ শুক্রবার সকালে গুলশানে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গাড়ি চালকদের পুনঃ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে তিনি এই তথ্য জানান।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন চালিয়ে আগামী মাসের মধ্যে নীরব ১০টি এলাকা ঘোষণা করা হবে। হর্ন বাজালে কারাবাসে পাঠানো সমাধান নয়। নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন আনতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বায়ুর মান দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। গাড়ির গতি কমালে যেমন দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে, তেমনি হর্নও বাজানোর দরকার হয় না। জনদুর্ভোগ কিছুটা কমানো সম্ভব হবে।’
তিনি জানান, ‘চালকদের প্রশিক্ষণের জন্য রাজধানীর প্রতিটি সোসাইটিকে সহযোগিতা করবে পরিবেশ অধিদপ্তর। শব্দ দূষণের কারণে ট্রাফিক পুলিশদের কাজও কঠিন হয়ে পড়েছে।’
নির্বাচন ও সংস্কার বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবেন প্রধান উপদেষ্টা। ৫৩ বছরেও নির্বাচিত রাজনৈতিক দলগুলো রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ করতে পারেনি, সেজন্যই অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কার কাজ হাতে নিয়েছে।’
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য এশীয় নেতাদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। আজ চীনের বোয়াও ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ বিষয়ে জোরালো অভিমত প্রকাশ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, "মিয়ানমারের সংকট শুধু স্থানীয় পর্যায়ে সীমিত নেই, এটি পুরো এশিয়া অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। গত সাত বছরে বাংলাদেশ ১২ লাখেরও বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে, যারা মিয়ানমারের নাগরিক। এখন এশীয় নেতাদের উচিত তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা।"
তিনি বলেন, "গাজায় চলমান গণহত্যা বিশ্বব্যাপী নিন্দিত হলেও তা থামছে না। ফিলিস্তিন ইস্যু কেবল মুসলিম বা আরব বিশ্বের সমস্যা নয়, এটি একটি বৈশ্বিক মানবিক সংকট। অন্যদিকে, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ শৃঙ্খলে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।"
বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি সম্পর্কে ড. ইউনূস বলেন, "ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত বাড়ছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ভয়াবহ আকার ধারণ করছে, ঋণের বোঝা অসহনীয় হয়ে উঠেছে এবং মানবিক সংকট দিন দিন গভীর হচ্ছে। এই অবস্থায় এশিয়াকে শক্তিশালী ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে হবে।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "এশিয়ার উন্নয়নের জন্য এসডিজি বাস্তবায়নের পাশাপাশি অবকাঠামোগত বিনিয়োগ, দায়িত্বশীল অর্থায়ন এবং অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য অর্জনে বড় পদক্ষেপ নিতে হবে। এছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"
এশিয়ার সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সংস্কৃতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "এশিয়ার সভ্যতা বহু সংস্কৃতির সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এখানে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান শুধু এশিয়াই নয়, সারা বিশ্বকে প্রভাবিত করেছে।"
তিনি এশিয়ার যুবশক্তির সম্ভাবনার ওপর জোর দিয়ে বলেন, "এই অঞ্চলের তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তি ও উৎপাদন ক্ষমতা এশিয়াকে এগিয়ে নিতে পারে। তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।"
এই ফোরামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতা, অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকরা অংশ নিয়েছেন, যেখানে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় বছরের সর্বোচ্চ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১৪১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
শনিবার (৩ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, গত একদিনে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১২৮ জন আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩ জন। তবে এই ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে কারো মৃত্যু হয়নি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৩৯৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার ৫৩টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৩৪৫ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।
চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ১ হাজার ৬০৭ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ৬৭২ জন। এদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৮৬৯ জন। ঢাকায় ১ হাজার ২৫২ এবং ঢাকার বাইরে ৬১৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১ জুন) সর্বোচ্চ ১১২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিচার ব্যবস্থাকে আরও সহজ করতে হবে। সুবিধা না পেলেও বিচারকদের দায়িত্ব পালন করতে হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
রোববার (২০ এপ্রিল) সকালে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সহকারী জজ বা সমপর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সীমাবদ্ধতা মেনে দায়িত্ব পালনে বিচারকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করার আহ্বান জানিয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, বিচারকদের অন্যায়-অবিচার করার কোনো সুযোগ নেই। সুবিধার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের কোনো সম্পর্ক নেই। সুবিধা না পেলেও বিচারকদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।
তিনি জানান, বিচার বিভাগেও সীমাবদ্ধতা আছে। তবে সীমাবদ্ধতা মেনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। বিচার ব্যবস্থাকে আরও সহজ করতে হবে।
আসিফ নজরুল জানায়, বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে যেন উপমহাদেশের অন্যান্য দেশগুলো থেকে প্রশিক্ষণার্থীরা বাংলাদেশে আসেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে এসে অনেকেই রাজনৈতিক বক্তব্য দিতেন।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোটা আন্দোলনের সময় গ্রেফতার ১৭ বছর বয়সি শিক্ষার্থী হাসনাতুল ইসলাম ফাইয়াজের মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হলে আইন মন্ত্রণালয়ের কিছু করার নেই।
তিনি আরও জানান, এ মামলায় দুজনের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি আছে। সেটি ৮ মাসেও কেন প্রত্যাহার হয়নি সেটা সংশ্লিষ্টরা বলতে পারবেন। তার ভাইকে কোনো আশ্বাস দেওয়া হয়নি। বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে ‘হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি’র হামলা, ভাঙচুর ও জাতীয় পতাকায় আগুন দেওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া, এ ঘটনার কারণে ত্রিপুরা সরকার মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ৩ পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে ও এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
এদিকে, ভারতের নাগাল্যান্ড রাজ্যের ইংরেজি সংবাদমাধ্যম মুরং এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ত্রিপুরা সরকার তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করার পাশাপাশি একজন সহকারী কমান্ড্যান্ট পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেছে। ত্রিপুরা পুলিশের শীর্ষ এক কর্মকর্তা জানান, সোমবারের ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার ও এই তদন্তভার পড়েছে সাউদার্ন রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেলের (ডিআইজি) ওপর।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, ৩ জন সাব-ইন্সপেক্টর দিলু জমাতিয়া, দেবব্রত সিনহা ও জয়নাল হোসেনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাছাড়া সহকারী কমান্ড্যান্ট (ডিএসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তা) কান্তি নাথ ঘোষকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ৪ পুলিশ কর্মকর্তার দায়িত্বে অবহেলার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সারারাত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন কার্যালয়ে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জড়িত থাকার বিষয়ে প্রাথমিক তদন্ত শেষে গ্রেফতারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বাংলাদেশে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় সাবেক ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারের প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল থেকে প্রায় ৫০ জন ব্যক্তি বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের ভেতরে প্রবেশ করে হামলা চালায় ও ভাঙচুর করেন। ঘটনার পরপরই ঢাকা এর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।
ঢাকার অভিযোগ, স্থানীয় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ছিল না ও এই ঘটনা মিশনের কর্মীদের মধ্যে গভীর নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি করেছে। সেই সঙ্গে নয়াদিল্লিকে ‘তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ’ নেওয়ার আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবশ্য প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, এই ঘটনা গভীরভাবে দুঃখজনক। কূটনৈতিক এবং কনস্যুলার সম্পত্তি কোনোভাবেই লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত নয়। ভারত সরকার বাংলাদেশ হাইকমিশনের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এর আগে সোমবার দুপুরে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ত্রিপুরা রাজ্যের উত্তর আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে হামলার ঘটনা ঘটে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদসহ ভারতের বিভিন্ন ডানপন্থি সংগঠনের শতাধিক সদস্য এই হামলা চালায়। সেসময় কিছু লোক জোর করে হাইকমিশন চত্বরে প্রবেশ করেন ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা করেন।
পুলিশ দ্রুত হামলাকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ গোয়েন্দা বিভাগের মহাপরিচালক অনুরাগ ও দক্ষিণাঞ্চলীয় রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল কৃষ্ণেন্দু চক্রবর্তী সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ হাইকমিশন পরিদর্শন করেন ও মিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। গোয়েন্দা বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল ও ডিআইজি বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন। এরই মধ্যে কার্যালয়ের চারপাশে ত্রিপুরা পুলিশের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা আগরতলায় বাংলাদেশের হাইকমিশনে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার প্রতিবাদে অনেক মানুষ আগরতলার গান্ধী মূর্তির পাদদেশে জড়ো হয়েছিলেন ও শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছিলেন। কিন্তু কিছু যুবক হঠাৎ করেই আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনের কার্যালয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ চলতে পারে, তবে এ ধরনের আচরণ মোটেও কাম্য নয়।
এদিকে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে ভারতের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভের সংখ্যা বাড়ার পর বাংলাদেশ হাইকমিশন ও এর উপ-সহকারী হাইকমিশনগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সোমবার আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন কার্যালয়ে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। কূটনৈতিক এবং কনস্যুলার সম্পত্তি কোনো অবস্থাতেই লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত নয়। সরকার দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং দেশের অন্যান্য উপ-সহকারী হাইকমিশনগুলোর নিরাপত্তা বাড়ানোর পদক্ষেপ নিয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


কোনো ‘মব’ বা কোনোকিছু করে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে সেনাসদর। সোমবার ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সেনাসদরের মিলিটারি অপারেশন্সের পরিচালক কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম।
মুক্তিযোদ্ধার বাসায় মব সৃষ্টি করে হামলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের আগেও যেভাবে সশ্রদ্ধ সম্মান করেছি, আজও করি এবং ভবিষ্যতেও অন্তরের অন্তস্থল থেকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করবো। কোনো মব করে মুক্তিযোদ্ধা কিংবা মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করার কোনো সুযোগ নেই।
মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের বাড়ির সামনে একটি মব সৃষ্টি হয়েছিল, যখন সেনাবাহিনী মেসেজ পেয়েছে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউনিট উপস্থিত হয়ে মব নিয়ন্ত্রণ করেছে। এ ব্যাপারে আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে ইনশাআল্লাহ।
মবের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, মবের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। যেখানে যখন মব হয়েছে সেখানে সঙ্গে সঙ্গে সেনাবাহিনী দ্রুততার সঙ্গে পৌঁছে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে। কয়েকটি জায়গায় আমাদের যে বিলম্ব হয়েছে সেটা সোর্স থেকে তথ্য পেতে বিলম্ব হয়েছে। যে কোনো ঘটনা ঘটার পর সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন হয়। তারপর সেনাবাহিনীকে অনুরোধ জানানো হয়, এরমধ্যে কিন্তু কিছু কালক্ষেপণ হয়ে গেছে, তারপর আমাদের নিকটস্থ ক্যাম্প থেকে যদি পেট্রোল পাঠায় তখনো কিছু সময় লাগে। এই সময়ের মধ্যে কোনো ঘটনা ঘটে যায় এটার দায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিতে পারে না। এমন একটি উদাহরণ দেখানো যাবে না যে সেনাবাহিনীকে অনুরোধ করা হয়েছে সেনাবাহিনী সেখানে যায়নি বা সেনাবাহিনীর সামনে মব হয়েছে সেনাবাহিনী যায়নি। এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দিনে দিনে অবনতির দিকে যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহে নৃশংসভাবে কয়েকটি হত্যাকাণ্ড ও বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর বাসায় হামলা করা হয়েছে। যারা মব সৃষ্টি করে আইন হাতে তুলে নিচ্ছে তাদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ধৈর্যের ও পরিশ্রমের সঙ্গে সরকার ও দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী। আইনশৃঙ্খলা উন্নতি কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা সেনাবাহিনীর একমাত্র কাজ নয়। সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারের মাধ্যমে গ্রেফতার/আটক এবং হস্তান্তর করা যায়। কোনো জুডিশিয়ারি কিংবা আইনি প্রক্রিয়ায় সেনাবাহিনী কাউকে সাজা দিতে পারে না। সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সমন্বিতভাবে একত্রে কাজ করতে হবে। অলরেডি সবাই কাজ শুরু করেছে।
অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সেনাবাহিনীর সমন্বয়ের অভাব আছে কি না জানতে চাইলে কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, একটা ঘটনা কিংবা মবের সৃষ্টি হলো সেখানে ইমিডিয়েটলি একটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গিয়েছে এবং তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। পরবর্তীতে সেখানে সেনাবাহিনীকে রিকোয়েস্ট করার বিষয়টি যদি বিলম্ব হয় কিংবা আমাদেরকে পরে সংবাদ জানানো হয় তাহলে সেনাবাহিনী সেখানে পৌঁছাতে পৌঁছাতে খারাপ ঘটনার উদ্ভব হয়ে যেতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে একটা জায়গায় ঘটনা ঘটেছে কেউ জানে না, এমনকি পুলিশও জানে না। আমরা চেষ্টা করছি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করার জন্য।
রাজবাড়ীতে নুরুল হক ওরফে ‘নুরা পাগলার’ মরদেহ তুলে নিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া ও দরবারে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, রাজবাড়ীর ঘটনা অনেক পরে সেনাবাহিনী জানতে পারে। যখনই জানতে পেরেছে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাবাহিনী মোতায়েনের পর রাত ১১টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরকে গ্রেফতারে পুলিশ ও সেনাবাহিনী তৎপর।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ সাতজনকে আসামি করে নিজের গুমের অভিযোগ জমা দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
আজ মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালে এ অভিযোগ জমা দেন তিনি।
অভিযোগ জমা দিয়ে সালাহউদ্দিন জানান, মামলা করার জন্য আমার আরো আগে আসার কথা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন ধরনের ব্যস্ততা এবং তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করতে দেরি হয়েছে। এ কারণে যে কাজটা আমি বেশ কয়েক মাস আগে করতে পারতাম, সেটা দেরি হয়ে গেল।
তিনি আরো বলেন, আমি প্রাথমিকবাবে সাতজনকে আসামি করেছি। এর মধ্যে শেখ হাসিনা এবং তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ র্যাব পুলিশের কর্মকর্তারা রয়েছেন। তবে আরো অনেক আসামি রয়েছে যারা বিভিন্ন তদন্তের মাধ্যমে বের হবে যেগুলো আমার পক্ষে এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এ সময় শেখ হাসিনাসহ গুম-খুনে জড়িত সকলের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানায় বিএনপির এই নেতা।
এর আগে, গত ১৫ অক্টোবর গুমসংক্রান্ত কমিশনেও নিজের গুমের অভিযোগ জমা দেন সালাহউদ্দিন আহমেদ।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, গুমের ঘটনায় এখন পর্যন্ত যারা গ্রেপ্তার হয়েছেন তাদের সাজা এবং যারা পালিয়ে গেছেন তাদের কমিশনকে খুঁজে বের করতে হবে। এই সরকারের দায়িত্ব সবাইকে আইনের আওতায় আনা।
২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাজধানীর উত্তরা থেকে সালাহউদ্দিন নিখোঁজ হন। প্রায় দুই মাস পর ১১ মে ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে স্থানীয় পুলিশ তার সন্ধান পায়।
এরপর সালাহউদ্দিনকে আটক করা হয়। পরে বৈধ নথিপত্র ছাড়া ভারতে প্রবেশের অভিযোগে দেশটির ফরেনার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী মামলা করে মেঘালয় পুলিশ। সেই মামলায় নিম্ন আদালতের রায়ে ২০১৮ সালে সালাহউদ্দিন খালাস পান।
ভারত সরকার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে তাকে সেখানেই থাকতে হয়।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে এক লাখ সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনা সদর। প্রথমবারের মতো এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কিত বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মনজুরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
নির্বাচনে এক লাখ সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, এর আগের নির্বাচনে কত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল, আগের চেয়ে বাড়তি সদস্য মোতায়েন করা হলো কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার সদস্য মোতায়েন করেছি।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এবার এক লাখ সদস্য কেন মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যান্য নির্বাচন থেকে এবারের নির্বাচনে আমাদের সদস্য মোতায়েনের পার্থক্য হচ্ছে, এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আগের নির্বাচনগুলোতে এই অনুমতি ছিল না। আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী জায়গায় অবস্থান করেছি।
তিনি বলেন, এবার সাধারণ ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেন, সেটা মাথায় রেখে সেনাবাহিনী প্রধান ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সেনা সদস্যদের রেখে বাকি সব সেনা সদস্যকে নিয়োগ করেছেন সুষ্ঠু ইলেকশন করার জন্য।
তিনি আরো বলেন, যে কারণে আমরা চেষ্টা করছি, আমাদের যে প্রয়োজনীয় যানবাহন অপ্রতুল, আমরা অসামরিক প্রশাসনের কাছে সাহায্য চেয়েছি যেন তারা রিকুইজিশন করে আমাদের গাড়ি দেয়। সেটাও যখন দিতে পারছে না তখন আমরা গাড়ি হায়ার করে হলেও সেনা সদস্যরা যাতে টহল দিতে পারে সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেনা সদস্যরা প্রস্তুত এটার জন্য, অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন দিনরাত টহল পরিচালনা করছেন, মাত্র ভোটারদের আস্থার জায়গাটা ফিরিয়ে আনার জন্য। এটা জোরদার করা হয়েছে গত ২০ জানুয়ারি থেকে।
মন্তব্য করুন