

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চীন বর্তমানে জনসংখ্যা গত ৬০ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো কমে গিয়েছিল। এই সময় দেশটিতে প্রতি এক হাজার জনে মাত্র ৬ দশমিক ৭৭ জন সন্তান জন্ম দিতেন, যা ১৯৪৯ সালে কমিউনিস্ট চীন প্রতিষ্ঠার পর থেকে সর্বনিম্ন জন্মহার। দেশটি এখন ভারত থেকে এক ধাপ পিছিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল দেশ।
২০১৫ সালে বেইজিং তার কয়েক দশক ধরে চলা ‘এক সন্তান’ নীতি বাতিল করে প্রাথমিকভাবে বিবাহিত দম্পতিদের দুই সন্তান নেওয়ার অনুমতি দেয়। কিন্তু ২০১৬ সালে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি হওয়ার পর দেশটির জাতীয় জন্মহার হ্রাস অব্যাহত আছে। বিষয়টি নীতিনির্ধারকদের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চায়না সিকিউরিটিজ জার্নালসহ দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইজিংয়ের কৃষিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বেইজিং ডাবেইনং টেকনোলজি গত বছর বলেছিল, কোনো কর্মীর তৃতীয় সন্তানের জন্ম হলে তারা ওই কর্মীদের ১২ হাজার ৩৯১ মার্কিন ডলার নগদ বোনাস দেবে। আর প্রথম বা দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিলে যথাক্রমে ৪ হাজার ১৩০ ও ৮ হাজার ২৬০ ডলার বোনাস দেওয়া হবে।
আরবান স্যানিটেশন পরিষেবা সংস্থা কিয়াওইন সিটি ম্যানেজমেন্ট গত মাসে ঘোষণা দিয়েছে, তৃতীয় সন্তানের জন্ম দেওয়া কর্মীদের সংস্থাটি ১৩ হাজার ৭৫৯ মার্কিন ডলার বোনাস দেবে। সংস্থাটি বলছে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল তরুণ কর্মীদের পরিবারের ওপর আর্থিক বোঝা কমানো এবং সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করতে সরকারের আহ্বানে সাড়া দেওয়া।
জুনের শুরুর দিকে চীনের সিভিল অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য বলছে, ২০২২ সালে প্রায় ৬ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন দম্পতি বিয়ে করেছেন, যা ২০২১ সালে নিবন্ধিত ৭ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন বিয়ের চেয়ে প্রায় ১০ দশমিক ৫ শতাংশ কম। ১৯৮৬ সালে এই মন্ত্রণালয় তথ্য প্রকাশ করা শুরুর পর থেকে এটি সর্বনিম্ন রেকর্ড।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির মধ্যে অন্যতম চীনের ট্রিপ ডটকম। প্রতিষ্ঠানটি তাদের ৩২ হাজার কর্মীকে সন্তান জন্মদানে উৎসাহ দিতে ১৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার বোনাস দিচ্ছে। অন্তত তিন বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে চাকরি করা কর্মীরা প্রতিবছর প্রতিটি নবজাতকের জন্য ১ হাজার ৩৭৬ মার্কিন ডলার করে বোনাস পাবেন। সন্তানের প্রথম জন্মদিন থেকে পাঁচ বছর বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত এই বোনাস পাবেন কর্মীরা। আজ শনিবার থেকে এই নীতি কার্যকর হবে।
সূত্র: সিএনএন
মন্তব্য করুন


ভালোবাসার লাল রঙের মাঝে বিশাল এক জায়গা জুড়ে থাকে বেদনার নীল রং।
শরীরে কোথাও আঘাত লাগলে যন্ত্রণায় প্রথমে জায়গাটার রং তীব্র নীল রঙ ই হয় যদিওবা পরে কালচে হয়ে যায়।যন্ত্রণার তীব্রতায় এই নীল রং ধারণ করার জন্যই বুঝি বা বলা হয় - বেদনার রং নীল।
আমেরিকার নাগরিকদের কাছে আজকের দিনটি (১০ নভেম্বর) একটি বিশেষ দিন। প্রিয়জন বা কাছের মানুষকে ভুলে না যাওয়ার দিন। তারা দিনটির নাম রেখেছে, ‘ফরগেট মি নট ডে' বা ‘ভুলে না যাওয়ার দিন'। এদিন হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মানুষকে স্মরণ করা হয় সেই ছোট্ট নীল ফুল দিয়ে।
পশ্চিমা দেশে পথের ধারে ফুটে থাকা নীল রঙা ছোট্ট ঘাসফুল ‘মায়োসটিস’ তাই বেদনার প্রতীক। মনোযাতনার অনুভূতির সমার্থক হয়ে ওঠা এই নীল ফুলটির আরেক নাম ‘ফরগেট মি নট’ বা ‘ভুলো না আমায়' ।
১৯২১ সালের কথা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেওয়া বীর যোদ্ধাদের স্মরণে শুরু হয় দিনটির উদযাপন, যার গোড়াপত্তন হয়েছিল বিচারক রবার্ট এস. মার্কসের হাত ধরে যিনি নিজেও ছিলেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের একজন বীর যোদ্ধা। যুদ্ধে যারা প্রাণ দিয়েছেন, হারিয়েছেন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, তাদের স্মরণে এ দিন ছুটি ঘোষণা করা হয়।
আর যুক্তরাষ্ট্রে তখন থেকেই শুরু হয় ফর গেট মি নট ডে উদযাপন।
রবার্ট এস. মার্কস যুদ্ধাহত বীরদের জন্য অর্থ সংগ্রহের কথাটাও ভাবলেন বিচারক । সিদ্ধান্ত নিলেন সেই নীল রঙা ঘাসফুল বা ‘ফরগেট মি নট' ফুল বিক্রি করে অর্থাভাবে থাকা প্রবীণ যোদ্ধাদের পাশে দাঁড়াবেন। এরই ধারাবাহিকতায়, ১৯৪৯ সালে ফরগেট মি নট ফুলটিকে রাজ্য ফুল এর স্বীকৃতি দেয় যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা।
দেশ ভেদে দিনটি উদযাপনের তারিখ ও উদ্দেশ্যের ভিন্নতা আছে। নিউজিল্যান্ডে আলঝেইমারে আক্রান্ত হয়ে যারা মারা গেছেন তাদের স্মরণ করা হয় দিনটিতে। আলঝেইমার নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে ২০০৩ সাল থেকে বছরের ৫ ও ৬ জুনকে ফর গেট মি নট ডে হিসেবে পালন করে দেশটি।
ভুল বোঝাবুঝি থেকে দূরে সরে যাওয়া কিংবা ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক জোড়া দিতেও দিনটিকে বেছে নেন অনেকে। তবে যে ঘটনাকে সামনে রেখেই দিনটি উদযাপন করেন না কেন, নীল রঙা ফুলের কথা কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না!
কারণ, সম্পর্কে মান-অভিমান থাকে। ভালবাসায় ভুল বোঝাবুঝি আসতেই পারে কিন্তু তাই বলে কি দূরে সরে যাওয়া যায়?
নীল রংয়ের এই ঘাসফুলের তোড়া দিয়ে সে মানুষটাকে তখন বলে দেয়াই যায় - বেদনার তীব্রতা টুকু নিয়েও সে মানুষটা আপনাকে স্মরণ করছে প্রতি মুহূ্র্তে । সে আছে যে কখনো আপনাকে ভুলে যাবে না। আপনাকে প্রতি মুহুর্তে ভেবে যায়।
সে চায় যেন আপনিও তাকে কখনো ভুলে না যান ।
মন্তব্য করুন


আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নিয়োগের
কথা জানিয়েছে জাপানি কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯
মে) টোকিওতে বাংলাদেশ সেমিনার অন হিউম্যান রিসোর্সেস’
শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন,
জাপানে বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রয়োজনীয় সব কিছু করবে।
এটা আমার জন্য সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও প্রেরণার দিন। এটি শুধু
কাজ করার জন্য নয়, বরং জাপানকে জানারও দ্বার উন্মোচন করবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য।
সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা দুটি সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী হন।
প্রথমটি বাংলাদেশের ব্যুরো অব ম্যানপাওয়ার এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং (বিএমইটি)
ও কাইকম ড্রিম স্ট্রিট (কেডিএস)-এর মধ্যে, যার একটি জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগ;
দ্বিতীয়টি বিএমইটি ও জাপানের ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট
কম্বাইন্ড কোঅপারেটিভস (জাপানে ৬৫টির বেশি কোম্পানির একটি ফেডারেশন) এবং জেবিবিআরএ
(জাপান বাংলা ব্রিজ রিক্রুটিং এজেন্সি)-র মধ্যে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এই অনুষ্ঠানটি একটি দ্বার উন্মোচনের প্রতীক।
তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ ১৮ কোটি মানুষের দেশ,
যার অর্ধেকই ২৭ বছরের নিচে।
তিনি বলেন, ‘সরকারের কাজ হলো তাদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া।
শিজুওকার কর্মপরিবেশ উন্নয়ন সমবায়ের তত্ত্বাবধায়ক সংস্থার
প্রতিনিধি পরিচালক মিতসুরু মাতসুশিতা বলেন, ‘অনেক জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশিদের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছে
এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশি মেধাবীদের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের প্রতিভা
লালন করা আমাদের দায়িত্ব।
এনবিসিসি চেয়ারম্যান মিকিও কেসাগায়ামা স্মরণ করেন যে প্রায়
১৪ বছর আগে অধ্যাপক ইউনূস জাপানে এসেছিলেন এবং ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নারীদের
সহায়তার গল্প বলেছিলেন।
তিনি বলেন, আমাদের ফেডারেশন তরুণ ও দক্ষ শ্রমিকের জন্য বাংলাদেশকে একটি
সম্ভাবনাময় উৎস হিসেবে দেখছে। তারা উভয় দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে আমরা এক লাখ বাংলাদেশি শ্রমিককে স্বাগত
জানাতে প্রস্তুত।
ওয়াতামি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মিকি ওয়াতানাবে জানান,
বাংলাদেশে তাদের প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুল প্রতিবছর ১৫০০
শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেয়, এবং তারা এই সংখ্যা ৩০০০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা গ্রহণকারীরা জাপানের চাকরির
বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনি অ্যান্ড স্কিল্ড ওয়ার্কার
কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (জেইটিসিও) চেয়ারম্যান হিরোআকি ইয়াগি জাপানের শ্রমবাজারে
বাংলাদেশিদের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনও ভাষা শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে।
জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের (এমএইচএলডব্লিউ) প্রতিমন্ত্রী
নিকি হিরোবুমি বলেন, জাপানে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে এবং সে কারণে বাংলাদেশি শ্রমিকদের সহায়তা
প্রয়োজন হবে।
তিনি বলেন, এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, জাপানের জন্যও একটি আশাব্যঞ্জক দিক হতে পারে।’
স্বাগত বক্তব্যে জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী
বলেন,
২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে শ্রমিক সংকট এক কোটি ১০ লাখ
পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আরও দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে পারে।
মন্তব্য করুন


১৯৪৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর। আমেরিকায় বসবাসকারী লয়েড ওলসেন এবং ক্লারা ওলসেন, এই দম্পতির, মাইক নামের একটি মুরগি পালন করতেন।
খাওয়ার জন্য তাদের পালিত মুরগিটি জ’বাই করেছিলেন। মুরগির মাথা কেটে ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্ত মুরগির মাথা কেটে ফেলার পর সেটি মারা না গিয়ে দৌড়োতে শুরু করে।
মুরগিটিকে ধরে তিনি একটি বাক্সে রেখে দেন। তিনি মনে করেছিলেন হয়ত মুরগিটি জবাই হয়ে গেছে ।
কিন্তু তিনি যখন পরে মুরগিটিকে দেখতে আসেন, তখন দেখলেন মাইক তার কাটা মাথাটি পাখার নিচে নিয়ে দিব্যি ঘুমিয়ে আছে। তিনি অবাক হলেন, এরকম অদ্ভুত কান্ড দেখে লয়েড সিদ্ধান্ত নিলেন, তিনি মুরগিটিকে বাচাবেন।
লয়েডের মাথায় প্রথমেই বুদ্ধি এলো মাইকের খাওয়ার ব্যবস্থা করা। মুরগিটিকে খাবার খাওয়াতে তিনি একটি চোখের ড্রপারকেই বেছে নিলেন।
ঘটনাটি ঘটার পর চারিদিকে খুব হইছই পড়ে যায় এবং আমেরিকার বিভিন্ন শহরে তিনি এই মুরগিটিকে নিয়ে প্রদর্শনী করতেও শুরু করেন।
আসলে লয়েড যখন মাইকের মাথায় কোপ মারেন, তখন তার একটা কান বেঁচে যায় ও চোখ, ঠোঁটসহ গোটা মাথাটাই কেটে ফেলেন । কিন্তু মুরগিদের মাথার পিছনেই থাকে মস্তিষ্কের মূল অংশটা। মাইকের ক্ষেত্রে আশ্চর্যজনকভাবে বেঁচে যায় তার মস্তিষ্কের ৮০ শতাংশ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের নাগরিকরা যেন কোনো বাধা বা হুমকি ছাড়াই অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন সেই প্রক্রিয়া তৈরি করার ওপর জোর দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রতিষ্ঠাতা ক্লাউস শোয়াবের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ডব্লিউইএফ-এর বার্ষিক সম্মেলনের ফাঁকে ক্লাউস শোয়াব অধ্যাপক ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, গত বছর জুলাই মাসে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে বৈষম্য নিরসনের দাবি নিয়ে রাজপথে নেমেছিল।
তিনি উল্লেখ করেন, আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীরা ঢাকার দেয়ালগুলোতে গ্রাফিতি এঁকে তাদের আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্ন প্রকাশ করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গত ১৬ বছরে বাংলাদেশে যারা নতুন ভোটার হয়েছেন, তাদের ভোট দেওয়ার সুযোগই হয়নি, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার এজেন্ডা তুলে ধরে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ৮৪ বছর বয়সী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, দেশের মানুষ কোন ধরনের নির্বাচন চায়, সেটি না জেনে সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে না। সরকার নির্বাচন আয়োজনের অপেক্ষায় রয়েছে, তবে এখন দেশের জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে প্রক্রিয়াটি কেমন হবে। তারা কি ছোট পরিসরের সংস্কার কর্মসূচিতে যাবে, নাকি দীর্ঘ মেয়াদী সংস্কার চাইবে। যদি মানুষ দ্রুত সংস্কার চায়, তাহলে আমরা এ বছরের শেষ নাগাদ নির্বাচন করার লক্ষ্য নিয়েছি। আর যদি বলে, না- আমাদের দীর্ঘ মেয়াদী সংস্কার দরকার, তাহলে আমাদের আরও ছয় মাস সময় লাগবে।
বর্তমান প্রজন্মকে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রজন্ম আখ্যায়িত করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এই প্রজন্মের অমিত সম্ভাবনা রয়েছে। প্রযুক্তি বর্তমান প্রজন্মকে বদলে দেওয়ার কারণে তারা এখন শুধু বাংলাদেশি আর তরুণ নয় বরং সারাবিশ্বের তরুণ প্রজন্মের অংশ হয়ে গেছে। এই প্রজন্ম পুরনো বাংলাদেশে ফিরে যেতে চায় না, তাই একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে। তরুণদের কাজের প্রতিটি অংশে ঐকমত্য গড়ে তোলার জন্য একটি ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হচ্ছে। সকল রাজনৈতিক দল এবং সুশীল সমাজের সংগঠনের ঐকমত্যের ভিত্তিতে ‘জুলাই সনদ’ প্রস্তুত করা হবে। তাঁর সরকার বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে। ইতোমধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গতি ফিরে এসেছে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের বক্তব্যে মুগ্ধ হন ক্লাউস শোয়াব এবং আধাঘণ্টার আলাপচারিতায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


নুসরাত ফারিয়া দুই বাংলার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা। সম্প্রতি
‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমায় আইটেম গানে নেচেছেন ফারিয়া। এর রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ‘খেলা হবে’
শিরেনামের গান নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছেন নুসরাত ফারিয়া।
ভারতীয় বাংলা সিনেমার পরিচালক রাজ চক্রবর্তী নির্মাণ
করছেন ওয়েব সিরিজ ‘আবার প্রলয়’। এতে আইটেম গানে নেচেছেন নুসরাত।
৪ আগস্ট শুক্রবার গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে
প্রকাশ করেন রাজ চক্রবর্তী। সেখানে দেখা যায় লাল ঘাগরায় মেনকা সেজে ঠুমকা লাগিয়েছেন
এই অভিনেত্রী। তার সঙ্গে তাল মিলিয়েছেন গৌরব চক্রবর্তী।
এ সিরিজে
গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌরব চক্রবর্তী, কৌশানি মুখোপাধ্যায়,
সোহিনী সেনগুপ্ত, জুন মালিয়া। ধর্মগুরু হিসেবে দেখা যাচ্ছে ঋত্বিক চক্রবর্তীকে।
১১
আগস্ট শুক্রবার থেকে ওটিটি (ওভার দ্য টপ) প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে নতুন সিরিজটি।
মন্তব্য করুন


কোন
জায়গা থেকে স্বর্ণমুদ্রাগুলো উদ্ধার
করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তি
এগুলোর সন্ধান পেয়েছেন, তার পরিচয় এখনও প্রকাশ
করা হয়নি।
ওই খামারের কর্তৃপক্ষ এবং স্বর্ণমুদ্রাগুলো বিক্রির
দায়িত্ব পাওয়া কোম্পানি সূত্র জানিয়েছে, স্বর্ণমুদ্রার এই মজুতকে ‘গ্রেট
কেন্টাকি হোর্ড’ নামে ডাকা হচ্ছে।
কয়েক
মাস আগে ওই ব্যক্তি
ভুট্টাখেতে স্বর্ণমুদ্রাগুলোর সন্ধান পাওয়ার পর বিরল মুদ্রা
সংগ্রহকারী জেফ গ্যারেটের সঙ্গে
যোগাযোগ করেন।
সন্ধান পাওয়া স্বর্ণমুদ্রাগুলো পরীক্ষা করে এরই মধ্যে
প্রত্যয়নপত্র দিয়েছে নুমিসম্যাটিক গ্যারান্টি কোম্পানি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন
মুদ্রা পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ করে
থাকে।
জানা
গেছে, স্বর্ণমুদ্রাগুলো আমেরিকার গৃহযুদ্ধের (১৮৬১-১৮৬৫) সময়কার।
উদ্ধার হওয়া এসব স্বর্ণমুদ্রা
এখন বিক্রির জন্য তোলা হবে।
ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো
লাখ লাখ ডলার মূল্যে
বিক্রি হবে।
উদ্ধার স্বর্ণমুদ্রাগুলো বিক্রির দায়িত্ব পেয়েছে গভমিন্ট ডটকম। ওই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত
এক ভিডিওতে দেখা গেছে, এক
ব্যক্তি মাটি খুঁড়ে স্বর্ণমুদ্রাগুলো
বের করছেন।
এর মধ্যে আছে
১ ডলার গোল্ড ইন্ডিয়ানস,
১০ ডলার গোল্ড লিবার্টিস
ও ২০ ডলার গোল্ড
লিবার্টিস। এর মধ্যে ১৮টি
অত্যন্ত বিরল ধরনের ২০
ডলার গোল্ড লিবার্টিস আছে। এগুলো ১৮৬৩
সালে ফিলাডেলফিয়াতে তৈরি করা।
সূত্র: ফক্স১৯
মন্তব্য করুন


পৃথিবীর দ্বিতীয় জনবহুল দেশ চীনের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিয়ের প্রতি অনাগ্রহ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। তাদের এমন অনাগ্রহের কারণে দেশটির জনসংখ্যাও কমছে আশঙ্কাজনক হারে। তরুণ বয়সেই বিয়ের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে চীনের সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
চীনের পূর্বাঞ্চলের চ্যাংসান কাউন্টি ঘোষণা দিয়েছে, যদি কোনো তরুণ-তরুণী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং ওই নববধূর বয়স ২৫ বছর বা তার কম হয় তাহলে নতুন দম্পতিকে নগদ ১ হাজার ইউয়ান পুরস্কার দেওয়া হবে।
চ্যাংসান কাউন্টির অফিসিয়াল উইচ্যাট অ্যাকাউন্টে এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘উপযুক্ত বয়সে বিয়ে’ এবং ‘গর্ভধারনের’ জন্য এই পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া যেসব দম্পতির সন্তান রয়েছে তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বিশেষ সুযোগ-সুবিধাও রেখেছে তারা।
২০২২ সালে গত ৬০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো চীনের জনসংখ্যা কমে যেতে দেখা যায়। জন্মহার খুবই কম হওয়ায় দেশটিতে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে গেছে; অপরদিকে বেড়ে গেছে বয়স্কদের সংখ্যা। এ বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে চীন। জন্মহার বাড়াতে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দেয়।
চীনের আইন অনুসারে দেশটিতে ছেলেদের বিয়ের বৈধ বয়স হলো ২২। মেয়েদের বিয়ের বৈধ বয়স হলো ২০। এ বয়সী তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিয়ের কোনো চিন্তাভাবনাই দেখা যায় না। আর এ বিষয়টি জন্মহারে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে।
২০২২ সালে চীনে মাত্র ৬০ লাখ ৮০ হাজার বিয়ে হয়। যা ১৯৮৬ সালের পর সর্বনিম্ন। ২০২১ সালে যে সংখ্যক বিয়ে হয়েছিল ২০২২ সালে সে তুলনায় ৮ লাখ কম বিয়ে হয়েছিল।
সন্তান লালন-পালনের ব্যয় ও নানান কারণে দেশটির অনেক নারী বিয়ের পরও সন্তান নিতে চান না।
সূত্র: রয়টার্স
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আগামী শুক্রবার কক্সবাজারে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার করবেন।
আজ বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানিয়ে বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সৌজন্যে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে এই ইফতার পার্টির আয়োজন করা হবে।
চার দিনের সফরে আগামীকাল বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশ আসবেন।
মন্তব্য করুন


আজ রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। ‘বহুভাষায় শিক্ষার প্রসার: পারস্পরিক বোঝাপড়া ও শান্তির জন্য সাক্ষরতা’এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পালিত হচ্ছে এ বছরের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস।
দিবসটি উপলক্ষে এক বাণীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিরক্ষরতামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আনুষ্ঠানিক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘শিক্ষা মানুষের অন্যতম মৌলিক অধিকার। জাতি গঠনের প্রধান হাতিয়ার।’
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদ্যাপনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশের জনগণকে শিক্ষা ও সাক্ষরতার বিষয়ে সচেতন ও উৎসাহী করে তোলা এবং তাদের মানবসম্পদে রূপান্তর করা। মাতৃভাষায় সাক্ষরতা অর্জনের পাশাপাশি এক বা একাধিক ভাষা শেখার সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে শিশু, কিশোর ও তরুণদের যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে হবে। ব্যক্তিগত জীবনমান, জাতীয় উন্নয়ন ও শান্তি ত্বরান্বিত করতে আমাদের যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে হবে। এ বছরের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের প্রতিপাদ্য সেই লক্ষ্যই তুলে ধরছে। শিক্ষা জাতি গঠনের প্রধান বাহন এবং শিক্ষার প্রথম ধাপ হলো সাক্ষরতা।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আন্তর্জাসাক্ষরতার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর গৃহীত কর্মসূচি বাস্তবায়নে সর্বদা সচেষ্ট থাকতে বলেন।তিক সাক্ষরতা দিবসে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে
এবারের সাক্ষরতা দিবসে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমি জেনে আনন্দিত যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৪ উদ্যাপন করছে।
বিশ্বব্যাপী ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস (আইএলডি) উদ্যাপন করা হচ্ছে ১৯৬৭ সাল থেকে।
মন্তব্য করুন


সেনেগালের
প্রেসিডেন্ট বাসিরু দিওমায়ে ফায়ে কয়েক মাসের রাজনৈতিক উত্তেজনার পর প্রধানমন্ত্রী
ওসমান সোনকোকে বরখাস্ত করেছেন এবং সরকার ভেঙে দিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সোনকোর পশ্চিমা
দেশগুলোর প্রতি সমকামিতা নিয়ে তীব্র সমালোচনার মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে, এক আকস্মিক
অধ্যাদেশের মাধ্যমে এ খবর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানানো হয়। পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটি
ইতোমধ্যে ব্যাপক ঋণের বোঝার মধ্যে থাকায় ঘটনাটি রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়িয়েছে।
সোনকো
সম্প্রতি পশ্চিমা বিশ্বের তীব্র সমালোচনার জবাবে বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো অন্য দেশের
ওপর সমকামিতার 'চাপ' তৈরি করার চেষ্টা করছে। সমকামিতার অপরাধের জন্য শাস্তি কঠোর করার
একটি নতুন আইন সেনেগালে পাশ হওয়ায়, সোনকো এই মন্তব্য করেন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে
বরখাস্ত করা হয়।
তিনি
ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের সমালোচনার কথা উল্লেখ করে বলেন, 'যদি তারা এই পথ বেছে নেয়,
সেটা তাদের সমস্যা। এ বিষয়ে আমাদের শিক্ষার প্রয়োজন নেই।'
প্রেসিডেন্ট
কার্যালয়ের কর্মকর্তা ওমর সাম্বা অধ্যাদেশটি পড়ে শোনান এবং জানান, প্রেসিডেন্ট ফায়ে
সোনকোকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন, যার ফলে সরকারের অন্যান্য মন্ত্রীরাও পদত্যাগ
করেছেন। তবে নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
বরখাস্ত
হওয়ার পর সোনকো সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, 'আলহামদুলিল্লাহ। আজ রাতে আমি কুয়ের গরগুইয়ে
শান্তিতে ঘুমাব।' কুয়ের গরগুই সোনকোর নিজ এলাকা, যা ডাকারের মধ্যে অবস্থিত। এ সময়
তার শত শত সমর্থক তার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন।
প্রেসিডেন্ট
ফায়ে মূলত সোনকোর সমর্থনের ওপর ভর করে ক্ষমতায় এসেছিলেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে সোনকোই
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সবচেয়ে সম্ভাবনাশীল ব্যক্তি ছিলেন, তবে মানহানির মামলায় দোষী
সাব্যস্ত হওয়ায় নির্বাচনে দাঁড়াতে পারেননি। সোনকো এবং ফায়ে একসময় পাস্তেফ পার্টি গঠন
করেছিলেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে দুর্নীতি রোধ এবং অর্থনীতি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে
প্রথম ধাপের ভোটেই তারা জয়লাভ করেন।
সেনেগালের
তরুণদের মধ্যে সোনকো ব্যাপক জনপ্রিয়, বিশেষ করে তাঁর প্যান-আফ্রিকান মনোভাব এবং সাবেক
ঔপনিবেশিক ফ্রান্সের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তরুণদের আকৃষ্ট করে। তবে সব ক্ষমতা প্রেসিডেন্ট
ফায়ের হাতে থাকায়, তিনি চাইলে অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে সরাতে পারেন।
সাম্প্রতিক
মাসগুলোতে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী দুইজনের সম্পর্ক তিক্ত হয়ে উঠেছে। গত মে মাসে
এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ফায়ে প্রকাশ্যভাবে সোনকোর একক আধিপত্যের সমালোচনা করেন। সরকার
ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নতুন প্রশাসন বিশাল ঋণের বোঝার মধ্যে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক
মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য অনুযায়ী, সেনেগালের ঋণের পরিমাণ মোট জিডিপির ১৩২ শতাংশে
পৌঁছেছে, যা সাব-সাহারা আফ্রিকার মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
সম্প্রতি
পার্লামেন্টে পাশ হওয়া একটি নতুন বিলের মাধ্যমে ২০২৯ সালের নির্বাচনে সোনকো অংশগ্রহণ
করতে পারবে। এই আইনি সংস্কার পূর্বের নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়েছে, যা মানহানির মামলায় দণ্ডিত
ব্যক্তিদের নির্বাচনে দাঁড়াতে বাধা দিত।
মন্তব্য করুন