

অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টির ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি ঝোঁক ছিল। অভিনয়কে
ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নেওয়ার পর ইচ্ছে ছিল সিনেমায় কাজ করার। কিন্তু বিরূপ
অভিজ্ঞতার কারণে পরবর্তীতে তা আর করা হয়ে ওঠেনি।
ক্যারিয়ারের শুরুতে
সুযোগ পেয়ে যান আকরাম খানের ‘ঘাসফুল’ ছবিতে। এরপর বেশ কিছু সিনেমার প্রস্তাব পেলেও
নিয়মিত হননি বড় পর্দায়।
তানিয়া বৃষ্টি বলেন, সিনেমায়
অনেক প্রস্তাব পেলেও স্বপ্নটা এগিয়ে নিতে পারিনি। তখন মনে হয়েছে, ওই সময়টাতে ওই
জায়গা আমার জন্য নয়। যে কারণে প্রস্তাব গ্রহণ করিনি। আমার বড় পর্দার নায়িকা হওয়ার
খুব ইচ্ছা ছিল, কিন্তু সেসব প্রস্তাব নিতে পারছিলাম না। সেই কারণে আমার মন খারাপ
ছিল।
তার কথায়, আমি একটা
প্ল্যাটফর্ম থেকে আসছি, কাজ করব। সেই সুযোগ নাটকে সহজেই হয়ে যায়। কিন্তু সিনেমায়
একটু কঠিন। সিনেমার প্রস্তাবে শুনতে হয়েছে, কাজের বিপরীতে কিছু চায়। সবাই না, এই
কথাগুলো কেউ কেউ বলেছেন। তাদের প্রস্তাবে মন খারাপ হতো। হয়তো তারা যথাযথ
প্রতিষ্ঠানের ছিলেন না এবং উদ্দেশ্যও ভালো ছিল না।
আগামী বৃহস্পতিবার
বাংলাভিশনে প্রচারিত হবে ‘ফ্রিল্যান্স ধান্দাবাজ’ নামের একটি নাটক। এস আর
মজুমদারের পরিচালনায় এতে তার বিপরীতে দেখা যাবে নিলয় আলমগীরকে।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


‘টাইটানিক’
সিনেমায় নায়িকা কেট উইন্সলেট সমুদ্রে ভেসে ছিলেন বড় একটি কাঠের টুকরার সহায়তায়। এবার
সে কাঠের টুকরাটি নিলামে বিক্রি হয়েছে ৭ লাখ ১৮ হাজার ৭৫০ মার্কিন ডলারে।
যুক্তরাষ্ট্রের
টেক্সাসের ডালাসভিত্তিক নিলামকারী প্রতিষ্ঠান হেরিটেজ অকশন এ নিলামের আয়োজন করে। কাঠের
বড় এই টুকরোকে কেবল একটি দরজা বলা হলেও নিলামে এটিকে বাস্তবিকভাবে টাইটানিকের প্রথম
শ্রেণির লাউঞ্জের প্রবেশ দরজার ফ্রেমের একটি অংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছিলো।
সিনেমাটিতে
উইন্সলেটের পরা পোশাকটিও নিলামে ১ লাখ ২৫ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভারতীয় নায়িকাদের মধ্যে ‘ডিপ ফেক’ ভিডিও রীতিমতো আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। এসব ভিডিও প্রকাশের হার দিনদিন বেড়েই চলেছে। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতির অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে ডিপফেক।
কিছুদিন আগে দক্ষিণী সিনেমার নায়িকা রাশমিকা মান্দানার ডিপ ফেক ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। এরপর ক্যাটরিনা কাইফের ভিডিও প্রকাশিত হয়েছিল। তারকাদের ডিপ ফেক ভিডিও নিয়ে রীতিমতো হৈ চৈ পড়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
শুধু বলিউডেই নয় বরং সাধারণ মানুষেরা এর শিকার হচ্ছে। এবার বলিউড অভিনেত্রী কাজলের ডিপ ফেক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এ নিয়ে বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে রীতিমতো তোলপাড় চলছে।
বলিউড অভিনেত্রী কাজল পোশাক পরিবর্তন করছেন এ ভিডিও নিয়ে রীতিমতো আলোচনা-সমালোচানর ঝড় বইছে। আসলে ডিপ ফেক করেই এ ভিডিও বানানো হয়েছে। ভিডিও সব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ভাইরাল হয়েছে। এ ভিডিওটিতেও কাজলের মুখ মর্ফড করে বসানো হয়েছে, যেখানে একটু সময়ের মধ্যে ওই নারীর মুখ দেখা গেছে।
মন্তব্য করুন


পৌষ
মাসের শেষ দিন পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের সাকরাইন উৎসবে মেতে ওঠার দিন। এ উৎসবের মূল
আকর্ষণ ঘুড়ি উড়ানো।
রবিবার
(১৪ জানুয়ারি) পৌষের শেষ দিন। ঐতিহ্যের আলোয় পৌষের শেষদিনকে রঙিন করতে মাতোয়ারা পুরান
ঢাকাবাসী। তাই উৎসব ঘিরে পুরান ঢাকার অলিগলিতে চলছে ঘুড়ি বেচাকেনার উৎসব। শিশু, তরুণ,
বৃদ্ধরা কিনছেন ঘুড়ি, নাটাই, সুতা। চলছে সুতায় মাঞ্জা দেওয়ার কাজ। পুরান ঢাকায় চলছে
ঘুড়ি বেচাকেনার ধুম। দোকানে দোকানে হরেক রকমের ঘুড়ি সাজিয়ে রাখা হয়েছে। রঙ-বেরঙের ঘুড়ি
আর নাটাই-সুতা সারি সারি করে সাজিয়ে রেখেছেন দোকানিরা। বাজারে বিভিন্ন নামের ঘুড়ি পাওয়া
যাচ্ছে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম- চোখদার, চশমাদার, কাউটাদার, লাভবার্ড, পঙ্খিরাজ, প্রজাপতি,
চক্ষুদার, ঈগল, সাদাঘুড়ি, চার বোয়া, দুই বোয়া, টেক্কা, লাভঘুড়ি, তিন টেক্কা, মালাদার,
দাবা ঘুড়ি, বাদুড়, চিল, অ্যাংগ্রি বার্ডস হরেক রঙের ঘুড়ি। এসব নাটাই মিলবে ৫০০ থেকে
তিন হাজার টাকার মধ্যে। সেসব সুতার মধ্যে রক সুতা, ডাবল ড্রাগন, কিংকোবরা, ক্লাক ডেবিল,
ব্লাক গান, ডাবল গান, সম্রাট, ডাবল ব্লেট, মানজা, বর্ধমান, লালগান ও টাইগার অন্যতম।
জানা
যায়, রবিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে ঐতিহ্যবাহী উৎসব সাকরাইন শুরু হয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা
পর্যন্ত ঘুড়ি ওড়ানোর পাশাপাশি বাড়িতে বাড়িতে চলবে পিঠাপুলির উৎসব।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
সোমবার (১৫ মে) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চিত্রনায়ক ফারুকের ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, চিত্রনায়ক ও সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন পাঠান দুলু ওরফে ফারুকের প্রথম নামাজে জানাজা সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ আসবে। পরে সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
উল্লেখ্য, চিত্রনায়ক ফারুক সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন। মঙ্গলবার (১৬ মে) সকালে তার মরদেহ দেশে আনা হবে।
মন্তব্য করুন


আজ
(২৫ আগস্ট) ‘হাবু’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা মাহবুবুর রহমান চাষীর বিয়ে।
জানা
গেছে, আজ রাতে রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে।
গতকাল (২৪ আগস্ট) তার
গায়েহলুদের অনুষ্ঠান হয়েছে। জানা গেছে, কনের নাম তুলতুল। তুলতুল ঢাকারই মেয়ে। কনে
স্নাতক সম্পন্ন করছেন।
বিয়ে
সম্পর্কে চাষী আলম বলেন, আমাদের বিয়ে হচ্ছে পারিবারিকভাবেই। গতকাল আমাদের গ্রামের
বাড়িতে গায়েহলুদের অনুষ্ঠান হয়েছে। এখনই বিয়ের কোনো পরিকল্পনা ছিল না। বেশ কিছুদিন
আগে আমি মেয়ে দেখেছিলাম। আমার এবং আমার পরিবারের সবার পছন্দ ছিল মেয়ে।এর মধ্যে
আমার চাচি, মা ও বড় বোন মিলে বিয়ের দিন ঠিক করে ফেলেছেন। তাদের কথা, দেরি হলে নাকি
আমি আর বিয়ে করব না। কী আর করা।
ব্যাচেলর
পয়েন্ট নাটকের অভিনয়ের মাধ্যমে চাষী আলম জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। এতে তার অভিনীত
চরিত্রের নাম ছিল ‘হাবু’। এই চরিত্রটি এতোটাই দর্শকপ্রিয়তা লাভ করেছে যে, এখন চাষী
আলমকে সবাই ‘হাবু’ নামেই ডাকতে পছন্দ করে।
মন্তব্য করুন


প্রেমিকার মন গলাতে হাঁটু গেড়ে প্রেমিকের ২১ ঘণ্টা পার। ঘটনাটি চীনের সিচুয়ান প্রদেশের তাঝৌ এলাকার।
কয়েকদিন আগে প্রেমিকার সঙ্গে ওই ব্যক্তির বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর প্রেমিকার মন গলাতে তার অফিসের সামনে হাঁটু গেড়ে পার করেছেন ২১ ঘণ্টা।
ওই ব্যক্তি তার প্রেমিকার অফিসের সামনে ২৮ মার্চ দুপুর ১টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত টানা হাঁটু গেড়ে বসেছিলেন। তার সঙ্গে ছিল ফুলের একটি তোড়া। এর মধ্যে বৃষ্টি হয়েছে, আবহাওয়াও ছিল ঠান্ডা—এসব কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি ওই ব্যক্তির চেষ্টার কাছে।
হাঁটু গেড়ে বসে থাকায় ওই ব্যক্তির চারপাশে ধীরে ধীরে জমতে থাকে স্থানীয় লোকজন। তারা অনেক চেষ্টা করেও ওই ব্যক্তিকে বুঝিয়ে সেখান থেকে সরাতে পারে নাই। কিন্তু লোকজন জমলেও কোথাও দেখা যায়নি ওই ব্যক্তির প্রেমিকাকে। একপর্যায়ে পুলিশ আসে ওই ব্যক্তিকে বোঝানোর জন্য। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ‘ঠান্ডা সহ্য করতে না পেরে’ ২৯ মার্চ সকাল ১০টায় ওই ব্যক্তি ঘটনাস্থল ছাড়েন।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


অবশেষে শুটিং শুরু হতে চলেছে ‘অপারেশন জ্যাকপট’ ছবির। পরিচালনা করবেন ভারতীয় নির্মাতা রাজীব কুমার বিশ্বাস।
(১৩ নভেম্বর) সোমবার দুপুরের ফ্লাইটে ঢাকা থেকে কলকাতা ফিরেছেন ‘পাগলু’ খ্যাত এই পরিচালক। গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন ‘অপারেশন জ্যাকপট’ ছবির বিস্তারিত তথ্য।
এরই মধ্যে ছবির চিত্রনাট্যসহ পাত্র-পাত্রী নির্বাচন করেছেন রাজীব। ছবির প্রধান চরিত্রগুলোতে অভিনয় করবেন এ সময়ের ঢাকাই ছবির নামি ১০ নায়ক।
২০ নভেম্বর থেকে এফডিসিতে সেট নির্মাণ করবেন কলকাতার অতনু এবং বাংলাদেশের ফারুক। ১ ডিসেম্বর হবে ছবির মহরত। সেদিন উপস্থিত থাকবেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ১০ নায়ক। এই ১০ নায়কের মধ্যে রয়েছেন অনন্ত জলিল, তিনিই অভিনয় করবেন ছবির প্রধান চরিত্রে।
এ ছাড়া থাকবেন রিয়াজ আহমেদ, বাপ্পী চৌধুরী, সাইমন সাদিক, নিরব হোসেন, মামনুন হাসান ইমন, আব্দুন নূর সজল, সিয়াম আহমেদ, জিয়াউল রোশান ও জয় চৌধুরী। রিয়াজ, রোশান ও নিরবের সঙ্গে এখনও চূড়ান্ত চুক্তি না হলেও অন্য সাত অভিনেতা এরই মধ্যে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন রাজীব কুমার।
অভিনয়ে অনন্ত, সিয়ামসহ ১০ নায়কের ছবিতে নারী শিল্পীদের প্রায় সবাই পশ্চিমবঙ্গের। তালিকায় রয়েছেন স্বস্তিকা ব্যানার্জি, সায়ন্তিকা ব্যানার্জির মতো অভিনেত্রী। রাজীব বলেন, অনন্ত ভাইকে বলেছি, একটি চরিত্রে আমি স্বস্তিকা ব্যানার্জিকে নিতে চাই। আইটেম গানে থাকবেন সায়ন্তিকা ব্যানার্জি। কলকাতা থেকে আরও দু-চারজন অভিনেত্রীর থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এটা তো মুক্তিযুদ্ধের ছবি, তার ওপর একটি রাতকে ঘিরে গল্প। তাই এখানে অন্যান্য বাণিজ্যিক ছবির মতো প্রেম-ভালোবাসা দেখানোর বিষয় নেই। তবে এই মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার ছিল, কারও স্বপ্নের মানুষ ছিল, বাবা-মা, বোনও ছিল। সেই সব চরিত্রের জন্য আমরা কয়েকজন শিল্পী নির্বাচন করেছি। বলতে পারেন তারাও সবাই পরিচিত মুখ।
রাজীব বলেন, আমি ভাই ফোঁটার জন্য কলকাতায় এসেছি। ১৬ নভেম্বর আবার ঢাকায় ফিরব। অনেক বড় ছবি এটি, চাপ আছে খুব। এতজন নায়ক নিয়ে ইউনিট সামলানো চাট্টিখানি কথা নয়। তার ওপর ঢাকা, গাজীপুর, মোংলা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে শুটিং। গত দুই মাস ঢাকা-কলকাতা আসা-যাওয়ার মধ্যে ছিলাম। লোকেশন রেডি থেকে শুরু করে সব কিছু নিজের হাতেই করেছি। আশা করছি, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের দারুণ একটি ছবি নির্মাণ করতে পারব।
৭০ দিন শুটিং হবে ছবিটির। ফেব্রুয়ারিতেই শুটিং শেষ করতে চান পরিচালক। সব ঠিক থাকলে আগামী বছর ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ছবিটি মুক্তি দিতে চান।
মন্তব্য করুন


টলিউডের
জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূজা ব্যানার্জি বড় দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে গেলেন। অভিনেত্রীর বাড়িতে
আগুন লেগে গিয়েছিল। তবে তার ও পরিবারের কারো ক্ষতি হয়নি। এই বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে
জানিয়েছেন অভিনেত্রী পূজা ব্যানার্জি।
অভিনেত্রী
পূজা ব্যানার্জি জানিয়েছেন, গ্যাস সিলিন্ডার লিক করে আগুন লেগে যায় তার বাড়িতে। তবে
বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন পূজা ও তার পরিবার।
তবে
একাধিক ভারতীয় প্রতিবেদন অনুসারে, বুধবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে।
ইনস্টাগ্রাম
স্টোরিতে পূজা লিখেছেন, একটুর জন্য আজ বেঁচে গেলাম। বাড়িতে আগুন লেগে গিয়েছিল। ভগবানের
অশেষ কৃপা যে আমাকে আর আমার পরিবারকে এই মারাত্মক দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করেছে।
টলিউডের একসময়ের ব্যস্ত
অভিনেত্রী পূজা ব্যানার্জি অনেক দিন বড় পর্দা থেকে দূরেই ছিলেন। বাংলার পাশাপাশি হিন্দি
ছবিতেও কাজ করেছেন পূজা।
মন্তব্য করুন


ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী হুমায়রা হিমুর মৃত্যুর ঘটনায় কথিত প্রেমিক মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ওরফে রাফিকে শুক্রবার (৩ নভেম্বর) র্যাব গ্রেফতার করেছে ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
তিনি বলেন, হুমায়রা হিমুর মৃত্যুর পর অভিযোগ পাওয়া যায়, বয়ফ্রেন্ড রাফির সঙ্গে হিমুর বিয়ের কথাবার্তা চলছিল। কয়েকদিন ধরে হিমুর সঙ্গে রাফির ঝগড়া-বিবাদও নাকি হয়েছে। হাসপাতালে হিমুকে ফেলে রাফি পালিয়ে যায়। এরপর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ওরফে রাফিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে জানিয়ে কমান্ডার খন্দকার আল মঈন আরো বলেন, হুমায়রা হিমুর মৃত্যুর রহস্য রহস্য উদঘাটন করা হবে।
পুলিশ জানায়, রাজধানীর উত্তরার ১০ নম্বর সেক্টরের ২ নম্বর সড়কের হিমু নিজ বাসায় থাকতেন। বিকেলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় পায়।
মন্তব্য করুন