

এশিয়া কাপে সাকিবদের পাকিস্তান মিশন শেষ।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয়ের উচ্ছ্বাস এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে হারের তিক্ত স্বাদ নিয়ে গতকাল লাহোর ছেড়েছেন সাকিবরা।
সুপার ফোরের অবশিষ্ট দুটি ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল গতকাল বিকালে পা রেখেছে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয়। দ্বীপরাষ্ট্রে একটি ম্যাচ অবশ্য আগেই খেলেছে সাকিব বাহিনী। আসরের গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরেছিল ৫ উইকেটে।
কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে আগামীকাল স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা এবং ১৫ সেপ্টেম্বর ভারতের বিপক্ষে সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে অংশ নেবে বাংলাদেশ।
এশিয়া কাপের ফাইনাল ১৭ সেপ্টেম্বর। সুপার ফোরে খেলছে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। সুপার ফোরের শীর্ষ দুটি দল খেলবে ফাইনাল। আসরের ফাইনাল খেলতে সাকিবদের পরের দুটি ম্যাচে জিততেই হবে। হারাতে হবে শ্রীলঙ্কা ও ভারতকে।
সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হেরেছে পেসারদের গতির সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে। টাইগার ব্যাটাররাও বাজে ব্যাটিং করেছেন। শ্রীলঙ্কার ম্যাচে খেলবেন লিটন দাস।
এশিয়া কাপের এখন সব খেলাই হবে শ্রীলঙ্কায়। টাইগাররা খেলেছে ক্যান্ডির পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে।
৯ ও ১৫ সেপ্টেম্বর ম্যাচ দুটি খেলবে কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে। এ মাঠে এর আগে আরও ৯টি ম্যাচ খেলেছে টাইগাররা। হেরেছে সবই। ২০০২ সালে ৫৮ রানে, ২০০৪ সালে ১০ উইকেটে, ২০০৫ সালে ৬ উইকেট ও ৭৫ রানে, ২০০৭ সালে ৩৯ রান ও ৫ উইকেটে এবং ২০১৯ সালে ১২২ রান, ৭ উইকেটে ও ৯১ রানে হেরেছিল।
পরিসংখ্যানে শ্রীলঙ্কা এগিয়ে আছে । তবে ফাইনালে স্বপ্নে বিভোর সাকিব বাহিনীকে পরিসংখ্যানের দিকে না তাকিয়ে জিতেই মাঠ ছাড়তে হবে।
মন্তব্য করুন


আগামী ৩ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত
হতে যাচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশ অধিনায়ক
নিগার সুলতানা জ্যোতি ও ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রিত কৌরকে সামনে রেখে বিশ্বকাপের সূচি
প্রকাশ করে আইসিসি।
এনিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো নারী টি-টোয়েন্টি
বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আর এবারের
আসরে দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে দশটি দল। এর আগে স্বাগতিক বাংলাদেশসহ ৮টি দল সরাসরি
বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। বাকি দুটি দল উঠে আসবে চলমান বাছাইপর্ব থেকে।
স্বাগতিক বাংলাদেশ পড়েছে বি গ্রুপে।
যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাছাইপর্বের দ্বিতীয়
দল।
অপর গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ভারত,
নিউজিল্যান্ড পাকিস্তান ও বাছাইপর্বের প্রথম দল।
১৯ দিনের এই আসরে দুটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত
হবে মোট ২৩টি ম্যাচ। বাংলাদেশসহ গ্রুপ 'বি' এর সকল ম্যাচগুলো হবে ঢাকার শেরেবাংলা জাতীয়
স্টেডিয়ামে। গ্রুপ 'এ'- এর সবগুলো ম্যাচের ভেন্যু সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম। ২০
অক্টোবর ঢাকায় ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে বিশ্বকাপের নবম আসরের। প্রথম সেমিফাইনালে
সিলেট ও দ্বিতীয় সেমিফাইনাল হবে ঢাকায়। নকআউট পর্বের প্রতিটি ম্যাচের জন্যই থাকবে রিজার্ভ
ডে।
আসরের প্রথম দিন বাছাইপর্ব থেকে আসা
দ্বিতীয় দলের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন


আজ
(২ ফেব্রুয়ারি) কমলাপুরের বীর শ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে সাফ
অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালের পথে এগিয়ে থাকলো
বাংলাদেশ। সাগরীকা দলের হয়ে জোড়া গোল করেছেন।
ম্যাচপূর্ববর্তী
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের কোচ সাইফুল বারী টিটু বলেছিলেন, ১ম ম্যাচে জয় নিশ্চিত
করে ফাইনালের পথে এগিয়ে থাকতে চান। পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করেছেন মাঠে।
ম্যাচের
শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে নেপালের বিপক্ষে আধিপত্য
বিস্তার করে খেলে পুরোটা সময়। এই ম্যাচে সাগরীকা নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কেড়েছেন।
ম্যাচের
৫ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশ। স্বপ্না রানির ফ্রি-কিক গোলরক্ষক ঝাপিয়ে রক্ষা
করেন। নেপালের গোলরক্ষক সুজাতাতামাংয়ের হাতে লেগে দিক বদলে বারে প্রতিহত হয়। ফিরতি
বলে মুনকি আক্তার বল জালে জড়াতে চেষ্টা করলেও তার শট ডিফেন্ডাররা আটকে দেন।
২
মিনিট বাদেই আবারও আক্রমণ শানায় বাংলাদেশ। বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন মুনকি আক্তার। তবে
নেপালের গোলরক্ষক এগিয়ে এসে তাকে থামান। ম্যাচের ১৪ মিনিটে বক্সের মধ্যে বল পান পূজা
দাস। তার মাটি কামড়ানো শট অল্পের জন্য পোষ্ট ঘেঁষে বেড়িয়ে গেলে এগিয়ে যাওয়া হয়নি বাংলাদেশের।
১৮ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেয়া পূজার বা পায়ের
শট ক্রসবার ঘেষে বেড়িয়ে যায়।
৩৮
মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় বাংলাদেশ। গোলকিক থেকে বল পান স্বপ্ন রানী। তার হেডে বক্সের
কাছাকাছি ২ ডিফেন্ডারের মাঝে বল পান সাগরীকা।
২ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে আগুয়ান গোলরক্ষকের উপর দিয়ে চিপ শটে বল জালে জড়ান সাগরীকা।
ব্যবধান
২গুন করতে সময় নেয়নি বাংলাদেশ ৪২ মিনিটে মুনকি আক্তারের দর্শনীয় গোলে ২-০ গোলের লিড
নেয় বাংলাদেশ। বক্সের ভেতর বল ক্লিয়ার করতে এগিয়ে আসেন নেপালের গোলরক্ষক সুজাতা। তবে
তার ক্লিয়ার করা বল পান ইতি খাতুন; ক্রস দেন মুনকি আক্তারকে। তিনি বুদ্বিদীপ্ত শটে
গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে বল জালে জড়ান। প্রথমার্ধে
ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো বাংলাদেশের। প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে পেনাল্টি পায় বাংলাদেশ।
বক্সের ভেতর সাগরীকাকে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। পেনাল্টি থেকে গোল
করতে পারেননি আফঈদা খন্দকার। তার শট পোস্টে লাগে। তবে ফিরতি বলে শট নেন সাগরিকা। তবে
নেপালের গোলরক্ষক সুজাতা গ্লাভস বন্দী করেন। শেষ পর্যন্ত ২ গোলের লিড নিয়েই বিরতীতে
যেতে হয় সাইফুল বারী টিটুর শিষ্যদের।
দ্বিতীয়ার্ধে
আক্রমণের ধার বাড়ায় ২ দলই। ৫২ মিনিটেই এক গোল শোধ করে ম্যাচে ঘুড়ে দাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়
নেপাল। সুকরিয়া মিয়ার গোলে ব্যবধান কমায় নেপাল। তবে লিড বাড়িয়ে নিতে খুব বেশি সময় নেয়নি
বাংলাদেশ। ৫৬ মিনিটে সাগরিকার গোলে ব্যবধান ৩-১ করে সাইফুর বারী টিটুর শিষ্যরা।
পরের
ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত।
মন্তব্য করুন


বিপিএলের ব্যস্ততা শেষ হয়েছে শুক্রবার। এখন আবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিরছে দেশের ক্রিকেট।পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে এসেছে শ্রীলঙ্কা দল। তাদের বিপক্ষে সিরিজ শুরু হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি দিয়ে।
এই সিরিজের টিকিটের মূল্য ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) । তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টির সবগুলোই হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের টিকিট কেনা যাবে ১৫০০ টাকায়।
সর্বনিম্ন মূল্য গ্রিন ও ওয়েস্টার্ন গ্যালারির, এখানে খেলা দেখতে ২০০ টাকা খরচ করতে হবে। এছাড়া ক্লাব হাউজ ৫০০ ও ইস্টার্ন গ্যালারির জন্য খরচ করতে হবে ৩০০ টাকা। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও রিকাভিবাজারের কাউন্টার থেকে টিকিট কেনা যাবে। সকাল দশটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত খোলা থাকবে বুথ।
আগামী ৪ মার্চ প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। দ্বিতীয় ম্যাচ ৬ মার্চ, দুটি ম্যাচই হবে সন্ধ্যা ছয়টায়। ৯ মার্চ তৃতীয় টি-টোয়েন্টি শুরু হবে বিকেল তিনটায়। এরপর তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট খেলবে শ্রীলঙ্কা।
মন্তব্য করুন


সানরাইজার্স হায়দরাবাদ বনাম চেন্নাই
সুপার কিংস ম্যাচে গ্যালারিতে বসে মহেন্দ্র সিং ধোনির স্ত্রী চেন্নাইয়ের ক্রিকেটারদের
কাছে আর্জি জানান তাড়াতাড়ি খেলা শেষ করতে। কারণ, বাচ্চার জন্মানোর সময় কাছে এসে পড়েছে।
এই কথা লিখে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন ধোনির স্ত্রী। তার পরেই এই পোস্ট ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।
হায়দরাবাদ-চেন্নাই ম্যাচে দ্বিতীয় ইনিংস চলাকালীন সাক্ষীর ইনস্টাগ্রাম স্টোরি ভাইরাল হয়। সেখানে ম্যাচের একটি দৃশ্যের ছবি দিয়ে তিনি লেখেন, “দয়া করে এই ম্যাচটা তাড়াতাড়ি শেষ করো। বাচ্চার জন্মানোর সময় চলে এল। হবু পিসির কাছ থেকে একটা ছোট্ট অনুরোধ।”
সাক্ষীর এই পোস্ট দেখে স্পষ্ট, পিসি
হতে চলেছেন তিনি। সেই কারণে, মাঠে থাকতে আর মন চাইছে না তাঁর। খেলা শেষ হলে দ্রুত ফিরতে
চাইছেন তিনি। সেই আবদারই তিনি করেছেন ধোনিদের কাছে। তবে পরিবারের কার সন্তানের জন্ম
হতে চলেছে সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।
সূত্র: আনন্দ বাজার
মন্তব্য করুন


চলতি আইপিএলে ধারাবাহিকভাবে রান করে চলেছেন তরুণ ভারতীয় ব্যাটার শুভমান গিল। টুর্নামেন্টটির ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন গুজরাট টাইটান্স এবারও রয়েছে সবার ওপরে। যেখানে গিলের অবদান অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। আগের ম্যাচে ৯৪ রানে অপরাজিত থাকার পর তিনি আর দ্বিতীয় সুযোগটা হাতছাড়া করলেন না। আইপিএলের প্রথম ম্যাজিক ফিগার পেয়েছেন তিনি। তার আলো ছড়ানোর আরেকটি রাতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৩৪ রানে হারিয়েছে গুজরাট। একইসঙ্গে সবার আগে তারা কোয়ালিফায়ারে ওঠে গেছে।
সোমবার (১৫ মে) রাতে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামা গিলের সেঞ্চুরিতে ১৮৯ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দেয় গুজরাট। এটি কেবল গিলেরই নয়, গুজরাটের কোনো খেলোয়াড়েরও আইপিএলে এটাই প্রথম সেঞ্চুরি। এদিন রানের খাতা খোলার আগেই উইকেটরক্ষক ব্যাটার ঋদ্ধিমান সাহাকে ফেরান হায়দরাবাদের ভুবনেশ্বর কুমার। হায়দরাবাদের এই পেসার ৫ উইকেট নিয়েছেন। তবে তার এমন দাপটও গুজরাটের রানের চাকা বন্ধ করে দিতে পারেনি।
শুরুতেই উইকেট হারালেও ওয়ানডাউনে নামা সাই সুদর্শনের সঙ্গে বড় জুটি গড়েন গিল। দুজনের জুটিতেই গুজরাট ১৪৭ রানের শক্ত ভিত পেয়ে যায়। তখন মাত্র ১৫তম ওভার শুরু হয়। ফলে অনায়াসেই মনে হয়েছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা দুইশ’র কোঠা সহজেই পার করবে। কিন্তু সুদর্শন ৩৬ বলে ৪৭ রান করে আউট হওয়ার পর ধসে পড়ে গুজরাটের মিডল অর্ডার লাইনআপ। এরপর অল্প রানের ব্যবধানেই প্যাভিলিয়নে ফিরতে থাকেন অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া, ডেভিড মিলার ও রাহুল তেওয়াতিয়া।
মন্তব্য করুন


সিলেটের নাম শুনলেই চোখে ভাসে চা বাগান
আর সবুজের সমারোহ! চা শ্রমিকদের জীবন যাপন
নিয়ে অনেক গল্প রয়েছে। যে শ্রমিকরা বাংলাদেশের মানুষদের চা- এর জোগান দেয়, তাদের মজুরি
নিয়েও রয়েছে অনেক বেদনার ঘটনা ও আন্দোলন। সিলেটের
ঐতিহ্যকে ধারণ করে চা-শ্রমিকদের বেশে দেখা গেলো বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড নারী ক্রিকেট
দলের দুই অধিনায়ক।
আজ বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সিলেটের ঐতিহ্যবাহী
চা বাগান মালনীছড়া’তে হাজির হলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি ও গ্যাবি লুইস।
বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার টি-টোয়েন্টি
সিরিজের ট্রফি উন্মোচন হয়েছে এই চা বাগানে।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে
আগামী ৫ ডিসেম্বর সিরিজের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল। পরের ম্যাচ দুইটি ৭ ও
৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়াতে পর্দা উঠেতে
যাচ্ছে কোপা আমেরিকার ৪৮তম আসরের। টুর্নামেন্টটির উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নামবে বর্তমান
চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও কানাডা। মার্সিডিজ-বেনজ স্টেডিয়ামে শুক্রবার (২১ জুন) বাংলাদেশ
সময় ভোর ৬টায় ম্যাচটি শুরু হবে।
জানা গেছে, বাংলাদেশে টি-স্পোর্টস এ
দেখা যাবে খেলাটি। এছাড়াও অনলাইনে টি-স্পোর্টস অ্যাপেও দেখা যাবে খেলা। আর ভারতে সনি
ওয়ান, সনি ওয়ান এইচডি, সনি টু, সনি টু এইচডি, সনি লিভ অ্যাপে খেলা উপভোগ করা যাবে।
টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা
উরুগুয়ের সঙ্গে যৌথভাবে ১৫টি শিরোপা জিতেছে।
উদ্বোধনী ম্যাচে খেলতে নামলেই একটি
রেকর্ড গড়বেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ঐতিহ্যবাহী টুর্নামেন্টিটর সবচেয়ে বেশি
ম্যাচ খেলার রেকর্ডটি মেসির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন চিলির গোলরক্ষক সের্হিও লিভিংস্তোন।
তবে কানাডার বিপক্ষে মাঠে নামলেই এককভাবে চূড়ায় উঠবেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। কোপা আমেরিকার
সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক আর্জেন্টিনার নরবের্তো মেন্ডেস ও ব্রাজিলের জিজিনিয়ো। যৌথভাবে
সমান সংখ্যক ১৭ গোল করে এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছে তারা। কোপা আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি গোলের
রেকর্ড গড়তে মেসির দরকার আরও ৫টি। ৩৪ ম্যাচে তার গোল ১৩টি। মেসি এবার কোপার সপ্তম
আসর খেলতে নামবেন। প্রথম আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় হিসেবে ভিন্ন সাত আসরে খেলার কীর্তি গড়বেন
মায়ামির এই ফুটবলার। কোপা আমেরিকায় দুটি করে হ্যাটট্রিক আছে ১০ জনের। এবার একটি হ্যাটট্রিক
করলে এই তালিকায় নাম লেখাবেন মেসি। টুর্নামেন্টিতে তার একমাত্র হ্যাটট্রিক ২০১৬ আসরে,
পানামার বিপক্ষে।
সূচি অনুযায়ী, এবারের আসর চলবে ২৬ দিন।
গ্রুপ পর্ব হবে ২০ জুন থেকে ২ জুলাই। কোয়ার্টার ফাইনাল ৪ থেকে ৬ জুলাই। সেমিফাইনাল
৯ ও ১০ জুলাই। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ১৩ জুলাই। ফাইনাল হবে ১৪ জুলাই।
মন্তব্য করুন


চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নক আউট পর্বে খেলা নিশ্চিত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। বুধবার রাতে নিজেদের মাঠের খেলায় স্প্যানিশ ক্লাবটি ব্রাগাকে উড়িয়ে দিয়েছে। পর্তুগীজ ক্লাবের বিপক্ষে ৩-০ গোলে জয় পেয়েছে। এই জয়ে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই সর্বাধিকবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী রিয়াল মাদ্রিদ নক আউটে খেলা নিশ্চিত হয়েছে। তবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া এখনো নিশ্চিত হয়নি। পর্তুগীজ ক্লাবটির বিপক্ষে গোল করেছেন ব্রাহিম দিয়াজ, ভিনিসিয়াস জুনিয়র ও রদ্রিগো।
রিয়াল মাদ্রিদ আগামী ম্যাচে ইতালির ক্লাব নাপোলির মুখোমুখি হবে। এ ম্যাচ থেকে এক পয়েন্ট পেলেই তাদের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিশ্চিত হবে। বর্তমানে ৭ পয়েন্ট নিয়ে নাপোলি রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। ব্রাগা ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে। আর এফসি ইউনিয়ন বার্লিনের সংগ্রহ মাত্র ১ পয়েন্ট। স্বাভাবিকভাবে তারা পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে রয়েছে। গত রাতে নাপোলিকে রুখে দিয়ে এই এক পয়েন্ট পেয়েছে তারা।
রিয়াল মাদ্রিদ কোচ কার্লো আনচেলোত্তি নিয়মিত খেলোয়াড়দের অনেককেই প্রথম একাদশের বাইরে রেখেছিলেন। প্রতিপক্ষ অপেক্ষাকৃত দুর্বল এমন চিন্তা ভাবনা তো ছিলই, সে সঙ্গে নিয়মিত খেলোয়াড়দের বিশ্রামের পাশাপাশি অনিয়মিতদের সুযোগ দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। তারপরও তাদের সহজ জয়ে কোনো সমস্যা হয়নি। 'সি' গ্রুপে একমাত্র দল হিসেবে শতভাগ জয়ের রেকর্ড ধরে রেখেছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বাধিকবারের চ্যাম্পিয়নরা। ৪ ম্যাচ থেকে তাদের সংগ্রহ ১২ পয়েন্ট।
সর্বাধিক ১৪ বারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদের জয়ের ব্যবধানটা আরো বড় হতে পারতো। কিন্তু ম্যাচের শুরুতে পাওয়া পেনাল্টিটা তারা কাজে লাগাতে পারেনি। ফাউলের সুবাদে একটা পেনাল্টি পেয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু আলভারো দালোর দুর্বল শট ব্রাগার গোরলক্ষক আন্দ্রি লুনিন সহজে রুখে দেন।
শুরুর এ ব্যর্থতা মুছে ফেলতে রিয়াল মাদ্রিদ আরো সংগঠিত হয়ে আক্রমণ শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় ২৭ মিনিটে দিয়াজ দলের হয়ে প্রথম গোল করেন। প্রথমার্ধে আর কোনো গোল না পেলেও খেলায় পূর্ণ আধিপত্য বিস্তার করে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ভিনিসিয়াস জুনিয়র গোল করে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেয়। তিন মিনিট পরই রদ্রিগো স্কোর শিটে নাম লেখান।
মন্তব্য করুন


আজ বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে বেঙ্গালুরুর কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও কুয়েত। রাতে অপর সেমিফাইনালে লড়বে ভারত ও লেবানন।
গ্রুপপর্বে বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে লেবাননের কাছে ২-০ ব্যবধানে হেরে যায়। পরের ম্যাচে মালদ্বীপের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও ৩-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখে। এরপর গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে ভুটানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ১৪ বছর পর সেমিফাইনালে উঠে।
বাংলাদেশ সবশেষ ২০০৫ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলেছিল এবং ভারতের কাছে হেরে রানার্স-আপ হয়েই সন্তুষ্ট থেকেছিল। কুয়েতকে হারিয়ে এবার কি মোরসালিন-রাকিবরা কি পারবে ১৮ বছরের অপেক্ষার পালা ঘোচাতে?
এক দুই নয়, দীর্ঘ ১৪ বছর পর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। ১৮ বছর পর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার সুযোগ। কিন্তু টপকাতে হবে কুয়েতের মতো শক্ত বাধা। ফিফা র্যাংকিংয়ে কুয়েত আছে ১৪১তম অবস্থানে। আর বাংলাদেশ আছে ১৯২তম অবস্থানে। শক্তিমত্তার বিষয়টি র্যাংকিংয়ে স্পষ্ট। জামাল ভূঁইয়া অবশ্য বিষয়টি অস্বীকার করেননি। তিনি জানিয়েছেন কুয়েক শক্তিশালী দল। কিন্তু তারা আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান।
ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের অধিনায়ক বলেছেন, ‘কুয়েত শক্তিশালী দল। অন্য গ্রুপে তারা নাম্বার ওয়ান হয়েছে। তারা যে শক্তিশালী সেটার প্রমাণ এটা। তবে আমাদের নিজেদের প্রতি আত্মবিশ্বাস আছে। আমাদের খেলোয়াড়রা লড়াই করতে প্রস্তুত।
জামাল মনে করছেন ভুটান ও মালদ্বীপের চেয়ে কুয়েক একধাপ বেশি শক্তিশালী। তাই তাদের বিপক্ষে ওই লেভেলে উঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে, ‘ভুটান ও মালদ্বীপের প্রতি সম্মান রেখে বলছি, কুয়েত তাদের চেয়ে এক লেভেল উপরে। সুতরাং তাদের বিপক্ষে আমাদের লড়াই করতে হবে সেই লেভেলে উঠে। তাহলেই কেবল তাদের বিপক্ষে ভালো করা সম্ভব।
মন্তব্য করুন


১২ বছর বয়সী নুরে জারিন নুদার। বর্তমান সময়েরর ছেলে-মেয়েদের থেকে একটু আলাদা। যে বয়সে মেয়েরা মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত। ওই বয়সে ক্ষুদে এ শিক্ষার্থী হাতে কোরআন লিখে পার করছে ব্যস্ত সময়। তার গল্প শুনলে অনেকেরই চোখ কপালে উঠবে। এই মাদরাসা শিক্ষার্থীর কোনো ক্লাসে পড়তে হয়নি প্রাইভেট। মাত্র ১০ মাসে নির্ভুল ভাবে সে পুরো আল-কোরআন হাতে লিখেছেন। তার দৃষ্টিনন্দন হাতের লেখা দেখলে যে কারো চোখ আটকাবে। মনে হবে এটি কম্পিউটারে ছাপা লেখা। চোখ জুড়ানো হাতের লেখায় পবিত্র কোরআন লিখে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সে।
বর্তমানে নুদার বসুরহাট দারুল ইহসান গার্লস মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। ২০২২ সালের সেপ্টম্বর মাসের ঘটনা। তখন ১০ বছর বয়সী নুদার বাড়ির পাশের ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। একদিন হঠাৎ মেয়ের সুন্দর আরবি হাতের লেখা চোখে পড়ে বাবার। এরপর তিনি মেয়েকে উদ্বুদ্ধ করেন পবিত্র কোরআন হাতে লিখতে। যে কথা, সেই কাজ। মেয়েকে প্রথমে এক রিম খোলা সাদা কাগজ এনে দেন তিনি। সেই থেকে শুরু। এরপর আস্তে আস্তে ১০ মাসে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে নুদার কোরআন লিখে শেষ করেন। এরপর তার বাবা হাতে লিখা কোরআন শরীফ নিয়ে নুদারের মাদরাসার আরবী শিক্ষক মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান শরনাপন্ন হন। সেই থেকে নুদারের লেখা শেষে তিনি বানান সংশোধন করে পুনঃনিরীক্ষণ করে দিতেন। তার উৎসাহে ও সহযোগিতায় নুদারের লেখা আরও গতি পায়। পরবর্তীতে পান্ডুলিপি থেকে ১০ পারা করে তিন ভাগে পুর্ণাঙ্গ কোরআন বাঁধাই করা হয়। কোরআন লিখতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬১১টি এ ফোর সাইজের সাদা কাগজ ও ৫৫টি বলপেন কলম। মেয়ের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত মা-বাবা,দাদা-দাদী সহ এলাকাবাসী। মা-বাবার আশা মেয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে দেশবাসীর কল্যাণে দ্বীনি শিক্ষা প্রসারে কাজ করবে। নুরে জারিন নুদার নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের মওদুদ স্কুল এলাকার ছেলামত মঞ্জিলের মো.নুরুল হুদা মামুনের মেয়ে।
নুরে জারিন নুদার বলেন, বাবা-মায়ের উৎসাহে আমি চতুর্থ শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় পবিত্র কোরআন মাজিদ লেখা শুরু করি। এরপর পঞ্চম শ্রেণিতে উঠলে আমার লেখা শেষ হয়। আমার এ লেখা দেখে মা-বাবা আমাকে মাদরাসায় পড়া লেখার পাশাপাশি এখন হিফজ বিভাগে ভর্তি করে দেয়। আমি দেশ বাসীর কাছে দোয়া চাই।
নুদারের বাবা মো.নুরুল হুদা, আমি প্রথমে আমার মেয়ের সুন্দর আরবি হাতের লেখা দেখে খুব আনন্দিত হই। আমারও তার শিক্ষকদের উৎসাহে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে সে কোরআন নিজ হাতে লেখা শুরু করে। যখন এক পারা লেখা সম্পন্ন হতো তখন ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার শিক্ষক মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান আরবি বানান গুলো যাচাই বাচাই করে পুনঃনিরীক্ষণ করে দিতে। এভাবে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে পুরো কোরআন লিখে শেষ হয়। পরে পুনরায় আবার বানান পুনঃনিরীক্ষণ করে ১০ পারা করে তিন ভাগে বাধাই করা হয়। মেয়ের এমন কাজে আমি গর্বিত। এমন কাজে অন্য ছেলে মেয়েরা উদ্ধুদ্ধ হবে বলেও আমি আশা করি।
মা বিবি ফাতেমা বলেন, আমার মেয়ে নিজ হাতে কোরআন লিখেছে, আমরা তাকে উৎসাহ দিয়েছি। লেখার সময় অনেক সময় মনমানসিকতা অন্য রকম হয়ে যেত, তো লিখবো, লিখেনা। আবার মনমানসিকতা ঠিক করে আগ্রহ দিয়ে লিখতে বসত। বিশেষ করে ভালো কাজে শয়তানের প্ররোচনা থাকে। খাতা-কলমে দাগ টানা সহ বিভিন্ন ভাবে তাকে আমি সহযোগিতা করেছি। চার বছর বয়স থেকে সে নিয়মিত নামাজ পড়ে।
ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার নাজেমে তালিমাত, মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, কোরআন লেখার যে প্রাচীন নিয়ম রয়েছে। সে অক্ষরে অত্যন্ত সুনিপুন ভাবে নুদার ১০ মাসের প্রচেষ্ঠায় কোরআন হাতে লিখে সম্পন্ন করেন। ওই সময় আমি তার লেখার তত্বাবধান করি। বোঝার উপায় নেই, এটি হাতে লিখা না, না কম্পিউটারে লিখা। তার লেখা কোরআন পুরোটাই আমি পুনঃনিরীক্ষণ করি।
ইকরা আরাবিয়া মাদরাসা মোহতামিম মাওলানা মোতালেব হোসেন পারভেজ বলেন,নুরানী বোর্ডের সমাপনী পরীক্ষায় নুদার পুরো বাংলাদেশে দশম স্থান অর্জন করে। সে একজন মেধাবী ছাত্রী। তার স্বহস্তে কোরআন লেখার এ কৃতিত্বকে আমরা স্বগত জানাই।
বসুরহাট পৌরসভা ৯নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবিএম ছিদ্দিক বলেন, পবিত্র কোরআন হাতে লেখার উদ্যোগ নিয়ে সম্পন্ন করার কাজটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। এতো সুন্দর ভাবে কোরআন লিখলেন সেটি আসলেই অবাক হওয়ার মতো ঘটনা। আমি তার উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি।
মন্তব্য করুন