

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে একটি গাভির ছয় পায়ের বাছুরের জন্ম হয়েছে।এ চাঞ্চল্যকর ঘটনায় গাভির মালিকের বাড়িতে ভিড় করছে উৎসুক জনতা।
শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) সকালে নবাবগঞ্জ উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের নওদাপাড়া গ্রামের কৃষক মাহামুদুল হকের গাভিটি এ বাছুরটির জন্ম দেয়।
বর্তমানে বাছুরটি সুস্থ আছে। ছয় পা বিশিষ্ট বাছুরটি দেখতে আসা অনেকেই বলেন,লোকমুখে জানতে পারি নওদাপাড়া গ্রামে ৬ পায়ের একটি বাছুর জন্মেছে। তাই বাছুরটি দেখতে আসলাম। বাছুরটি দেখে খুব ভাল লাগলো।
গাভিটির মালিক মাহামুদুল হক বলেন, অনেক যত্ন করে ছোট থেকেই গাভিটিকে লালন-পালন করেছি। শুক্রবার সকালে গাভিটি প্রথম একটি বাছুর জন্ম দেয়। বাছুরটির পিঠের উপর অতিরিক্ত দুটি পা আছে। বর্তমানে গাভি ও বাছুরটি সুস্থ আছে এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে।
মন্তব্য করুন


সাইদ জুবায়ের
রাসেল, দাউদকান্দি, কুমিল্লা:
বিশ্ব মৎস্য দিবস -২০২৩ উদযাপন করলো সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট এসিসটেন্স (সিসিডিএ) এর সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট (এসইপি)। দিবসটি উপলক্ষে মৎস্যচাষ খামারের পানি পরীক্ষার ক্যাম্পেইন ও চাষীদের নিয়ে আলোচনা সভার আয়জন করা হয়৷ আজ (মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩) সকাল ১০টায় উপজেলার চারিপাড়া এলাকায় প্লাবনভূমি ও পুকুর ভিত্তিক মৎস্যচাষ খামারের বিনামূল্যে পানি পরীক্ষার ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়৷ এতে প্রায় ৩০ টি খামারের পানি পরীক্ষা করে পানির পিএইচ, এ্যামোনিয়া, অক্সিজেন, তাপমাত্রা, স্যালাইনিটি, হার্ডনেস ইত্যাদি গুণাগুণ পরিমাপ ও করনীয় বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন এসইপি মৎস্য কর্মকর্তা ইমরান শেখ ও পরিবেশ কর্মকর্তা সাহেদুল ইসলাম।
এইদিন বিকেল ৪টায় দিবসটি উপলক্ষ্যে উপজেলার প্লাবনভূমি কেন্দ্রিক ট্যুরিজম এর সভাকক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত সভায় সংস্থার আদমপুর-১ এলাকা কর্মকর্তা লোকমান হোসেন আকন্দ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একাধিকবার জাতীয় পদক প্রাপ্ত পরিবেশ সমাজ ও কৃষি উন্নয়ন সংগঠক অধ্যাপক মতিন সৈকত।
এসইপি ডকুমেন্টেশন কর্মকর্তা মোঃ নূরুন্নবী রাসেলের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাসুদ আলম, বিশিষ্ট মৎস্য চাষী এসএম নাজমুল হুদা, এসইপি পরিবেশ কর্মকর্তা সাহেদুল ইসলাম সুজন, পেইজ প্রকল্পের মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা নিরাপদ মৎস্য চাষ ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে গুড একুয়াকালচার প্র্যাক্টিস বা উত্তম মৎস্য চাষ অনুশীলন এর ওপর জোর দেন। সবাইকে নিরাপদ মাছ ও খাদ্য উৎপাদনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্যচাষী আবুল কাশেম, মোঃ জহিরুল হক, মোঃ শাহজাহানসহ স্থানীয় বিভিন্ন খামারের মৎস্যচাষী সিসিডিএ'র বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
মন্তব্য করুন


২৮তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের
কার্যনির্বাহী পরিষদের নতুন আংশিক কমিটি ঘোষণা দেয়া হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত
হয়েছেন জুয়েল রানা, সাধারণ সম্পাদক শাহেন শাহ।
শুক্রবার(১ ডিসেম্বর) সংগঠনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ডিএমপি পুলিশ সুপার হাসান আরাফাত, নির্বাচন কমিশনার দুদকের ঢাকার পুলিশ সুপার একেএম মাহবুবুর রহমান এবং ডিএমপির পুলিশ সুপার সোহেল রানা স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটির তথ্য প্রকাশ করা হয়।
সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক উভয়ই ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। নতুন কমিটি ঘোষণার পর সাধারণ সম্পাদক শাহেন শাহ বলেছেন, আমরা আমাদের ব্যাচের জন্য কাজ করবো। ব্যাচের সবাইকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে কাজ করে যাবো।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন নুরপুর চৌমুহনী এলাকা হতে ১,৩৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ইং তারিখ বিকালে কুমিল্লা
জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন নুরপুর চৌমুহনী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ১,৩৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট’সহ
একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলো, কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানার দক্ষিন চর্থা গ্রামের মোঃ সুমন মিয়া এর ছেলে আরাফাত রহমান (১৯)।
প্রাথমিক
অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ
কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা ট্যাবলেট’সহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়
ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে।
উক্ত
বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা
গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা
জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) ডা. আব্দুল মালিক মঙ্গলবার(৫ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৪০মিনিটে
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি
রাজিউন।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) শাহাজাদী সুলতানা ডলি বলেছেন, জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) ডা. আব্দুল মালিক স্যার আর নেই। বার্ধক্যজনিত কারণে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে উনার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর।
হৃদরোগ চিকিৎসার এ পথিকৃৎ ১৯২৯ সালের ১ ডিসেম্বর সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কুচাই ইউনিয়নের পশ্চিমভাগ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ১৯৪৯ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৫৪ সালে নভেম্বর মাসে উত্তীর্ণ হন। ১৯৫৮ সালে তাকে সিএমএইচ (সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল) পেশোয়ারে কর্নেল আজমিরের কাছে মেডিকেল স্পেশালিস্টের যোগ্যতা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। এতে প্রশিক্ষণের জন্য নির্বাচিত হন। ১৯৬৩ সালে সরকার তাকে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য পাঠায়। এরপর ১৯৬৪ সালে তিনি এমআরসিপি পাস করেন এবং হ্যামার স্মিথ হসপিটাল অ্যান্ড পোস্টগ্রাজুয়েট মেডিকেল স্কুল, লন্ডন থেকে কার্ডিওলজিতে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেন।
আব্দুল মালিক ২০০৪ সালে স্বাধীনতা
পদক পুরস্কার এবং ২০০৬ সালে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নির্বাচিত হন।
মন্তব্য করুন


মোঃ মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ভূঁইয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
বিদ্যালয়ের সভাপতি ডা. মো. মাসুদুর রহমান বাবুলের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক মো. ফজলুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান মেহমান হিসেবে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দোয়া কামনা করে বক্তব্য রাখেন, শাজুলিয়া দরবার শরীফের পীর আলহাজ্ব হযরত মাও. শাহ্ মুহাম্মদ রুহুল্লাহ শাজুলী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কচুয়া বঙ্গবন্ধু সরকারি ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহ্ মুহাম্মদ জাকির উল্লাহ শাজুলী, পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত সহকারি অধ্যাপক মুহাম্মদ ফানাউল্লাহ শাজুলী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মো: খলিলুর রহমান, জাতীয় পার্টির নেতা রুহুল আমিন চৌধুরীসহ আরো অনেকে।
পরে শিক্ষার্থীদের সফলতা ও মঙ্গল কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৪০ বোতল ফেন্সিডিল, ৬০ বোতল এস্কাফ সিরাপ, ২০ বোতল বিভিন্ন ব্রান্ডের বিদেশী মদ ও ২০
বোতল বিয়ার সহ ১ জনকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার
(৩০/১১/২০২৩) রাত ২.২০ মিনিটে চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) লিটন চাকমা সঙ্গীয়
অফিসার ও ফোর্স সহ চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকায় গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার
ডিউটি করা কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ১১নং চিওড়া ইউনিয়নের চরপাড়া
এলাকায় চট্টগ্রাম টু ঢাকামুখী মহাসড়ক সংলগ্ন চরপাড়া পাকা রাস্তার মাথায় অভিযান পরিচালনার
সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ১ জন ব্যক্তির কাধে ১টি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা সহ পালানোর
চেষ্টাকালে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় আসামী মোঃ ইয়াকুব প্রঃ ইদু মিয়া(৫০),
পিতা: মোঃ আবদুল মমিন, সাং: চিওড়া (আনু মোল্লার বাড়ী), থানা: চৌদ্দগ্রাম, জেলা: কুমিল্লাকে
আটক করেন। এ সময় ৪০ বোতল ফেন্সিডিল, ৬০ বোতল এস্কাফ সিরাপ, ২০ বোতল বিভিন্ন ব্রান্ডের
বিদেশী মদ ও ২০ বোতল বিয়ার উদ্ধার করে।
উক্ত
ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করা হয়।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে গত ১ জুলাই অজ্ঞাতনামা এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। নাম আকরাম উল্লাহ (৪২) যিনি ছিলেন পেশায় কাভার্ড ভ্যানচালক,বাড়ি নোয়খালীর সেনবাগ উপজেলায়।
আকরাম হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কাহিনী বের করে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিট।
সংস্থাটির কর্মকর্তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ভুক্তভোগী কাভার্ড ভ্যানচালকের প্রেমিকা রোজিনা বেগম রোজিকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে। ৩ জুলাই খুলনা নগরের ফুলবাড়ি গেট মিন্টুর মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখানে বড় বোনের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন রোজি। গত বৃহস্পতিবার আকরাম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে চট্টগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পিবিআই কর্মকর্তারা জানান, আকরাম উল্লাহ এবং রোজির দুজনেরই আলাদা সংসার ছিল। নোয়াখালীর সেনবাগ এলাকার বাসিন্দা আকরামের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার বড় ছেলে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। অন্যদিকে রোজির বিয়ে হয় বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার কবীর মোল্লার সঙ্গে। তাদের সংসারে ৫ বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
পিবিআই সূত্র আরো জানায়, রোজি এবং তার তার স্বামী দুজনেই পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। কিন্তু করোনাকালীন সময়ে তারা দুজনেই বেকার হয়ে যান। সংসার চালাতে রোজির স্বামী ওই সময় ইপিজেড থানার লেবার কলোনিতে একটি চায়ের দোকান দেন। ২০২০ সালে সেই চায়ের দোকানে প্রায় সময় চা খেতে আসতেন আকরাম। ওইসময় রোজি ও তার স্বামী কবীরের সঙ্গে আকরামের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কবীর মাঝেমধ্যে দোকানের বাইরে গেলে তখন আকরামকে ক্যাশে বসিয়ে যেতেন। একপর্যায়ে রোজির সঙ্গে আকরামের প্রেমের সম্পর্ক হয়। কিছুদিনের মধ্যে সেই সম্পর্কের বিষয় জানতে পারেন কবীর। এনিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার কয়েকবার ঝগড়া হয়।
এরপর রোজির সঙ্গে আকরামের প্রেম ঠেকাতে কবীর স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যান। সেখানে কয়েকমাস থেকে কবীর জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে চলে যান। ২০২২ সালে রমজান মাসের আগে রোজি পুনরায় চট্টগ্রাম চলে আসেন এবং মেয়েকে নিয়ে তার ভাই মিজানের কলসীদিঘীর পাড় এলাকার বাসায় থাকা শুরু করেন। একই সঙ্গে তিনি পুনরায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি শুরু করেন। এরই মধ্যে তার সঙ্গে আবার সেই পুরনো প্রেমিক ও কাভার্ড ভ্যানচালক আকরামের যোগাযোগ হয়। দুজনে মিলে আলাদা বাসায় ওঠার সিদ্ধান্ত নেন।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে রোজি তার মেয়েকে খুলনা বোনের বাড়িতে রেখে আসেন। এরপর আকরামকে নিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ঘটনার ৩ মাস আগে একটি ভাড়া বাসায় উঠেন। সেখানে দুই মাস থেকে তারা জুনের শুরু থেকে ইপিজেড থানার নিউমুরিং কেবি ম্যানশনের তৃতীয় তলার ৩০৭ নম্বর রুমে উঠেন। বাসাটিতে একমাস থেকে চলে যাওয়ার কথা ছিল দুজনের। কিন্তু তার আগেই খুন হন আকরাম।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রোজি পিবিআই কর্মকর্তাদের জানান, আকরাম কয়েকমাস ধরে বেকার ছিলেন। তারা একসঙ্গে থাকলে বেশিরভাগ খরচ চালাতে হত রোজিকে। এই খরচের পাশাপাশি মেয়ের জন্য বোনের কাছে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া লাগত রোজির। টানাপড়েনে পড়ে মাঝেমধ্যে স্বামী কবীরের কাছ থেকে টাকা নিতেন রোজি। সবমিলিয়ে তিনি বাসা ভাড়া ও খাবারের খরচ চালাতেন। কিন্তু আকরাম তেমন কোনো টাকা খরচ করতে পারতেন না। এনিয়ে প্রায় সময় দুজনের মধ্যে ঝগড়া হত।
এরই মধ্যে গত ৩০ জুন রোজির স্বামী কল করে তাকে শরীরের গোপন অংশের ছবি ও ভিডিও পাঠাতে বলেন। কথামতো রোজি ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ইমো অ্যাপস ব্যবহার করে পাঠানোর চেষ্টা করে। কিন্তু মোবাইলের কোনো জটিলতায় তিনি এগুলো স্বামীর কাছে পাঠাতে পারেননি। তবে এগুলো মোবাইলের গ্যালারিতে সেভ হয়ে যায়। এদিকে রোজির মোবাইল ফোনে আকরাম এসব গোপন ছবি-ভিডিও দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে রোজির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন।
কিন্তু ওই সময় রোজির পিরিয়ড চলছিল। এ কারণে তিনি আকরামকে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে বারণ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রোজির স্বামীকে সব জানিয়ে দেবে বলে হুমকি দিতে থাকে আকরাম। এ জন্য আকরাম রোজির মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়।
একপর্যায়ে রোজি আকরামের গোপন অঙ্গে সজোরে চেপে ধরে। এতে আকরাম দাঁড়ানো থেকে মেঝেতে পড়ে যায় এবং মাথায় আঘাত পেয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। এ সময় নাক দিয়ে রক্ত পড়তে দেখে একটি রশি দিয়ে আকরামের গলা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে রোজি। এরপর তাকে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে।
পরদিন ১ জুলাই সকাল ১১টার দিকে বাসায় তালা লাগিয়ে রোজি খুলনার উদ্দেশ্যে বের হয়। তিনি নিউমুরিং গিয়ে খুলনার টিকিট কাটেন। তবে ওই সময় খুলনা না গিয়ে তিনি পুনরায় বাসায় ফিরে আসেন। এরপর বাসায় থাকা রক্তমাখা তোয়ালে ও আকরামের রক্তমাখা হাফ হাতা গোল গেঞ্জি বাসার পেছনের ময়লার ড্রেনের মধ্যে ফেলে দেয়। বিকেলে বাড়ির কেয়ারটেকার এসে রোজিকে বাসা ছেড়ে দিতে বলে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রোজি পুনরায় বাসায় তালা লাগিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে বের হয়। প্রথমে একটি অটোরিকশাযোগে তিনি নগরের অলংকার মোড়ে বের হন। সেখান থেকে রাত ৯টায় বাসযোগে খুলনা চলে দিয়ে বোনের বাসায় ওঠেন। ওই বাসা থেকেই পিবিআই কর্মকর্তারা তাকে গ্রেপ্তার করে।
পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটের পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদ পারভেজ এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বলেন, রোজি এবং আকরাম দুজনেরই আলাদা সংসার রয়েছে। তারা দুজনে মিলে বিয়ে না করে অবৈধভাবে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে একত্রে থেকেছেন। একপর্যায়ে সম্পর্কের টানাপড়েনের জেরে কৌশলে আকরামকে হত্যা করে রোজি। হত্যাকাণ্ডের আগে থেকে আকরামের সঙ্গে তার পরিবারের তেমন যোগাযোগ ছিল না। তবে হত্যাকাণ্ডের পর খবর পেয়ে আকরামের স্বজনরা তার মরদেহ নিয়ে যায় এবং তার বড় ছেলে আশরাফুল ইসলাম রাজু বাদী হয়ে ইপিজেড থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে।
মন্তব্য করুন


নারায়ণগঞ্জের
রূপগঞ্জে দুই প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও ৩ থেকে ৪জন
আহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
মঙ্গলবার
(১২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে রূপগঞ্জের ভূঁইয়া বাড়ি ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
হাইওয়ে
পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি
জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে ১জন ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও ২জনের
মৃত্যু হয়।
মন্তব্য করুন


পাবনা সদর উপজেলার
টেবুনিয়ায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাতে বাসের ধাক্কায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ ২ জন
নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২ জন।
০৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার
বেলা সোয়া ১১টায় এ ঘটনাটি ঘটে উপজেলার পাবনা-ঈশ্বরদী মহাসড়কের টেবুনিয়া কৃষি
ফার্মের সামনে।
নিহতদের মধ্যে রিফাত আল
সিফাত (২১) পাবনার সুজানগর উপজেলার জুনা রামচন্দ্রপুর এলাকার মো. কামরুজ্জামানের
ছেলে। চলতি বছরে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় রাজশাহী, খুলনা ও গাজীপুর কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধা তালিকায় ছিলেন তিনি। তিনি গত বছর
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন। এছাড়া নিহত আরেকজনের পরিচয়
জানা যায়নি।
পাকশী হাইওয়ে থানার
উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ৩ জন
ঈশ্বরদীর দিকে যাচ্ছিলেন। আর রাব্বি পরিবহনের একটি বাস পাবনার দিকে যাচ্ছিল। পথে
ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বাসটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে মুখোমুখি ধাক্কা দেয়। পরে আহতদের উদ্ধার
করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসক ২ জনকে মৃত ঘোষণা করেন। আর
বাকিদের সেখানেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পাকশী হাইওয়ে থানার
উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর হোসে আরও বলেন, জব্দ করা হয়েছে ঘাতক বাসটি। চালক ও
হেলপার পালিয়ে গেছে। এছাড়া পরিচয় পাওয়া গেছে নিহতদের একজনের। তবে নিহত আরেকজনের
পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন