

২৩ মে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হচ্ছে বিপিও সামিট। তবে ২৪ মে নাটোরে এই সম্মেলন উদ্বোধন করবেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ২০ জুলাই পর্যন্ত সাতটি বিভাগে হবে এই সম্মেলন। শেষ হবে হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে ঢাকা সম্মেলনের মধ্য দিয়ে।
রোববার ঢাকার একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাক্কো সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, প্রতিবারের মত এবারের বিপিও সামিটে থাকবে ক্যারিয়ার কাউন্সিল, সেমিনার ও চাকুরি মেলা। এই মেলার মাধ্যমে স্নাতক শিক্ষার্থীদের ঢাকামুখী না করে নিজ জায়গায় কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হবে।
২০২০ সালে ৭০ শতাংশ ব্যবসা কলমলেও এখন এই সঙ্কট কাটিয়ে উঠেছে এই খাত। ফলে নতুন উদ্যোমে এগিয়ে গিয়ে ২০২৫ সালের মধ্যে বিপিও শিল্পখাত থেকে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হবে। নতুন করে কর্ম সংস্থান হবে ১ লাখ মানুষের। বিপিও সামিটের মাধ্যমে এক হাজার তরুণের কর্মসংস্থান করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিপিও খাতের ৩৫ শতাংশ কাজই হয় বিদেশী বাজারের জন্য। আর ৬৫ শতাংশ হয় দেশীয় বাজারের জন্য। এই বাজারের যোগ্য কর্মী গড়ে তুলতে বিপিও খাতে ৭ লাখ তরুণকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এদের বেতন ১১ হাজার টাকা দিয়ে শুরু হলেও যোগ্যতা অর্জনের পর ৩০ শতাংশই জব সুইচ করে। ক্যারিয়ার স্যাটিসিফেকশনে না থাকার কারণে এমনটা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পাঁচ জয়িতাকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন।
শুক্রবার(৮ মার্চ) সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানে পাঁচ জয়িতাকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেক।
সম্মাননা পেয়েছেন তারা হলেন-ময়মনসিংহের আনার কলি, সিলেটের চা শ্রমিক কমলী রবিদাশ, রাজশাহীর কল্যাণী মিনজি, বরগুনার জাহানারা বেগম ও খুলনার পাখি দত্ত হিজড়া।
মন্তব্য করুন


ছাত্র-জনতার
আন্দোলন চলাকালে ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক’ মামলার ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা দিতে একটি
হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে আইন মন্ত্রণালয়।
আইন,
বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে,
“যদি কোনো ব্যক্তি গত ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত দায়ের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক
ফৌজদারি মামলার শিকার হয়ে থাকেন, তবে তাকে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার
লিগ্যাল এইড হেল্পলাইন কল সেন্টারের ১৬৪৩০ নম্বরের (টোল ফ্রি) মাধ্যমে ভিকটিম
সাপোর্ট বা আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।”
সমাজের
দরিদ্র ও দুঃস্থদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে ২০১৬ সালে এই হেল্পলাইন সেবার
কার্যক্রম উদ্বোধন করেছিলেন তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
গণ
আন্দোলনে সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দায়িত্ব
নিয়ে তার প্রথম কর্মদিবসে এই হেল্পলাইন নম্বর ব্যবহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত
নিয়েছিলেন।
মন্তব্য করুন


সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত চার বিচারপতি আজ শপথগ্রহণ করেছেন।
শপথগ্রহণ করা আপিল বিভাগের চার বিচারপতি হলেন, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ আপিল বিভাগের চার নবনিযুক্ত বিচারককে শপথবাক্য পাঠ করান।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা।
শপথ অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট উভয় বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং অন্যান্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
চার বিচারপতি নিয়োগ কার্যকরের মধ্য দিয়ে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়ালো ৬ জনে।
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত চার বিচারপতিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সোমবার (১২ আগস্ট) রাতে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত চারজন বিচারককে তাদের শপথগ্রহণের তারিখ থেকে আপিল বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। শপথগ্রহণের দিন থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে গত শনিবার (১০আগস্ট) দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এবং আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতি পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের আগে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ছিল ৭। শনিবার রাতে দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। পরদিন রোববার (১২ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি।
বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।
বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট এই তিন বিচারপতি হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মাল্টিপল ভিসা দেওয়ার এবং মালয়েশিয়ায় পেশাজীবী ও কর্মী বাড়ানোর আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। একইসঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন।
শুক্রবার (৪ অক্টোবর) মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সফর নিয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে তার ‘মহান বন্ধু’হিসেবে উল্লেখ করে, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার প্রচেষ্টার প্রতি তার সমর্থন প্রকাশ করেছেন।
ঢাকায় এলে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। এ সময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনারসহ লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
দুই নেতার মধ্যে একটি একান্ত বৈঠক ও একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের মাধ্যমে সফরের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
বৈঠকের সময় দুই নেতা দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে তাদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ডেটা সায়েন্স, সেমি-কন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অর্থ, স্বাস্থ্য, উচ্চ শিক্ষা, কৃষি, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও হালাল অর্থনীতিসহ সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।
উভয় নেতা শিগগিরই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে পরবর্তী দফা আলোচনা করতে সম্মত হন।
আগামী বছরের শুরুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের যৌথ কমিশনের বৈঠকে বসতেও সম্মত হন তারা।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও বিশ্বের অন্যত্র ক্ষুদ্রঋণ ও সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশাল অবদানের প্রশংসা করেন।
প্রধান উপদেষ্টা একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়পরায়ণ বাংলাদেশের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত চলমান সংস্কার উদ্যোগ সম্পর্কে সফররত প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।
‘আমরা একটি নতুন বাংলাদেশে যাচ্ছি, যা আমাদের গর্বিত করবে’- বলেন অধ্যাপক ইউনূস।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতিপথকে ট্র্যাকে ফিরিয়ে আনতে’ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টার প্রতি তার সমর্থন ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


সোমবার (১৮ নভেম্বর) সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বরিস তাদিচ বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সময় সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বরিস তাদিচ অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্ব এবং জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের প্রশংসা করেন।
বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়ার আগ্রহ জানিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট তাদিচ বলেন, ‘আমি এই দেশকে ভালোবাসি।
আমি আপনাকে কোনোভাবে সাহায্য করতে পারি কি না, জানান। ’
বৈঠকে দুই নেতা ভূ-রাজনৈতিক সমস্যা, অন্তর্বর্তী সরকারের চ্যালেঞ্জ এবং সার্বিয়ার ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করেন।
মন্তব্য করুন


জাতীয় সমাজ সেবা দিবস-২০২৫ উপলক্ষে সমাজ সেবা অধিদপ্তর আয়োজিত ওয়াকাথন ও সমাজ সেবা সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অনুষ্ঠানস্থল জাতীয় সংসদ সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, সমাজ সেবা প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব আর মন্ত্রণালয়ের কাজ হলো সবাইকে মনে করিয়ে দেওয়া, যেন কেউ ভুলে না যায় এই দায়িত্ব থেকে, দূরে সরে না যায়...আশা করি, এই আহ্বান সবার কাছে পৌঁছে যাবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই পরের স্বার্থে কাজ করার প্রবণতা আছে। সেই ইচ্ছাকে জাগিয়ে তুলতে হবে। নিজের জন্য কিছু করার তুলনায় পরের কল্যাণে কাজ করায় আনন্দ মেলে বেশি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দৈনন্দিন জীবনে জনস্বার্থে কাজ করার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, সরকারের শক্তির থেকেও মানুষের শক্তি বেশি।
দেশকে এগিয়ে নিতে সরকারের ওপর শতভাগ নির্ভরশীল না হয়ে ব্যক্তিপর্যায়ে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মন্তব্য করুন


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত করতে বিকেলে বিএনপি, জামায়াতসহ অভ্যুত্থানের পক্ষের সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর হেয়ার রোডে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায়।
এই বৈঠকে বিএনপি, জামায়াতসহ রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত থাকবেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে এ বৈঠক চলবে বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার
ভি ম্যান্টিটস্কি।
বুধবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁও
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে ম্যান্টিটস্কি রুশ ফেডারেশনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে বাংলাদেশে তার
দায়িত্বপালনের তিন বছরের বেশি ঘটনাবহুল সময়ের কথা স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রদূত প্রধান উপদেষ্টাকে রূপপুর
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন এবং জানান এই কেন্দ্রে আগামী
বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে বলে তারা আশা করছেন। প্রকল্পটি মূলত রাশিয়ার অর্থায়ন ও
কারিগরি বা বিশেষজ্ঞ সহায়তায় বাস্তবায়ন হচ্ছে।
সাক্ষাতে তারা বাংলাদেশে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়াত্ত
কোম্পানি গাজপ্রমের অনুসন্ধান কার্যক্রম, রাশিয়া থেকে গম ও সার রপ্তানি এবং রূপপুর
প্রকল্পের ঋণ পরিশোধের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা বিদ্যু ও জ্বালানি
খাতে রাশিয়ার সহায়তা এবং বাংলাদেশে গম ও সার সরবরাহে রাশিয়ার ভূমিকার প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার রূপপুর
প্রকল্পের অর্থ পরিশোধের বিষয় সমাধান করবে। তিনি বাংলাদেশে রাশিয়ার আরো বিনিয়োগকে স্বাগত
জানান।
উভয় দেশের যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব
আরোপ করে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমরা একসাথে কাজ করব।’
এ সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি
বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মো. আবুল হাসান
মৃধা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের রূপরেখা দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) ভোররাতে সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ফেসবুকে দেওয়া ভিডিওবার্তায় সরকার গঠনের রূপরেখার দেন।
সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রিয় মুক্তিকামী ছাত্রজনতা, আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের এ অভ্যুত্থান ও বিপ্লবের পরই অরাজকতা, নাশকতা করছে ফ্যাসিস্ট এবং তাদের দোসররা। আমরা দেখতে পাচ্ছি বিভিন্ন জায়গায় গোলাগুলি চলছে, মন্দিরে হামলা হচ্ছে এবং নাশকতা ও লুটপাট চলছে।
সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা মনে করি, আমাদের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে নস্যাৎ করার জন্যই এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। আমরা মুক্তিকামী ছাত্র-জনতাকে সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রূপরেখা দিতে ২৪ ঘণ্টা সময় নিয়েছিলাম, জরুরি পরিস্থিতি মোতাবেক তার একটি রূপরেখা এখনই ঘোষণা করছি।
সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সর্বজন গ্রহণযোগ্য, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, তিনি ছাত্র-জনতার আহ্বানে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে এ গুরু দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছেন। আমরা সকালের মধ্যেই সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দেখতে চাই।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতির কাছে আহ্বান, দ্রুত সময়ের মধ্যে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হোক। এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যদের নামও আমরা সকালের মধ্যে ঘোষণা করব।
আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার উদ্দেশে সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতির কাছে আহ্বান, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি (স্বাভাবিক অবস্থায়) ফিরিয়ে আনার জন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য মুক্তিকামী ছাত্র-জনতাও রাজপথে থাকবে বলে জানান তিনি। এ সমন্বয়ক বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত মুক্তিকামী ছাত্র-জনতাকে রাজপথে থেকে অভ্যুত্থানকে রক্ষা করতে হবে।
নাহিদ বলেন, ছাত্র-জনতার প্রস্তাব ছাড়া কোনো ধরনের সরকার মেনে নেওয়া হবে না। আমরা আগেও বলেছি, সেনা শাসিত সরকার অথবা সেনা সমর্থিত সরকার অথবা ফ্যাসিস্টদের দোসরদের কোনো বি-টিম সরকার, কোনো গণবিরোধী সরকার মেনে নেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, সবাইকে সকাল থেকে রাজপথে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করতে হবে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার দরিয়ারপুরে মৃত প্রায় ধরার খাল (বৈলর খাল)
পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেছেন।
তারেক
রহমান আজ শনিবার (২৩ মে) দুপুরে ঢাকা থেকে সড়কপথে ত্রিশালে এসে পৌঁছান। ঝড় বৃষ্টির মধ্যে প্রথমে তিনি ধরার খালের ফলক উন্মোচন
করেন। পরে খালের পাড়ে নেমে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খনন কাজের সূচনা করেন। এরপর তিনি খালের
পাশে একটি তালগাছের চারা রোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী
শরীফুল আলম, স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান লিটন এবং ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক
সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য,
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ৩.১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি ১৯৭৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর
খনন করেছিলেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি প্রায় মরা খালে রূপ নেয়। গাছ রোপণ ও খননস্থল পরিদর্শনের
পর প্রধানমন্ত্রী খালের পাশে স্থাপিত মঞ্চে স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে
দলীয় নেতা-কর্মীরা তাঁকে উষ্ণ করতালিতে স্বাগত জানান।
স্থানীয়
নারী, প্রান্তিক কৃষক ও শিশুরাও কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন
এবং বারবার করতালি দিয়ে তাঁকে অভিবাদন জানান।
মন্তব্য করুন