

নিউইয়র্কে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘সাস্ট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএ ইনক’ এর উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৪ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা নিউইয়র্কের কুইন্সের এস্টোরিয়ায় অবস্থিত জালালাবাদ ভবনে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে। এতে নিউইয়র্ক ও নিউজার্সি স্টেটের বিভিন্ন পেশায় কর্মরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রায় অর্ধশতাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী অংশ নেন। দুপুর ৪টা থেকে নিউইয়র্কের বিভিন্ন বোরো থেকে অংশগ্রহণকারীরা জালালাবাদ ভবনের সামনে জড়ো হতে থাকে। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সময়ের স্মৃতিচারণসহ সহপাঠী, সিনিয়র-জুনিয়র ও অতিথি শিক্ষকবৃন্দদের আলাপচারিতায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো অনুষ্ঠান।অনুষ্ঠানের শুরুতে পরিবেশন করা হয় বিকেলের নাস্তা। এরপর শুরু হয় মূল পর্ব। এ পর্বে ছিল পরিচিতি পর্ব ও সাধারণ সভা। সাধারণ সভায় উপস্থিত প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের মতামতের ওপর ভিত্তি করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি সিলেকশন বোর্ড গঠিত হয়। আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে এই সিলেকশন বোর্ড একটি ২১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী ও ৭ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটি গঠনে কাজ করবে ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর এ এইচ এম বেলায়েত হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালীন থেকেই উন্নত বিশ্বের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একাডেমিক সিলেবাস তৈরি করা হয় এবং বিশ্বমানের বিভিন্ন লেখকদের বইগুলো পাঠ্যবই হিসেবে সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর পাশাপশি দক্ষ ও মেধাবী শিক্ষকদের দ্বারা একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত শিক্ষাকে পেশাগত জীবনে শতভাগ কাজে লাগাতে সক্ষম। যার প্রতিফলন শিক্ষার্থীরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে উন্নত বিশ্বে গড়ে তুলছেন তাদের কাঙ্ক্ষিত ক্যারিয়ার।
এছাড়া আরও বক্তব্যে রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফরিদুল আলম। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে সাস্টিয়ানদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল, সাস্ট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএ একটি রোল মডেল হিসেবে দেখতে চাই। কারণ সাস্ট আমাদের ভালোবাসা, আবেগ ও অনুভূতিজুড়ে।
এনওয়াইপিডির ক্রিমিনাল জাস্টিস ব্যুরোতে কর্মরত ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও পলিমার সায়েন্সের ২য় ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী লেফট্যানেন্ট সাজেদুর রহমান বলেন, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশে প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষায় সুযোগ লাভের পাশাপাশি নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ, আইবিএম, গুগল, আমাজনের মতো বিশ্বের নামকরা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাকরি লাভের ক্ষেত্রে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা অন্যান্যদের তুলনায় বেশ এগিয়ে রয়েছে ।
একই ব্যাচের শিক্ষার্থী মাসুদ আলম বলেন, সাস্টিয়ানদের মিলনমেলায় আসতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। আশাকরি, ভবিষ্যতে এ ধরনের মিলনমেলা অব্যাহত থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের ছাত্র ফরিদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বেলায়েত চৌধুরী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রসায়ন বিভাগের ৪র্থ ব্যাচের শিক্ষার্থী বেলায়েত চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে নৈশ ভোজনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বেলায়েত চৌধুরী, মো. ফখরুল ইসলাম, সায়েদ জাবেদুর মুনির, আহমেদুর রহমান রণি, অসীম কুমার সরকার, আলমগীর হোসেন, মাহবুব আহমেদ মাসুম, আজহার আহমেদ, মো. মইনুল হোসেন বাবু, কাজী লিমন, মিসকাত জাহান, ফারহানা ইসলাম, দীপঙ্কর দাস দীপন, শাকির হোসেন, তাসফীক রহমান, মৌসুমী কাপালী, মো. জাবেদুল হক, মো. শফিকুল ইসলাম, সাইদুর রহমান, রাজেশ মাহা, ওবাইদুর রহমান, রিয়াদুল ইসলাম, শোয়েব চৌধুরী, আতাউল গণি আসাদ, মো. সাদিকুর রহমান সুফিয়ান, টিপু, আহমেদ ফাহাদ ও প্রদীপ্তা রায় প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


প্রচণ্ড গরমে দেশব্যাপী জারি রয়েছে তিন দিনের জন্য সতর্কতামূলক হিট
অ্যালার্ট। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে যশোরে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা
মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। অন্যদিকে রাজধানী ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও এদিন ছিল
৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দাবদাহে দেশের বিভিন্ন
স্থানে হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। তীব্র দাবদাহের কারণে হিটস্ট্রোক বা
সানস্ট্রোকে সারা দেশে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এই যখন অবস্থা, তখন গরমের দেশ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এদিন
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোর
কোনোটিরই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বাংলাদেশের চেয়ে বেশি ছিল না।
এছাড়া ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে ২১ ডিগ্রি, বাহরাইনের রাজধানী মানামার
তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি, ইরানের তেহরানে ২৬ ডিগ্রি, সিরিয়ার আলেপ্পোতে ২৫ ডিগ্রি,
তুরস্কের আঙ্কারায় ১১ ডিগ্রি, ইরাকের বসরাতে ৪০ ডিগ্রি, সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে
২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সৌদির জেদ্দাতে ৩৩ ডিগ্রি, কুয়েতের রাজধানী কুয়েত সিটিতে ৩৬
ডিগ্রি, ওমানের মাস্কাটে ২৮ ডিগ্রি, ইয়েমেনের রাজধানী সানাতে ২৫ ডিগ্রি এবং
ইসরায়েলের তেলআবিবে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়াভিত্তিক অ্যাপ ‘অ্যাকুওয়েদার’-এর তথ্য অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব
আমিরাতের আবুধাবিতে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জর্ডানের রাজধানী
আম্মানের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি, ইরাকের বাগদাদের তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি, লেবাননের
রাজধানী বৈরুতের তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি, কাতারের দোহারে তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি,
তুরস্কের ইস্তাম্বুলের তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তীব্র তাপপ্রবাহ
অন্য সময়ের রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছে। এপ্রিলের পাশাপাশি এবার মে মাসও উষ্ণতম মাস হতে
যাচ্ছে। মে মাসে তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার করবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে
দেশের আবহাওয়া বিভাগ।
একনজরে দেখে নিন হিটস্ট্রোকের লক্ষণগুলো
প্রচণ্ড মাথাব্যথা : হিটস্ট্রোকের ঝুঁকিতে থাকলে প্রচণ্ড মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। এ
ছাড়া গরমে মানুষের মাইগ্রেন ট্রিগার করতে পারে। এটি হিটস্ট্রোকের অন্যতম একটি
লক্ষণ হতে পারে।
বেশি তৃষ্ণা অনুভব ও অতিরিক্ত ঘামানো : হিটস্ট্রোকের আগে অনেক বেশি তৃষ্ণা অনুভব হবে, সেইসঙ্গে
ডিহাইড্রেটেড এবং আড়ষ্টতা অনুভব হতে পারে। শরীর নিজেকে ঠান্ডা করার জন্য অতিরিক্ত
ঘাম তৈরি করতে পারে।
হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি পাওয়া : হিটস্ট্রোকের আগে হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পেতে পারে।
শ্বাসকষ্ট : হিটস্ট্রোকের অন্যতম লক্ষণ হলো শ্বাসকষ্ট এবং দ্রুত ও ভারী
শ্বাস-প্রশ্বাসও।
দুর্বলতা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়া : তীব্র গরমের কারণে শরীর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কাজ করে। এতে শরীরে
ক্লান্তি ও দুর্বলতা তৈরি হয়। ব্যক্তি অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে। এগুলো হিটস্ট্রোকের
লক্ষণ।
পেশিতে ব্যথা : হিটস্ট্রোকের আগ মুহূর্তে পেশিতে ব্যথা অনুভব হতে পারে। যদিও
সাধারণ ব্যথা ভেবে অনেকে এটাকে তেমন গুরুত্ব দেয় না।
কথা জড়িয়ে যাওয়া : হিটস্ট্রোকের আগে যেসব লক্ষণ দেখা যায়, তারমধ্যে একটি হলো কথা
জড়িয়ে যাওয়া। ব্যক্তি অসংলগ্ন কথা বলতে শুরু করতে পারে।
বমি বমি ভাব : মাথাব্যথা, দ্রুত হৃৎস্পন্দন ও হাইপারভেন্টিলেশন থেকে অক্সিজেনের
অভাব ইত্যাদির কারণে হিটস্ট্রোকের আগে বমি বমি ভাব হতে পারে।
বিরক্তি-বিভ্রান্তি : মাত্রাতিরিক্ত গরমের কারণে হিটস্ট্রোকের আগে মানুষ বিরক্ত বোধ
করতে পারে, রাগান্বিত হতে পারে, অযৌক্তিক কথা বলতে পারে এবং এমনকি প্রলাপ বকতে
করতে পারে।
ঘাম না হওয়া : হিটস্ট্রোকের আরেকটি লক্ষণ হলো প্রচণ্ড গরমেও ঘাম না হওয়া।
সাধারণত এর মানে হচ্ছে, শরীরে ঘাম হওয়ার মতো পানি আর নেই বা শরীরের প্রাকৃতিক শীতল
প্রক্রিয়াটি কাজ করছে না।
চিকিৎসকদের মতে, হিটস্ট্রোক এড়াতে শরীর হাইড্রেট রাখার কোনো বিকল্প
নেই। তাপমাত্রা বেশি হলে ঢিলেঢালা এবং হালকা রঙের পোশাক পরে ঘরের বাইরে যেতে হবে।
সূর্যের আলো থেকে চোখকে রক্ষা করতে সানগ্লাস ব্যবহার করা। প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ
পানি পান করতে হবে। তবে কৃত্রিম চিনিযুক্ত পানীয় থেকে দূরে থাকতে হবে।
মন্তব্য করুন


ভূমধ্যসাগর দিয়ে নৌকাযোগে ইউরোপ যাত্রাকালে তিউনিসীয় উপকূলে অগ্নিকাণ্ডে মারা যাওয়া নয়জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশি বলে জানিয়েছে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস।
শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ত্রিপোলিতে থাকা দূতাবাস জানায়, লিবিয়া উপকূল থেকে ৫২ জনের একদল অভিবাসনপ্রত্যাশী সাগরপথে ইউরোপ যাত্রাকালে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি তিউনিসিয়া উপকূলে তাদের বহনকারী নৌকাটিতে অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
পরে তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী নৌকাটি থেকে নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করে। জীবিত ফিরিয়ে আনে ৪৩ জনকে।
আর জীবিত অবস্থায় উদ্ধার অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আর মারা যাওয়া নয়জনের মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশি বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে।
দূতাবাস আরো জানায়, উদ্ধারকৃত বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা এবং চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে দূতাবাস তিউনিসিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং আইওএমের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। এছাড়া স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎপূর্বক তাদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং মারা যাওয়া বাংলাদেশিদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে দূতাবাসের একটি টিমকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তিউনিসিয়া পাঠানোর সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলছে।
পাশাপাশি দূতাবাস বলছে, আইওএমের তথ্যমতে বিভিন্ন দেশের উপকূল হতে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপ গমনের চেষ্টাকালে ২০২৩ সালে তিন হাজারেরও বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী মারা গেছেন এবং নিখোঁজ হয়েছেন।
সম্প্রতি ইউরোপের বিভিন্ন দেশ অবৈধ অভিবাসনের বিষয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করায় লিবিয়া ও তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী তাদের নজরদারি জোরদার করেছে। ফলে বর্তমানে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপযাত্রা অত্যন্ত বিপদজনক ও ঝুঁকিপূর্ণ।
ঝুঁকি নিয়ে এভাবে ইউরোপযাত্রা না করতে বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সতর্ক করেছে দূতাবাস।
এছাড়া লিবিয়ায় কর্মরত-বসবাসরত প্রবাসীদের বর্ণিত বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে অবস্থানরত তাদের আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতদেরও সতর্ক করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশন সচিবালয় জানিয়েছে,বাংলাদেশি ভোটার বিদেশে বসবাস করলেও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন।
সম্প্রতি এ নিয়ে ইসির উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমানের স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্র জারি হয়েছে যাতে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ২৭ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিধান রয়েছে।
পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের জন্য আবেদন:প্রবাসী ব্যক্তি ভোটদানের জন্য কমিশনের ঘোষিত সময়সূচির প্রজ্ঞাপন ঘোষণার দিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদানের জন্য রিটার্নিং অফিসারের নিকট বিধি অনুসারে আবেদন করতে পারবেন।বিধান অনুযায়ী পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদান সংক্রান্ত রিটার্নিং অফিসার স্থানীয়ভাবে প্রচার করবেন। আর বিদেশে অবস্থিত দূতাবাস, হাইকমিশন ও মিশনসমূহ থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পদ্ধতিগতভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর করণীয়: রিটার্নিং অফিসার উল্লিখিত আবেদন প্রাপ্তির পর পরই সংশ্লিষ্ট ভোটারের নিকট একটি পোস্টাল ব্যালট পেপার এবং তার সঙ্গে একটি খাম পাঠাবেন। এই খামের ওপর ভোটার থেকে যথারীতি পূরণকৃত খামটি ডাক বিভাগের উপযুক্ত কর্মকর্তার দ্বারা সার্টিফিকেট অব পোস্টিংয়ের মাধ্যমে ডাকযোগে প্রেরণের প্রত্যয়নসহ তারিখ উল্লেখ থাকবে। সার্টিফিকেট অব পোস্টিংয়ের মাধ্যমে পোস্টাল ব্যালট পেপার গ্রহণ এবং চিঠির ওপর এ সম্পর্কে রাবার স্ট্যাম্পের সিল ব্যবহার করতে হবে। রিটার্নিং অফিসার সঙ্গে সঙ্গে ডাকযোগে ভোটদানের যোগ্য ব্যক্তিদের নিকট পোস্টাল ব্যালট পেপার প্রেরণ করবেন।
পোস্টাল ব্যালটে ভোটের নিয়ম: যার নিকট ব্যালট পেপার প্রেরণ করা হবে তার নাম, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার নাম এবং ভোটার তালিকায় বর্ণিত ক্রমিক নম্বর ইস্যুকৃত ব্যালট পেপারের মুড়িপত্রে লিপিবদ্ধ করবেন।) উল্লিখিত ভোটার সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রে যাতে ভোট প্রদান করতে পারেন তা নিশ্চিত করবেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্তৃপক্ষকে ডাকযোগে ব্যালট পেপার প্রেরণ ও প্রাপ্তির নিশ্চয়তা বিধানের লক্ষ্যে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করতে হবে ।
মন্তব্য করুন


নিউইয়র্কে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘সাস্ট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএ ইনক’ এর উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৪ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা নিউইয়র্কের কুইন্সের এস্টোরিয়ায় অবস্থিত জালালাবাদ ভবনে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে। এতে নিউইয়র্ক ও নিউজার্সি স্টেটের বিভিন্ন পেশায় কর্মরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রায় অর্ধশতাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী অংশ নেন। দুপুর ৪টা থেকে নিউইয়র্কের বিভিন্ন বোরো থেকে অংশগ্রহণকারীরা জালালাবাদ ভবনের সামনে জড়ো হতে থাকে। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সময়ের স্মৃতিচারণসহ সহপাঠী, সিনিয়র-জুনিয়র ও অতিথি শিক্ষকবৃন্দদের আলাপচারিতায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো অনুষ্ঠান।অনুষ্ঠানের শুরুতে পরিবেশন করা হয় বিকেলের নাস্তা। এরপর শুরু হয় মূল পর্ব। এ পর্বে ছিল পরিচিতি পর্ব ও সাধারণ সভা। সাধারণ সভায় উপস্থিত প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের মতামতের ওপর ভিত্তি করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি সিলেকশন বোর্ড গঠিত হয়। আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে এই সিলেকশন বোর্ড একটি ২১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী ও ৭ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটি গঠনে কাজ করবে ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর এ এইচ এম বেলায়েত হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালীন থেকেই উন্নত বিশ্বের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একাডেমিক সিলেবাস তৈরি করা হয় এবং বিশ্বমানের বিভিন্ন লেখকদের বইগুলো পাঠ্যবই হিসেবে সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর পাশাপশি দক্ষ ও মেধাবী শিক্ষকদের দ্বারা একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত শিক্ষাকে পেশাগত জীবনে শতভাগ কাজে লাগাতে সক্ষম। যার প্রতিফলন শিক্ষার্থীরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে উন্নত বিশ্বে গড়ে তুলছেন তাদের কাঙ্ক্ষিত ক্যারিয়ার।
এছাড়া আরও বক্তব্যে রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফরিদুল আলম। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে সাস্টিয়ানদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল, সাস্ট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএ একটি রোল মডেল হিসেবে দেখতে চাই। কারণ সাস্ট আমাদের ভালোবাসা, আবেগ ও অনুভূতিজুড়ে।
এনওয়াইপিডির ক্রিমিনাল জাস্টিস ব্যুরোতে কর্মরত ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও পলিমার সায়েন্সের ২য় ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী লেফট্যানেন্ট সাজেদুর রহমান বলেন, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশে প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষায় সুযোগ লাভের পাশাপাশি নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ, আইবিএম, গুগল, আমাজনের মতো বিশ্বের নামকরা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাকরি লাভের ক্ষেত্রে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা অন্যান্যদের তুলনায় বেশ এগিয়ে রয়েছে ।
একই ব্যাচের শিক্ষার্থী মাসুদ আলম বলেন, সাস্টিয়ানদের মিলনমেলায় আসতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। আশাকরি, ভবিষ্যতে এ ধরনের মিলনমেলা অব্যাহত থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের ছাত্র ফরিদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বেলায়েত চৌধুরী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রসায়ন বিভাগের ৪র্থ ব্যাচের শিক্ষার্থী বেলায়েত চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে নৈশ ভোজনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বেলায়েত চৌধুরী, মো. ফখরুল ইসলাম, সায়েদ জাবেদুর মুনির, আহমেদুর রহমান রণি, অসীম কুমার সরকার, আলমগীর হোসেন, মাহবুব আহমেদ মাসুম, আজহার আহমেদ, মো. মইনুল হোসেন বাবু, কাজী লিমন, মিসকাত জাহান, ফারহানা ইসলাম, দীপঙ্কর দাস দীপন, শাকির হোসেন, তাসফীক রহমান, মৌসুমী কাপালী, মো. জাবেদুল হক, মো. শফিকুল ইসলাম, সাইদুর রহমান, রাজেশ মাহা, ওবাইদুর রহমান, রিয়াদুল ইসলাম, শোয়েব চৌধুরী, আতাউল গণি আসাদ, মো. সাদিকুর রহমান সুফিয়ান, টিপু, আহমেদ ফাহাদ ও প্রদীপ্তা রায় প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


কুয়েত ঢাকা রুটে যাতায়াতকারী প্রবাসীদের জন্য সুখবর দিলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এবার কুয়েত প্রবাসীদের জন্য অতিরিক্ত ব্যাগেজ সুবিধা ও মূল্যহ্রাসের সুখবর নিয়ে এলো বিমান।
বুধবার (১০ মে) থেকে ৫ কেজি ১৪ কুয়েতি দিনার, ১০ কেজি ব্যাগেজ ১৯ কুয়েতি দিনার, ২৩ কেজি ব্যাগেজ ৩২ কুয়েতি দিনার এবং সঙ্গে ১ দিনারের সার্ভিস চার্জ নিতে পারবেন যাত্রীরা। ইকনোমিক ক্লাসে যাত্রীরা ৫০ কেজি ব্যাগেজ ও ৭ কেজি হাতে এবং বিজনেস ক্লাসে ৬০ কেজি ব্যাগেজ ও ৭ কেজি হাতে নিতে পারবেন। অতিরিক্ত এ ব্যাগেজ সুবিধা ও ব্যাগেজের মূল্যহ্রাসের খবরে উচ্ছ্বাসিত কুয়েত প্রবাসীরা।
চট্টগ্রামের কুয়েত প্রবাসী মোহাম্মদ আকবর হোসেন বলেন, অতিরিক্ত ব্যাগেজের দাম কমানোয় আমরা অনেক খুশি। আমাদের পরিবার ও প্রিয়জনদের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক কিছু বাড়ি নিয়ে যেতে পারব। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের একটা অনুরোধ, বিমানে যেন শিডিউল ঠিক রাখে এবং আগের মতো কুয়েত চট্টগ্রাম রুটে বাংলাদেশ বিমানের সরাসরি ফ্লাইট চালু করে।
স্কাই টাচ এবং বদুর ট্রাভেল এজেন্সির সিনিয়র কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসনে মোবারক ও সেলিম হাওলাদার বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এ ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ফলে গ্রাহকদের বিভিন্ন এয়ারলাইন্স সম্পর্কে নানা অভিযোগ ও আবদার আমাদের কাছে আসে। আমরাও চেষ্টা করি তাদের আবদার ও অভিযোগগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দিতে। অতিরিক্ত ব্যাগেজ সুবিধা ও ব্যাগেজের মূল্যহ্রাস সময় উপযোগী চাহিদা ছিল তাদের। এতে কুয়েত বাংলাদেশ বিমানের প্রবাসী যাত্রীদের যাতায়াত বাড়বে। ফলে এতে লাভবান হবে বিমান এবং বাড়বে দেশের রেমিটেন্স। কুয়েত থেকে ঢাকা এবং চট্টগ্রাম রুটে বিমানে আরও ফ্লাইট বাড়ানো জরুরি বলেন মনে করেন এ কর্মকর্তারা।
কুয়েত বাংলাদেশ বিমানের কান্ট্রি ম্যানেজার আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, সবসময় যাত্রীদের অভিযোগ এবং চাহিদা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত থাকে। ইতোমধ্যে অতিরিক্ত ব্যাগেজ সুবিধা ও ব্যাগেজে মূল্যহ্রাস করেছি। বহির্বিশ্বে লাল সবুজ পতাকাবাহী বাংলাদেশের বিমান আমাদের নিজেদের বিমান। দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে প্রবাসীদের কর্ষ্টজিত আয়ে প্রবাসীদের নিয়মিত বাংলাদেশ বিমানে যাতায়াতের আহ্বান করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


কাতারে অগ্নিকাণ্ডে ৩ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।একটি মোটরসাইকেল দোকানে এ অগ্নিকান্ড ঘটে।নিহত তিন বাংলাদেশির মধ্যে দুজনের বাড়ি ফেনীতে। অপরজনের বাড়ি নোয়াখালীর সেবার হাটে।
রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে কাতারের ফিরোজ আবদুল আজিজ নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তিন বাংলাদেশি হলেন- ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের সিলোনিয়া সোনাপুর গ্রামের মৃত আবুল খায়েরের ছেলে মীর হোসেন, ফেনী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দিন মোহাম্মদ ভূঁইয়া বাড়ির বাসিন্দা মাহফুজ ও অপরজন লিটনের বাড়ি নোয়াখালীর সেবার হাটে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র নিয়ে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ষষ্ঠ টরন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০২৩’। কানাডার স্থানীয় সময় শনিবার টরন্টোর ৩০০০ ড্যানফোর্থ এভিনিউয়ের মাল্টিকালচারাল ফিল্ম স্ক্রীনিং সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
চার দিনব্যাপী এই চলচ্চিত্র উৎসবটি অনুষ্ঠিত হবে স্কারবোরোর ২২ লেভবিক এভিনিউয়ের সিনেপ্লেক্স ওডেন এবং মাল্টিকালচারাল ফিল্ম স্ক্রীনিং সেন্টার এ।
উল্লেখ্য, টরন্টো ফিল্ম ফোরাম ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করার পর চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, চলচ্চিত্র নির্মাণ ও চলচ্চিত্র বিষয়ে আলোচনায় টরন্টোর বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করে। ২০১৭ সালে কানাডার ১৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে টরন্টো ফিল্ম ফোরাম সেই বছরে ১ম মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করে।
তারপর এর ধারাবাহিকতায় প্রতি বছর টরন্টো ফিল্ম ফোরাম চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করে আসছে। শুধুমাত্র ২০২০ সালে করোনা অতিমারির সংকটের সময় টরন্টো ফিল্ম ফোরামের পক্ষে চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করা সম্ভব হয়নি।
প্রত্যাশা করা হচ্ছে এবার প্রায় ২০টি সংস্কৃতির ৪০টির মত প্রামাণ্য চলচ্চিত্র এবং স্বল্প ও পূর্ণ দৈর্ঘ্যের কাহিনী চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। সেই সঙ্গে উৎসবের সময়ে উপস্থিত থাকবেন প্রদর্শিত চলচ্চিত্রের বেশ কয়েকজন নির্মাতা এবং অভিনয় শিল্পী, যারা ইতোমধ্যে দেশে বিদেশে নিজেদের চলচ্চিত্র নির্মাণশৈলী এবং অভিনয়ের জন্য সুধীজনের দৃষ্টি কেড়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন টরন্টো ফিল্ম ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এবং ৬ষ্ঠ টরন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের সমন্বয়ক মনিস রফিক। টরন্টো ফিল্ম ফোরামের অনুষ্ঠান সম্পাদক ও ফেস্টিভ্যালের ভলিন্টিয়ার্স কমিটির আহ্বায়ক সোলায়মান তালুত রবিন, টরন্টো ফিল্ম ফোরামের অর্থ সম্পাদক ও ফেস্টিভ্যালের অর্থবিষয়ক কমিটির আহ্বায়ক সাহিদুল আলম টুকু এবং টরন্টো ফিল্ম ফোরামের সভাপতি ও ফেস্টিভ্যালের পরিচালক এনায়েত করিম বাবুল।
টরন্টো ফিল্ম ফোরামের সভাপতি এনায়েত করিম বাবুল বলেন, বর্তমান সময়ে চলচ্চিত্র একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ শিল্প মাধ্যম, এটার মাধ্যমে খুব সহজেই জাতি-গোষ্ঠী নির্বিশেষে সব মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়ানো সম্ভব।
টরন্টো ফিল্ম ফোরাম যেহেতু চলচ্চিত্র বিষয়ক একটি সংগঠন, সেহেতু চলচ্চিত্রের মাধ্যমে এই ‘মাল্টিকালচারাল স্পিরিট’টি সবার কাছে পৌঁছে দিতে সংগঠনটি বদ্ধ পরিকর। এবারের এই চলচ্চিত্র উৎসবে বিভিন্ন ভাষা-ভাষী ও সংস্কৃতির চলচ্চিত্রের সঙ্গে বাংলাদেশের তরুণদের একটি উল্লেখ সংখ্যক চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। ফলে আমরা খুব সহজেই উত্তর আমেরিকায় বাংলাদেশের চলচ্চিত্রও পৌঁছে দিতে পারব।
মন্তব্য করুন


জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে বৈশাখী উৎসব এবং রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠিত হয়েছে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ফ্রাঙ্কফুর্টের একটি অডিটোরিয়ামে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
জার্মান-বাংলা সনাতন কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনের সভাপতি শ্রী স্বজন কুমার চক্রবর্তী, সহ-সভাপতি মাখন সরকার, সাধারণ সম্পাদক সুজলা সিনহা, কোষাধ্যক্ষ সুনীল ঘোষ, প্রচার সম্পাদক অখিল শর্মাসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। এছাড়া অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা শ্রী আশুতোষ বনিক, শ্রী আদিত্য শর্মা এবং শ্রীমতি জুঁই চক্রবর্তী।
শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে আকর্ষণীয় করে তোলে। রবীন্দ্র সংগীতের সঙ্গে শিশুদের নাচ সবাইকে মুগ্ধ করে। এছাড়াও শিশুশিল্পী প্রকৃতি দে, শ্রীজা ঘোষ, সীমান্ত চক্রবর্তী, নীলান বর্মনসহ শিশু কিশোরদের পরিবেশনা অনুষ্ঠানটিকে উপভোগ্য করে তোলে। অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন জুঁই চক্রবর্তী, মিতা দত্ত, শিউলি দাস, স্মৃতি চক্রবর্তী, হেনা দত্ত, বরুণ চক্রবর্তীসহ অনেকে। সব মিলিয়ে পুরো অনুষ্ঠান হয়ে উঠেছিল প্রবাসের বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ। জার্মানির বিভিন্ন শহরে অধ্যয়নরত বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করে সকলের মাঝে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
মন্তব্য করুন


চীনের চিয়াংশি প্রদেশের নানছাং ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুল এবং বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় তাদের মধ্যে শিক্ষা বিষয়ে বাস্তব সহযোগিতা এবং বিনিময় নিয়ে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
মঙ্গলবার সকালে চিয়াংশি প্রাদেশিক বৈদেশিক বিষয়ক অফিস এবং চিয়াংশি পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর ফ্রেন্ডশিপ উইথ ফরেন কান্ট্রিসের সার্বিক সহযোগিতায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বক্তব্য রাখেন- বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কুল কমিটির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ মারুফ, নানছাং ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপাল হউ থিং এবং চিয়াংশি প্রদেশের বৈদেশিক বিষয়ক অফিসের কর্মকর্তা রাও ইয়েসহ আরো অনেকে।অনলাইন এক্সচেঞ্জ মিটিংয়ে দুই স্কুলের প্রতিনিধিরা বাস্তব সহযোগিতা এবং বিনিময় বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে একমত পোষণ করেন।
উভয় স্কুলের শিক্ষক-ছাত্রদের দুই দেশ পরিদর্শন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, কোর্স-কারিকুলাম বিনিময়, আন্তর্জাতিক ছাত্র ক্লাব নির্মাণ, সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম, চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি দৃঢ় সম্পর্ক তৈরি করতে অনলাইন এবং অফলাইন কার্যক্রম, একসঙ্গে সহযোগিতা ও বিনিময়ের একটি নতুন অধ্যায় রচনাসহ নানা বিষয়ে একমত পোষণ করেন চীন ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা।
মন্তব্য করুন


সংবাদমাধ্যমের
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক আবাসিকের ক্যামেরায় তোলা ওই ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, দোতলার
টিনের কার্নিশ থেকে কোনও রকমে আটকে রয়েছে ওই একরত্তি। পা কার্নিশের বাইরে ঝুলছে।
তাকে
উদ্ধার করতে তৎপর হয়ে উঠেছেন আবাসিকরা। অনেকে আতঙ্কে চিৎকার করতে শুরু করেছেন। কেউ
কেউ একটি চাদর ধরে আবাসনের নীচে দাঁড়িয়ে পড়েছেন। এর পর তিন জন আবাসিক এক তলার
একটি ঘরের জানালা দিয়ে বাইরে বেরিয়ে ওই শিশুটিকে উদ্ধার করেন।
মন্তব্য করুন