

আল্লাহ ছাড়া আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, আগামী ২০২৬ সালের রমজানের আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না। একমাত্র আল্লাহ রাববুল আল আমিন ছাড়া।
আজ শনিবার নেত্রকোণা জেলা বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন বলেন, আমরা সাংবিধানিক সংস্কার করছি। রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কার করছি। একটি লক্ষ্য নিয়েই সংস্কার করছি, যাতে এই দেশে আর কোনোদিন ফ্যাসিবাদের জন্ম না হয়।
আগামী সংসদীয় নির্বাচনের পর বিএনপি সংস্কার বাস্তবায়ন করবে জানিয়ে এই বিএনপি নেতা বলেন, যে সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করতে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন নেই তা বর্তমান সরকার এখনই বাস্তবায়ন করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ এখন নির্বাচনমুখী। কেউ নির্বাচনের বিরোধিতা করলে বাংলাদেশের জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।
ঠুনকো অজুহাতে কেউ কেউ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে চায় বলেও অভিযোগ করেন সালাউদ্দিন আহমদ। বলেন, দেশে নির্বাচনী আবহ তৈরি হয়েছে। প্রার্থীরা গণসংযোগ শুরু করেছে। এখন যদি কেউ নির্বাচন বিরোধী বক্তব্য দেয় তবে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।
মন্তব্য করুন


বাতিল হওয়া মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছেন ঢাকা-৯ সংসদীয় আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে আপিল জমা দিতে ইসিতে আসেন তিনি।
এর আগে, গত ৩ জানুয়ারি তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জারার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন।
আপিল প্রক্রিয়া শেষে তাসনিম সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা-৯ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলাম। সেটি গ্রহণ হয়নি। তাই আমরা আপিল করছি এবং আমরা আইনি লড়াই চালিয়ে যাবো।
তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন, একদম দেড় দিনের মাথায় প্রায় ৫ হাজার মানুষ স্বতস্ফূর্তভাবে আমাদেরকে স্বাক্ষর দিয়েছেন, অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন, নিজেরাই স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বুথ করেছেন। তো এইটার প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা আমাদের আইনি লড়াইটা চালিয়ে যাব। যারা সই করেছেন এত অল্প সময়ে, ওনারা চান আমি যেন নির্বাচনে কনটেস্ট করতে পারি। তো সেজন্য আমরা আপিল করেছি। এবং আমরা আইনি প্রক্রিয়ার লড়াইটা চালিয়ে যাবো।
উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুরু হয়েছে সোমবার। আপিলের জন্য আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে অঞ্চল ভিত্তিক ১০টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। আগামী ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থী, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বা প্রার্থীর ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কেউ ইসিতে আপিল করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন অনির্বাচিত সরকারের স্বৈরাচারী হয়ে ওঠার লক্ষণ প্রকাশ হতে শুরু করেছে। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে নির্বাচনের রোডম্যাপ দেওয়ার আহ্বান জানান।
মঙ্গলবার (২৭ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিষদের আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
খসরু বলেন, দেশের জনগণ সাংঘর্ষিক রাজনীতি বা মবোক্রেসি চায় না। নির্বাচনের সঙ্গে বিচার, সংস্কার সাংঘর্ষিক নয়। সবগুলো চলমান প্রক্রিয়া।
তিনি বলেন, ভিন্নমত হলেও আমরা সম্মান করতে শিখব। ছাত্র-জনতা, রাজনৈতিক দল, সেনাবাহিনী- তিনটি শক্তি শেখ হাসিনার পতনে কাজ করেছে।
নতুন সরকারকে সাপোর্ট দিয়েছে। শেখ হাসিনা পলায়ন করেছেন। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ দেশের মালিকানা ফিরে পাবে, এমন আশায় আমরা বুক বেঁধেছি। জনগণের অধিকারহীন অবস্থায় আসার কথা ছিল না।
অনির্বাচিত সরকার যদি বেশিদিন ক্ষমতায় থাকে, তবে ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য গণমাধ্যমের ওপর চাপ বাড়বে জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে নির্বাচনের রোডম্যাপ দিক। রাজনীতিবিদদের অনুধাবন করতে হবে, আগামীর রাজনীতি আগের মতো হবে না।
সূত্র: কালেরকন্ঠ
মন্তব্য করুন


নতুন করে আরও ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে এক কোটি করে মোট ছয় কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. হায়দার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আমদানির অনুমতি পাওয়া নতুন ছয়টি প্রতিষ্ঠান হলো- চিজ গ্যালারি, পপুলার ট্রেড সিন্ডিকেট, মেসার্স রিপা এন্টারপ্রাইজ, এস এম কর্পোরেশন, বিডিএস কর্পোরেশন এবং মেসার্স জয়নুর ট্রেডার্স।
এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর চারটি প্রতিষ্ঠানকে এক কোটি করে মোট ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দেয় সরকার।
সম্প্রতি ডিম, আলু ও পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। বলা হয়, খুচরা পর্যায়ে প্রতি পিস ডিমের দাম পড়বে ১২ টাকা। এর মধ্যে দুই ধাপে মোট ১০ প্রতিষ্ঠানকে ১০ কোটি ডিম আমদানির অনুমিত দিলো সরকার।
এছাড়া ডিম আমদানিতে কয়েকটি শর্ত দেওয়া হয়। সেগুলো হলো:
১. এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু-মুক্ত দেশ থেকে ডিম আমদানি করতে হবে।
২. আমদানি করা ডিমের প্রতিটি চালানের জন্য রপ্তানিকারক দেশের সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের দেওয়া এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু ভাইরাস ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ামুক্ত সনদ দাখিল করতে হবে।
৩. নিষিদ্ধ পণ্য আমদানি করা যাবে না।
৪. সরকারের অন্যান্য বিধি–বিধান প্রতিপালন করতে হবে।
এদিকে ডিমের দাম নির্ধারণকে স্বাগত জানালেও আমদানির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, ডিম আমদানি করলে এ শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। পরে আরও বেশি দামে ডিম খেতে হবে।
মন্তব্য করুন


এখন পর্যন্ত নির্বাচনে যত বাধা, তা সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে মুক্তিযোদ্ধা দলের আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপি নির্বাচন পেছাচ্ছে, এমন অভিযোগের বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনমুখী দল। আমরা তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন চেয়েছিলাম। নির্বাচন হলে অপশক্তিগুলো মাথা তুলতে পারতো না।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে যা পাস হয়েছে, সব বিএনপির ৩১ দফায় রয়েছে। বিএনপি সংস্কারপন্থি। কিন্তু জনগণকে বোকা বানিয়ে নয়, তাদের সামনে উপস্থাপন করতে হবে। তারা (ঐকমত্য কমিশন) স্বাক্ষরের নোট অব ডিসেন্ট রেখেছিল। এখন তারা সেগুলো বাদ দিয়ে দিয়েছে। এটি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সংবাদ সম্মেলন করেছি। রাস্তায় নামিনি। প্রধান উপদেষ্টার বাড়ি বা নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করিনি। একটি দল আন্দোলন করে সব চাপিয়ে দিতে চায়।’
দেশ কঠিন সময় পার করছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘গণভোটের প্রয়োজন ছিল না। তারপরও রাজি হয়েছি। তারা এখন গণভোট আগে চায়। নির্বাচন ঘিরে প্রধান উপদেষ্টা হামলা হতে পারে- এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। কিন্তু কারা করতে পারে তা স্পষ্ট করা উচিত ছিল।’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘হাসিনা গণমাধ্যমে কথা বলছে, কিন্তু ক্ষমা চায়নি। সে ভারতে বসে অপপ্রচার চালাচ্ছে, ভারতকে বলব, হাসিনাকে ফেরত দিন। তাকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।’
মন্তব্য করুন


তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে বাংলাদেশের মাটি স্পর্শ করেছে বিমানটি।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ১২টা ১৭ মিনিটে (প্রথম প্রহরে) লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে যাত্রা করে বিমানটি। একই বিমানে তার সঙ্গে দেশে ফিরছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
বিমানবন্দরে পৌঁছে ভিআইপি লাউঞ্জ ‘রজনীগন্ধা’য় অবস্থান শেষে তারেক রহমান সড়কপথে কুড়িল হয়ে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় নির্মিত গণসংবর্ধনা মঞ্চে যাবেন। সেখানে তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন এবং দুপুর ৩টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করবেন।
এরপর ৩০০ ফিট এলাকা থেকে বসুন্ধরা জি ব্লকের গেট দিয়ে তিনি সরাসরি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। সেখানে বিকেল ৪টা ১০ মিনিট থেকে প্রায় এক ঘণ্টা চিকিৎসাধীন তার মা বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পাশে অবস্থান করার কথা রয়েছে। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসভবন ‘ফিরোজা’য় যাবেন।
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে তিন স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দর্শনার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। একই সঙ্গে বিমানবন্দর এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সোয়াট টিমকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


গণতন্ত্র মানে অন্যের মতকে সম্মান দেওয়া বলে মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, কথা বলার সুযোগ অব্যাহত থাকলে আপনা আপনিই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
আমীর খসরু বলেন, স্বৈরাচারের পতনের পর বাংলাদেশের মানুষের মনোজগতে বিশাল পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তন বুঝতে না পারলে কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি টিকতে পারবে না।
রবিবার (১০ আগস্ট) সকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ৩৬৫ দিন’ শীর্ষক সংলাপে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কথা বলেন।
এ সংলাপ আয়োজন করে বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
সাংঘর্ষিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে সবাইকে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দেন তিনি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘বক্তব্যের মাধ্যমে বিষোদগার বন্ধ করতে হবে। গণতন্ত্র মানে অন্যজনের কথা শুনে সহ্য করা, তার মতকে সম্মান দেওয়া।
রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন না হলে সংস্কার অসম্ভব। বিপ্লবোত্তর যে দেশ দ্রুত নির্বাচন করেছে, তারা ভালো করেছে; যারা দীর্ঘ সময় নিয়েছে, সেখানে অন্তঃকোন্দল বেড়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার দিকে যাচ্ছে। এটা একটি অন্তর্বর্তী সরকার। তাদের প্রাথমিক দায়িত্ব যেখান থেকে গণতন্ত্র ধ্বংস হয়েছে, সেখান থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা। জনগণকে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে।
আমীর খসরু বলেন, ঐকমত্যের প্রচেষ্টা একটি ভালো উদ্যোগ। আলাদা দর্শন থাকবে, কিন্তু সবাইকে এক জায়গায় আসতে হবে—এটা বাকশালের আদর্শ। চাপিয়ে দেওয়া কোনো পরিবর্তন টেকসই হবে না। অর্থনৈতিক উন্নতি করা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।
এই সরকারের সময় বিনিয়োগ আসেনি মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, এতে তাদের দোষ নেই। বিনিয়োগে বাংলাদেশ অনেক নিচে। সিরিয়াস ডিরেগুলেশন ও সিরিয়াল লিবারেলিজম ছাড়া দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নেওয়া যাবে না।
সরকারের অনেক দায়িত্ব বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিতে হবে। ট্রেড বডিগুলোর হাতে অনেক কার্যক্রম তুলে দিয়ে সরকারকে নির্ভার হতে হবে। ফিজিক্যাল কন্ট্রাক্ট না কমালে দুর্নীতি কমানো যাবে না। দেশে যত নিয়ন্ত্রণ (রেগুলেশন) থাকবে, তত দুর্নীতি বাড়বে। অর্থনীতিকে গণতান্ত্রিক করতে হবে, সবার অংশগ্রহণ লাগবে, যোগ করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, ফ্যাসিবাদের বাজেট চালিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট দেওয়া উচিত ছিল।
মন্তব্য করুন


বিএনপি অর্থনীতি ধ্বংস করেছে- এ কথা কেউ বলতে পারেনি দাবি করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিগত ১৫ বছরে যারা লুটপাটে জড়িত তাদের শাস্তি দিন। কিন্তু তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বেকারত্ব তৈরি করা কোনো সমাধান নয়।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে সব সময় দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে ভূমিকা রেখেছে। ওপেন ইকোনমি যুগের সূচনা করেছেন জিয়াউর রহমান। ক্ষমতায় এসে বিএনপি প্রতিবারই অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে কাজ করেছে।’
ব্যবসায়ীদের প্রতি আস্থা রেখে নীতিগত পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করা দরকার। তাদের বিশ্বাস করতে হবে। লুটপাটে যারা জড়িত তাদের শাস্তি দিন। কিন্তু প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে কেনো বেকারত্ব তৈরি করছি? এগুলো ভাবতে হবে।’
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘শুধু অর্থনৈতিক পথরেখা নয়, রাজনৈতিক পথরেখাও তৈরি করতে হবে। সংস্কারের যেসব বিষয়ে বিএনপি সই করেছে, তার বহু আগেই দলটি এসব প্রস্তাব উত্থাপন করেছিল।’
তিনি বলেন, বিএনপি শুধু ‘নতুন বাংলাদেশ’ নয়, বরং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চায়। যেখানে গণতন্ত্র ও অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে।
মন্তব্য করুন


রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে দ্রুত নির্বাচনের রোডম্যাপ দেওয়ার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি জানায়, ‘আমরা আবারও বলছি, বর্তমানে যে রাজনৈতিক সংকট এই সংকট দূর করবার একটিমাত্র পথ তা হচ্ছে, অতি দ্রুত নির্বাচনের একটি রোড ম্যাপ ঘোষণা করা। এখানে অন্য কথা বলে লাভ নেই।’
বৃহস্পতিবার (২২ মে) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চিকিৎসাধীন বিএনপি মহাসচিব ভার্চুয়ালি গণমাধ্যমকে একথা বলেন।
ফখরুল জানায়, সংস্কারের যে বিষয়টা আছে সেটা চলমান প্রক্রিয়া। এটাও প্রপোজ করবে যারা জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনে আছে তারা অতিদ্রুত যেগুলোতে রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যমত্য হয়েছে সেগুলো তারা ঘোষণা করবেন। যেসব বিষয়ে ঐক্যমত্য করে সনদ তৈরি করবেন। সুতরাং এটা নিয়ে কোনো বাড়াবাড়ি করা কিংবা এটা নিয়ে টানাহেঁচড়া করা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলবে। সেই কারণে জনগণের প্রত্যাশা যে, অতিদ্রুত একটা রোডম্যাপ ঘোষণা করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং চলমান যে সংস্কার প্রস্তাবগুলো যেগুলোতে ঐক্যমত্য হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়ন করবেন। আর যেসব সংস্কার প্রস্তাবে ঐক্যমত্য হবে না সেগুলো সনদের ভেতরে নিয়ে চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে রাখবেন।’
প্রকৌশলী ইশরাক হোসেনকে শপথ পড়ানো ইস্যুতে বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালতে রায় ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি মহাসচিব জানান, বিচার বিভাগের উচ্চ আদালত তারা আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে যেটা হওয়া উচিত সেই ধরণের রায় তারা দিয়েছেন। এই রায়ে জনগণের বিজয় হয়েছে।’
ইশরাক হোসেনের শপথ দিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানায় তিনি।
গত ১৪ মে চোখের অস্ত্রোপচারের জন্য বিএনপি মহাসচিব ব্যাংকক যান। পরদিন ব্যাংকক রুটনিন আই হসপিটালে তার বাম চোখে সফল অস্ত্রোপচার হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে আছেন চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অন্তবর্তী সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কারের পাশাপাশি আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার ঘোষণা দিলেও আশানুরূপ চিকিৎসা নিশ্চিত হয়নি। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আয়োজনে ‘জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারীদের স্মৃতিচারণ’ প্রেরণার গণঅভ্যুত্থান-২৪ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে শহীদ পরিবারদের কাছে গেলে এবং আহতদের পাশে গেলে তারা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করে বলে, জামায়াতে ইসলামী তাদের জন্য যেই ভূমিকা রেখেছে অন্য কোন দল এমনকি রাষ্ট্রও তা করেনি, করতে পারেনি।
জামায়াত আমির বলেন, এই আন্দোলনের বীরদের জামায়াতে ইসলামী দলীয় সম্পদ বানাতে চায় না। জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে আন্দোলনের শহীদ ও আহত সকল বীর আমাদের জাতীয় সম্পদ।
দলটির আমির বলেন, জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রথম কাজ হবে শিক্ষিত জাতি গঠন করা। যে জাতি যতবেশি শিক্ষিত সেই জাতি ততবেশি উন্নত। কিন্তু বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছে। বিগত সরকারের তৈরি শিক্ষানীতিতে কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী তৈরী হয়েছে। যেই শিক্ষা মানুষকে মানবিক ও আদর্শবান করে না, সেটি কখনো শিক্ষা হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, মিডিয়ার মাধ্যমে জাতি জানতে পারছে, শেখ হাসিনা তিন বাহিনীর প্রধানদের গণভবনে ডেকে নিদের্শ দিয়েছে যত মানুষ মারার দরকার হয় মারতে। তুব তার ক্ষমতার গদি লাগবে, রাখতে হবে। মানুষ যখন মনুষ্যত্ব হারিয়ে ফেলে তখনই এমন অমানবিক কথা বলতে পারে, নিদের্শ দিতে পারে। এক ব্যক্তি বা এক দলের ক্ষমতায় অতিতের সব সরকারকে হিংস্র করে তুলেছে। তারা ক্ষমতার লিপ্সায় মানুষ হত্যা করেছে। জামায়াতে ইসলামী এক ব্যক্তি বা এক দলের ক্ষমতায় বিশ্বাসী নয়। জামায়াতে ইসলামী গণতন্ত্রকামী সব দলের সমন্বয়ে সরকার গঠন করতে চায়। যেখানে একক কোন ব্যক্তি বা দলের ক্ষমতা ও প্রভাব থাকবে না। এমন একটি সরকার গঠন হলে জাতি সত্যিকার অর্থে স্বাধীনতা ভোগ করতে পারবে। একজন নাগরিক তার প্রাপ্য মর্যাদা ও অধিকার পাবে।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারীদের চিকিৎসা সহয়তা এবং শহীদদের পরিবারকে আর্থিক দুই লাখ টাকা করে সহযোগিতা প্রদানের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী কিছুটা দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হয়েছে। শহীদ পরিবারদের সঙ্গে পূর্বে মতবিনিময় করে তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা আমরা জানতে পেরেছি। আজ আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারীদের স্মৃতিচারণের মাধ্যমে তাদের আগামী দিনে আশা-আকাঙ্ক্ষা জেনে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীর এই আয়োজন।
অনুষ্ঠানে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারীদের মধ্যে স্মৃতিচারণ করেন নিজ ঘরের বেডরুমে গুলিবিদ্ধ দুই বছর বয়সী রাফসানের মা, প্লাম্বার মিস্ত্রি আল-আমীন, জাফরুল হাসান, অটোরিকশা চালক আল-আমীন, লাশ গোসল দানকারী জামাল হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিয়াজুল ইসলাম, মো. মাহবুব, মো. মেহেদী হাসান শুভ, বেলাল হোসেন, আনোয়ার হোসেন, পরিবহন শ্রমিক নুরে আলম, মহি উদ্দিন রাব্বি, নাহিদ হাসান, নারী শ্রমিক পারভীন, মো. আশরাফুল ইসলাম, দোকান কর্মচারী মো. ইউসুফ, টাইলস মিস্ত্রি শাহ আলম, মো. শিফায়েত হোসেন আসিফ, আল-আমীন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. আবু তাহের, বনশ্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আ. ন. ম সামিত, এশিয়ান প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী শারমিন রহমান, খিলগাঁও উত্তর এলাকার মো. নেছার উদ্দিন নাঈম প্রমুখ।
স্মৃতিচারণকালে আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কোন কিছু পাওয়ার আশায় আন্দোলনে অংশগ্রহণ করিনি, আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গঠন করে নাগরিক অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য। কিন্তু যাদের নেতৃত্বে ও আহ্বানে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি তারা আন্দোলন পরবর্তী শহীদ পরিবার ও আহতের থেকে দূরে সরে গেছে।
কেন আহতদের চিকিৎসা না করে ঢাকা মেডিকেল কতৃপক্ষ ফ্যাসিবাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে সে বিষয়ে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি প্রশ্ন রেখে তারা বলেন, আহতরা মারা গেলে বলা হয় আগামীকাল তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাহিরে নেয়া হতো! মরার আগে কেন বিদেশে নেয়া হয় না? বক্তারা গণহত্যার অপরাধে খুনি হাসিনা সহ তার দোসরদের বিচারের মাধ্যমে ফাঁসির দাবি করেন।
অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর আব্দুস সবুর ফকির ও এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারী যথাক্রমে মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন, মোহাম্মদ কামাল হোসাইন, ড. আব্দুল মান্নান, শামসুর রহমান সহ মহানগরীর নেতৃবৃন্দ ও সাংগঠনিক ইউনিটের দায়িত্বশীলসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আজ শুধু সমুদ্রে নয়, রাজনীতিতেও ঝড় উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, আমরা অবিলম্বে সরকারের পদত্যাগ চাই। পদত্যাগ করে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।
শনিবার (১৩ মে) নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
৪৭ বছর পর জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর মূল কারণ হলো- জনগণের আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করা। একই কায়দায় তারা ২০১৪ ও ২০১৮ সালে করেছিল। এভাবে নির্বাচনের আগে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। তবে কোনো ধানাই-পানাই করে বা কেরিকাটা করে লাভ হবে না। জনগণের বিজয় হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই দেশে উচ্চ আদালত জামিন দেয় কিন্তু নিম্ন আদালত তা বাতিল করে দেয়। যেখানে কোনো ঘটনাই ঘটেনি, সেখানে ককটেল ফাটানোর মামলা দেওয়া হয়। এসবের উদ্দেশ্য হচ্ছে- আবারও গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকা। সেজন্যই আবারও গায়েবি ও মিথ্যা মামলা দিচ্ছে তারা। এসবের বিরুদ্ধে আমাদের সমাবেশ। আজকে রিকশাওয়ালা সারাদিন পরিশ্রম করে বাসায় গিয়ে শান্তিতে ঘুমাতে পারেন না। কারণ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কয়েকগুণ বেড়েছে। দিন আনে দিন খায় এমন লোকেরা আজকে অসহায়। এই সরকার শুধু দুর্নীতির মাধ্যমে নিজেদের পকেট ভরছে। সাধারণ মানুষের পকেট কেটে বিদেশে পাচার করছে। প্রত্যেকটি খাতে সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। হজের বিমান ভাড়াও তারা বাড়িয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বিদেশে সফরে প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকার তিনটি দেশ সফর করেছে। কিন্তু কোনো অর্জন নেই। সবার সঙ্গে মিটিংয়ে নির্বাচনের প্রসঙ্গটি এসেছে। কারণ বিদেশিরা দেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন দেখতে চায়। দেশে-বিদেশে এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য যে, হাসিনা সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। তারা নির্বাচন করতে গেলে রুখে দেওয়া হবে। আমরা সত্যিকার অর্থেই জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় দেখতে চাই। এই দাবিতেই আমরা দীর্ঘকাল ধরে আন্দোলন করছি। আন্দোলন করতে গিয়ে বিএনপির হাজারো নেতাকর্মীকে খুন করা হয়েছে। ৩৯ লাখ মানুষকে আসামি করে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।
১৯৭১ সালের মতো গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হলে ঐক্যবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মো. রফিকুল আলম মজনু-আমিনুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান এজেডএম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আযম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবদুস সালাম প্রমুখ।
মন্তব্য করুন