চোরদের আর ভোট দেবেন না: নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা

চোরদের আর ভোট দেবেন না: নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, "হয়তো আমরা আর বেশি দিন নেই। এরপর নির্বাচন হবে। চোরদের আর নির্বাচিত করবেন না। দয়া করে চোরদের ভোট দেবেন না।"


শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে ভোলার মনপুরা উপজেলার বিচ্ছিন্ন ঢালচরে নতুন লঞ্চঘাট উদ্বোধনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।


এ উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. সাখাওয়াত আরও বলেন, "আপনারা সব দেখেছেন, সব জানেন। একজন ভালো মানুষকে নির্বাচিত করুন। যারা নিঃস্বার্থভাবে আপনাদের জন্য কাজ করে, তাদের ভোট দিন। বিগত সরকারের সময়ে বড় বড় প্রকল্প দেওয়া হলেও প্রত্যন্ত অঞ্চলে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। শুধু শহরের উন্নয়ন নয়, গ্রামের উন্নয়ন হলেই দেশ উন্নত হয়। বর্তমান সরকার বৈষম্যবিরোধী এবং গ্রামীণ সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানে কাজ করছে। নদীপথের যোগাযোগ আরও সহজ করতে নতুন নতুন লঞ্চঘাট স্থাপন করা হবে।"


তিনি আরও বলেন, "ভোলা জেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মনপুরা চারপাশে নদীবেষ্টিত। এখান থেকে ঢাকায় যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম লঞ্চ। নৌ-যোগাযোগ আরও সহজ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়া মনপুরার সঙ্গে জেলা শহরের সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের জন্য পর্যায়ক্রমে ফেরি চালুর ব্যবস্থাও করা হবে।"


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জ্বালানি সচিব মো. নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, নৌ-পরিবহন উপদেষ্টার একান্ত সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিএ'র চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ মোস্তফা এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী মো. নিজাম উদ্দিন সুজন চৌধুরী।


এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি ও উপজেলা বিএনপি সভাপতি আলহাজ্ব সামস উদ্দিন বাচ্চু চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাহবুবুল আলম শাহীন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আমিমুল ইহসান জসিম, প্রেসক্লাব সভাপতি মো. অহিদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সীমান্ত হেলালসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১০

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১১

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

১২

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

১৩

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৪

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১৫

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১৬

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১৭

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৮

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৯

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

২০

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ


ডেস্ক রিপোর্টঃ

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ ও তার স্ত্রী দিলশাদ নাহার কাকলীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

এদিন দুদকের উপপরিচালক জাকারিয়া তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। এসময় দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।

আবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ নামে ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও হন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থপাচার করে মালেশিয়া, সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ে ব্যবসা পরিচালনা ও বাড়ি ক্রয়ের অভিযোগটি অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।

অনুসন্ধানকালে অভিযোগ সংশ্লেষে রেকর্ডপত্র/তথ্যাদি সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অনসন্ধানকালে বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায় যে, অভিযোগ তারা দেশ ত্যাগের চেষ্টায় রয়েছেন। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশগমন রহিতকরণ প্রয়োজন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১০

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১১

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

১২

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

১৩

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৪

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১৫

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১৬

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১৭

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৮

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৯

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

২০

নির্বাচন বানচাল করার সক্ষমতা কোনো অপশক্তির নেই: আইজিপি

নির্বাচন বানচাল করার সক্ষমতা কোনো অপশক্তির নেই: আইজিপি
ছবি: সংগৃহীত



পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেন, ‘আগামী জাতীয় নির্বাচন বানচাল করার সক্ষমতা কোনো অপশক্তির নেই। মানুষ নির্বাচনমুখী, এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।’


শনিবার বিকেলে খুলনায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় এসব কথা বলেন তিনি। নগরীর বয়রাস্থ কেএমপি পুলিশ লাইনে এ মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়।


এর আগে তিনি খুলনার পাঁচটি লোকেশনে চলমান নির্বাচনী প্রশিক্ষণ পরিদর্শন করেন। সেই সঙ্গে তিনি খুলনা বিভাগে কর্মরত পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের অফিসার ও ফোর্সের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় মিলিত হন।


আইজিপির সঙ্গে এ সময় খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি রেজাউল হক, কেএমপি কমিশনার মো. জুলফিকার আলী হায়দারসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আইজিপি জানান, পুলিশের নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে অতীতের সমালোচনা এড়াতে এবার প্রথমবারের মতো সব ইউনিটকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

 

তিনি বলেন, ‘২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪—এই তিন নির্বাচনের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে বেরিয়ে এসে নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’


নির্বাচনকে ঘিরে নাশকতা ও সহিংসতার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে পুলিশ একা নয়, সমাজের সাধারণ মানুষ আমাদের শক্তি। গুজব, মিথ্যা তথ্য ও নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতা সব কিছু আমরা নজরদারিতে রেখেছি।’


পুলিশের অতীত বিতর্ক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যারা পক্ষপাতিত্ব বা অনিয়মে জড়িত ছিলেন এবং সংশোধনযোগ্য নন তাদের নির্বাচন ডিউটিতে রাখা হবে না।


এসপি ও ডিআইজিরা সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করছেন। নির্বাচনের আগে তাদের তালিকা করে নির্বাচনী ডিউটি থেকে বাদ রাখা হবে।’

সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মাঠে কাজের পরিবেশ প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, ‘সাংবাদিকদের কোনো রকম বাধা দেওয়া হবে না। বরং আমরা উৎসাহিত করব আপনারা যেন স্বাধীনভাবে ভোটের নিউজ কাভার করতে পারেন।’

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১০

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১১

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

১২

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

১৩

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৪

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১৫

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১৬

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১৭

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৮

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৯

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

২০

গোপালগঞ্জে পুলিশের গাড়িতে আগুন

গোপালগঞ্জে পুলিশের গাড়িতে আগুন
ছবি: সংগৃহীত



মাসজুড়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কর্মসূচি জুলাই পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ সদরে পুলিশের গাড়িতে আগুন ও ভাঙচুর করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় পুলিশের ৩ সদস্য আহত হয়েছে।


আজ বুধবার সদর উপজেলার উলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো.মিজানুর রহমান। 


আহতরা হলেন—গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (আইসি) আহমেদ বিশ্বাস, কনস্টেবল কাওছার ও  মিনহাজ। 


আহতদের গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের মার্চ টু গোপালগঞ্জকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে সমাবেত হয়।  


পরে গোপালগঞ্জ টহল পুলিশের একটি টিমকে লক্ষ্য করে হামলা করে। এ সময় পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। 


খবর পেয়ে যৌথবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে আনে।


গোপালগঞ্জ পুলিশ সুপার মো.মিজানুর রহমান জানান, কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে আমরা এখন পর্যন্ত জানিনা। তবে আমাদের পুলিশের তিনজন সদস্য আহত হয়েছে এবং একটি গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। আহত ওই তিন সদস্যকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১০

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১১

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

১২

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

১৩

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৪

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১৫

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১৬

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১৭

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৮

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৯

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

২০

ঈদে বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু আগামী ১৪ মার্চ

ঈদে বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু আগামী ১৪ মার্চ
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ঈদুল ফিতরে বাসের টিকিট অগ্রিম বিক্রি শুরু হবে আগামী ১৪ মার্চ থেকে। অগ্রিম হিসেবে ২৫ মার্চ থেকে ঈদের আগ পর্যন্ত মোট ৭ দিনের টিকিট বিক্রি করা হবে। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) বাংলাদেশ বাস-ট্রাক মালিক সমিতির ঈদ সংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।


এ বিষয়ে সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শুভঙ্কর ঘোষ রাকেশ জানান, ১৪ মার্চ থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। এই দিন থেকে একযোগে অনলাইন এবং কাউন্টার থেকে বাসের টিকিট পাওয়া যাবে। তবে এবার অনেক পরিবহন কোম্পানি পুরোপুরি অনলাইনে টিকিট বিক্রি করবে। ফলে যাত্রীরা দুইভাবে টিকিট কিনতে পারবেন।


তিনি আরও জানান, বিআরটিএর নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে বাড়তি কোনো ভাড়া নেয়া যাবে না। সব মালিকদের এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে এবং তারা বিআরটিএর নির্ধারিত ভাড়া অনুযায়ী টিকিট বিক্রি করবেন।


এছাড়া, ঈদের সময় যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে মালিক সমিতির মনিটরিং টিম টার্মিনালে অবস্থান করবে। বিশেষ করে নাইট কোচের নিরাপত্তার জন্য ভিডিও রেকর্ডিংসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং তারপর গাড়ি ছাড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১০

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১১

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

১২

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

১৩

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৪

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১৫

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১৬

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১৭

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৮

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৯

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

২০

জুলাই আমাদের নতুন করে বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে: প্রধান উপদেষ্টা

জুলাই আমাদের নতুন করে বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে: প্রধান উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

জুলাইয়ে শহিদদের ত্যাগ জাতিকে একটি ন্যায় ও সাম্যভিত্তিক, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।


তিনি বলেন, ‘জুলাই আমাদের নতুন করে আশার আলো- একটি ন্যায় ও সাম্যভিত্তিক, বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছে। হাজারো শহীদের আত্মত্যাগ আমাদের রাষ্ট্র সংস্কারের যে সুযোগ এনে দিয়েছে তা যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে।’ সোমবার (৪ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘পতিত স্বৈরাচার ও তার স্বার্থলোভী গোষ্ঠী এখনও দেশকে ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করতে হবে। আসুন সবাই মিলে আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে আর কোনো স্বৈরাচারের ঠাঁই হবে না।’


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন আজ। এক বছর আগে এই দিনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পূর্ণতা পায়, দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্ত হয় প্রিয় স্বদেশ। বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ, যাদের যূথবদ্ধ আন্দোলনের ফসল আমাদের এই ঐতিহাসিক অর্জন, তাদের সবাইকে আমি এই দিনে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।


আরও পড়ুন: ফ্যাসিবাদের মূলোৎপাটন করে জুলাইয়ের চেতনার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে: রাষ্ট্রপতি


তিনি বলেন, আজ আমি স্মরণ করছি সেই সব সাহসী তরুণ, শ্রমিক, দিনমজুর ও পেশাজীবীদের, যারা ফ্যাসিবাদী শক্তিকে মোকাবিলা করতে গিয়ে শাহাদত বরণ করেছেন। গণ-অভ্যুত্থানে শাহাদত বরণকারী সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে আহত সকল জুলাই যোদ্ধা, চিরতরে পঙ্গু হওয়া ও দৃষ্টিশক্তি হারানো সকল জুলাই যোদ্ধাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন অধ্যাপক ইউনূস।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, টানা ১৬ বছরের স্বৈরাচারী অপশাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত বিস্ফোরণ ছিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থান। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ছিল— একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতি ও স্বৈরাচারমুক্ত নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করে রাষ্ট্রকে জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরে এ সকল লক্ষ্য বাস্তবায়নে রাষ্ট্রযন্ত্রের সকল খাতে ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।


তিনি বলেন, জুলাই গণহত্যার বিচারের কার্যক্রম দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। জুলাই শহিদদের স্মৃতি রক্ষা ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


ড. ইউনূস বলেন, আমাদের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে রাজনৈতিক ও নির্বাচন ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় সকল সংস্কারে রাজনৈতিক দল ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চলমান।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, একটি টেকসই রাজনৈতিক সমাধানের পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের কাছে রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে অন্তর্বর্তী সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১০

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১১

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

১২

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

১৩

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৪

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১৫

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১৬

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১৭

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৮

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৯

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

২০

৮ দিনের রিমান্ডে সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাংগীর

৮ দিনের রিমান্ডে সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাংগীর
ছবি: সংগৃহীত



রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার পৃথক দুই হত্যা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাংগীর আলমের আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। 


এর মধ্যে মো. রাসেল হত্যা মামলায় পাঁচ দিন ও লিটন উদ্দিন হত্যা মামলায় তিন দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে।


আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জি এম ফারহান ইশতিয়াকের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে জাহাংগীরকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর দুই মামলায় পাঁচ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। 


এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করেন।


শুনানিতে তিনি জানান, আসামি একজন সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এখানে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি বয়স্ক, অনেক অসুস্থ। হাসপাতালেও ভর্তি ছিলেন। এসব বিবেচনায় তার রিমান্ড বাতিল প্রার্থনা করছি।


এ সময় জাহাংগীর আলম বিচারকের উদ্দেশ্যে বলেন, আমার কিছু বলার আছে। অসত্যের সীমা আছে। সেটা লঙ্ঘন হলে আল্লাহর কাছে দায়ী থাকবেন। আমাকে নিয়ে মিথ্যাচার করা হচ্ছে। ৫ আগস্ট অফিস করিনি। ২৭ জুলাইয়ের ঘটনা ৫ আগস্ট দেখানো হচ্ছে।


তিনি আরও বলেন, আমিও ১৬ বছর ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কাজ করেছি। আমাকে ইউনাইটেড হাসপাতাল থেকে এক বছর আগে গ্রেফতার করা হয়েছে। অথচ এতদিন মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। পরে শুনানি শেষে আদালত তার আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


এদিন একই আদালত আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনুকে যাত্রাবাড়ী থানার দুই হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১০

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১১

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

১২

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

১৩

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৪

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১৫

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১৬

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১৭

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৮

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৯

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

২০

ফ্যাসিস্টের মুখাকৃতি পুড়ে যাওয়া নিয়ে যা জানাল চারুকলা

ফ্যাসিস্টের মুখাকৃতি পুড়ে যাওয়া নিয়ে যা জানাল চারুকলা
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষের শোভাযাত্রার প্রস্তুতিকালে একটি মোটিফ পুড়ে যাওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছে। শনিবার চারুকলা অনুষদ থেকে পাঠানো বিবৃতিতে এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলে জানানো হয়। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আজহারুল ইসলাম শেখ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপনের জন্য বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রতীকী মোটিফ তৈরি করেছিলেন। এর মধ্যে একটি ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদসূচক মোটিফ। অনুষদের দক্ষিণ পাশের গেট সংলগ্ন স্থানে প্যান্ডেলের ভেতরে মোটিফগুলো রাখা হয়েছিল। অজ্ঞাত ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সেখান থেকে ফ্যাসিবাদ-বিরোধী মোটিফটিতে আগুন দেয়। এতে শান্তির প্রতীক পায়রার মোটিফটিও আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ভোর ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণকক্ষ জানায়, তারা ভোর ৫টা ৪ মিনিটে আগুনের খবর পেয়ে পুরান ঢাকার সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট পাঠায়। তারা ৫টা ২২ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।


সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা রুহুল আমিন মোল্লা বলেন, "নববর্ষের শোভাযাত্রার জন্য অনেক মোটিফ রাখা ছিল। এর মধ্যে শুধু দুটিতে আগুন লাগাটা রহস্যজনক।"


ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার বলেন, "তদন্ত ছাড়া আগুনের কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। আমরা তদন্ত করে কারণ খুঁজে বের করব।"


উল্লেখ্য, এবারের নববর্ষের শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য ছিল ‘নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’। এই বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে ২০ ফুট উচ্চতার একটি মোটিফ তৈরি করা হয়েছিল, যেখানে বাঁশ ও বেত দিয়ে একটি দানবীয় মুখাবয়ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। এটিকে ফ্যাসিবাদের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১০

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১১

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

১২

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

১৩

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৪

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১৫

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১৬

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১৭

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৮

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৯

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

২০

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্যাঞ্চলে আড়াইশ ক্যাম্প চায় সেনাবাহিনী

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্যাঞ্চলে আড়াইশ ক্যাম্প চায় সেনাবাহিনী
ছবি: সংগৃহীত



পার্বত্য চট্টগ্রাম আবার অস্থিতিশীল করে তুলতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ভারতীয় মদতপুষ্ট সশস্ত্র সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা ইউপিডিএফ। ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানো, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে পাহাড়ে হামলা চালানো এবং চাঁদাবাজি ও অপহরণের মতো কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েছে সংগঠনটির সদস্যরা। নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, পতিত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর ভারত আবার পাহাড়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলতে চাইছে।


এ পরিস্থিতিতে পাহাড়ে দায়িত্ব পালন করা সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পার্বত্যাঞ্চলে অন্তত আড়াইশ নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। তাদের যুক্তি, নতুন ক্যাম্প হলে প্রতিটি রুটে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানো যাবে, অস্ত্রপ্রবাহ বন্ধ হবে এবং চাঁদাবাজি ও অপহরণ বন্ধ করা সম্ভব হবে। রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প বৃদ্ধি জরুরি।


নাম প্রকাশ না করার শর্তে সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এসব তথ্য জানান।


এসব সেনা কর্মকর্তার দাবি, শান্তিচুক্তির পর ক্যাম্প কমে যাওয়ায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করেছে এবং এখন তারা প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। পাহাড়ের সশস্ত্র গ্রুপগুলো গত এক বছরে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা চাঁদা তুলেছে। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, এর মধ্যে ইউপিডিএফ তুলেছে ১০৪ কোটি টাকা। চাঁদা নেওয়ার তালিকায় রয়েছে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, কৃষি, যানবাহন, ঠিকাদার, কাঠ, বাঁশ ও অপহরণ। এর মধ্যে সশস্ত্র গ্রুপগুলো রাঙামাটি জেলা থেকে ২৪৪ কোটি, খাগড়াছড়ি থেকে ৮৬ কোটি এবং বান্দরবান থেকে ২০ কোটি টাকা চাঁদা তুলেছে।


শুধু চাঁদা নয়; অপহরণ ও হত্যার সঙ্গেও জড়িত ইউপিডিএফ। ২০০৯ থেকে এ পর্যন্ত ৩৩২ জনকে অপহরণ করে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি। এর মধ্যে পাহাড়িরাও ছিলেন। সর্বশেষ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীকে অপহরণ করার ঘটনা ঘটে। তাদের হাতে ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৮৯ জন হত্যার শিকার হয়েছেন, যাদের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য যেমন রয়েছেন, তেমনি সেনাবাহিনীর ১৬ সদস্যও রয়েছেন।


ইউপিডিএফ এবং তাদের সহযোগীরা ভারতের মিজোরামে স্থাপিত ক্যাম্প থেকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে এসে বাংলাদেশের ভেতরে নাশকতা চালাচ্ছে। সেনাবাহিনী মনে করে, সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ক্যাম্প স্থাপন অপরিহার্য। বর্তমানে খাগড়াছড়িতে ৯০, রাঙামাটিতে ৭০ এবং বান্দরবানে ৫০টিসহ ২১০টি ক্যাম্প থাকলেও পাহাড়ের ভৌগোলিক বাস্তবতায় তা যথেষ্ট নয়। আরো অন্তত আড়াইশ নতুন ক্যাম্প হলে সন্ত্রাসীরা আর মাথা তুলতে পারবে না।


সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রতি সদয় ছিল হাসিনার সরকার


সেনা সদর বলছে, শেখ হাসিনার আমলে সশস্ত্র গ্রুপগুলোর প্রতি নমনীয় থাকার অলিখিত নির্দেশ ছিল, যার ফলে সন্ত্রাসীরা রাজনৈতিক মদত ও প্রশাসনিক শৈথিল্য কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী হয়। কিন্তু বর্তমান নীতি হলো ‘নো কম্প্রোমাইজ’। অর্থাৎ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস বা আলোচনার জায়গা নেই, সরাসরি অ্যাকশনই একমাত্র পথ। কারণ, গোষ্ঠীগুলো কখনো সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে না; তারা পাহাড়ি ও বাঙালি- উভয় জনগোষ্ঠীকেই জিম্মি করে রেখেছে।


পাহাড়ে দায়িত্ব পালন করা একজন ব্রিগেড কমান্ডার জানান, ইউপিডিএফ ও অন্যান্য সন্ত্রাসী গ্রুপের কার্যক্রম এখন শুধু চাঁদাবাজি বা অপহরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। তারা ভারতের মিজোরাম থেকে সরাসরি প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র নিয়ে এসে পাহাড়ে হামলা চালাচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হলে অতিরিক্ত সেনা ক্যাম্প স্থাপন অপরিহার্য। আমরা মনে করি, কমপক্ষে আড়াইশ নতুন ক্যাম্প প্রয়োজন।


খাগড়াছড়ি জোনের দায়িত্বে থাকা একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল বলেন, যেভাবে মিথ্যা ধর্ষণের নাটক সাজানো হলো, সামনে আরো বড় কোনো ঘটনা ঘটানো হতে পারে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র ঠেকাতে সেনাদের দ্রুত উপস্থিতি জরুরি। কিন্তু বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকার অনেক জায়গায় সেনা ক্যাম্প নেই, ফলে সন্ত্রাসীরা ফাঁকফোকর কাজে লাগায়। তাই আমরা আড়াইশ ক্যাম্প স্থাপনের দাবি তুলেছি।


বান্দরবানে দায়িত্ব পালন করা একজন মেজর জানান, ইউপিডিএফের চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ডের তথ্য আমাদের হাতে আছে। তারা ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার প্রত্যক্ষ সহায়তায় চলছে। প্রতিটি রুট আমরা চিহ্নিত করেছি। এখন প্রয়োজন তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ। নতুন ক্যাম্পগুলো হলে আমরা এক ঘণ্টার মধ্যেই যেকোনো স্থানে অভিযান চালাতে পারব।


রাঙামাটির এক জোন কমান্ডার বলেন, আমাদের হাতে গোয়েন্দা প্রমাণ রয়েছে যে, ইউপিডিএফের অন্তত ছয়টি ক্যাম্প ভারতের মিজোরামে। তাদের লোকজন প্রশিক্ষণ নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। সীমান্ত পাহাড়ে ক্যাম্প বাড়ানো ছাড়া এ অনুপ্রবেশ ঠেকানো যাবে না। জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সেনা ক্যাম্পের সংখ্যা আড়াইশতে উন্নীত করা জরুরি।


সার্বিক বিষয়ে খাগড়াছড়িতে দায়িত্ব পালন করা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেন, নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়টি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। আমরা এখন আমাদের যা পুঁজি আছে, সেগুলো নিয়ে নজরদারি করছি। ধর্ষণের ঘটনাকে পুঁজি করে সাধারণ পাহাড়ি নারী ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সামনে দিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করছে ইউপিডিএফ। এসব কর্মসূচিতে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে দেশীয় ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করে ফায়ারিং করা হয়েছে। সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবে।


নিরাপত্তা বিশ্লেষক মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমানে ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসী তৎপরতা, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড নতুন মাত্রা পেয়েছে। সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার চাইলে কেন আমরা তা প্রত্যাহার করব? আমরা আমাদের কৌশলে এগিয়ে যাব।


নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শহীদুজ্জামান বলেন, ইউপিডিএফ এবং অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠী ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা থেকে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, যা আমাদের জন্য শঙ্কার বিষয়। সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং কার্যকর নজরদারি ছাড়া দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সম্ভব নয়। সে কারণে আড়াইশ নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন এখন একান্ত জরুরি। এসব ক্যাম্প স্থাপন করা হলে সেনাবাহিনী দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারবে এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম কার্যকরভাবে দমন করা সম্ভব হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১০

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১১

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

১২

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

১৩

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৪

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১৫

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১৬

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১৭

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৮

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৯

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

২০

কৌশলের নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপির কর্মীরা: তারেক রহমান

কৌশলের নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপির কর্মীরা: তারেক রহমান
ছবি: সংগৃহীত



কেউ ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে দমন করে রাখতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে গুম, খুন, হয়রানি, নির্যাতনের পরও বিএনপির একজন নেতাকর্মীও রাজপথ ছাড়েনি। এক ভাই গুম হয়েছেন, আরেক ভাই রাস্তায় নেমেছেন। কৌশলের নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপির কর্মীরা।


আমি বিশ্বাস করি, যে দলের নেতাকর্মীরা এভাবে আপসহীন, কেই ষড়যন্ত্র করে সেই দলকে দমন করে রাখতে পারবে না ইনশা-আল্লাহ। 

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ ও ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।


তারেক রহমান বলেন, আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে অত্যাচার করা হয়েছে। হাজারো নেতাকর্মীকে হতে হয়েছে গুমের শিকার। তাদের কিছু পরিবার এখানে আছে। ফ্যাসিবাদী আন্দোলনের সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দেড় লক্ষের বেশি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার বোঝা ৬০ লক্ষ নেতাকর্মীকে বহন করতে হয়েছে। লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীকে বছরের পর বছর ঘরবাড়ি ছেড়ে থাকতে হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। 

 

বিএনপি চেয়ারম্যান আরো বলেন, বহু বছর দেশ, স্বজন, মানুষ থেকে দূরে থাকতে হয়েছে। আমার নেতাকর্মীদের বাইরেও এই স্বজনহারা মানুষ যারা সারা দেশে আছেন, দূর থেকে চেষ্টা করেছি স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলতে। আমাদের সামার্থ্য দিয়ে চেষ্টা করেছি, স্বজনহারা মানুষের পাশে দাঁড়াতে। আমরা কতটুকু পেরেছি বা পারিনি সেটার জবাব ভিন্ন।


তবে আমাদের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি ছিল না। হয়তো সীমাবদ্ধতা ছিল, কিন্তু আমাদের চেষ্টা অব্যাহত ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।

তিনি বলেন, বিভীষিকাময় সে দিনের ও রাতের অবসান হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। যারা স্বজন হারিয়েছেন, তাদের সত্যিকারভাবে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা আমাদের কাছে নেই। এক দুঃসহ সময় আমরা অতিক্রম করেছি। এই দুঃসময়ে এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে কয়েকজন সন্তান তাদের কষ্টের কথা উল্লেখ করে গেছেন। যে সন্তান একমুহূর্তেও তাদের পিতার মুখ দেখেনি। একমাত্র আল্লাহরাব্বুল আলামিন জানেন, এসব সন্তান তাদের পিতাকে দেখবে কি না। অনেক সন্তান এখনো অপেক্ষায় আছেন। পিতা হয়তো হঠাৎ করে তাদের দরজায় এসে কড়া নাড়বে। গুম হয়ে যাওয়া সন্তান হঠাৎ করে এসে মা বলে ডাকবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১০

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১১

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

১২

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

১৩

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৪

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১৫

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১৬

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১৭

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৮

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৯

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

২০

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহার

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহার
ছবি: সংগৃহীত

উচ্চ আদালতের নির্দেশে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহার করা হয়েছে।


রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১৭) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক রফিকুল ইসলাম এ আদেশ দেন।


এর আগে গত ১ ডিসেম্বর বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেন এই মামলার সব আসামিকে খালাস দেন।


দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুর রশীদ মোল্লা জানান, মামলায় তারেক রহমানসহ খালাস পাওয়া বেশ কয়েকজন আসামি পলাতক ছিলেন। রায়ে তাদের বিরুদ্ধে পূর্বে থাকা গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের আদেশ দেন আদালত। হাইকোর্টের সেই আদেশ বিচারিক আদালতে আসলে আমরা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে তারেক রহমানসহ অন্যদের গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহারের আবেদন করি। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত পরোয়ানা প্রত্যাহারের আদেশ দেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১০

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১১

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

১২

৮২ ঘণ্টার জন্য নিজ এলাকার বাইরে অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

১৩

এবারের নির্বাচন আগামীর রাজনৈতিক কাঠামোতে একটি অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৪

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান

১৫

এবার নির্বাচনে ৫৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি

১৬

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি: উপদেষ্টা আসিফ

১৭

এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

১৮

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

১৯

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

২০