

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন আমরা একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে চাই। এই প্রক্রিয়ায় যত দেরি হবে, ততই আমাদের সংকট আরও গভীর হবে।
আজ সোমবার ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা জানান।
আমীর খসরু বলেছেন, ‘অগণতান্ত্রিকভাবে যেই ক্ষমতায় থাকুক না কেন, একটা পর্যায়ে গিয়ে তারা টিকে থাকার জন্য এবং ক্ষমতা অব্যাহত রাখার জন্য মিডিয়াকে চাপের মধ্যে রাখতে চায়। এটা আমাদের স্বীকার করতেই হবে। সুতরাং আমাদের ঐক্য হতে হবে গণতন্ত্রের পক্ষে, আমাদের ঐক্য হতে হবে গণতান্ত্রিক, সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য। যার মধ্যে মিডিয়ার স্বাধীনতাও অন্তর্নিহিত। এর কোনো বিকল্প নেই। কোনো রকম বক্তব্য কিংবা তথাকথিত সংস্কার এদেশে গণতান্ত্রিক শাসন নিশ্চিত করতে পারবে না।’
খসরু বলেন, ‘সরকারকে হতে হবে মানুষের কাছে দায়বদ্ধ, জবাবদিহিমূলক। বারবার জনগণের দিকে তাকাতে হবে, জনগণের কাছে যেতে হবে। আর এই জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে মিডিয়ার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও মিডিয়া সরাসরি জবাবদিহিতা আদায় করে না, তবুও নির্বাচিত সংসদের মতো মিডিয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ জবাবদিহিমূলক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। তারাও জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে।’
তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে আমরা গণতন্ত্র পুনর্প্রবর্তনের জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকব। আমরা একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে চাই। এই প্রক্রিয়ায় যত দেরি হবে, ততই আমাদের সংকট আরও গভীর হবে।’
তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশের সমৃদ্ধির জন্য, গণতান্ত্রিক অর্ডার যত দ্রুত সম্ভব ফিরিয়ে আনতে হবে। মিডিয়ার সহযোগিতা ও জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় আমরা সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি—এটাই আমাদের জন্য সর্বাধিক লাভজনক হবে।’
তিনি আরও বলেন, আগামীর ঐক্য হবে গণতন্ত্র, স্বাধীনতার জন্য। এ সময়, আগামীতে মানুষের জন্য দায়বদ্ধ সরকার দরকার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে ঐক্যবদ্ধভাবে যেমন তাড়ানো সম্ভব হয়েছে, তেমনি বিশ্বব্যাপী প্রতিরোধ গড়ে তুলে ইসরায়েলের গণহত্যা বন্ধ ও এর বিচার নিশ্চিত করা যাবে।
বুধবার (৯ এপ্রিল) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ বক্তব্য দেন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, "সারা বিশ্বের মুসলমানরা আজ একজোট। ইসরায়েলের এই নৃশংসতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষও সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ।"
তিনি জাতিসংঘ, বিশ্ব বিবেক, মুসলিম উম্মাহ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, প্রতিবাদের শক্তি আরও বাড়াতে সমন্বিতভাবে কাজ করার। এছাড়া, তিনি জাতিসংঘে জরুরি প্রস্তাব এনে এই গণহত্যা বন্ধের পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
পাশাপাশি, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচির মাধ্যমে এই প্রতিবাদকে আরও শক্তিশালী করার ঘোষণা দেন তিনি।
মন্তব্য করুন


কিছু করতে হলে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও চিন্তার দরকার মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ৫২ বছরে আমরা ক্ষমতার পরিবর্তনের বিধানই আমরা পরিবর্তন করতে পারিনি। হঠাৎ করে এসে আজ সব পরিবর্তন করে ফেলবো, এমনটি মনে করি না। কিছু করতে হলে সুনির্দিষ্টি লক্ষ্য ও চিন্তা দরকার। বিচ্ছিন্নভাবে জোড়াতালি দিয়ে কিছু করা যায় না।
আজ শনিবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ফখরুল আরো বলেন, আমাদের কাঠামোটা সংস্কার করা দরকার। কাঠামোটা বদলাতে হবে। গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। আমরা লাগাব বেগুন গাছ, আসা করব কমলালেবু তা তো হবে না। আমাদের সিস্টেমটা পরিবর্তন করতে হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের সংকটের অন্যতম কারণ হলো দুর্নীতি। প্রতিটি ক্ষেত্রে দুর্নীতি।
ধীরে ধীরে এটা আরও খারাপের দিকে গেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে সংসদ সদস্যদের আইন প্রণয়ন করার কথা। সেই জায়গায় তিনি কোথায় কি ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে তা নিয়ে পড়ে থাকেন।
তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে এবার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের সমাজে যে বৈষম্য, শোসন—এগুলো ঠিক করার একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে।
রাজনৈতিক দলের আন্তরিকতা প্রয়োজন। এই সুযোগটা ব্যবহার করে আমরা আমাদের যেন লক্ষ্যের কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারি।
মন্তব্য করুন


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, সচিবালয়ের ভেতরে ফ্যাসিবাদের দোসররা বসে আছে, যারা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। এ কারণেই কি তাদের সরানো হচ্ছে না?
বুধবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্র, সংস্কার ও বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ ধরনের প্রশ্ন তোলেন।
মির্জা আব্বাস দাবি করেন, সচিবালয়ের ভেতরে চারজন ও বাইরে একজনসহ মোট পাঁচজন সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা এবং উপদেষ্টা পরিষদের কিছু সদস্য প্রধান উপদেষ্টাকে সঠিক পথে চলতে দেবে না। এ কারণে তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, "আওয়ামী লীগকে যারা পুনর্বাসিত করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম চলবে। বিএনপিই সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত দল। যদি ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য ভেঙে দেওয়া হয়, তাহলে বাংলাদেশ আবারও ভারতীয় আধিপত্যের কবলে পড়বে।"
তিনি আরও যোগ করেন, মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় স্বার্থে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও অন্যান্য দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, "বিপরীত শক্তি আমাদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। কিছু ইউটিউবার দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে চাইছে।"
মির্জা আব্বাস বলেন, "বিএনপি সংস্কার ও নির্বাচন—দুটিই চায়। তবে অপ্রয়োজনীয় সংস্কার থেকে দূরে থাকতে হবে, যা বিপদ ডেকে আনতে পারে। নির্বাচন নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে ধোঁয়াশা তৈরি করা হচ্ছে, যা মোটেও কাম্য নয়।"
তিনি জোর দিয়ে বলেন, "প্রশাসনে বিএনপির কোনো লোক নেই। বরং আওয়ামী লীগের দালালরাই সেখানে সুবিধা পাচ্ছে। এনসিপিও তাদের কাছ থেকে সুবিধা নিয়েছে।" কয়েকজন সচিবের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, "আওয়ামী লীগের দালালদের চিহ্নিত করে শাস্তি দিতে হবে।"
শেষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, "আপনার আশেপাশে আওয়ামী লীগের দোসররা আছে। তারা আপনাকে ভুল পথে নিয়ে যেতে পারে। সাবধান থাকুন।"
মন্তব্য করুন


সংবিধান সংশোধন করতে হলে তা অবশ্যই সংসদে করতে হবে। এর বাইরে সংবিধান সংশোধনের কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর নীলক্ষেতের আইসিএমএবি মিলনায়তনে বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনের ব্যাপারগুলো এখনও আলোচনা হচ্ছে। সংবিধানের যদি কোনো সংশোধন করতে হয় তাহলে সেটা সংসদের মধ্য থেকে করতে হবে। সেটার জন্য ম্যন্ডেট জনগণের থেকে নিতে হবে প্রত্যেকটি দলকে। সেটি হতে হবে সংসদের মধ্যে।
তিনি আরও বলেন, স্বচ্ছতা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যদি কোনো পরিবর্তন আনতে হয়, সংসদের বাইরে সেটা করার কোনো সুযোগ নেই। যারা বাংলাদেশের আগামীর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে চাচ্ছে, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে চাচ্ছে, তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। তারা সংসদীয় পদ্ধতিতেও বিশ্বাস করে না। তারা কোন পদ্ধতিতে যাবে তারা নিজেরাও জানে না।
রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন জরুরি উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা যতই সংস্কার করি, কোনো লাভ হবে না। যদি রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলাতে না পারি, কোনো সংস্কার কাজে আসবে না। অপরের মতকে আমাদের সম্মান জানাতে হবে। সহনশীল হতে হবে। এর মাধ্যমেই দেশকে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো। বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থে যেখানে ঐক্য দরকার, সেখানে ঐক্য করতে হবে।
ঐক্য এখনও অটুট আছে জানিয়ে আমীর খসরু বলেন, অনেকেই বলছেন, দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য ছিল ৫ আগস্টের পরে তা অনৈক্য হয়ে গেছে। আমি তো কোনো অনৈক্য দেখতে পাচ্ছি না। প্রত্যেকটি দলের নিজস্ব দর্শন, চিন্তাভাবনা থাকবে। যেখানে আমরা একমত হতে পারবো সেখানে একমত হবো। বাকিটা জনগণের কাছে নিয়ে যেতে হবে। জনগণ হচ্ছে মালিক। তাদের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে সংসদে পাস করতে হবে।
মন্তব্য করুন


জুলাই সনদের বাইরে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তা মানতে স্বাক্ষরকারী দলগুলো বাধ্য নয় বলে মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন বলেন, সনদে বিভিন্ন দলের কিছু নোট অফ ডিসেন্ট আছে। সনদে উল্লেখ আছে ইশতেহারে উল্লেখ করে রায় পেলে সেভাবে বাস্তবায়ন করবে, অথচ সুপারিশমালায় নেই। গণভোট জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে হবে, সেই অবস্থানে আছি।
তিনি বলেন, নতুন নতুন ইস্যু তৈরি করে যারা আন্দোলন করছেন, তাদের সঙ্গে আলাপ করতে হবে। সনদের বাইরে যদি সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, সেটা মানতে স্বাক্ষরকারী দলগুলো বাধ্য নয়।
সালাহউদ্দিন বলেন, ‘এখন কোনো প্রজ্ঞাপনকে যদি আদেশ হিসেবে নামকরণ করতে চায় এবং সেটার আইনি মর্যাদা না থাকে, তাহলে সেটা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরকার প্রকাশ করতে পারে। কিন্তু সেটা আইন হবে না।’
মন্তব্য করুন


২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আর ওই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর চিকিৎসার জন্য তিনি সপরিবার লন্ডনে যান। এরপর কেটে গেছে প্রায় ১৭ বছর। দীর্ঘ এ সময়ে লন্ডনে অবস্থান করছেন বিএনপির এ শীর্ষ নেতা।
৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে নানা গুঞ্জন ওঠে। তবে তিনি কবে নাগাদ দেশে ফিরবেন তা নিয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দলের শীর্ষ নেতা লন্ডনে সাদামাটা জীবন যাপন করে আসছেন। চড়েন পাবলিক বাসেও। সেখানে তার নেই কোনো গাড়িবহর।
সম্প্রতি তারেক রহমানের বাসে চড়ার কয়েকটি স্থির চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। আর তার এমন কাজ নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে।
শুক্রবার (১ আগস্ট) গভীর রাতে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে তারেক রহমানের বাসে চড়ার কয়েকটি ছবি প্রকাশ করা হয়। ওইসব ছবিতে দেখা যায়, বাসের জন্য অপেক্ষা করছে বিএনপির শীর্ষ নেতা। ছাউনিতে অপেক্ষারত তারেক রহমান মোবাইল টিপছেন। বাস আসার পরই যানটিতে ওঠেন তিনি।
ওই পোস্টের ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত তারেক রহমান। যুক্তরাজ্যে বসবাসকালীন কোনো ভিআইপি সুবিধা গ্রহণ না করে পাবলিক ট্রান্সপোর্টে চলাচল করেন সাধারণ মানুষের মতোই। ’
ইতোমধ্যে ওই পোস্টে ৬৫ হাজারের বেশি রিয়্যাক্ট পড়েছে। কমেন্ট পড়েছে প্রায় ৯ হাজার। শেয়ার হয়েছে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি।
মন্তব্য করুন


বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, সংস্কারের চলমান প্রক্রিয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই মুহূর্তে বাংলাদেশে একটি নির্বাচিত সরকার জরুরি হয়ে পড়েছে।
আজ রোববার রাজধানীর শাহবাগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতে বিএনপির মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত ছাত্র সমাবেশে বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, জুলাই আমাদের জানিয়ে দিয়েছিল এই বাংলাদেশে আয়নারঘর থাকতে পারে না। জুলাই আয়নাঘর ধ্বংস করে দিয়েছে। আজ এই জুলাইয়ের নতুন দাবি, আমাদের সবার প্রত্যাশা হাসিনার বিচার। এই বিচারটা অনেক বেশি প্রয়োজন। হাসিনার বিচার দৃশ্যমান করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই আমাদের জানিয়ে দিতে চায়, সংস্কারের চলমান প্রক্রিয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই দেশে একটা জনগণের সরকার, একটা নির্বাচিত সরকার খুব বেশি জরুরি হয়ে পড়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, যদি বাংলাদেশে একটা স্বাভাবিক, সুন্দর, নিরপেক্ষ নির্বাচন হয় তাহলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকারের নেতৃত্ব দেবে।
মন্তব্য করুন


সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে শুধু নির্বাচন কমিশনের জন্য ৫ সদস্যের সিলেকশন কমিটি গঠনের সঙ্গে একমত বিএনপি। এজন্য একটা সার্চ কমিটি গঠন করার সুপারিশ করা হয়েছে।
আজ বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের ১৮ তম দিন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা শুধুমাত্র সংবিধানে উল্লেখ থাকলেই যথেষ্ট নয়, তার কার্যকর স্বাধীনতা উপযুক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে নিশ্চিত করতে হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা অতীতে বলে এসেছি যে, প্রতিটি সাংবিধানিক এবং সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের জন্য সংবিধানে আলাদা করে নিয়োগ প্রক্রিয়া না এনে, সংশ্লিষ্ট আইনের মাধ্যমে সেসব প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আচরণবিধি নিশ্চিত করতে হবে। তবে, নির্বাচন কমিশনের বিষয়টি সংবিধানে আলাদা করে উল্লেখ করা যায়- এই ক্ষেত্রে আমরা একমত।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য জানায়, সংলাপে সব পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠনে একটি পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট সিলেকশন কমিটি গঠনের প্রস্তাব চূড়ান্ত রূপ পেয়েছে। এই কমিটিতে থাকবেন- জাতীয় সংসদের স্পিকার (সভাপতি), বিরোধী দল থেকে নির্বাচিত ডেপুটি স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা এবং প্রধান বিচারপতির মনোনীত একজন আপিল বিভাগের বিচারপতি।
এই কমিটি নির্বাচন কমিশনের জন্য প্রার্থী খুঁজে বের করতে একটি অনুসন্ধান প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে, যেখানে সিভিল সোসাইটি, রাজনৈতিক দল ও সাধারণ জনগণ নাম জমা দিতে পারবে। সংসদে একটি আইন প্রণয়ন করে এই অনুসন্ধান বা সার্চ কমিটির কাঠামো নির্ধারণ করার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এই সার্চ কমিটি জীবনবৃত্তান্ত যাচাই-বাছাই করে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করবে এবং সেটি সিলেকশন কমিটির কাছে পাঠাবে। কমিটি চাইলে এই তালিকা থেকে অথবা নিজেরা আরও প্রার্থী বিবেচনায় নিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে কমিশনারদের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবে।’
মন্তব্য করুন


সংস্কার না করে বিএনপি নির্বাচন চায়- এমন ধারণা সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি আরও বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রের জন্য সবসময়ই প্রয়োজনীয় সংস্কারের পক্ষে। শুক্রবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ আয়োজিত এক জাতীয় সংলাপে এ কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমি যেটা মনে করি- আজ অত্যন্ত জরুরি একটা আলোচনা হচ্ছে যা ভীষণ জরুরি। সে আলোচনাটা যদি আমি অংশগ্রহণ করতে পারতাম পুরো সময় এবং সবার বক্তব্য শুনতে পারতাম তাহলে আমি সবচেয়ে উপকৃত হতাম। দুর্ভাগ্য আমার, যে আমি পুরো সময়টা হয়তো থাকতে পারব না। তারপরেও আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজকে যে তারা আজকে একটা অত্যন্ত এই মুহূর্তে বাংলাদেশের জন্য একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা সংলাপের আয়োজন করেছেন আমি সেজন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, যারা আজকে এখানে উপস্থিত আছেন আমাদের দেশের জাতির অত্যন্ত বরেণ্য নেতৃবর্গ আমাদের বুদ্ধিজীবীবৃন্দ এবং আজকের এই সভায় উপস্থিত আমাদের ভাই ও বোনেরা সবচেয়ে বড় যেটা আমাদের যারা এই জুলাইয়ের যে অভ্যুত্থান সেই অভ্যুত্থানে যারা আহত হয়েছেন তারা এখানে অনেকে আছেন। যারা শহিদ হয়েছেন তাদের আত্মীয়-স্বজনরা এখানে আছেন তাদের সবাইকে আমার সালাম আসসালামু আলাইকুম। বিষয়টা এতই গুরুত্বপূর্ণ যে আমি আসলে এত স্বল্প সময়ের মধ্যে এটা আমার কথাগুলো বলা সেই সঙ্গে অন্যদের কথাগুলো শোনা এটা বোধ হয় আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না সেজন্য আমার নিজেরই আমি অত্যন্ত দুঃখিত বোধ করছি।
এই বিএনপি নেতা বলেন, বাংলাদেশ একটা অত্যন্ত সবচেয়ে জটিল একটা রাজনৈতিক সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই সময়টার মধ্যে আমাদের যে কাজটা আমাদের ওপর পড়েছে সে কাজটা হচ্ছে যে ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে আমরা যেন আমাদের স্বপ্নের মত করে দেখতে পারি সেই বিষয়টাকে কতটা স্থির করা যায় নির্ধারণ করা যায়। আজকে যে প্রশ্নগুলো সামনে এসেছে আমি খুব সংক্ষেপে চলে আসছি সামনের দিকেই এসছি যে আপনার ঐক্য- এরা যেটা নির্ধারণ করেছেন সংস্কার ও নির্বাচন। আজকে ৫৩ বছর পরে এটা আমাদের দুর্ভাগ্য জাতিগতভাবে যে ৫৩ বছর পরে আজকে আমাদেরকে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে হচ্ছে। আমাদের খুব ভালো হতো যদি আমরা প্রথম থেকেই এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে একটা জায়গায় এসে পৌঁছাতে পারতাম। আমরা এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ২০১২ সাল থেকে আমি আমাদের দল থেকে বলতে পারি মনে করেন যে রাজনৈতিক নেতৃবর্গ আছেন আমরা কিন্তু সংগ্রাম শুরু করেছি- তাদের বিরুদ্ধে আমরা অবস্থান নিয়েছি। সেই সময়ে আমাদের অনেক রাজনৈতিক নেতাকে হত্যা করা হয়েছে অনেক রাজনৈতিক নেতাদেরকে পঙ্গু করা হয়েছে; কারাগারে দেওয়া হয়েছে এবং দীর্ঘ বছরগুলো ধরে আমরা যারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছিলাম আমরা কিন্তু সেই লড়াইটা করছি।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমার দলের কথা আমি বলতে পারি যেটা আমার বলা উচিত বলে আমি মনে করি সেটা হচ্ছে আমাদের দলেই আমার ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা রয়েছে; আমাদের ৭০০ এর ওপরে নেতাকর্মীকে গুম করে দেওয়া হয়েছে। প্রায় ২০ হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আয়না ঘরের কথা আপনারা সবাই জানেন- ফাঁসি দেওয়া হয়েছে বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদেরকে। এই একটা অবস্থার প্রেক্ষিতে আমরা কিন্তু কখনো থেমে থাকিনি। আজকে যে কথাটা হচ্ছে সোচ্চার হাওয়া সেই সোচ্চার আমরা প্রথম থেকে থাকার চেষ্টা করেছি। তখন আমরা অনেককে আমাদের সঙ্গে পাইনি এখন আমরা তাদেরকে সামনে দেখছি আমাদের খুব ভালো লাগছে আমরা আরও বেশি অনুপ্রাণিত বোধ করছি।
তিনি বলেন, সংস্কার ব্যাপারটা আমরা অত্যন্ত আন্তরিক আপনাদের অনেকেরই জানা থাকে যদি যারা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আছেন যে ২০১৬ সালে আমাদের দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনি ভিশন ২০৩০ একটা আপনার আমরা একটা ডকুমেন্ট বের করেছিলাম যেখানে রাজনৈতিক সংস্কারের কথা খুব পরিষ্কার করে উল্লেখ করা ছিল এবং যে বিষয়গুলো আমরা পরিবর্তন আনতে চাই সেই বিষয়গুলোর কথা আমরা উল্লেখ করেছিলাম। সেখানেই আজকে যে বিষয়গুলো একদম সামনে এসছে যে আপনার প্রধানমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্টের যে ক্ষমতা তার ভারসাম্য রক্ষা করা এক ব্যক্তি যেন দুবারের বেশি আসতে না পারেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সে বিষয়টাকে নিশ্চিত করা এবং একই সঙ্গে আপনার যে দুই কক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট এটা কিন্তু তখনই অর্থাৎ ২০১৬ সালেই আমরা কিন্তু এই বক্তব্যটা নিয়ে এসেছিলাম। আমরা এটা আলোচনার জন্য দিয়েছিলাম জনগণের সামনে পেশ করেছিলাম। পরবর্তীতে ২০২২ সালে আমরা আমি তখন জেলে চলে গেলাম আমরা বেশ অনেকেই জেলে গেলাম; সেটা আপনাদের মনে থাকার কথা গোলাপবাগে একটা জনসভার মধ্য দিয়ে আমরা প্রথমে ১০ দফা এবং পরে সব রাজনৈতিক দলগুলো আপনারা সেটাকে সমর্থন করেন। পরে সব রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বিশেষ করে যারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করছিলাম তারা আমরা কিন্তু একসঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে আমরা ৩১ দফা আমরা একটা কর্মসূচি সংস্কারের আমরা নির্ধারণ করি। এখানে মান্না আছেন, জুনায়েদ সাকি আছেন, আমার অন্যান্য রাজনৈতিক বন্ধুরা আছেন তাদের সঙ্গে আলোচনা করেই দীর্ঘ দুই বছর আমরা আলোচনা করেছি।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমাদের যারা প্রখ্যাত এই বিষয়গুলোতে আপনার বিশেষজ্ঞ তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে বারবার বসেছি ড. আলী রীয়াজ আছেন তার সঙ্গে কথা হয়েছে অনেকের সঙ্গেই তখন আমরা এই কথাগুলো বলেছি আলোচনা করে নির্ধারণ করেছি সুতরাং সংস্কার পক্ষে আমরা কিন্তু প্রথম থেকে দুর্ভাগ্য আমাদের যে এখন কিছু কিছু বক্তব্য আসছে যে বিএনপি সংস্কার চায় না নির্বাচন চায় এ কথাটা সঠিক নয়। আমরা বারবার করে বলছি যে আমরা প্রয়োজনীয় সংস্কারটাকে শেষ অর্থাৎ নূন্যতম যে সংস্কার প্রয়োজন একটা নির্বাচন করার জন্যগ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার জন্য সেই সংস্কারটুকু করে আমরা নির্বাচনে যেতে চাই। আমরা নির্বাচনের কথা বলছি কেন একথা ড. রীয়াজ বলেছেন সবাই বলছেন আর এটা বাস্তব যে গণতান্ত্রিক একটা ব্যবস্থায় যাওয়ার জন্য নির্বাচন হচ্ছে প্রধান ফটক প্রধান দরজা যেহেতু ডেমোক্রেসি। আমার কাছে মনে হয় যে আমাদের প্রধান সমস্যাটা কোথায় আমাদের প্রধান সমস্যা যে এই দেশে গণতান্ত্রিক চর্চাই হয়নি এখানে সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি। একটা যে কথাটা বারবার এসেছে যে এখানে একটা ডেমোক্রেটিক কালচার যদি না থাকে তাহলে আপনি সেই ডেমোক্রেসিকে বারবার বলতে হচ্ছে আমাদেরকে এই এটা করতে হবে এটা করতে হবে এটা ডেমোক্রেসি এটা এভাবে যেতে হবে এই জিনিসগুলো কিন্তু আপনার একটা চর্চা ছাড়া বারবার প্র্যাকটিস করা ছাড়া কিন্তু সেটা গড়ে উঠবে না। মির্জা ফখরুল বলেন, ইম্পোজ করে কোনো কিছু করা সম্ভব হবে না। যেমন আমি বলি কেয়ারটেকার গভর্মেন্ট সিস্টেম আপনার আমরা তিনটা ইলেকশন করেছি। এই তিনটা ইলেকশন প্রত্যেকটি ইলেকশন কিন্তু একটা আরেটার চেয়ে ভালো হয়েছে এবং গ্রহণযোগ্য হয়েছে। অর্থাৎ কেয়ারটেকার সিস্টেম আপনার মানুষ করেছে এবং তারা সেটাকে অত্যন্ত জরুরি মনে করেছে এটা মানুষের কাছে একইভাবে আমরা যদি প্রেসিডেনশিয়াল ফর্ম অব গভর্মেন্টে চলে যেতাম অন্য কিছু দিতাম সেটা ওই মুহূর্তে কিন্তু জনগণ সেভাবে গ্রহণ করতো না আমার কাছে মনে হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে আগামী জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হতে বাধা দিলে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিধিনিষেধের এই ঘোষণা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন দিলেও এই বিষয়ে আলোচনায় রয়েছেন আরও এক ব্যক্তি।
তার নাম ডোনাল্ড লু। তিনি দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে আছেন। নির্বাচনকে ঘিরে সহিংসতা করলে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীরাও মার্কিন ভিসা পাবে না বলে সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।
তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় এই কূটনীতিক দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর রাজনীতিতে বেশ আলোচিত নাম হয়ে উঠেছেন। গত বছরের এপ্রিলে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে ডোনাল্ড লুর নামই উঠে এসেছিল।তৎকালীন পিটিআই সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পেছনে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন এই সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়ী করেছিলেন খোদ ইমরান খান। সেই ঘটনার পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে ঢাকা সফরে এসেছিলেন ডোনাল্ড লু। আর এবার আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ইস্যুতে নতুন ভিসানীতি প্রকাশের পর মার্কিন এই কূটনীতিকের নাম অলোচনায় এসেছে।পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের অভিযোগের পর ডোনাল্ড লু নামটি সুপরিচিত হয়ে ওঠে। গত বছরের এপ্রিলে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বিশ্বকাপজয়ী সাবেক এই তারকা ক্রিকেটার তার অপসারণের পেছনে ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে সরাসরি ডোনাল্ড লুকে অভিযুক্ত করেছিলেন।
ইমরান খান অভিযোগ করেছিলেন, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে তার সরকারকে উৎখাতের জন্য ‘বিদেশি ষড়যন্ত্রে’ যুক্ত ছিলেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আসাদ মজিদের মাধ্যমে তাকে হুমকি বার্তা পাঠিয়েছিলেন।
মন্তব্য করুন