নির্বাচনের আগে আনসারদের জন্য ১৭ হাজার শটগান কেনা হবে: উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন

নির্বাচনের আগে আনসারদের জন্য ১৭ হাজার শটগান কেনা হবে: উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন
ছবি: সংগৃহীত



অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, নির্বাচনের আগে আনসারদের জন্য ১৭ হাজার শটগান কেনা হবে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা। 


উপদেষ্টা জানান, আনসারদের অস্ত্রগুলো অনেক পুরোনো হয়ে গেছে। তাই এই সিদ্ধান্ত।


এছাড়া, আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তার জন্য ৪০ হাজার বডি অন ক্যামেরা কেনা হচ্ছে না। যেসব কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, শুধু সেখানেই দেওয়া হবে। স্বচ্ছতার সাথে কেনা হবে এগুলো। ইসি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আলোচনা করে এসব ঠিক করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।


উপদেষ্টা আরো জানান, চাহিদা থাকায় এক কোটি ই-পাসপোর্টের বই কেনার জন্য বরাদ্দের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া টিকার সংকটের বিষয়টি বিবেচনা করে ইপিআই টিকা কেনা হবে। এ সময়, দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রোজার আগে চাল ও গম আমদানি করা হবে বলে জানান তিনি। 

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১০

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১১

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

১২

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

১৩

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

১৪

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

১৬

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

১৭

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১৮

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১৯

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

২০

শেখ হাসিনা ও জয়ের বিরুদ্ধে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচারের প্রমাণ পেয়েছে এফবিআই

শেখ হাসিনা ও জয়ের বিরুদ্ধে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচারের প্রমাণ পেয়েছে এফবিআই
শেখ হাসিনা ও জয়


ডেস্ক রিপোর্টঃ

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর আর্থিক অনিয়ম ও অর্থপাচারের প্রমাণ পেয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। লন্ডনের প্রতিনিধির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এফবিআই।

যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের সিনিয়র ট্রায়াল অ্যাটর্নি লিন্ডা স্যামুয়েলস স্পেশাল এজেন্ট লা প্রিভোটের সঙ্গে যোগাযোগ করে দেখতে পান, বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে।

গত ৯ সেপ্টেম্বর এফবিআই-এর একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মানি লন্ডারিং অ্যান্ড লিগ্যাল ইউনিটের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কমিশনের সদর দপ্তরে বৈঠক করেন। এই বৈঠকে বিপুল পরিমাণ দলিল বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দুদক কর্মকর্তারা জানান, গত ১ অক্টোবর বাংলাদেশে ইইউ ডেলিগেশনের হেড অব কো-অপারেশন মাইকেল ক্রেজার নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল দুদকের তৎকালীন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পাচার হওয়া তহবিল প্রত্যাবাসন ও কমিশনের পরিচালন সক্ষমতা বাড়াতে কারিগরি সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন।

শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগও তদন্ত শুরু করেছে দুদক।

সংস্থার কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পকে বলেন, শেখ হাসিনা ও জয়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ অধিকতর তদন্তের জন্য দুদকের মহাপরিচালক (বিশেষ তদন্ত) বরাবর পাঠানো হয়েছে।

গত ১৭ ডিসেম্বর দুদকের মহাপরিচালক আখতার হোসেন জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ৯টি অগ্রাধিকার উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে শেখ হাসিনা, জয়, হাসিনার বোন শেখ রেহানা, ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকসহ অন্যদের বিরুদ্ধে ওঠা ৭০০ কোটি ডলার আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে পৃথকভাবে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।

সূত্র জানায়, বেপজা ও বেজার আওতাধীন নয়টি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, আশ্রয়ণসহ আরও কিছু প্রকল্প।

৭০০ কোটি ডলারের মধ্যে শুধু রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প থেকেই ৫০০ কোটি ডলার আত্মসাৎ করা হয়েছে। বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী তদন্তে ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকসহ তার পরিবারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

টিউলিপ ২০১৩ সালে রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অস্ত্র সরবরাহের একটি চুক্তির মধ্যস্থতা করছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছিল।

ব্রিটিশ শ্রমমন্ত্রীর খালা শেখ হাসিনা ২০ বছরেরও বেশি সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং এখন দুর্নীতি দমন কমিশনের বিস্তৃত তদন্তের মুখোমুখি হচ্ছেন। টানা ১৫ বছর শাসনের পর শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গণঅভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে ভারতে পালিয়ে যান হাসিনা।

দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তাদের মতে, ২০১৪ সালে 'যুক্তরাষ্ট্র বনাম রিজভী আহমেদের মামলায়' শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নাম প্রথম নজরে আসে। এফবিআইয়ের তদন্তে জয়ের গুরুতর আর্থিক অসদাচরণের বিষয়টি উঠে আসে।

বিশেষত সজীব ওয়াজেদ জয়ের নামে হংকং এবং কেম্যান দ্বীপপুঞ্জের বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে নিউ ইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি এবং লন্ডন ব্যাংকে অর্থ স্থানান্তরিত করার তথ্য সামনে এসেছে। এফবিআই তাদের লন্ডন প্রতিনিধির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং গুরুতর আর্থিক অনিয়ম ও অর্থ পাচারের প্রমাণ পেয়েছে।

একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বিচার বিভাগের একজন বিশেষ এজেন্ট নিশ্চিত করেছেন, কেম্যান আইল্যান্ড ও হংকংয়ের শেল কোম্পানির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশ থেকে ৩০ কোটি ডলার জমা হয়েছে।

এ বিষয়ে দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, এ ঘটনা অনেকাংশেই সত্য। আমরা ভবিষ্যতে আরও সুনির্দিষ্ট তথ্য পেতে পারি। এ বিষয়ে আমরা পরে সরাসরি কথা বলব।

বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থা নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত শ্বেতপত্র অনুযায়ী, কর্তৃত্ববাদী আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অবৈধ তহবিল প্রবাহের কারণে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বার্ষিক ১৬ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছে।

প্রতিবেদন: গ্লোবাল ডিফেন্স কর্প

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১০

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১১

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

১২

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

১৩

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

১৪

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

১৬

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

১৭

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১৮

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১৯

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

২০

এলপিজি সিলিন্ডারের দাম আবারও বাড়লো

এলপিজি সিলিন্ডারের দাম আবারও বাড়লো
ছবি: সংগৃহীত

চলতি মাসের জন্য ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ১২ কেজির প্রতি সিলিন্ডারের দাম ১৯ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে চলতি মাসে ১২ কেজির প্রতি সিলিন্ডারের দাম দাঁড়িয়েছে ১,৪৭৮ টাকা, যা আগে ছিল ১,৪৫৯ টাকা।


বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে। এই নতুন মূল্য আজ সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।


এছাড়া, প্রতিলিটার অটোগ্যাসের দাম ৮৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৬৭ টাকা ৭৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।


এর আগে, গত মাসের শুরুতে জানুয়ারি মাসের জন্য এলপি গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল। তবে গত ১৪ জানুয়ারি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৪ টাকা বাড়িয়ে ১,৪৫৯ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়।


গত মাসের শুরুতে জানুয়ারি মাসের জন্য অটোগ্যাসের দাম ৩ পয়সা কমানো হয়েছিল, যা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬৬ টাকা ৭৯ পয়সা। তবে গত ১৪ জানুয়ারি অটোগ্যাসের দাম ৪৯ পয়সা বাড়িয়ে ৬৭ টাকা ২৭ পয়সা পুনর্নির্ধারণ করা হয়। এরপর গত ২২ জানুয়ারি ৪২ পয়সা কমানো হয় এবং নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ৬৬ টাকা ৮৫ পয়সা।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১০

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১১

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

১২

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

১৩

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

১৪

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

১৬

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

১৭

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১৮

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১৯

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

২০

১৩ বছর পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায়

১৩ বছর পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায়
ছবি: সংগৃহীত



পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার দুই দিনের সফরে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন।


শনিবার (২৩ আগস্ট) দুপুর ২টার পরে পাকিস্তানের বিশেষ একটি ফ্লাইটে ঢাকার পৌঁছান তিনি। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম।


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।


ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের নতুন হাইকমিশনার ইমরান হায়দারও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রায় ১৩ বছর পর কোনো পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে এলেন, যা পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।


তিনি বাংলাদেশের নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন বলেও উল্লেখ করা হয় এতে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১০

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১১

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

১২

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

১৩

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

১৪

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

১৬

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

১৭

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১৮

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১৯

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

২০

আমাকে বাড়ি-গাড়ি দিতে চেয়েছিলেন, আমি খুনির কাছ থেকে কিছু নেয়নি: প্রধানমন্ত্রী

আমাকে বাড়ি-গাড়ি দিতে চেয়েছিলেন, আমি খুনির কাছ থেকে কিছু নেয়নি:  প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার ছবি

ডেস্ক রিপোর্ট:

বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের ছয় বছর পর তার কন্যা শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে জিয়াউর রহমান তাকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের পৈতৃক বাড়িতে ঢুকতে দেননি।কিন্তু তাকে গাড়ি-বাড়ি দিতে চেয়েছিলেন। সেই প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। আজ শুক্রবার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে গণভবনে দেশে ফেরার ঘটনাপ্রবাহের স্মৃতিচারণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের স্মৃতিচারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ঝড়-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে সেদিন সাধারণ মানুষ সেখানে গিয়েছিল। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বক্তব্য রাখলাম, সব থেকে বড় কথা হলো, আমি যখন যাই, তখন কামাল, জামাল, রোজি, খুকি সবাই বিমানবন্দরে ছিল। আমি যখন ফিরে আসলাম, হাজার হাজার মানুষ, কিন্তু আমি পেলাম বনানীতে সারি সারি কবর।’

তিনি বলেন, ‘৩২ নম্বরে আমরা মিলাদ পড়তে চাইলাম, আমাকে ঢুকতে দেয়নি জিয়াউর রহমান। উল্টো বলেছিল বাড়ি দেবে, গাড়ি দেবে, সব দেবে। বলেছিলাম, তার কাছ থেকে কিছু নেব না। খুনির কাছ থেকে আমি কিছু নিতে পারি না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি যখন দিল্লিতে ছিলাম, সেখানে গিয়ে জিয়াউর রহমান আমার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিল। তার স্ত্রীও দেখা করতে চেয়েছিল, আমি দেখা করি নাই। লন্ডনে যখন, তখনও দেখা করতে চেয়েছিল, আমরা দেখা করিনি। আমি যখন আসলাম ৩২ নম্বরে ঢুকতে দেবে না, উল্টো বাড়ি-গাড়ি সাধবে, সেটা তো আমার কাছে গ্রহণযোগ্য না।’

দেশে ফিরে কোথায় উঠবেন, থাকবেন সেটা জানতেন না উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘শুধু আমার পরার কাপড়-চোপড়, দুটো স্যুটকেস ও পুতুলকে (মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল) নিয়ে আমি চলে এসেছি। তারপর এই যাত্রা শুরু। আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মী ও দলকে গোছানোর চেষ্টা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নেই, কিন্তু অন্তত এইটুকু বলতে পারি, তার বাংলাদেশ কিছুটা হলেও যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে স্বাধীন করেছিলেন এবং যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন, কিছুটা হলেও সেটা আমরা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি।’

তার নির্বাসিত সময়, দেশে ফেরার পরের পরিস্থিতি এবং আওয়ামী লীগ সংগঠন গোছানোর বিষয়গুলোর উল্লেখ করে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘সেদিন ফিরে এসেছিলাম। এত বড় দল পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা ছিল না, ছাত্রলীগ করার সময় নেতা হওয়ার চেষ্টা করি নাই। দলের প্রয়োজনে যে দায়িত্ব দিয়েছে, সেটাই পালন করেছি। কিন্তু যখন এ দায়িত্ব (আওয়ামী লীগ সভাপতি) পেলাম, এটা বড় দায়িত্ব।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে শক্তিশালী বড় সংগঠন। জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য দল আওয়ামী লীগ। প্রতিবার চক্রান্ত হয়, সেটা মোকাবিলা করে আমরা বেরিয়ে আসি। আমাদের তা ধরে রাখতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ রক্ত দিয়ে যে অধিকারগুলো আদায় করেছিল, সেটা আমরা সমুন্নত করতে পেরেছি। কিন্তু আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘কী পেলাম, না পেলাম, সেই চিন্তা করিনি। ভবিষ্যৎ কী, সেই চিন্তাও করি না। চিন্তা করি দেশের মানুষের ভবিষ্যৎটা আরও সুন্দরভাবে গড়ে তুলে দিয়ে যাব। সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’

দলীয় নেতাদের তিনি বলেন, ‘এটাই মনে রাখবেন, একটা দল করি শুধু নেতা হওয়া না, মানুষের জন্য কতটুকু করতে পারলাম, কী দিতে পারলাম, কী দিয়ে গেলাম, এটাই রাজনৈতিক মানুষের জীবনের বড় কথা। এই কথাটা মাথায় রাখতে পারলে দেশের মানুষের জন্য অনেক কিছুই করা যেতে পারে।’

সংগঠনকে শক্তিশালী করার তাগিদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আর যেন যুদ্ধাপরাধী, খুনিরা বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে, এই ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে।’

১৯৭৫-পরবর্তী যুদ্ধাপরাধীরা মন্ত্রী-এমপি-উপদেষ্টা হয়েছিল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ যারা করছেন তারাই অপরাধী হয়ে গেল। যারা বিরোধিতা করেছিল, গণহত্যা করেছিল, তারাই ক্ষমতায়। ওই অবস্থায় দেশে ফিরেছিলাম। আমার তো কিছুই ছিল না। একটা বিশ্বাস ছিল, দেশের জনগণ ও আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মী। এরপর লড়াই-সংগ্রাম করে এইটুকু বলতে পারি, পঞ্চমবারের মতো আওয়ামী লীগ ক্ষমতা এসেছে।’

আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের যদি রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনা না থাকে, দেশপ্রেম না থাকে, সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় না থাকে, তাহলে সেটা এগোতে পারে না। পঁচাত্তরে যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা নিজেদের ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চেষ্টা করেছিল, দেশের কোনো উন্নতি করতে পারেনি। আজকে আমরা বলতে পারি, দেশটা বদলে যাওয়া, বদলাতে পেরেছি। সামনে আরও বদলাতে হবে। কারণ আমার বাবার একটাই স্বপ্ন ছিল, দেশটাকে গড়ার। আমাদের পরিকল্পনা সেটাই আছে।’

আওয়ামী লীগের সংগ্রামের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা, কারফিউ, প্রতি রাতে মার্শাল ল, দেশের মানুষের কোনো আশা নেই, শুধু হতাশা। এই হতাশ জাতিকে টেনে তোলা যায় না। তাদের মাঝে আশার আলো জাগাতে হয়, ভবিষ্যৎ দেখাতে হয়, উন্নত জীবনের চিত্র তুলে ধরতে হয়। তবেই মানুষকে নিয়ে কাজ করা যায়। আমরা সেটাই করার চেষ্টা করছি।’

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের আগে বিদেশে যাওয়ার ঘটনা বর্ণনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আশা করেছিলাম আমরা খুব তাড়াতাড়ি ফিরে আসব। কিন্তু সেই ফিরে আসা আর হয়নি।’

আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি জানতাম না যে, আমাকে এত বড় একটা দায়িত্ব দেওয়া হবে। আমি কখনো এটা ভাবতে পারিনি।’

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১০

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১১

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

১২

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

১৩

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

১৪

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

১৬

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

১৭

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১৮

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১৯

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

২০

রেলের রানিং স্টাফদের দাবি পূরণে আলোচনা চলছে: রেল উপদেষ্টা

রেলের রানিং স্টাফদের দাবি পূরণে আলোচনা চলছে: রেল উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত




রেলের রানিং স্টাফদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, তাদের দাবি পূরণের বিষয়ে অর্থ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা চলছে।


মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।


উপদেষ্টা বলেন, "দাবি থাকতে পারে, কিন্তু ট্রেন বন্ধ রেখে যাত্রীদের জিম্মি করে আন্দোলন করা দুঃখজনক। এই বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের হাতে কিছু নেই, যা করার তা অর্থ মন্ত্রণালয়কে করতে হবে। আলোচনা চলছে, সমাধান হবে।"


পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা থেকে সারা দেশে কর্মবিরতি পালন করছেন রেলওয়ের রানিং স্টাফরা। এতে বন্ধ হয়ে যায় সারা দেশের ট্রেন চলাচল।


মঙ্গলবার সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে সরেজমিনে দেখা যায়, যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। ব্যস্ত টিকিট কাউন্টারগুলোতে নিরবতা বিরাজ করছে। ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, রাজশাহী কিংবা কক্সবাজারগামী যাত্রীরা স্টেশনে এসে জানতে পারেন, ট্রেন চলাচল বন্ধ।


পরিবারসহ শীতে স্টেশনে অপেক্ষা করা যাত্রীরা জানান, ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার খবর আগে জানলে হয়তো আসতেন না। তবে কাউন্টারে এসে বিপাকে পড়তে হয়েছে তাদের।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১০

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১১

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

১২

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

১৩

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

১৪

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

১৬

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

১৭

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১৮

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১৯

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

২০

বিজিবি শক্ত অবস্থানে ভারত বেড়া নির্মাণ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিজিবি শক্ত অবস্থানে ভারত বেড়া নির্মাণ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

বিজিবি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের শক্ত অবস্থানের কারণে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে ভারত বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।



রোববার (১২ জানুয়ারি) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সম্প্রতি সীমান্তের পাঁচটি স্থানে ভারত বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু করেছিল। তবে বিজিবি ও স্থানীয় জনগণের কঠোর অবস্থানের কারণে ভারত বাধ্য হয়েছে কাজ বন্ধ করতে।



স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, “বিগত সরকারের সময়ে (২০১০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত) ভারত কিছু অসম এবং অনৈতিক কাজ করেছে। তাদের সেই কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী ছিল। তবে আগের সরকারের নীরব ভূমিকার কারণে ভারত এসব সুযোগ নিতে পেরেছে।”



তিনি বলেন, সীমান্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সরকারের কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তে কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড যাতে না ঘটে, সেদিকে বিজিবি সর্বদা সজাগ রয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১০

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১১

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

১২

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

১৩

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

১৪

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

১৬

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

১৭

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১৮

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১৯

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

২০

জাতিসংঘের সুপারিশের বিষয়ে সবাই মিলে বসে সিদ্ধান্ত: উপদেষ্টা

জাতিসংঘের সুপারিশের বিষয়ে সবাই মিলে বসে সিদ্ধান্ত: উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়ের (ওএইচসিএইচআর) র‍্যাব বিলুপ্ত, ডিজিএফআইকে সামরিক গোয়েন্দা তৎপরতার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখাসহ বিভিন্ন সুপারিশ বাস্তবায়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাই বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।


বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে এসবি ইমিগ্রেশনের বিদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা অন অ্যারাইভাল/ট্রানজিট ভিসা আবেদনে অনলাইন অ্যাপ উদ্বোধন, পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন সহজীকরণ ও পাসপোর্ট আবেদনকারীদের জটিলতা/অভিযোগ ৯৯৯-এ জানানোর কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।


জাতিসংঘ র‍্যাব বিলুপ্তির প্রস্তাব দিয়েছে। বিজিবিকে সীমান্ত রক্ষার মধ্যে থাকা, ডিজিএফআইকে কেবল সামরিক গোয়েন্দা তৎপরতার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা ও আনসারের ওপর সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ না রাখার বিষয় প্রস্তাবনাও দিয়েছে জাতিসংঘ। এ বিষয়ে আপনাদের অবস্থান কী- জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘একটা প্রস্তাব তারা দিয়েছে, আমরা সবাই বসবো। বসার পর আমাদের যা ডিসিশন (সিদ্ধান্ত) সেটা আমরা জানাবো। তাদের এই তদন্তের বিষয়ে আমরা তো সবাই স্বাগত জানিয়েছি। তারা একটা ভালো কাজ করেছে। আমরা বসে একটা সিদ্ধান্ত নেবো।’


বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঘিরে গত বছরের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের অনুসন্ধানী দল। বুধবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ফলকার টুর্ক ও অন্যরা।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১০

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১১

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

১২

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

১৩

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

১৪

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

১৬

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

১৭

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১৮

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১৯

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

২০

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ
ছবি: সংগৃহীত



ঋণখেলাপি, দ্বৈত নাগরিকত্ব ও অন্য কোনও বিষয়ে তথ্য গোপন করে এবারের নির্বাচনে পার পেয়ে গেলেও ভোটের পরে প্রমাণ হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ। 


সোমবার দুপুরে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।


ইসি মাছউদ বলেন, ভোটের স্বচ্ছতার প্রশ্নে ইসি আপস করবে না। এখন পর্যন্ত নির্বাচনি পরিবেশ বজায় আছে। রাজনৈতিক কোনও চাপ অনুভব করছে না ইসি।


সুষ্ঠু এবং সুন্দর পরিবেশে ভালো ভোট হবে আশা প্রকাশ করে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান আব্দুর রহমানেল মাছউদ।


তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কোনও চাপ নেই। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে। রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন এসেছে।


জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, তাদের নির্বাচনের বাইরে রাখার কোনও সুযোগ নেই। কারণ তাদের নিবন্ধন বহাল রয়েছে। আইন অনুযায়ী তারা ভোটে অংশগ্রহণ করতে পারবে। সব প্রার্থীর জন্য আমরা সমান সুযোগ তৈরি করছি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১০

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১১

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

১২

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

১৩

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

১৪

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

১৬

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

১৭

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১৮

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১৯

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

২০

বেগম খালেদা জিয়া আর নেই

বেগম খালেদা জিয়া আর নেই
ছবি: সংগৃহীত



বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টার দিকে তিনি মারা যান। বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।


এর আগে, গত ২৩ নভেম্বর ফুসফুসের সংক্রমণ থেকে শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। এরপর দেখা দেয় নিউমোনিয়া, সঙ্গে কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসের পুরনো সমস্যা। হাসপাতালে ভর্তির পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিউ) নেয়া হয় তাকে। 


খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ ইউনূস। এ ছাড়া দল-মত নির্বিশেষে রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর রাখছিলেন ও রোগমুক্তির জন্য দোয়া করেন।


বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বেনজির ভুট্টোর পর মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় মহিলা প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও দলনেত্রী।


১৯৮১ সালের ৩০ মে এক সামরিক অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান নিহত হন। এরপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীর আহ্বানে খালেদা জিয়া ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বিএনপির  রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতা দখল করেন। ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে তিনি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হন।


বিচারপতি সাত্তার অসুস্থ হয়ে পড়লে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বেগম খালেদা জিয়া। ১৯৮৪ সালের ১০ মে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন তিনি। তার নেতৃত্বে কয়েক দশকে দেশের রাজনীতিতে বিএনপির পূর্ণ বিকাশ হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১০

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১১

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

১২

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

১৩

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

১৪

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

১৬

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

১৭

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১৮

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১৯

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

২০

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্যাঞ্চলে আড়াইশ ক্যাম্প চায় সেনাবাহিনী

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্যাঞ্চলে আড়াইশ ক্যাম্প চায় সেনাবাহিনী
ছবি: সংগৃহীত



পার্বত্য চট্টগ্রাম আবার অস্থিতিশীল করে তুলতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ভারতীয় মদতপুষ্ট সশস্ত্র সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা ইউপিডিএফ। ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানো, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে পাহাড়ে হামলা চালানো এবং চাঁদাবাজি ও অপহরণের মতো কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েছে সংগঠনটির সদস্যরা। নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, পতিত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর ভারত আবার পাহাড়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলতে চাইছে।


এ পরিস্থিতিতে পাহাড়ে দায়িত্ব পালন করা সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পার্বত্যাঞ্চলে অন্তত আড়াইশ নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। তাদের যুক্তি, নতুন ক্যাম্প হলে প্রতিটি রুটে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানো যাবে, অস্ত্রপ্রবাহ বন্ধ হবে এবং চাঁদাবাজি ও অপহরণ বন্ধ করা সম্ভব হবে। রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প বৃদ্ধি জরুরি।


নাম প্রকাশ না করার শর্তে সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এসব তথ্য জানান।


এসব সেনা কর্মকর্তার দাবি, শান্তিচুক্তির পর ক্যাম্প কমে যাওয়ায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করেছে এবং এখন তারা প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। পাহাড়ের সশস্ত্র গ্রুপগুলো গত এক বছরে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা চাঁদা তুলেছে। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, এর মধ্যে ইউপিডিএফ তুলেছে ১০৪ কোটি টাকা। চাঁদা নেওয়ার তালিকায় রয়েছে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, কৃষি, যানবাহন, ঠিকাদার, কাঠ, বাঁশ ও অপহরণ। এর মধ্যে সশস্ত্র গ্রুপগুলো রাঙামাটি জেলা থেকে ২৪৪ কোটি, খাগড়াছড়ি থেকে ৮৬ কোটি এবং বান্দরবান থেকে ২০ কোটি টাকা চাঁদা তুলেছে।


শুধু চাঁদা নয়; অপহরণ ও হত্যার সঙ্গেও জড়িত ইউপিডিএফ। ২০০৯ থেকে এ পর্যন্ত ৩৩২ জনকে অপহরণ করে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি। এর মধ্যে পাহাড়িরাও ছিলেন। সর্বশেষ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীকে অপহরণ করার ঘটনা ঘটে। তাদের হাতে ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৮৯ জন হত্যার শিকার হয়েছেন, যাদের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য যেমন রয়েছেন, তেমনি সেনাবাহিনীর ১৬ সদস্যও রয়েছেন।


ইউপিডিএফ এবং তাদের সহযোগীরা ভারতের মিজোরামে স্থাপিত ক্যাম্প থেকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে এসে বাংলাদেশের ভেতরে নাশকতা চালাচ্ছে। সেনাবাহিনী মনে করে, সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ক্যাম্প স্থাপন অপরিহার্য। বর্তমানে খাগড়াছড়িতে ৯০, রাঙামাটিতে ৭০ এবং বান্দরবানে ৫০টিসহ ২১০টি ক্যাম্প থাকলেও পাহাড়ের ভৌগোলিক বাস্তবতায় তা যথেষ্ট নয়। আরো অন্তত আড়াইশ নতুন ক্যাম্প হলে সন্ত্রাসীরা আর মাথা তুলতে পারবে না।


সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রতি সদয় ছিল হাসিনার সরকার


সেনা সদর বলছে, শেখ হাসিনার আমলে সশস্ত্র গ্রুপগুলোর প্রতি নমনীয় থাকার অলিখিত নির্দেশ ছিল, যার ফলে সন্ত্রাসীরা রাজনৈতিক মদত ও প্রশাসনিক শৈথিল্য কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী হয়। কিন্তু বর্তমান নীতি হলো ‘নো কম্প্রোমাইজ’। অর্থাৎ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস বা আলোচনার জায়গা নেই, সরাসরি অ্যাকশনই একমাত্র পথ। কারণ, গোষ্ঠীগুলো কখনো সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে না; তারা পাহাড়ি ও বাঙালি- উভয় জনগোষ্ঠীকেই জিম্মি করে রেখেছে।


পাহাড়ে দায়িত্ব পালন করা একজন ব্রিগেড কমান্ডার জানান, ইউপিডিএফ ও অন্যান্য সন্ত্রাসী গ্রুপের কার্যক্রম এখন শুধু চাঁদাবাজি বা অপহরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। তারা ভারতের মিজোরাম থেকে সরাসরি প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র নিয়ে এসে পাহাড়ে হামলা চালাচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হলে অতিরিক্ত সেনা ক্যাম্প স্থাপন অপরিহার্য। আমরা মনে করি, কমপক্ষে আড়াইশ নতুন ক্যাম্প প্রয়োজন।


খাগড়াছড়ি জোনের দায়িত্বে থাকা একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল বলেন, যেভাবে মিথ্যা ধর্ষণের নাটক সাজানো হলো, সামনে আরো বড় কোনো ঘটনা ঘটানো হতে পারে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র ঠেকাতে সেনাদের দ্রুত উপস্থিতি জরুরি। কিন্তু বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকার অনেক জায়গায় সেনা ক্যাম্প নেই, ফলে সন্ত্রাসীরা ফাঁকফোকর কাজে লাগায়। তাই আমরা আড়াইশ ক্যাম্প স্থাপনের দাবি তুলেছি।


বান্দরবানে দায়িত্ব পালন করা একজন মেজর জানান, ইউপিডিএফের চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ডের তথ্য আমাদের হাতে আছে। তারা ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার প্রত্যক্ষ সহায়তায় চলছে। প্রতিটি রুট আমরা চিহ্নিত করেছি। এখন প্রয়োজন তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ। নতুন ক্যাম্পগুলো হলে আমরা এক ঘণ্টার মধ্যেই যেকোনো স্থানে অভিযান চালাতে পারব।


রাঙামাটির এক জোন কমান্ডার বলেন, আমাদের হাতে গোয়েন্দা প্রমাণ রয়েছে যে, ইউপিডিএফের অন্তত ছয়টি ক্যাম্প ভারতের মিজোরামে। তাদের লোকজন প্রশিক্ষণ নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। সীমান্ত পাহাড়ে ক্যাম্প বাড়ানো ছাড়া এ অনুপ্রবেশ ঠেকানো যাবে না। জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সেনা ক্যাম্পের সংখ্যা আড়াইশতে উন্নীত করা জরুরি।


সার্বিক বিষয়ে খাগড়াছড়িতে দায়িত্ব পালন করা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেন, নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়টি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। আমরা এখন আমাদের যা পুঁজি আছে, সেগুলো নিয়ে নজরদারি করছি। ধর্ষণের ঘটনাকে পুঁজি করে সাধারণ পাহাড়ি নারী ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সামনে দিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করছে ইউপিডিএফ। এসব কর্মসূচিতে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে দেশীয় ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করে ফায়ারিং করা হয়েছে। সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবে।


নিরাপত্তা বিশ্লেষক মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমানে ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসী তৎপরতা, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড নতুন মাত্রা পেয়েছে। সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার চাইলে কেন আমরা তা প্রত্যাহার করব? আমরা আমাদের কৌশলে এগিয়ে যাব।


নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শহীদুজ্জামান বলেন, ইউপিডিএফ এবং অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠী ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা থেকে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, যা আমাদের জন্য শঙ্কার বিষয়। সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং কার্যকর নজরদারি ছাড়া দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সম্ভব নয়। সে কারণে আড়াইশ নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন এখন একান্ত জরুরি। এসব ক্যাম্প স্থাপন করা হলে সেনাবাহিনী দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারবে এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম কার্যকরভাবে দমন করা সম্ভব হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১০

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১১

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

১২

কুমিল্লা সেনানিবাসে স্বাধীনতা দিবসে ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ ,‘গো গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’ বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি

১৩

চীনা মুদ্রায় মূল্য পরিশোধের শর্তে হরমুজে তেল পরিবহন করতে পারে ইরান

১৪

ইমাম-পুরোহিতসহ ধর্মীয় সেবাদানকারীদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিরোধ: স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

১৬

দেশে পৌঁছেছে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে নিহত প্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ

১৭

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত

১৮

‘ভোটের ফল প্রকাশে দীর্ঘ সময় লাগবে না’

১৯

‘নির্বাচন ঘিরে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে’

২০