

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরার অপরাধে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন নদ-নদীতে অভিযান চালিয়ে ৭ দিনে ১২৯ জেলেকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি জরিমানা আদায় করা হয় ১১ লাখ ৯৯ হাজার ১০০ টাকা।
বিভাগীয় মৎস্য অফিস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ অক্টোবর থেকে ১৯ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে ৮৩৪ টি অভিযান চালানো হয়েছে। ২৭০টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পাশাপাশি ৩১১টি মামলা করা হয়েছে।
যে সময়ে বরিশাল বিভাগে ১৬৮ বার বিভিন্ন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, ১ হাজার ২৬৫ বার বিভিন্ন মাছঘাট, ২ হাজার ৩৪১ বার বিভিন্ন আড়ত ও ১ হাজার ৩৭০ বার বিভিন্ন বাজার পরিদর্শন করেছেন মৎস্য অধিদপ্তরে জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।
আর গত ২ দিনের অভিযানে ৭ হাজার ৩০০ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৭ কোটি ১৪ লাখ ৭৪ হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের ৩৮ লাখ ৭৫ হাজার ১০০ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে।
এছাড়া নৌকাসহ জব্দ হওয়া সরঞ্জাম নিলাম করে এক লাখ ৫ হাজার ২০০ টাকা আয় হয়েছে।
মৎস্য বিভাগের উপ-পরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস জানান, গত ১৩ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ২২ দিনের জন্য উপকূলের সাত হাজার বর্গকিলোমিটারের মূল প্রজননস্থলসহ সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন ও বিপণন নিষিদ্ধ থাকছে।
মন্তব্য করুন


মন্ত্রীর নির্দেশনা এবং গ্রাহকদের অসন্তোষ মধ্যে মোবাইল অপারেটরগুলো ইন্টারনেটের খরচ কমিয়েছে।
কোনো অপারেটর তিন দিনের দামে সাত দিনের প্যাকেজ ডিজাইন করেছে, আবার কোনোটি সরাসরি দামও কমিয়ে ফেলেছে।
গত ১৫ অক্টোবর থেকে মোবাইল ইন্টারনেটের নতুন প্যাকেজ কার্যকর হওয়ায় তিন দিনের প্যাকেজ তুলে দেওয়া হয়। অপারেটররা বলে আসছিল, তিন দিনের প্যাকেজ তুলে দিলে দাম বেড়ে যাবে। কারণ, তিন দিনের প্যাকেজটির চাহিদাই সব থেকে বেশি।
তিন দিনের প্যাকেজ তুলে দিয়ে নতুন নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার পর দাম বেড়ে যাওয়ায় গ্রাহক এবং অপারেটরদের মধ্যেও অস্বস্তি ছিল। পরে মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ১০ নভেম্বরের মধ্যে দাম কমানোর নির্দেশনা দিয়েছিলেন।
ইন্টারনেট প্যাকেজের খরচ কমানোর নির্দেশনায় প্রথমেই সাড়া দেয় রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটক। এরপর অন্যান্য অপারেটরও প্যাকেজ রিডিজাইন করছে বলে জানিয়েছে অপারেটরগুলো।মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (এমটব) ইন্টারনেটের দাম কমানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এক বিবৃতিতে এমটব জানায়, গত ১৫ অক্টোবর নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশাবলী অনুযায়ী নানাবিধ প্রতিকূলতা সত্ত্বেও অপারেটররা তাদের ইন্টারনেট প্রোডাক্ট পোর্টফোলিও আপডেট করে। দুর্ভাগ্যবশত এর মাত্র ১৫ দিন পরে আবারও প্রোডাক্ট পোর্টফলিও পরিবর্তন করতে নতুন নির্দেশনাবলী দেওয়া হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমরা ইতোমধ্যেই এই জটিল পোর্টফোলিও পরিবর্তন করেছি।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে কোটি কোটি বাংলাদেশির জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করে এমটব।
মন্তব্য করুন


অর্থনৈতিক সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে ছাঁটাই অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে গত বছরের শুরু থেকে চাকরি হারিয়েছেন অসংখ্য মানুষ। প্রাথমিকভাবে আর্থিক মন্দার প্রভাব পড়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে। কিন্তু ধীরে ধীরে তা অন্য খাতেও ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন সংস্থার বিশ্ববাজারের মন্দার প্রভাবের গ্রাস করেছে ভারতকেও। এবার ভারতে বহু কর্মী ছাঁটাই করল অ্যামাজন। ইতোমধ্যে বিপুল সংখ্যক ছাঁটাইয়ের বিষয়ে ঘোষণা করেছে ই-কমার্স কোম্পানিটি।
বছরের শুরু থেকেই অ্যামাজনের কর্মীরা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। ইতোমধ্যে ভারতসহ সারা পৃথিবীতে অ্যামাজন কয়েক হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। যদিও এখনো কোম্পানির পক্ষ থেকে ঠিক কতজন ভারতীয় কর্মীর ওপর প্রভাব পড়েছে সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।
অ্যামাজন সূত্রে খবর, ভারতে প্রায় ৫০০ কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। এই টেক কোম্পানি ওয়েব সার্ভিস, হিউম্যান রিসোর্স এবং সাপোর্টসহ বিভিন্ন টিমের কয়েক হাজার কর্মীকে চলতি বছরে ছাঁটাই করেছে।
গত জানুয়ারি মাসেই ১৮ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা করেছিল অ্যামাজন। আর সেই ছাঁটাইয়ের তালিকায় ভারতের অনেক কর্মী রয়েছেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন কোম্পানির সিইও অ্যান্ডি জেসি। সেক্ষেত্রে পূর্বাভাস ছিল, অ্যামাজন ভারতে প্রযুক্তি, হিউম্যান রিসোর্সসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রায় ১০০০ কর্মীকে বরখাস্ত করতে পারে।
বছরের শুরুতে সিইও ছাঁটাই হওয়া প্রত্যেক কর্মীদের একাধিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন। সেই প্যাকেজের মাধ্যমে চাকরি হারানো কর্মীদের বেতন, বিমা এবং বাহ্যিক চাকরির সহায়তা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছিল।
২০২২ সালের নভেম্বর মাসের শুরুর দিকে প্রথমবার কর্মী ছাঁটাই হয় অ্যামাজনে। সেই সময় এক ধাক্কায় চাকরি হারিয়েছিলেন প্রায় ১০ হাজার কর্মী। এরপর ডিসেম্বর মাসে ও ২০২৩ সালের প্রথম দিকে আরও বেশি কর্মী ছাঁটাই করা হবে বলে অ্যামাজনের পক্ষ থেকে জানানা হয়েছিল।
শুধু অ্যামাজনই নয়, বিশ্বজুড়ে চলতে থাকা আর্থিক মন্দার প্রভাব পড়ছে অনেক নামি কোম্পানিতে। ফেসবুক থেকে টুইটার, মাইক্রোসফট থেকে মেটার মতো একাধিক বহুজাতিক কোম্পানি ছিল ছাঁটাইয়ের তালিকায়। প্রাথমিকভাবে কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছিল টুইটার। এরপর ছাঁটাইয়ের ট্রেন্ড শুধু তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিভিন্ন খাতের কর্মীদের চাকরিতেও এর প্রভাব পড়েছে।
মন্তব্য করুন


ডিমের বাজার দর স্থিতিশীল রাখতে সীমিত সময়ের জন্য ৭ প্রতিষ্ঠানকে শর্তসাপেক্ষে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডিম আমদানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (০৮ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য-১ শাখা থেকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অনুমোদন পত্রে বলা হয়েছে, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে দেশে প্রতিদিন প্রায় ৫ (পাঁচ) কোটি পিস ডিমের চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে ডিমের বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় ও বাজারদর স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে সাময়িকভাবে সীমিত সময়ের জন্য ৭টি প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে ৪ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এ আমদানির অনুমতির মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে। তবে আমদানির কিছু শর্তাদি অনুসরণ করতে হবে।
যশোরের মেসার্স তাওসিনকে ১ কোটি পিস, সাতক্ষীরার মেসার্স সুমন ট্রেডার্সকে ২০ লাখ পিস, রংপুরের আলিফ ট্রেডার্সকে ৩০ লাখ পিস, ঢাকার মেসার্স মিম এন্টারপ্রাইজকে ১ কোটি পিস, হিমালয়াকে ১ কোটি পিস, মেসার্স প্রাইম কেয়ার বাংলাদেশকে ৫০ লাখ পিস এবং মেসার্স জামান ট্রেডার্স ৫০ লাখ পিস ডিম আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
আমদানির জন্য প্রযোজ্য শর্তের মধ্যে রয়েছে-
ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন ফর অ্যানিমেল হেলথ (হো) এর গাইডলাইন অনুযায়ী বার্ড ফ্লু মুক্ত জোনিং/কম্পার্টমেন্টালাইজেশনের স্বপক্ষে রপ্তানিকারক দেশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জোনিং/কম্পার্টমেন্টালাইজেশনের সার্টিফিকেট/ঘোষণা দাখিল করতে হবে।
আমদানিকৃত ডিমের প্রতিটি চালানের জন্য রপ্তানিকারক দেশের সরকার কর্তৃক নির্ধারিত/ক্ষমতাপ্রাপ্ত উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু ভাইরাস ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মুক্ত মর্মে সনদ দাখিল করতে হবে। সরকার কর্তৃক নির্ধারিত শুল্ক-কর পরিশোধ ও অন্যান্য বিধি-বিধান মানতে হবে।
এছাড়া ডিম আমদানির প্রতি চালানের অন্যূন ১৫ দিন আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানাতে হবে। আমদানির অনুমতি পাওয়ার ৭ দিন পর পর অগ্রগতি প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দাখিল করতে হবে এবং আমদানির অনুমতির মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে।
মন্তব্য করুন


চলমান অস্থির পেঁয়াজের
বাজার নিয়ে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন
কক্ষে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ (১১/১২/২০২৩) সকালে কুমিল্লার
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান এর সভাপতিত্বে
এ বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বডুয়া,
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ শামসুল তাবরীজ, ভোক্তা অধিদপ্তরের
সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলাম, সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়া,
কুমিল্লা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি, সেক্রেটারিসহ দোকান মালিক সমিতির
অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, কুমিল্লা নগরীর সকল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ
এবং পেঁয়াজ ব্যবসায়ের সাথে জড়িত পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় চলমান অস্থির পেঁয়াজের বাজার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাইকারি-খুচরা
বিক্রেতা সকলেই দৃশ্যমান স্থানে পেঁয়াজসহ অন্যান্য দ্রব্যের মূল্য তালিকা
প্রদর্শন করতে হবে। প্রশাসন ও তদারকি টিমের সদস্যদের কাছে ক্রয়ের রসিদ
দেখাতে ব্যর্থ হলে, ভাউচার দিতে অসম্মতি জানালে এবং অযৌক্তিক লাভে পেঁয়াজ
বিক্রয় করলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


সোমবার (০৪ মার্চ) দুপুরে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৪ এর দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় অধিবেশনে কৃষি, খাদ্য, মৎস্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কার্য অধিবেশন শেষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমান সাংবাদিকদের জানান,রমজানে ঢাকায় সাশ্রয়ী মূল্যে মাছ ও মাংস বিক্রি করবে সরকার। আগামী ১০ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত রাজধানীর ৩০টি জায়গায় তা পাওয়া যাবে।
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, রমজান উপলক্ষে গরুর মাংস ৬০০ টাকা, খাসির মাংস ৯০০ টাকা ও সলিড ব্রয়লার ২৮০ টাকায় বিক্রি করা হবে। এছাড়া ডিম বিক্রি হবে প্রতিটি ১০ টাকা ৫০ পয়সায়। এটাই হলো আমাদের একটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা। আগামী ১০ মার্চ সেটা উদ্বোধন করা হবে।
তবে এটা সারা দেশে করা হবে কিনা জানতে চাইলে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ঢাকায় ত্রিশটি জায়গায় এটা করা হবে। পর্যায়ক্রমে সামর্থ্য অনুসারে এ ব্যাপারগুলো আরও বেশি জায়গায় প্রসারিত করার চেষ্টা করব। ঢাকার বাইরে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করার তাগিদ আছে। ব্যবসায়ীদের কাছে অনুরোধ, আপনারা মানুষকে কষ্ট দিয়ে অধিক মুনাফা লাভের চেষ্টা করবেন না।
ইলিশ সংরক্ষণ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, জাটকা ধরার জায়গা থেকে মৎস্যজীবীদের সরিয়ে আনতে হবে। এটা বন্ধ হলে ইলিশ উৎপাদন বাড়বে। যতক্ষণ পর্যন্ত মাছটি নদীতে থাকতে পারবে, ততই এর বৃদ্ধি ঘটবে।জাটকা নিধন বন্ধে কিছুদিন ইলিশ ধরা বন্ধ রেখেছি। আগামী ১১ মার্চ থেকে এটা শুরু হবে। এই মধ্যবর্তী সময়ে যারা মৎস্যজীবী আছেন, তাদের একটা সঠিক তালিকা প্রণয়ন করে তাদেরকে রেশনিংয়ের মধ্যে নিয়ে আসার ব্যবস্থার কথা বলেছি। কারণ ওই সময়টায় তাদের যদি একটা প্রণোদনা দিই, তাহলে মাছ না ধরার কারণে তাদের ক্ষতি তারা পুষিয়ে নিতে পারবে।
মৎস্যমন্ত্রী বলেন, মাছ উৎপাদন, প্রাণিসম্পদে আমরা সন্তোষজনক অবস্থায় আছি। এটার প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে আমাদের মাথায় আরও কিছু পরিকল্পনা আছে। আমাদের চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে আছে, কারেন্ট জাল। এটা দিয়ে যত্রতত্র মাছ ধরা হয়। যেই মাছ থেকে মাছের বিস্তার হবে, সেটাও কারেন্ট জাল দিয়ে ধরা হয়। এ বিষয়টা আমরা ডিসিদের বলেছি। মাইকিং করে জালগুলো তুলে ফেলতে হবে। না করলে জেলাপ্রশাসকদের নেতৃত্ব আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে জালগুলো আটক করতে হবে।
মন্তব্য করুন


বুধবার সকাল ১১টা ২৮ মিনিটে রাজধানীর উপকণ্ঠ পূর্বাচল নতুন শহরের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে এ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, মানুষ মাত্রই উদ্যোক্তা। মানুষের কাজই হলো নিজের মন মতো কাজ করা। বাণিজ্যমেলা মানুষকে নিজের উদ্যোগকে ও সৃজনশীলতাকে তুলে ধরার সুযোগ দেয়। এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।
বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে মাসব্যাপী এই মেলা হচ্ছে এ নিয়ে চতুর্থবার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এ মেলার যৌথ আয়োজক। দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিদেশি ৭ দেশের ১১ প্রতিষ্ঠান এবারের মেলায় অংশ নেবে।
অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং এবং মালয়েশিয়া।
মন্তব্য করুন


চিনির বাজারদর সহনীয় ও স্থিতিশীল রাখতে অপরিশোধিত ও পরিশোধিত চিনির ওপর বিদ্যমান রেগুলেটরি ডিউটি ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
এ সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সংস্থাটি।
বুধবার (৯ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরিচালক (জনসংযোগ) সৈয়দ এ মোমেন।
এনবিআর বলছে, বৈশ্বিক যুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার ফলে বাংলাদেশি মুদ্রার ব্যাপক অবমূল্যায়ন, সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং বন্যা পরিস্থিতির কারণে শিশু খাদ্যসহ ও বেশ কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বেড়ে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণপূর্বক কর ছাড়ের মাধ্যমে চিনির বাজার দর সহনীয় ও স্থিতিশীল রাখার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অপরিশোধিত ও পরিশোধিত চিনির ওপর বিদ্যমান রেগুলেটরি ডিউটি ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এনবিআর জানায়, রেগুলেটরি ডিউটি ১৫ শতাংশ কমানোর মাধ্যমে আমদানি পর্যায়ে প্রতি কেজি অপরিশোধিত চিনির ওপর শুল্ক কর ১১ টাকা ১৮ টাকা এবং পরিশোধিত চিনির ওপর শুল্ক কর ১৪ টাকা ২৬ টাকা কমানো হয়েছে।
এর ফলে শুল্ক হ্রাসের সমপরিমাণ দাম কমে আসবে বলে মনে করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
তাছাড়া, এই শুল্ক কর হ্রাসকরণের ফলে অবৈধ পথে চিনির চোরাচালান নিরুৎসাহিত হবে এবং বৈধ উপায়ে আমদানি বাড়বে। এতে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বাড়বে।
মন্তব্য করুন


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, আসন্ন রমজানে ও গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ইতোমধ্যে সব ধরনর প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে যমুনা সেতু পশ্চিম সিরাজগঞ্জ সয়দাবাদ ৬৮ মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট পরির্দশন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি, গ্যাস, কয়লা ক্রয়ের ডলার সংস্থান ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর বাৎসরিক মেইনটেন্যান্স সম্পন্ন করা হয়েছে। কোনো বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যদি অনাকাঙ্খিত কোনো ঘটনা না ঘটে তাহলে এবার বিদ্যুতের কোন সমস্যা হবে না।
এ
সময় জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. ফারুখ হোসেন, সিরাজগঞ্জ ৬৮
মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার প্লান্টের প্রকল্প পরিচালক মো. তানভীর রহমানসহ বিদ্যুৎ বিভাগের
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রোজায়
নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন,
সেনাবাহিনী, ভোক্তা অধিকার ও বিএসটিআইসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর।
সোমবার
বেলা ১১টা থেকে ২টা পযন্ত কুমিল্লা জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়ছারের নেতৃত্বে কুমিল্লা
নগরীর রাজগঞ্জসহ খুচরা বাজারে তদারকি এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এসময়
রমজানের নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা পণ্যের মধ্যে মাছ,মাংস, মুরগি, সয়াবিন তেল ও লেবুসহ
বিভিন্ন পণ্যের ক্রয় ও বিক্রয়ের ভাউচার মনিটরিং করা হয় ।
এসময়
ব্যবসায়ীদের সাবধান করে জেলা প্রশাসক বলেন যাতে অধিক মুনাফার লোভে ভোক্তার সঙ্গে
প্রতারণা না করা হয় ।
জেলা প্রশাসক আমিরুল কায়ছার
বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে প্রতিদিন দুটি টিম নগরীতে বাজার দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রণে
কাজ করছে। এছাড়া প্রতিটি উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাজার নিয়ন্ত্রণে কাজ করা
হচ্ছে।
একই সময় খুচরা বাজারের দেশি
ও বিদেশী ফল এবং সবজিতে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ফরমালিন আছে কিনা তা ভ্রাম্যমাণ
ল্যাবের মাধ্যমে পরীক্ষা করেছে বিএসটিআই। যাতে করে রমজান মাসে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত
করা সম্ভব হয় সেই বিষয়ে এ পরীক্ষা কার্যক্রম বিএসটিআইয়ের।
অভিযানে বিএসটিআই কুমিল্লার
উপ-পরিচালক কে এম হানিফ, ভোক্তা অধিকার কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মোঃ কাউছার
মিয়াসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মাংস ও মাংসজাত পণ্যকে নিত্যপণ্যের ক্যাটাগরিতে আনার প্রস্তাব আসতে পারে আসন্ন বাজেটে। নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে যাওয়া পণ্যটির দাম কমানোর উদ্দেশ্য নিয়ে এ প্রস্তাব আসতে পারে।
এই পণ্যের উৎসে গড় অগ্রিম আয়কর ৫- ৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হতে পারে আসছে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের বাজেটে। কারণ, গড়ে ৫-৭ শতাংশ অগ্রিম আয়কর দেশের মাংস উৎপাদন ও সরবরাহকারী ব্যবসায়ীদের নিরুৎসাহিত করছে।
মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম মাংস ও মাংসজাত পণ্যের ওপর অগ্রিম আয়কর কমানোসহ এই পণ্য নিত্যপণ্যের ক্যাটাগরিতে আনার প্রস্তাবনা দিয়েছিলেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মাংস ও মাংসজাত পণ্যের ওপর অগ্রিম আয়কর কমানোর প্রস্তাব গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।
• আরও পড়ুন : বিদেশ ভ্রমণে গুণতে হবে বাড়তি কর
সে কারণে বাজেটে মাংসের অগ্রিম কর কমানোর প্রস্তাবনা আসতে পারে। এনবিআর এবং অর্থ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে ঢাকা পোস্টকে বলেন, মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে দেশের মানুষের আমিষের ঘাটতি মেটানোর জন্য অবশ্যই এ পণ্যকে নিত্যপণ্যের ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবটি অবশ্যই বিবেচনায় আনা দরকার।
তারা বলেন, গরুর মাংস মুসলমানের অনেক পছন্দের খাবার। কয়েক বছরের মধ্যে এ পণ্যের দাম কয়েক বছরের মধ্যে প্রতি কেজি ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০০ টাকা হয়েছে। মাংসের দাম সাধারণের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এতে দেশের মানুষ আমিষের ঘাটতিতে পড়বে।
বিভিন্ন সূত্রে আরও জানা যায়, বাংলাদেশের গরুর মাংস যেখানে প্রতি কেজি ৮০০ টাকা, সেখানে পাকিস্তানে গরুর মাংসের দাম বর্তমানে ৬০০ রুপি যা বাংলাদেশের টাকায় ২৩০ টাকার সমান। অন্যদিকে ভারতে প্রতি কেজি মাংসের দাম ১৭৫ রুপি যা বাংলদেশি টাকায় হয় ২২৪ টাকার মতো। ভারতের কলকাতাতে ১৭৫ রুপি থেকে ১৮০ রুপির মধ্যে গরুর মাংস পাওয়া যাচ্ছে। ভারতে গরুর মাংসের দাম অন্যান্য দেশ থেকে অনেকটা কম।
কর্মকর্তারা আরও বলছেন, অন্যান্য দেশ থেকে বাংলাদেশে গরুর মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে মূল্যস্ফীতিকে চিহ্নিত করা হচ্ছে। বর্তমানে দেশের মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ২৪ শতাংশ।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর চিঠিতে বলা হয়েছে মাংস উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ১০-১২ শতাংশ গ্রস মার্জিন দিয়ে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। ফলে মাংস ব্যবসায়ীদের সর্বোচ্চ নিট লাভ মার্জিন ১-৩ শতাংশের বেশি হওয়া সম্ভব হয় না। আয়কর অধ্যাদেশ অনুসারে মাংস ও মাংসজাত পণ্য সরবরাহের ওপর সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ পর্যন্ত উৎসে কর কর্তন করা হয়ে থাকে; যা এই খাতের নীট মার্জিনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
• আরও পড়ুন : সাড়া দেয়নি কোনো পাচারকারীই, দেশে ফেরেনি এক পয়সাও
আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর বিধি-১৬ এর ৫২ ধারার টেবিল-২- এ চাল, ডাল, গম, ময়দা, চিনি, তেল, আলু, খেজুর, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, শুকনা মরিচ, পাট, সুতাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর ২ শতাংশ হারে উৎসে কর কর্তন আরোপিত রয়েছে। মাংস ও মাংসজাত পণ্যকে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে বিবেচনা করে একই শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ করেন মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী। মন্ত্রীর ওই প্রস্তাবকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে এনবিআর।
এর আগে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের শুল্ক-কর কমানোর দাবি করেছিল। সংস্থাটি বলেছে, শুল্ক-কর কমানো হলে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষেরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন। বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মূল্যস্ফীতি। এ কারণে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। তাই আগামী বাজেটে আমদানি ও স্থানীয় পর্যায়ে বেশ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের শুল্ক-কর কমানোর প্রস্তাব করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি। সিপিডির পক্ষ থেকে আমদানি করা ২৮টি পণ্যের একটি তালিকাও এনবিআরকে দেওয়া হয়েছে।
সিপিডি যেসব পণ্যের শুল্ক-কর কমানোর প্রস্তাব করেছিল তার মধ্যে রয়েছে- বিভিন্ন ধরনের হিমায়িত পশুর মাংস (গরু, মহিষ, ভেড়া ইত্যাদি), মুরগি, মাছ (রুই, কাতলা, পাঙাশ, কার্প ইত্যাদি), ইলিশ, বিভিন্ন ধরনের দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য, টমেটো, পেঁয়াজ, রসুন, খেজুর, দারুচিনি, গোলমরিচ (পিপার), ধনিয়া, আদা, হলুদ, ভুট্টা, চাল, পাম তেল ও লবণ।
অন্যদিকে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির বিবেচনায় সরকার পোল্ট্রি ও মৎস্য শিল্পের কর ছাড় প্রত্যাহারেও উদ্যোগ নিয়েছে। এনবিআরের মতে হাঁস-মুরগি ও মাছ এখন আমদানি হয় না। তাই বিদেশি উৎপাদকদের সঙ্গে কোনো প্রতিযোগিতা নেই। এই দুটি খাতে কর অব্যাহতির প্রয়োজন নেই। বরং আমদানিতে কর ছাড় প্রত্যাহার হলে স্থানীয় শিল্পগুলো নিজেদের মানের উন্নয়ন ঘটাতে বাধ্য হবে বলে মনে করে এনবিআরের সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
মন্তব্য করুন