

চলতি বছরের এপ্রিলে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) প্রায় ২ কোটি টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে সরকার। প্রতিষ্ঠাটির কাছ থেকে ২০২২ সালের এপ্রিলের তুলনায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা কম রাজস্ব পেয়েছে সরকার। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
ডিএসইর তথ্য মতে, এপ্রিলে পুঁজিবাজারে মোট ১৮ কর্মদিবস লেনদেন হয়েছে। এই ১৮ দিনের মধ্যে ১২ কর্মদিবস উত্থান আর ৬ কর্মদিবস বাজারে পতন হয়েছে। সব মিলিয়ে মাসটিতে ১৮ লাখ ৭০ হাজার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) ধারী বিনিয়োগকারীরা ১০ হাজার ২৯৬ কোটি ২৯ লাখ ৭৮ হাজার ৩৫৪ টাকার শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড ও বন্ড কেনা-বেচা করেছেন। সেখান থেকে কর বাবদ সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১৯ কোটি ৯৯ লাখ ১৭ হাজার ৮০৭ টাকা।
এর আগের বছর ২০২২ সালে এপ্রিল মাসে ১২ হাজার ১০৫ কোটি ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৬১২ টাকার শেয়ার কেনা-বেচা হয়েছিল। সেখান থেকে ২১ কোটি ৭৯ লাখ ৩৪ হাজার ২৯৯ টাকা রাজস্ব আয় অর্থাৎ ১ কোটি ৮০ লাখ ১৬ হাজার ৪৯২ টাকা রাজস্ব কমেছে। লেনদেন কম হওয়ায় সরকার পুঁজিবাজার থেকে রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে।
তবে এর মধ্যে ভালো খবরও রয়েছে। সেটি হলো- চলতি বছরের মার্চের মাসের তুলনায় এপ্রিলে লেনদেন বেড়েছে। আর লেনদেন বাড়ায় মার্চের তুলনায় ২ কোটি ৪৬ লাখ টাকার রাজস্ব বেশি পেয়েছে সরকার।
চলতি মার্চে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৯ হাজার ৪০৬ কোটি ৪১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুায়ল ফান্ডের ইউনিটের। সেখান থেকে লেনদেনের ওপর কমিশন বাবদ সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১৭ কোটি ৫২ লাখ ৭৮ হাজার ২৯২ টাকা।
আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, দুই ধরনের শেয়ার কেনাবেচা থেকে সরকার রাজস্ব আয় করে। প্রথমটি হলো- কোম্পানির উদ্যোক্তা-পরিচালকদের শেয়ার কেনাবেচা থেকে রাজস্ব আয়। দ্বিতীয়টি হলো- বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনাবেচায় ব্রোকারেজ হাউজের ওপর আরোপিত কর।
ডিএসইর তথ্য মতে, দুই ধরনের করের মধ্যে প্রথমটি হলো- ৫৩ বিধি ধারা, এই ধারায় ডিএসইর স্টেক হোল্ডারদের অর্থাৎ ব্রোকার হাউজের প্রতিনিধিদের লেনদেনের ওপর দশমিক ০৫ শতাংশ কর। এ খাত থেকে এপ্রিলে রাজস্ব আয় হয়েছে ১০ কোটি ৩২ লাখ ৭৩ হাজার ৩৫৩ টাকা। যা এর আগের বছরের একই মাসে ছিল ১২ কোটি ৩৬ লাখ ৯২ হাজার ৫১৭ টাকা।
অন্যদিকে, বিএসইসি রুলস ৫৩-এম অনুসারে, স্পন্সর শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার কেনাবেচা বাবদ লেনদেন ও শেয়ার হস্তান্তর থেকে ৫ শতাংশ হারে কর বাবদ রাজস্ব আয় হয়েছে ৯ কোটি ৬৬ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৪ টাকা। যা ২০২২ সালের একই সময়ে ছিল ৯ কোটি ৪২ লাখ ৪১ হাজার ৭৮২ টাকা।
সব মিলিয়ে ডিএসই থেকে এপ্রিল মাসে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১৯ কোটি ৯৯ লাখ ১৭ হাজার ৮০৭ টাকা। ডিএসই এই টাকা সরকারের কোষাগার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) জমা দিয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
চলতি (২০২৪-২৫) অর্থবছরের শুরু থেকেই ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। এ ধারা অব্যাহত রয়েছে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসেও। নভেম্বরের প্রথম ২৩ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিভিন্ন দেশ থেকে ১৭২ কোটি ৬৪ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এটি দেশের মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২০ টাকা হিসাবে) প্রায় ২০ হাজার ৭১৬ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের ২৩ দিনে প্রবাসী আয় এসেছে ১৭২ কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার। প্রতিদিন গড়ে এসেছে ৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ৯০০ কোটি টাকার বেশি। এ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাসে রেমিট্যান্স ২ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নভেম্বরের ২৩ দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোতে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ৬৪ কোটি ডলার। বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ৪০ হাজার ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলো থেকে এসেছে ৯৫ কোটি ১৩ লাখ ১০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪০ লাখ ৮০ হাজার ডলার।
এ সময়ে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি এমন ব্যাংকগুলোর সংখ্যা ৯টি। এর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল), বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব)। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেনস ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক এবং পদ্মা ব্যাংক। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এবং স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।
এর আগে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে ১৯১ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। পরবর্তী মাস আগস্টে এসেছে ২২২ কোটি ৪১ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে এসেছে ২৪০ কোটি ৪৮ লাখ ডলার এবং অক্টোবরের ২৪০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে।
গত অর্থবছরের জুন মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫৪ কোটি ১৬ লাখ মার্কিন ডলার। তার আগে মে মাসে এসেছিল ২২৫ কোটি ৩৮ লাখ ডলার, এপ্রিল মাসে ২০৪ কোটি ৪২ লাখ ডলার, মার্চে ১৯৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ২১৬ কোটি ৪৫ লাখ ডলার এবং জানুয়ারিতে ২১১ কোটি ৩১ লাখ ডলার প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছিলেন।
বাংলাদেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০ সালের জুলাই মাসে, যার পরিমাণ ছিল ২৬০ কোটি ডলার। বছরভিত্তিক হিসাবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে ২০২০-২১ অর্থবছরে, যেখানে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২৪ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৪৭৮ কোটি ডলার।
মন্তব্য করুন


দেড় মাসের ব্যবধানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ২০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে।
রোববার (২২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা নিশ্চিত করেছেন যে, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির ফলে এই অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
এর আগে, ৬ নভেম্বর রিজার্ভের পরিমাণ ২০ বিলিয়ন ডলারে ছিল, তবে ধীরে ধীরে তা কমে গিয়ে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ১৯ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে যায়। অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ডলারপ্রতি ১২০ টাকার মান নির্ধারণ এবং বাজারের চাহিদার সঙ্গে সমন্বয় রেখে রিজার্ভ ১৯ থেকে ২০ বিলিয়নের মধ্যে স্থিতিশীল ছিল।
৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ করে দেয়। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আমদানি বৃদ্ধির কারণে ডলারের দাম বাড়তে থাকে। ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্সের ডলার কিনতে ১২৭.৭০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করেছে।
রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে, যা ব্যাংকগুলোকে নতুন এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলার সীমাবদ্ধতা শিথিল করতে সহায়তা করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত আমদানিতে ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যেখানে গত অর্থবছরে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ঋণাত্মক ১০ শতাংশ। একই সময়ে রেমিট্যান্স ৩০ শতাংশ এবং রপ্তানি ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই ইতিবাচক প্রবণতা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মন্তব্য করুন


চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১১ দিনে ৯৮ কোটি ৬৭ লাখ ১০ হাজার ডলার পাঠিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। যা দেশিয় মুদ্রায় ১২ হাজার ২৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২১.৭৫ টাকা)।
রবিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অক্টোবরেও প্রবাসী আয়ের উচ্চ ধারা অব্যাহত রয়েছে।
অক্টোবরের ১১ দিনে প্রতিদিন প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৮ কোটি ৯৭ লাখ ৮২ হাজার ৭২৭ ডলার। আগের বছরের অক্টোবরে প্রতিদিন প্রবাসী আয় এসেছিল ৭ কোটি ৯৮ লাখ ৩৬ হাজার ডলার। আর আগের মাস সেপ্টেম্বরে প্রতিদিন প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন ৮ কোটি ৯৫ লাখ ২৯ হাজার ৩৩৩ মার্কিন ডলার।
প্রবাসীদের পাঠানো ১১ দিনের প্রবাসী আয়ের তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যেমে এসেছে ২০ কোটি ১১ লাখ ২০ হাজার ডলার; রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১০ কোটি ২৯ লাখ ৭০ হাজার ডরার; বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৮ কোটি ৪০ লাখ ৮০ হাজার ডলার। আর বাংলাদেশে ব্যবসারত বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩০ লাখ ৪০ হাজার ডলার।
মন্তব্য করুন


ভোজ্যতেলের (সয়াবিন তেল) বাজারে কয়েকদিন ধরে চলা ‘অস্থির’ অবস্থার মধ্যেই বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন এবং পাম তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিনের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, খোলা ও বোতলজাত সয়াবিন এবং পাম তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। তবে কত বাড়ানো হয়েছে তা ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জানানো হবে।
বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয়ের অজুহাতে ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে তোড়জোড় শুরু করেছিলেন ব্যবসায়ীরা। এরই ধারাবাহিকতায় বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেন ব্যবসায়ীরা।
অর্থনীতিবিদদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের মূল্য হ্রাস-বৃদ্ধি থাকলেও বাংলাদেশে তার প্রভাব সব সময় উল্টোভাবে পড়ে। এতে করে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমছে না, বরং দিন দিন বাড়ছে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ভারতে যাচ্ছে ৩ হাজার ৯৫০ টন ইলিশ। এ লক্ষ্যে ৭৯টি প্রতিষ্ঠানকে রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয় থেকে এ অনুমোদন দিয়ে আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
৭৯টি প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেককে ৫০ টন করে রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ইলিশ মাছ রপ্তানির বিষয়ে পাওয়া আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে শর্ত সাপেক্ষে এসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের নামের নির্ধারিত পরিমাণ ইলিশ ভারতে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হলো।
রপ্তানির শর্তে বলা হয়, রপ্তানি নীতি ২০২১-২০২৪ এর বিধি-বিধান অনুসরণ করতে হবে, শুল্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রপ্তানির অনুমতি পাওয়া পণ্যের কায়িক পরীক্ষা যথাযথভাবে করতে হবে, প্রতিটি কনসাইনমেন্ট জাহাজীকরণ শেষে রপ্তানি সংক্রান্ত সব কাগজপত্র ই-মেইল করতে হবে এবং অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি রপ্তানি করা যাবে না।
প্রতিটি পণ্যচালান রপ্তানিকালে শুল্ক কর্তৃপক্ষ এসোডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেম পরীক্ষা করে অনুমোদিত পরিমাণের অতিরিক্ত পণ্য রপ্তানি না করার বিষয়টি নিশ্চিত হবেন, এ অনুমতির মেয়াদ আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে সরকার মৎস্য আহরণ ও পরিবহণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বিধি-নিষেধ আরোপ করলে তা কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ অনুমতির মেয়াদ শেষ হবে।
এতে আরও বলা হয়, সরকার প্রয়োজনে যেকোনো সময় ইলিশ মাছ রপ্তানি বন্ধ করতে পারবে। এ অনুমতি কোনোভাবেই হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং অনুমোদিত রপ্তানিকারক ব্যতীত সাব কন্ট্রাক্টে রপ্তানি করা যাবে না।
মন্তব্য করুন


ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। জুলাই মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৪০৩ থেকে ৩৯ টাকা কমিয়ে এক হাজার ৩৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
কমেছে অটোগ্যাসের দামও। প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম এক টাকা ৮৪ পয়সা কমিয়ে ৬২ টাকা ৪৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুন মাসে প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৬৪ টাকা ৩০ পয়সা ছিল।
আজ বুধবার নতুন এ মূল্যের ঘোষণা দেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। নতুন এ দাম আজ সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।
বিইআরসি চেয়ারম্যানের ঘোষণা অনুযায়ী, সাড়ে ৫ কেজির বোতলজাত এলপিজির দাম ৬২৫ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির দাম এক হাজার ৪২১, ১৫ কেজির দাম এক হাজার ৭০৫, ১৬ কেজির দাম এক হাজার ৮১৮, ১৮ কেজির দাম দুই হাজার ৪৬, ২০ কেজির দাম দুই হাজার ২৭৩, ২২ কেজির দাম আড়াই হাজার, ৩০ কেজির দাম তিন হাজার ৪০৯, ৩৩ কেজির দাম তিন হাজার ৭৫০, ৩৫ কেজির দাম তিন হাজার ৯৭৭ এবং ৪৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫ হাজার ১১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত ২ জুন সবশেষ সমন্বয় করা হয় অটোগ্যাসের দাম। সে সময় ভোক্তা পর্যায়ে ১ টাকা ২৭ পয়সা কমিয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৬৪ টাকা ৩০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে চার দফা কমেছিল এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম, আর বেড়েছে সাত দফা। এ দফা ছিল অপরিবর্তিত। গত বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর বাড়ানো হয়েছিল এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম। আর দাম কমেছিল এপ্রিল, মে, জুন ও নভেম্বরে। তবে দাম অপরিবর্তিত ছিল ডিসেম্বরে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। আজ মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ সংক্রান্ত সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
উপদেষ্টা বলেন, ২০ শতাংশ কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার জন্য সরকারের সব মহল থেকে সম্মিলিত প্রচেষ্টা আছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সে আলোচনা এখনো চলমান। চূড়ান্ত চুক্তির আগে সেটা হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছি, আশা করছি শুল্ক কমতে পারে। তবে এটা নিশ্চিত করে বলা যাবে না। কারণ যারা আরোপ করেছেন (যুক্তরাষ্ট্র) তাদের ওপর বিষয়টি বেশি নির্ভর করে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির কোনো তারিখ এখনো পাওয়া যায়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্কের হার ২০ শতাংশের ঘোষণা এলেও দেশটির সঙ্গে এখনো কোনো চুক্তি হয়নি। চুক্তি এ মাসের শেষে হতে পারে। চুক্তির খসড়া তৈরির কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর)।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আমদানি করা চালের প্রথম চালান আগামীকাল বৃহস্পতিবার দেশে পৌঁছাবে। ভারত থেকে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ২৪ হাজার ৬৯০ টন সেদ্ধ চাল আমদানি করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ভারত থেকে আমদানি করা এই চাল নিয়ে এমভি তানাইজ ড্রিম নামের জাহাজ আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। চালের নমুনা সংগ্রহ করে ভৌতপরীক্ষা সম্পন্ন করার পর দ্রুত খালাস কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
মন্তব্য করুন


ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এর দাম বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার ৩৪১ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১ হাজার ৭২৮ টাকা। ফলে এপ্রিল মাসে প্রতি সিলিন্ডারে ভোক্তাদের অতিরিক্ত ৩৮৭ টাকা ব্যয় করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় বিইআরসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এ নতুন মূল্য ঘোষণা করেন। তিনি জানান, নতুন দাম একই দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।
নতুন ঘোষণায় বিভিন্ন ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্যও সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫.৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৯২ টাকা, ১২.৫ কেজি ১ হাজার ৮০১ টাকা, ১৫ কেজি ২ হাজার ১৬১ টাকা, ১৬ কেজি ২ হাজার ৩০৫ টাকা, ১৮ কেজি ২ হাজার ৫৯৩ টাকা এবং ২০ কেজি ২ হাজার ৮৮১ টাকা।
এছাড়া ২২ কেজির সিলিন্ডার ৩ হাজার ১৬৯ টাকা, ২৫ কেজি ৩ হাজার ৬০১ টাকা, ৩০ কেজি ৪ হাজার ৩২১ টাকা, ৩৩ কেজি ৪ হাজার ৭৫৩ টাকা, ৩৫ কেজি ৫ হাজার ৪১ টাকা এবং ৪৫ কেজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৪২৮ টাকা।
মন্তব্য করুন


চলতি মাসের সেপ্টেম্বরের প্রথম নয় দিনে দেশে এসেছে ১০১ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১২ হাজার ৪২০ কোটি টাকা।
বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরেক হোসেন খান বলেন, সেপ্টেম্বরের ৯ দিনে ১০১ কোটি ৮০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। যা গত বছরের (২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের ছয় দিন) একই সময়ের চেয়ে ১৮ কোটি ৫০ ডলার বেশি এসেছে। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ছিল ৮৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের ৯ দিন পর্যন্ত ৫৯১ কোটি ৮০ লাখ ডলার। যা গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসেছিল ৪৯৭ কোটি ১০ লাখ ডলার। অর্থবছর হিসাবে গত অর্থবছরে একই সময়ের চেয়ে ৯৪ কোটি ৭০ ডলার বেশি এসেছে। অর্থাৎ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ দশমিক ১০ শতাংশ।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে এসেছে ২৪৭ কোটি ৭৯ লাখ ১০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩০ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। আর গত আগস্টের পুরো সময়ে এসেছিল ২৪২ কোটি ২০ লাখ ডলার বা ২৯ হাজার ৫৪৮ কোটি ৪০ লাখ টাকার রেমিট্যান্স এসেছে।
এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল। আর পুরো অর্থবছর (২০২৪-২৫) জুড়ে প্রবাসী আয় এসেছে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
মন্তব্য করুন