বাবা সিদ্দিককে হত্যা নিয়ে তোলপাড়, দায় স্বীকার করেছে লরেন্স বিষ্ণুই গ্যাংয়ের

বাবা সিদ্দিককে হত্যা নিয়ে তোলপাড়, দায় স্বীকার করেছে  লরেন্স বিষ্ণুই গ্যাংয়ের
বাবা সিদ্দিক,


ডেস্ক রিপোর্ট:

মুম্বইয়ে নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে মহারাষ্ট্রের বিধায়ক ও সাবেক মন্ত্রী বাবা সিদ্দিককে। তার এই মৃত্যুকে ঘিরে ভারতে তোলপাড় চলছে। সব মিডিয়ায় সংবাদ শিরোনাম হয়েছে এ ঘটনা। লোকমুখে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ সব কাহিনী। কারণ, বাবা সিদ্দিক একজন নামকরা রাজনীতিক ছিলেন। হত্যাকাণ্ডে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন হরিয়ানার গুরমাইল বলজিত সিং (২৩) এবং উত্তর প্রদেশের ধর্মরাজ কাশ্যপ (১৯)। তৃতীয় জন উত্তরপ্রদেশের শিব কুমার গৌতম হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে চতুর্থ একজন এই ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করেছেন বলে মনে করা হয়। তিনি পলাতক রয়েছেন। তবে  লরেন্স বিষ্ণুই শনিবার রাতের হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা হিসেবে মনে করা হচ্ছে। তাকে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে। বলা হচ্ছে, তিনি একটি কুখ্যাত গ্যাংয়ের সদস্য। এই গ্যাংয়ের নাম লরেন্স বিষ্ণুই। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। অভিযোগ আছে লরেন্স বিষ্ণুই পাঞ্জাবের খালিস্তানপন্থি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। এই গ্যাংয়ে অস্ত্র চালাতে দক্ষ এমন সদস্য আছে ৭০০।

কে এই লরেন্স বিষ্ণুই: লরেন্স বিষ্ণুইয়ের জন্ম ১৯৯৩ সালে ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যে। ২০১০ সাল পর্যন্ত তাঁর জীবন কেটেছে রাজ্যের আবোহার শহরে। এরপর তিনি ডিএভি কলেজে ভর্তি হতে চণ্ডিগড়ে পাড়ি জমান। ২০১১ সালে যোগ দেন পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস স্টুডেন্টস কাউন্সিলে। সেখানে তার পরিচয় হয় ‘গ্যাংস্টার’ গোল্ডি ব্রারের সঙ্গে। এরপর ধীরে ধীরে অপরাধে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বিষ্ণুইয়ের বিরুদ্ধে দুই ডজনের বেশি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। রয়েছে হত্যা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ। যদিও এসব অভিযোগের কোনোটাই স্বীকার করেননি তিনি। গ্যাংয়ের সদস্যদের মাধ্যমে কারাগারে বসেও বাইরের অপরাধজগৎ নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি। ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে চণ্ডিগড়ে অপরাধ কর্মকাণ্ড শুরু করেন বিষ্ণুই। ২০১৩ সাল নাগাদ তিনি ত্রাস সৃষ্টিকারী এক চরিত্রে পরিণত হন। কয়েকটি হত্যার সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে পড়ে। পরে তার গ্যাং মদ বেচাকেনা ও অস্ত্র চোরাচালানে অর্থ লগ্নি  শুরু করে। হত্যাকারীসহ ভয়ংকর সব অপরাধীদেরও আশ্রয় ও সুরক্ষা দিয়ে আসছে তারা। লরেন্স বিষ্ণুইয়ের নাম নতুন করে সামনে আসে ২০২২ সালে। সে বছরের ২৯ মে পাঞ্জাবের গায়ক সিধু মুসওয়ালাকে হত্যা করা হয়।

কারাগারে বিষ্ণুই: ২০১৪ সালে রাজস্থান পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ হয় লরেন্স বিষ্ণুইয়ের। এরপর তিনি কারাবন্দী হন। সেখান থেকেই আরও সংঘবদ্ধভাবে অপরাধজগৎ নিয়ন্ত্রণ করছেন তিনি। কারাগারে থাকাকালে জস্বিন্দর সিং ওরফে রকি নামের আরেক অপরাধীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে তার। ২০১৬ সালে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন রকি। বন্দী অবস্থায়ও লরেন্স বিষ্ণুইয়ের প্রভাব-প্রতিপত্তি বেড়েই চলেছিল। রাজস্থানের ভারতপুর জেলায় যে কারাগারে তিনি বন্দী ছিলেন, সেখানকার কর্মকর্তাদের হাত করে নানা কার্যসিদ্ধি করতেন। ২০২১ সালে তাকে সেখান থেকে দিল্লির তিহার কারাগারে সরিয়ে নেওয়া হয়। এই কারাগারের কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, আইপি কলের মাধ্যমে গ্যাংয়ের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন বিষ্ণুই। এ ছাড়া ২০২৩ সালে ভারতের ডানপন্থী নেতা সুখদেব সিং গোগামেদিকে জয়পুরে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সুখদেবের সঙ্গে অস্ত্রধারী একজন চা পান করছেন। তিনিই গুলি চালান। পরে বিষ্ণুইয়ের গ্যাংয়ের সদস্য রোহিত গোদারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে সুখদেবকে হত্যার দায় স্বীকার করেন। ২০১৮ সালে বলিউড তারকা সালমান খানকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে বিষ্ণুই গ্যাং। সে বছর মুম্বইয়ে সালমানের বাসায় হানা দেন সাম্পাথ নাথ নামে বিষ্ণুই গ্যাংয়ের এক সদস্য। তিনি দাবি করেন, কালো হরিণ শিকারের কারণে সালমানকে হত্যার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তার ওপর। বিরল প্রজাতির এই হরিণকে বিষ্ণুই সম্প্রদায়ের মানুষ অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করে। সালমান খানকে সরাসরি হত্যার হুমকিও দিয়েছিলেন লরেন্স বিষ্ণুই। ভারতের যোধপুরে আদালতে এক শুনানি চলাকালে তিনি বলেছিলেন, ‘সালমান খানকে এই যোধপুরেই হত্যা করা হবে। তারপর তিনি আমাদের সত্যিকারের পরিচয় জানতে পারবেন।’

এরপর ২০২৩ সালের ১৪ এপ্রিল মুম্বইয়ের বান্দ্রায় সালমান খানের বাসার বাইরে গুলি চালানো হয়। এই এলাকাতেই শনিবার হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বাবা সিদ্দিক। সালমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাও ছিল তার। সালমানের বাসার বাইরে গুলির পর সে সময় পুলিশ জানিয়েছিল, এ কাজের জন্য দু’জনকে ভাড়া করেছিল বিষ্ণুই গ্যাং।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত’

সচিবালয়ে নতুন ভবনে আগুন

তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে সরকারের কোনো বিধি-নিষেধ নেই : প্রেসসচিব

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা পরিবারের : মাহদী আমিন

আমার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ একক নয়: তারেক রহমান

নির্বাচনে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারসহ সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে: ইসি সচিব

সিসিইউতে খালেদা জিয়া

তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড

দেশের ৮ বিভাগের ১৫৮ ইউএনওকে বদলি

গণভোটের ব্যালট হবে ভিন্ন রংয়ের: উপদেষ্টা আসিফ

১০

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপের বিরুদ্ধে মামলার রায় ১ ডিসেম্বর

১১

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগুতে হবে: সিইসি

১২

সালমান এফ রহমানের ৩৬ বিঘা জমি জব্দ, ৫৪ কোটি টাকা জব্দের আদেশ

১৩

আগামী জুলাই থেকে সকল প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেন হবে: গভর্নর

১৪

নির্বাচন আর গণভোট একসঙ্গে করায় খরচ বাড়বে: অর্থ উপদেষ্টা

১৫

সারাদেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করা হচ্ছে: ইসি সচিব

১৬

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার শঙ্কা নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৭

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সেনাবাহিনী ইসিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান

১৮

আমাদের মূল লক্ষ্যই ফ্রি এবং ফেয়ার ইলেকশন: সিইসি

১৯

নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবে: ইসি

২০

প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি সরাসরি মনিটরিং করছেন : কাদের

প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি সরাসরি মনিটরিং করছেন : কাদের

ঘূর্ণিঝড় মোখার সার্বিক বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি মনিটরিং করছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রোববার (১৪ মে) সকালে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমন্ডলীর বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সুজিত রায় নন্দী উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাশ, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাপা, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, উপ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম, উপ দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত’

সচিবালয়ে নতুন ভবনে আগুন

তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে সরকারের কোনো বিধি-নিষেধ নেই : প্রেসসচিব

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা পরিবারের : মাহদী আমিন

আমার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ একক নয়: তারেক রহমান

নির্বাচনে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারসহ সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে: ইসি সচিব

সিসিইউতে খালেদা জিয়া

তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড

দেশের ৮ বিভাগের ১৫৮ ইউএনওকে বদলি

গণভোটের ব্যালট হবে ভিন্ন রংয়ের: উপদেষ্টা আসিফ

১০

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপের বিরুদ্ধে মামলার রায় ১ ডিসেম্বর

১১

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগুতে হবে: সিইসি

১২

সালমান এফ রহমানের ৩৬ বিঘা জমি জব্দ, ৫৪ কোটি টাকা জব্দের আদেশ

১৩

আগামী জুলাই থেকে সকল প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেন হবে: গভর্নর

১৪

নির্বাচন আর গণভোট একসঙ্গে করায় খরচ বাড়বে: অর্থ উপদেষ্টা

১৫

সারাদেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করা হচ্ছে: ইসি সচিব

১৬

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার শঙ্কা নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৭

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সেনাবাহিনী ইসিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান

১৮

আমাদের মূল লক্ষ্যই ফ্রি এবং ফেয়ার ইলেকশন: সিইসি

১৯

নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবে: ইসি

২০

আজ থেকে লম্বা ছুটিতে যাচ্ছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো

আজ থেকে লম্বা ছুটিতে যাচ্ছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো
ছবি: সংগৃহীত



ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশে লম্বা ছুটিতে যাচ্ছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। 


আজ মঙ্গলবার থেকে দেশের সাড়ে ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সরকারি-বেসরকারি কলেজে ঈদের ছুটি শুরু হচ্ছে।


সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ মিলিয়ে এ বছর বন্ধ থাকবে মোট ২১ দিন। আজ থেকে ছুটি শুরু হয়ে চলবে ২৩ জুন পর্যন্ত। আগামী ২৪ জুন থেকে পুনরায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু হবে।


এদিকে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের সরকারি-বেসরকারি কলেজ ১০ দিন বন্ধ থাকবে। কলেজে শুধুমাত্র ঈদের ছুটি থাকবে। সঙ্গে গ্রীষ্মকালীন অবকাশ নেই। কলেজের শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি কলেজে ঈদুল আজহার ছুটি আজ থেকে শুরু হয়ে চলবে ১২ জুন পর্যন্ত। ১৩ জুন থেকে পুনরায় কলেজে পুরোদমে ক্লাস শুরু হবে।


এবার দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোতে ছুটির ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে। কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২৩ দিন বন্ধ, আবার কোথাও মাত্র ১০ দিন ছুটি। সবচেয়ে বেশি ২৫ দিনের ছুটি পাচ্ছেন মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, যা শুরু হয়েছে গত রোববার (১ জুন) থেকে। এছাড়াও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ভোকেশনালে আনুষ্ঠানিক ছুটি শুরু হয়েছে। যদিও ছুটি শুরুর আগেই শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় গত ২৯ মে থেকে বন্ধ হয়ে গেছে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। 


শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত চলতি ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষাপঞ্জি বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত’

সচিবালয়ে নতুন ভবনে আগুন

তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে সরকারের কোনো বিধি-নিষেধ নেই : প্রেসসচিব

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা পরিবারের : মাহদী আমিন

আমার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ একক নয়: তারেক রহমান

নির্বাচনে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারসহ সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে: ইসি সচিব

সিসিইউতে খালেদা জিয়া

তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড

দেশের ৮ বিভাগের ১৫৮ ইউএনওকে বদলি

গণভোটের ব্যালট হবে ভিন্ন রংয়ের: উপদেষ্টা আসিফ

১০

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপের বিরুদ্ধে মামলার রায় ১ ডিসেম্বর

১১

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগুতে হবে: সিইসি

১২

সালমান এফ রহমানের ৩৬ বিঘা জমি জব্দ, ৫৪ কোটি টাকা জব্দের আদেশ

১৩

আগামী জুলাই থেকে সকল প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেন হবে: গভর্নর

১৪

নির্বাচন আর গণভোট একসঙ্গে করায় খরচ বাড়বে: অর্থ উপদেষ্টা

১৫

সারাদেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করা হচ্ছে: ইসি সচিব

১৬

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার শঙ্কা নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৭

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সেনাবাহিনী ইসিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান

১৮

আমাদের মূল লক্ষ্যই ফ্রি এবং ফেয়ার ইলেকশন: সিইসি

১৯

নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবে: ইসি

২০

রাহুল ও তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক

রাহুল ও তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক
ছবি: সংগৃহীত


ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের এমপি ও দলটির সাবেক প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। এ সময় তার বোন ও কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, শিব সেনা (উদ্ধব ঠাকরে গোষ্ঠী) নেতা সঞ্জয় রাউতসহ একাধিক বিরোধী দলের সংসদ সদস্যকে পুলিশ আটক করেছে।


নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল থেকে তাদের আটক করা হয়। এ নিয়ে আজ সোমবার সকালে দিল্লির কেন্দ্রীয় এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়।


পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে বিক্ষোভস্থলের ভিডিওতে দেখা যায়, বহু রাজনীতিবিদ ও কর্মী প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দিচ্ছেন। পুলিশ ব্যারিকেড সরিয়ে এগোনোর চেষ্টা করছে। পরিস্থিতি আরো নাটকীয় হয়, যখন তৃণমূল সংসদ সদস্য মিতালি বাগ আচমকা অজ্ঞান হয়ে পড়েন এবং রাহুল গান্ধী তাকে সাহায্য করেন।


দিনের শুরুতে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া’ জোট নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের পদযাত্রার পরিকল্পনা করেছিল।


কিন্তু পুলিশ আগেই পার্লামেন্ট ভবনের চারপাশের রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলে এবং প্রচুর নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করে। কিছু বিক্ষোভকারী ব্যারিকেড টপকে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাদের ঘেরাও করে আটক করা হয়। এই পরিস্থিতির জেরে লোকসভা ও রাজ্যসভা দুপুর ২টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়।


বিরোধীদের অভিযোগ — নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা পরিবর্তন ও ভোট কারচুপির মাধ্যমে বিজেপিকে জেতাতে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে।


গত বছরের মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই এই অভিযোগ বাড়ছে। কংগ্রেস, শিব সেনা (উদ্ধব গোষ্ঠী) ও এনসিপি (শারদ পাওয়ার গোষ্ঠী) অভিযোগ করেছে, ভোটার তালিকায় হেরফের করে বিজেপিকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তারা দেখিয়েছে—ফেডারেল নির্বাচনে বিজেপির পরাজয়ের ছয় মাসের মধ্যেই মহারাষ্ট্রে অস্বাভাবিক হারে নতুন ভোটার যোগ হওয়া। একই ধরনের অভিযোগ কর্ণাটকের লোকসভা নির্বাচন নিয়েও উঠেছে।

গত সপ্তাহে রাহুল গান্ধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বৈঠকে পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে তথ্য-প্রমাণ দেখিয়ে দাবি করেন, ভোটার তালিকায় ব্যাপক জালিয়াতি হয়েছে।


তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানান—ভোটার তালিকার একটি খসড়া প্রকাশ করা হোক, যাতে বিরোধীরা ভুল খুঁজে বের করতে পারে।

বিক্ষোভ আরো তীব্র হয়, যখন নির্বাচন কমিশন বিহারের ভোটার তালিকার ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ প্রক্রিয়া শুরু করে। যা রাজ্যের নির্বাচনের কয়েক মাস আগে চালু হয়। এই প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়। 


আবেদনকারীরা অভিযোগ করেন, কমিশনের এই পদক্ষেপ তার ক্ষমতার বাইরে এবং সময়টি রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত—যাতে বিরোধীদের ভোটব্যাংক বাদ দেওয়া যায়। এ ছাড়া ভোটার পুনর্যাচাইয়ের জন্য আধার বা কমিশনের নিজস্ব পরিচয়পত্রের মতো সাধারণ সরকারি আইডি বাতিল করায় বিতর্ক বাড়ে। সুপ্রিম কোর্ট অবশ্য ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ প্রক্রিয়া চালু রাখতে অনুমতি দেয়, তবে নির্দেশ দেয় যেন প্রকৃত ভোটারদের বাদ না দেওয়া হয় এবং যাদের বাদ দেওয়া হয়েছে, তাদের আপিল করার যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়।


নির্বাচন কমিশন সব অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, তাদের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতেই নেওয়া হয়েছে। রাহুল গান্ধীর অভিযোগের জবাবে কমিশন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছে—তিনি যেন সই করা হলফনামায় প্রমাণসহ তার দাবি জমা দেন।


সূত্র : এনডিটিভি

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত’

সচিবালয়ে নতুন ভবনে আগুন

তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে সরকারের কোনো বিধি-নিষেধ নেই : প্রেসসচিব

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা পরিবারের : মাহদী আমিন

আমার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ একক নয়: তারেক রহমান

নির্বাচনে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারসহ সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে: ইসি সচিব

সিসিইউতে খালেদা জিয়া

তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড

দেশের ৮ বিভাগের ১৫৮ ইউএনওকে বদলি

গণভোটের ব্যালট হবে ভিন্ন রংয়ের: উপদেষ্টা আসিফ

১০

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপের বিরুদ্ধে মামলার রায় ১ ডিসেম্বর

১১

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগুতে হবে: সিইসি

১২

সালমান এফ রহমানের ৩৬ বিঘা জমি জব্দ, ৫৪ কোটি টাকা জব্দের আদেশ

১৩

আগামী জুলাই থেকে সকল প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেন হবে: গভর্নর

১৪

নির্বাচন আর গণভোট একসঙ্গে করায় খরচ বাড়বে: অর্থ উপদেষ্টা

১৫

সারাদেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করা হচ্ছে: ইসি সচিব

১৬

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার শঙ্কা নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৭

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সেনাবাহিনী ইসিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান

১৮

আমাদের মূল লক্ষ্যই ফ্রি এবং ফেয়ার ইলেকশন: সিইসি

১৯

নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবে: ইসি

২০

আইনজীবী হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ দেখে ৬ জন গ্রেপ্তার, তদন্তে অগ্রগতি

আইনজীবী হত্যাকাণ্ডের ভিডিও ফুটেজ দেখে ৬ জন গ্রেপ্তার, তদন্তে অগ্রগতি
আইনজীবীর ছবি

ডেস্ক রিপোর্ট:

চট্টগ্রামে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর অনুসারীদের হাতে নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনার ভিডিও দেখে সন্দেহভাজন অন্তত ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বার্তায় আরও জানানো হয়, সংঘর্ষ চলাকালে ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে গতকালই ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি)। ওই ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ থেকে আরও ছয়জনকে শনাক্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া দেশীয় ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভসহ (ককটেল) আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ছয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে।



global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত’

সচিবালয়ে নতুন ভবনে আগুন

তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে সরকারের কোনো বিধি-নিষেধ নেই : প্রেসসচিব

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা পরিবারের : মাহদী আমিন

আমার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ একক নয়: তারেক রহমান

নির্বাচনে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারসহ সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে: ইসি সচিব

সিসিইউতে খালেদা জিয়া

তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড

দেশের ৮ বিভাগের ১৫৮ ইউএনওকে বদলি

গণভোটের ব্যালট হবে ভিন্ন রংয়ের: উপদেষ্টা আসিফ

১০

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপের বিরুদ্ধে মামলার রায় ১ ডিসেম্বর

১১

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগুতে হবে: সিইসি

১২

সালমান এফ রহমানের ৩৬ বিঘা জমি জব্দ, ৫৪ কোটি টাকা জব্দের আদেশ

১৩

আগামী জুলাই থেকে সকল প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেন হবে: গভর্নর

১৪

নির্বাচন আর গণভোট একসঙ্গে করায় খরচ বাড়বে: অর্থ উপদেষ্টা

১৫

সারাদেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করা হচ্ছে: ইসি সচিব

১৬

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার শঙ্কা নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৭

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সেনাবাহিনী ইসিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান

১৮

আমাদের মূল লক্ষ্যই ফ্রি এবং ফেয়ার ইলেকশন: সিইসি

১৯

নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবে: ইসি

২০

সফলতার সবচেয়ে বড় প্রেরণা ও বড় আশীর্বাদ হলেন মা

সফলতার সবচেয়ে বড় প্রেরণা ও বড় আশীর্বাদ হলেন মা

দশমাস দশদিন গর্ভধারণ করে পৃথিবীর  আলো-বাতাসের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে নিঃস্বার্থ আর নির্ঝঞ্ঝাট ভালোবাসায় আগলে রেখে সন্তানকে বড় করে তোলেন মা। সে ভালোবাসার কোনো সীমা নেই, পরিমাপ নেই, নেই কোন খাদ। মায়েদের এই আত্মত্যাগ আর ভালোবাসার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজ বিশ্বজুড়ে পালন করা হচ্ছে মা দিবস। মা দিবসে মাকে ঘিরে বিভিন্ন স্মৃতি ও মায়ের ভালবাসা কথায় রোমন্থন করেছেন রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউসুফ।

তিনি বলেন, মানুষের জীবনে সফলতার জন্য সবচেয়ে বড় প্রেরণার উৎস ও আশীর্বাদ হলো তার মা। বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষ্যে পৃথিবীর সব মায়েদের গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাই। আসলে আমার কাছে সারাজীবন অর্থাৎ প্রতিটি দিনই মা দিবস। নির্দিষ্ট একটি দিনে হয়ত আমরা মায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে দিবস হিসেবে পালন করি। তবে মাকে ভালোবাসাতে কোনো দিবসের প্রয়োজন নেই। সারাটি জীবনই মা দিবসের মতো আবেগ-অনুভূতি আর ভালোবাসা ধরে রাখা বাঞ্ছনীয়। কেননা সন্তানের কাছে তার মা হচ্ছেন পৃথিবীর সবচেয়ে আপন ও আশা-ভরসার কেন্দ্রস্থল।

তাছাড়া মা-সন্তানের সম্পর্ক হচ্ছে পৃথিবীতে এমন একটি সম্পর্ক যেটি অবিচ্ছিন্ন। শুধু মানুষ নয় বরং আমরা যদি প্রকৃতির দিকে তাকাই সেখানেও দেখব প্রাণীকুলের মধ্যেও মায়েরা কতটা দায়িত্বশীল। সন্তানকে সবাই ফেলে যায়, কিন্তু মা কখনো ফেলে যেতে পারেন না।

মাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে অধ্যক্ষ ইউসুফ বলেন, আমার মা একজন গ্রামের মানুষ। আমিও গ্রামে জন্মেছি ও সেখানেই বড় হয়েছি। আমার বেড়ে ওঠার পেছনে মায়ের অবদান সবচেয়ে বেশি। আমি যখন পড়ালেখা করতাম, অনেক সময় আমার পরীক্ষার ফি থেকে শুরু করে যাবতীয় প্রয়োজনীয় বইপত্রসহ অন্যান্য উপকরণ সব মা জোগাড় করে দিতেন। বিশেষ করে রাত জেগে যখন পড়তাম, তখন মা তার ঘুম বাদ দিয়ে আমার জন্য খাবারের ব্যবস্থা করতেন। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো রাত যতই হোক না কেন সবসময়ই আমাকে গরম খাবার দেওয়ার চেষ্টা করতেন। তবে তাই বলে বাবাদের অবদানও অস্বীকার করার মতো নয়। বাবারাও উপার্জন করে আমাদের ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করেছেন। সে বিষয়েও অবশ্যই কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে হবে। তবে সংগত কারণেই বাবার চেয়ে সন্তান মায়ের কাছেই বেশি সময় থাকার সুযোগ পায়। তাই আবারও বলছি, কোনো একজন মানুষের সাফল্যের পেছনের সবচেয়ে প্রেরণার ও আশীর্বাদ হচ্ছেন তার মা।


মাকে ঘিরে একটি ঘটনা স্মরণ করে তিনি বলেন, একটি ঘটনা যা এখনও আমাকে কষ্ট দেয়। আমি একবার হারিয়ে গিয়েছিলাম। তখন আমার বাবা ঢাকায় চাকরি করতেন। ঢাকা থেকে গিয়ে যখন আমাকে মাকে জিজ্ঞেস করছিলেন আমি কোথায় আছি। মা ভয়ে একেবারে ঘরছাড়া ছিলেন চারদিন। আমি যখন ফিরে এলাম তখন এ ঘটনা শুনেছি। এটি আমাকে এখনও খুব কষ্ট দেয়।

একাল আর সেকালের মায়েদের আদর স্নেহের মধ্যে কি পার্থক্য রয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগের দিনে গ্রামীণ বা শহুরে জীবনে মায়ের সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ক অনেক বেশি ছিল। তখন আমরা অনেক ডানপিঠে ছিলাম। সারাদিন ঘুরেছি ও খেলাধুলা করেছি। কিন্তু সবসময়ই আবার মায়ের কাছে ফিরে যাওয়ার একটি আকুলতা ছিল। বিশেষ করে সন্ধ্যায় যখন ঘরে ফিরতাম তখন মায়েরও অন্যরকম আকুলতা খেয়াল করতাম। তাছাড়া মায়ের হাতের পিঠা পায়েসের তো তুলনাই ছিল না। বিভিন্ন পার্বণে মা যেসব খাবার তৈরি করতেন, সেটি হয়ত নাগরিক জীবনে ঘটেও, তবে গ্রামীণ জীবনে যেসব আয়োজনে যে প্রাণ ছিল সেটি এখন আর নেই। দেখা যেত, সামান্য একটি পাটিসাপটা পিঠাও আমাদের অনেক মধুর লাগতো। শীতকালে ভাঁপা পিঠা তৈরি বা আয়োজন অন্যরকম অনুভূতি তৈরি করত। ছোট সময়ে মায়ের হাতে যেসব পিঠা খেয়েছি এখন অনেক মিস করি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত’

সচিবালয়ে নতুন ভবনে আগুন

তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে সরকারের কোনো বিধি-নিষেধ নেই : প্রেসসচিব

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা পরিবারের : মাহদী আমিন

আমার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ একক নয়: তারেক রহমান

নির্বাচনে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারসহ সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে: ইসি সচিব

সিসিইউতে খালেদা জিয়া

তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড

দেশের ৮ বিভাগের ১৫৮ ইউএনওকে বদলি

গণভোটের ব্যালট হবে ভিন্ন রংয়ের: উপদেষ্টা আসিফ

১০

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপের বিরুদ্ধে মামলার রায় ১ ডিসেম্বর

১১

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগুতে হবে: সিইসি

১২

সালমান এফ রহমানের ৩৬ বিঘা জমি জব্দ, ৫৪ কোটি টাকা জব্দের আদেশ

১৩

আগামী জুলাই থেকে সকল প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেন হবে: গভর্নর

১৪

নির্বাচন আর গণভোট একসঙ্গে করায় খরচ বাড়বে: অর্থ উপদেষ্টা

১৫

সারাদেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করা হচ্ছে: ইসি সচিব

১৬

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার শঙ্কা নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৭

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সেনাবাহিনী ইসিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান

১৮

আমাদের মূল লক্ষ্যই ফ্রি এবং ফেয়ার ইলেকশন: সিইসি

১৯

নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবে: ইসি

২০

কক্সবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এক পরিবারের পাঁচজন

কক্সবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এক পরিবারের পাঁচজন
ছবি: সংগৃহীত



কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়ায় চট্টগ্রামমুখী যাত্রীবাহী মারছা বাস ও কক্সবাজারমুখী একটি মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও দুজন।


হতাহতরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি। নিহতদের মাঝে চার নারী ও একজন শিশু রয়েছে।


বুধবার সকাল ৯টার দিকে চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী হাঁসের দিঘি সেনাক্যাম্পের দক্ষিণে এ দুর্ঘটনা ঘটে।


মালুমঘাট হাইওয়ে থানার ওসি মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সেনাবাহিনী ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চকরিয়ার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত’

সচিবালয়ে নতুন ভবনে আগুন

তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে সরকারের কোনো বিধি-নিষেধ নেই : প্রেসসচিব

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা পরিবারের : মাহদী আমিন

আমার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ একক নয়: তারেক রহমান

নির্বাচনে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারসহ সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে: ইসি সচিব

সিসিইউতে খালেদা জিয়া

তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড

দেশের ৮ বিভাগের ১৫৮ ইউএনওকে বদলি

গণভোটের ব্যালট হবে ভিন্ন রংয়ের: উপদেষ্টা আসিফ

১০

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপের বিরুদ্ধে মামলার রায় ১ ডিসেম্বর

১১

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগুতে হবে: সিইসি

১২

সালমান এফ রহমানের ৩৬ বিঘা জমি জব্দ, ৫৪ কোটি টাকা জব্দের আদেশ

১৩

আগামী জুলাই থেকে সকল প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেন হবে: গভর্নর

১৪

নির্বাচন আর গণভোট একসঙ্গে করায় খরচ বাড়বে: অর্থ উপদেষ্টা

১৫

সারাদেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করা হচ্ছে: ইসি সচিব

১৬

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার শঙ্কা নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৭

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সেনাবাহিনী ইসিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান

১৮

আমাদের মূল লক্ষ্যই ফ্রি এবং ফেয়ার ইলেকশন: সিইসি

১৯

নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবে: ইসি

২০

প্রতিদিন জনস্বার্থে কাজ করার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

প্রতিদিন জনস্বার্থে কাজ করার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিদিন জনস্বার্থে কাজ করার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই অন্যের কল্যাণে কাজ করার প্রবণতা রয়েছে। সেই ইচ্ছাকে জাগ্রত করতে হবে। নিজের জন্য কাজ করার চেয়ে অন্যের কল্যাণে কাজ করায় বেশি আনন্দ পাওয়া যায়।


জাতীয় সমাজসেবা দিবস-২০২৫ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সমাজসেবা অধিদপ্তর আয়োজিত ওয়াকাথন ও সমাজসেবা সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই আহ্বান জানান তিনি।


ড. ইউনূস বলেন, সরকারের চেয়ে ব্যক্তির ক্ষমতা বেশি, আর ব্যক্তির আত্মশক্তি জাগ্রত হলে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব। শুধু ব্যক্তি পর্যায়ে নয়, জনস্বার্থে ব্যবসা করা উচিত এবং সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে অন্যের কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব।


তিনি আরও বলেন, সমাজসেবা প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। মন্ত্রণালয়ের কাজ হলো সবাইকে এই দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেওয়া। যেন কেউ এই দায়িত্ব ভুলে না যায় বা এড়িয়ে না চলে। এই দিবস পালনের উদ্দেশ্যই হলো সমাজের সবাইকে তাদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া।


উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই জনস্বার্থে কাজ করার প্রবণতা লুকিয়ে থাকে। সেই ইচ্ছাকে জাগিয়ে তুলতে হবে এবং দৈনন্দিন জীবনে এই অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এজন্য সরকারের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল না থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। দেশের উন্নয়নে এটাই সবচেয়ে কার্যকর পথ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত’

সচিবালয়ে নতুন ভবনে আগুন

তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে সরকারের কোনো বিধি-নিষেধ নেই : প্রেসসচিব

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা পরিবারের : মাহদী আমিন

আমার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ একক নয়: তারেক রহমান

নির্বাচনে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারসহ সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে: ইসি সচিব

সিসিইউতে খালেদা জিয়া

তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড

দেশের ৮ বিভাগের ১৫৮ ইউএনওকে বদলি

গণভোটের ব্যালট হবে ভিন্ন রংয়ের: উপদেষ্টা আসিফ

১০

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপের বিরুদ্ধে মামলার রায় ১ ডিসেম্বর

১১

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগুতে হবে: সিইসি

১২

সালমান এফ রহমানের ৩৬ বিঘা জমি জব্দ, ৫৪ কোটি টাকা জব্দের আদেশ

১৩

আগামী জুলাই থেকে সকল প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেন হবে: গভর্নর

১৪

নির্বাচন আর গণভোট একসঙ্গে করায় খরচ বাড়বে: অর্থ উপদেষ্টা

১৫

সারাদেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করা হচ্ছে: ইসি সচিব

১৬

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার শঙ্কা নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৭

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সেনাবাহিনী ইসিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান

১৮

আমাদের মূল লক্ষ্যই ফ্রি এবং ফেয়ার ইলেকশন: সিইসি

১৯

নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবে: ইসি

২০

৫ আগস্ট শুধু একটা বিশেষ দিবস নয়, ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে জাতির পুনর্জন্মের দিন: প্রধান উপদেষ্টা

৫ আগস্ট শুধু একটা বিশেষ দিবস নয়, ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে জাতির পুনর্জন্মের দিন: প্রধান উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের মানুষের বুকে গুলি চালিয়ে শেষ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিল ফ্যাসিবাদী সরকার। বিগত ১৬ বছরে মাফিয়াতন্ত্র কায়েম করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, কোটা পদ্ধতি ছিল দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির হাতিয়ার।


আজ মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে ঢাকা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি দেয়া বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন তিনি।


তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টে গুলিবিদ্ধ আহদের চিকিৎসা নিতে দেয়া হয়নি এবং তৎকালীন সরকার হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে, যাতে আহদের চিকিৎসা দেয়া না হয়।


জুলাই আগস্ট আন্দোলনে আহত নিহতদের স্মরণ করে ড. ইউনূস বলেন, শহীদ পরিবার এবং আহতদের আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে। গুরুতর আহতদের বিদেশে চিকিৎসা করানো হয়েছে।


তিনি বলেন, ৫ আগস্ট শুধু একটা বিশেষ দিবস নয়, এটি একটি প্রতিজ্ঞা, গণজাগরণের উপাখ্যান এবং ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে জাতির পুনর্জন্মের দিন। আজ আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করছি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। যাদের কারণে আত্মত্যাগের কারণে আমরা আমরা পেয়েছি স্বাধীন স্বার্বভৌম বাংলাদেশ।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ১৯৭১ সালে সাম্য সামাজিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এদেশের জনগণ সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলো। লাখো প্রাণের বিনিময়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দি পরেও এদেশের মানুষ সুবিচার ও গণতন্ত্র থেকে বঞ্চিত হয়েছে, বৈষম্যের শিকার হয়েছে।


ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ২০২৪ সালের উত্তাল জুলাই ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের এক সংকটময় অধ্যায়। ১৬ বছরের পুঞ্জিভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। এদেশের এই বিপুল সংখ্যক তরুণরা ১৬ বছর ধরে ক্রমাগত হতাশায় নিমজ্জিত ছিল। ভালো ফলাফল করেও চাকরির জন্য ক্ষমতাসীনদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরেছে। চাকরিকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি আর তদবীর বাণিজ্য। যে তরুণ ঘুষ দিতে পারেনি এলাকার মাফিয়াদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলতে পারেনি, তার চাকরি হয়নি।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি, যেটা মূলত ছিল দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির আরেকটা হাতিয়ার। এর বিরুদ্ধে তরুণ সমাজ দীর্ঘদিন প্রতিবাদ বিক্ষোভ করলেও ফ্যাসিবাদী শাসকের টনক নড়েনি। দীর্ঘদিন এই সেক্টরে মাফিয়াতন্ত্র কায়েম করে একটি সুবিধাভোগী শ্রেণী তৈরি করা হয়েছিল। যারা আর্থিক বা অন্য সুবিধার বিনিময়ে স্বৈরাচারের পক্ষে কথা বলবে-কাজ করবে। স্বৈরাচারের পক্ষের সঙ্গি হলেই তার চাকরি হবে।


এসময় প্রধানউপদেষ্টা একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত’

সচিবালয়ে নতুন ভবনে আগুন

তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে সরকারের কোনো বিধি-নিষেধ নেই : প্রেসসচিব

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা পরিবারের : মাহদী আমিন

আমার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ একক নয়: তারেক রহমান

নির্বাচনে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারসহ সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে: ইসি সচিব

সিসিইউতে খালেদা জিয়া

তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড

দেশের ৮ বিভাগের ১৫৮ ইউএনওকে বদলি

গণভোটের ব্যালট হবে ভিন্ন রংয়ের: উপদেষ্টা আসিফ

১০

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপের বিরুদ্ধে মামলার রায় ১ ডিসেম্বর

১১

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগুতে হবে: সিইসি

১২

সালমান এফ রহমানের ৩৬ বিঘা জমি জব্দ, ৫৪ কোটি টাকা জব্দের আদেশ

১৩

আগামী জুলাই থেকে সকল প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেন হবে: গভর্নর

১৪

নির্বাচন আর গণভোট একসঙ্গে করায় খরচ বাড়বে: অর্থ উপদেষ্টা

১৫

সারাদেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করা হচ্ছে: ইসি সচিব

১৬

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার শঙ্কা নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৭

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সেনাবাহিনী ইসিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান

১৮

আমাদের মূল লক্ষ্যই ফ্রি এবং ফেয়ার ইলেকশন: সিইসি

১৯

নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবে: ইসি

২০

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সর্বশক্তি দিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছি: প্রধান নির্বাচন কমিশনার

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সর্বশক্তি দিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছি: প্রধান নির্বাচন কমিশনার
ছবি: সংগৃহীত

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সর্বশক্তি দিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছি।


মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন ভবনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সিইসি এ কথা জানান।


সিইসি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানতে চেয়েছে, গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে আগামী নির্বাচনের জন্য আমরা কতটুকু প্রস্তুত। আমরা কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি, ভোটার নিবন্ধন থেকে শুরু করে নির্বাচনী প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমাদের টাইমলাইন কেমন হবে—এসব বিষয়ে তারা জানতে চেয়েছেন। বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রায় তারা সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। তারা চান, গণতান্ত্রিক উত্তরণ সফল হোক। এই পথে যতটুকু সহায়তা প্রয়োজন, তারা তা দেবেন।


কী ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, তারা বিশেষজ্ঞ পাঠাবেন। তারা পর্যালোচনা করে আমাদের জানাবেন। তাদের মিশন আসবে। নির্বাচন হলে তারা পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকতে চান। আমরা তাদের আশ্বস্ত করেছি, সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। কারণ, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে আমরা সর্বশক্তি নিয়োগ করেছি।


আমরা তাদের বলেছি, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আমাদের প্রতিশ্রুতি রয়েছে এবং আমরা সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছি। তারা আমাদের কথা শুনে খুশি হয়েছেন। আমরা সর্বশক্তি নিয়োগ করেছি, এটা তারা উপলব্ধি করতে পেরেছেন।


তারা বলেছেন, সংস্কারের জন্য সময় কম থাকায় তারা সংস্কারের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তবে তারা চাপ দিচ্ছেন না, বরং পরামর্শ দিচ্ছেন।


সিইসি বলেন, আমরা আমাদের মতামত দিয়েছি। সংবিধান আমাদের যে স্বাধীনতা দিয়েছে, তা যেন নিশ্চিত থাকে, সেটা তাদের জানিয়েছি। নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হোক, তা আমরা চাই না। তারা এ বিষয়টি সমর্থন করেছেন যে, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন থাকা উচিত। অন্যথায়, জাতি যা প্রত্যাশা করে, তা পূরণ করা সম্ভব হবে না।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত’

সচিবালয়ে নতুন ভবনে আগুন

তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে সরকারের কোনো বিধি-নিষেধ নেই : প্রেসসচিব

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা পরিবারের : মাহদী আমিন

আমার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ একক নয়: তারেক রহমান

নির্বাচনে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারসহ সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে: ইসি সচিব

সিসিইউতে খালেদা জিয়া

তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড

দেশের ৮ বিভাগের ১৫৮ ইউএনওকে বদলি

গণভোটের ব্যালট হবে ভিন্ন রংয়ের: উপদেষ্টা আসিফ

১০

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপের বিরুদ্ধে মামলার রায় ১ ডিসেম্বর

১১

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগুতে হবে: সিইসি

১২

সালমান এফ রহমানের ৩৬ বিঘা জমি জব্দ, ৫৪ কোটি টাকা জব্দের আদেশ

১৩

আগামী জুলাই থেকে সকল প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেন হবে: গভর্নর

১৪

নির্বাচন আর গণভোট একসঙ্গে করায় খরচ বাড়বে: অর্থ উপদেষ্টা

১৫

সারাদেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করা হচ্ছে: ইসি সচিব

১৬

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার শঙ্কা নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৭

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সেনাবাহিনী ইসিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান

১৮

আমাদের মূল লক্ষ্যই ফ্রি এবং ফেয়ার ইলেকশন: সিইসি

১৯

নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবে: ইসি

২০

প্রতিটি কন্যার স্বপ্ন পূরণে আমরা রাষ্ট্রকে অংশীদার বানাবো: তারেক রহমান

প্রতিটি কন্যার স্বপ্ন পূরণে আমরা রাষ্ট্রকে অংশীদার বানাবো: তারেক রহমান
ছবি: সংগৃহীত



বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিটি কন্যাশিশুর স্বপ্ন পূরণের পথে আমরা রাষ্ট্রকে তার অংশীদার বানাব, বাধা নয়। বাংলাদেশের জন্য আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি এমন, যেখানে প্রতিটি মেয়ের একই স্বাধীনতা, সুযোগ এবং সুরক্ষা থাকবে। যা যেকোনো পিতা-মাতা তাদের নিজের সন্তানের জন্য কামনা করেন।


শনিবার আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।


প্রতি বছর ১১ অক্টোবর পালিত হয় আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। দিনটি বিশ্বজুড়ে কন্যাশিশুদের অধিকার, স্বপ্ন ও নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে উদ্‌যাপিত হয়। জাতিসংঘের নির্ধারিত ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসের মূল প্রতিপাদ্য হলো, ‘দ্য গার্ল আইএম, দ্য চেঞ্জ আই লিড : গার্ল অন দ্য ফ্রন্টলাইন অব ক্রাইসিস।’ 


আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে তারেক রহমানের দেওয়া স্ট্যাটাসটি নিচে তুলে ধরা হলো।


আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসে আসুন, আমরা প্রতিটি মেয়ের স্বপ্ন দেখার, শেখার, নেতৃত্ব দেওয়ার, মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার উদযাপন করি। একজন কন্যার বাবা হিসেবে আমি জানি যে, মেয়েদের ক্ষমতায়ন শুধু নীতি নয়- এটি ব্যক্তিগত। বাংলাদেশের জন্য আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি এমন, যেখানে প্রতিটি মেয়ের একই স্বাধীনতা, সুযোগ এবং সুরক্ষা থাকবে। যা যেকোনো পিতা-মাতা তাদের নিজের সন্তানের জন্য কামনা করেন।


বিএনপি সরকারের রয়েছে জীবন পরিবর্তনের এক ঐতিহ্য এবং সুযোগ পেলে আমরা আরো বেশি কিছু করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা দেখেছি কিভাবে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধিকে একটি শিল্পের চেয়েও বেশি কিছুতে পরিণত করেছিলেন। এটি আশায় পরিণত হয়েছিল। লাখ লাখ নারী কাজে প্রবেশ করেছিলেন। আয়, সম্মান এবং স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন।


তার নেতৃত্বে, বাংলাদেশজুড়ে মেয়েশিশু এবং নারীদের জীবনের উন্নতিকে প্রতিষ্ঠিত করার একক উদ্দেশ্য নিয়ে ‘মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ তৈরি করা হয়েছিল।


প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে মেয়েদের শিক্ষা বিশেষ সুবিধা নয়, বরং একটি অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা বিনা মূল্যে ঘোষণা করা হয়েছিল এবং ‘শিক্ষার জন্য খাদ্য, শিক্ষার জন্য নগদ’ কর্মসূচি লাখ লাখ মেয়েকে স্কুলে পাঠাতে সাহায্য করেছিল, পারিবারিক ভাগ্য পরিবর্তন করেছিল, শক্তিশালী সম্প্রদায় গড়ে তুলেছিল, ক্ষমতায়িত নারীদের একটি প্রজন্ম তৈরি করেছিল।


তার পথপ্রদর্শক উদ্যোগ ‘ফিমেল সেকেন্ডারি স্কুল অ্যাসিস্ট্যান্স প্রজেক্ট’ আমাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মাধ্যমিক শিক্ষায় নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠা করে এবং বাল্যবিবাহের হার কমিয়ে আনে। এই প্রকল্প পরবর্তী সময়ে কন্যাশিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নের এক বৈশ্বিক আদর্শে পরিণত হয়, যা অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশেও অনুসরণ করা হয়েছে। এই সাহসী পদক্ষেপগুলো দেখায়, যা প্রমাণ করে যে যখন প্রশাসন মেয়েদের মর্যাদাকে সম্মান করে এবং তাদের ভবিষ্যতে বিনিয়োগ করে তখন কী সম্ভব। এগুলো সাহসী পদক্ষেপের দৃষ্টান্ত, যা প্রমাণ করে- যখন কোনো সরকার কন্যাশিশুদের মর্যাদা রক্ষা করে এবং তাদের ভবিষ্যতে বিনিয়োগ করে, তখন কত কিছুই সম্ভব হয়ে ওঠে।


বিএনপির ভবিষ্যৎ নীতিমালা সম্মান এবং বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে, যার মাধ্যমে:


১. নারী পরিবারের প্রধানদের নামে ‘পরিবার কার্ড’- প্রতিটি পরিবারের প্রধানকে সরাসরি সাহায্য এবং সহায়তা পৌঁছানো নিশ্চিত করা।


২. নারী উদ্যোক্তাদের জন্য এসএমই ঋণ, ব্যাবসায়িক প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা- কারণ অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা কোনো আপসের বিষয় নয়।


৩. মেয়েদের জন্য শক্তিশালী শিক্ষাগত এবং বৃত্তিমূলক সুযোগ- যাতে প্রতিটি মেয়ে, গ্রামে হোক বা শহরে, দক্ষতা অর্জন করতে পারে এবং ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে।


৪. নারীরা সিদ্ধান্ত গ্রহণের টেবিলে- রাজনীতি, শাসন ও নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি। একটি নিরাপদ জাতি এ থেকে কম আশা করতে পারে না।


৫. মর্যাদা এবং স্বাধীনতার সুরক্ষা - মেয়েদের চলাফেরা, কথা বলতে, ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করতে, ভয় ছাড়াই বাঁচতে সক্ষম করা।


৬. পরিবার ও সামাজিক কল্যাণকে মূলনীতি হিসেবে-স্বাস্থ্য, গ্রামীণ ক্ষমতায়ন, সবার জন্য কর্মসংস্থান, বিশেষভাবে নারী ও কন্যাশিশুর ওপর কেন্দ্রিত।


আমরা খালি বাক্যবুলিতে কথা বলি না। আমরা বিশ্বাস এবং অভিজ্ঞতার সঙ্গে, নির্ধারিত লক্ষ্য নিয়ে কথা বলি। প্রতিটি কন্যাশিশুর স্বপ্ন পূরণের পথে আমরা রাষ্ট্রকে তার অংশীদার বানাবো, বাধা নয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত’

সচিবালয়ে নতুন ভবনে আগুন

তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে সরকারের কোনো বিধি-নিষেধ নেই : প্রেসসচিব

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা পরিবারের : মাহদী আমিন

আমার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ একক নয়: তারেক রহমান

নির্বাচনে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারসহ সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে: ইসি সচিব

সিসিইউতে খালেদা জিয়া

তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড

দেশের ৮ বিভাগের ১৫৮ ইউএনওকে বদলি

গণভোটের ব্যালট হবে ভিন্ন রংয়ের: উপদেষ্টা আসিফ

১০

প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: হাসিনা, রেহানা ও টিউলিপের বিরুদ্ধে মামলার রায় ১ ডিসেম্বর

১১

অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগুতে হবে: সিইসি

১২

সালমান এফ রহমানের ৩৬ বিঘা জমি জব্দ, ৫৪ কোটি টাকা জব্দের আদেশ

১৩

আগামী জুলাই থেকে সকল প্রতিষ্ঠানে ক্যাশলেস লেনদেন হবে: গভর্নর

১৪

নির্বাচন আর গণভোট একসঙ্গে করায় খরচ বাড়বে: অর্থ উপদেষ্টা

১৫

সারাদেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করা হচ্ছে: ইসি সচিব

১৬

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার শঙ্কা নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৭

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সেনাবাহিনী ইসিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান

১৮

আমাদের মূল লক্ষ্যই ফ্রি এবং ফেয়ার ইলেকশন: সিইসি

১৯

নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক থাকবে: ইসি

২০