

ডেস্ক রিপোর্ট:
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির আহমেদ রিজভী বলেছেন, শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার ফলে ভারত শোকাহত হয়েছে। ভারত শেখ হাসিনার জন্য খুব কষ্ট পেয়েছে এবং তারা যড়ষন্ত্র করছে যাতে শেখ হাসিনাকে আবার দেশে ফিরিয়ে এনে ক্ষমতায় বসানো যায়।
রবিবার বিকেলে লালমনিরহাটের বড়বাড়ী শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের চতুর্থ খেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া জেল-জুলুম সহ্য করে দেশে ছিলেন এবং এখনো আছেন, কিন্তু শেখ হাসিনা নেতাকর্মীদের রেখে ভারতে পালিয়ে গেছেন। এটিই হলো শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়ার মধ্যে পার্থক্য।
তিনি আরও বলেন, ভারতীয় মিডিয়া স্বাধীন দেশের বিষয়ে অপ্রচার চালাচ্ছে শুধুমাত্র শেখ হাসিনার জন্য। ভারতকে আমি বলব— যদি শেখ হাসিনার জন্য এত মায়া থাকে, তাহলে ভারতে তার জন্য আরেকটি তাজমহল তৈরি করুন।
তিনি বলেন, ভারতীয় যড়ষন্ত্রের কারণে সতর্ক থাকতে হবে। দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে অবিলম্বে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, একজন মেয়রের বাড়ি থেকে ভাত আনতে রাষ্ট্রের মাসে ২৫ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে—এটা কী ভাবা যায়? এর মাধ্যমে দুর্নীতির পরিমাণ বোঝা যায়।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, গত ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগ বিনা ভোটে জনগণের গণতন্ত্র হরণ করে নিজেদের লোকজনকে লুটপাটের সুযোগ দিয়েছে। পুলিশের একজন আইজি হাজার কোটি টাকার মালিক, এবং একজন মন্ত্রীর দেশের বাইরে ২৫০ মিলিয়ন পাউন্ডের বাড়ি রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকার জন্য হাজার হাজার মানুষকে খুন করেছেন, বিরোধী মতের ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন। তিনি নিজের ইচ্ছামতো দেশ পরিচালনা করেছেন এবং ব্যাংক লুট করেছেন। শেখ হাসিনা রক্তপিপাসু, এখন ভারতে পলাতক থেকেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন। তাই ফ্যাসিবাদ যাতে পুনরায় ক্ষমতায় না আসে, সে জন্য আমাদের সজাগ থাকতে হবে। তাহলেই ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ সার্থক হবে।
এ সময় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু ও জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক একেএম মমিনুল হক বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


দেশের প্রখ্যাত লেখক, গবেষক ও বাম ধারার বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দীন উমর মারা গেছেন। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৫ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
খবরটি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল হাকিম লালা। তিনি জানান, ‘অসুস্থ অবস্থায় বাসা থেকে স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়ার পর সকাল ১০টা ৫ মিনিটে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।’
বদরুদ্দীন উমর ছিলেন বামপন্থি রাজনীতিবিদ, তাত্ত্বিক, লেখক ও গবেষক। দীর্ঘ রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক জীবনে তিনি বাংলাদেশের সমাজ-রাজনীতি ও সংস্কৃতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ও বিশ্লেষণ করেছেন। চলতি বছর সরকার তাকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে, তবে তিনি পুরস্কার গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান।
তার উল্লেখযোগ্য গবেষণাধর্মী গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি’ (তিন খণ্ডে), ‘সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা’, ‘পূর্ব পাকিস্তানের ভাষা ও সংস্কৃতি’, ‘বাঙালীর সমাজ ও সংস্কৃতির রূপান্তর’, ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও উনিশ শতকের বাঙালী সমাজ’ এবং ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে বাংলাদেশের কৃষক’।
তার পিতা আবুল হাশিম ছিলেন প্রগতিশীল মুসলিম লীগ নেতা ও ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে বদরুদ্দীন উমর ও তার পিতা দুজনেই সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। পরে ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে তিনি বিস্তৃত গবেষণা সম্পন্ন করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষে তিনি চট্টগ্রাম কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন এবং পরবর্তীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৯ সালে পাকিস্তান সরকারের বৃত্তি নিয়ে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি শিক্ষকতা ছেড়ে বিপ্লবী রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।
১৯৭০-৭১ সালে তিনি গণশক্তির সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পার্টির মতাদর্শ নিয়ে দ্বিমত পোষণ করে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি থেকে পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ লেখক শিবির, বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশন, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল ও গণতান্ত্রিক বিপ্লবী জোটসহ বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে তিনি কাজ চালিয়ে যান।
নিজের আত্মজীবনী ‘আমার জীবন’ গ্রন্থের ভূমিকায় তিনি লিখেছিলেন: ‘আমার জন্ম হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান শহরে ১৯৩১ সালের ২০ ডিসেম্বর, রোববার, দুপুর দুটোয়।’
বুদ্ধিজীবী ও গবেষক হিসেবে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত তিনি রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি নিয়ে সক্রিয় ছিলেন।
চলতি বছর লেখক ও বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দীন উমরসহ ৮ বিশিষ্টজনকে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করে সরকার। তবে বদরুদ্দীন উমর পুরস্কারটি ফিরিয়ে দেন।
এ বিষয়ে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘১৯৭৩ সাল থেকে আমাকে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা থেকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। আমি সেগুলোর কোনোটি গ্রহণ করিনি। এখন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আমাকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা করেছে। এ জন্য তাদের ধন্যবাদ। কিন্তু তাদের দেওয়া এই পুরস্কারও গ্রহণ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এই প্রেস বিবৃতির মাধ্যমে আমি এটা জানিয়ে দিচ্ছি।’
মন্তব্য করুন


যতদিন দায়িত্বে আছেন ততদিন সারের দাম বাড়বে না বলে জানিয়েছেন কৃষি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের গত এক বছরের অর্জন ও সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
কৃষি উপদেষ্টা বলেন, সার নিয়ে একটি নীতিমালা ইতোমধ্যে হয়ে গেছে। এটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদনের জন্য জাতীয় কমিটিতে যাবে। জাতীয় কমিটির প্রধান শিল্প উপদেষ্টা। উনি বাইরে আছেন, আগামী সপ্তাহে আমরা মিটিং করে অনুমোদনটা দিয়ে দেবো। নীতিমালায় আমরা সারের ডিলারের ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসছি।
তিনি বলেন, সারের দাম বাড়ানো হয়নি। সার পাচার হয়। সারের পাচার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পেট্রোবাংলা সার উৎপাদনে গ্যাসের দাম বাড়ানোর কথা বলেছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, পেট্রোবাংলা যদি গ্যাসের দাম বাড়ায়, তারপর যে সার উৎপাদন হবে, সেক্ষেত্রেও দাম বাড়বে না। অন্তত আমি যতদিন আছি স্যারের দাম বাড়বে না।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, গত ১৫ বছর সরকারের অনুদান ছিল দুই কোটি টাকা, সরকার সেখান থেকে বাড়িয়ে এখন পাঁচ কোটি টাকা করেছে।
বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রমনা কালীমন্দির পরিদর্শন করতে এসে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, গত বছর দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকার চার কোটি টাকা অনুদান দিয়েছিল। এবার এক কোটি টাকা বাড়িয়ে পাঁচ কোটি টাকা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছর সরকারের অনুদান ছিল দুই কোটি টাকা, সরকার সেখান থেকে বাড়িয়ে এখন পাঁচ কোটি টাকা করেছে।’ এর পরও কোনো প্রয়োজন থাকলে সরকারের পক্ষ থেকে তা মেটানো হবে বলে জানান উপদেষ্টা।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এবার পূজা গতবারের চেয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে হবে। এ পূজায় শুধু হিন্দুধর্মাবলম্বীরা আসেন না, সব ধর্মের লোকজন আসে। পূজা নির্বিঘ্নে উদ্যাপনের জন্য একটি অ্যাপ চালু করা হয়েছে। এই অ্যাপের সহায়তায় যেকোনো অঘটন বা ঘটনার তথ্য তাৎক্ষণিক সরকারের কাছে চলে আসবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমি আশা করব, এবার পূজাটা খুব উৎসবমুখর পরিবেশে এবং নির্বিঘ্নে উদ্যাপিত হবে।
উপদেষ্টা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো আছে। কোনো হামলার আশঙ্কা নেই। তবুও ২৪ ঘণ্টা নজরদারি থাকবে। গুজবে কান দেবেন না।
তিনি আরো বলেন, গত ৫ আগস্টের পর থেকে একটি গোষ্ঠী নানাভাবে সনাতন ধর্মের মানুষকে উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তারা অপপ্রচার চালিয়েছে; ৫ লাখ হিন্দুধর্মালম্বী মানুষ দেশ থেকে পালিয়ে গেছে এবং কান্তজীর মন্দির ভেঙে ফেলা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, গত বছরের চেয়ে এ বছর পূজামণ্ডপের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।’ পূজায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পাশাপাশি উদ্যাপন কমিটির প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, জুলাই আন্দোলনের মর্মবাণী ছিল ফ্যাসিবাদ বিলোপ করে নতুন বাংলাদেশ গঠন।
আজ মঙ্গলবার অভ্যুত্থান স্মরণে মাসব্যাপী কর্মসূচি উদ্বোধন উপলক্ষে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সামনের পথ আরও কঠিন হবে তবে সম্ভাবনাও আছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, জনগণ যখন জেগে ওঠে তখন কোনো শক্তি তাকে রুখে দিতে পারে না।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গত বছর এই দিনে আমাদের শিক্ষার্থীরা যে উদ্দেশ্য আন্দোলনে নেমছিল, সেই উদ্দেশ্য তারা অর্জন করেছে। এর মাধ্যমে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি।
তিনি আরও বলেন, ‘স্বৈরাচার পতনে যাতে ১৬ বছর অপেক্ষা করতে না হয়; সেই কাজ আমারা করছি। আশা করি, আগামী দিনে কেউ স্বৈরাচার হতে চাইলে জনগণ সঙ্গে সঙ্গে তাদের পতন ঘটাবে।’
মন্তব্য করুন


আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকার টানা ১০ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে। বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এই ছুটির আওতায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঈদুল আজহার ছুটির অংশ হিসেবে ১১ ও ১২ জুন (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) সরকারি ছুটি থাকবে। এছাড়া, দাপ্তরিক কাজের স্বার্থে আগামী ১৭ মে ও ২৪ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই ছুটির সময়ে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে ১৭ ও ২৪ মে সব অফিস স্বাভাবিকভাবে খোলা থাকবে।
গতকাল প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ফেসবুক পেজে জানান, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদুল আজহায় ১০ দিনের ছুটি দেওয়া হয়েছে। এই ছুটির প্রেক্ষাপটে ১৭ ও ২৪ মে অফিস খোলা রাখা হবে।
খবরে জানা গেছে, ঈদুল আজহার ছুটি শুরু হবে ৫ জুন এবং শেষ হবে ১৪ জুন। এর আগে, ঈদুল ফিতরে ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত ৯ দিনের ছুটি পালন করা হয়। প্রথমে পাঁচ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হলেও পরে নির্বাহী আদেশে বাড়তি এক দিন যুক্ত করে ছুটি ৯ দিনে উন্নীত করা হয়।
মন্তব্য করুন


টানা আন্দোলনের মুখে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা মূল বেতনের ১৫ শতাংশ করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে এ অর্থ দুই ধাপে পাবেন তারা।
মঙ্গলবার শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরারের সঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
সভা সূত্র জানায়, চলমান অর্থবছরে শিক্ষক-কর্মচারীরা মূল বেতনের ১৫ শতাংশের মধ্য ৭ দশমিক ৫ শতাংশ কার্যকর হবে এ বছরের ১ নভেম্বর থেকে। আরও সাড়ে ৭ শতাংশ কার্যকর হবে আগামী বছরের ১ জুলাই থেকে। এ নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে শিগগিরই।
এদিকে মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে সম্মতি জানিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠিও দিয়েছে।
এর আগে সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া মূল বেতনের ৫ শতাংশ (ন্যূনতম ২ হাজার টাকা) বাড়ানো সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।
প্রসঙ্গত, মূল বেতনের ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া ভাতা, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চিকিৎসাভাতা ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা করা এবং এমপিওভুক্ত কর্মচারীদের উৎসব ভাতা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ নির্ধারণের দাবিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের ব্যানারে গত ১২ অক্টোবর থেকে আন্দোলন চালাচ্ছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। গত ১৭ অক্টোবর তারা সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিও যুক্ত করেছেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর নিজ দেশ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র বাস্তবসম্মত ও টেকসই সমাধান বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর নবনিযুক্ত কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ইভো ফ্রেইজেন তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান। ড. ইউনূস স্পষ্ট করে বলেন, সমস্যার শুরু যেহেতু মিয়ানমারে, তাই এর সমাধানও সেখান থেকেই আসতে হবে এবং দীর্ঘকাল রোহিঙ্গাদের শরণার্থী শিবিরে রাখা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
সাক্ষাতকালে ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইজেন রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে আন্তর্জাতিক অর্থায়ন নাটকীয়ভাবে কমে যাওয়ার বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টার নজরে আনেন। তিনি শিবিরগুলোতে রোহিঙ্গাদের স্বনির্ভরতা ও জীবিকাভিত্তিক সুযোগ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গত এক বছরে একাধিক উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচি আয়োজিত হলেও রোহিঙ্গা সংকট এখনও প্রত্যাশিত আন্তর্জাতিক মনোযোগ পাচ্ছে না। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, শরণার্থী শিবিরে প্রযুক্তি-সুবিধা বঞ্চিত এক হতাশ ও ক্ষুব্ধ তরুণ প্রজন্ম বেড়ে উঠছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য শুভ নয়। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গেও নানা ধরনের উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বৈঠকে ভাসানচরের পরিস্থিতি এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অধ্যাপক ইউনূস জানান যে, অনেক শরণার্থী ভাসানচর ছেড়ে মূল ভূখণ্ডে ছড়িয়ে পড়ছেন, যা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
ইভো ফ্রেইজেন জানান, সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ইউএনএইচসিআর প্রধান বারহাম সালিহ শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করবেন এবং রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবেন। ড. ইউনূস এ সময় আরও বলেন যে, বাংলাদেশ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত এবং তাঁরা নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে চান যাতে নতুন ভোটারদের জন্য এই প্রক্রিয়া আনন্দময় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হয়।
প্রধান উপদেষ্টা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তায় সক্রিয় থাকার পাশাপাশি মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করার অনুরোধ জানান যাতে তারা দ্রুত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করে। তিনি বিশ্বাসযোগ্য ও সুশৃঙ্খল নির্বাচন নিশ্চিত করার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে এসডিজি সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ড. ইউনূস আশা প্রকাশ করেন, ইউএনএইচসিআর-এর নতুন প্রতিনিধি এই সংকট নিরসনে আরও জোরালো ভূমিকা পালন করবেন।
মন্তব্য করুন


লন্ডন থেকে ঢাকায় আসছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান। বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে তাকে নিয়ে লন্ডন যাত্রা করবেন তিনি।
বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। লন্ডন থেকে জোবাইদা রহমানের সঙ্গে তারেক রহমানের মেয়ে জায়মা রহমানও ঢাকা আসছেন বলে সূত্রটি জানিয়েছে।
এদিকে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। কাতারের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে আগামীকাল শুক্রবার তিনি রওনা হতে পারেন।এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চিকিৎসকসহ তার সঙ্গে থাকবেন ১৬ জন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের মধ্যে খালেদা জিয়ার সর্বশেষ চিকিৎসা পরিস্থিতি ও বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
‘অত্যন্ত সংকটাপন্ন’ অবস্থায় বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন খালেদা জিয়া। টানা ১২ দিন হাসপাতালটিতে আছেন তিনি। এর মধ্যে ৮ দিনই করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত। তবে চিকিৎসকদের ডাকে সাড়া দিচ্ছেন তিনি। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তার চিকিৎসা চলছে।
মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক বুধবার রাতে জানান, ফুসফুসে স্বাভাবিকভাবে বাতাস চলাচল করানোর জন্য হাসপাতালের চতুর্থ তলায় মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশন রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কিডনি কার্যক্রম সচল রাখতে এদিন বিকালেও ডায়ালাইসিস করা হয়েছে।
বুধবার রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে যান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। হাসপাতালে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন।
২৩ নভেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। ২৭ নভেম্বর থেকে তিনি হাসপাতালটির সিসিইউতে আছেন। বুধবার রাতে মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের অবস্থা অপরিবর্তিত। আগের মতোই আছেন তিনি। উন্নতি-অবনতি কোনোটাই বলা যাচ্ছে না। কিছুটা রেসপন্স করছেন। চিকিৎসক ও পরিবারের সদস্যরা ডাক দিলে কিছুটা সাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে এটিকে আশানুরূপ উন্নতি বলা যাচ্ছে না। তার স্বাস্থ্যের বিভিন্ন প্যারামিটার ওঠানামা করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো বেশ উদ্বেগজনক পর্যায়েই। বিশেষ করে তার হৃদযন্ত্র, লিভার, কিডনি ও ফুসফুসের জটিলতা কাটছে না। সমস্যাগুলোর একটির সামান্য উন্নতি হলে অন্যটির অবনতি ঘটছে, যা কয়েকদিন ধরে নানা মাত্রায় উদ্বেগজনকভাবে ওঠানামা করছে।
এদিন দুপুরে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে হাসপাতালে যান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। পরে তার একজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তা বলেন, উপদেষ্টার ডাকে বিএনপির চেয়ারপারসন রেসপন্স করেছেন। ইশারায় সালামের জবাব দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আগামীকাল ট্রাইব্যুনালে যে রায় হোক, তা কার্যকর হবে।
রোববার দুপুর ২টায় বরিশাল পুলিশ লাইন্সে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ মাঠ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, নির্বাচন সামনে রেখে মাঠ প্রশাসনকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুব ভালো কিংবা খুব মন্দ নয়, মাঝামাঝি পর্যায়ে শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রয়েছে।
তিনি আরও জানান, আগামী নির্বাচন কেন্দ্র করে কোনো ধরনের সহিংসতা কিংবা অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটতে পারে সে ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, দেশে এখন সবাই নির্বাচনমুখী। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটামুটি সন্তোষজনক।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা আগে ছিল না। তবে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সেই আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য নির্বাচন কমিশন কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, মানুষ যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের পছন্দের জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে, সেটাও নিশ্চিত করা হবে।
রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নওগাঁ জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে তথ্য সংগ্রহকারী, সুপারভাইজার ও নতুন ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, আগে ভোটার তালিকার তথ্য নিয়ে সমালোচনা ছিল। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একটি সুন্দর, স্বচ্ছ এবং বিতর্কমুক্ত ভোটার তালিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে কমিশন এবছর ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি শুরু করেছে। তিনি ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় নির্ভুলভাবে তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি সঠিক তথ্য সংগ্রহের আহ্বান জানান।
আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণভাবে একটি রাজনৈতিক ঐক্যমত্য প্রক্রিয়ার বিষয়। এছাড়াও, এটি একটি বিচারিক বিষয় হতে পারে যদি আদালতে গড়ায়। এটি নির্বাচন কমিশনের বিষয় নয়। তফসিল ঘোষণার পর যেসব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল থাকবে, তখন সে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
এ সময় জেলা প্রশাসক আব্দুল আউয়াল, পুলিশ সুপার সফিউল সারোয়ার, নওগাঁ পৌরসভার প্রশাসক টি.এম.এ মমিন ও জেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুল মোত্তালিবসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি।
মন্তব্য করুন