

ময়নামতি রেজিমেন্ট বিএনসিসির আয়োজনে ২০২৫ সালের এসএসসি ও এইচএসসি জিপিএ ৫.০০ প্রাপ্ত ক্যাডেটদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টায় ময়নামতি রেজিমেন্ট বিএনসিসি, কুমিল্লার মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিএনসিসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু সঈদ আল মসউদ, বিজিবিএমএস, পিবিজিএমএস, এনডিসি, পিএসসি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্যাডেটদের মাঝে সংবর্ধনা স্মারক এবং নগদ বৃত্তি প্রদান করেন।
এ বছর ময়নামতি রেজিমেন্ট এর আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে এসএসসিতে জিপিএ- ৫.০০ পেয়েছে ৫৪ জন ক্যাডেট এবং এইচএসসিতে জিপিএ- ৫.০০ পেয়েছে ২৮ জন ক্যাডেট।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ক্যাডেটদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণা মূলক বক্তব্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদর দক্ষিণের বিজয়পুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর পল্টারপাড় এলাকায় কৃষক রুহুল আমিন হত্যা মামলার আসামিরা আদালত থেকে জামিন নিয়ে এসে নিহতের পরিবারকে হত্যা মামলাটি তুলে নেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। মামলা তুলতে অপারগতা প্রকাশ করায় নিহতের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে আসামিরা। আসামিদের ভয়ে কোন সাক্ষী আদালতে যেতে চায় না।
এ ঘটনায় হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে ফাঁসির দাবিতে শনিবার দুপুরে কুমিল্লা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহতের স্ত্রী জাহানারা বেগম ও কন্যা রোকেয়া।
সংবাদ সম্মেলনে তারা জানান, কৃষক রুহুল আমিন মসজিদে আজান দিতেন। এই আজানকে কেন্দ্র করে হত্যাকারীরা কিছু বখাটে ছেলে রুহুল আমিন এর বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেন। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করায় স্থানীয় মৃত. আব্দুল লতিফের ছেলে মো: লোকমান হোসেন (৩৮), মো: কবির হোসেন (৩৫) ও মোঃ মীর হোসেন (৩০), শফিক মিয়ার ছেলে নাজমুল হোসেন (২২) ও কবির হোসেনের স্ত্রী শাহিনুর আক্তার ২০২৪ সালের ২০ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে দশটায় রুহুল আমিন কে সবার সামনে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনা তাদেরকে আসামি করে পরদিন হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে তারা আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে এসে আমাদেরকে মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। আমরা মামলা তুলতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা আমাদের পুরো পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছি। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি। আমরা প্রশাসনের কাছে দুই হাত জোড় করে অনুরোধ করছি এসব সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে ফাঁসি প্রদান করুন।
হত্যাকারীরা একসময় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। ৫ আগস্টের পর তারা এখন বিএনপি নেতা কর্মীদের সাথে ঘুরাঘুরি করে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই ভূঁইয়া কানুকে জুতার মালা পরিয়ে লাঞ্চিতের একটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ইতোমধ্যেই এ ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুছ সরকার অভিযুক্তদের গ্রেফতারে বিবৃতি দিয়েছেন। পাশাপাশি বলেছেন কানুর বিরুদ্ধে ৮-৯টি মামলা রয়েছে।
চৌদ্দগ্রাম থানা সূত্রেও জানা যায়, আব্দুল হাই কানুর বিরুদ্ধে ১টি হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল ১ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, রবিবার দুপুরে স্থানীয় বাতিসা ইউনিয়নের কুলিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মুক্তিযোদ্ধা ও কেন্দ্রীয় কৃষকলীগ নেতা আব্দুল হাই কানুকে জুতার মালা পড়ায় স্থানীয় প্রবাসী আবুল হাশেমসহ এলাকাবাসী।
এসময় স্থানীয়দের বলতে শোনা যায়, আব্দুল হাই কানুর কারণে তারা গত ১৫ বছর এলাকায় থাকতে পারেনি।
২০১৬ সালের আবু বক্কর ছিদ্দিক প্রকাশ রানা হত্যার প্রতিবাদে এবং কানু ও তার ছেলে বিপ্লবকে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবীতে স্থানীয় আ’লীগ সমাবেশ করে।
সমাবেশে উপজেলা আ’লীগের প্রচার সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন বলেন, আব্দুল হাই কানুর কারণে স্থানীয় আ’লীগ নেতাকর্মীরাও এলাকাছাড়া।
সোমবার সকালে সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে স্থানীয় জসিম উদ্দিন বলেন, আবদুল হাই কানুর সাথে আ’লীগ ব্যতিত আর কোন রাজনৈতিক দ্বন্ধ নেই।
ভাইরাল ভিডিওটি রাজনৈতিক নয়। এলাকার ভুক্তভোগীরা ঘটনা করেছে। এসময় আমিও সাথে ছিলাম। হত্যাকান্ডের শিকার রানা হত্যা মামলায় ১নং আসামী কানু। আওয়ামী লীগ নেতা শাহীন হত্যার ঘটনাও অন্যতম নির্দেশদাতা কানু মেম্বার। কুলিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধী এক প্রার্থী আবদুল হালিম মজুমদারকে লাথি মেরে পুকুরে ফেলে দেয়। ঐ নির্বাচনে আমাকেও লাঞ্চিত করে।
স্থানীয় ট্রাক্টর চালক আনোয়ার হোসেন বলেন, পারিবারিক দ্বন্ধে এ ঘটনা ঘটেছে। এর সাথে রাজনীতির সম্পৃক্ততা নাই। গত ২০১৬ সালের ৩ই সেপ্টেম্বর যুবলীগ নেতা আবু বক্কর ছিদ্দিক প্রকাশ রানাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে কানু মেম্বার। ঐদিন আমি নিজেও গুলির শব্দে ব্রীজ থেকে লাফ দিয়ে আহত হই। কানু মেম্বার আমার চাচা নুরুল ইসলাম মিনারকে রাতের আধাঁরে মারধর করে।
আবদুল হালিম মজুমদারের ভাই আবদুর রহমান (৮০) বলেন, কানু আমার ভাইকে বিদ্যালয়ের নির্বাচনের সময়ে লাথি মেরে পুকুরে ফেলে দেয়। আ’লীগ সরকারের সময়ে আমার ভাইয়ের থেকে ২৬লাখ টাকা চাঁদাবাজী করে। এমনকি আমার ঘর নির্মাণের সময় আমার থেকেও ৭ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। এসময় তিনি সাংবাদিকদের আরও বলেন, বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনের দ্বন্ধেই রবিবার দুপুরে কানুকে আটক করে এলাকাবাসী।
সাবেক ইউপি মেম্বার ও অবঃ সেনাসদস্য আবদুল হক বলেন, কানু এই এলাকায় গত ১৭ বছরে সন্ত্রাসের রাজনীতি কায়েম করেছে। একাধিক হত্যা, বাড়িঘর ভাংচুর এবং চাঁদাবাজীর সাথেও সে জড়িত। স্থানীয়রা পূর্বের ক্ষোভ থেকে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী বেলাল হোসাইন বলেন, আ’লীগ নেতা আব্দুল হাই কানু হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামী। পূর্বের বিভিন্ন বিরোধ থেকে এলাকাবাসী এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এর সাথে রাজনৈতিক কোন সম্পৃক্ততা নাই। এমনটি ভাইরাল ভিডিওকে উল্লেখিত ব্যক্তিগত জামায়াতের কোন পদ-পদবীতে নাই।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিএম আক্তারুজ্জামান সোমবার দুপুরে বলেন, আব্দুল হাই কানুর বিরুদ্ধে ৮-৯টি মামলার বিষয়ে পুরনো অপারেটরের মাধ্যমে জেনেছি। তবে আমার কাছে একটি হত্যা মামলা এবং একটি ভাংচুরের মামলার তথ্য রয়েছে। ভাইরাল ভিডিওতে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ বলেন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই কানুকে লাঞ্ছিতের ঘটনা অপ্রত্যাশিত। মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছি আমরা। পরিবার থেকে এখনো লিখিত কোন অভিযোগ দেয়া হয়নি। এ ঘটনায় একটা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আরাফাতুল ইসলাম বলেন, সকলের সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। তিনি যদি কোন অপরাধ করে থাকেন আইন অনুযায়ী বিচার হবে। অপরাধীকে জুতার মালা পড়ানো সম্মানহানীর কোন সুযোগ আইনে নাই।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় সাংবাদিক সাফির উপর হামলাকারি ৪ আসামি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাংবাদিক সাফির উপর হামলার ১১ দিন পার হলেও কোতয়ালি থানা পুলিশ কোন আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ স্থানীয় সূত্রমতে, আসামি নিজ বাড়িতে, এলাকাতে অবাধে ঘোরাঘুরি করেছেন। হামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোতয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই)মো: সাইফুল গতকাল ১৪ জুন রাতে আসামিদের বাড়িতে গিয়ে খোজে আসেন।কোতয়ালি থানা পুলিশের এমন আচরণকে রহস্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা।
৪ জুন বুধবার দুপুরে কুমিল্লা দুর্গাপুর গোমতির ভেড়িবাঁধ এলাকায় বুড়িচং প্রেস ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক মো: সাফির উপর হামলা চালিয়েছে মাদককারবারিরা। বুধবার দুপুরে কুরবানির গরু ক্রয় করার জন্য শাফি বাবুবাজার এলাকায় যাচ্ছিলেন। সেখানে আগে থেকে উৎপাতে থাকা দুর্গাপুর এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে জনি, মৃত মনু মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়া, মাহাবুব এবং মাহবুবের ছেলে সায়িমসহ অজ্ঞাত ৪-৫ জনের একটি চক্র তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা গরু ক্রয়ের দেড় লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়।
৪ জুন রাতে আহত সাফির মা বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু রহস্যজনকভাবে ১০ জুন পর্যন্ত অভিযোগ এফআইআর করেনি কোতয়ালি থানা পুলিশ। ওই দিন সাংবাদিকরা এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পরদিন ১১ জুন পুলিশ মামলা হিসেবে অভিযোগটি নেয়। তবে আসামিদের গ্রেফতারের বিষয়ে পুলিশ সব সময় রহস্যজনক ভূমিকা পালন করেছে। আজ ধরবো, কাল ধরবো, ২৪ ঘন্টায় আসামি গ্রেফতার হবে ইত্যাদি বলে সময় কালক্ষেপন করেছেন কোতয়ালি থানা পুলিশ। এমনটাই মনে করছেন কুমিল্লার কর্মরত সাংবাদিকরা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আসামিরা প্রকাশ্যেই এলাকায় ঘোরাঘুরি করেছে। পুলিশ তাদের গ্রেফতার করবে না, এটা তো এলাকায় আলোচিত বিষয় ছিল। তাই হয়েছে। আজ সব আসামি জামিন পেয়েছে।
আহত সাংবাদিক মো: সাফি জানান, গতকাল রাতে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই সাইফুল সাহেব আমাদের লোককে ফোন করে আসামির বাড়ির ঠিকানা চেয়েছেন। আজ তো সবাই জামিন পেলেন। আজ আদালতে আসামিরা জামিন পাওয়ার পর এসআই সাইফুল সাহেব আমাকে বললো-আপনার বিরুদ্ধে মামলা দিবে আসামি পক্ষ। একটু সজাগ থাকেন।
কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু জানান, আমরা অসংখ্যবার পুলিশকে অনুরোধ করেছি, তদন্ত করে আসামিদের আইনের আওতায় আনার জন্য। কিন্তু কোথাও না কোথাও চরম অবহেলা হয়েছে। আসামিদের জামিন নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে, যা দু:খজনক ও লজ্জার বিষয়।আমাদের কাছে আগেই তথ্য ছিল, আসামিরা গ্রেফতার হবে না। এ বিষয়টি আমি ১০ জুন কোতয়ালি থানার সেকেন্ড অফিসার ফারুক সাহেবকে অবহিত করেছি। তিনি আমাদের বলেছিলেন, আজই আসামি গ্রেফতার হবে। কিন্তু দিন শেষে সবই হতাশাজনক।
কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক জানান, আসামিদের এতদিনেও গ্রেফতার করতে না পারাটা চরম ব্যর্থতার শামিল। খুবই দু:খজনক বিষয়টি।
কোতয়ালি থানার সেকেন্ড অফিসার ফারুক জানান, আমরা চেষ্টা করেছি আসামি গ্রেফতার করার জন্য ।
কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহিনুল ইসলাম জানান, আসামি গ্রেফতার জন্য আমার চেষ্টার ত্রুটি ছিল না।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম জানান, হামলার পর পরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আসামিদের গ্রেফতার করতে পুলিশ কাজ করছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
পঞ্চগড়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে প্রাণ গেল আনোয়ার হোসেন (৪০) নামে এক বাংলাদেশির।
শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) ভোরে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন পঞ্চগড় সদর উপজেলার মোমিনপাড়া এবং ভারতের শিংপাড়া সীমান্তের মেইন পিলার ৭৫১ এর ৮ ও ৯ নম্বর সাব পিলারের মাঝামাঝি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
নিহত আনোয়ার তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগর এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে আরও কয়েকজনের সঙ্গে ভারতে গরু আনতে যান আনোয়ার। শুক্রবার ভোরে গরু নিয়ে ফেরার পথে ভারতীয় সীমান্তের ভেতরে বিএসএফ সদস্যরা তাদের ধাওয়া করেন। এসময় কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনেন স্থানীয়রা।
এদিকে গুলির শব্দ পেয়ে এবং চোরাকারবারি প্রতিহত করতে আট রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন পঞ্চগড়ে ঘাগড়া বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরাও। পরে ঘটনাস্থল থেকে আনোয়ারের মরদেহ নিয়ে যায় বিএসএফ।
নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ মো বদরুদ্দোজা বলেন, সীমান্তের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানানো হবে। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মরদেহ ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার পর বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা থেকে চোরাচালানের একটি ভারতীয় গরু জব্দ করা হয়।
মন্তব্য করুন


দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ( ১৩ জানুয়ারি) ভোররাতে ফেনী জেলায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের নিমিত্তে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত অভিযানে সদর উপজেলার বিরিঞ্চি এলাকা হতে ১টি ৯ মিঃমিঃ পিস্তল (ম্যাগাজিনসহ) এবং ১ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র এবং সরঞ্জামাদি যথাযথ প্রক্রিয়ায় ফেনী সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
দেশের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা বদ্ধপরিকর।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা মহানগরীর জাঙ্গালিয়া এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশন এবং র্যাব-১১ (সিপিসি-২) এর যৌথ উদ্যোগে একটি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ নাজমুল ইসলাম শামীম নামের এক সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) গভীর রাত থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায় , গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে মোঃ নাজমুল ইসলাম শামীমের বাসভবনে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তার বাসা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্থানীয়ভাবে তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র, দেশি ও বিদেশি গোলাবারুদ এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তার ব্যবহৃত গোপন আস্তানাগুলোতেও তল্লাশি চালানো হয়, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে তাকে সেখানে পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় জিপিএস ও লোকেশন ট্র্যাকিং পরিচালনা করে সন্দেহভাজন শামীমকে আটক করা হয়।
আটক হওয়া নাজমুল ইসলাম শামীম মহানগরীর ২১ নং ওয়ার্ডের জাঙ্গালিয়া এলাকার মরহুম আব্দুল হালিমের ছেলে।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে স্থানীয়ভাবে তৈরি ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র / পাইপগান, ৬০ রাউন্ড শটগান কার্তুজ, ( ১২ বোর × ৭০ মিমি – ৪০ রাউন্ড ও ১২ বোর × ৭৬ মিমি – ২০ রাউন্ড) । ১৮ রাউন্ড মেশিনগান গোলাবারুদ (৭.৬২×৫৪ মিমি, POF নির্মিত), ১ রাউন্ড পিস্তল গোলাবারুদ (৭.৬২×২৫ মিমি, টোকারেভ: S&B নির্মিত), ১ রাউন্ড রিভলভার/ এয়ারগান গোলাবারুদ, ১০টি ছুরি, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল। এছাড়া দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, ৮টি মানিব্যাগ, এটিএম কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডি জব্দ করা হয়।
স্থানীয় বিভিন্ন প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সন্দেহভাজন শামীম জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ডের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি পূর্বে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন। এছাড়াও তিনি কুমিল্লা শহরের একজন চিহ্নিত বড় চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। ভয়ের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে তার বিরুদ্ধে বক্তব্য প্রদান করতে সাহস পান না, তবে একাধিক সূত্র থেকে তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার পরই সেনাবাহিনী তার বাসায় অভিযান পরিচালনা করে।
সন্দেহভাজন শামীমের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় কমপক্ষে ৭টি মামলা বিদ্যমান।
অস্ত্রসহ তাকে র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা- ৭ (চান্দিনা) সংসদীয় আসনে ২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এ আসনে ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে দুজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ রেজা হাসান।
মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া দুজন প্রার্থী হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা সালেহ সিদ্দিক ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী সজল কুমার কর।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) চান্দগাঁও ক্যাম্পের অফিস থেকে পলাশ সাহা নামে এক কর্মকর্তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ পাওয়া গেছে।
বুধবার (৭ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরের বহদ্দারহাটে অবস্থিত র্যাব-৭ এর চান্দগাঁও ক্যাম্পের তৃতীয় তলার একটি রুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পলাশ সাহা (৩৭) র্যাব-৭ এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি ৩৭তম বিসিএসের পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন।
পাঁচলাইশ জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) আরিফ হোসেন জানান, পলাশ সাহাকে তার অফিস কক্ষে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মৃত পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে তার পরিবারের উদ্দেশে লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। পুলিশ এখন বিষয়টি তদন্ত করছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির সূত্রে জানা গেছে, মরদেহটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে পলাশ সাহার স্ত্রী হাসপাতালে পৌঁছেছেন।
মন্তব্য করুন


চাঁদাবাজির অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজিসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৫ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
সোমবার (১৫ মে) এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। তবে এদিন ওয়ারী থানার ওসি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুলতান সোহাগ উদ্দিনের আদালত নতুন দিন ধার্য করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী জহির কামাল বিষয়টি জানিয়েছেন।
এর আগে গত ১৫ মার্চ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক মশিউর রহমান বাদী হয়ে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে ওয়ারী থানার ওসিকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ফরহাদ ব্যাপারী, আরশাদ আকাশ, রাসেল চাকলাদার ও টুটুল বিশ্বাস।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের ২৫ আগস্ট আসামি ফরহাদ ব্যাপারী বাদীর কাছ থেকে ব্যবসার কথা বলে ৪ লাখ টাকা ধার নেয় এবং ব্যবসায় লাভ হলে লভ্যাংশ দেবে বলে জানায়।
কিছু দিন পর বাদী আসামির কাছে টাকা চাইলে সে জানায় ব্যবসায় লস হয়েছে এবং শিগগিরই টাকা ফেরত দেবে বল জানায়। এরপর ৫ অক্টোবর পাওনা টাকা চাইলে বাদীকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। আসামি ইব্রাহিম ফরাজি বাদীকে তাদের সমস্যার সমাধান করে দেবে বলে জানায় এবং তাকে দেখা করতে বলে। ১৮ নভেম্বর ইব্রাহিম ফরাজির কথা মতো তার ঠিকানায় পৌঁছালে আসামিরা তাকে রুমের ভেতর নিয়ে গিয়ে চর থাপ্পড় মারতে থাকে। এর মধ্যে আসামি আরশাদ আকাশ পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাদীকে পিস্তল ঠেকিয়ে একটি আইফোন এবং এগারো হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং তার হাতে পিস্তল দিয়ে ছবি তুলে তার বিরুদ্ধে মামলা দেবে বলে হুমকি দেয়। তার মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে আরও দুই লাখ টাকা দাবি করে এবং এই সব বিষয়ে কাওকে কিছু জানলে মিথ্যা মালমা দিয়ে বাদীকে ক্রসফায়ারের মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ইয়ুথ জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের (২০২৫-২৬) ১৫ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২৬ জুন সাধারণ সভা শেষে ৩০ জুন দুপুরে সবার মতামতের ভিত্তিতে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।
নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে কুমিল্লা টোয়েন্টি ফোর টিভির হেড অব নিউজ তামজিদ হোসেন লিপুকে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে খোলা কাগজের প্রতিনিধি শাহ ইমরান ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দৈনিক পূর্বাশার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ম্যাক রানাকে নির্বাচিত করা হয়েছে।
কমিটির অন্যান্য পদে সিনিয়র সহ সভাপতি পদে দৈনিক পূর্বাশার সিনিয়র প্রতিবেদক মো: আলাউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ডেইলি বাংলাদেশ মিররের বিশেষ প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন সোহেল, কোষাধ্যক্ষ পদে চ্যানেল বাংলাদেশের জুয়েল খন্দকার, দপ্তর সম্পাদক পদে দৈনিক আজকের কুমিল্লার স্টাফ রিপোর্টার উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে দৈনিক সংবাদের সৈয়দ রাজিব, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে চ্যানেল বাংলাদেশের কন্ট্রিবিউটর বি এম মহিউদ্দিন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে দৈনিক আজকের কুমিল্লার বার্তা সম্পাদক নাছরিন আক্তার ও আমোদ- প্রমোদ বিষয়ক সম্পাদক পদে দৈনিক পূর্বাশার সিনিয়র ডেস্ক ইনচার্জ সাবিয়া সুলতানা রয়েছেন।
নির্বাহী সদস্য পদে রয়েছেন বৈশাখী টিভির প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন, ডেইলি বাংলাদেশ মিররের সিনিয়র রিপোর্টার এড. সুদীপ রায় , দৈনিক মানবকন্ঠের মাহবুবুল আলম আরিফ ও দৈনিক যায় যায় দিনের বেলাল হোসাইন।
এ কমিটির উপদেষ্টা পদে রয়েছেন দৈনিক ইনকিলাবের স্টাফ রিপোর্টার সাদিক হোসেন মামুন, দৈনিক পূর্বাশার নির্বাহী সম্পাদক মাহবুব আলম বাবু, কানাডা প্রবাসী সাংবাদিক মাজহারুল ইসলাম বিপুল, দৈনিক আজকের কুমিল্লার সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, মোহনা টিভির প্রতিনিধি তাওহিদ হোসেন মিঠু, বাসসের প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসাইন আকাঈদ।
এছাড়া কমিটিতে সদস্য পদে রয়েছেন জিটিভির প্রতিনিধি সেলিম রেজা মুন্সি, দৈনিক আজকের জীবনের নেকবর হোসেন, দৈনিক বাংলার আলোড়নের বার্তা সম্পাদক হাবিবুর রহমান খান, মাই টিভির প্রতিনিধি আবু মুসা, দৈনিক রূপসী বাংলার এন কে রিপন, আরটিভির প্রতিনিধি জহিরুল হক বাবু, সময় টিভির প্রতিনিধি ইসতিয়াক আহমেদ, দৈনিক পূর্বাশার জসিম উদ্দিন চৌধুরী, জাগরণী টিভির প্রতিনিধি আশিকুর রহমান আশিক, দৈনিক আলোকিত কুমিল্লার সম্পাদক সাইফুল সুমন, সাপ্তাহিক মেগোতীর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আসিফ মান্না, সারাবাংলা টোয়েন্টি ফোরের প্রতিনিধি রাসেল সোহেল, এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ, কুমিল্লা টোয়েন্টি ফোর টিভির আব্দুল মোতালেব নিখিল, ঢাকা মেইলের প্রতিনিধি সাকলাইন জোবায়ের, জাগো কুমিল্লার সম্পাদক অমিত মজুমদার, দৈনিক পূর্বাশার স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান মুন্না, দৈনিক ইত্তেফাকের দাউদকান্দি প্রতিনিধি শরীফ প্রধান, বার্তা টোয়েন্টি ফোরের মঈন নাসের খান রাফি, চ্যানেল এস এর প্রতিনিধি রাজিব সাহা, ডিবিসি টিভির ক্যামেরাপার্সন বিপ্লব।
মন্তব্য করুন