

ডেস্ক রিপোর্ট:
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সরকার গঠনমূলক সমালোচনা প্রত্যাশা করে এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা উন্নত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, "গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করবে। কমিশন বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে একটি রূপরেখা তৈরি করবে। সরকার এই রূপরেখা পর্যালোচনা করে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে।"
তিনি আরও বলেন, "সাংবাদিকতা একটি বহুমুখী ক্ষেত্র যেখানে বিভিন্ন পক্ষ সক্রিয়। সম্পাদক, মালিক এবং সাংবাদিক—প্রত্যেকে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কাজ করেন। তবে তাদের এক জায়গায় আসতে হবে, সম্মিলিতভাবে সমাধান খুঁজতে হবে।"
সাইবার সিকিউরিটি আইন প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, "এই আইন নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং অন্যান্য আইনও পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে। যত কম আইনি বাধা থাকবে, স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য ততটাই ভালো।"
তিনি বলেন, গত ১৬ বছরে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে জনগণের সামনে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকা উচিত। "যদি কেউ ভুল করে থাকে বা পরিস্থিতির শিকার হয়ে থাকে, তাহলে তা স্বীকার করা উচিত। সত্যের মধ্য দিয়ে রিকনসিলেশন সম্ভব।"
উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, "গণমাধ্যম এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে মতবিরোধ থাকলেও সবাইকে সঠিক পথে কাজ করতে হবে।"
মন্তব্য করুন


ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী আবারও যদি বিশৃঙ্খলা বা অপরাধ করার চেষ্টা করে, তাহলে জনগণই তাদের প্রতিরোধ করবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বেশ কয়েকটি ফেসবুক পেজে লক্ষ্য করা যাচ্ছে আগামী ১৩ নভেম্বর ফ্যাসিবাদের পক্ষ থেকে আন্দোলন বা ব্লকেডের হুমকি দেওয়া হচ্ছে-এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে এ কথা বলেন আইজিপি।
আইজিপি বলেছেন, ফ্যাসিবাদ সরকার পালিয়ে গেছে গণমানুষের প্রতিরোধে। গত বছর ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে তাদের উৎখাত হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী যদি দেশে আবার বিশৃঙ্খলা বা অপরাধ করার চেষ্টা করে তাহলে জনগণই তাদের প্রতিরোধ করবে। দেশের জন্য, জনগণের নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করে এবং করে চলেছে। যেসব ফেসবুক পেজ থেকে পলাতক ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে, সেই পেজগুলোকে নিয়ে গোয়েন্দারা কাজ করছে।
আইজিপি আরও বলেন, আমাদেরকে আইন মান্যতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। ৯০ শতাংশ মানুষকে আইন-কানুন মানতে হবে, নিয়ম মাফিক চলতে হবে। বাকি ১০ শতাংশ না হয় আইন মানবে না । তাদের মোকাবিলায় নিয়ম অনুযায়ী পুলিশ কাজ করবে। কিন্তু আগে তো ৯০ শতাংশ মানুষকে আইন মানতে হবে।
নির্বাচন চলাকালে দেশের কোথাও কোনো ভোটকেন্দ্রে সন্ত্রাসীরা প্রবেশ করে ভোট বানচাল করার চেষ্টা করলে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিরোধের ব্যবস্থা কী ধরনের হতে পারে—এ প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, দেশবাসীর প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্যই আসলে আমরা তৈরি হচ্ছি। আমাদের এখনকার সব কর্মকাণ্ড এটাকে ঘিরেই। দেশে এই প্রথম নির্বাচনের নিরাপত্তা বিষযে পুলিশের ট্রেনিং চলছে। কারণ, এটা এমন একটা দায়িত্ব যার ওপর দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ এবং ভাগ্য নির্ভর করছে। আমরা এই দায়িত্বকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছি।
তিনি আরও বলেন, জনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি ফৌজদারি কার্যবিধিতে বিস্তারিত বলা আছে—নির্বাচন বানচালের চেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পক্ষ থেকে আইনসঙ্গতভাবে যতটুকু যাওয়া দরকার, আমরা ততটুকুই যাব। নির্বাচন কেন্দ্রিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আনুমানিক দেড় লাখ পুলিশ নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে আগামী জাতীয় নির্বাচনে।
মন্তব্য করুন


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ব্যাপারটি এখনো স্পষ্ট নয়। এরই মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি। তাতেও কাটেনি জট। ইএসপিএনক্রিকইনফোর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, সিদ্ধান্ত নিতে বাংলাদেশকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে আইসিসি। ঘোলাটে এই পরিস্থিতিতে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়ে দিলেন, অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করে বাংলাদেশকে ভারতে খেলতে বাধ্য করা যাবে না।
বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশ না খেললে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়া সর্বোচ্চ র্যাঙ্কধারী দলকে সুযোগ দেবে। সেক্ষেত্রে কপাল খুলতে পারে স্কটল্যান্ডের। যদিও বিবিসি জানিয়েছে, এ বিষয়ে এখনো আইসিসির পক্ষ থেকে স্কটল্যান্ডকে কিছু জানানো হয়নি।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমাদের বাদ দিয়ে (আইসিসি) স্কটল্যান্ডকে নেবে আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কিছু শুনিনি। আমাদের মূল কথা, যদি আইসিসি ভারতীয় বোর্ডের সাথে কথা বলে আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে; অযৌক্তিক কোনো শর্ত চাপিয়ে দেয় তবে আমরা সে অযৌক্তিক শর্ত মানবো না।’
পূর্বের উদাহরণ দিয়ে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, ‘এর আগে এমন উদাহরণ আছে; পাকিস্তানে ভারত খেলতে যাবে না বলেছে, আইসিসি ভেন্যু পরিবর্তন করেছে। আমরা অত্যন্ত যৌক্তিক কারণে ভেন্যু পরিবর্তনের কথা বলেছি। অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করে আমাদের ভারতে খেলতে বাধ্য করা যাবে না।’
মন্তব্য করুন


রেলের রানিং স্টাফদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, তাদের দাবি পূরণের বিষয়ে অর্থ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, "দাবি থাকতে পারে, কিন্তু ট্রেন বন্ধ রেখে যাত্রীদের জিম্মি করে আন্দোলন করা দুঃখজনক। এই বিষয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের হাতে কিছু নেই, যা করার তা অর্থ মন্ত্রণালয়কে করতে হবে। আলোচনা চলছে, সমাধান হবে।"
পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা থেকে সারা দেশে কর্মবিরতি পালন করছেন রেলওয়ের রানিং স্টাফরা। এতে বন্ধ হয়ে যায় সারা দেশের ট্রেন চলাচল।
মঙ্গলবার সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে সরেজমিনে দেখা যায়, যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। ব্যস্ত টিকিট কাউন্টারগুলোতে নিরবতা বিরাজ করছে। ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, রাজশাহী কিংবা কক্সবাজারগামী যাত্রীরা স্টেশনে এসে জানতে পারেন, ট্রেন চলাচল বন্ধ।
পরিবারসহ শীতে স্টেশনে অপেক্ষা করা যাত্রীরা জানান, ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার খবর আগে জানলে হয়তো আসতেন না। তবে কাউন্টারে এসে বিপাকে পড়তে হয়েছে তাদের।
মন্তব্য করুন


আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, আর্মি চিফ প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করেছেন। এ ধরনের কোনো তথ্য আমার জানা নেই। আমি দু-একটা পত্রিকায় দেখেছি। আর অনলাইনে এটা নিয়ে নানা গুজব-গুঞ্জন হয়েছে দেখেছি। এসব গুজব গুঞ্জন নিয়ে বিচলিত হওয়ার মতো কিছু নেই।
তিনি বলেন, আর্মি চিফ আমাদের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মাঝেমধ্যেই দেখা করেন। রাষ্ট্রপতির সঙ্গেও আগে দেখা করেছেন। তো আমি মনে করি না এটা নিয়ে বিচলিত হওয়ার কিছু আছে।
আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
অনেকে ভাবছে কেয়ারটেকার সরকার হবে— এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আইন উপদেষ্টা বলেন, আমি এ ধরনের কোনো সম্ভাবনার ব্যাপারে অবগত নয়।
তিনি বলেন, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এটা প্রধান উপদেষ্টা বারবার বলেছেন। নির্বাচন কমিশনকেও সেরকম ইন্সট্রাকশন দেওয়া হয়েছে। উনারা সব পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন। তার আগে কিছু বিষয়ে যে মতভিন্নতা রয়েছে মতভেদ রয়েছে, আমরা আশা করি সেটা দূর হয়ে যাবে।
নির্বাচনকালীন সরকার গঠন নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা— জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে আইন উপদেষ্টা বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের যে অবস্থান সেটা আমরা বারবার বলেছি আমরা ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যত রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ড আছে, এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে অগ্রসর হচ্ছে। এখানে পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আমাদের দেশে গত এক বছরে মাঝেমধ্যে বেশ অবনতি হয়েছে, আবার ভালো হয়েছে। একটা গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতিতে বা বিপ্লব পরবর্তী পরিস্থিতিতে সমাজে বিভিন্ন রকমের অস্থিরতা থাকে এবং এই সমস্ত অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মাঝেমধ্যে অবনতি ঘটে, সেটা যতই দুঃখজনক হোক হতাশাজনক হোক এটা অস্বাভাবিক বলে মনে করি না। আমরা এ রকম সিচুয়েশন আগে ট্যাকেল করেছি, ইনশাল্লাহ আবার ভালো হবে।
মন্তব্য করুন


বায়ুদূষণ রোধে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে-এজন্য বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে বলে জানান পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
আজ সোমবার সচিবালয়ে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে চীনের বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধির সঙ্গে মতবিনিময় শেষে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা বলেন, বায়ুদূষণ রোধে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে-এজন্য বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, দূষণ রোধে পুরনো মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়ি পর্যায়ক্রমে সড়ক থেকে তুলে নেয়া হবে। সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মিলে একসঙ্গে কাজ করবো। নতুন ২৫০টি বাস কেনার অনুমোদন পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ঢাকার আশেপাশে নো ব্রিক ফিল্ড জোন ঘোষণা করা হবে। ধূলা দূষণ কমানোর মাধ্যমে এবছর নগরবাসীকে স্বস্তি দেয়ার চেষ্টা করবো। বায়ু দূষণ কমাতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদে পরিকল্পনা করতে হবে। শীতকালের আগে (অক্টোবরের মধ্যে) ভাঙাচুরা রাস্তা সংস্কার হবে। চীনের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় করে বায়ুর মান উন্নয়নে কাজ করবে সরকার।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী লীগের সময়ের নির্বাচনকে লায়লাতুল নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলেও তাদের ভোটার অধিকার নিষিদ্ধ নয়, তাই তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন দলে ভোট দেবেন, তা কেউ বলতে পারবে না।’
শনিবার সকালে ঢাকার ধামরাই উপজেলা পরিষদে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি বিষয়ক মতবিনিময়সভায় যোগ দিয়ে তিনি এমন কথা বলেন।
উপদেষ্টা এ সময় বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো দল নেই, তাই অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করবে অন্তর্বর্তী সরকার, সেই নির্বাচনে কে জিতল কে হারল এটা তাদের দেখার বিষয় না, নির্বাচনে কোনো সরকারি কর্মকর্তারা কারো পক্ষ নিতে পারবে না।’
কেউ কোনো দলের পক্ষ নিলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে যে দলেই জিতুক না কেন সরকারি কর্মকর্তারা সেই দলের পক্ষেই কাজ করবেন, নির্বাচনে ডিসি এসপি ও ওসিরা কারো পক্ষ নিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আওয়ামী লীগ ২০১৮ সালে যে নির্বাচন করেছিল সেটা দিনের ভোট রাতে হয়েছে, সেটা ছিল লায়লাতুল নির্বাচন।
ফাওজুল কবির খান বলেন, এখন বিদ্যুৎ সংকট নেই, কারখানাগুলোতে কিছুটা গ্যাসের সংকট আছে তা ঠিক হয়ে যাবে, সব সময় সরকার বিদ্যুতের লোডশেডিং মনিটরিং করছে।
সেই সঙ্গে, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে নির্মাণ কাজ চলায় মানুষের কিছুটা দুর্ভোগ হচ্ছে। উন্নয়ন কাজে দুর্ভোগ হলে সেটা কিছুই না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
উপদেষ্টা পরে বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ফারজানা মমতাজসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, নির্বাচন কমিশন থেকে এখন পর্যন্ত নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। তবে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য অনুযায়ী নির্বাচনী প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের সংস্কারসহ বিভিন্ন সংশোধন কমিটির রিপোর্ট হাতে আসলে নির্বাচন কবে হবে তা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আগে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এএমএম নাসির উদ্দিন বলেন, বড় রাজনৈতিক দলগুলো সব সময় জাতীয় সংসদ নির্বাচন দাবি করেছে, তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কথা বলেনি। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নয়, বরং জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করা যাচ্ছে, মার্চ মাসের ২ তারিখে ভোটার তালিকা সম্পন্ন হবে এবং এরপর বিভিন্ন সংশোধন করে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হবে। আমরা একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে জাতির কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কুমিল্লায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. দুলাল তালুকদার, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের একান্ত সচিব মো. আশরাফুল আলম, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপ-প্রকল্প পরিচালক (ডাটাবেস) মেজর মো. মামুনুর রশিদ এবং কুমিল্লা অঞ্চলের জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তবে কী পরিমাণ অর্থ ফেরত আসবে সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘যারা টাকা পাচার করে তারা সব বুদ্ধি জানে, কীভাবে করতে হবে। এটা আনতে গেলে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। তবে কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। অনেক লিগ্যাল ফার্মের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির মধ্যে হয়তো কিছু আসতে পারে। বাকিটার জন্য আমরা ক্ষেত্র প্রস্তুত করছি।’
তিনি বলেন, ‘এই ফরমালিটি কোনো সরকার অ্যাভয়েড করতে পারবে না। মনে করেন, আমি বললাম টাকা দিয়ে দাও সেন্ট্রাল ব্যাংকে। সুইস ব্যাংকে বলে দিলাম টাকা দিয়ে দাও, দেবে না তো। ওটা আপনার লিগ্যাল ওয়েতে যেতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন ১১-১২টা আমরা একেবারে হাই প্রায়োরিটিতে দেখছি। আর বাকিগুলোর মধ্যে যেগুলো ২০০ কোটি টাকার বেশি তাদেরকেও ধরা হচ্ছে।’
এ সময়ও কিছু অর্থ পাচার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে- সাংবাদিকদের এমন মন্তব্যের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘আচ্ছা কিছুদিন পরে দেখি। একটা রিভিউ আমরা করছি। দেখি কতটুকু আনা যায়। আপনারা জানেন অলরেডি অ্যাসেট ফ্রিজ করা হয়েছে বাহিরের কতগুলো দেশে। কোথায় ওদের টাকা আছে, কোথায় অ্যাকাউন্ট আছে, কোন কোন দেশে ওদের পাসপোর্ট আছে সেটার তথ্যও আছে। এখন বাকি একটু কাজ করতে যতটুকু সময় লাগে।’
মন্তব্য করুন


চারদিনের সফরে চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বুধবার (২৬ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের বিশেষ একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার সফরের বিষয়ে জানা গেছে, ২৬ থেকে ২৯ মার্চ চীন সফর করবেন তিনি। ২৬ মার্চ (বুধবার) দুপুরে চীনের পাঠানো একটি উড়োজাহাজে ঢাকা থেকে রওনা হবেন।
২৭ মার্চ দেশটির হাইনান প্রদেশে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার (বিএফএ) সম্মেলনে যোগ দেবেন ড. ইউনূস। সম্মেলনের উদ্বোধনী প্লেনারি সেশনে বক্তব্য দেবেন তিনি।
এছাড়া প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের স্টেট কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রিমিয়ার দিং ঝুঝিয়াংয়ের বৈঠক হতে পারে।
২৮ মার্চ বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন ড. ইউনূস। একই দিনে হুয়াওয়ে কোম্পানির উচ্চ-প্রযুক্তিসম্পন্ন এন্টারপ্রাইজ পরিদর্শন করবেন তিনি।
২৯ মার্চ চীনের বিখ্যাত পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করবে এবং সেখানে তিনি বক্তব্য রাখবেন। পরে বেইজিং থেকে চীনের একটি বিমানে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রধান উপদেষ্টার।
প্রধান উপদেষ্টার বেইজিং সফরে ছয় থেকে আটটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি এ সফরে চারটি ঘোষণা আসতে পারে। যার মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রকল্পের অর্থায়নের জন্য বাংলাদেশকে এক থেকে দুই বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তার ঘোষণা দেবে চীন। এছাড়া মোংলা বন্দরের আধুকিয়ানে অর্থায়নের বিষয়টিও যুক্ত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, অতীতের অনেক নির্বাচনের তুলনায় এবারের নির্বাচনী মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এ নিয়ে কোনো শঙ্কা প্রকাশ করা হয়নি। প্রার্থীদের বিভিন্ন অভিযোগ কমিশনের কাছে আসছে এবং সেগুলোর ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, গত ৮ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মোট ১৪৪টি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
এ সময় ৯ লাখ ৫ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং ৯৪টি মামলা করা হয়েছে।
এনসিপি ও জামায়াতের অভিযোগ প্রসঙ্গে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, এসব অভিযোগ নির্বাচন কমিশন গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নানা ধরনের আশঙ্কা থাকতে পারে, তবে নির্বাচন কমিশনের দৃঢ় বিশ্বাস—আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ইতিহাসে অন্যতম একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ভোটারদের উদ্দেশে নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে এসে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য সবাইকে আহ্বান জানানো হচ্ছে।
ভোট ব্যবস্থাপনায় নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে এবং কাঙ্ক্ষিত সময়ের মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
এ সময় কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে কোনো তথ্য নেই বলেও স্পষ্ট করেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
মন্তব্য করুন