

ডেস্ক রিপোর্ট:
৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল পুনরায় প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোট ২১ হাজার ৩৯৭ জন প্রার্থীকে উত্তীর্ণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রথম দফায় প্রকাশিত ফলাফলে উত্তীর্ণ ১০ হাজার ৬৩৮ জন প্রার্থীর সঙ্গে নতুন করে ১০ হাজার ৭৫৯ জন প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষার জন্য সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ করা হয়েছে।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে এই ফলাফল প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রার্থীরা পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ফলাফল দেখতে পারবেন।
গত ৯ মে ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি ফলাফল প্রকাশ করা হয়, যাতে উত্তীর্ণ হন ১০ হাজার ৬৩৮ জন। পরে ১৮ নভেম্বর পিএসসির নতুন কমিশনের সদস্যরা আগে উত্তীর্ণদের সঙ্গে সমসংখ্যক প্রার্থীকে উত্তীর্ণ করে লিখিত পরীক্ষায় সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সম্ভাব্য বৈষম্য দূর করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে পিএসসি জানায়।
এদিকে, পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে ফল প্রকাশের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্টে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ২০১৪-এর বিধি ৭ এবং ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর জারি করা ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুযায়ী সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন।
ফল জানতে হলে পিএসসির ওয়েবসাইট (www.bpsc.gov.bd) এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইট (http://bpsc.teletalk.com.bd) এ প্রবেশ করতে হবে। এছাড়া, যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানা যাবে। এসএমএস পাঠানোর জন্য লিখতে হবে: PSC<Space>46<Space>Registration Number এবং পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। উদাহরণ: PSC 46 123456
এছাড়া, ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার সুনির্দিষ্ট তারিখ ও সময়সূচি পরবর্তীতে পিএসসির ওয়েবসাইট ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী লীগের সময়ের নির্বাচনকে লায়লাতুল নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলেও তাদের ভোটার অধিকার নিষিদ্ধ নয়, তাই তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন দলে ভোট দেবেন, তা কেউ বলতে পারবে না।’
শনিবার সকালে ঢাকার ধামরাই উপজেলা পরিষদে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি বিষয়ক মতবিনিময়সভায় যোগ দিয়ে তিনি এমন কথা বলেন।
উপদেষ্টা এ সময় বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো দল নেই, তাই অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করবে অন্তর্বর্তী সরকার, সেই নির্বাচনে কে জিতল কে হারল এটা তাদের দেখার বিষয় না, নির্বাচনে কোনো সরকারি কর্মকর্তারা কারো পক্ষ নিতে পারবে না।’
কেউ কোনো দলের পক্ষ নিলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে যে দলেই জিতুক না কেন সরকারি কর্মকর্তারা সেই দলের পক্ষেই কাজ করবেন, নির্বাচনে ডিসি এসপি ও ওসিরা কারো পক্ষ নিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আওয়ামী লীগ ২০১৮ সালে যে নির্বাচন করেছিল সেটা দিনের ভোট রাতে হয়েছে, সেটা ছিল লায়লাতুল নির্বাচন।
ফাওজুল কবির খান বলেন, এখন বিদ্যুৎ সংকট নেই, কারখানাগুলোতে কিছুটা গ্যাসের সংকট আছে তা ঠিক হয়ে যাবে, সব সময় সরকার বিদ্যুতের লোডশেডিং মনিটরিং করছে।
সেই সঙ্গে, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে নির্মাণ কাজ চলায় মানুষের কিছুটা দুর্ভোগ হচ্ছে। উন্নয়ন কাজে দুর্ভোগ হলে সেটা কিছুই না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
উপদেষ্টা পরে বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ফারজানা মমতাজসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শেষে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সার্ভারের পরিষেবা আবারও চালু করা হয়েছে। বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে সার্ভার চালুর কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছে ইসি।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, এখন এনআইডি সেবা পাওয়া যাচ্ছে। আজ সকাল থেকে এটি সচল হয়েছে। মাঝে মধ্যে এটির রক্ষণাবেক্ষণের দরকার পড়ে। যার কারণে সার্ভার বন্ধ করা হয়েছিল।
মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এনআইডি সার্ভারের পরিষেবা বন্ধ করা হয়। এর আগে গত ১৬ আগস্টেও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে এনআইডি সেবা বন্ধ ছিল। এছাড়া চলতি বছরে কয়েকবার এনআইডি সার্ভার সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, দেশের প্রায় ১২ কোটি নাগরিকের ব্যক্তিগত বিভিন্ন তথ্য রয়েছে এনআইডি সার্ভারে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি ও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুককে বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়েছে। তিনি ব্যক্তিগত সফরে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক যাচ্ছিলেন।
রোববার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন বিভাগের সূত্র জানায়, শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে তাকে আটক করা হয়।
সূত্রে বলা হয়, গোলাম ফারুক ব্যাংকক যাওয়ার উদ্দেশ্যে বিমানবন্দরের বহির্গমন ইমিগ্রেশন কাউন্টারে পৌঁছান। তিনি থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩৪০ নম্বর ফ্লাইটে ব্যাংকক যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইমিগ্রেশন কাউন্টারে গিয়ে ইমিগ্রেশন অফিসাররা তার সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। এর ফলে তাকে বিমানে উঠতে দেওয়া হয়নি।
ডিএমপির সাবেক এই কমিশনার বর্তমানে ইমিগ্রেশন পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। রোববার বিকাল ৫টার সময় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা বা তাকে বাড়িতে ফিরতে দেওয়া হবে কিনা, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তের তথ্য জানা যায়নি।
মন্তব্য করুন


অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, এখন সরকারি ক্রয় কমিটির বৈঠক ঘন ঘন হয়। ক্রয় কমিটির মিটিং করে অত্যাবশ্যকীয় জিনিস বা জরুরি বিষয় দ্রুত অনুমোদন দেওয়া হয়। এ সরকার মোটামুটি কর্মব্যস্ত এটা তার একটা প্রমাণ। এত ঘন ঘন মিটিং আমি আগে দেখিনি।
তিনি আরও বলেন, বাজারে আলুর দাম বেড়েছে, তবে অন্য কিছু পণ্যের দাম কমেছে। দাম বাড়ানোর বিষয়টি সবাই বলে, কিন্তু দাম কমানোর বিষয়ে অনেকেই কথা বলে না। বাজারের পরিস্থিতি এমন যে, এক পণ্যের দাম বাড়বে, অন্যটির দাম কমবে।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
তিনি বলেন, দ্রুত প্রসেস করে যে পণ্যগুলো কিনতে হবে, সেগুলো অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। আজকে বিভিন্ন ধরনের সার, এলএনজি, মসুর ডাল এবং সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অর্থ উপদেষ্টা আরো বলেন, কিছু মানুষের মধ্যে একটি ভুল ধারণা রয়েছে, যা গতকাল বাণিজ্য উপদেষ্টা পরিষ্কার করেছেন। ৩০-৪০ বছরে সয়াবিন তেলের দাম এতটা বেড়েছে, যা আগে কখনো হয়নি। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে নবম ও দশম শ্রেণির পাঠ্যবই মুদ্রণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জেনারেল এডুকেশন ও মাদরাসার বইয়ের জন্য দ্রুত কাজ শুরু করা হয়েছে। জানুয়ারির মধ্যে এসব বই মুদ্রণ করা হবে, তবে সব বই জানুয়ারির মধ্যে প্রস্তুত হবে না।
শিক্ষার্থীরা ১ জানুয়ারি পাঠ্যবই পাবে কিনা, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আজ যেগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর জন্য কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রেসগুলো খুব ব্যস্ত রয়েছে এবং তারা চেষ্টা করছে দ্রুত কাজ শেষ করতে।
এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, বাজারে আমাদের পদক্ষেপের কিছু প্রভাব অবশ্যই পড়ছে, তবে আপনি শুধু আলুর দাম বাড়ছে বলছেন, কিন্তু অন্যান্য পণ্যের দাম সাশ্রয়ী হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাজারে এক হাজার টাকা নিয়ে গেলে কিছু পণ্যের দাম বেশি হবে, আবার কিছু পণ্যের দাম কম হবে। সব পণ্যের দাম কমানো খুবই কঠিন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনের পরিবেশ ভালো আছে জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, পরিবেশ ভালো আছে। আমরা বিশ্বাস করি, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারব।
সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবন চত্বরে আপিল জমা দেওয়ার বুথ পরির্দশন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন সিইসি। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধদের আপিল জমা দেওয়ার জন্য সেখানে ১০টি বুথ করা হয়েছে।
এদিকে গতকাল রবিবার ছিল মনোনয়ন বাছাইয়ের শেষ দিন। এবার বাছাইয়ে ৩০০ আসনের মধ্যে ৭২৩ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল কার্যক্রম চলছে।
প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলে ৭টি নির্দেশনা মানতে হবে
১. আপিল আবেদন কমিশনকে সম্বোধন করে স্মারকলিপি আকারে (নির্ধারিত ফরমেটে) দায়ের করতে হবে;
২. আপিল দায়েরকালে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ সংবলিত বিবৃতি এবং মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণ আদেশের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে;
৩. আপিল আবেদনের ১টি মূল কপিসহ সর্বমোট সাতটি কপি দাখিল করতে হবে;
৪. আপিল আবেদন ইসির আপিল আবেদন গ্রহণ সংক্রান্ত কেন্দ্রে স্ব স্ব অঞ্চলের নির্ধারিত বুথে জমা দিতে হবে;
৫. আপিল আবেদন ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে দায়ের করতে হবে;
৬. আপিল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা রায়ের কপির জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন দাখিল করতে হবে।
ফরমের নমুনা নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ থেকে সংগ্রহ করা যাবে এবং
৭. আপিল দায়েরকারী অথবা আপিল দায়েরকারী পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি আপিলের রায়ের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।
আপিল দায়ের করতে নির্বাচন ভবন চত্বরে দশটি অঞ্চলের জেলার জন্য ১০টি বুথ রয়েছে
১নং বুথে খুলনা অঞ্চলের জেলা সমূহ: মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা।
২নং বুথে রাজশাহী অঞ্চলের জেলা সমূহ: জয়পুরহাট, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা।
৩নং বুথে রংপুর অঞ্চলের জেলা সমূহ: পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা।
৪নং বুথে চট্টগ্রাম অঞ্চলের জেলা সমূহ: চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি এবং বান্দরবান।
৫নং বুথে কুমিল্লা অঞ্চলের জেলা সমূহ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী এবং লক্ষ্মীপুর।
৬নং বুথে সিলেট অঞ্চলের জেলা সমূহ: সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ।
৭নং বুথে ঢাকা অঞ্চলের জেলা সমূহ: টাংগাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ।
৮নং বুথে ময়মনসিংহ অঞ্চলের জেলা সমূহ: জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা।
৯নং বুথে বরিশাল অঞ্চলের জেলা সমূহ: বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর।
১০নং বুথে ফরিদপুর অঞ্চলের জেলা সমূহ: রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর এবং শরীয়তপুর জেলার মনোনয়নপত্র বাতিল ও গ্রহণ আদেশের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল দায়ের করা যাবে।
মন্তব্য করুন


ঢাকায় পৌঁছেছে জুলাই জজবার প্রাণ, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার অকুতোভয় বীর শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তার মরদেহ বহনকারী বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৩৮৫ ফ্লাইটটি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এর আগে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৩ মিনিটে সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে জানানো হয়, শহীদ ওসমান হাদিকে বহনকারী বিমানটি সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।
আমাদের জুলাই জজবার প্রাণ, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার অকুতোভয় বীরকে নিতে সবাই এয়ারপোর্ট থেকে শাহবাগগামী রাস্তার দুপাশে সুশৃঙ্খলভাবে অবস্থান নেবো। সেখান থেকে শহীদ ওসমান হাদিকে সর্বসাধারণের সাক্ষাতের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আনা হবে।
গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনে নির্বাচনি প্রচারণার সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মাথায় গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) নেওয়া হয়, যেখানে প্রাথমিক অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়।
সেখানে তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর অপব্যবহার একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি একে আধুনিক হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি অস্ত্রের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে।
শনিবার (২৬ জুলাই) সকালে খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, আগামী নির্বাচনে কমিশনের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং তাদের কেন্দ্রে নিয়ে আসা। বিশেষ করে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাটাও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে কমিশন।
এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা বা জালিয়াতির সুযোগ যাতে তৈরি না হয়, সে বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে সিইসি বলেন, নির্বাচনের আগে সন্ত্রাস দমন এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চলবে। আমরা চাই স্বচ্ছ নির্বাচন। রাতের আঁধারে কোনো কার্যক্রম নয়, দিনের আলোতেই সব কিছু করতে চাই। যাতে করে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়। আমরা জাতিকে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে চাই। তা না পারলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠবে।
সভায় খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, সিনিয়র জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি হিসেবে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারও পক্ষে অন্যায় বা বেআইনিভাবে নির্দেশনা দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
নির্বাচনী কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি জানান, নির্বাচনে আমাদের নির্দেশনা হবে সম্পূর্ণ আইনের বিধি মোতাবেক। বেআইনি নির্দেশনা, কারও পক্ষে কাজ করার নির্দেশনা দেবো না। সঠিক কাজটি, সঠিকভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেবো।
শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় মিলনায়তনে ‘নির্বাচন কর্মকর্তা সম্মেলন-২০২৫’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, আমাদের ওপর আস্থা আছে বলেই প্রধান উপদেষ্টা বারবার বলছেন- ঐতিহাসিক নির্বাচন করবো। আমরা অনুরাগ, বিরাগের বশবর্তী না হয়ে, আইন মেনে কাজ করবো।
কারাবন্দি ও সরকারি কর্মকর্তাদের ভোটে আনার (ভোটাধিকার প্রয়োগের) কথা ভাবছেন জানিয়ে সিইসি বলেন, এবারের নির্বাচন বিশেষ পরিস্থিতিতে হচ্ছে। তাই আমাদের বিশেষভাবে এটা মোকাবিলা করতে হবে। বিশেষভাবে এটাকে ফেইস করতে হবে। যারা বিদেশে আছেন তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবো। যারা জেলখানায় আছেন, যারা সরকারি কর্মকর্তা তাদের ভোটে আনার কথা ভাবছি। এই কাজগুলো নতুন। আমরা একসঙ্গে অনেক কাজ নিয়ে ফেললাম।
নির্বাচনী কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা যে শপথ করেছি সেটা আপনাদের কাছে ছড়িয়ে দিলাম। আমরা আমাদের শপথ রক্ষা করতে পারবো যদি আপনারা সঠিকভাবে কাজ করেন। দায়িত্ব আপনাদের কাছে দিয়ে দিলাম। আমাদের মাসুদ সাহেব (নির্বাচন কমিশনার) শপথের কথা বলেছেন, এখানে কোরআনের আয়াত আলোচনা হয়েছে। আমি অত বিস্তারিত আর যাবো না। আমরা শপথ নিয়েছি পাঁচজন। শপথ নিয়েছি, কিসের শপথ? একটা সঠিক নির্বাচনের শপথ।
সিইসি আরও বলেন, আমি কিন্তু গত বছরের ২ মার্চ পহেলা রমজানে আপনাদের শপথ করিয়েছিলাম। আপনারা কিন্তু ওয়াদা করেছিলেন যে নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন এবং প্রফেশনালি কাজ করবেন, আইন মেনে কাজ করবেন। আমাদের ব্রিগেডিয়ার ফজল সাহেব (নির্বাচন কমিশনরা) বলেছেন যে আমরা কোনো রকমের কোনো অন্যায় ইন্সট্রাকশন এখান থেকে দেবো না। আমরা কিন্তু বেআইনি কোনো ইন্সট্রাকশন দেবো না। আমরা কাউকে ফেভার করার জন্য ইন্সট্রাকশন দেবো না। আমরা কারও পক্ষে কাজ করার জন্য ইন্সট্রাকশন দেবো না। আমাদের ইন্সট্রাকশন হবে সম্পূর্ণ আইনের বিধি মোতাবেক। আইন মোতাবেক, সঠিক কাজটি সঠিকভাবে করার নির্দেশনা আমরা দেবো। সঠিকভাবে আপনারা কাজ করবেন এটা নিশ্চিত করতে হবে। আপনারা কাজটা সঠিকভাবে করছেন এটা শুধু আপনাদের জন্য না, এটা দেশের জন্য করতে হবে।
নিরপেক্ষভাবে কাজ করার জন্য এ সময় সিইসি কর্মকর্তাদের হাত তুলে আল্লাহকে সাক্ষী রেখে শপথ করতে বলেন। কর্মকর্তারা হাত তুলে সে শপথ করেন।
এ এম এম নাসির উদ্দিন আরও বলেন, কাজ আদায় করা ডিফিকাল্ট- এখন এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছি। আমরা অনেক চ্যালেঞ্জ নিচ্ছি, যার কিছু অদৃশ্য। আমি পজিটিভ মানুষ, নেগেটিভ কিছু দেখতে চাই না।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিনা আহমেদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, নির্বাচন কমিশন থেকে এখন পর্যন্ত নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। তবে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য অনুযায়ী নির্বাচনী প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের সংস্কারসহ বিভিন্ন সংশোধন কমিটির রিপোর্ট হাতে আসলে নির্বাচন কবে হবে তা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আগে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এএমএম নাসির উদ্দিন বলেন, বড় রাজনৈতিক দলগুলো সব সময় জাতীয় সংসদ নির্বাচন দাবি করেছে, তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কথা বলেনি। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নয়, বরং জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করা যাচ্ছে, মার্চ মাসের ২ তারিখে ভোটার তালিকা সম্পন্ন হবে এবং এরপর বিভিন্ন সংশোধন করে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হবে। আমরা একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে জাতির কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কুমিল্লায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. দুলাল তালুকদার, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের একান্ত সচিব মো. আশরাফুল আলম, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপ-প্রকল্প পরিচালক (ডাটাবেস) মেজর মো. মামুনুর রশিদ এবং কুমিল্লা অঞ্চলের জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী বা মুজিববর্ষ উদযাপনের জন্য যে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, তা বাতিল করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
বুধবার (২০ নভেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকের বরাত দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য জানায়।
জানা গেছে, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে মুজিববর্ষ পালনের বিষয়টি আলোচনা হয়। সেখানে মুজিববর্ষ উদযাপনের জন্য ২০১৮-১৯, ২০১৯-২০, ২০২০-২১, ২০২১-২২, ২০২২-২৩ এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ এবং আওতাধীন দপ্তর/সংস্থা, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় সংসদ, বাংলাদেশে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মোট এক হাজার ২৬১ কোটি পাঁচ লাখ টাকা ব্যয় সম্পর্কে উপদেষ্টা পরিষদ অবহিত হন।
বৈঠকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মুজিববর্ষ উদযাপনের জন্য বরাদ্দকৃত বাজেট বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন