৪ দিনের রিমান্ডে কামরুল ও সোলায়মান

৪ দিনের রিমান্ডে কামরুল ও সোলায়মান
ছবি: সংগৃহীত

পল্টন মডেল থানার যুবদল নেতা শামীম হত্যা মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও সাবেক সংসদ সদস্য সোলায়মান সেলিমকে চার দিনের এবং পল্টন মডেল থানার বিএনপি কর্মী মকবুল হত্যা মামলায় এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান নজিবুর রহমানকে তিন দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।


এছাড়া, রাজধানীর বিভিন্ন থানার মামলায় সালমান এফ রহমান, গোলাম কিবরিয়া টিপু, কামাল আহমেদ মজুমদার, চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু ও মোজাম্মেল হককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।


বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে আসামিদের হাজির করা হয়। শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শরিফুর রহমান এসব আদেশ দেন।


আদালতে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, "আমি এই এলাকার সংসদ সদস্য ছিলাম না। আমাকে এই হত্যার মাস্টারমাইন্ড বলা অমূলক। ২০১৭ সাল থেকে আমি ক্যান্সার আক্রান্ত। আমার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করার অনুরোধ করছি।"


নিউমার্কেট থানার হত্যা মামলায় সালমান এফ রহমানকে, হাতিরঝিল থানার মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপুকে, মিরপুর, কাফরুল ও রামপুরা থানার পৃথক তিন মামলায় কামাল আহমেদ মজুমদারকে, মিরপুর মডেল থানার মামলায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে এবং দুটি মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাহবুব আলীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


এছাড়া মতিঝিল মডেল থানার মামলায় রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু ও মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা
ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা



চট্টগ্রামে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ থাকা সত্ত্বেও তেল বিক্রি বন্ধ রাখা এবং কম মাপে তেল দেওয়ার অভিযোগে একটি পেট্রোল পাম্পকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে টোল রোড এলাকায় অবস্থিত আনোয়ারা জাকারিয়া ফিলিং স্টেশনে জেলা প্রশাসন, বিএসটিআই, বিপিসি ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে অভিযান চালানো হয়। পরে বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পাম্পটিকে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করে।

অভিযানে দেখা যায়, পাম্পটিতে ১৩ হাজার ৯৬০ লিটার ডিজেল ও ১ হাজার ২৫৩ লিটার অকটেন মজুদ ছিল। তবে পাম্প কর্তৃপক্ষ তেল নেই বলে বিক্রি বন্ধ রেখেছিল। স্টোরেজ ট্যাংক, গোপন স্টোররুম এবং স্টক রেজিস্টার যাচাই করে এ তথ্য নিশ্চিত হয়।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মামুন মোস্তফা জানান, অভিযানের শুরুতে পাম্পটির প্রবেশপথ বন্ধ পাওয়া যায় এবং ভেতরে কোনো তেল বিক্রি হচ্ছিল না। পরে সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে পরিমাপ করে দেখা যায়, বিক্রয়ের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি থাকা সত্ত্বেও তা সরবরাহ করা হচ্ছিল না। এ অপরাধে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া ওজন ও পরিমাপ দণ্ড আইনে ডিজেল কম দেওয়ার প্রমাণ পাওয়ায় আরও ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ফলে মোট জরিমানার পরিমাণ দাঁড়ায় এক লাখ টাকা।

মেঘনা পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের সেলস অফিসার শাহরিয়ার কবির জানান, আগের মাসের তুলনায় বর্তমানে জ্বালানির চাহিদা বেড়েছে। প্রতিদিন প্রায় ১৮ হাজার লিটার চাহিদা থাকলেও সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৯ হাজার লিটার। এ কারণে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিতরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভোক্তাদের ন্যায্য প্রাপ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

ভূমিদস্যুদের ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ভূমিদস্যুদের ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত



যারা খাল বা ভূমি দখল করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। 


তিনি বলেন, ভূমিদস্যুরা দেশ ও সমাজের শত্রু। তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।


আজ মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া ঝাউবাড়ি এলাকায় শুভাঢ্যা খাল খনন ও সুরক্ষা কাজের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।


তিনি বলেন, একসময় এই খালটি সচল এবং প্রবাহমান ছিল। কিন্তু ভূমিদস্যুরা দখল করে এটিকে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করেছে। আর কিছুদিন গেলে এই খালটি ফিরে পাওয়া যেত না। ভূমিদস্যুরা এটিকে রাস্তায় পরিণত করত।


জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, যে খাল দিয়ে মানুষ যাতায়াত করত এবং বুড়িগঙ্গা থেকে ধলেশ্বরী নদী পর্যন্ত পানি প্রবাহিত হতো, সেই খালটিকে আজ ভূমিদস্যুরা দখল ও দূষণ করে সর্বনাশ করেছে। যারা এই নির্দেশনা মানবে না, তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

জাতীয় অগ্রগতির সুযোগ নষ্ট হলে পিছিয়ে যাবে বাংলাদেশ: ড. ইউনূস

জাতীয় অগ্রগতির সুযোগ নষ্ট হলে পিছিয়ে যাবে বাংলাদেশ: ড. ইউনূস
ইউনূসের ছবি

ডেস্ক রিপোর্ট:

জাতি গঠনের যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, তা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজে লাগানো না গেলে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ রবিবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে নৌ ও বিমান বাহিনীর নির্বাচনী পর্ষদ গঠনের অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, "জাতি গঠনে আমাদের যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে নিতে হবে। এই সুযোগ নষ্ট হলে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে যাবে। দেশের স্বার্থে সবাইকে বিভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাই।”

অনুষ্ঠানে নৌ ও বিমান বাহিনীর নির্বাচনী পর্ষদ গঠন করা হয়। জাতির উন্নয়ন যাত্রায় নৌ ও বিমান বাহিনী বরাবরের মতোই দক্ষতার সঙ্গে জনগণের পাশে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “বিগত সময়ে যেমন সবার সহযোগিতা পেয়েছে, ভবিষ্যতেও জনগণ তা পাবে বলে আশা করি।” এবারের পরিচালনা পর্ষদকে দক্ষ নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে ড. ইউনূস বলেন, "সম্প্রতি নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও আপনারা যেভাবে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছেন, তা প্রকৃতপক্ষে পেশাদারিত্বের প্রমাণ। ভবিষ্যতেও এ ধারা বজায় থাকবে বলে আমি দৃঢ় বিশ্বাস রাখি।”

অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান। ব্যস্ত সময়ের মধ্যেও নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধনে উপস্থিত থাকার জন্য নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানেরা প্রধান উপদেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

"নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৪" এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, এবং প্রতিরক্ষা সচিবও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান উপদেষ্টা নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোকচিত্রে অংশ নেন এবং পরিদর্শন বইয়ে তাঁর মূল্যবান মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন। পরে তিনি বিমান বাহিনী সদর দপ্তরের প্রাঙ্গণে একটি ফলজ বৃক্ষের চারা রোপণ করেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

নির্বাচন ঘিরে ৯ দিনের বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন ঘিরে ৯ দিনের বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত



স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে ৯ দিনের জন্য বিশেষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী মাঠে নামবে। এর মধ্যে নির্বাচনের আগে পাঁচ দিন, নির্বাচনের একদিন এবং নির্বাচনের পরে তিন দিন কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে। তবে দেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী এই সময়সীমা সমন্বয় করা হতে পারে।


শনিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুর ২টায় পটুয়াখালী সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।


তিনি আরও বলেন, এখন মাঠে আছেন সেনাবাহিনীর ৩০ হাজার সদস্য। নির্বাচনের সময় প্রায় এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন থাকবেন। বিজিবির সদস্য থাকবেন প্রায় ৩৫ হাজার, নৌবাহিনী পাঁচ হাজার, কোস্টগার্ড চার হাজার, র‌্যাব প্রায় আট হাজার এবং আনসার বাহিনীর সদস্য থাকবেন সাড়ে পাঁচ লাখের মতো। নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় আনসার এবার বড় ভূমিকা পালন করবে। তাদের জন্য অস্ত্র এবং বডি ক্যামেরাও সরবরাহ করা হবে।


নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সন্দেহের সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচন খুবই শান্তিপূর্ণভাবে হবে, এ নিয়ে সন্দেহের কিছু নেই।


সরকার পরিবর্তনের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমাদের দেশে যে সরকার পতন হয়েছে তা কোনো তিনজনের কারণে হয়নি। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের কারণেই সরকার পতন ঘটেছে। আপনারা দেখেছেন, কীভাবে তারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, তাদের আত্মীয়স্বজনরা পালিয়েছে। এটি একজন বা দুজনের কারণে হয়নি, হয়েছে জনগণের ইচ্ছার কারণে।


মতবিনিময় শেষে তিনি পটুয়াখালী পুলিশ লাইন্স ও কোস্টগার্ড স্টেশন পরিদর্শন করেন। পরে কুয়াকাটার উদ্দেশে যাত্রা করেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

প্রতিটি কন্যার স্বপ্ন পূরণে আমরা রাষ্ট্রকে অংশীদার বানাবো: তারেক রহমান

প্রতিটি কন্যার স্বপ্ন পূরণে আমরা রাষ্ট্রকে অংশীদার বানাবো: তারেক রহমান
ছবি: সংগৃহীত



বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিটি কন্যাশিশুর স্বপ্ন পূরণের পথে আমরা রাষ্ট্রকে তার অংশীদার বানাব, বাধা নয়। বাংলাদেশের জন্য আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি এমন, যেখানে প্রতিটি মেয়ের একই স্বাধীনতা, সুযোগ এবং সুরক্ষা থাকবে। যা যেকোনো পিতা-মাতা তাদের নিজের সন্তানের জন্য কামনা করেন।


শনিবার আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।


প্রতি বছর ১১ অক্টোবর পালিত হয় আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। দিনটি বিশ্বজুড়ে কন্যাশিশুদের অধিকার, স্বপ্ন ও নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে উদ্‌যাপিত হয়। জাতিসংঘের নির্ধারিত ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসের মূল প্রতিপাদ্য হলো, ‘দ্য গার্ল আইএম, দ্য চেঞ্জ আই লিড : গার্ল অন দ্য ফ্রন্টলাইন অব ক্রাইসিস।’ 


আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে তারেক রহমানের দেওয়া স্ট্যাটাসটি নিচে তুলে ধরা হলো।


আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসে আসুন, আমরা প্রতিটি মেয়ের স্বপ্ন দেখার, শেখার, নেতৃত্ব দেওয়ার, মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার উদযাপন করি। একজন কন্যার বাবা হিসেবে আমি জানি যে, মেয়েদের ক্ষমতায়ন শুধু নীতি নয়- এটি ব্যক্তিগত। বাংলাদেশের জন্য আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি এমন, যেখানে প্রতিটি মেয়ের একই স্বাধীনতা, সুযোগ এবং সুরক্ষা থাকবে। যা যেকোনো পিতা-মাতা তাদের নিজের সন্তানের জন্য কামনা করেন।


বিএনপি সরকারের রয়েছে জীবন পরিবর্তনের এক ঐতিহ্য এবং সুযোগ পেলে আমরা আরো বেশি কিছু করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা দেখেছি কিভাবে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধিকে একটি শিল্পের চেয়েও বেশি কিছুতে পরিণত করেছিলেন। এটি আশায় পরিণত হয়েছিল। লাখ লাখ নারী কাজে প্রবেশ করেছিলেন। আয়, সম্মান এবং স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন।


তার নেতৃত্বে, বাংলাদেশজুড়ে মেয়েশিশু এবং নারীদের জীবনের উন্নতিকে প্রতিষ্ঠিত করার একক উদ্দেশ্য নিয়ে ‘মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ তৈরি করা হয়েছিল।


প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে মেয়েদের শিক্ষা বিশেষ সুবিধা নয়, বরং একটি অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা বিনা মূল্যে ঘোষণা করা হয়েছিল এবং ‘শিক্ষার জন্য খাদ্য, শিক্ষার জন্য নগদ’ কর্মসূচি লাখ লাখ মেয়েকে স্কুলে পাঠাতে সাহায্য করেছিল, পারিবারিক ভাগ্য পরিবর্তন করেছিল, শক্তিশালী সম্প্রদায় গড়ে তুলেছিল, ক্ষমতায়িত নারীদের একটি প্রজন্ম তৈরি করেছিল।


তার পথপ্রদর্শক উদ্যোগ ‘ফিমেল সেকেন্ডারি স্কুল অ্যাসিস্ট্যান্স প্রজেক্ট’ আমাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মাধ্যমিক শিক্ষায় নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠা করে এবং বাল্যবিবাহের হার কমিয়ে আনে। এই প্রকল্প পরবর্তী সময়ে কন্যাশিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নের এক বৈশ্বিক আদর্শে পরিণত হয়, যা অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশেও অনুসরণ করা হয়েছে। এই সাহসী পদক্ষেপগুলো দেখায়, যা প্রমাণ করে যে যখন প্রশাসন মেয়েদের মর্যাদাকে সম্মান করে এবং তাদের ভবিষ্যতে বিনিয়োগ করে তখন কী সম্ভব। এগুলো সাহসী পদক্ষেপের দৃষ্টান্ত, যা প্রমাণ করে- যখন কোনো সরকার কন্যাশিশুদের মর্যাদা রক্ষা করে এবং তাদের ভবিষ্যতে বিনিয়োগ করে, তখন কত কিছুই সম্ভব হয়ে ওঠে।


বিএনপির ভবিষ্যৎ নীতিমালা সম্মান এবং বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে, যার মাধ্যমে:


১. নারী পরিবারের প্রধানদের নামে ‘পরিবার কার্ড’- প্রতিটি পরিবারের প্রধানকে সরাসরি সাহায্য এবং সহায়তা পৌঁছানো নিশ্চিত করা।


২. নারী উদ্যোক্তাদের জন্য এসএমই ঋণ, ব্যাবসায়িক প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা- কারণ অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা কোনো আপসের বিষয় নয়।


৩. মেয়েদের জন্য শক্তিশালী শিক্ষাগত এবং বৃত্তিমূলক সুযোগ- যাতে প্রতিটি মেয়ে, গ্রামে হোক বা শহরে, দক্ষতা অর্জন করতে পারে এবং ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে।


৪. নারীরা সিদ্ধান্ত গ্রহণের টেবিলে- রাজনীতি, শাসন ও নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি। একটি নিরাপদ জাতি এ থেকে কম আশা করতে পারে না।


৫. মর্যাদা এবং স্বাধীনতার সুরক্ষা - মেয়েদের চলাফেরা, কথা বলতে, ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করতে, ভয় ছাড়াই বাঁচতে সক্ষম করা।


৬. পরিবার ও সামাজিক কল্যাণকে মূলনীতি হিসেবে-স্বাস্থ্য, গ্রামীণ ক্ষমতায়ন, সবার জন্য কর্মসংস্থান, বিশেষভাবে নারী ও কন্যাশিশুর ওপর কেন্দ্রিত।


আমরা খালি বাক্যবুলিতে কথা বলি না। আমরা বিশ্বাস এবং অভিজ্ঞতার সঙ্গে, নির্ধারিত লক্ষ্য নিয়ে কথা বলি। প্রতিটি কন্যাশিশুর স্বপ্ন পূরণের পথে আমরা রাষ্ট্রকে তার অংশীদার বানাবো, বাধা নয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

বাবা সিদ্দিককে হত্যা নিয়ে তোলপাড়, দায় স্বীকার করেছে লরেন্স বিষ্ণুই গ্যাংয়ের

বাবা সিদ্দিককে হত্যা নিয়ে তোলপাড়, দায় স্বীকার করেছে  লরেন্স বিষ্ণুই গ্যাংয়ের
বাবা সিদ্দিক,


ডেস্ক রিপোর্ট:

মুম্বইয়ে নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে মহারাষ্ট্রের বিধায়ক ও সাবেক মন্ত্রী বাবা সিদ্দিককে। তার এই মৃত্যুকে ঘিরে ভারতে তোলপাড় চলছে। সব মিডিয়ায় সংবাদ শিরোনাম হয়েছে এ ঘটনা। লোকমুখে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ সব কাহিনী। কারণ, বাবা সিদ্দিক একজন নামকরা রাজনীতিক ছিলেন। হত্যাকাণ্ডে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন হরিয়ানার গুরমাইল বলজিত সিং (২৩) এবং উত্তর প্রদেশের ধর্মরাজ কাশ্যপ (১৯)। তৃতীয় জন উত্তরপ্রদেশের শিব কুমার গৌতম হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে চতুর্থ একজন এই ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করেছেন বলে মনে করা হয়। তিনি পলাতক রয়েছেন। তবে  লরেন্স বিষ্ণুই শনিবার রাতের হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা হিসেবে মনে করা হচ্ছে। তাকে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে। বলা হচ্ছে, তিনি একটি কুখ্যাত গ্যাংয়ের সদস্য। এই গ্যাংয়ের নাম লরেন্স বিষ্ণুই। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। অভিযোগ আছে লরেন্স বিষ্ণুই পাঞ্জাবের খালিস্তানপন্থি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। এই গ্যাংয়ে অস্ত্র চালাতে দক্ষ এমন সদস্য আছে ৭০০।

কে এই লরেন্স বিষ্ণুই: লরেন্স বিষ্ণুইয়ের জন্ম ১৯৯৩ সালে ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যে। ২০১০ সাল পর্যন্ত তাঁর জীবন কেটেছে রাজ্যের আবোহার শহরে। এরপর তিনি ডিএভি কলেজে ভর্তি হতে চণ্ডিগড়ে পাড়ি জমান। ২০১১ সালে যোগ দেন পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস স্টুডেন্টস কাউন্সিলে। সেখানে তার পরিচয় হয় ‘গ্যাংস্টার’ গোল্ডি ব্রারের সঙ্গে। এরপর ধীরে ধীরে অপরাধে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বিষ্ণুইয়ের বিরুদ্ধে দুই ডজনের বেশি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। রয়েছে হত্যা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ। যদিও এসব অভিযোগের কোনোটাই স্বীকার করেননি তিনি। গ্যাংয়ের সদস্যদের মাধ্যমে কারাগারে বসেও বাইরের অপরাধজগৎ নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি। ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে চণ্ডিগড়ে অপরাধ কর্মকাণ্ড শুরু করেন বিষ্ণুই। ২০১৩ সাল নাগাদ তিনি ত্রাস সৃষ্টিকারী এক চরিত্রে পরিণত হন। কয়েকটি হত্যার সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে পড়ে। পরে তার গ্যাং মদ বেচাকেনা ও অস্ত্র চোরাচালানে অর্থ লগ্নি  শুরু করে। হত্যাকারীসহ ভয়ংকর সব অপরাধীদেরও আশ্রয় ও সুরক্ষা দিয়ে আসছে তারা। লরেন্স বিষ্ণুইয়ের নাম নতুন করে সামনে আসে ২০২২ সালে। সে বছরের ২৯ মে পাঞ্জাবের গায়ক সিধু মুসওয়ালাকে হত্যা করা হয়।

কারাগারে বিষ্ণুই: ২০১৪ সালে রাজস্থান পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ হয় লরেন্স বিষ্ণুইয়ের। এরপর তিনি কারাবন্দী হন। সেখান থেকেই আরও সংঘবদ্ধভাবে অপরাধজগৎ নিয়ন্ত্রণ করছেন তিনি। কারাগারে থাকাকালে জস্বিন্দর সিং ওরফে রকি নামের আরেক অপরাধীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে তার। ২০১৬ সালে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন রকি। বন্দী অবস্থায়ও লরেন্স বিষ্ণুইয়ের প্রভাব-প্রতিপত্তি বেড়েই চলেছিল। রাজস্থানের ভারতপুর জেলায় যে কারাগারে তিনি বন্দী ছিলেন, সেখানকার কর্মকর্তাদের হাত করে নানা কার্যসিদ্ধি করতেন। ২০২১ সালে তাকে সেখান থেকে দিল্লির তিহার কারাগারে সরিয়ে নেওয়া হয়। এই কারাগারের কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, আইপি কলের মাধ্যমে গ্যাংয়ের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন বিষ্ণুই। এ ছাড়া ২০২৩ সালে ভারতের ডানপন্থী নেতা সুখদেব সিং গোগামেদিকে জয়পুরে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সুখদেবের সঙ্গে অস্ত্রধারী একজন চা পান করছেন। তিনিই গুলি চালান। পরে বিষ্ণুইয়ের গ্যাংয়ের সদস্য রোহিত গোদারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে সুখদেবকে হত্যার দায় স্বীকার করেন। ২০১৮ সালে বলিউড তারকা সালমান খানকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে বিষ্ণুই গ্যাং। সে বছর মুম্বইয়ে সালমানের বাসায় হানা দেন সাম্পাথ নাথ নামে বিষ্ণুই গ্যাংয়ের এক সদস্য। তিনি দাবি করেন, কালো হরিণ শিকারের কারণে সালমানকে হত্যার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তার ওপর। বিরল প্রজাতির এই হরিণকে বিষ্ণুই সম্প্রদায়ের মানুষ অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করে। সালমান খানকে সরাসরি হত্যার হুমকিও দিয়েছিলেন লরেন্স বিষ্ণুই। ভারতের যোধপুরে আদালতে এক শুনানি চলাকালে তিনি বলেছিলেন, ‘সালমান খানকে এই যোধপুরেই হত্যা করা হবে। তারপর তিনি আমাদের সত্যিকারের পরিচয় জানতে পারবেন।’

এরপর ২০২৩ সালের ১৪ এপ্রিল মুম্বইয়ের বান্দ্রায় সালমান খানের বাসার বাইরে গুলি চালানো হয়। এই এলাকাতেই শনিবার হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বাবা সিদ্দিক। সালমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতাও ছিল তার। সালমানের বাসার বাইরে গুলির পর সে সময় পুলিশ জানিয়েছিল, এ কাজের জন্য দু’জনকে ভাড়া করেছিল বিষ্ণুই গ্যাং।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

ভারত বা ফ্যাসিস্টদের ইন্ধনে খাগড়াছড়িতে অস্থিরতা হচ্ছে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ভারত বা ফ্যাসিস্টদের ইন্ধনে খাগড়াছড়িতে অস্থিরতা হচ্ছে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত



একটি মহল খাগড়াছড়ি পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, একটি মহল শান্তিপূর্ণভাবে যাতে দুর্গাপূজা না হয়, সেই চেষ্টা চালাচ্ছে। এই মহলই খাগড়াছড়িতে এসব করছে। ভারত বা ফ্যাসিস্টদের ইন্ধনে এই ঘটনা ঘটছে। এই ঘটনা যাতে না ঘটে, সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


সোমবার রাজধানীর রমনায় ডিএমপির পাঁচটি থানার ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দাবি, দেশে দুর্গাপূজা যেন উৎসবমুখর না হয়, সে জন্যই খাগড়াছড়িতে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে।


তিনি বলেন, খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য অঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে আটকা পড়া পর্যটকদের বেশির ভাগকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। খাগড়াছড়ি পরিস্থিতি এখন সন্তোষজনক।


দেশে ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা শুরু হয়েছে। এই উৎসবের সময় কেউ যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে এবং পূজা যেন নির্বিঘ্নে আয়োজিত হয়, এ জন্য সবাইকে সহায়তা করার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

আবারও বাড়ল সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব দাখিলের সময়

আবারও বাড়ল সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব দাখিলের সময়
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি কর্মচারীদের সম্পদ বিবরণী দাখিলের সময়সীমা আরও এক দফা বাড়িয়ে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারি কর্মচারীদের সম্পদ বিবরণীর তথ্য সিলগালাকৃত খামে কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করার সময়সীমা ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।


জানা গেছে, নতুন সরকার গঠনের পর সরকারি প্রায় ১৫ লাখ কর্মচারীর সম্পদের হিসাব জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়। প্রথম দফায় ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এই হিসাব জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে তা বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর করা হয়। এবার আরও এক দফা সময় বাড়ানো হলো।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

শুল্কচুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে ওয়াশিংটনে বাণিজ্য উপদেষ্টা

শুল্কচুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে ওয়াশিংটনে বাণিজ্য উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত



মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ার পর, এই সংকট মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিনের নেতৃত্বে দলটি বর্তমানে ওয়াশিংটনে অবস্থান করছে।


প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম আজ মঙ্গলবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জানান, 'বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন বর্তমানে ওয়াশিংটনে অবস্থান করছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুল্কবিষয়ক আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানও এই প্রতিনিধিদলের সদস্য।'


শফিকুল আলম আরও জানান, 'প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে জানান, আগামী ১ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হবে।'


উল্লেখ্য, ট্রাম্পের ঘোষণায় শুধু বাংলাদেশ নয়, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মিয়ানমার, লাওস, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, সার্বিয়া, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, মালয়েশিয়া ও তিউনিসিয়ার পণ্য রপ্তানির ওপরও বিভিন্ন মাত্রায় শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে মিয়ানমার ও লাওসের পণ্যের ওপর ৪০ শতাংশ, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার ওপর ৩৬ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার ওপর ৩২ শতাংশ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ওপর ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।


তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই শুল্ক কার্যকর করার সময়সীমা ৯ জুলাই থেকে পিছিয়ে ১ আগস্ট নির্ধারণ করেছেন, যেন আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়।


শফিকুল আলম জানায়, ইতোমধ্যে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ৯ জুলাই আরেক দফা বৈঠকের কথা রয়েছে, যেখানে শেখ বশিরউদ্দিন বাংলাদেশি দলের নেতৃত্ব দেবেন। ঢাকা আশা করছে, আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি চুক্তি হবে, যা দুই পক্ষের জন্যই লাভজনক হবে।


হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, 'শুল্ক কার্যকর হওয়ার সময় পিছিয়ে দিলেও তার হুমকির প্রভাব একটুও কমবে না। বিশ্বনেতারা প্রতিদিন প্রেসিডেন্টকে ফোন করছেন এবং একের পর এক প্রস্তাব দিচ্ছেন চুক্তিতে পৌঁছাতে।'


অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সিএনবিসিকে বলেন, 'সামনের দিনগুলো অত্যন্ত ব্যস্ত হবে। আমার ইনবক্স ইতোমধ্যেই ভরে গেছে—নতুন নতুন প্রস্তাব, সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।'


উল্লেখ্য, মার্কিন প্রশাসন যেসব দেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে বলে দাবি করছে, সেসব দেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর এই বাড়তি শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশের ওপর ৩৫ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা আসে, যা ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। তবে এখনো আলোচনা ও চুক্তির সুযোগ রেখে দিয়েছে উভয় পক্ষ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

ইসির জন্য ৫ সদস্যের সিলেকশন কমিটি গঠনের সঙ্গে বিএনপি একমত: সালাহউদ্দিন

ইসির জন্য ৫ সদস্যের সিলেকশন কমিটি গঠনের সঙ্গে বিএনপি একমত: সালাহউদ্দিন
ছবি: সংগৃহীত

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে শুধু নির্বাচন কমিশনের জন্য ৫ সদস্যের সিলেকশন কমিটি গঠনের সঙ্গে একমত বিএনপি। এজন্য একটা সার্চ কমিটি গঠন করার সুপারিশ করা হয়েছে।


আজ বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের ১৮ তম দিন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।


তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা শুধুমাত্র সংবিধানে উল্লেখ থাকলেই যথেষ্ট নয়, তার কার্যকর স্বাধীনতা উপযুক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে নিশ্চিত করতে হবে। 


সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা অতীতে বলে এসেছি যে, প্রতিটি সাংবিধানিক এবং সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের জন্য সংবিধানে আলাদা করে নিয়োগ প্রক্রিয়া না এনে, সংশ্লিষ্ট আইনের মাধ্যমে সেসব প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আচরণবিধি নিশ্চিত করতে হবে। তবে, নির্বাচন কমিশনের বিষয়টি সংবিধানে আলাদা করে উল্লেখ করা যায়- এই ক্ষেত্রে আমরা একমত।’


বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য জানায়, সংলাপে সব পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠনে একটি পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট সিলেকশন কমিটি গঠনের প্রস্তাব চূড়ান্ত রূপ পেয়েছে। এই কমিটিতে থাকবেন- জাতীয় সংসদের স্পিকার (সভাপতি), বিরোধী দল থেকে নির্বাচিত ডেপুটি স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা এবং প্রধান বিচারপতির মনোনীত একজন আপিল বিভাগের বিচারপতি।


এই কমিটি নির্বাচন কমিশনের জন্য প্রার্থী খুঁজে বের করতে একটি অনুসন্ধান প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে, যেখানে সিভিল সোসাইটি, রাজনৈতিক দল ও সাধারণ জনগণ নাম জমা দিতে পারবে। সংসদে একটি আইন প্রণয়ন করে এই অনুসন্ধান বা সার্চ কমিটির কাঠামো নির্ধারণ করার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।


সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এই সার্চ কমিটি জীবনবৃত্তান্ত যাচাই-বাছাই করে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করবে এবং সেটি সিলেকশন কমিটির কাছে পাঠাবে। কমিটি চাইলে এই তালিকা থেকে অথবা নিজেরা আরও প্রার্থী বিবেচনায় নিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে কমিশনারদের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবে।’

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০