

কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বদরপুর এলাকায় ৫৫ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ সকালে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গাঁজাসহ তাদেরকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলোঃ কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বদরপুর গ্রামের মৃত আলী আশরাফ এর ছেলে রাসেল কাজী এবং একই গ্রামের মোঃ শাহজাহান এর ছেলে মোঃ রুবেল মিয়া। র্যাব জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয়কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে।
উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


হবিগঞ্জের মাধবপুর
উপজেলায় পুকুরে গোসল করতে যাওয়া এক তরুণ পুরোনো একটি গ্রেনেড কুড়িয়ে পেয়েছে।
(১৯ আগস্ট) শনিবার রাতে
এতথ্য নিশ্চিত করেন, মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম খান।
মাধবপুর থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম খান বলেন, (১৯ আগস্ট) শনিবার বিকেলে
আনন্দপুর গ্রামের একটি মাঠে ফুটবল খেলা শেষে এক যুবক পুকুরে গোসল করতে নামেন। গোসলের
সময় পায়ের নিচে কিছু একটা বাধলে ডুব দিয়ে সেটি তুলে ডাঙায় ওঠেন ওই যুবক। বস্তুটি
গ্রেনেড বুঝতে পেরে খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পরে পুলিশ হেফাজতে আনা হয়েছে বস্তুটি।
ওসি রকিবুল ইসলাম খান
বলেন, এখনও বলা যাচ্ছে না কুড়িয়ে পাওয়া গ্রেনেডটি পরিত্যক্ত নাকি তাজা। এজন্য ঢাকা
থেকে মাধবপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছে পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ঈদুল আজহায় আবহাওয়া পরিস্থিতিতে স্বস্তি পাবেন দেশের মানুষ। কারণ দেশব্যাপী গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি আগামী তিনদিনেও অব্যাহত থাকার পাশাপাশি কয়েক বিভাগে বৃষ্টিপাত আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এতে ঈদের নামাজ আদায় করা থেকে পশু কোরবানি দিতে বেগ পেতে হবে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের। এজন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের আগেভাগেই সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে রাখার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
ঈদের দিনসহ আগামী তিনদিনের আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে আবহাওয়াবিদ বলেছেন, বৃষ্টিভেজা ঈদে গরম থেকে স্বস্তি পাবেন দেশবাসী।ঢাকার ঈদ বৃষ্টিতেই কাটবে। রাজশাহী বিভাগে বৃষ্টি কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, বাকি বিভাগগুলোতে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়বে। যেমন বুধবার পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে বৃষ্টিপাত বেশি থাকবে বলেই আমাদের সিস্টেমে দেখা যাচ্ছে। তবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে এখন বৃষ্টি থাকলেও ঈদের দিন তা কিছুটা কম হতে পারে। মানে ঈদের দিন দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বৃষ্টিপাত কমে উত্তরের দিকে বাড়বে।
বৃষ্টির ধরনটা কেমন হতে পারে সে সম্পর্কে তিনি বলেন, সিস্টেম পর্যালোচনা করে দেখা গেছে; কিছু কিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া অন্যান্য বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের এবং কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আর আষাঢ়ের বৃষ্টি প্রায় সারাদিনই থেমে থেমে হতে পারে।’
এছাড়া এ কয়েকদিনে তাপমাত্রা বাড়বে কি না এ ব্যাপারে নাজমুল হক বলেন, এ ধরনের কোনো সম্ভাবনা নেই। বরং আগামী দুইদিন অর্থাৎ ঈদের দিন পর্যন্ত দেশের তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমে যেতে পারে। যেমন খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দিকে ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমে যেতে পারে। দেশের অন্যান্য জায়গায় তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
মন্তব্য করুন


সোমবার (৩ জুলাই) সকাল ৬টা ৫ মিনিটে হাজিদের নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চলতি বছর পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফিরতি প্রথম হজ ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৪১৯ হাজি।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্র জানিয়েছে, গতকাল রোববার রাতে সৌদি আরবের মদিনা মনোয়ারা বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের এই ফিরতি ফ্লাইট ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। আজ ভোরে বিমানের ওই ফ্লাইটে দেশে আসেন হাজিরা। আনুষ্ঠানিকতা শেষে সকাল ৭টার দিকে তারা বিমানবন্দর থেকে বের হন।
এর আগে রোববার সন্ধ্যায় পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ফিরতি প্রথম ফ্লাইটে দেশে ফেরেন ৩৩৩ হাজি। তখন বিমানবন্দরে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান হাজিদের অভ্যর্থনা জানান।
চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট এক লাখ ২২ হাজার ৮৮৪ জন হজ পালনে সৌদি আরব যান। এসব হজযাত্রী বহন করতে মোট ফ্লাইট পরিচালনা করা হয় ৩২৫টি। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১৫৯টি ফ্লাইটে ৬১ হাজার ১৮০ জন, সৌদি এয়ারলাইন্স ১১৩টি ফ্লাইটে ৪১ হাজার ৪৬৮ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ৫৩টি ফ্লাইটে ২০ হাজার ২৩৬ জন হজযাত্রী বহন করে।
মন্তব্য করুন


৬ সেপ্টেম্বর বুধবার কিশোরগঞ্জে
অভিযান চালিয়ে ১৪ হাজার ৮৫০ কেজি ভারতীয় চিনিসহ তিন চোরাকারবারিকে আটক করেছেন র্যাব।
প্রেস বিজ্ঞপ্তির
মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয় কিশোরগঞ্জ র্যাব ক্যাম্প থেকে।
আটককৃতরা হলো: কিশোরগঞ্জ
সদর উপজেলার ঝালুপাড়া এলাকার মো. জাফর আলীর ছেলে মো. জাহাঙ্গীর (২৭), পাকুন্দিয়া
উপজেলার মাইজহাটি এলাকার মৃত মীর হোসেনের ছেলে মো. আশরাফ (৫৫) ও কিশোরগঞ্জ জেলার
তাড়াইল উপজেলার কৌলিগাতী এলাকার মৃত আব্দুল সোবহান খানের ছেলে মো. বায়োজিদ খান
(৪৮)।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে
জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল সোয়া ৬টায় কিশোরগঞ্জ
সদর উপজেলার মহিনন্দ ভদ্রপাড়া সাকিনস্থ চাঁনমারি মোড়স্থ নীলগঞ্জ-তাড়াইল সড়কে
চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে ৩ চোরাকারবারিসহ চিনির বস্তা ভর্তি
একটি ট্রাক আটক করে র্যাব সদস্যরা। আটক ট্রাকের বস্তাগুলোতে ১৪ হাজার ৮৫০ কেজি
ভারতীয় চিনি পাওয়া যায়। এসব ভারতীয় চিনির বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি আটককৃতরা।
এছাড়াও তাদের কাছ থেকে ৫টি মোবাইল ফোন ও নগদ ১৭ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক
জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত চোরাকারবারিরা দীর্ঘদিন ধরে নেত্রকোনা জেলার সীমান্তবর্তী
এলাকা থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে অবৈধ ভারতীয় চিনি দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্থানে
বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রয় করে আসছিলেন বলে স্বীকার করেন।
র্যাব-১৪, সিপিসি-২
কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার মো. আশরাফুল কবির বলেন,
জব্দকৃত ভারতীয় চিনি এবং আটক তিন চোরাকারবারির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪
মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৯টি ভারতীয় গরু ও ১টি পিকআপ গাড়ীসহ ৩ জন চোরাচালানকারীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম
থানা পুলিশ ।
রবিবার
চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিরস্ত্র) মোহাম্মদ কাইয়ুম হোসেন এবং সঙ্গীয় ফোর্স সহ
থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ৩নং কালিকাপুর ইউপিস্থ নোয়াবাজারের পাশে পুরাতন পুলিশ ফাঁড়ির সামনে
ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামগামী পাকা রাস্তার উপর চেকপোস্ট করে ১টি পিকআপ গাড়ি
আটকে তল্লাশি করে গাড়ির ভিতরে ৯ টি ভারতীয় গরু সহ ৩ জন চোরাচালানকারীকে গ্রেফতার করা
হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো: ১। শরিফ হোসেন (৩০)
(ড্রাইভার), পিতা: জামাল হোসেন, মাতা: আফরোজা, সাং: বানীপুর, পোঃ সুয়াগঞ্জ বাজার,
ইউপি জোড়কানন, থানা: সদর দক্ষিণ, ২। ইকবাল হোসেন (২৬), পিতা: বাবুল মিয়া, মাতা: রুবি
আক্তার, ৩। মোঃ মনিরুল ইসলাম (৩৫), পিতা: মৃত রাজা মিয়া, মাতা: আমেনা বেগম, উভয় সাং:
রামধনপুর, পোঃ আনন্দপুর, ইউপি: গলিয়ারা, সর্ব থানা: সদর দক্ষিণ মডেল থানা, জেলা: কুমিল্লা।
পরবর্তীতে ৯ টি গরু সহ পিকআপ গাড়িটি জব্দ করা হয়।
উক্ত
আসামীর বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-৩১, তারিখ-১৬/০৭/২০২৩, ধারা- ১৯৭৪ সালের
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫-বি/২৫-ডি তে মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৫২ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
আজ
(৬ জানুয়ারী) রাতে কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) শেখ মফিজুর রহমান ও সঙ্গীয়
ফোর্স সহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৪নং আমরাতলীর
বাসমঙ্গল চৌমুনী পাকা রাস্তায় ৫২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রাফিন ফার রহমান প্রঃ
মাটি(২৫) কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো: মোঃ রাফিন ফার রহমান প্রঃ মাটি(২৫), পিতা মৃত-শাকিল আহম্মেদ প্রঃ নিজাম
উদ্দিন, মাতা-মরিয়ম বেগম প্রঃ মারিয়া আক্তার, সাং-কুচাইতলী (মধ্যপাড়া, লিটন মেম্বারের
বাড়ী সংলগ্ন), থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা- কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরকার
নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে আলু বিক্রি করায় ও রসিদ না থাকায় ৩ আলু
ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
এই অভিযান পরিচালিত হয় (১৮
সেপ্টেম্বর) সোমবার দুপুরে শহরের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার আনন্দবাজারে।
এ সময়
নানা অসংগতি থাকায় তাদের ১১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জরিমানা করা
প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: মেসার্স ফজলুল হক, তামান্না বাণিজ্যিক কার্যালয়, আনোয়ারা
এন্টারপ্রাইজ।
অভিযান শেষে ভোক্তা
অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মেহেদি হাসান বলেন, বাজার স্থিতিশীল রাখতে
সরকার আলু, পেঁয়াজ এবং ডিমের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। সরকারের সিদ্ধান্ত
বাস্তবায়নে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
এ সময় অতিরিক্ত মূল্যে
আলু বিক্রি করায় মেসার্স ফজলুল হককে ২ হাজার টাকা, রসিদ না থাকায় তামান্না
বাণিজ্যিক কার্যালয়কে ৫ হাজার টাকা এবং আনোয়ারা এন্টারপ্রাইজকে ৪ হাজার টাকা
জরিমানা করা হয়।
ভোক্তা অধিদপ্তরের
সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মেহেদি হাসান আরও বলেন, এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে সব
ব্যবসায়ীদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি সতর্ক করা হয়েছে। কেউ যাতে অসাধু উদ্দেশ্য নিয়ে
বাজার অস্থিতিশীল করতে না পারে সেজন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


অনলাইনে ৩০০ ডলার থেকে ১০ হাজার ডলার বিনিয়োগ করলেই দিনপ্রতি আয় ৬ ডলার থেকে ২০০ ডলার। এছাড়াও এমএলএম পদ্ধতিতে রেফারেন্স বোনাস মিলবে ৩০ ডলার থেকে ১ হাজার ডলার পর্যন্ত।
উচ্চ মুনাফার প্রলোভেনের ফাঁদে পড়ে সর্বস্ব খুইয়েছেন অনেকে। মিরপুর মডেল থানার এমন একটি মামলার সূত্র ধরে তদন্তে নেমে চারজন সাইবার অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগ।
গ্রেপ্তাররা হলো—আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৬), মো. ইমরান শেখ (২৮), মো. মাহবুবুর রহমান সাদিক (৩২) ও শাহনেওয়াজ শরীফ শামীম (৩৪)।
গত ৩০ জানুয়ারি ঢাকার সাভার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি জানায়, উচ্চ রেফারেল কমিশন এবং ৩ মাসে জমা টাকা দ্বিগুণ করার লক্ষ্যে বিপুলসংখ্যক মানুষ এই চক্রের ফাঁদে পা দেয়। বিভিন্ন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে প্রায় ৬-৭ কোটি টাকা প্রতারক চক্রের সদস্যরা হাতিয়ে নিয়েছেন।
যেভাবে প্রতারণা করতো-
গ্রেপ্তাররা অনলাইনে uscommunitytrad.com সাইটের মাধ্যমে তাদের ইনভেস্টমেন্ট সংগ্রহের মার্কেটিং কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। তারা সাধারণ গ্রাহকদের উচ্চ হারে মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্কিম প্যাকেজে ইনভেস্টমেন্ট করতে প্রলুব্ধ করেন।
তাছাড়াও একজন বিনিয়োগকারী যদি অন্য কাউকে বিনিয়োগ করাতে পারেন তাহলে প্যাকেজ ভেদে বিভিন্ন রকমের কমিশন দেওয়া হতো। সেখানে রয়েছে তাদের অসংখ্য বিনিয়োগ স্কিম প্যাকেজ।
ডিবি জানায়, প্রতারকরা প্রায় ৬ মাস ধরে সাধারণ মানুষকে অ্যাকাউন্ট তৈরি ও তাতে ক্রিপ্টোকারেন্সির সহায়তায় ডলার ডিপোজিট করতে সহায়তা করতেন। ডিপোজিট করা টাকা ডিজিটাল হুন্ডির মাধ্যমে দেশের বাইরে পাচার হয়ে যেত। যার প্রভাব পড়ে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রিপ্টোকারেন্সিতে লেনদেন অবৈধ।
যেসব স্কিমে নেওয়া হতো বিনিয়োগ
সিলভার প্যাকেজে ৩০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে বলা হতো প্রতিদিন রিটার্ন পাবে ৬ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ৩০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে এবং এই প্যাকেজের মেয়াদ হবে ১০০ দিন।
গোল্ড প্যাকেজে ৫০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে প্রতিদিন রিটার্ন ১০ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ৫০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে এবং এই প্যাকেজের মেয়াদ হবে ১০১ দিন।
ডায়মন্ড প্যাকেজে ১০০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে প্রতিদিন রিটার্ন ২০ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ১০০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে এবং এই প্যাকেজের মেয়াদ হবে ১০২ দিন।
প্লাটিনাম প্যাকেজে ২০০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে প্রতিদিন রিটার্ন ৪০ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ২০০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে এবং এই প্যাকেজের মেয়াদ হবে ১০৩ দিন।
এক্সক্লুসিভ প্যাকেজে ৫০০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে প্রতিদিন রিটার্ন ১০০ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ১০০০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে এবং এই প্যাকেজের মেয়াদ হবে ১০৪ দিন।
ভিআইপি প্যাকেজে ১০০০০ ইউএস ডলার বিনিয়োগ করলে বলা হতো প্রতিদিন রিটার্ন ২০০ ইউএস ডলার ও রেফারেল কমিশন ১০০০ ইউএস ডলার পাওয়া যাবে। এই প্যাকেজের মেয়াদ ছিল ১০৫ দিন।
ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ বলেন, চক্রটি আমেরিকান কোম্পানির নাম ধারণ করে উচ্চ মুনাফার লোভ দেখিয়ে এমএলএম স্কিমে বিনিয়োগের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ভুক্তভোগীরা নির্ধারিত প্যাকেজের আওতায় ডলারের বিপরীতে টাকা বিনিয়োগ করতেন। আর সেই টাকা নিয়ে পলাতক হয়ে যান চক্রের সদস্যরা। এমন একটি অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা চারজনকে গ্রেপ্তার করেছি।
ডিবি সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতারণার নতুন কৌশল হিসেবে চক্রটি নতুন একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে হ্যাচারি প্রজেক্টের কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে এক লাখ টাকা করে বিনিয়োগ গ্রহণ করছে। তারা এই টাকার বিপরীতে প্রতি মাসে আট হাজার করে পচিশ মাসে দ্বিগুণ মুনাফাসহ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এটি ছিল তাদের প্রতারণার নতুন একটি ফাঁদ।
গ্রেপ্তারদের মোবাইলে হ্যাচারি প্রজেক্টের নামে অন্য একটি স্কিমের তথ্য পাওয়া গেছে। যার মাধ্যমে লাখ টাকা করে নেওয়া শুরু করেছিলেন তারা।
ডিবিপ্রধান বলেন, আমরা গ্রেপ্তারদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছি। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা কারা জড়িত তাদের বিষয়ে তথ্য নিয়ে গ্রেপ্তার করা হবে। আর কত সংখ্যক লোকের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, বিষয়টি জানার চেষ্টা করা হবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও চোখ উপড়ে হত্যার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী রাজনসহ সরাসরি জড়িত সাতজনকে গত রাতে রাজধানীর শাহবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে মাদক কারবারে জড়িত রাজন। গত ২৮ জুন গ্রেপ্তার হন তিনি। তার ধারণা, গ্রেপ্তারের পেছনে ব্যবসায়ী সাইফুলের হাত রয়েছে। জেল থেকে জামিনে বের হয়েই তিনি সাইফুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। সাইফুল সম্প্রতি পশ্চিমের একটি দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।
এজন্য তাড়াহুড়া করে রাজনের নেতৃত্বে জানে আলম, সুমন, লিটন, দিপু, সরোয়ার ও সজীবসহ ১০-১২ জন সাইফুল দোকান থেকে বাসায় ফেরার পথে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী খেজুরবাগ স্কুল রোডে ওৎ পেতে থাকেন।
রোববার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টায় খেজুরবাগ স্কুল রোডে পৌঁছালে পথরোধ করে ভিকটিম সাইফুলকে ক্রিকেট ব্যাট, ব্যাটন, লোহার রড় ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি আঘাত করতে থাকেন তারা। একপর্যায়ে মাটিতে পড়ে গেলে রাজন পাশের একটি দোকান থেকে কাঁটা চামচ নিয়ে সাইফুলের চোখ নৃশংসভাবে উপড়ে ফেলেন।
সাইফুলের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। স্থানীয়রা ভিকটিমকে উদ্ধার করে রাজধানীর একটি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার (১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে লিগাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, গত ৩০ জুলাই রাতে ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের খেজুরবাগ সাতপাখি এলাকায় সাইফুল ইসলাম নামে এক পোশাক ব্যবসায়ীকে দুর্বৃত্তরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং চোখ উপড়ে ফেলে নির্মমভাবে হত্যা করে।
এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন বাদী হয়ে রাজধানীর কেরাণীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। গত রাতে র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র্যাব-১০ এর একটি দল রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর সাইফুল হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মো. রাজন হোসেনসহ (৩১) সাতজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন– জানে আলম (৩৬), মো. সুমন ওরফে গর্দা সুমন (২৫), লিটন হোসেন (২৬), মো. দিপু (২৩), সরোয়ার আকন্দ (২৬) এবং মো. সজীব (২৯)। উদ্ধার করা হয় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সুচালো লোহার রড, একটি ভাঙা ক্রিকেট ব্যাট, একটি ব্যাটন ও ছয়টি মোবাইল ফোন।
গ্রেপ্তারদের দেওয়া প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে কমান্ডার মঈন বলেন, সাইফুল দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের খেজুরবাগ সাতপাখি এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করে আসছিলেন এবং সাতপাখি রোডে একটি দোকান ভাড়া নিয়ে কাপড়ের ব্যবসা করতেন। গ্রেপ্তার আসামিরা রাজধানীর দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ এলাকায় বসবাস করেন।
তিনি আরো বলেন, সাইফুল ছিল এলাকায় সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদী কণ্ঠ। মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতেন। তিনি বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসী ও মাদক করবার সম্পর্কে তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও সহায়তা করেন। এ কারণে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় মাদক কারবারি ও অন্যান্যরা সাইফুলের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে।
গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার রাজন গত ২৮ জুন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হাতে গ্রেপ্তার হয় এবং ধারণা করে যে, তার গ্রেপ্তারের পেছনে সাইফুলের হাত রয়েছে। এছাড়াও গ্রেপ্তার জানে আলম, সুমন ও তার মা আগে বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পেছনেও সাইফুলের হাত রয়েছে বলে তারা ধারণা করেন।
গ্রেপ্তার রাজন গত ১৯ জুলাই মুক্তি পেয়ে গ্রেপ্তার জানে আলম, সুমন ও অন্য সহযোগীদের নিয়ে ভিকটিম সাইফুলকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা করেন এবং গত ৩০ জুলাই রাতে সাইফুলকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পালিয়ে যান।
র্যাব মুখপাত্র বলেন, গ্রেপ্তাররা হত্যাকাণ্ডের পর এলাকা থেকে পালিয়ে কেরাণীগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করেন। গ্রেপ্তাররা এলাকায় মাদক কারবার ও অর্থের বিনিময়ে সন্ত্রাসীসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতেন বলে জানা যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কমান্ডার মঈন বলেন, গ্রেপ্তার রাজন স্থানীয় একটি রিকশা গ্যারেজ পরিচালনা করতেন। পাশাপাশি এলাকায় মাদক, ছিনতাই, ডাকাতি, গাড়ি চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। গ্রেপ্তার রাজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, বিস্ফোরক দ্রব্য ও চুরিসহ পাঁচটির বেশি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার জানে আলম রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। পাশাপাশি তিনি এলাকায় মাদক, ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। সাইফুল হত্যাকাণ্ডে রাজনের অন্যতম সহযোগী জানে আলম। হত্যাকাণ্ডের সময় জানে আলম ভিকটিম সাইফুলকে ব্যাটন দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করেন। তার বিরুদ্ধেও অস্ত্র, মাদক, বিস্ফোরক দ্রব্য ও চুরিসহ চারটির বেশি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার সুমন কাঠ কাটা শ্রমিকের কাজ করতেন। পাশাপাশি তিনি এলাকায় মাদক, ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। ভিকটিম সাইফুল হত্যাকাণ্ডে রাজনের অন্যতম সহযোগী ছিলেন সুমন। তিনি ভিকটিম সাইফুলকে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে মাথায় গুরুতর জখম করেন। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, ডাকাতি ও মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধে চারটির বেশি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার লিটন, দিপু, সরোয়ার ও সজীব ভিকটিম সাইফুল হত্যাকাণ্ডে রাজনের সহযোগী ছিলেন। গ্রেপ্তার লিটন মুদ্রাক্ষরিক, গ্রেপ্তার দিপু ও সজীব জাহাজ ভাঙার শ্রমিক এবং সরোয়ার রং মিস্ত্রির কাজ করেন। এছাড়াও তারা গ্রেপ্তার রাজনের নেতৃত্বে এলাকায় মাদক, ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে জানা যায়।
হত্যাকাণ্ডের সময় গ্রেপ্তার লিটন, দিপু, সরোয়ার ও সজীব লাঠি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভিকটিমকে এলোপাথাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। তাদের বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে।
তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
মন্তব্য করুন


বিয়ে বাড়ির খাবারের
ঘ্রাণ পেয়ে হাজির হাতি দল। হাতির দলের অবস্থা বেগতিক দেখে মোটরসাইকেলে চেপে
অনুষ্ঠানস্থল থেকে পালালেন
বর–কনেও।
গত রবিবার ভারতের
পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রাম জেলার জঙ্গলভাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। গ্রামের যুবক তন্ময়
সিংয়ের সাথে বিয়ের দিন ধার্য ছিল একই গ্রামের তরুণী মমপি সিংয়ে।
জানা গেছে, খোলা মাঠে বিশাল
প্যান্ডেলে খাসির মাংস, লাউ–চিংড়ি, মসুর ডাল আর আলুর তরকারির পদ রান্না করেছিলেন
বাবুর্চি। রান্না শেষে অতিথিদের আপ্যায়নের জন্য প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছিল। এরমধ্যে
হঠাৎ একদল হাতি এসে হাজির।
এ বিষয়ে বর তন্ময় সিং
জানান, বিয়ের দিন অতিথিরা খাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, এমন সময় হাতির গর্জন শুনতে
পাই। আগে থেকেই জানতাম যে রান্নার ঘ্রাণ পেয়ে হাতির পাল সেখানে ছুটে আসে। তাই
অতিসত্ত্বর খাবারের টেবিল ছেড়ে বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিতে বলি অতিথিদের। স্ত্রীকে নিয়ে
আমিও ঘটনাস্থল থেকে কেটে পড়ি।
জানা গেছে, রান্নার
ঘ্রাণ পেয়ে গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে ঢুকে পড়ছে হাতি। তাই বিয়ের মত সামাজিক অনুষ্ঠান
আয়োজন করতে ভয় পাচ্ছেন গ্রামবাসী। তা ছাড়া গ্রামের বিভিন্ন স্থানে দল বেঁধে হাতি
ঘুরে বেড়ানোয় ভয়ে কোনো অতিথি বিয়েতে যেতে চাচ্ছেন না।
এতে জঙ্গলভাঙ্গা, কাজলা,
কুসুমগ্রামও কলবানি গ্রামের মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক।
মন্তব্য করুন