

বর্তমানে হাতে তেমন কাজের চাপ না থাকলেও, একসময় বড় পর্দা দাপিয়ে বেড়িয়েছেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা ওমর সানী। তখন বিনোদন মাধ্যম বলতে বড় পর্দাকেই বোঝাত। এখন অবশ্য অনেকগুলো মাধ্যম বিনোদনের নিত্যদিনের খোরাক জোগাচ্ছে। তার মধ্যে অন্যতম ওটিটি প্ল্যাটফর্ম।
সম্প্রতি ওটিটি প্ল্যাটফর্মের কনটেন্ট নিয়ে মুখ খুলেছেন অনেকেই। সেন্সরশিপ না থাকায় সেখানে অ্যাডাল্ট কনটেন্টের ছড়াছড়ি লক্ষ করা যায়। এবার সে বিষয়টি নিয়েই কথা বলেছেন ওমর সানী।
বুধবার (১০ মে) সকালে ‘ওমর সানী ভ্লগস’ ফেসবুক পেজের এক স্ট্যাটাসে রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দেন অভিনেতা। নাম উল্লেখ না করে তিনি লেখেন, ‘ওয়েব সিরিজে যা দেখলাম তাতে মনে হচ্ছে ব্লু ফিল্ম চালাবার একটা পাঁয়তারা। আর এটা যদি হয় শৈল্পিক, তাহলে ময়ূরী, মুনমুনদের কিছু পরিচালক ল্যাংটা বলতেন। আর এখন কী দেখছেন, গাধার বাচ্চা। পেছনে ফিরে তাকাই।’
বরাবরই সাম্প্রতিক ইস্যু নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব থাকেন ওমর সানী। গতকাল (মঙ্গলবার) শাকিবের ‘প্রিয়তমা’ ছবিতে ওপার বাংলার টিভি অভিনেত্রী ইধিকা পালের অন্তর্ভুক্তি নিয়েও ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন। তার মতে, প্রিয়তমা বলতে তিনি বোঝেন সুচিত্রা সেন, কবরী, শাবানা, ববিতা, মৌসুমী, শাবনুর, পূর্ণিমাকে। কিন্তু এখনকার ‘প্রিয়তমা’ দেখে একপ্রকার হতাশ তিনি।
সর্বশেষ ওমর সানীকে শুটিং করতে দেখা যায় জাহিদ হাসান পরিচালিত ‘সোনার চর’ সিনেমায়। এতে ওমর সানী ছাড়াও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মৌসুমী, জায়েদ খান, শহীদুজ্জামান সেলিম, শবনম পারভীন, আবুল হোসেন মজুমদার, শাওন আশরাফ, পাপিয়া মাহি প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির মা অভিনেত্রী দোয়েল ইসলাম ধর্মের অনুসারী হলেও তার বাবা সুব্রত চক্রবর্তীকে হিন্দু ধর্মের অনুসারী বলে জানেন দর্শক।
ধর্মের বিষয়ে সম্প্রতি একটি টেলিভিশনের মুখোমুখি হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী।
দীঘি বলেন, অনেকের মধ্যে আমাকে নিয়ে এই প্রশ্ন উঁকি দেয়। আমার বাবা চিত্রনায়ক সুব্রত হিন্দু ধর্মের অনুসারী ছিলেন। কিন্তু মাকে বিয়ের পর তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তারপর থেকে আমাদের পরিবার ইসলাম ধর্মের অনুসারী। আমি, আমার ভাইও ইসলাম ধর্ম পালন করি। তবে আমি বিশ্বাস করি, ধর্ম যার যার উৎসব সবার।
ছোটবেলায় শিশুশিল্পী হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান দীঘি। পেয়েছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও।
মন্তব্য করুন


অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে কথার লড়াই যেন থামছেই না। গতকাল শাকিব খান জানিয়েছিলেন, বুবলীকে একবার তার বাসা থেকে ঘাড় ধরে বের করে দেওয়া হয়েছিল। আজ সোমবার (১৫ মে) বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন শবনম বুবলী। জানান, এ ধরনের ব্যবহারের প্রশ্নই ওঠে না।
শাকিবের বাসায় জোর করে ঢোকার বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের এক প্রশ্নের জবাবে বুবলী বলেন, ‘সবার আগে আমার কাছে ব্যক্তিত্ব, তারপর অন্য কিছু। আমার নিজেরও তো আত্মসম্মানবোধ আছে, জোর করে কেন যাব? আমি কখনো জোর করে তার বাসায় যাইনি, আমি ওই ধরনের মানুষই নই। শেহজাদকে নিয়ে আমি তার ইচ্ছাতেই ওই বাসায় যেতাম। আর শেহজাদকে কখনো একা ন্যানিকে দিয়ে পাঠাইনি। ওখানে সব সময় আমিই নিয়ে যাই, ন্যানি সঙ্গে থাকে।’
‘ঘাড় ধাক্কা’র মতো ঘটনার বিষয়েও কথা বলেন বুবলী। তার কথায়, ‘উনি বললেন, তার বাসায় নাকি কী সিনক্রিয়েট করে আমাকে বের করে দিয়েছে। আমার সঙ্গে কে নাকি খারাপ ব্যবহারও করেছে? এটার তো প্রশ্নই ওঠে না, চাইলে আপনারা তার ওখানে সিসি ক্যামেরা চেক করেন। তিনি তো দূরের কথা, তার সামনে কেউ আমার সঙ্গে বাজে সিনক্রিয়েট করার সাহস নেই। ওরকম হলে তিনি নিজেই তাদের বকা দিতেন।’
এর আগে গতকাল রোববার (১৪ মে) সাক্ষাৎকারে শাকিব বলেন, ‘তার (বুবলী) সঙ্গে সম্পর্কের পর এক দিনের জন্যও সে আমাদের বাসায় থাকেনি। আমার বাসার কারো সঙ্গে তার কথাও হয়নি। আগে পরিচয়ও ছিল না। সে জোর করে আমার বাসায় এসে সিনক্রিয়েট করার চেষ্টা করে। একবার তাকে ঘাড় ধরে বের করে দেওয়া হয়েছিল।’
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ২০ জুলাই শাকিব খানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শবনম বুবলী। এরপর ২০২০ সালের ২১ মার্চ সন্তানের বাবা-মা হন তারা। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর দুজনের ফেসবুক আইডি থেকে সন্তানের নামসহ ছবি প্রকাশ করেন। জানান, তাদের ছেলের নাম ‘শেহজাদ খান বীর’।
মন্তব্য করুন


ইদানিং খুবই আনন্দে রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। আর থাকবেন নাই বা কেন, একেবারে হলিউড পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে শ্রাবন্তীর রূপ! সেই রূপে আবার ঘায়েলও হয়েছেন হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা জন সিনা। হ্যাঁ, এমনটাই ঘটেছে। তবে পুরো ব্যাপারটাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
ব্যাপারটা একটু খোলসা করে বলা যাক। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে শ্রাবন্তীকে ফলো করা শুরু করেছেন হলিউড অভিনেতা জন সিনা। আর তা দেখেই একেবারে আহ্লাদে আটখান অভিনেত্রী।
এই ঘটনার পর শ্রাবন্তী এক সংবাদ মাধ্যমকে জানান, প্রথমে তো বিশ্বাস হচ্ছিল না। ভেবেছিলাম হয়তো ফেক অ্যাকাউন্ট। তবে পরে ভাল করে দেখি, অ্যাকাউন্টে ব্লু টিক রয়েছে। সত্যিই খুব আনন্দ লাগছে।
শ্রাবন্তী এই মুহূর্তে রয়েছেন লন্ডনে। জিতু কমলের সঙ্গে জুটি বেঁধে সেখানে চলছে ‘বাবুসোনা’ ছবির শুটিং। এই ছবিতে জিতু কমলকে দেখা যাবে কিডন্যাপারের চরিত্রে। অন্যদিকে ছবিতে শ্রাবন্তী হবেন চোর। তবে নিজেদের কুকর্মকে ঢাকতে দুইজনেই অন্য পেশার মুখোশ পরে থাকেন। হঠাৎ ছবির গল্পে টুইস্ট। লন্ডনে এক শিশুর অপহরণের ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন দুজনে। তারপর গল্প নেয় নতুন মোড়।
‘বাবুসোনা’ ছবিতে শ্রাবন্তী ও জিতু কমল ছাড়াও রয়েছেন পায়েল সরকার, আলেকজান্দ্রা টেলর, সাগ্নিক চট্টোপাধ্যায়, বিলাস দে, অত্রি ভট্টাচার্য, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।
মন্তব্য করুন


৩০ জুন আজ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে শুভ কামনা জানিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন নায়ক শাকিব খান।
স্ট্যাটাসে নায়ক শাকিব খান লেখেন, এই ঈদে অপু–জয় প্রোডাকশন হাউজের প্রথম চলচ্চিত্র ‘লাল শাড়ি’ মুক্তি পেয়েছে। আমার সন্তান জয়ের নামের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের প্রথম চলচ্চিত্র এটি। বাবা হিসেবে সন্তানের নামের কারণে চলচ্চিত্রটির প্রতি আমার অন্যরকম এক আবেগ কাজ করছে। তাই এই ঈদ উৎসবে পরিবার–পরিজন সবাইকে নিয়ে ‘প্রিয়তমা’র পাশাপাশি ‘লাল শাড়ি’ দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


জমে উঠেছে শাকিব-বুবলীর কথার লড়াই। গতকাল (রোববার) এক সাক্ষাৎকারে শবনম বুবলীকে নিয়ে কথা বলেন শাকিব খান। সেখানে বুবলীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দাঁড় করান ঢাকাই সিনেমার এই শীর্ষ নায়ক। পরদিন (সোমবার) সেই একই গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন বুবলী। সঙ্গে এও জানান, শিগগিরই আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন তিনি।
শাকিবের অভিযোগের বিষয়ে বুবলী বলেন, ‘তিনি তার সন্তানের মাকে নিয়ে যে নোংরাভাবে মিথ্যাচার করছেন, যে বাজেভাবে কথা বলছেন, আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করছেন, মানহানির চেষ্টা করছেন— তার সব কিছুর প্রমাণ আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন। আমি কীভাবে তাকে সম্মান দিয়ে কথা বলি এবং তিনি কীভাবে আমাকে অসম্মান করছেন। এছাড়া পূর্বের সব বিষয় অস্বীকার করে নানান গল্প বলছেন তাও আপনারা দেখছেন। এসব আমাকে এবং সন্তানকে বিপর্যস্ত করে তুলছে। কারণ আমি মা হিসেবে মানসিকভাবে ভালো না থাকলে আমার সন্তানের ওপরও তার মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। এটা নিয়ে শিগগিরই আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেব। কারণ এই মানহানি আমার একার নয়, সন্তানেরও।’
ডিভোর্সের বিষয়েও মুখ খোলেন নায়িকা। তার কথায়, ‘একজন মেয়ে হিসেবে বিয়ের পর সব সময় আমি চেয়েছি সুন্দরভাবে সংসার করতে, যেটা আপনারা অনেকবার দেখেছেন। আর এই সংসার করতে চাওয়াটাই আমার কাল হলো। এছাড়া কোনো স্বামী-স্ত্রী যদি আলাদা হয়ে যায় তাহলে তারা হয় সেপারেটেড না হলে ডিভোর্সড। আমি সেটাই বলেছি যে, ডিভোর্স হলে তো ডিভোর্স লেটার থাকবে। আমি তা পাইনি। তার মানে আমাদের সম্পর্কটা আসলে এখন কোথায় দাঁড়িয়ে আছে আপনারাই বলুন। আমি কী এখন এটাকে- সেপারেটেড নাকি ডিভোর্সড বলব?’
মন্তব্য করুন


জমে উঠেছে ঢালিউড অভিনেতা শাকিব খান ও চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীর কথার লড়াই। একজন কিছু বলছেন তো আরেকজন সেটার পাল্টা দিচ্ছেন। এবার বুবলীর ফেসবুক স্ট্যাটাসের পাল্টা জবাব দিলেন শাকিব। সেখানে কিছু গুরুতর অভিযোগ আনলেন নায়িকা বিরুদ্ধে। এও জানালেন, একবার তার বাসা থেকে বুবলীকে ঘাড় ধরে বের করে দেওয়া হয়েছিল।
সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বুবলীর দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসের বিষয়ে বিশদভাবে মুখ খোলেন এই ঢালিউড অভিনেতা। অভিযোগের সুরে তিনি জানান, বুবলী তাকে শুধু সাইনবোর্ড হিসেবেই ব্যবহার করেছে। সম্পর্ক, সন্তান, অর্থবিত্ত, নাম— সবই করেছে। এর পরপরই গুরুতর অভিযোগ তোলেন বুবলীর বিরুদ্ধে।
শাকিবের কথায়, ‘আমিও তাকে (বুবলী) অন্ধ বিশ্বাস করেছিলাম। কিন্তু শেহজাদকে জন্ম দেওয়ার পর আমেরিকা থেকে দেশে এসে সে নানা স্ক্যান্ডালে জড়িয়ে পড়ল। নানাজনের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলল। যা মিডিয়াসহ সবাই জানে।’ প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘একই সঙ্গে সাড়ে ৩ কোটি টাকার ফ্ল্যাট এবং ৫৬ লাখ টাকার গাড়ির মালিক হলো, হঠাৎ করে এমন বিত্ত-বৈভবের মালিক হওয়া কীভাবে সম্ভব? কেউ যদি বিনা কারণে বিশ্বাসভঙ্গ করে বা বিশ্বাসঘাতকতা করে তাহলে তার সঙ্গে সম্পর্ক কীভাবে কনটিনিউ করা যায় আপনারাই বলুন?’
সাক্ষাৎকারে ঈদে একান্তে সময় কাটানোর ব্যাপারেও মুখ খোলেন শাকিব। জানান, সবটাই মিথ্যা এবং বানানো গল্প। শাকিব বলেন, ‘দেখুন, আমাকে সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করার জন্য এটিও তার একটি পাতা ফাঁদ ছিল। তার সঙ্গে সম্পর্কের পর এক দিনের জন্যও সে আমাদের বাসায় থাকেনি। আমার বাসার কারো সঙ্গে তার কথাও হয়নি। আগে পরিচয়ও ছিল না। সে জোর করে আমার বাসায় এসে সিন ক্রিয়েট করার চেষ্টা করে।’
তার কথায়, ‘শেহজাদের জন্মদিনেও সে জোর করে আমার বাসায় এসেছে। শেহজাদকে তার ন্যানিই আমার বাসায় নিয়ে আসে। অথচ ঈদের দিনও পরিকল্পিতভাবে বুবলী আমার বাসায় এসেছে। যেখানে আমার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্কই নেই, সেখানে আমার বাসায় সে আসবে কেন? ঈদের দিন বাসায় কেউ এলে তাকে তো আর বের করে দেওয়া যায় না। অথচ এর আগে একবার তাকে ঘাড় ধরে বের করে দেওয়া হয়েছিল। যাক, ঈদের দিন সে এসেছে। স্বাভাবিকভাবেই একসঙ্গে বাসার সবাই বসে খেয়েছি।’
গাড়িতে একসঙ্গে ঘোরার বর্ণনাও ওঠে আসে তার বয়ানে। তিনি বলেন, ‘শেহজাদকে নিয়ে গাড়িতে করে যখন বেড়াতে বের হচ্ছিলাম তখন বুবলীও গাড়িতে উঠে পড়ে এবং পেছনের সিটে বসে থাকে। তার রান্না করা বা তার হাতে কোনো খাবারই আমি খাইনি। আসলে সেদিন ঈদের সুযোগ নিয়ে সে আমার বাসায় এসেছিল। মিথ্যা বলে আবার আমাকে সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করার জন্য এবং পরে সে ফেসবুকে মিথ্যা স্ট্যাটাস দিয়ে তাই করার চেষ্টা করেছে।’
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
সোমবার (১৫ মে) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চিত্রনায়ক ফারুকের ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, চিত্রনায়ক ও সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন পাঠান দুলু ওরফে ফারুকের প্রথম নামাজে জানাজা সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ আসবে। পরে সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
উল্লেখ্য, চিত্রনায়ক ফারুক সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন। মঙ্গলবার (১৬ মে) সকালে তার মরদেহ দেশে আনা হবে।
মন্তব্য করুন


১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন সদ্য প্রয়াত অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। তখন তার নামে ৩৬টি মামলায় হয়। ছাত্র রাজনীতিতে তিনি তখন বেশ সক্রিয়, সিনেমা অভিনয় নিয়ে কোনো ভাবনাই ছিল না তার।
তবে একের পর এক যখন মামলা হতে থাকল তখন তার বন্ধুরাই বলল, ‘সিনেমায় ঢুকে যাও।’ সেই ঘটনার বিবরণ দিয়ে ফারুক বিবিসি বাংলাকে বলেছিলেন, ‘আমার নামে হয়রানিমূলক ৩৬টি মামলা হয়। এগুলো থেকে বাঁচার জন্য আমার কিছু বন্ধুবান্ধব বলে, চলচ্চিত্রে ঢুকে যাও। এরপরই চলচ্চিত্রে আসি।’
ফারুকের প্রথম সিনেমা ‘জলছবি’। ছবিটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘১৯৬৮ সালে ছবিটির শুটিং শুরু হয় কিন্তু মুক্তি পায় ১৯৭১-এ। মুক্তির তারিখ ২৫-এ মার্চ বা এর দুই কী তিন দিন আগে, ঠিক মনে নেই। ছবিতে আমার সহকর্মী ছিলেন কবরী। বলা যায়, আমার সিনেমাজীবন শুরুই হয় কবরীর সঙ্গে।’
সাক্ষাৎকারে চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পীদের পারিশ্রমিক নিয়েও আক্ষেপ করতে শোনা যায় অভিনেতাকে। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই তিনি জানান প্রথম সিনেমা ‘জলছবি’র পারিশ্রমিক কত ছিল। ফারুক বলেন, ‘আমাকে যথাযথ সম্মান ও সম্মানী দেওয়া হয়নি। আমাকে প্রথম ছবিতে পাঁচ শ টাকা দেওয়া হয়েছিল।’
বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি অভিনয় করেছেন ‘আবার তোরা মানুষ হ’, ‘আলোর মিছিল’, ‘সুজন সখী’, ‘লাঠিয়াল’, ‘সূর্যগ্রহণ’, ‘মাটির মায়া’, ‘নয়নমনি’, ‘সারেং বৌ’, ‘গোলাপি এখন ট্রেনে’, ‘নাগরদোলা’, ‘দিন যায় কথা থাকে’, ‘কথা দিলাম’, ‘মাটির পুতুল’, ‘সাহেব’, ‘ছোট মা’, ‘এতিম’, ‘ঘরজামাই’, ‘মিয়া ভাই’র মতো অসংখ্য সিনেমায়।
ফারুক তার অভিনয়ের জন্য ১৯বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে মনোনীত হয়েছিলেন। কিন্তু তার হাতে পুরস্কার উঠেছিল কেবলই একবার। অবশ্য ২০১৬ সালে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। অভিনয়ের বাইরে তিনি ঢাকা ১৭ আসনের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ঈদের দিন সকাল থেকেই দেশের ২৮টি প্রেক্ষাগৃহে একযোগে প্রদর্শিত হচ্ছে ‘সুড়ঙ্গ’।
বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শকদের কাছ থেকেও বেশ ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেতে দেখা গেছে।
এবার সিনেমার অভিনেতা নিশো জানালেন দর্শকদের সঙ্গে ‘সুড়ঙ্গ’ দেখার অভিজ্ঞতা হয়েছে তারও। ঈদের দিন লুকিয়ে প্রেক্ষাগৃহে প্রবেশ করে নিজের প্রথম সিনেমা দেখেছেন তিনি।
আফরান নিশো বলেন, ‘সিনেমা নিয়ে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য লুকিয়ে প্রেক্ষাগৃহে ঢুকি।
এই অভিনেতা বলেন, ‘আমি দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করি, দর্শকদের ভালোবাসা এমনিতেই পাই।
দর্শকরা কেউ-ই বুঝতে পারেনি আমি হলে আছি। মূলত, শো শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর লুকিয়ে হলে যাই। কারণ আমি চাইনি আমাদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে দর্শকদের নজর সিনেমা বাদ দিয়ে আমাদের দিকে আসুক।’
যারা আমার অনুরাগী তারা আমাকে যথেষ্ট সম্মান করেন, ভালোবাসেন। প্রথম থেকেই বলে আসছি, আমাদের টিমের পরিশ্রম যদি পর্দায় রিফ্লেক্ট করে, তবে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া আসবে। ফাইনালি আমরা দর্শকদের প্রতিক্রিয়া পেয়েছি। মজার দৃশ্যে দর্শকদের হাসি, যেটা বিস্মিত হওয়ার মুহূর্ত সেখানে তারা বিস্মিত হয়েছেন এবং দর্শকদের উচ্ছ্বাস দেখে আমি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম।
দর্শকদের অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।’
‘সুড়ঙ্গ’ যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে চরকি ও আলফা আই। চিত্রনাট্য করেছেন নাজিম উদ্ দৌলা ও রায়হান রাফী।
মন্তব্য করুন


ব্যাপারটা বেশ অনুমিতই ছিল। গতকাল (মঙ্গলবার) এক সাক্ষাৎকারে ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খান জানান, চিত্রনায়িকা ও তার স্ত্রী শবনম বুবলীর সঙ্গে সম্পর্কের অধ্যায় পুরোপুরি শেষ হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে আর অনস্ক্রিন–অফস্ক্রিন কোথাও দেখা যাবে না তাদেরকে। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন বুবলী। জানালেন, এখনো শাকিবের সাথে ডিভোর্স হয়নি তার।
আজ বুধবার (১০ মে) বেলা ১১টার দিকে শাকিবের মন্তব্য ও তার অবস্থান নিয়ে এক নাতিদীর্ঘ ফেসবুক পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, ‘মিস্টার শাকিব খান, আপনার বিশেষ কিছু সাক্ষাৎকার খুব অপরিচিত লাগে, কেমন যেন! বাস্তবে দেখা আপনার সাথে মেলে না। আপনি কি সব সময় সজ্ঞানে কথা বলেন না কি অজ্ঞানেও মাঝেমাঝে কথা বলেন? না কি আপনার হয়ে আপনার একান্ত মুখপাত্ররাও কথা বলে?’
হঠাৎ হঠাৎ এরকম নিউজে বেশ অবাক হন নায়িকা। বুবলী লেখেন, ‘কিছু দিন পরপর হঠাৎ হঠাৎ করে আমাকে নিয়ে আপনার এরকম নিউজ দেখে খুব অবাক হয়ে ভাবি হচ্ছেটা কী! শেহজাদের মুখের দিকে তাকিয়ে আপনাকে নিয়ে অনেক কিছুই বলতে চাই না, এড়িয়ে যাই। কিন্তু আমার ছেলের সম্মানের জন্য যদি মা হয়ে আমাকে কথা বলতে হয়, সময় হলে আমি অবশ্যই বলব।’
মন্তব্য করুন