

না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন ঢাকাই সিনেমার ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় মৃত্যু হয়েছে তার। বরেণ্য এই অভিনেতার প্রয়াণে শোকে মুহ্যমান পুরো ঢালিউড।
চিত্রনায়ক ফারুকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন ঢালিউড শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। জানান, একজন অভিভাবক হারানোর শোক অনুভব করছেন তিনি।
ফেসবুক পাতায় শাকিব লেখেন, ‘চলে গেলেন আমাদের প্রিয় মিয়া ভাই (আকবর পাঠান ফারুক)। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। যত দিন তিনি সুস্থ সবল ছিলেন, তত দিন আমাকে স্নেহে আগলে রেখেছিলেন। আমার যে কোনো ভালো কাজ এবং ছবির পোস্টার কিংবা ট্রেলার রিলিজ দেখে তিনি নিজ থেকে অ্যাপ্রিশিয়েট করে গর্বিত হতেন।’
স্মৃতিকাতর শাকিবের মূল্যায়ন, ‘আমার কাছে শ্রদ্ধাভাজন এই মানুষটি ছিলেন চলচ্চিত্র অঙ্গনে প্রাজ্ঞজনদের একজন। কাজে কিংবা কাজের বাইরে এই মহান মানুষটির সাথে আমার অসংখ্য স্মৃতি। তার প্রয়াণে প্রিয় অভিনেতা হারানোর পাশাপাশি একজন অভিভাবক হারানোর শোক অনুভব করছি। ওপারে অনেক শান্তিতে থাকবেন।’
মন্তব্য করুন


১৪ জুলাই শুক্রবার
প্রকাশ করা হয় ‘আমি কী তুমি?’ সিরিজের ফার্স্টলুক পোস্টার।
যেখানে মেহজাবীনের চোখেমুখে বিস্ময়!
পোস্টারটি প্রকাশের পর অন্তর্জালে বেশ রহস্যের জন্ম দিয়েছে।
এতে ব্যতিক্রম এক লুকে দেখা গেছে মেহজাবীনকে।
মুখে অক্সিজেন মাস্ক, রহস্যময় চোখ, গড়িয়ে পড়ছে কাজল।
ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী।
মেহজাবীন ফেসবুকে পোস্টারটি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘আমি কী তুমি? এই প্রশ্নের উত্তর কখনো শুধু “হ্যাঁ” বা “না” হতে পারে না। উত্তরটা আপনাদের জানাতে শিগগির আসছি আমরা।’
ওয়েব সিরিজটি নিয়ে নির্মাতা ভিকি জাহেদ বলেন, এটি থ্রিলার ও হররের বাইরে রোমান্স ও ড্রামা বেইজ একটি কনটেন্ট। দর্শক অনেক দিন পর আমার ভিন্ন জনরার কাজ দেখতে পাবেন।’
শিগগিরই সিরিজটি মুক্তি পাবে বলে জানান এ নির্মাতা।
মন্তব্য করুন


ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পরীমণি মাত্র তিন বছর বয়সে মাতৃহারা হন। ২০১২ সালে তার বাবাও না ফেরার দেশে চলে যান।
মাতৃহারা হওয়ার পর থেকেই নানার কাছেই বড় হয়েছেন তিনি। তবে এবার প্রিয় সেই নানা শামসুল হক গাজীকে হারালেন তিনি।
নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাত ২টা ১১ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে চলে যান তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) ।
এই নির্মাতা আরো জানান, পরীমণির নানার মরদেহ গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের শিংখালীতে নেওয়া হচ্ছে। সেখানেই পরীর নানির কবরের পাশে তাকে শায়িত করা হবে।
গেল অক্টোবর মাসের ছিল পরীমণির জন্মদিন। প্রতিবার ঘটা করে দিনটি উদযাপন করলেও এবার নানার অসুস্থতার কারণে আয়োজন থেকে বিরত ছিলেন তিনি।
তখন পরীমণি বলেছিলেন, বেশ কদিন ধরেই নানা বেশ অসুস্থ। তিনি এখন হাসপাতালে ভর্তি। আপনারা জানেন প্রতিবার জন্মদিনে নানুর হাত ধরে কেক কাটি। আমার নানু আমার জন্য কী সেটা সবাই জানেন। তিনি কদিন ধরেই অসুস্থ। তার অসুস্থতার জন্য আমি শুটিংও বাদ দিয়েছিলাম। তাই এবার জন্মদিনটি পালন করছিনা।
মন্তব্য করুন


সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা শবনম বুবলীর। শাকিবের সঙ্গে দাম্পত্যজীবনে ঝামেলা লেগেই আছে গত বছরের শেষ দিক থেকে। ইদানীং এই দম্পতির সমস্যা আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। আজ রোববার (১৪ মে) এক সাক্ষাৎকারে বুবলীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ আনেন শাকিব।
এবার কান্নায় ভেঙে পড়লেন বুবলী। তবে সেটা শাকিবঘটিত কোনো কারণে নয়, বরং গতকাল মা দিবসের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন এ অভিনেত্রী। সেখানেই বক্তব্য দিতে গিয়ে নিজেকে সামলাতে পারেননি তিনি। মায়ের কথা বলতেই কেঁদে ফেলেন বুবলী।
তিনি বলেন, ‘গত আট বছর ধরে চলচ্চিত্রে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। অল্পদিনের ক্যারিয়ারে দর্শকদের ভালোবাসায় বেশ কিছু পুরস্কার আমার ঝুলিতে যোগ হয়েছে। কিন্তু আজকের সময়টা আমার কাছে অন্যরকম। এ ধরনের চমৎকার আয়োজন করার জন্য আয়োজকদের অসংখ্যা ধন্যবাদ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে মায়েদের সম্মানিত করেছেন জীবন্ত কিংবদন্তি রুনা ম্যাম। তাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।‘
মাকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন নায়িকা। তার কথায়, ‘আমার মাকে নিয়ে বলতে গেলে, আমি প্রচুর ইমোশনাল হয়ে যাই। কোনো দিন বলা হয়নি, প্রথমেই বলি—মা তোমাকে অনেক ভালোবাসি।’ এ কথা বলার পর কান্নায় ভেঙে পড়েন বুবলী।
এরপর নিজেকে সামলে নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া যে মা বেঁচে থাকাবস্থায় আমি আমার মাকে সম্মানিত করতে পেরেছি। বর্তমানে আমার মা অনেক অসুস্থ। উনি আমার অক্সিজেন। আমি কখনো ভাবতে পারি না, আমি থাকা অবস্থায় আমার মা নেই। কখনো চিন্তা এলে আমি প্রচণ্ড ইমোশনাল হয়ে যাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা হয়তো কাজ করি, ব্যস্ত থাকি। মায়ের জন্য সময় বের করতে পারি না। খোঁজও নিতে পারি না, মা তুমি কেমন আছো?
নিজের জীবনে মায়ের অবদান তুলে ধরে বুবলী বলেন, ‘আমার এ সফলতার পেছনে বড় অবদান আমার মায়ের। এখনো কাজ করছি। এখনো আমার পাশে থাকেন আমার মা। শুধু তাই নয়, আমিও একজন মা। আমার ছেলে আছে। তাকেও দেখভাল করে আমার মা। যেন আমার কাজে সহযোগিতা হয়।’
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ‘বসগিরি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় নাম লেখান বুবলী। এরপর শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে উপহার দেন বেশ কিছু ব্যবসাসফল সিনেমা। গত ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেয়েছে বুবলীর জোড়া ছবি; তপু খান পরিচালিত ‘লিডার: আমিই বাংলাদেশ’ ছবিতে তার বিপরীতে সহশিল্পী হিসেবে ছিলেন শাকিব খান এবং সাইফ চন্দন পরিচালিত ‘লোকাল’-এ আদর আজাদ।
মন্তব্য করুন


বর্তমান সময়ের চলচ্চিত্র নায়িকা হিসেবে পরিচিত ইয়ামিন হক ববি অভিনীত সিনেমা ‘ময়ূরাক্ষী’ গতকাল (১১ জুন) সেন্সর ছাড়পত্র পায়।রাশিদ পলাশের পরিচালনায় সিনেমাটি ঈদের পরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে।
গোলাম রাব্বানীর গল্প, চিত্রনাট্য ও সংলাপে সিনেমাটির প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইয়ামিন হক ববি ও সুদীপ বিশ্বাস দ্বীপ। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদিয়া মাহি, সুমিত সেনগুপ্ত, ফারজানা ছবি, সমু চৌধুরী, দীপক সুমন, সাবিনা পুঁথি, ফারুক, দীপক সুমন, মুহিন খান, মানিক শাহ, জুলফিকার চঞ্চলসহ অনেকেই।
রাশিদ পলাশ বলেন, ‘আসছে ঈদে মুক্তির তালিকায় বেশ কিছু সিনেমা রয়েছে। ঈদের পরে ‘ময়ূরাক্ষী’ সিনেমাটি মুক্তি দিব। পোস্টার রিলিজের মাধ্যমে আজ থেকে এই ছবিটির আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হবে।’
মন্তব্য করুন


বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুকের মরদেহ ঢাকায় আনা হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৬ মে) সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট তার মরদেহ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয় বলে এয়ারলাইন্সটির জনসংযোগ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ইউএস-বাংলার বিএস-৩০৮ ফ্লাইটটি নায়ক ফারুকের মরদেহ নিয়ে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।
সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন চিত্রনায়ক ফারুক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন।
তার ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান জানান, গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ আসবে। পরে সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
বেলা ১১টায় জাতীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য নেওয়া হবে। বাদ জোহর এফডিসিতে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন এবং সেখানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষ সন্ধ্যা ৭টায় গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমুলিয়া দক্ষিণ সোম গ্রামের বাড়িতে চতুর্থ জানাজা সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
মন্তব্য করুন


বর্তমানে হাতে তেমন কাজের চাপ না থাকলেও, একসময় বড় পর্দা দাপিয়ে বেড়িয়েছেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা ওমর সানী। তখন বিনোদন মাধ্যম বলতে বড় পর্দাকেই বোঝাত। এখন অবশ্য অনেকগুলো মাধ্যম বিনোদনের নিত্যদিনের খোরাক জোগাচ্ছে। তার মধ্যে অন্যতম ওটিটি প্ল্যাটফর্ম।
সম্প্রতি ওটিটি প্ল্যাটফর্মের কনটেন্ট নিয়ে মুখ খুলেছেন অনেকেই। সেন্সরশিপ না থাকায় সেখানে অ্যাডাল্ট কনটেন্টের ছড়াছড়ি লক্ষ করা যায়। এবার সে বিষয়টি নিয়েই কথা বলেছেন ওমর সানী।
বুধবার (১০ মে) সকালে ‘ওমর সানী ভ্লগস’ ফেসবুক পেজের এক স্ট্যাটাসে রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দেন অভিনেতা। নাম উল্লেখ না করে তিনি লেখেন, ‘ওয়েব সিরিজে যা দেখলাম তাতে মনে হচ্ছে ব্লু ফিল্ম চালাবার একটা পাঁয়তারা। আর এটা যদি হয় শৈল্পিক, তাহলে ময়ূরী, মুনমুনদের কিছু পরিচালক ল্যাংটা বলতেন। আর এখন কী দেখছেন, গাধার বাচ্চা। পেছনে ফিরে তাকাই।’
বরাবরই সাম্প্রতিক ইস্যু নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব থাকেন ওমর সানী। গতকাল (মঙ্গলবার) শাকিবের ‘প্রিয়তমা’ ছবিতে ওপার বাংলার টিভি অভিনেত্রী ইধিকা পালের অন্তর্ভুক্তি নিয়েও ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন। তার মতে, প্রিয়তমা বলতে তিনি বোঝেন সুচিত্রা সেন, কবরী, শাবানা, ববিতা, মৌসুমী, শাবনুর, পূর্ণিমাকে। কিন্তু এখনকার ‘প্রিয়তমা’ দেখে একপ্রকার হতাশ তিনি।
সর্বশেষ ওমর সানীকে শুটিং করতে দেখা যায় জাহিদ হাসান পরিচালিত ‘সোনার চর’ সিনেমায়। এতে ওমর সানী ছাড়াও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মৌসুমী, জায়েদ খান, শহীদুজ্জামান সেলিম, শবনম পারভীন, আবুল হোসেন মজুমদার, শাওন আশরাফ, পাপিয়া মাহি প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


একমাত্র ছেলে শাহীম মুহাম্মদ রাজ্যকে নিয়ে ফেসবুকে ফের আবেগঘন পোস্ট করেছেন নায়িকা পরীমণি।
জানালেন, ছেলেকে নিয়ে বেশ চিন্তিত তিনি- কয়েক দিন ধরে রাজ্যকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটছেন। জ্বরে আক্রান্ত ছোট্ট রাজ্যর হাতে ক্যানোলা পরানো একটি ছবি পোস্ট করে শুক্রবার রাতে ফেসবুকে এমনটাই জানান পরীমণি।
তিনি লিখেছেন, আমার পদ্মফুল, মনে পড়ে তোমার প্রথম ভ্যাকসিন দেওয়ার দিন আমি ভয়ে, কষ্টে কান্নায় বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলাম। তখন আমাকে সামলানোর কেউ ছিল বলেই হয়তো কাঁদতেও সহজ লাগছিল আমার। আজ তোমার হাতে ক্যানোলা পরানো হলো তোমার ব্লাড টেস্টের জন্য। আমি একা তোমাকে বুকে ধরে সাহস জোগাই। সামনের এমন আরও কঠিন সময়ের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করি। অনেক কঠিনরে মোকাবিলা করব বলে। আমি জানি তুমি আমার অনেক স্ট্রং বয়। মায়ের সমস্ত বিশ্বাস জুড়ে থেকো। আর আমাকে এমন করে আম্বা বলেই ডেকো।
আমি জানি এই আম্বাটা কী। আমি তোমার আম্মাও, আব্বাও। বাচ্চা আমার, আমি তো এই দিনগুলোর জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। এরপর স্যাড ইমোজি দিয়ে তার নিচে পরীমনি লিখেছেন, কিছু চিঠি খোলাই হয়...।
মন্তব্য করুন


টলিউডের
জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূজা ব্যানার্জি বড় দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে গেলেন। অভিনেত্রীর বাড়িতে
আগুন লেগে গিয়েছিল। তবে তার ও পরিবারের কারো ক্ষতি হয়নি। এই বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে
জানিয়েছেন অভিনেত্রী পূজা ব্যানার্জি।
অভিনেত্রী
পূজা ব্যানার্জি জানিয়েছেন, গ্যাস সিলিন্ডার লিক করে আগুন লেগে যায় তার বাড়িতে। তবে
বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন পূজা ও তার পরিবার।
তবে
একাধিক ভারতীয় প্রতিবেদন অনুসারে, বুধবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে।
ইনস্টাগ্রাম
স্টোরিতে পূজা লিখেছেন, একটুর জন্য আজ বেঁচে গেলাম। বাড়িতে আগুন লেগে গিয়েছিল। ভগবানের
অশেষ কৃপা যে আমাকে আর আমার পরিবারকে এই মারাত্মক দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করেছে।
টলিউডের একসময়ের ব্যস্ত
অভিনেত্রী পূজা ব্যানার্জি অনেক দিন বড় পর্দা থেকে দূরেই ছিলেন। বাংলার পাশাপাশি হিন্দি
ছবিতেও কাজ করেছেন পূজা।
মন্তব্য করুন


জমে উঠেছে শাকিব-বুবলীর কথার লড়াই। গতকাল (রোববার) এক সাক্ষাৎকারে শবনম বুবলীকে নিয়ে কথা বলেন শাকিব খান। সেখানে বুবলীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দাঁড় করান ঢাকাই সিনেমার এই শীর্ষ নায়ক। পরদিন (সোমবার) সেই একই গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন বুবলী। সঙ্গে এও জানান, শিগগিরই আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন তিনি।
শাকিবের অভিযোগের বিষয়ে বুবলী বলেন, ‘তিনি তার সন্তানের মাকে নিয়ে যে নোংরাভাবে মিথ্যাচার করছেন, যে বাজেভাবে কথা বলছেন, আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করছেন, মানহানির চেষ্টা করছেন— তার সব কিছুর প্রমাণ আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন। আমি কীভাবে তাকে সম্মান দিয়ে কথা বলি এবং তিনি কীভাবে আমাকে অসম্মান করছেন। এছাড়া পূর্বের সব বিষয় অস্বীকার করে নানান গল্প বলছেন তাও আপনারা দেখছেন। এসব আমাকে এবং সন্তানকে বিপর্যস্ত করে তুলছে। কারণ আমি মা হিসেবে মানসিকভাবে ভালো না থাকলে আমার সন্তানের ওপরও তার মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। এটা নিয়ে শিগগিরই আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেব। কারণ এই মানহানি আমার একার নয়, সন্তানেরও।’
ডিভোর্সের বিষয়েও মুখ খোলেন নায়িকা। তার কথায়, ‘একজন মেয়ে হিসেবে বিয়ের পর সব সময় আমি চেয়েছি সুন্দরভাবে সংসার করতে, যেটা আপনারা অনেকবার দেখেছেন। আর এই সংসার করতে চাওয়াটাই আমার কাল হলো। এছাড়া কোনো স্বামী-স্ত্রী যদি আলাদা হয়ে যায় তাহলে তারা হয় সেপারেটেড না হলে ডিভোর্সড। আমি সেটাই বলেছি যে, ডিভোর্স হলে তো ডিভোর্স লেটার থাকবে। আমি তা পাইনি। তার মানে আমাদের সম্পর্কটা আসলে এখন কোথায় দাঁড়িয়ে আছে আপনারাই বলুন। আমি কী এখন এটাকে- সেপারেটেড নাকি ডিভোর্সড বলব?’
মন্তব্য করুন


অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে কথার লড়াই যেন থামছেই না। গতকাল শাকিব খান জানিয়েছিলেন, বুবলীকে একবার তার বাসা থেকে ঘাড় ধরে বের করে দেওয়া হয়েছিল। আজ সোমবার (১৫ মে) বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন শবনম বুবলী। জানান, এ ধরনের ব্যবহারের প্রশ্নই ওঠে না।
শাকিবের বাসায় জোর করে ঢোকার বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের এক প্রশ্নের জবাবে বুবলী বলেন, ‘সবার আগে আমার কাছে ব্যক্তিত্ব, তারপর অন্য কিছু। আমার নিজেরও তো আত্মসম্মানবোধ আছে, জোর করে কেন যাব? আমি কখনো জোর করে তার বাসায় যাইনি, আমি ওই ধরনের মানুষই নই। শেহজাদকে নিয়ে আমি তার ইচ্ছাতেই ওই বাসায় যেতাম। আর শেহজাদকে কখনো একা ন্যানিকে দিয়ে পাঠাইনি। ওখানে সব সময় আমিই নিয়ে যাই, ন্যানি সঙ্গে থাকে।’
‘ঘাড় ধাক্কা’র মতো ঘটনার বিষয়েও কথা বলেন বুবলী। তার কথায়, ‘উনি বললেন, তার বাসায় নাকি কী সিনক্রিয়েট করে আমাকে বের করে দিয়েছে। আমার সঙ্গে কে নাকি খারাপ ব্যবহারও করেছে? এটার তো প্রশ্নই ওঠে না, চাইলে আপনারা তার ওখানে সিসি ক্যামেরা চেক করেন। তিনি তো দূরের কথা, তার সামনে কেউ আমার সঙ্গে বাজে সিনক্রিয়েট করার সাহস নেই। ওরকম হলে তিনি নিজেই তাদের বকা দিতেন।’
এর আগে গতকাল রোববার (১৪ মে) সাক্ষাৎকারে শাকিব বলেন, ‘তার (বুবলী) সঙ্গে সম্পর্কের পর এক দিনের জন্যও সে আমাদের বাসায় থাকেনি। আমার বাসার কারো সঙ্গে তার কথাও হয়নি। আগে পরিচয়ও ছিল না। সে জোর করে আমার বাসায় এসে সিনক্রিয়েট করার চেষ্টা করে। একবার তাকে ঘাড় ধরে বের করে দেওয়া হয়েছিল।’
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ২০ জুলাই শাকিব খানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শবনম বুবলী। এরপর ২০২০ সালের ২১ মার্চ সন্তানের বাবা-মা হন তারা। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর দুজনের ফেসবুক আইডি থেকে সন্তানের নামসহ ছবি প্রকাশ করেন। জানান, তাদের ছেলের নাম ‘শেহজাদ খান বীর’।
মন্তব্য করুন