

বিয়ে
করেছেন ‘হাবু ভাই’খ্যাত অভিনেতা চাষী আলম।
২৫
আগস্ট গত শুক্রবার ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’র
নির্মাতা ও অভিনেতারা। কিন্তু দেখা যায়নি
‘কাবিলা’খ্যাত অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশকে।
জানা
যায়, ৩ দিনের জন্য তাবলিগ জামাতে যাওয়ায় গিয়েছিলেন জিয়াউল
হক পলাশ। আর সেকারণে হাবু ভাইয়ের বিয়েতে উপস্থিত হতে পারেননি পলাশ।
একাধিক
ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা যায়, জিয়াউল হক
পলাশ ছোটবেলা থেকেই তাবলিগ জামাতে যান। মাঝে অনেক দিন দূরে ছিলেন। তবে গত ২৪ আগস্ট
তিনি ৩ দিনের জন্য তাবলিগ জামাতে যান। ইবাদত শেষে বাসায় ফেরেন ২৭ তারিখ।
এদিকে,
পলাশের তাবলিগ জামাতে অংশ নেওয়া একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইলার হয়েছে।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
সোমবার (১৫ মে) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চিত্রনায়ক ফারুকের ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, চিত্রনায়ক ও সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন পাঠান দুলু ওরফে ফারুকের প্রথম নামাজে জানাজা সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ আসবে। পরে সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
উল্লেখ্য, চিত্রনায়ক ফারুক সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন। মঙ্গলবার (১৬ মে) সকালে তার মরদেহ দেশে আনা হবে।
মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপনের মডেল হয়ে দারুণ সাড়া পান প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। সেই ছোট্ট দিঘী এখন পুরোদস্তুর নায়িকা। নায়িকা হিসেবে অভিষেক হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৪টি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে দিঘীর। তবে আশানুরূপ আলোচনা বা ব্যবসা কোনোটাই এ নায়িকার কপালে জোটেনি। তবে বর্তমান সময়ে
দিঘী কী করছেন? ব্যস্ততা নিয়ে এ অভিনেত্রী
দিঘী বলেন, সত্যি কথা বলতে, বর্তমানে হাতে তেমন কোনো কাজ নেই। অনেকটাই ফ্রি সময় কাটাচ্ছি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেক সময় পার করছি। বলা
যায় এক ধরনের অলস সময় পার করছি। ছোটবেলা থেকেই শুটিং করে আসছি। এখন লাইট ক্যামেরা অ্যাকশন ছাড়া কীভাবে সময় কাটবে- বুঝতে পারছি না। এ ছাড়া চলতি মাসে আরও কিছু কাজ করার কথা রয়েছে। অনেকগুলো স্টেজ শোতে অংশ নেওয়ারও কথা। সেগুলোও একের পর এক বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া অচিরেই নতুন একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেলিং করার কথা। যদি এটাও পিছিয়ে যায় হরতাল-অবরোধের কারণে- তাহলে বলেন কী করব! সবাই এখন সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয়
অভিনেতা আনিকা কবির শখ। বিজ্ঞাপন, নাটক, সিনেমায় ছড়িয়েছিলেন সৌন্দর্যের দ্যুতি।
কিন্তু বিয়ে করে সংসার নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন শখ। সম্প্রতি ফিরেছেন তিনি।
ফিরেই জানালেন, যে প্লেয়ার সে সব সময় খেলতে পারে। প্রতিযোগিতা না থাকলে খেলে মজা
পাওয়া যায় না।
আনিকা কবির শখ বলেন, ব্রেক নিয়েছি। আসলে আমার কিছু কাছের মানুষ ব্রেক
নিতে বাধ্য করেছে। কারণ আমার সঙ্গে একটা ডিজাস্টার হয়ে গেছে। একই সঙ্গে আমার
সেলফোন, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব হ্যাক হয়ে গিয়েছিল। সেগুলো ফিরিয়ে আনতে আনতে
আমি আসলে হতাশ হয়ে গিয়েছিলাম। একটা সময় গিয়ে মনে হলো, ঠিক আছে বাদ দেওয়া যাক। তবে
আমি বিশ্বাস করি কারও জায়গা কেউ নিতে পারে না। আর আমি এত ছোট থেকে কাজ শুরু করেছি
যে, আমার বিশ্বাস ছিল- আমার দর্শক আমাকে ভুলে যাবে না। আমিও কারও সন্তান। আমারও
সংসার, সন্তান আছে। ওই জায়গাটা তো ভুলে গেলে চলবে না। ওই জায়গাটাও আমার ঠিক রাখতে
হবে। শুধু যে আমি একজন শিল্পী তা তো নয়। একটু ব্রেক নিয়ে আমার পারিবারিক জায়গাটাও
আমি ঠিক রেখেছি। এখন আবার ফিরে এসেছি। নিয়মিত কাজ করব। আর উৎসব আয়োজনেও শখকে পাওয়া
যাবে। কারণ খালি মাঠে সবাই গোল মারতে পারে। ভরা মাঠে পারে না। আমি গোল দিয়েছি ভরা
মাঠে। আমি বিশ্বাস করি, যে প্লেয়ার সে সব সময় খেলতে পারে। তাকে যে মাঠে ছেড়া দেওয়া
হোক না কেন। হ্যাঁ, প্রতিযোগিতা না থাকলে আসলে খেলে মজা পাওয়া যায় না। আমার মনে
হচ্ছে মাঠটা খালি। প্লিজ কেউ আসো, আমার সঙ্গে প্রতিযোগিতায়।
মন্তব্য করুন


৯ সেপ্টেম্বর শনিবার ঢাকাই
সিনেমার আলোচিত তারকা দম্পতি অনন্ত জলিল ও আফিয়া নুসরাত বর্ষা হাজির হয়েছিলেন একটি
মাল্টিপ্লেক্সে।
সেখানে
উপস্থিত সংবাদকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার এক পর্যায়ে অনন্ত জলিল তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা
বর্ষাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘এবার আমাদের সুন্দরী বউ কথা বলবে। আমার সুন্দরী বউ,
আপনাদের বোন। ’
অনুষ্ঠানে কিছুটা
স্মৃতিকাতরও হন অনন্ত-বর্ষা। ২০১৩ সালে এই দম্পতির ‘নিঃস্বার্থ ভালবাসা’ সিনেমা
দিয়েই যাত্রা শুরু হয় ব্লকবাস্টার সিনেমাসের।
অনন্ত জলিল বলেন, আজ
ব্লকবাস্টারের ১০ বছর পূর্ণ হলো। আপনারা সবাই জেনে আনন্দিত হবেন যে ‘নিঃস্বার্থ
ভালবাসা’ দিয়ে এটি ওপেনিং হয়। সিনেমার জন্য তাদের ৭টা স্ক্রিন আছে। আমরা যখনই
সিনেমা রিলিজ করি তখনই এটা আমাদের জন্য ভাইটাল একটা পয়েন্ট। এই জন্য যখনই উনারা
কোনো আয়োজনে আমাদের ডাকেন, আমরা সাড়া দিই। উনারাও আমাদের ডাকে সাড়া দেন, আমরাও
তাদের ডাকে সাড়া দিই। আমরাও ভালোবাসি তাদের, তারাও আমাদের ভালোবাসেন। ’
অনন্ত-বর্ষার পাশাপাশি
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অপু বিশ্বাস, পরীমণি, সিয়াম আহমেদ, চয়নিকা চৌধুরী, ইমনসহ
আরো অনেকে।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী সাবিলা নূরকে দেখে চেনার উপায় নেই! গায়ের রঙ খুব কালো। মুখটা ফ্যাকাশে।
‘বিদিশা’নামের একটি নাটকে কালো মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। নারী দিবসকে সামনে রেখে তৈরি হয়েছে এটি।
‘বিদিশা’র চিত্রনাট্য সাজিয়েছেন ও পরিচালনা করেছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। তিনি বলেন, সাবিলা নূরকে নতুন আঙ্গিকে দেখে দর্শকেরা চমকে যাবেন। অনেকদিন মনে রাখার মতো অভিনয় করেছেন তিনি। নারী দিবসে নাটকটির মাধ্যমে নারীর সংগ্রাম ও বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলতে চেয়েছি।
সাবিলা নূরের পাশাপাশি নাটকটিতে অভিনয় করেছেন শামীমা নাজনীন, সমু চৌধুরী, এরফান মৃধা শিবলু, অতিথি ইসরাতসহ অনেকে। সম্প্রতি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে এর চিত্রায়ন হয়েছে।
‘বিদিশা’ গল্পটি লিখেছেন আবুল বাশার পিয়াস। চিত্রগ্রহণ করেছেন ফুয়াদ বিন আলমগীর। সংগীত পরিচালনায় শাহরিয়ার মার্সেল।
আগামী ৮ মার্চ নারী দিবসে ইউটিউবে সিনেমাওয়ালা চ্যানেলে মুক্তি পাবে নাটকটি।
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের মতো বালিউড সিনেমায় অভিনয় করলেন দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান।সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী।
সিনেমার নাম ‘করক সিং’।
২০২২ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয় সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয় ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে।
এ খবর সবার জানা, নতুন খবর হচ্ছে- রহস্য আর সাসপেন্সে ভরপুর থ্রিলার গল্পের সিনেমা ‘করক সিং’ মুক্তি পাচ্ছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে জি ফাইভে। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষের দিকে সিনেমাটি দেখা যাবে।
জয়া আহসান ছাড়াও এই সিনেমায় প্রধান চরিত্রে আছেন বলিউড অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী। আরও আছেন ‘দিল বেচারা’খ্যাত অভিনেত্রী সঞ্জনা সাংঘী ও মালয়ালম অভিনেত্রী পার্বতী।
এর আগে সিনেমার শুটিং শেষে জয়া আহসান অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন কাজের অভিজ্ঞতাও। ওই সময় শুটিং ও প্যাকআপের কিছু স্থিরচিত্র ফেসবুকে পোস্ট করে জয়া লেখেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী বা যাকে আমরা টনি দা বলে ডাকি, তার নেতৃত্বে এমন অসাধারণ টিমে কাজ করতে পেরেছি। পঙ্কজ ত্রিপাঠি এবং অন্য যারা আছেন, তাদের সঙ্গে কাজ করা আমার জন্য অনেক বড় অভিজ্ঞতা। আমি কাজের প্রত্যেকটি মুহূর্ত ভালোবেসেছি।
জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী আরও লিখেছিলেন, একজন শিল্পী কতখানি শিখতে পারেন, তার কোনো সীমা নেই। প্রত্যেকদিনই আমরা নতুন নতুন জিনিস শিখি এবং এই সিনেমার শুটিং আমার জন্য অতুলনীয় অভিজ্ঞতা। একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে আমাকে সমর্থন করার জন্য পুরো টিমের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। তোমাদের সঙ্গে আবারও কাজ করতে উন্মুখ হয়ে থাকব।
জানা গেছে, অ্যামনেশিয়ায় আক্রান্ত একে শ্রীবাস্তব নামক এক চরিত্রের সংকটময় জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। এই চরিত্রটি অতীতের সব ঘটনা ভুলে গেছে। ভুলে যাওয়া ছোট ছোট স্মৃতি একত্র করার চেষ্টা করতে থাকে সে। একপর্যায়ে শ্রীবাস্তব আবিষ্কার করে বিরাট এক অর্থনৈতিক অপকর্মের পেছনের সত্য।
‘করক সিং’ সিনেমার এমন গল্প লিখেছেন বিরাফ সরকারি, রিতেশ শাহ ও অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী। এটি প্রযোজনা করছে উইজ ফিল্মস।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


১৮ জুন রোববার নিজের ফেসবুকে এই চিত্রনায়িকা মাহিয়া
মাহি লেখেন, আহ, আর ২টা মাস কখন শেষ হবে? জিম করব, ডায়েট করব? আবার চিকনি চামেলি হয়ে ব্যাক করব? নিজেই নিজের ট্রান্সফরমেশন দেখার অপেক্ষায় পাগল হয়ে যাচ্ছি।
২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে গাজীপুরের ব্যবসায়ী রকির সরকারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মাহিয়া মাহি। আর ২০২২ সালের আগস্টে মা হতে যাচ্ছেন বলে মাহি নিজেইখবর জানিয়েছিলেন। এরপর চলতি বছরের ২৮ মার্চ রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন মাহি। বর্তমানে সন্তান ও সংসার নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি।
মন্তব্য করুন


রাঘব-পরিণীতির প্রেম ছিল অনেকটাই ওপেন সিক্রেট। দুজন দুজনের প্রেমে মজলেও তা একটিবারও মুখ ফুটে স্বীকার করেননি। অবশেষে আংটি বদল হতেই প্রকাশ্যে আসে তাদের সম্পর্কটি। বাগদানের পর তাদের প্রেম নিয়ে মুখ খুললেন পরিণীতি।
সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে পরিণীতি লেখেন, আমাদের সম্পর্ক ও বাগদান নিয়ে যেভাবে ইতিবাচক মনোভাব ছিল সবার, তা দেখে সত্য়িই আপ্লুত আমি ও রাধব। আপনাদের এরকম সঙ্গে থাকা আমাদের শক্তি দিয়েছে। অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
‘আমাদের দুজনের পৃথিবীটা সম্পূর্ণ আলাদা। একেবারে বিপরীতধর্মী কর্মক্ষেত্র থেকে এসেছি। তবে আমাদের সম্পর্ক খুব অটুট। আর এই কারণেই খুব বড় পরিবারকে পেয়েছি আমরা। যা কিনা আমাদের সম্পর্কের ভিত।’
পোস্টে আত্মীয়-পরিজন, সহকর্মী ও বিশেষ করে সংবাদমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানান অভিনেত্রী।
মন্তব্য করুন


চিত্রনায়িকা পূজা চেরির মা ঝর্ণা রায় এ বছরের ২৪ মার্চ সকালে মিরপুরের নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেন। অভিনেত্রী পূজা চেরি মাকে হারানোর বেদনা এখনও সামলাতে পারেননি।
আজ মা দিবস। জীবনের প্রথম মাকে এছাড়া দিবসটি পালন করতে হচ্ছে। তাই মায়ের মুখটাই বেশি মনে পরছে পূজার।
সামাজিকমাধ্যমে পূজা লেখেন, মামুনি দেখেছো? তুমি কি পচা কাজ করেছো। সকালে ঘুম থেকে উঠেই অঝরে চোখ থেকে জল পরতে দিলে! সারাজীবনই তো এই জল পরবে মা। কি করে থামাবো? উফ খুব কষ্ট হচ্ছে মামুনি। আর লিখতে পারছি না। বুকটা ফেটে যাচ্ছে। ভালো থেকো মামুনি। আর মনে রেখো, তোমার হাতে লাঠিটা অনেক মিস করে। অনেক অনেক অনেক। ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল মা।
অন্য একটি পোস্টে পূজা লেখেন, আমি তো এতো ভেঙ্গে পরার মতো মেয়ে না। তবে আজকে কেনো এতো ভেঙ্গে পরছি!
এছাড়া ‘বিশ্ব মা দিবস’ উপলক্ষে দেশের একটি গণমাধ্যমে মাকে নিয়ে পূজা বলেন, মায়ের ডানায় নিজেকে সবচেয়ে নিরাপদ ভাবতাম আমি। আমাদের বয়সের পার্থক্য অনেক। তবুও ছিলাম বন্ধু আমরা। আমি যেমন মাকে বিশ্বাস করতাম, মাও বিশ্বাস করতেন আমাকে। সারাক্ষণ আমার আশপাশেই থাকতেন। প্রায়ই বলতেন, পূজা আমার হাতের লাঠি, আমার শক্তি। আমার মন এখনও পুরোপুরি বিশ্বাস করতে চায় না যে, আমার মা আর নেই। মনে হয় আমার সঙ্গেই আছেন মা।
মন্তব্য করুন