

ছোটবেলায় যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ অভিনেত্রী জামিলা জামিল। এরপর থেকে তার ভেতর সব সময় একধরনের ট্রমা কাজ করে। এড়িয়ে চলেন রগরগে দৃশ্যে অভিনয়, এমনকী কোনো ছবিতে এমন দৃশ্য থাকলে তা দেখেনও না তিনি। আর এ কারণেই নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘ইউ’-এর অডিশন থেকে বেরিয়ে আসেন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি ‘দ্য গুড প্লেস’ খ্যাত তারকা পডক্রাশড পডকাস্টে তার নিজের চিন্তাভাবনা তুলে ধরেন। জামিলা বলেন, “নেটফ্লিক্সের সিরিজ 'ইউ'-এর চতুর্থ সিজনের জন্য আমার অডিশন দেওয়ার কথা ছিল। তবে যখন জানতে পারি এই চরিত্রটি বেশ সেক্সি, তখনই আমি অডিশন থেকে সরে আসার কথা জানিয়ে দিই। কারণ, এ ধরনের যৌন দৃশ্যে আমি স্বচ্ছন্দ নই।’ যদিও ঠিক কোন দৃশ্যের জন্য তিনি অডিশন দিচ্ছিলেন, তা প্রকাশ্যে আনেননি জামিলা জামিল।
কেন যৌন দৃশ্যে তিনি স্বচ্ছন্দ নন, তার অন্যতম কারণ হিসাবে শৈশবের 'ট্রমা' (মানসিক আঘাত), শৈশবের যৌন নির্যাতনের কথা সামনে এনেছেন জামিলা জামিল। অভিনেত্রী জানান, তার শৈশব ভীষণই কঠিন, নোংরা ছিল। শৈশবে তার ওপর চলা যৌন নির্যতনের কথা তিনি ভুলতে পারেননি, সেগুলো থেকে বের হয়ে আসতে পারেননি। আর তারই ফলস্বরূপ তিনি নিজের জন্য এই নিয়ম তৈরি করেছেন। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কখনো কোনো যৌন দৃশ্যে তিনি অভিনয় করবেন না।
তার কথায়, ‘অন্য অভিনেতাদের কাছে যৌনদৃশ্য যেমন, আমার কাছে এটা ঠিক তেমন নয়। এমনকী ছবিতে কোনো যৌন দৃশ্য থাকলে সেটা আমি দেখি না, এড়িয়ে যাই।’
জামিলা জামিল জানান, তিনি ‘ইউ’-এর নির্মাতাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যদি যৌন দৃশ্য ছাড়া সিরিজে অন্য কোনো চরিত্রে তাকে প্রয়োজন হয়, তাহলে তাকে তারা ডাকতে পারেন।
‘সি-হাল্ক’ অভিনেত্রী আরও স্পষ্ট করে বলেন, ‘এটা লজ্জার কিছু নয়। তবে আমি অনুভব করি যে এটির চারপাশে একটি বিশ্রীতা রয়েছে।’
মন্তব্য করুন


ইদানিং খুবই আনন্দে রয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। আর থাকবেন নাই বা কেন, একেবারে হলিউড পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে শ্রাবন্তীর রূপ! সেই রূপে আবার ঘায়েলও হয়েছেন হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা জন সিনা। হ্যাঁ, এমনটাই ঘটেছে। তবে পুরো ব্যাপারটাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
ব্যাপারটা একটু খোলসা করে বলা যাক। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে শ্রাবন্তীকে ফলো করা শুরু করেছেন হলিউড অভিনেতা জন সিনা। আর তা দেখেই একেবারে আহ্লাদে আটখান অভিনেত্রী।
এই ঘটনার পর শ্রাবন্তী এক সংবাদ মাধ্যমকে জানান, প্রথমে তো বিশ্বাস হচ্ছিল না। ভেবেছিলাম হয়তো ফেক অ্যাকাউন্ট। তবে পরে ভাল করে দেখি, অ্যাকাউন্টে ব্লু টিক রয়েছে। সত্যিই খুব আনন্দ লাগছে।
শ্রাবন্তী এই মুহূর্তে রয়েছেন লন্ডনে। জিতু কমলের সঙ্গে জুটি বেঁধে সেখানে চলছে ‘বাবুসোনা’ ছবির শুটিং। এই ছবিতে জিতু কমলকে দেখা যাবে কিডন্যাপারের চরিত্রে। অন্যদিকে ছবিতে শ্রাবন্তী হবেন চোর। তবে নিজেদের কুকর্মকে ঢাকতে দুইজনেই অন্য পেশার মুখোশ পরে থাকেন। হঠাৎ ছবির গল্পে টুইস্ট। লন্ডনে এক শিশুর অপহরণের ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন দুজনে। তারপর গল্প নেয় নতুন মোড়।
‘বাবুসোনা’ ছবিতে শ্রাবন্তী ও জিতু কমল ছাড়াও রয়েছেন পায়েল সরকার, আলেকজান্দ্রা টেলর, সাগ্নিক চট্টোপাধ্যায়, বিলাস দে, অত্রি ভট্টাচার্য, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।
মন্তব্য করুন


মা দিবসে পাত্রী চেয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিলেন বলিউড অভিনেতা বিজয় ভার্মা! ছেলের এমন কাণ্ড দেখে মাথায় হাত অভিনেতার মায়ের। যদিও পুরো বিষয়টি ঘটেছে সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ওয়েব সিরিজ ‘দাহাড়’-এর প্রচারের স্বার্থে।
গত ১২ মে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পেয়েছে বিজয় ভার্মা অভিনীত ‘দাহাড়’। সেই সিরিজের প্রচারণার কৌশল হিসেবেই খবরের কাগজে বেরিয়েছে ওই বিজ্ঞাপন। সিরিজে আনন্দ স্বর্ণকার নামক চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিজয়। পাত্রী চেয়ে খবর কাগজের বিজ্ঞাপন বেরিয়েছে আনন্দ স্বর্ণকারের নামেই।
বিজ্ঞাপনের শিরোনামে লেখা, ‘ইন্ডিয়াজ #১ ব্যাচেলর’, অর্থাৎ দেশের এক নম্বর অবিবাহিত পাত্র তিনি। ঠিক কেমন ধরনের পাত্রী চাই তার? বিজ্ঞাপনে লেখা রয়েছে সেই সব তথ্যও। এদিকে সেই বিজ্ঞাপন চোখে পড়েছে বিজয়ের মায়ের। বিজ্ঞাপনে ছেলের ছবি ও পাত্রী চাইয়ের দাবির তালিকা দেখে মাথায় হাত তার। আন্তর্জাতির মা দিবসে এমনই একটি ছবি সামাজিকমাধ্যমের পাতায় পোস্ট করেছেন বলিউড অভিনেতা।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
ইকুয়েডরের মডেল ল্যান্ডি পারাগা গোবুরোকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করেছে অস্ত্রধারীরা।
নিউইয়র্ক পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানায়, গত রোববার ২৩ বছর বয়সী মডেলকে হত্যা করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, কুখ্যাত এক গ্যাংস্টার দলের সঙ্গে গোপন যোগাযোগের কারণেই খুন হয়েছেন ল্যান্ডি।
সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, রেস্তোরাঁয় বসে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন ল্যান্ডি। তখন মাস্ক পরা দুই অস্ত্রধারী ভেতরে ঢুকে গুলি চালায়। রেস্তোরাঁর মেঝে রক্তে ভেসে যায়।
নিরাপত্তারক্ষীরা আসার আগেই অস্ত্রধারীরা পালিয়ে যায়। এই ঘটনার কারণ ও হত্যাকারীদের খুঁজতে এর মধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ। শনিবার এক বিয়ের দাওয়াতে হাজির হয়েছিলেন ল্যান্ডি। এর পরদিনই নির্মমভাবে খুন হলেন তিনি।
২০২২ সালে সুন্দরী প্রতিযোগিতা ‘মিস ইকুয়েডর’-এ অংশ নেন ল্যান্ডি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ১০ লাখের বেশি অনুসারী ছিল।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গত মে মাসে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন নুসরাত ফারিয়া। সে সময় তাকে গ্রেপ্তার করায় শিল্পাঙ্গনের অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন, সেই সঙ্গে ক্ষোভও। এর দুই দিন পর কারামুক্ত হন ফারিয়া।
কারাগার থেকে বেরিয়ে তার পাশে থাকার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অভিনেত্রী।
সেই সঙ্গে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন, গত কয়েক দিন ছিল তার জীবনের সবচেয়ে দুঃসহ ও সংবেদনশীল সময়।
এর মধ্যে কেটে গেছে প্রায় চার মাস। সে বিষয় নিয়ে আর কোনো কথা বলেননি ফারিয়া। হত্যা মামলায় জামিনের দীর্ঘদিন পর গ্রেপ্তার ইস্যুতে অবশেষে মুখ খুললেন অভিনেত্রী।
নিউইয়র্ক থেকে প্রচারিত বাংলা ভাষাভাষীদের গণমাধ্যম ‘ঠিকানা’র বিশেষ শো ‘ফ্রাইডে নাইট উইথ জায়েদ খান’-এ বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেন তিনি।
গ্রেপ্তার ইস্যুতে নুসরাত ফারিয়া বলেন, এ রকম কিছু হবে আশা করিনি। কখনো দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি। যার জীবন স্কিন কেয়ার, মেকআপ, একটু ঘোরাফেরা, শপিং করা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও ভালো খেতে যাওয়া, এই ছোট ছোট জিনিস নিয়ে যে খুশি তার জীবনে এত জটিলতা! কী করব না করব এগুলো নিয়ে যখন চিন্তা করতে হয় তখন ভীষণ হতাশ হই।
এরপর ফারিয়া বলেন, আমি মনে করি, এটাকেই বড় হওয়া বলে। পরিস্থিতি মানুষকে বড় করে। আমার মনে হয় পুরো ঘটনাতে আমি অবশ্যই মানসিকভাবে বড় হয়েছি। এবং ওইটার (গ্রেপ্তার) পর এটা আমার প্রথম সাক্ষাৎকার। আমি কোথাও কথা বলিনি। এমন না যে আমি কথা বলতে চাইনি। আমি এখনো কথার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত নই।
অভিনেত্রী আরো বলেন, আমি মনে করি, আমার সঙ্গে যেটা হয়েছে, সেটা অন্য কারো সঙ্গে হতে পারত। অনেকের সঙ্গেই হয়তো বা হচ্ছে, হবে। আমি এ বিষয়ে জানি না। তবে আমি ভাগ্যবান। আমার কাজের মাধ্যমে গোটা দেশের মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। যাদের দোয়া ভালোবাসার কারণে আমি আজকে আপনার (জায়েদ খান) সামনে দাঁড়িয়ে আছি। আমার পরিবার, বাবা-মা, ভাই-বোন তাদের সবার দোয়া এবং ভালোবাসার কারণে কঠিন সময় পার করতে পেরেছি।
হত্যা মামলায় জামিনের অল্প কিছুদিনের মধ্যেই লাইট ক্যামেরা, অ্যাকশনের জগতে নুসরাত। অভিনেত্রীর কথায়, তার (গ্রেপ্তার) ঠিক ১০-১৫ দিন পর থেকে আমি আবার কাজ করা শুরু করেছি। তবে পুরো ঘটনাটা আমাকে একটা জিনিস শিখিয়ে দিয়েছে, কোনো কিছুই স্থায়ী নয়। জীবন খুবই অস্থায়ী, অনিশ্চয়তা ভরা। যেকোনো সময় যেকোনো কিছু হতে পারে। এ জন্য নিজেকে মানসিকভাবে তৈরি থাকতে হবে। তুমি যদি সৎ থাকো তাহলে পৃথিবীর কোনো খারাপ শক্তি তোমাকে আটকে রাখতে পারবে না। তোমাকে বিপদের সম্মুখীন করবে কিন্তু সেই বিপদ থেকে সৃষ্টিকর্তা নিজেই তোমাকে বাঁচিয়ে নিয়ে আসবেন। এটা আমার জীবন থেকে পাওয়া সবচেয়ে বড় শিক্ষা।
সব শেষে দর্শক, সংবাদিক এবং শোবিজের সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। নুসরাতের কথায়, আমি আমার দর্শকদের কাছে কৃতজ্ঞ কারণ, তারা যেভাবে একসাথে হয়ে আমার জন্য কথা বলেছেন। আমার মিডিয়ার সহকর্মীরা, সাংবাদিক ভাই-বোনেরা, জন্মের পর থেকে এখন অবধি যাদের চিনি প্রত্যেকটা মানুষ আমার জন্য কথা বলেছেন, কেঁদেছেন। শিল্পী নুসরাত ফারিয়া হিসেবে আমার মনে হয় না এর থেকে বড় অর্জন পাওয়ার আছে।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
স্কুলজীবন থেকে পরিচিত সারা আলি খান এবং অনন্যা পাণ্ডে। বলিউডে তাদের বন্ধুত্ব নিয়ে বেশ আলোচনা হয়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই গল্প শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী। যদিও বন্ধুত্ব রয়েছে, অনন্যা নাকি সারাকে ভয় পেতেন, যেন যমের মতো। সারার নাম শুনলেই তিনি সতর্ক হয়ে থাকতেন।
অনন্যার থেকে তিন বছরের বড় সারা। ছোট থেকেই বেশ ডাকাবুকো স্বভাবের ছিলেন তিনি। মুখের ওপর কথা বলতেন। অনন্যা বলেছেন, "সারা খুব ঠোঁটকাটা স্বভাবের ছিল, এখনও তাই রয়েছে। তবে স্কুলে আরও সাংঘাতিক ছিল। মুখে যা আসত, তাই বলে দিত। আমি ভয়ে ভয়ে থাকতাম, ভাবতাম এই বুঝি আমার সম্পর্কে কিছু বলল।"
এই কারণে সারাকে কিছুটা এড়িয়েই চলতেন অনন্যা। অভিনেত্রীর কথায়, "আমি যদি দেখতাম, সারা কোনো একটা সিঁড়ি থেকে নেমে আসছে, ওই পথ দিয়ে আমি যেতাম না।"
প্রথম দিকে অনন্যার নাম জানতেন না সারা। তাকে 'এই' বলে ডাকতেন সাইফ আলি খানের কন্যা।
অনন্যা স্মৃতিচারণ করে বলেন, "আমার মনে আছে, একসঙ্গে স্কুলে একটা নাটক করেছিলাম। সারাই মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছিল। আমি বোধহয় ওর মাথায় ছাতা ধরেছিলাম, পেছনে ছিলাম সারার।"
এ সময় সারা নাকি অনন্যাকে 'এই এই' বলে ডাকতেন এবং খুব রূঢ় ব্যবহার করতেন। যদিও এখন নাকি অনন্যার কাছে সেই কথা স্বীকার করেন না সারা। সারার দাবি, অনন্যার সঙ্গে তিনি নাকি খুব ভালই ব্যবহার করতেন।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
এবার বলিউডের উঠতি নায়িকা অনন্যা পান্ডের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ভাঙল অভিনেতা আদিত্য রায় কাপুরের। তাদের ঘনিষ্ঠ এক বন্ধু বম্বে টাইমসকে বলেন, ‘এক মাস আগে আদিত্য-অনন্যা তাদের সম্পর্কের ইতি টেনেছেন। তাদের ব্রেকআপ হলেও তাদের মাঝে সৌহাদ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।’
এর আগে ‘খালি পিলি’ সিনেমার সহশিল্পী অর্থাৎ শহিদ কাপুরের ভাই ইশান কাট্টারের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন অনন্যা। সেই সময় শহিদ কাপুরের পরিবারের সঙ্গেও তার ঘনিষ্ঠতা ছিল। ইশানকে নিয়েও মালদ্বীপে ছুটি কাটিয়েছেন অনন্যা। এরপর আদিত্যর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান অনন্যা। এ জুটি দীর্ঘ ২ বছর সম্পর্কে ছিলেন। যদিও বিচ্ছেদের বিষয়ে এখনো মুখ খুলেননি তাদের কেউ-ই।
সম্প্রতি সময়ে অনন্যা পান্ডে কাজের চেয়ে ব্যক্তিগত জীবনে একাধিক প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে খবরের শিরোনাম হয়েছেন। তবে অভিনেতা আদিত্য রায় কাপুরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে কোনো রাখঢাক করেননি অনন্যা।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে পা রাখেন অনন্যা পান্ডে। তারপর বেশ কিছু সিনেমায় দেখা গেছে তাকে। অনন্যা পান্ডে অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘খো গায়ে হাম কাঁহা’।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বলিউড অভিনেত্রী মালাইকা আরোরা। সম্প্রতি নিজের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়েছে অভিনেত্রী। কারণ হিসেবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, অর্থকষ্টে রয়েছেন তিনি।
মালাইকাকে সিনেমা থেকে এখন বেশিরভাগ সময় বিচারকের আসনেই দেখা যায়। আর সেখানে তিনি পারিশ্রমিক যে কম নেন তেমনটাও না। কিন্তু ধারণা করা হচ্ছে আর্থিকভাবে কিছুটা সমস্যায় আছেন অভিনেত্রী। এজন্যই নিজের পালি হিলস্-এর ফ্ল্যাটটি ভাড়া দিয়েছেন। যা ভাড়া নিয়েছেন মুম্বাইয়ের খ্যাতনামা পোশাকশিল্পী কশিশ হন্স।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে জানা যায়, মুম্বাইয়ে অভিজাত এলাকা, যেমন বান্দ্রা, পালি হিলসে, এমন বেশ কিছু জায়গায় ফ্ল্যাট রয়েছে অভিনেত্রীর। তারই একটি ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়েছেন তিনি। মাসিক দেড় লাখ টাকায় ফ্ল্যাটটি তিন বছরের জন্য ভাড়া দিয়েছেন মালাইকা। তবে প্রতি বছর ৫ শতাংশ করে বাড়বে ভাড়া। এ ছাড়া বান্দ্রায় যে ফ্ল্যাটটি রয়েছে অভিনেত্রীর, সেটিও না কি ভাড়া দেওয়া রয়েছে। যদিও মালাইকা নিজে যে বাড়িতে থাকেন বান্দ্রা এলাকাতেই, সেটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৬ কোটি টাকা।
সম্প্রতি অভিনেত্রী আরও একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন, যেটি তৈরি হয়ে হাতে পাওয়া নিয়ে বেশ কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছে।
উল্লেখ্য, আরবাজ খানের সঙ্গে মালাইকার বিবাহ বিচ্ছেদের বেশ কয়েক বছর হয়ে গেছে। বিবাহ বিচ্ছেদের পর থেকেই ‘খান’ পদবি নিজের নাম থেকে সরিয়ে দিয়েছেন মালাইকা।তবে ছেলে আরহাহের কারণে সৌজন্যমূলক একটা সম্পর্ক বজায় রেখেছেন তারা।
মন্তব্য করুন


মডেল ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে ঢাকার একটি আদালত। পারিবারিক ব্যবসায় পার্টনার করার আশ্বাস দিয়ে ২৭ লাখ টাকা নেয়ার পর তা আত্মসাৎ, ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়ার অভিযোগে মামলাটি করা হয়।
রোববার (১৬ নভেম্বর) আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার নির্ধারিত তারিখে আসামিরা হাজির না হওয়ায় গত ১০ নভেম্বর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ঠিক করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাদীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন তাকে নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার করার কথা বলেন। এ প্রতিশ্রুতিতে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে মোট ২৭ লাখ টাকা নেন অভিনেত্রী ও তার ভাই। কিন্তু দীর্ঘদিনেও তারা কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেননি। পাওনা টাকা চাইতে গেলে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ রয়েছে, চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি টাকা ফেরত চাইতে গেলে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশের একটি রেস্টুরেন্টে দেখা করতে বলা হয়। ওইদিন সেখানে গেলে মেহজাবীন, তার ভাই এবং আরও কয়েকজন তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তারা হুমকি দিয়ে বলেন, টাকা চাইতে আর বাসার সামনে দেখা গেলে মেরে ফেলব। এতে বাদী চরম আতঙ্কে পড়েন।
ঘটনার পর বাদী ভাটারা থানায় গেলে থানার পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়া হয়। পরে আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭(৩) ধারায় মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


নির্মাতা আদনান আল রাজীবের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। শোবিজ জগতে এই খবরটি কারও অজানা নয়। এবার তাদের এই সম্পর্ককে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ করতে চলেছেন এই জুটি।
চলতি মাসেই আদনান আল রাজীবের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন মেহজাবীন চৌধুরী। অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন মেহজাবীন ও রাজীব। এর একদিন আগে, অর্থাৎ ২৩ ফেব্রুয়ারি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হবে। ঢাকার অদূরের একটি রিসোর্টে এই বিয়ের আয়োজন চলছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, আদনান আল রাজীবের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে শুরু থেকেই নীরব মেহজাবীন চৌধুরী। বিয়ের খবর নিয়েও কোনো মন্তব্য করেননি এই অভিনেত্রী। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।
২০১৯ সালে আদনান আল রাজীবের সঙ্গে ঢাকার একটি শপিং মলে মেহজাবীনের হাত ধরে হাঁটার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এরপর থেকেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছড়ায়। পরবর্তীতে এই জুটিকে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং বিদেশেও ঘুরতে দেখা গেছে।
মেহজাবীন চৌধুরী ২০০৯ সালে একটি রিয়েলিটি শোয়ের মাধ্যমে মিডিয়া জগতে প্রবেশ করেন। এরপর থেকে তিনি নাটকে নিয়মিত অভিনয় করে আসছেন। তবে এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেননি। অন্যদিকে, আদনান আল রাজীব দেশের অন্যতম জনপ্রিয় নির্মাতা হিসেবে পরিচিত।
সূত্র: ইত্তেফাক
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বরাবরের মতো এবারের কান উৎসবেও অংশ নিয়েছেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। তবে তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ নন। হাতে প্লাস্টার নিয়ে রূপের দ্যুতি ছড়ালেন এই তারকা।
বৃহস্পতিবার উৎসবের লাল গালিচায় হেঁটেছেন তিনি।
এ সময় ঐশ্বরিয়ার পরনে ছিল ফাল্গুনি-শেন পিককের কালো-সোনালি গাউন। বিশেষ করে তার গাউনের লম্বা টেইল নজর কাড়ে সবার। ইতোমধ্যে সেই ছবি ও ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল।
একজন লিখেছেন, ‘কে বলবে তার হাতে চোট লেগেছে। আপনার আত্মবিশ্বাস দেখে কুর্নিশ জানাতে হয়। আপনাকে ছাড়া লাল গালিচা অসম্পূর্ণ।’
এর আগে বুধবার মেয়ে আরাধ্যকে নিয়ে ৭৭তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে ভারত ছাড়েন ঐশ্বরিয়া। সে সময় প্লাস্টার জড়ানো হাতে তাকে মুম্বাই এয়ারপোর্টে দেখে চমকে গিয়েছিলেন অনেকেই। ভেবেছিলেন লাল গালিচায় হয়তো হাঁটতে দেখা যাবে না তাকে। কিন্তু সব দ্বন্দ্ব-শঙ্কা ফু দিয়ে উড়িয়ে লাল গালিচায় দ্যুতি ছড়ালেন এই অভিনেত্রী।
প্রসঙ্গত, কান চলচ্চিত্র উৎসবে ঐশ্বরিয়া আলো ছড়াচ্ছেন ২০০২ সাল থেকে। ওই বছর ভারী সোনার গয়না ও শাড়িতে প্রথম লালগালিচায় হাঁটেন তিনি। সেবার তার কান সফর শুরু হয় ‘দেবদাস’ সিনেমা নিয়ে। সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা শাহরুখ খান ও পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালি। এরপর থেকে প্রায় প্রতি বছরই উৎসবে হাজির থেকেছেন এই অভিনেত্রী।
মন্তব্য করুন