

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে পিকআপ ভ্যান ও ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক নারীসহ ২ ব্যক্তি নিহত ও ৪ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৪ জুলাই) উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের মিলের পাড় বাজারের কাছে রাজারহাট- নাজিমখাঁন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন সিরাজুল ইসলাম (২৮) ও সেলিনা বেগম (৩৫) । নিহত সিরাজুল উলিপুর উপজেলার পশ্চিম নাওডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল গফফার আলীর ছেলে এবং সেলিনা বেগম রাজারহাট উপজেলার রাঘব ঝাড়িঝাড় গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী।
আহত অপর ৪ ব্যক্তি হলেন,গোলজার হোসেন (৫০), আমিনুল ইসলাম (৪০), হাবিবুর রহমান (৪০) ও সিনহা (০৯)। এদের মধ্যে সিনহা রাজারহাট উপজেলার বাসিন্দা। অপর তিনজন উলিপুর উপজেলার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে মিলেরপাড় বাজারের কাছে রাজারহাট-নাজিমখাঁন সড়কে নাজিমখাঁনগামী একটি পিকআপের সাথে রাজারহাটগামী একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশার চালকসহ ৫ যাত্রী গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিরাজুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।গুরুতর আহত অপর ৫ যাত্রীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পথিমধ্যে সেলিনা বেগম মারা যান।
রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহিল জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান,পিকআপ ও অটোরিকশা থানায় নেওয়া হয়েছে। পিকআপের চালক মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে । এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন, কুমিল্লার কমিটি (২০২৪-২০২৬) গঠন করা হয়েছে।
নতুন কমিটিতে একুশে টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি হুমায়ুন কবির রনিকে পূনরায় সভাপতি, নাগরিক টিভির জেলা প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসাইন আকাইদ কে সাধারন সম্পাদক ও বাংলা টিভির জেলা প্রতিনিধি মোঃ আরিফুর রহমান মজুমদারকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।
সংগঠনের এক সাধারণ সভায় টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সদস্যদের উপস্থিতিতে আগামী দুবছরের জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়।
পূর্বের কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় ওই কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। সভায় নতুন কমিটি গঠনকল্পে একটি নির্বাচনী কমিটি করা হয়। এ নির্বাচনে বিভিন্ন পদে একাধিক প্রার্থী না থাকায় সংগঠনটির প্রবীণ সদস্য এবং প্রতিষ্ঠাকালীন সহ-সভাপতি আরটিভির জেলা প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া এ কমিটির নাম প্রস্তাব করেন। পরে সর্ব সম্মতি ক্রমে এ কমিটি গঠন করা হয়।
নবগঠিত কমিটিতে অন্যান্যদের মধ্যে আরটিভির জেলা প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়াকে সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং যমুনা টেলিভিশনের রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকনকে সহ-সভাপতি, বৈশাখী টেলিভিশনের আনোয়ার হোসেনকে সহ-সাধারন সম্পাদক, দীপ্ত টিভির শাকিল মোল্লাকে অর্থ সম্পাদক, মাছরাঙা টেলিভিশনের জাহাঙ্গীর আলম ইমরুলকে প্রচার-প্রকাশনা ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক, ডিবিসি নিউজের মোঃ নাসির উদ্দিন চৌধুরীকে দপ্তর সম্পাদক করা হয়েছে।
নির্বাহী কমিটির সদস্য হয়েছেন জিটিভির জেলা প্রতিনিধি সেলিম রেজা মুন্সী, এখন টিভির কুমিল্লা ব্যুারো চিফ খালেদ সাইফুল্লাহ, মোহনা টিভির জেলা প্রতিনিধি তাওহিদ হোসেন মিঠু ও মাইটিভির জেলা প্রতিনিধি আবু মুসা।
সাধারণ সদস্যরা হলেন, ইনডিপেনডেন্ট টিভির জেলা প্রতিনিধি তানভীর দিপু, এশিয়ান টিভির বিশেষ প্রতিনিধি আজিজুল হক, বাংলাদেশ টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি রাবেয়া আক্তার, এসএ টিভির জেলা প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম, সময় টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি ইশতিয়াক আহমেদ, এনটিভির জেলা প্রতিনিধি মাহফুজ নান্টু।
এছাড়া এটিএন বাংলা, এটিএন নিউজের স্টাফ রিপোর্টার খায়রুল আহসান মানিক ও বাংলা ভিশন টিভির জেলা প্রতিনিধি সাইয়িদ মাহমুদ পারভেজকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য করা হয়েছে। এ ছাড়া ওমর ফারুকী তাপস ও এম ফিরোজ মিয়াকে প্রতিষ্ঠাকালিন সদস্য হিসেবে লাইফ মেম্বার করা হয়েছে। এ কমিটি আগামী দুই বছর দায়িত্ব পালন করবে।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা থেকে তিনটি ওয়ান শুটার গানসহ (এলজি) দুই তরুণকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামের নুরনবী চৌধুরীর ছেলে আরিফুল হাসান অন্তু (২৪) ও একই এলাকার আবুল খায়েরের ছেলে নজরুল ইসলাম (২৩)।
রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে, গতকাল শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের অনন্তপুর গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল শনিবার রাত সোয়া ১১টার দিকে বেগমগঞ্জের একলাশপুর টিভি সেন্টারের সামনে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। অভিযানে আরিফুল হাসান অন্তু ও নজরুল ইসলামকে আটক করে ডিবি পুলিশ। একপর্যায়ে আটক নজরুলের ভাষ্যমতে অন্তুর বাড়ির শয়নকক্ষ থেকে একটি এবং রান্নাঘর থেকে দুটি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের বেগমগঞ্জ থানায় সোপর্দ করা হয়।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুই অস্ত্রধারী তরুণের বিরুদ্ধে এ ঘটনায় অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে গত ১ জুলাই অজ্ঞাতনামা এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। নাম আকরাম উল্লাহ (৪২) যিনি ছিলেন পেশায় কাভার্ড ভ্যানচালক,বাড়ি নোয়খালীর সেনবাগ উপজেলায়।
আকরাম হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কাহিনী বের করে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিট।
সংস্থাটির কর্মকর্তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ভুক্তভোগী কাভার্ড ভ্যানচালকের প্রেমিকা রোজিনা বেগম রোজিকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে। ৩ জুলাই খুলনা নগরের ফুলবাড়ি গেট মিন্টুর মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখানে বড় বোনের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন রোজি। গত বৃহস্পতিবার আকরাম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে চট্টগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পিবিআই কর্মকর্তারা জানান, আকরাম উল্লাহ এবং রোজির দুজনেরই আলাদা সংসার ছিল। নোয়াখালীর সেনবাগ এলাকার বাসিন্দা আকরামের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার বড় ছেলে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। অন্যদিকে রোজির বিয়ে হয় বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার কবীর মোল্লার সঙ্গে। তাদের সংসারে ৫ বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
পিবিআই সূত্র আরো জানায়, রোজি এবং তার তার স্বামী দুজনেই পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। কিন্তু করোনাকালীন সময়ে তারা দুজনেই বেকার হয়ে যান। সংসার চালাতে রোজির স্বামী ওই সময় ইপিজেড থানার লেবার কলোনিতে একটি চায়ের দোকান দেন। ২০২০ সালে সেই চায়ের দোকানে প্রায় সময় চা খেতে আসতেন আকরাম। ওইসময় রোজি ও তার স্বামী কবীরের সঙ্গে আকরামের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কবীর মাঝেমধ্যে দোকানের বাইরে গেলে তখন আকরামকে ক্যাশে বসিয়ে যেতেন। একপর্যায়ে রোজির সঙ্গে আকরামের প্রেমের সম্পর্ক হয়। কিছুদিনের মধ্যে সেই সম্পর্কের বিষয় জানতে পারেন কবীর। এনিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার কয়েকবার ঝগড়া হয়।
এরপর রোজির সঙ্গে আকরামের প্রেম ঠেকাতে কবীর স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যান। সেখানে কয়েকমাস থেকে কবীর জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে চলে যান। ২০২২ সালে রমজান মাসের আগে রোজি পুনরায় চট্টগ্রাম চলে আসেন এবং মেয়েকে নিয়ে তার ভাই মিজানের কলসীদিঘীর পাড় এলাকার বাসায় থাকা শুরু করেন। একই সঙ্গে তিনি পুনরায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি শুরু করেন। এরই মধ্যে তার সঙ্গে আবার সেই পুরনো প্রেমিক ও কাভার্ড ভ্যানচালক আকরামের যোগাযোগ হয়। দুজনে মিলে আলাদা বাসায় ওঠার সিদ্ধান্ত নেন।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে রোজি তার মেয়েকে খুলনা বোনের বাড়িতে রেখে আসেন। এরপর আকরামকে নিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ঘটনার ৩ মাস আগে একটি ভাড়া বাসায় উঠেন। সেখানে দুই মাস থেকে তারা জুনের শুরু থেকে ইপিজেড থানার নিউমুরিং কেবি ম্যানশনের তৃতীয় তলার ৩০৭ নম্বর রুমে উঠেন। বাসাটিতে একমাস থেকে চলে যাওয়ার কথা ছিল দুজনের। কিন্তু তার আগেই খুন হন আকরাম।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রোজি পিবিআই কর্মকর্তাদের জানান, আকরাম কয়েকমাস ধরে বেকার ছিলেন। তারা একসঙ্গে থাকলে বেশিরভাগ খরচ চালাতে হত রোজিকে। এই খরচের পাশাপাশি মেয়ের জন্য বোনের কাছে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া লাগত রোজির। টানাপড়েনে পড়ে মাঝেমধ্যে স্বামী কবীরের কাছ থেকে টাকা নিতেন রোজি। সবমিলিয়ে তিনি বাসা ভাড়া ও খাবারের খরচ চালাতেন। কিন্তু আকরাম তেমন কোনো টাকা খরচ করতে পারতেন না। এনিয়ে প্রায় সময় দুজনের মধ্যে ঝগড়া হত।
এরই মধ্যে গত ৩০ জুন রোজির স্বামী কল করে তাকে শরীরের গোপন অংশের ছবি ও ভিডিও পাঠাতে বলেন। কথামতো রোজি ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ইমো অ্যাপস ব্যবহার করে পাঠানোর চেষ্টা করে। কিন্তু মোবাইলের কোনো জটিলতায় তিনি এগুলো স্বামীর কাছে পাঠাতে পারেননি। তবে এগুলো মোবাইলের গ্যালারিতে সেভ হয়ে যায়। এদিকে রোজির মোবাইল ফোনে আকরাম এসব গোপন ছবি-ভিডিও দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে রোজির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন।
কিন্তু ওই সময় রোজির পিরিয়ড চলছিল। এ কারণে তিনি আকরামকে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে বারণ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রোজির স্বামীকে সব জানিয়ে দেবে বলে হুমকি দিতে থাকে আকরাম। এ জন্য আকরাম রোজির মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়।
একপর্যায়ে রোজি আকরামের গোপন অঙ্গে সজোরে চেপে ধরে। এতে আকরাম দাঁড়ানো থেকে মেঝেতে পড়ে যায় এবং মাথায় আঘাত পেয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। এ সময় নাক দিয়ে রক্ত পড়তে দেখে একটি রশি দিয়ে আকরামের গলা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে রোজি। এরপর তাকে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে।
পরদিন ১ জুলাই সকাল ১১টার দিকে বাসায় তালা লাগিয়ে রোজি খুলনার উদ্দেশ্যে বের হয়। তিনি নিউমুরিং গিয়ে খুলনার টিকিট কাটেন। তবে ওই সময় খুলনা না গিয়ে তিনি পুনরায় বাসায় ফিরে আসেন। এরপর বাসায় থাকা রক্তমাখা তোয়ালে ও আকরামের রক্তমাখা হাফ হাতা গোল গেঞ্জি বাসার পেছনের ময়লার ড্রেনের মধ্যে ফেলে দেয়। বিকেলে বাড়ির কেয়ারটেকার এসে রোজিকে বাসা ছেড়ে দিতে বলে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রোজি পুনরায় বাসায় তালা লাগিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে বের হয়। প্রথমে একটি অটোরিকশাযোগে তিনি নগরের অলংকার মোড়ে বের হন। সেখান থেকে রাত ৯টায় বাসযোগে খুলনা চলে দিয়ে বোনের বাসায় ওঠেন। ওই বাসা থেকেই পিবিআই কর্মকর্তারা তাকে গ্রেপ্তার করে।
পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটের পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদ পারভেজ এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বলেন, রোজি এবং আকরাম দুজনেরই আলাদা সংসার রয়েছে। তারা দুজনে মিলে বিয়ে না করে অবৈধভাবে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে একত্রে থেকেছেন। একপর্যায়ে সম্পর্কের টানাপড়েনের জেরে কৌশলে আকরামকে হত্যা করে রোজি। হত্যাকাণ্ডের আগে থেকে আকরামের সঙ্গে তার পরিবারের তেমন যোগাযোগ ছিল না। তবে হত্যাকাণ্ডের পর খবর পেয়ে আকরামের স্বজনরা তার মরদেহ নিয়ে যায় এবং তার বড় ছেলে আশরাফুল ইসলাম রাজু বাদী হয়ে ইপিজেড থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে।
মন্তব্য করুন


শাহানাজ পারভিন চৌধুরী
পরিচালক, ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ
আজ ২১ মার্চ। বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস।পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ও ভালোবাসার একটি শব্দ হচ্ছে মা। মায়ের কাছে একটি সন্তান যেমন তার জগৎ তেমনি সন্তানের কাছে তার মা-ই সব। আর এজন্য মা এবং সন্তানের মধ্যকার সম্পর্কটি সবচেয়ে মধুর ও মমতাময়। একটি সন্তান যখন ঠিক মতো খেতে পারে না কথা বলতে পারে না এমন কি নিজের কাজ নিজেও করতে পারে না তখন তাকে আগলে রাখেন মা। তার পরম মমতার চাদরের উষ্ণতায় তাকে বড় করে তোলে। সন্তানের সব আবদার মা হাসি মুখে মেনে নেয়। সেই ভালোবাসা মাখা মা ডাক মায়ের কাছে যেন মধুর থেকেও মধুর হয়ে যায়। এই ভাবেই মায়ের সাথে সন্তানের সম্পর্ক সুন্দর আর ভালোবাসা পূর্ণ হয়ে ওঠে। ডাউন সিনড্রোম শিশুরা সময়ের সাথে সাথে বয়সে বড় হলেও তাদের হৃদয় থাকে শিশুদের মতো কোমল। ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিরা মা-বাবা,আত্মীয়-স্বজন,প্রতিবেশী সকলের কাছ থেকে সব সময় শুধু একটা জিনিস ই চায় আর তা হলো - ভালোবাসা ।
প্রতি বছরের মতো ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ- দেশব্যাপী ডাউন সিনড্রোম কমিউনিটিকে সঙ্গে নিয়ে যথাযথ মর্যাদায় এ বিশেষ দিবসটি উদযাপন করছে। এ বছর জাতীয়ভাবে ১১তম ও আন্তর্জাতিকভাবে ১৯তম বারের মতো বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবসটি পালিত হচ্ছে। ২০১২ সাল থেকে জাতিসংঘ সারাবিশ্বে বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবসটি উদযাপন করে আসছে। এরই মাধ্যমে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিরা সমাজে তাদের অধিকার ফিরে পাওয়ার মাধ্যমে একীভূত সমাজ গঠনে কার্যকরী অবদান রাখবে বলে আশা রাখি।
ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমাকে প্রায়শই মায়েদের কাছ থেকে একটি প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। তা হলো- ‘আপা, আমি আমার ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর যত্ন কিভাবে করবো? এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমার আজকে এই প্রবন্ধটি লেখা। যাতে করে মায়েরা তাদের শিশুকে সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে পারেন।
ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর যত্নে পিতামাতার ভূমিকা মুখ্য। কারণ শিশু স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের তুলনায় বাবা-মার সাথেই বেশি সময় অতিবাহিত করে থাকে।
আমি আমার সন্তান রাফানকে যেভাবে গড়ে তুলেছি তাই আজকে আমি আপনাদের কাছে তুলে ধরবো। নিম্নে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুকে বাবা-মা কিভাবে লালনপালন করবে তার একটি বয়সভিত্তিক সার্বিক চিত্র উপস্থাপন করা হলো। উপস্থাপনাটি কোন গবেষণা বা প্রমিত মানদন্ডের ভিত্তিতে প্রণীত হয়নি। তাই এটি স্থান, কাল, পাত্রভেদে পরিবর্তিত হতে পারে।
৬-১২ সপ্তাহ
কিছুর প্রয়োজন হলে কান্না করা, শিশুর মাথা স্থির রাখা ও কোন জিনিসের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা এই বয়সে শিশুর স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। কিন্তু ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের বিকাশ অন্যদের থেকে তুলনামূলক দেরিতে হওয়ায় মা-বাবাকে অল্প বয়স থেকেই ঘাড়, মেরুদণ্ড, শরীরের পেশীসমূহে দিনে দুইবার করে ম্যাসাজ করতে হবে। শিশুর সামনে ঝুনঝুনি বা হালকা রকমারি আলোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে, যাতে করে তার দৃষ্টির স্থিরতা আসে।
৩ মাস
বিভিন্ন ধরণের কু-ধ্বনি উচ্চারণ করা, মাকে চিনতে পারা, তার গলার আওয়াজ শুনে খোঁজা ও কিছুক্ষণ মাথা সোজা রাখা এই বয়সে সাধারণ শিশুদের বৈশিষ্ট্য। সেক্ষেত্রে মা শিশুকে কোলে নিয়ে আধবোলে কথা বলা, তালি বা শব্দের মাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষণ করা ও নিয়মিত পেশীর ম্যাসাজ- এই বয়সে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের ক্ষেত্রে নিয়মিত করতে হবে।
৬ মাস
আধবুলি (বা…বা, দাদা….দা, মা…মা, মা…ম) করা, আশেপাশের শব্দে মাথা ঘোরানো, ঠেকা দিয়ে অল্প সময়ের জন্য বসা, চিত ও উপুড় হতে পারা এই সময়ের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। এই সময়ে বাবা-মা শিশুকে নরম বালিশে শোয়ানো ও নরম কিছু দিয়ে ঠেকা দেওয়ার মাধ্যমে বসানোর চেষ্টা করতে পারে।
৯ মাস
কিছু না ধরে বসা ও হামাগুড়ি দেওয়া এই বয়সে শিশুর মধ্যে না দেখলে বাবা-মা শিশুর চারপাশে বালিশ দিয়ে বসানোর চেষ্টা করবে এবং নিয়মিত পেশীর ম্যাসাজ করাবে।
১২ মাস
সব শেষ/আরো দাও বলতে পারে, দাঁড়ানোর চেষ্টা করা এবং আসবাবপত্র ধরে হাঁটা এই বয়স থেকেই একজন সাধারণ শিশু শুরু করে। কিন্তু এই বৈশিষ্ট্যগুলো একজন ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর মধ্যে না দেখা দিলে শিশুকে একটি ওয়াকার কিনে দিতে হবে এবং সাথে সাথে পেশীর ব্যায়ামগুলো চলমান রাখতে হবে।
১৮ মাস
কুকুরকে কুকুল, দুই শব্দে কথা বলা, গ্লাস ধরে পানি পান করা এবং হাঁটা এ বয়সের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। কিন্তু ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর বিকাশ ধীরে হয়। তাই বাবা-মা শিশু কিছু না ধরতে পারলে শিশুর আঙ্গুল ও কব্জির সংযোগস্থলে নিয়মিত দুইবেলা ম্যাসাজ করবে এবং ওয়াকারের মাধ্যমে হাঁটানোর চেষ্টা করাতে হবে। এই বয়সেও সে এক শব্দের কথা না বললে, মা শিশুকে নিয়ে আয়নার সামনে বসে ধীর লয়ে কথা বলানোর চেষ্টা করবে।
২ বছর
সীমিত বহুবচনের ব্যবহার, কি/কোথায় জাতীয় প্রশ্ন ও এ জাতীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, দৌঁড়াতে পারা, কিছু চাওয়া, পায়জামা ধরণের জামাকাপড় খুলে ফেলা এই বৈশিষ্ট্যগুলো দুই বছর বয়সে স্বাভাবিক। অন্যথায় বাবা-মা শিশুকে কোন কিছুতে দড়ি বেঁধে দিয়ে বা আসবাবপত্র ধরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করাতে হবে এবং ধীরেধীরে হাঁটানোর চেষ্টা করাতে হবে।
৩ বছর
প্রায় ৮০০০ শব্দ বলতে পারে, স্মৃতি হতে ৫ পর্যন্ত সংখ্যা, মৌলিক রংয়ের নাম, ক্রিয়ার অতীতকালের রূপ, তিন শব্দ বিশিষ্ট বাক্য যেমন, আমি ভাত খাই, বাবা কই যাও?, হাত তুলে কাঁধের উপর থেকে কিছু ছোঁড়া, কিছু সরিয়ে রাখা এই বয়সের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হলেও ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের ক্ষেত্রে তিন বছর বয়সে এই বৈশিষ্ট্যগুলো নাও পরিলক্ষিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাবা-মা পরিচিত জিনিসপত্রের নাম বলা, শিশু যে শব্দগুলো বলে তা পুনরাবৃত্তি করা, বিভিন্ন রংয়ের সাথে পরিচয় করানোর চেষ্টা করতে হবে।
৪ বছর
নিজের নাম ও বয়স বলা, বস্তুর ব্যবহার সম্পর্কে জানা, সাইকেলে প্যাডেলিং করা, বই বা ম্যাগাজিন দেখে ছবির নাম বলা এই বয়সে শিশুদের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। সেক্ষেত্রে বাবা-মা উক্ত ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু যদি এগুলো না করতে পারে তাহলে তাকে নিয়মিত বিভিন্ন রঙিন বই বা ছবিযুক্ত ম্যাগাজিন নিয়ে নিয়ম করে সকাল ও সন্ধ্যা দুইবেলা পড়ার টেবিলে বসাতে হবে। এর মাধ্যমে শিশুর যেমন বসার অভ্যাস তৈরি হবে তেমনি সে পড়ালেখার প্রতিও আগ্রহী হবে। এছাড়া বাংলা ও ইংরেজি বর্ণমালা শিশুকে লিখানোর চেষ্টা করাতে হবে এবং ধীরে ধীরে তাকে প্রি-স্কুলিংয়ের জন্য প্রস্তুত করতে হবে।
৫ বছর
১৫০০-২০০০ শব্দ বলতে পারা, শব্দের অনিয়মিত বহুবচনের ব্যবহার, বিভিন্ন জটিল বাক্য যেমন, আমরা নানা বাড়িতে এত সুন্দর ঘুরেছি যে খুব মজা হয়েছিলো, জামাকাপড়ের বোতাম লাগানো, কয়েকটি রংয়ের নাম বলা, সিঁড়ি দিয়ে নামতে পারা, পা ফাঁকা করে লাফানো পাঁচ বছর বয়সী শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের ধাপ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন উত্তর বাড়বের এলাকা হতে ৩২ বোতল বিদেশী মদ’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ০৪ ডিসেম্বর সোমবার রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন উত্তর বাড়বের এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৩২ বোতল বিদেশী মদ’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলো: কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার উত্তর বাড়বের গ্রামের মোঃ আব্দুল মনাফ এর ছেলে দেলোয়ার (৫৫)।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদেশী মদ’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ওষুধ,
কাফ সিরাপ, অ্যান্টিবায়োটিক— সব রকম ভাবে চেষ্টা চালিয়েও কাশি থামছে না কিছুতেই।
কাশি
এক বার শুরু হলে, তা সহজে সারতে চায় না। তবে কাশি কমানোর কিছু ঘরোয়া নিয়ম রয়েছে।
সেগুলি মেনে চললে উপকার পেতে পারেন।
নুন জলে গার্গল:
কাশির দাপট নিয়ন্ত্রণে রাখার সবচেয়ে ভাল উপায় হল গরম জলে সামান্য নুন
দিয়ে গার্গল করা। সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে দু’বার গার্গল
করতেই হবে। প্রয়োজনে আরও বেশি বার করা যেতে পারে।
হলুদ এবং দুধ:
রান্নাঘরের অপরিহার্য উপকরণ হল হলুদ। এতে রয়েছে শক্তিশালী
অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। বিশেষ করে গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে খেলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি
বাড়িয়ে তোলে। প্রতি দিন রাত্রে ঘুমোতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে
খেলে ঠান্ডা লাগা এবং সর্দি-কাশির সমস্যা থেকে দ্রুত রেহাই মিলতে পারে।
মধু, তুলসীপাতা এবং গোলমরিচ:
প্রতি দিন এক চামচ করে এমনি মধু খেতে পারেন। আবার, এক চামচ মধুর
সঙ্গে তুলসীপাতার রস এবং এক চিমটে গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন। গলায় কোনও
রকম সংক্রমণ হলে তা সেরে যাবে এই টোটকায়।
গরম জলের ভাপ:ঠান্ডা
লাগলে চিকিৎসকেরা প্রথমেই ভাপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। গলায় জমে থাকা মিউকাস
তাপের সংস্পর্শে বাইরে বেরিয়ে আসে। তবে শুধু গরম জলে ভাপ না নিয়ে তার মধ্যে লবঙ্গ
কিংবা ইউক্যালিপটাস অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানী ঢাকায় বিভিন্ন এলাকায় পশু
কোরবানি করতে গিয়ে লাথি-গুতু এবং মাংস কাটার সময় ছুরিকাঘাতে এ পর্যন্ত ৯৪ জন আহত
হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
সোমবার (১৭ জুন) আহত অবস্থায় তাদেরকে
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
ঢামেকের জরুরি বিভাগের (ভারপ্রাপ্ত)
আবাসিক সার্জন ডা. আমান বলেন, কোরবানি করতে গিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ঢামেকে
আহত অবস্থায় এখন পর্যন্ত ৯৪ জন এসেছে। আহতদের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে প্রাথমিক চিকিৎসা
দেওয়া হয়।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ
পরিদর্শক মো: বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বাচ্চু মিয়া জানান , ঢাকার বিভিন্ন
এলাকা থেকে কোরবানি দিতে গিয়ে আহত অবস্থায় ৯৪ জনকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে তাদেরকে
চিকিৎসা দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


মাদক মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৫ এর সদস্যরা।
কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন ফুলের ডেইল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামি হলেন টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ফুলের ডেইল এলাকার শামসুল আলম প্রকাশ বাবুলের ছেলে আল ফাহাদ প্রকাশ আল ফরহাদ (১৯)।
কক্সবাজার র্যাব-১৫'র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া) মো. আবু সালাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান,গত বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি চৌকস আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আল ফাহাদ প্রকাশ ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি বলে স্বীকার করে।
তিনি আরও জানান,গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দ্বিতীয় ধাপে জেলা প্রশাসক , পুলিশ সুপার এবং বিভাগীয় কমিশনারদের প্রশিক্ষণ দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করতেই প্রশিক্ষণের জন্য নতুন করে আগামী ১০ ও ১১ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে। ইটিআই-এর মহাপরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠি সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়।
গতকাল ইসি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


ভোলার মনপুরায় ভয়াবহ আগুনে ৮টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
আজ ২৪ নভেম্বর ভোরের দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এসময় ২টি ফার্মেসি, ১টি মুদি, ১টি গোডাউন ও ১টি চায়ের দোকানসহ ৮টি দোকান সম্পূর্ণ ও আংশিক পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
মনপুরা ফায়ার সার্ভিসের ফাইটার মো. হাসান জানিয়েছেন, মনপুরা উপজেলার হাজিরজাট বাজারের একটি দোকানে মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত। মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারপাশের দোকানে ছড়িয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই।
মনপুরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিনা আকতার চৌধুরী বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহায়তার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন