

কুমিল্লা সদরের আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে প্রাইভেটকার ভর্তি ৩২ কেজি গাঁজাসহ ৪ জনকে আটক করেছেন র্যাব-১১, সিপিসি -২ সদস্যরা।
আটককৃতরা হলেন, বিলকিছ (২৮), আয়েশা বেগম (৪২), গিয়াস উদ্দীন (২৮) এবং আব্দুল খালেক (২৯)। এ সময় আসামীদের হেফাজত হতে ৩২ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
আটক হওয়া বিলকিছ (২৮) নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার কাছারকান্দি গ্রামের হযরত মিয়া এর মেয়ে, আয়েশা বেগম (৪২) একই গ্রামের মৃত বাদশা মিয়া এর মেয়ে, গিয়াস উদ্দীন (২৮) নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার দূর্গাপুর গ্রামের মৃত হাফেজ আহমেদ এর ছেলে এবং আব্দুল খালেক (২৯) একই থানার একলাছপুর গ্রামের আব্দুস সোবহান এর ছেলে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১১, সিপিসি -২ এর কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসান।
মন্তব্য করুন


শারদীয় দুর্গাপূজা যথাযথভাবে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর সক্রিয় ভূমিকার অংশ হিসেবে বুধবার কুমিল্লা নগরীর মহেশাঙ্গন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেন ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোঃ নাজিম-উদ-দৌলা, এসপিপি, এনডিসি, পিএসসি, পিএইচডি।
তিনি বুধবার (১ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২ টায় পূজামন্ডপে পৌঁছে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনগণ ও সাংবাদিকদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং পূজামন্ডপ প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন।
সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ শ্যামল কৃষ্ণ সাহা (আহ্বায়ক, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট, কুমিল্লা মহানগর), সনজিৎ দেবনাথ (সদস্য সচিব), রাজীব সাহা (যুগ্ম আহ্বায়ক) ও প্রদীপসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের সাথে মুক্ত আলোচনা করে সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সিভিল প্রশাসনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের বিষয়টি জিওসি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন।
তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের সার্বিক নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পূজা উদযাপনে সেনাবাহিনীর সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং সমাজের সকল ধর্মাবলম্বীর নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী সবসময় পাশে থাকবে বলে মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি ঈশ্বর পাঠশালার ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ছেলেদের ও মেয়েদের হোস্টেলে দুটি ফ্রিজ উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।
পরিদর্শনকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাইফুল মালিক এবং কোতয়ালি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহিনুল ইসলাম। সিভিল প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি )তানজিনা জাহান।
পরিদর্শনকালে জিওসির সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এনামুল হক এবং ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের কর্নেল স্টাফ কর্নেল মেহেদী হাসান। পরিদর্শনের সার্বিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে ছিলেন ২৩ বীর এর কমান্ডিং অফিসার ও ইউনিট সদস্যবৃন্দ।
মহেশাঙ্গন পূজামন্ডপে জিওসি মহোদয়ের এ সফর হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা, নিরাপত্তাবোধ ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মন্তব্য করেন।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নে তিন লবণচাষির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৫ মে) উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন- হোয়ানক ইউনিয়নের কালাগাজীর পাড়া গ্রামের আবুল ফজলের ছেলে রিদোয়ান (৩৫), পানিরছড়া গ্রামের আকতার কবিরের ছেলে মুহাম্মদ নেছার (৩২) ও পানিরছড়া বারঘর পাড়ার মৃত মতনের ছেলে মো. আনছার।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরী জানান, রোববার (১৪ মে) সকাল ১০টায় মাঠে পলিথিন ও লবণ উঠানোর জন্য আনুমানিক ৪০-৫০ জন শ্রমিক মাঠে যায়। বৃষ্টির মধ্যে কাজ করার কারণে ঠান্ডায় ৬/৭ জন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রিদওয়ানকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন আর বাকিদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে লবণ মাঠে পলিথিন উঠাতে গিয়ে মৃত্যু হয় মুহাম্মদ নেছার নামের আরেকজনের। তাকে রাত সাড়ে ১০টায় পানিতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় সোনা মিয়া নামের আরেক কৃষককে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তিনি মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। এছাড়া এলাকাবাসী রাত সাড়ে ১১টায় লবণ মাঠ থেকে আনছারের মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা জানান, হোয়ানকের বিভিন্ন গ্রামের আরও ১০/১৫ জন লবণচাষি এখনও ঘরে ফিরেননি।
এ বিষয়ে মহেশখালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, তিনজনের মৃত্যু ও কয়েকজন অসুস্থ হওয়ার কথা শুনেছি। তবে কী কারণে তারা মারা গেছেন সেটা সঠিক জানি না। এ বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


৫ আগস্টের পরে কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলার আওয়ামীপন্থী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা আত্মগোপনে চলে গেলেও কিছু জনপ্রতিনিধি এখনো স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সহযোগিতায় স্বপদে বহাল রয়েছেন। তেমনি একজন ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শিদলাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম আলাউল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাইফুল ইসলাম পূর্বে ছাত্রলীগ নেতা ছিলেন এবং বর্তমানে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী। তিনি ২০২২ সালে বিএনপি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছিলেন। এমনকি সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তার ফেসবুক আইডিতে সরকার বিরোধী বিভিন্ন স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেও রহস্যজনক কারণে পুলিশ এখনো তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি। অথচ তিনি প্রকাশ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
একাধিক স্থানীয় সূত্র জানান, জুলাই আন্দোলন চলাকালে ছাত্র-জনতার তালিকা করে প্রশাসন ও আওয়ামী লীগ নেতাদের হাতে পৌঁছে দিতেন এই ইউপি চেয়ারম্যান। অভিযোগ রয়েছে তিনি নিজেই অস্ত্র হাতে মহড়া দিতেন । এছাড়া মাদক ও ভূমি দখলেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সর্বশেষ নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় এফ আই আর ভুক্ত আসামি হওয়া সত্ত্বেও কেন তাকে এখনো গ্রেফতার করা হচ্ছে না, তা কারোরই বোধগম্য নয়।
৩১ অক্টোবর শিদলাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে পিটিয়ে হাত ভাঙার অভিযোগ উঠে। অভিযোগে বলা হয়, ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি পূরণ না করায় তিনি চেয়ার দিয়ে স্ত্রী মারিয়া আক্তারকে মারধর করেন।
যদিও ওই সময় স্ত্রী নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করে সাইফুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি মিথ্যা।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি সাজিদুর রহমান জানান, শুনেছি কোতোয়ালি বা সদর দক্ষিণ থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা থাকতে পারে। আমার এখানে ২০২২ সালের একটি মামলা ছিল, এটার বর্তমান অবস্থা কি জানিনা? আদালত ভালো বলতে পারে। আর ৫ আগস্টের পরে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোন মামলা হয়নি এখানে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও একাধিক মামলার আসামি মো. শামীম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুড়িচং থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে উপজেলার সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি রাত ১১টার দিকে নিশ্চিত করেছেন বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল হক।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলা, স্থানীয় এক সাংবাদিকের ওপর হামলা, চাঁদাবাজি এবং মাদক মামলাসহ একাধিক অভিযোগে বিভিন্ন মামলায় আসামি ছিলেন মো. শামীম।
পুলিশের দাবি, শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর ছাত্রলীগের অনেক নেতা কর্মী আত্মগোপনে চলে যান। সে সময় শামীমও আত্মগোপনে থাকলেও কিছুদিন পরে সাংবাদিক পরিচয়ে এলাকায় ফিরে এসে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরে তথ্যানুসন্ধানের নামে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি এই সুযোগে এলাকায় নাশকতা, আতঙ্ক সৃষ্টি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করতেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত শামীম বুড়িচং সদরের সর্দার বাড়ির মো. আমির হোসেনের ছেলে এবং দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এ বিষয়ে বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিজুল হক বলেন, “মো. শামীম নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান, তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।”
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীতে ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণ করা যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন আহমেদ সুমনকে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। শুক্রবার বিকেল ৩ টায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যুবলীগ নেতা সুমনের ঘরের পাশে ঝোপে বস্তার নিচে লুকানো এলজি টি উদ্ধার করে সেনাবাহিনী।
গ্রেফতার হওয়া সুমন নগরীর ৫ নং ওয়ার্ডের মোগলটুলি উত্তর গাংচর এলাকার মৃত আলাউদ্দিন আহাম্মদের বড় ছেলে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া যুবলীগ নেতা সুমনের অস্ত্রটি বাড়ির পাশের ঝোপঝাড়ের আড়ালে বস্তার নিচে লুকানো রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হয়ে সেনাবাহিনীর আদর্শ সদর ক্যাম্প শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় মোগলটুলির গাংচর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্রটি উদ্ধার করে।
সদর ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন তৌহিদের নেতৃত্বে একটি পেট্রোল ঘটনাস্থলে গিয়ে দেশীয় অস্ত্রটি উদ্ধার করে কোতয়ালী থানায় জমা দিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র আরো জানায়, যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন আহমেদ সুমন বৃহস্পতিবার সকালে ছাত্রলীগের মিছিলে অংশ নেন। পরে পরে পুলিশের অভিযানে সুমন গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার সহযোগীরা আতঙ্কে তার অস্ত্রটি তার বাড়ির পাশে ফেলে যায়।
যৌথ গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, সুমন ও তার অনুসারীরা আরও অস্ত্রশস্ত্রের মালিক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও তৎপরতা সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন প্রভাবশালী বিএনপি নেতার সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
উল্লেখ্য যে, যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন আহমেদ সুমন সদরের সাবেক এমপি হাজী আ কম বাহাউদ্দিন বাহারের অন্যতম অনুসারী ছিলেন। ৫ আগস্টের পরে তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মীদের সাথে চলাফেরা শুরু করেন। এমনকি মোগলটুলী মোড়ে কুসিকের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুকে অভিনন্দন জানিয়ে পোস্টার ব্যানার করেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার যুবলীগ নেতা সুমন গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাকে ছাড়িয়ে নিতে এমনকি দুর্বল মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করার জন্য বিএনপি'র একটি অংশ জোর তদবির করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
মন্তব্য করুন


দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক দেশ রূপান্তর, দৈনিক আজকের কুমিল্লা পত্রিকার দাউদকান্দি প্রতিনিধি জাকির হোসেন হাজারীকে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে হওয়া দু'টি মামলায় আসামি করা হয়েছে। এঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দাউদকান্দি তিতাসের সাংবাদিক নেতারা।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, গত বছরের ৫ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের আদালতে বি-বাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার আরিফ মিয়া ১৪৫ জনের নামে মামলা করেন। প্রধান আসামী করা হয় শামীম ওসমান কে। ২৪ সালের ১৯ জুলাই ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন ছাত্রদের উপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হাজারীকে ৩৫ নম্বর আসামি করা হয়।
চলতি বছরের ২০ জানুয়ারী ডিএমপির যাত্রাবাড়ী থানায় হওয়া নাশকতা মামলায় সাংবাদিক জাকির হাজারীকে আসামী করা হয়েছে।
সাংবাদিক জাকির হাজারী জানান, মামলার বিষয়ে আমি দু'দিন আগে জেনেছি। বাদি কারা তা জানিনা। তবে বাদি আমাকে চিনে কিনা সন্দেহ। মামলায় যে ঘটনার তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ওই তারিখে আমি কোথায় ছিলাম মোবাইল নেটওয়ার্ক যাচাই করলেই বেরিয়ে আসবে।
আর আমি দীর্ঘদিন সত্য এবং ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিকতা পেশায় কাজ করছি। এজন্য বিগত আওয়ামী শাসন আমলে একাধিক হামলা এবং হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলার সম্মুখীন হয়েছি।
মামলায় উল্লেখ আওয়ামী লীগের পদের বিষয়ে তিনি বলেন, ২০১৫ সালের পর থেকে দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি কয়েকটি কমিটি হয়েছছিল। ওইসময় কোন কমিটিতে কোথায় আমার নাম তা জানি না।
এবিষয়ে দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, সাংবাদিক জাকির হাজারী একজন পেশাদার সাংবাদিক, ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন আমি আহত হয়েছিলাম। তখন সেসহ কয়েকজন আমাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসে। আর দাউদকান্দির সাংবাদিকের নামে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জে মামলা হওয়া মানে তাকে হয়রানি করার ষড়যন্ত্র বলে মনে করছি। তাই তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির দাবী জানাচ্ছি।
বৃহত্তর দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ আলী শাহীন বলেন, সাংবাদিক জাকির হাজারী বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের মধ্যে একজন। পেশাগত কাজে কখনোই কোন অন্যায়ের সাথে আপোষ করেনি। স্বার্থান্বেষী একটি মহল হয়রানি করার উদ্দেশ্যে সুকৌশলে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জের মামলায় পেশাদার সাংবাদিক জাকির হোসেন হাজারীর নাম আসামি তালিকায় ঢুকিয়ে দিয়েছে।আমরা ওই মামলা থেকে সাংবাদিক জাকির হাজারীকে অব্যাহতি বা নাম বাদ দেয়ার দাবী জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) চান্দগাঁও ক্যাম্পের অফিস থেকে পলাশ সাহা নামে এক কর্মকর্তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ পাওয়া গেছে।
বুধবার (৭ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরের বহদ্দারহাটে অবস্থিত র্যাব-৭ এর চান্দগাঁও ক্যাম্পের তৃতীয় তলার একটি রুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পলাশ সাহা (৩৭) র্যাব-৭ এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি ৩৭তম বিসিএসের পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন।
পাঁচলাইশ জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) আরিফ হোসেন জানান, পলাশ সাহাকে তার অফিস কক্ষে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মৃত পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে তার পরিবারের উদ্দেশে লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। পুলিশ এখন বিষয়টি তদন্ত করছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির সূত্রে জানা গেছে, মরদেহটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে পলাশ সাহার স্ত্রী হাসপাতালে পৌঁছেছেন।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (সিইপিজেড) আল হামিদ টেক্সটাইল নামে একটি কারখানায় আগুন লেগেছে। নয়তলা ভবনটিতে পাঁচ শতাধিক শ্রমিক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
চট্টগ্রামের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, দুপুর পৌনে ২টার দিকে কারখানায় আগুনের সংবাদ পেয়েছি।
আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট কাজ করছে। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বা কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এর আগে গত মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর মিরপুর রূপনগর শিয়ালবাড়ি এলাকায় প্রিন্টিং কারখানা এবং কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। এই আগুনে ১৬ জন পুড়ে মারা যায়।
তাদের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ জনের মরদেহ গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত শনাক্ত করেন স্বজনরা। ডিএনএ পরীক্ষার পর স্বজনদের কাছে এসব মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
২০২৪ সালের শেষ দিনে (৩১ ডিসেম্বর), বায়ুদূষণের ক্ষেত্রে বিশ্বের শহরগুলোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে (এআইকিউ) ২১০ স্কোর নিয়ে ঢাকার বায়ুর মান ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের করাচি (২৩৭ স্কোর) এবং তৃতীয় স্থানে ভারতের দিল্লি (২০৪ স্কোর)।
সকাল ১১টায় আইকিউএয়ার থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, শুধু আজ নয়, পুরো মাসজুড়েই ঢাকার মানুষ অস্বাস্থ্যকর বায়ুর সঙ্গে লড়াই করেছে। গতকালও একই সময়ে ঢাকার বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে ছিল।
বায়ুমান পরিস্থিতি: ঢাকার দূষিত এলাকা
প্রতিবেদন অনুসারে, ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে দূষিত বাতাস মিরপুরের ইস্টার্ন হাউজিং এলাকায় (২৬১ স্কোর) পাওয়া গেছে। এরপরে রয়েছে বেচারাম দেউড়ি (৩৬২), মার্কিন দূতাবাস এলাকা (২৪৬), মহাখালীর আইসিডিডিআরবি এলাকা (২৩৩), কল্যাণপুর (২২৯), গুলশানের গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (২৩৬), তেজগাঁওয়ের শান্তা টাওয়ার এলাকা (২১০), এবং গুলশান ২ এর রব ভবন এলাকা (২১১)।
বায়ুমান সূচক অনুযায়ী দূষণের মাত্রা:
০-৫০: ভালো
৫১-১০০: মাঝারি বা সহনীয়
১০১-১৫০: সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর
১৫১-২০০: অস্বাস্থ্যকর
২০১-৩০০: খুবই অস্বাস্থ্যকর
ঢাকার দূষণের কারণ ও সতর্কতা:
বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা বা পিএম ২.৫-এর উচ্চমাত্রাই ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান কারণ। আজ এর মাত্রা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানমাত্রার তুলনায় প্রায় ২৬ গুণ বেশি।
আইকিউএয়ার জানিয়েছে, এই অবস্থায় নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে হলে বাইরে গেলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। খোলা জায়গায় ব্যায়াম এড়িয়ে চলতে হবে এবং ঘরের জানালা বন্ধ রাখতে হবে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
বান্দরবানের রুমা উপজেলায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএ) তিন সদস্য নিহত হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ রবিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইএসপিআর জানিয়েছে, রুমা উপজেলার গভীর জঙ্গলে কেএনএ-র একটি গোপন আস্তানার সন্ধান পায় সেনাবাহিনী। এরপর অভিযান চালালে দুই পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়, যার ফলে কেএনএ-র তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়। সেনাবাহিনীর এই অভিযান এখনো চলমান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের এপ্রিলে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) বান্দরবানে আত্মপ্রকাশ করে। জানা যায়, কেএনএফ-এর সামরিক শাখা কেএনএ-এর শতাধিক সদস্য তিন বছর আগে মিয়ানমারের কাচিন প্রদেশে গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে।
২০২১ সালে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি দল ফিরে আসে এবং এই দলটি পাহাড়ি এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
মন্তব্য করুন