

গত ২ আগস্ট শনিবার ভারতের
আবহাওয়া দপ্তর দুই ঘণ্টার মধ্যে
ওড়িশা জুড়ে বিস্ময়কর ভাবে ৬১ হাজার বার বজ্রপাতের ঘটনা রেকর্ড করেছে। এই দিন
বজ্রপাতের ফলে মারা যাওয়া ব্যক্তির সংখ্যাও দাঁড়িয়েছে ১০ থেকে বেড়ে ১২ জনে।
তাছাড়া
আরও ১৪ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ওড়িশায় আবহাওয়ার এই চরম
অবস্থা চলমান থাকতে পারে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যার কারণে আবহাওয়া সতর্কতা জারি করা
হয়েছে অঞ্চলটিতে।
ভারতের আবহাওয়া দপ্তর
জানায়, বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় একটি ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে একটি
নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে এবং এর প্রভাবে ওড়িশা জুড়ে হতে পারে ব্যাপক বৃষ্টিপাত।
খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া।
ওড়িশার বিশেষ ত্রাণ কমিশনারের
কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, শনিবারের বজ্রপাতে নিহতদের মধ্যে চারজন খুরদা
জেলার, দুইজন বালাঙ্গির এবং একজন করে রয়েছেন আঙ্গুল, বৌধ, ঢেনকানাল, গজপতি,
জগৎসিংহপুর এবং পুরীর। এছাড়াও গজপতি এবং কান্ধমাল জেলায় বজ্রপাতের ফলে গবাদি পশু
মারা গেছে ৮ টি।
আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা
জানায়, ঠাণ্ডা ও উষ্ণ বাতাসের সংঘর্ষ এই ধরনের নজিরবিহীন বজ্রপাতের জন্য উপযুক্ত
পরিবেশ তৈরি করেছে। এসব অস্বাভাবিক ও চরম বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে বর্ষার আগমনে
স্বাভাবিক চেয়ে বেশি সময় লাগলে।
মন্তব্য করুন


গত
৪ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। গভীর রাতে গোটা সিয়ারা লিওন
যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের ব্যবহার।
মানুষের
হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে
আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয়
পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক
সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।
শুধু
জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো,
কবরস্থান গুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী।পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা
লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার
রুখতে জারি করা হল জরুরি অবস্থা।
হাজার
হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ
মাদক’ও বলা হয়।সিয়েরা লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের
বেশির ভাগ নাগরিকের কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’।
এই
কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে
বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের
কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন
হাজার হাজার যুবক।
যে
সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই
এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের
মানুষকে বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা
ছিল না বলে দাবি করেছেন বায়ো।
এই
মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের
হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে
তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য।
গভীর
রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা
করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী
সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক
এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’
জুলিয়াস
সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।কবর থেকে কঙ্কাল চুরি
আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন
কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে।
বর্তমানে
গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বিশেষজ্ঞদের
মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের
হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু
খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে
পা দিচ্ছেন অনেকেই।যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে
থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি।
কুশ
ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী।
তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।
২০২০
সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে
দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।
২০২০
থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির
ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।
এই
মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের
হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত
অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।
চিকিৎসকদের
মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে
সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত
অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।
এই
জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার রুখতে
জারি করা হল জরুরি অবস্থা। পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন
হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। শুধু জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে
দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো, কবরস্থানগুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা
বাহিনী।
সিয়েরা
লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের বেশির ভাগ নাগরিকের
কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’। হাজার হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির
প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ মাদক’ও বলা হয়।
যে
সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই
এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের
মানুষকে
বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না
বলে দাবি করেছেন বায়ো।
গত ৪ এপ্রিল গভীর রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’
কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য। শুধু তা-ই নয়, এই মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।
মানুষের হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।
কবর থেকে কঙ্কাল চুরি আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। জুলিয়াস সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।
বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বর্তমানে গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়।
পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে পা দিচ্ছেন অনেকেই।
কুশ ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী। তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।এই মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।
২০২০
সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে
দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।
২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।
চিকিৎসকদের মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।
এই
কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে
বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের
কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন হাজার
হাজার যুবক।
মন্তব্য করুন


তার নাম মেলভিন ফিজেল বুথে। তিনি জীবনের ৩৮ বছর হাতের নখ কাটেননি। ১৯৭০ সাল থেকে হাতের নখ কাটেননি মেলভিন। তিনি ২০০৯ সালে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করেন । মেলভিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের পন্টিয়াক শহরের বাসিন্দা ছিলেন । ২৭ বছর পন্টিয়াক জেনারেল হাসপাতালে চাকরির পর অবসর নেন। এর আগে মার্কিন সেনাবাহিনীতে কাজ করেছিলেন। সবকিছু আর ১০জন স্বাভাবিক মানুষের মতো হলেও তিনি একটি বিষয়ে সবার থেকে আলাদা ছিলেন । মেলভিন বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা নখ পুরুষ বিভাগে রেকর্ড করেন । এমনকি এখনো এই বিভাগে তার রেকর্ড ভাঙতে পারেননি কেউ। তার নখের দৈর্ঘ্য ৯.৮৫ মিটার বা ৩২ ফুট ৩.৮ ইঞ্চি। তার বা হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলির দৈর্ঘ্যই ছিল ১১৪.৩ সেমি বা ৪৫ ইঞ্চি। রেকর্ড করার ৭মাস পরই মারা যান মেলভিন।
সূত্র:
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়ার নৌবাহিনীর দুইটি হেলিকপ্টারের
সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। রাজকীয় মালয়েশিয়ান নৌবাহিনীর কুচকাওয়াজের জন্য
মহড়া চলাকালে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) স্থানীয় সময়
সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে দেশটির লুমুতে শহরে নৌবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। (খবর
বিবিসির)
একটি হেলিকপ্টার অন্যটির সঙ্গে সংঘর্ষ
হওয়ার পর বিধ্বস্ত হয়ে মাটিতে পড়ে যাওয়ার একটি ভিডিও স্থানীয় মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে।
হেলিকপ্টার দুইটিতে মোট ১০ জন ক্রু ছিলেন। তাদের মধ্যে কেউই আর বেঁচে নেই।
ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ বিভাগ জানিয়েছে,
সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ঘটনাটি সম্পর্কে তাদের জানানো হয়।
স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে খবরে
বলা হয়েছে, ওই দুইটি হেলিকপ্টারে অন্তত ১০ জন ক্রু ছিলেন। তাদের সবাই নিহত হয়েছেন।
রাজকীয় মালয়েশিয়ান নৌবাহিনী জানিয়েছে,
এ দুর্ঘটনায় দুই হেলিকপ্টারে থাকা সবাই ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
তাদের মরদেহগুলো (লুমুত) সামরিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি
কমিটি গঠন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
হেলিকপ্টার দুইটির মধ্যে একটিতে সাতজন
ক্রু ছিলেন। সংঘর্ষের পরে সেটি চলমান ট্র্যাকে বিধ্বস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আর অন্যটিতে তিনজন ক্রু ছিলেন। সংঘর্ষের পর সেটি কাছাকাছি একটি সুইমিং পুলে গিয়ে বিধ্বস্ত
হয়।
মন্তব্য করুন


গত ২ আগস্ট শনিবার ভারতের
আবহাওয়া দপ্তর দুই ঘণ্টার মধ্যে
ওড়িশা জুড়ে বিস্ময়কর ভাবে ৬১ হাজার বার বজ্রপাতের ঘটনা রেকর্ড করেছে। এই দিন
বজ্রপাতের ফলে মারা যাওয়া ব্যক্তির সংখ্যাও দাঁড়িয়েছে ১০ থেকে বেড়ে ১২ জনে।
তাছাড়া
আরও ১৪ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ওড়িশায় আবহাওয়ার এই চরম
অবস্থা চলমান থাকতে পারে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যার কারণে আবহাওয়া সতর্কতা জারি করা
হয়েছে অঞ্চলটিতে।
ভারতের আবহাওয়া দপ্তর
জানায়, বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় একটি ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে একটি
নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে এবং এর প্রভাবে ওড়িশা জুড়ে হতে পারে ব্যাপক বৃষ্টিপাত।
খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া।
ওড়িশার বিশেষ ত্রাণ কমিশনারের
কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, শনিবারের বজ্রপাতে নিহতদের মধ্যে চারজন খুরদা
জেলার, দুইজন বালাঙ্গির এবং একজন করে রয়েছেন আঙ্গুল, বৌধ, ঢেনকানাল, গজপতি,
জগৎসিংহপুর এবং পুরীর। এছাড়াও গজপতি এবং কান্ধমাল জেলায় বজ্রপাতের ফলে গবাদি পশু
মারা গেছে ৮ টি।
আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা
জানায়, ঠাণ্ডা ও উষ্ণ বাতাসের সংঘর্ষ এই ধরনের নজিরবিহীন বজ্রপাতের জন্য উপযুক্ত
পরিবেশ তৈরি করেছে। এসব অস্বাভাবিক ও চরম বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে বর্ষার আগমনে
স্বাভাবিক চেয়ে বেশি সময় লাগলে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের নাগরিকরা যেন কোনো বাধা বা হুমকি ছাড়াই অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন সেই প্রক্রিয়া তৈরি করার ওপর জোর দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রতিষ্ঠাতা ক্লাউস শোয়াবের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ডব্লিউইএফ-এর বার্ষিক সম্মেলনের ফাঁকে ক্লাউস শোয়াব অধ্যাপক ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, গত বছর জুলাই মাসে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে বৈষম্য নিরসনের দাবি নিয়ে রাজপথে নেমেছিল।
তিনি উল্লেখ করেন, আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীরা ঢাকার দেয়ালগুলোতে গ্রাফিতি এঁকে তাদের আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্ন প্রকাশ করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গত ১৬ বছরে বাংলাদেশে যারা নতুন ভোটার হয়েছেন, তাদের ভোট দেওয়ার সুযোগই হয়নি, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার এজেন্ডা তুলে ধরে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ৮৪ বছর বয়সী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, দেশের মানুষ কোন ধরনের নির্বাচন চায়, সেটি না জেনে সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে না। সরকার নির্বাচন আয়োজনের অপেক্ষায় রয়েছে, তবে এখন দেশের জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে প্রক্রিয়াটি কেমন হবে। তারা কি ছোট পরিসরের সংস্কার কর্মসূচিতে যাবে, নাকি দীর্ঘ মেয়াদী সংস্কার চাইবে। যদি মানুষ দ্রুত সংস্কার চায়, তাহলে আমরা এ বছরের শেষ নাগাদ নির্বাচন করার লক্ষ্য নিয়েছি। আর যদি বলে, না- আমাদের দীর্ঘ মেয়াদী সংস্কার দরকার, তাহলে আমাদের আরও ছয় মাস সময় লাগবে।
বর্তমান প্রজন্মকে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রজন্ম আখ্যায়িত করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এই প্রজন্মের অমিত সম্ভাবনা রয়েছে। প্রযুক্তি বর্তমান প্রজন্মকে বদলে দেওয়ার কারণে তারা এখন শুধু বাংলাদেশি আর তরুণ নয় বরং সারাবিশ্বের তরুণ প্রজন্মের অংশ হয়ে গেছে। এই প্রজন্ম পুরনো বাংলাদেশে ফিরে যেতে চায় না, তাই একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে। তরুণদের কাজের প্রতিটি অংশে ঐকমত্য গড়ে তোলার জন্য একটি ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হচ্ছে। সকল রাজনৈতিক দল এবং সুশীল সমাজের সংগঠনের ঐকমত্যের ভিত্তিতে ‘জুলাই সনদ’ প্রস্তুত করা হবে। তাঁর সরকার বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে। ইতোমধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গতি ফিরে এসেছে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের বক্তব্যে মুগ্ধ হন ক্লাউস শোয়াব এবং আধাঘণ্টার আলাপচারিতায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


নাইসা মল্লিক নামে এক ভারতীয় তরুণী প্রেমের টানে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এসে ঘর বেঁধেছেন।
গত ১ জুন বৃহস্পতিবার উপজেলার বালসাবাড়ী গ্রামে প্রেমিক জুয়েল সরকারের (২৪) সাথে বিয়ে হয়েছে তার। ভারত থেকে আসা ওই তরুণীকে একনজর দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে পরিচয়ের সুবাদে দেড় বছর আগে জুয়েল ও ভারতীয় তরুণী নাইসার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত বুধবার (৩১ মে ২০২৩ইং) উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ী গ্রামে আসেন নাইসা। এরপর গ্রামের ইরান সরকারের ছেলে প্রেমিক জুয়েল সরকারের সাথে বৃহস্পতিবার বিয়ে হয় তার।
নাইসা মল্লিক জানান, আমার বাবার নাম খয়রুল আলম মল্লিক। বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার দশনগর থানার ধারসা ছোট মল্লিকপাড়ায়। প্রেমের কথা আমার পরিবারকে জানালে তারা মেনে নিতে অস্বীকার করেন। তাই পরিবার ছেড়ে ভালোবাসার মানুষের কাছে চলে আসার সিদ্ধান্ত নিই। তারপর পাসপোর্ট ও ভিসার মাধ্যমে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ইমিগ্রেশন শেষ করে বাংলাদেশে আসি। এখানে আসার পর বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী আমাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। পছন্দের মানুষকে বিয়ে করে অনেক সুখে আছেন বলে জানিয়েছেন নাইসা।
প্রেমিক জুয়েল সরকার জানিয়েছেন, দীর্ঘ দেড় বছর সম্পর্কের পর নাইসার সাথে আমার বিয়ে কথা হয়। তাই নাইসা গত বুধবার আমার কাছে চলে আসে। নাইসাকে পেয়ে আমি খুবই খুশি।
সিরাজগঞ্জ জেলা জজ কোর্টের আইনজীবী গোলাম মোহাম্মদ বলেছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জ আদালতে ভারতের মেয়ে নাইসা এবং উপজেলার বালসাবাড়ী এলাকার ইরান সরকারের ছেলে জুয়েলের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
ছেলের বাবা ইরান সরকার বলেন, ভারতীয় তরুণীর সাথে আমার ছেলে জুয়েলের ফেসবুকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক হয়। এরপর ওই মেয়ে আমার বাড়িতে চলে আসে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় এবং ছেলে-মেয়ে দুজনের সম্মতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বর্তমানে তারা সুখে-শান্তিতে সংসার করছে।
মন্তব্য করুন


পৃথিবীর দ্বিতীয় জনবহুল দেশ চীনের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিয়ের প্রতি অনাগ্রহ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। তাদের এমন অনাগ্রহের কারণে দেশটির জনসংখ্যাও কমছে আশঙ্কাজনক হারে। তরুণ বয়সেই বিয়ের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে চীনের সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
চীনের পূর্বাঞ্চলের চ্যাংসান কাউন্টি ঘোষণা দিয়েছে, যদি কোনো তরুণ-তরুণী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং ওই নববধূর বয়স ২৫ বছর বা তার কম হয় তাহলে নতুন দম্পতিকে নগদ ১ হাজার ইউয়ান পুরস্কার দেওয়া হবে।
চ্যাংসান কাউন্টির অফিসিয়াল উইচ্যাট অ্যাকাউন্টে এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘উপযুক্ত বয়সে বিয়ে’ এবং ‘গর্ভধারনের’ জন্য এই পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া যেসব দম্পতির সন্তান রয়েছে তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বিশেষ সুযোগ-সুবিধাও রেখেছে তারা।
২০২২ সালে গত ৬০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো চীনের জনসংখ্যা কমে যেতে দেখা যায়। জন্মহার খুবই কম হওয়ায় দেশটিতে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে গেছে; অপরদিকে বেড়ে গেছে বয়স্কদের সংখ্যা। এ বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে চীন। জন্মহার বাড়াতে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দেয়।
চীনের আইন অনুসারে দেশটিতে ছেলেদের বিয়ের বৈধ বয়স হলো ২২। মেয়েদের বিয়ের বৈধ বয়স হলো ২০। এ বয়সী তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিয়ের কোনো চিন্তাভাবনাই দেখা যায় না। আর এ বিষয়টি জন্মহারে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে।
২০২২ সালে চীনে মাত্র ৬০ লাখ ৮০ হাজার বিয়ে হয়। যা ১৯৮৬ সালের পর সর্বনিম্ন। ২০২১ সালে যে সংখ্যক বিয়ে হয়েছিল ২০২২ সালে সে তুলনায় ৮ লাখ কম বিয়ে হয়েছিল।
সন্তান লালন-পালনের ব্যয় ও নানান কারণে দেশটির অনেক নারী বিয়ের পরও সন্তান নিতে চান না।
সূত্র: রয়টার্স
মন্তব্য করুন


বিয়ে করতে এসে হবু শ্বশুরবাড়ির আপ্যায়ন পছন্দ হয়নি বরপক্ষের। এতে রাগ করে বিয়ের আসর ছেড়েই পালিয়ে যান বর।এদিকে বিয়ের মধ্যমণি বরকে না পেয়ে বিয়েবাড়িতে শোরগোল পড়ে যায়, কল করা হয় স্থানীয় থানায়।
খবর পেয়ে পুলিশ বরের বাড়ি গিয়ে দেখেন, তিনি নিজ ঘরেই আরাম করছেন। এরপর তাকে একরকম জোরপূর্বক তুলে এনে বিয়ের আসরে নিয়ে আসা হয়। পুলিশের উপস্থিতিতেই বিয়ে সম্পন্ন হয়।
সম্প্রতি ভারতের উত্তর প্রদেশের ফতেপুর জেলার রাধানগর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে কলকাতার গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা।
গণমাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাধানগর গ্রামের ২২ বছরের এক তরুণীর সঙ্গে পাশের গ্রামের এক যুবকের বিয়ে হয়ে ঠিক হয়। বিয়ের দিন নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই বরযাত্রী পৌঁছে যায় কনের বাড়িতে। এতে বিপাকে পড়েন কনের পরিবারের সদস্যরা। কারণ তখন সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। এক পর্যায়ে বরপক্ষের মনে হয়, তাদের গুরুত্ব কম দেওয়া হচ্ছে। আলাদাভাবে খাতির করা হচ্ছে না। এতে অভিমান করে কনেপক্ষের সদস্যদের ফাঁকি দিয়ে বিয়েবাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বর। বরযাত্রীরও অনেকে চলে আসেন।
এদিকে বরযাত্রী আর বরের দেখা না পেয়ে চারিদিকে খোঁজাখুজি শুরু করেন কনের পবিবার-স্বজনেরা। বরকে কোথাও না পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন তারা। পরে পুলিশ বরের বাড়িতে পৌঁছে অভিমান ভাঙাতে না পেরে তাকে ধরেবেঁধে কনেবাড়িতে নিয়ে আসে। এরপর পুলিশ সদস্যদের তদারকিতেই চার হাত এক হয়।
মন্তব্য করুন


সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের (এসইএআরও) আঞ্চলিক পরিচালক পদে বঙ্গবন্ধুর নাতনি সায়মা ওয়াজেদকে মনোনয়ন দিয়েছে।
এসইএআরও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ছয়টি আঞ্চলিক অফিসের মধ্যে একটি, যা সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত।
এই প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে সায়মা ওয়াজেদ বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) এসইএআরও এর আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ সরকার আমাকে মনোনীত করায় আমি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি।
নির্বাচিত হলে এ অঞ্চলের জনস্বাস্থ্য নীতি ও অনুশীলনে তার দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতায় কাজ করার পরিকল্পনা করছেন বলে জানান তিনি।
সায়মা ওয়াজেদ বলেন, আমি অংশীদারত্বে কাজ করতে বিশ্বাসী এবং কমিউনিটির কথা শুনে স্থায়ী সমাধান তৈরি করতে আগ্রহী, যা মাঠ পর্যায়ে কাজ করে। এটি আজ পর্যন্ত আমার কাজকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করেছে এবং এটি আমি এই ভূমিকায় নিয়ে আসবো বলে আশা করি।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন ১৯৯৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতক এবং ২০০২ সালে ক্লিনিক্যাল মনস্তত্ত্বে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৪ সালে স্কুল সাইকোলজির ওপর বিশেষজ্ঞ ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সময় তিনি বাংলাদেশের নারীদের উন্নয়নের ওপর গবেষণা করেন। এ বিষয়ে তার গবেষণাকর্ম ফ্লোরিডার অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সের কাছ থেকে শ্রেষ্ঠ সায়েন্টিফিক উপস্থাপনা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
সায়মা ওয়াজেদ ২০০৮ সাল থেকে শিশুদের অটিজম এবং স্নায়ুবিক জটিলতা সংক্রান্ত বিষয়ের ওপর কাজ করছেন। তিনি ২০১১ সালে ঢাকায় অটিজম বিষয়ক প্রথম দক্ষিণ এশীয় সম্মেলন আয়োজন করেন। ২০১৩ সাল থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় মানসিক স্বাস্থ্যের বিশেষজ্ঞ পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন। যার স্বীকৃতিস্বরূপ, বিশ্ব সংস্থা কর্তৃক ২০১৪ সালে ডব্লিউএইচ ও অ্যাক্সিলেন্স পুরস্কারে ভূষিত হন।
মন্তব্য করুন


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
আজ সোমবার (২৭ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, ইংরেজি নববর্ষ ২০২৫ উপলক্ষে নরেন্দ্র মোদি প্রধান উপদেষ্টাকে শুভেচ্ছা কার্ড পাঠিয়েছেন। তিনি সেখানে লিখেছেন ‘নববর্ষের শুভেচ্ছা’।
মন্তব্য করুন