ডেস্ক রিপোর্ট:
বিএনপি সংবিধান সংস্কার কমিশনের কাছে উপ-রাষ্ট্রপতি ও উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদসহ মোট ৬২টি প্রস্তাবনা জমা দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজের হাতে লিখিত প্রস্তাবনা তুলে দেয়।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, বিএনপির পক্ষ থেকে সূচনা থেকে তফসিল পর্যন্ত মোট ৬২টি প্রস্তাবনা জমা দেওয়া হয়েছে। জুলাই-আগস্টের বিপ্লব এবং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায়, ভবিষ্যতে যেন একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত না হয়, সেসব বিষয় মাথায় রেখে প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "আমরা বিচার বিভাগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করেছি। উপ-রাষ্ট্রপতি ও উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদ সৃষ্টির প্রস্তাব দিয়েছি। নির্বাহী, বিচার বিভাগ এবং আইন বিভাগসহ সব ক্ষেত্রেই এমন প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে, যাতে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় থাকে।"
সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, সংবিধান সংস্কার কমিশন এ প্রস্তাবনাগুলো সরকারের কাছে উপস্থাপন করবে। কোনো বিষয়ে দ্বিমত থাকলে ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকার বিষয়টি দেখবে।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ সাংবাদিকদের জানান, বিএনপির জমা দেওয়া প্রস্তাবনা এখনো পড়ে দেখা হয়নি। তবে সবার সঙ্গে আলোচনা করে যেখানে প্রয়োজন, সেখানে সুপারিশ প্রণয়ন করা হবে।
মন্তব্য করুন
বিএনপিকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সেইফ এক্সিট চাইলে নির্বাচনে আসুন। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সেইফ এক্সিট কারা নেবে জনগণই তা নির্ধারণ করবে।
শনিবার (১৩ মে) বিকেলে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদ মিনারে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে এ কথা বলেন। বিএনপির দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র, মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিদেশিরা আমাদের বন্ধু। তারা পরামর্শ দিতে পারে, ক্ষমতায় বসাতে পারে না। ক্ষমতায় বসাবে দেশের জনগণ।
নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতার পরিবর্তন সম্ভব উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা প্রস্তুত আছি, জনগণ যদি আপনাদের (বিএনপি) চায়, আপনারা ক্ষমতায় যান। জনগণ না চাইলে আমরা সেইফ এক্সিট নেব। দ্যাট উইল বি ডিসাইডেড ইন আওয়ার জেনারেল ইলেকশন। তার আগে নয়। ওইটা ডিসাইড করার ক্ষমতা আর কারও নাই, ক্ষমতা আছে জনগণের।
নির্বাচন সবার জন্য সেইফ এক্সিট উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনারা (বিএনপি) যদি ক্ষমতায় আসতে চান, পরিবর্তন চান, নির্বাচনে আসতে হবে। নির্বাচনে যদি আসতে চান, তাহলে বিশ্বের অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, বাংলাদেশেও সেইভাবে নির্বাচন হবে। যাদের কাছে নালিশ করেন, তাদের দেশে তত্ত্বাবধায়ক আছে?
তিনি বলেন, ফখরুল সাহেবের সেইফ এক্সিট দরকার। যেভাবে লাঠিসোঁটা নিয়ে নেমেছেন। আবারও অগ্নিসন্ত্রাসের আভাস দিচ্ছেন। এটা ভালো নয়। এর পরিণাম শুভ হবে না। আমরা এক্সিট করব না। আমরা ফাইটার। ফাইট করে এসেছি। বন্দুকের নল আমাদের ক্ষমতার উৎস নয়। আমরা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ইতিহাসে ষড়যন্ত্র নেই।
মন্তব্য করুন
ডেস্ক রিপোর্ট:
শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয় এবং টিউলিপ সিদ্দিকসহ তাদের পুরো পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্প থেকে মোট ৮০ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল (বেজা), বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (বেপজা) সহ ৯টি প্রকল্পে এসব দুর্নীতি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুদকের অভিযোগে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া আটটি প্রকল্পে ২১ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পে ৫৯ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুদক চেয়ারম্যান আবদুল মোমেনের নেতৃত্বে কমিশন সভায় প্রকল্পগুলোর দুর্নীতি খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, বোন শেখ রেহানা এবং ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
এর আগে ১৫ ডিসেম্বর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে পাঁচ বিলিয়ন (৫০০ কোটি) ডলারের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদকের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মুবিনা আসাফের বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সাহেদুল আজম তমাল।
এছাড়া ৩ সেপ্টেম্বর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদকের নিষ্ক্রিয়তার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেছিলেন জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ। রিটে দুদক চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছিল।
মন্তব্য করুন
ডেস্ক রিপোর্টঃ
শিক্ষকরা রাজনীতিতে জড়ালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)-এ দশম গ্রেডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, শিক্ষায় গুণগত মান বৃদ্ধিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে কারিকুলাম ও পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বাচ্চাদের সামগ্রিক বিকাশ নিশ্চিত করতে শুধুমাত্র বইয়ের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বাড়ানোর পরামর্শ দেন। এজন্য শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান তিনি।
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনার মাধ্যমে পড়াশোনার খরচ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন উপদেষ্টা।
ড. বিধান রঞ্জন রায় জানান, পরিমার্জন এবং টেন্ডার বাতিলের কারণে কিছু ক্লাসে বই বিতরণে বিলম্ব হয়েছে। তবে জানুয়ারির মধ্যেই প্রাথমিকের চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির সব বই বিতরণ সম্পন্ন হবে।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নেপের পরিচালক ফরিদ আহমেদ, উপপরিচালক সাদিয়া উম্মুল বানিন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান খানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। পরে তিনি দশম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মৌলিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
মন্তব্য করুন
ডেস্ক রিপোর্ট:
আগামীতে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ জরুরি নয় বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, যদি জুলাই হত্যাকাণ্ডের দায়ে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে শেখ হাসিনা দণ্ডিত হন, তবে তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য হবেন।
শুক্রবার রাজধানীর এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত এক ছায়া সংসদে অ্যাটর্নি জেনারেল এসব কথা বলেন।
অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান আরও বলেন, শেখ হাসিনার পরিণতি যদি নির্মম হয়, তবে তার পাশে আওয়ামী লীগের কোনো নেতা দাঁড়াতে সাহস পাবেন না। যারা নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে, সংবিধানকে ছিঁড়ে মানুষের অধিকার লুণ্ঠন করেছে, তারা ইতিহাসের খলনায়ক হিসেবে চিহ্নিত হবে এবং বিচারের মাধ্যমে তারা কারাগারে যাবে। জুলাই বিপ্লবে শহিদরা ইতিহাসের মহানায়ক হিসেবে চিহ্নিত হবেন। এই বিপ্লব মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সংঘটিত হয়েছিল। এ বিপ্লবের অর্জনকে ধ্বংস করার চেষ্টা চলছে, কিন্তু কোনো ষড়যন্ত্রকারী এর বিরোধিতা করতে পারবে না। বিপ্লবীরা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ থাকবে। আওয়ামী লীগ ভোটাধিকার হরণ করেছিল, যা ফ্যাসিস্ট শাসনের একটি উদাহরণ।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭৩ সালে কুমিল্লা থেকে হেলিকপ্টারে ব্যালট বাক্স ছিনতাই করে ঢাকায় এনে পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করার ধারাবাহিকতায় বিগত তিনটি নির্বাচন প্রহসনে পরিণত হয়েছিল। যারা এসব নির্বাচনের মাধ্যমে কলঙ্কিত করেছেন, তাদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত।
এদিনের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছিলেন, যা শুধুমাত্র আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে একটি ষড়যন্ত্র ছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে জালিয়াতির দায়ে খায়রুল হকের গ্রেফতার এবং বিচার হওয়া উচিত। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার জন্য একতরফা, মধ্যরাতের নির্বাচন পরিচালনা করেছে এবং নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, পুলিশ, রিটার্নিং অফিসারসহ নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে নির্বাচনি অপরাধে অভিযুক্ত করা উচিত। যারা নির্বাচনি অপরাধে জড়িত ছিলেন তাদের বিচার হওয়া উচিত।
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ ১০ দফা সুপারিশ তুলে ধরেন:
১. বিগত নির্বাচনকে বিতর্কিত এবং প্রশ্নবিদ্ধ করে যারা নির্বাচন কমিশনসহ নির্বাচনি অপরাধ করেছে, তাদের বিচার করা।
২. সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অসদাচরণ ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত করা।
৩. আরপিও সংশোধনের মাধ্যমে নির্বাচনকালীন পরিবেশ না থাকলে যে কোনো সময় ভোট বন্ধের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে ফিরিয়ে দেওয়া।
৪. নির্বাচনকালীন সন্ত্রাস, ভীতি সঞ্চার, বা অন্য যেকোনো নির্বাচনি অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া।
৫. দুর্নীতিবাজ, টাকা পাচারকারী, ব্যাংক লুটেরা এবং ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বাধা দেওয়া।
৬. আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থাকে নির্বাচনে পর্যবেক্ষণের সুযোগ দেওয়া।
৭. নির্বাচনি গণমাধ্যম সংবাদ পরিবেশনে বাধা সৃষ্টি করা আইন বাতিল করা।
৮. নবগঠিত নির্বাচন কমিশনকে রাজনৈতিক দল এবং নাগরিক সংগঠনের সঙ্গে সংলাপের ব্যবস্থা করা।
৯. নির্বাচনী মনোনয়ন বাণিজ্য বন্ধ করার উপায় বের করা।
১০. নির্বাচন কমিশনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা এবং কোনো চাপের কাছে মাথা নত না করার আহ্বান জানানো।
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি বিতার্কিকদের পরাজিত করে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা বিজয়ী হন।
মন্তব্য করুন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, নির্বাচন সংক্রান্ত জরুরি সংস্কারগুলো সম্পন্ন করার পরই তারা নির্বাচন চায়। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জনগণ চায় স্থানীয় সরকার সচল হোক, এবং আমরাও চাই জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক।
বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পারওয়ার। তিনি বলেন, ‘রিফর্ম ছাড়া কোনো নির্বাচন নয় ‘নো ইলেকশন উইথআউট রিফর্মস।’
তিনি ব্যাখ্যা করেন, এই ক্ষেত্রে সব সংস্কার সুপারিশ নয়, শুধু নির্বাচন সংক্রান্ত যেসব সুপারিশ অতি জরুরি, সেগুলোই সংস্কার করতে হবে। তিনি বলেন, ‘অন্তত নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠান ও অর্গান জড়িত, সেগুলোর সংস্কার করে নির্বাচন দিতে হবে। নির্বাচনকে নিরপেক্ষ করতে যে সময়টুকু প্রয়োজন, সেটা করে নির্বাচন দিন।’
জামায়াত ৩০০ আসনে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলেও জানায় দলটি। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে গোলাম পারওয়ার বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করার বিষয়ে মতবিনিময় হয়েছে। সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা ২৩ দফা দাবি জানিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সংস্কার ছাড়া কোনো নির্বাচন নয়। সংস্কার ছাড়া নির্বাচন করলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। সেই সময় দিতে জামায়াত প্রস্তুত।’ তিনি যোগ করেন, ‘আমরা সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের পক্ষে বলেছি। বাংলাদেশের জন্য এটি প্রয়োজন, সংসদ কার্যকর করার জন্য প্রয়োজন। প্রবাসী ভোটারদের ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে।’
জামায়াতের এই নেতা আরও জানান, নিবন্ধনের বিষয় আদালতে পেন্ডিং আছে, এবং তারা ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করেন। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আইন বিধি কঠোর, তা বাতিল করা উচিত। সবার রাজনীতি করার অধিকার আছে।’
সংসদের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পক্ষেও মত দেয় জামায়াত। তবে এই ক্ষেত্রে বিএনপির মন্তব্যের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি জামায়াত সেক্রেটারি। উল্লেখ্য, বিএনপি স্থানীয় নির্বাচনের আগে জাতীয় নির্বাচন দাবি করে আসছে।
এক প্রশ্নের জবাবে গোলাম পারওয়ার বলেন, ‘জনগণের আকাঙ্ক্ষা স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে হোক।’
মন্তব্য করুন
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডন যাত্রা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছিল। এবার জানা গেছে, জানুয়ারির প্রথমার্ধে তিনি লন্ডন যাচ্ছেন। দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে, তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে মেডিকেল বোর্ডের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। সম্ভাব্য যাত্রার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ জানুয়ারি। তবে এটি এখনও নিশ্চিত নয়। সবকিছু খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে।
৭৯ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে রওনা হবেন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন ১৬ সদস্যের একটি টিম। এ টিমে তার চিকিৎসা বোর্ডের বেশিরভাগ সদস্য, তিনজন দলীয় নেতা, দুজন একান্ত সচিব, একজন প্রটোকল অফিসার, পুত্রবধূ এবং দুজন গৃহকর্মী অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
হিথ্রো বিমানবন্দরে খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানাবেন তার পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ৮ বছর পর মায়ের সঙ্গে তারেক রহমানের এ সাক্ষাৎ হবে।
সূত্র জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার লন্ডন সফরের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের ভিসা প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। যেসব হাসপাতালে তার চিকিৎসা হবে সেখানকার অ্যাপয়েন্টমেন্টও নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, খালেদা জিয়া শারীরিক ও মানসিকভাবে বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মন্তব্য করুন
কোনো বিশেষ দলকে ক্ষমতায় বসানোর উদ্দেশ্যে নির্বাচন নিয়ে কালক্ষেপণ করলে অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য তা ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ।
সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর বনানীতে বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক র্যালিতে অংশ নিয়ে তিনি এ হুঁশিয়ারি করেন।
পার্থ বলেন, 'নির্বাচন নিয়ে কালক্ষেপণের কোনও সুযোগ নেই। কোনো দলকে ক্ষমতায় আনার জন্য যদি বর্তমান সরকার পরিকল্পিত বিলম্ব করে, তাহলে ১৭ মিনিটেই সরকারের পতন ঘটবে।'
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা অর্জিত হলেও দেশের মানুষ এখনো মুক্তির স্বাদ পায়নি। তার মতে, ভালো মানুষ এবং সৎ নেতৃত্ব ছাড়া রাজনীতিতে কোনও সংস্কার সম্ভব নয়।
এ সময় তরুণ প্রজন্ম এবং শিক্ষিত মানুষদের রাজনীতিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে পার্থ বলেন, '১৭ বছর পর এবার স্বাধীনভাবে বিজয় দিবস পালনের সুযোগ এসেছে। এ সুযোগ আর নষ্ট হতে দেয়া যাবে না।'
পরে তার নেতৃত্বে একটি বিজয় র্যালি বের হয়। র্যালিটি বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বনানী মাঠে গিয়ে গুলশান ডিসিসি মার্কেটে শেষ হয়।
সূত্র: ইত্তেফাক
মন্তব্য করুন
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন যে, শেখ হাসিনা সুবিধা দেওয়ায় ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে ১৬০টি জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে।
আজ সোমবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক দোয়া মাহফিলে এ কথা বলেন তিনি। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় জাতীয়তাবাদী রিকশা-ভ্যান-অটোরিকশাচালক শ্রমিক দল এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।
রিজভী বলেন, “শেখ হাসিনা ২০১০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ভারতকে নানা সুবিধা দিয়েছেন। এই সুযোগে ভারত সীমান্তের বিভিন্ন জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে। এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি আঘাত।”
তিনি দাবি করেন, আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী শূন্যরেখা থেকে ১৫০ গজের মধ্যে কোনো স্থাপনা বা উন্নয়নকাজ নিতে হলে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা করতে হয়। কিন্তু ভারত তা না মেনে একতরফাভাবে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে।
রিজভী বলেন, “৪ হাজার ৬০০ কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে ভারত ৩ হাজার কিলোমিটারের বেশি এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে। শেখ হাসিনা এই বেআইনি কার্যক্রম ঠেকাতে কোনো পদক্ষেপ নেননি। বরং ভারতের প্রতি নতজানু থেকে সীমান্তরক্ষীদের প্রতিরোধ করার সুযোগ দেননি।”
তিনি আরও বলেন, “শেখ হাসিনা সবসময় দাবি করেন, তাঁকে নাকি কেনা যায় না। কিন্তু ভারত তাঁকে সবার আগে কিনেছে। আর সেই কারণেই তিনি নিজের দেশের স্বাধীনতা ও গৌরবকে পদদলিত করে ভারতের অন্যায্য কার্যক্রমে সুযোগ করে দিয়েছেন।”
দোয়া মাহফিলে রিজভী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রিকশা-ভ্যান-অটোরিকশাচালকদের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। আহতদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন
ডেস্ক রিপোর্ট:
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শেখ হাসিনাকে কোনো দেশ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না; আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ, দেশের জনগণ ও সংবিধান।
শুক্রবার বিকালে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে মুক্তিযুদ্ধের হারিয়ে যাওয়া মূল্যবোধের প্রত্যাবর্তন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের গত ৪৪ বছরে সবচেয়ে সাহসী রাজনীতিকের নাম শেখ হাসিনা, সবচেয়ে বিচক্ষণ নেতার নাম শেখ হাসিনা, সবচেয়ে দক্ষ প্রশাসকের নাম শেখ হাসিনা, সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতার নাম শেখ হাসিনা, সবচেয়ে সফল কূটনীতিকের নাম শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর থেকে যে পরিবর্তন হয়েছে সেই পরিবর্তনের রূপান্তরের রূপকার শেখ হাসিনা। আজকে বাংলাদেশের যে উন্নয়ন দৃশ্যমান তা শেখ হাসিনার ম্যাজিক।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় আরও বক্তব্য দেন- সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বেনজির আহমেদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী ও উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান।
অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন শহিদ আলতাফ মাহমুদের কন্যা শাওন মাহমুদ, শহিদ বুদ্ধিজীবী ডা. আলিমের কন্যা ডা. নুজহাত প্রমুখ।
মন্তব্য করুন
সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের পর দেশ পূর্ণগঠনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সময় পেয়েছিলেন মাত্র সাড়ে তিন বছর। এ স্বল্প সময়ে রাষ্ট্রের এমন কোনো সেক্টর নেই, যার উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু হাত দেননি। তিনি প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় গ্রন্থাগারের উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ রেখেছেন। রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইন তিনি এসময়ে প্রণয়ন করেছেন। বর্তমানে সময়ে এসে সেগুলোকে শুধু যুগোপযোগী করা হয়েছে মাত্র।
রোববার (১৪ মে) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনস্থ গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরি সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগারে অধিদপ্তর আয়োজিত সাপ্তাহিক ‘বিশেষ লার্নিং সেশন’ শীর্ষক কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্মাণাধীন গণগ্রন্থাগার ভবন হবে আধুনিক স্থাপত্যকলার অনন্য নিদর্শন। ভবনটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে এর গ্রন্থাগারটি হবে পরিবেশবান্ধব জায়গায় বসে জ্ঞান আহরণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান। আর গ্রন্থাগার হলো সভ্যতা-সংস্কৃতির সূতিকাগার। শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিসহ জীবনের সব ক্ষেত্রেই গ্রন্থাগারের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।
গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবু বকর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের পরিচালক মোছা. মরিয়ম বেগম।
সংস্কৃতি সচিব খলিল আহমদ বলেন, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর কর্তৃক সাপ্তাহিক লার্নিং সেশন আয়োজন একটি সময়োপযোগী ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। এ কর্মসূচিকে দীর্ঘমেয়াদে চালিয়ে যেতে হবে এবং নিত্য নতুন বিষয়ের ওপর আলোচনা করতে হবে যাতে আমাদের পাঠকদের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি পায়।
মন্তব্য করুন