

স্ত্রী জন্মদিনে দুবাই নিয়ে যাওয়ার আবদার করেছিলেন । ইচ্ছে ছিল সেখানেই স্বামীর সঙ্গে নিজের জন্মদিন উদযাপন করবেন। তবে ইতিবাচক সাড়া দেননি স্বামী আর এতে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে ওই নারী স্বামীকে ঘুষি দিলে তার মৃত্যু হয়।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনের ওয়ানওয়াদি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নিখিল খান্না পেশায় একজন রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার ছিলেন।
শনিবার (২৫ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে ।
ওয়ানওয়াদি থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, তদন্তে আরো উঠে আসে যে গত ১৮ সেপ্টেম্বর নিখিলের ৩৬ বছর বয়সী স্ত্রী রেনুকার জন্মদিন ছিল। তিনি এই দিনটি দুবাইতে উদযাপন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তার স্বামী তাতে সম্মতি দেননি।এ ছাড়া গত ৫ নভেম্বর এই দম্পতির বিবাহবার্ষিকী ছিল। এই উপলক্ষে স্বামীর কাছ থেকে ভালো কিছু উপহারও আশা করেছিলেন। এক আত্মীয়ের জন্মদিন উপলক্ষে রেনুকা দিল্লি যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তার স্বামীর কাছ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাননি। আর এসব কারণেই তিনি আপসেট ছিলেন।
ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরো বলেন, এসব বিষয় নিয়ে শুক্রবার এই দম্পতির মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। ক্ষোভের মধ্যে ওই নারী তার স্বামীর নাকে ঘুষি মারেন। এতে তার প্রচুর রক্ত ঝড়ে। ফলে তিনি অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
এ ঘটনার পরপরই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নিখিলকে সসুন জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভারতীয় পুলিশ জানিয়েছে এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে ।
মন্তব্য করুন


তাইওয়ানে ২০০টিরও বেশি
ভূমিকম্প (আফটারশক) অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬ দশমিক ৩ মাত্রার
শক্তিশালী ভূমিকম্পও ছিল।
আজ (মঙ্গলবার) ভোরে
হুয়ালিয়েনের ফায়ার ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, ৩ এপ্রিল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া একটি
হোটেল আবারও কিছুটা ঝুঁকেছে। তবে তাতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
দুটি টেকটোনিক প্লেটের
সংযোগস্থলের কাছেই তাইওয়ানের অবস্থান। এ কারণেই অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ।
ভূমিকম্পগুলো হুয়ালিয়েনের
বৃহত্তর গ্রামীণ পূর্ব কাউন্টিতে কেন্দ্রীভূত হয়েছিল। এর আগে, গত ৩ এপ্রিল সেখানে
৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তারপর থেকে তাইওয়ানে
শত শত আফটারশক হয়েছে।
২০১৬ সালে তাইওয়ানের
দক্ষিণাঞ্চলে শতাধিক লোকের প্রাণহানি ঘটে। ১৯৯৯ সালে সেখানে ৭ দশমিক ৩ মাত্রার
ভূমিকম্পে দুই হাজারেরও বেশি লোক নিহত হন।
মন্তব্য করুন


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
আজ সোমবার (২৭ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, ইংরেজি নববর্ষ ২০২৫ উপলক্ষে নরেন্দ্র মোদি প্রধান উপদেষ্টাকে শুভেচ্ছা কার্ড পাঠিয়েছেন। তিনি সেখানে লিখেছেন ‘নববর্ষের শুভেচ্ছা’।
মন্তব্য করুন


মরক্কোর
মধ্যাঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার
ছাড়িয়েছে। স্মরণকালের ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে আহত হয়েছেন ২ হাজারের বেশি মানুষ।
দেশটির
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে ১০ সেপ্টেম্বর রোববার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
বিবিসি
বলছে, রিখটার স্কেল ৬ দশমিক ৮ মাত্রার এ ভূমিকম্পে ধ্বংস হয়েছে অসংখ্য বাড়িঘর। বহুলোক
রাস্তায় খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছেন। খাদ্য, পানীয়সহ একটু বিশ্রামের অভাবে দিশেহারা
হাজার হাজার মানুষ।
মরক্কোর
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্যের বরাতে সিএনএন বলছে, ভূমিকম্পে এখন
পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ২ হাজার ১২ জন। আর আহত হয়েছেন ২ হাজার ৫৯ জন মানুষ। এর মধ্যে ১৪০০
জনেরও বেশি মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন।
হতাহতের
সংখ্যা বেশি হয়েছেন মারাক্কেশের দক্ষিণে অবস্থিত প্রদেশগুলোতে। আল-হাউজ, মারাক্কাশ,
ওয়ারজাজেট, আজিলাল, চিচাউয়া এবং তারউদান্ত প্রদেশ এবং পৌরসভাগুলিতে হতাহতের সংখ্যা
বেশি।
এমন
পরিস্থিতিতে রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদ দেশটিতে ৩ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছেন এবং বেঁচে
যাওয়াদের আশ্রয়, খাবার ও অন্যান্য সাহায্য দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
৮
সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ১১টার দিকে ভূকম্পনটি হয়।
মন্তব্য করুন


ইরাকের
উত্তরাঞ্চলীয় নিনেভ প্রদেশের হামদানিয়াহ অঞ্চলে বিয়ের অনুষ্ঠানে আগুন লেগে অন্তত
১১৩ জন নিহত এবং ১৫০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে । আহত বর ও কনে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ইরাকের
জরুরি পরিষেবা সংস্থা ও স্থানীয় কর্মকর্তারা এই খবর নিশ্চিত করেন।
নিনেভের
ডেপুটি গভর্নর হাসান আল-আল্লাক বলেন, এ পর্যন্ত ১১৩ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রদেশটির
গভর্নর নিজিম আল জুবোরি জানিয়েছেন, এখনো মৃতের সংখ্যা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।
তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
আল
জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ১ হাজার অতিথি ওই বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
নিনেভ
প্রদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত পৌনে ১১টার দিকে
এই ঘটনা ঘটে। ইরাকের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইফ আল-বদর বলেছেন, দুর্ভাগ্যজনক
দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ দেওয়ার জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টা করা হচ্ছে।
এক
জন প্রক্ষদর্শী জানান বর-কনে যখন নাচছিল তখন আতশবাজি ছুঁড়া হয় যা সিলিংয়ে আঘাত করতে
শুরু করেছিল এই সময় পুরো হলটিতে আগুন জ্বলে উঠে।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার ভারতের বেঙ্গালুরুর কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলে দুই দল।
খেলার ১৫ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় কুয়েত। ৩৮ মিনিটে গোল করে সমতায় ফেরে ভারত। প্রথমার্ধ থেকে দুই দল একটি করে গোল নিয়ে সমতা ধরে রেখেছিল। যা বজায় ছিল নির্ধারিত সময় গড়িয়ে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও।
১২০ মিনিটের খেলা শেষেও কুয়েত-ভারত ম্যাচের স্কোরলাইন ছিল ১-১। পরবর্তীতে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে জিতে শিরোপা জয়ের উল্লাসে মাতে ভারত।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিফের ফাইনালে কুয়েতকে হারিয়ে নয়বারের মতো শিরোপা জিতল ভারত। মঙ্গলবার শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে টাইব্রেকারে কুয়েতকে ৫-৪ গোলের ব্যবধানে হারায় ভারত।
মন্তব্য করুন


জোয়ের জন্ম জার্মানিতে। তবে বেশ কিছুদিন ধরে তিনি থাইল্যান্ড ছিলেন। নিজের ইউটিউবে শরীরচর্চা বিষয়ক ভিডিও প্রকাশ করতেন তিনি। ৩০ বছর বয়সী জোয়ের ইউটিউবে সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা প্রায় ১০ লক্ষ।
ভালোবেসে প্রেমিককে বুকে জড়িয়ে ধরেছিলেন প্রেমিকা। কে জানত এখানেই হবে গল্পের শেষ! এমনটাই ঘটেছে জার্মানির বডিবিল্ডার ও ইউটিউবার জো লিন্ডনারের সঙ্গে। প্রেমিকার আলিঙ্গনে প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।
নিচা জানান, তিনদিন আগে ঘাড়ে ব্যথা অনুভব করেছিলেন জো। ভেবেছিলেন হয়তো সামান্য কোনও বিষয়। মৃত্যুর দিন প্রেমিকার জন্য একটি সুন্দর চেন এনেছিলেন তিনি। সেটি পরিয়েও দিয়েছিলেন। বিকের চারটের সময় দু’জনের জিমে যাওয়ার কথা ছিল। তার আগে একটু ভালবাসার মুহূর্ত উপভোগ করছিলেন। নিচার আলিঙ্গনেই ছিলেন জো। আচমকা অসুস্থ বোধ করেন। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই মৃত্যু হয়।
উইকিপিডিয়া সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রক্তবাহিকার বাইরের দিকে ফুলে ওঠা একটি বিশেষ অবস্থা অ্যানিউরিজম যাকে বুদবুদ বা বেলুনের সাথে তুলনা করা যায় এবং যা রক্তবাহিকার নির্দিষ্ট কোনো স্থানে, অস্বাভাবিকতা, ও দুর্বলতার কারণে সৃষ্টি হয়।
জোয়ের মৃত্যুর নিশ্চিত করেছেন তার প্রেমিকা নিচা। জোয়ের সঙ্গে তার কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ভিডিও ও ছবি শেয়ার করে নিচা জানান, অ্যানিউরিজমের কারণে মৃত্যু হয়েছে তিরিশ বছরের জোয়ের।
সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট
মন্তব্য করুন


খ্যাতনামা গজল গায়ক পঙ্কজ উদাস মারা গেছেন।
পঙ্কজ উদাসের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে নায়াব উদাস। তিনি বলেছেন, গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি, পদ্মশ্রী শিল্পী পঙ্কজ উদাস ২৬ ফেব্রুয়ারি মারা গেছেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি।
পঙ্কজ উদাস ভারতের গুজরাটে জন্মগ্রহণ করেন। মূলত গজল গায়ক হিসেবে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। ১৯৮০ সালে ‘আহত’ শিরোনামের গজল অ্যালবাম প্রকাশের মাধ্যমে তিনি তার সংগীত দুনিয়ায় পা রাখেন।
পঙ্কজ উদাসের জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, ২৬ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টার দিকে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে মারা যান তিনি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। গত কয়েকদিন ধরে তার শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না।
তার সঙ্গীত জীবনের বিস্তার চার দশকেরও বেশি সময়। ৮০'র দশককে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন পঙ্কজ।
চান্দি জ্যায়সা রঙ্গ, না কাজরে কি ধার, দিওয়ারো সে মিল কর রোনা, আহিস্তা,থোড়ি থোড়ি প্যার করো, নিকলো না বেনাকাব— পঙ্কজ উদাসের গাওয়া অসাধারণ সব গজল আজও শ্রোতাদের মনের রসদ। নশা, পয়মানা, হসরত, হামসফর-এর মতো বেশ কয়েকটি বিখ্যাত অ্যালবামও রয়েছে তার ঝুলিতে।
মন্তব্য করুন


বটগাছটি কালীগঞ্জ শহর হতে ১০ কিঃমিঃ পূর্বে মালিয়াট ইউনিয়নের বেথুলী মৌজায় অবসিহত।
বটগাছটি বর্তমানে ১১ একর জমি জুড়ে বিদ্যমান।সুইতলা-মল্লিকপুরের বটগাছ নামে এটি বিশেষভাবে পরিচিত।
গাছটি দুশো বছরের পুরনো। রাস্তার ধারে ডাল- পালায় পরিপূর্ণ গাছটি জনবিরল স্থানে পথিকের বিশ্রামের আশ্রয়স্থল।
বটগাছটি একের পর এক ঝুরি নামিয়ে বিরাট আকার ধারণ করেছে। এ স্থানটির মালিক ছিলেন রায় গ্রামের জোতদার নগেন সেনের স্ত্রী শৈলবালা সেন, পরবর্তীতে এটা খাস হয়ে যায়।
বিশ্বব্যাপী গাছটির পরিচিতি ঘটে ১৯৮২ সালে বি,বি,সি র সংবাদ ভাষ্যের মাধ্যমে গাছটি এ এলাকার আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দিয়েছে।
এশিয়া মহাদেশের অন্যতম বৃহত্ এ বটগাছটির ঐতিহাসিক দিক বিবেচনা করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন দর্শনার্থী আসেন এখানে।
গুরুত্ব বিবেচনা করে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ বটবৃক্ষটির পাশে একটি রেস্ট হাউস নির্মাণ করেন ১৯৯০ সালে। বিস্তৃত বটগাছটির দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাখির কলরব, ছায়াঘেরা শীতল পরিবেশ মুগ্ধ করে দর্শনার্থীদের।
মন্তব্য করুন


পবিত্র হজ করতে বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২২ হাজার ৮৩৩ জন যাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এর মধ্যে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২২ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী। তাদের মধ্যে মক্কায় মারা গেছেন ২২ জন, মদিনায় ৪ জন।
এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১০ হাজার ৩২১ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী ১ লাখ ১২ হাজার ৫৬২ জন । হজ সম্পর্কিত সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এয়ারলাইন্স, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্পডেস্ক।
মন্তব্য করুন