

মা দিবসে পাত্রী চেয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিলেন বলিউড অভিনেতা বিজয় ভার্মা! ছেলের এমন কাণ্ড দেখে মাথায় হাত অভিনেতার মায়ের। যদিও পুরো বিষয়টি ঘটেছে সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ওয়েব সিরিজ ‘দাহাড়’-এর প্রচারের স্বার্থে।
গত ১২ মে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পেয়েছে বিজয় ভার্মা অভিনীত ‘দাহাড়’। সেই সিরিজের প্রচারণার কৌশল হিসেবেই খবরের কাগজে বেরিয়েছে ওই বিজ্ঞাপন। সিরিজে আনন্দ স্বর্ণকার নামক চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিজয়। পাত্রী চেয়ে খবর কাগজের বিজ্ঞাপন বেরিয়েছে আনন্দ স্বর্ণকারের নামেই।
বিজ্ঞাপনের শিরোনামে লেখা, ‘ইন্ডিয়াজ #১ ব্যাচেলর’, অর্থাৎ দেশের এক নম্বর অবিবাহিত পাত্র তিনি। ঠিক কেমন ধরনের পাত্রী চাই তার? বিজ্ঞাপনে লেখা রয়েছে সেই সব তথ্যও। এদিকে সেই বিজ্ঞাপন চোখে পড়েছে বিজয়ের মায়ের। বিজ্ঞাপনে ছেলের ছবি ও পাত্রী চাইয়ের দাবির তালিকা দেখে মাথায় হাত তার। আন্তর্জাতির মা দিবসে এমনই একটি ছবি সামাজিকমাধ্যমের পাতায় পোস্ট করেছেন বলিউড অভিনেতা।
মন্তব্য করুন


১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন সদ্য প্রয়াত অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। তখন তার নামে ৩৬টি মামলায় হয়। ছাত্র রাজনীতিতে তিনি তখন বেশ সক্রিয়, সিনেমা অভিনয় নিয়ে কোনো ভাবনাই ছিল না তার।
তবে একের পর এক যখন মামলা হতে থাকল তখন তার বন্ধুরাই বলল, ‘সিনেমায় ঢুকে যাও।’ সেই ঘটনার বিবরণ দিয়ে ফারুক বিবিসি বাংলাকে বলেছিলেন, ‘আমার নামে হয়রানিমূলক ৩৬টি মামলা হয়। এগুলো থেকে বাঁচার জন্য আমার কিছু বন্ধুবান্ধব বলে, চলচ্চিত্রে ঢুকে যাও। এরপরই চলচ্চিত্রে আসি।’
ফারুকের প্রথম সিনেমা ‘জলছবি’। ছবিটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘১৯৬৮ সালে ছবিটির শুটিং শুরু হয় কিন্তু মুক্তি পায় ১৯৭১-এ। মুক্তির তারিখ ২৫-এ মার্চ বা এর দুই কী তিন দিন আগে, ঠিক মনে নেই। ছবিতে আমার সহকর্মী ছিলেন কবরী। বলা যায়, আমার সিনেমাজীবন শুরুই হয় কবরীর সঙ্গে।’
সাক্ষাৎকারে চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পীদের পারিশ্রমিক নিয়েও আক্ষেপ করতে শোনা যায় অভিনেতাকে। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই তিনি জানান প্রথম সিনেমা ‘জলছবি’র পারিশ্রমিক কত ছিল। ফারুক বলেন, ‘আমাকে যথাযথ সম্মান ও সম্মানী দেওয়া হয়নি। আমাকে প্রথম ছবিতে পাঁচ শ টাকা দেওয়া হয়েছিল।’
বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি অভিনয় করেছেন ‘আবার তোরা মানুষ হ’, ‘আলোর মিছিল’, ‘সুজন সখী’, ‘লাঠিয়াল’, ‘সূর্যগ্রহণ’, ‘মাটির মায়া’, ‘নয়নমনি’, ‘সারেং বৌ’, ‘গোলাপি এখন ট্রেনে’, ‘নাগরদোলা’, ‘দিন যায় কথা থাকে’, ‘কথা দিলাম’, ‘মাটির পুতুল’, ‘সাহেব’, ‘ছোট মা’, ‘এতিম’, ‘ঘরজামাই’, ‘মিয়া ভাই’র মতো অসংখ্য সিনেমায়।
ফারুক তার অভিনয়ের জন্য ১৯বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে মনোনীত হয়েছিলেন। কিন্তু তার হাতে পুরস্কার উঠেছিল কেবলই একবার। অবশ্য ২০১৬ সালে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। অভিনয়ের বাইরে তিনি ঢাকা ১৭ আসনের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আগামী ৭ সেপ্টেম্বর হিন্দি, তামিল ও তেলুগু ভাষায় একযোগে মুক্তি পাচ্ছে
বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের সিনেমা ‘জওয়ান’।
‘জওয়ান’ এর প্রথম গান ‘জিন্দা বান্দা’ খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পাবে। এ গানটিতে এক হাজারের বেশি নারী নৃত্যশিল্পী পারফর্ম করেছেন। আর এ
গানের জন্য নির্মাতারা ১৫ কোটি রুপি ব্যয় করেছেন।
চেন্নাইয়ে বিশাল সেট নির্মাণ করে গানটির ৫দিন শুটিং
হয়েছে। চেন্নাই, হায়দরাবাদ, ব্যাঙ্গালুরু ও মুম্বাইয়ের এক হাজারের বেশি নারী নৃত্যশিল্পী
এতে পারফর্ম করেছেন। গানটিতে নারী নৃত্যশিল্পীর সাথে শাহরুখ খানকেও দেখা যাবে।
বক্সঅফিস ওয়ার্ল্ডওয়াইড
এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ‘জওয়ান’ সিনেমার গানের স্বত্ত্ব কেনার জন্য অনেক কোম্পানি
চেষ্টা করেছে। তবে ৩৬ কোটি রুপিতে সিনেমাটির গানের স্বত্ত্ব কিনেছে টি-সিরিজ।
‘জওয়ান’ সিনেমা
পরিচালনা করছেন তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় পরিচালক অ্যাটলি কুমার।
শাহরুখ খানের বিপরীতে
আছেন দক্ষিণী সিনেমার লেডি সুপারস্টার নয়নতারা। এছাড়াও অভিনয় করেছেন সানায়া
মালহোত্রা, যোগী বাবু। একটি বিশেষ চরিত্রে রয়েছেন প্রিয়ামণি। অতিথি চরিত্রে রয়েছেন
দীপিকা পাড়ুকোন ও থালাপতি বিজয়ের মতো তারকা। ২২০ কোটি রুপি বাজেটের এ সিনেমা প্রযোজনা
করছে শাহরুখের প্রতিষ্ঠান রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে।
মন্তব্য করুন


ঢাকাই
সিনেমার সুপারস্টার শাকিব খানের জন্মদিন আজ। আজ ২৮ মার্চ শাকিব খানের ৪৫ বছর পূর্ণ
হয়েছে। ১৯৯৯ সালে সোহানুর রহমান সোহানের ‘অনন্ত ভালোবাসা’ দিয়ে ঢালিউডে তাঁর অভিষেক।
ধীরে ধীরে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছেন।
দুই
দশকেরও বেশি সময় ধরে ঢাকাই সিনেমার দর্শকদের মন জয় করে চলেছেন অভিনেতা শাকিব খান। একের
পর এক সুপার হিট সিনেমা উপহার দিয়ে চলেছেন।
১৯৭৯
সালের ২৮ মার্চ গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার রাঘদীতে মাসুদ রানা হিসেবে জন্মগ্রহণ
করেন শাকিব খান। তার বাবা আব্দুর রব ছিলেন একজন সরকারি কর্মচারী এবং মাতা নূরজাহান
একজন গৃহিণী।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


দক্ষিণি মেগাস্টার রজনীকান্তের ব্লক বাস্টার সিনেমা ‘জেইলার’ শিগগিরই আসবে ওটিটিতে। সিনেমাটি সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ওটিটির পর্দায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গেছে, নির্মাতারা এই ছবির ডিজিটাল রাইটস ১০০ কোটি রুপির বিনিময়ে নেটফ্লিক্সকে বিক্রি করেছেন।
‘জেইলার’ ১১ আগস্ট মুক্তি পেয়েছিল। নেলসন দিলীপ কুমার পরিচালিত এই সিনেমাটি এ বছর সবচেয়ে হিট ছবির তালিকায় নিজের নাম লিখিয়ে নিয়েছে। মুক্তির মাত্র ২ সপ্তাহের মধ্যেই সারা বিশ্বে ৫৫০ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে ছবিটি।
ভারতে প্রায় ৩০০ কোটি রুপি আয় করেছে জেলার। বিশ্বজুড়ে আয়ের ক্ষেত্রে ৬০০ কোটি রুপির পথে এগোচ্ছে সিনেমাটি। এতে রজনীকান্ত ছাড়াও আছেন তামান্না ভাটিয়া, জ্যাকি শ্রফ, শিব রাজকুমার, মোহন লালসহ অনেকে।
মন্তব্য করুন


কিছুদিন আগেই দ্বিতীয়বার মা হওয়ার খবর প্রকাশ্য়ে এনেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি। গেল সপ্তাহেই ছিমছামভাবে সম্পন্ন হয়েছে শুভশ্রীর সাধের অনুষ্ঠান।
কিন্তু তার মাঝে নিয়মিত জিমে যাচ্ছেন শুভশ্রী।
শেয়ার করছেন জিমের এক্সারসাইজের ভিডিও। সেই ভিডিও দেখেই নেটিজেনদের মধ্য়ে হইচই। অভিনেত্রীকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি নেটিজেনরা। সোজা সাপটা শুভশ্রীকে কেউ কেউ লেখেন, এই অবস্থায় জিম করে কি আপনি ঠিক করছেন? অনেকে আবার লেখেন, অন্যকে নকল করা ঠিক নয়।
২০২০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর শুভশ্রী-রাজ চক্রবর্তীর প্রথম সন্তান যুবানের জন্ম হয়। তারপর থেকেই বাবা-মায়ের নয়নের মণি একরত্তি। রাজ-শুভশ্রীও ছেলের নানা মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন।
দ্বিতীয়বার মা হওয়ার খবর জানিয়ে যুবানের উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ার একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন রাজ ও শুভশ্রী। ক্যাপশনে লিখেছিলেন, বড় দাদা হিসেবে যুবানের প্রমোশন হয়ে গেল।
নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে দীর্ঘদিন প্রেম করেছেন শুভশ্রী গাঙ্গুলি। এরপর ২০১৮ সালের ৬ মার্চ বাগদান সারেন শুভশ্রী-রাজ। একই বছরের ১১ মে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও সম্পন্ন করেন তারা।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয়
অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণের ব্যবহৃত আইফোন ১৪ প্রো চুরি হয়েছে। ফোন হারানোর ঘটনায় থানায়
সাধারণ ডায়েরি করেছেন অভিনেত্রী ফারিণ।
৪
অক্টোবর বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএফডিসি) ঘটনাটি ঘটে।
তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
ওসি
মাজহারুল ইসলাম বলেন, চুরি নয়, ফোনটি হারিয়ে গেছে। এ ঘটনায় একটি জিডি হয়েছে। আমরা
একটি ভিডিও ফুটেজ পেয়েছি। সেটা নিয়ে কাজ চলছে।
জানা
গেছে, এফডিসিতে কাজল আরেফিন অমির পরিচালনায় ‘অসময়’ ওয়েব সিরিজের শুটিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন
ফারিণ।
মন্তব্য করুন


কেঁদে গিনেস বুকে নাম তুলে কৃতিত্ব
স্থাপন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তা করতে গিয়ে টানা
সাত দিন কেঁদে আংশিক দৃষ্টিশক্তি হারালেন নাইজেরিয়ার এক যুবক।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি নাইজেরিয়ার বাসিন্দা। ওই
যুবকের নাম টেম্বু এবেরে। জোর করে চোখে পানি আনার জন্য নানারকম কলাকৌশলও করেছিলেন
তিনি। আর তা করতে গিয়েই হঠাৎ ওই যুবক টের পান যে, তিনি সব কিছুই অস্পষ্ট দেখছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কে দীর্ঘতম সময় কাঁদতে পারেন, তা নিয়ে
একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা চলছিল। সেই প্রতিযোগিতাতেই অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
ওই যুবক জানান, ৪৫ মিনিটের জন্য তিনি কিছু দেখতে পাননি। চোখ ফুলে
গিয়েছিল। মাথাতেও অসম্ভব যন্ত্রণা হচ্ছিল।
এখন
অবশ্য সুস্থই রয়েছেন। চোখ নিয়েও কোনও সমস্যা নেই।
তারপরেও হাল ছাড়তে রাজি হননি তিনি। জানিয়েছিলেন কৌশল বদলে
প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার চেষ্টা করবেন। কিন্তু প্রতিযোগিতার আয়োজকেরা তার শারীরিক
পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পেরে জানিয়ে দেন যে, তাকে ওই প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া
হচ্ছে।
সূত্র: ডেইলি মেইল, বিবিসি
মন্তব্য করুন


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
ডোনা গ্রিফিথস টানা ৯৭৬ দিন হাঁচি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করেছেন । ১২ বছর বয়সে এই হাচির
সমস্যা শুরু হয় ডোনা গ্রিফিথস। ডোনার জন্ম ১৯৬৯ সালে। ১৯৮১ সালের ২৬ জুলাই থেকে
শুরু হয় তার হাঁচি। স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি হাঁচি হচ্ছিল ডোনার। প্রথমে তিনি
ভেবেছিলেন ধুলা থেকে বা ঠান্ডা থেকে হাঁচি হচ্ছে।
তবে এই হাঁচি থেমেছিল
দুই বছর পর ১৯৮৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর। এই ২বছর তিনি লাখ লাখ হাঁচি দিয়েছেন। তবে
দিনে বেশ কয়েকবার তার হাঁচি হত এবং তারমধ্যে একটি দিনও বাদ যায়নি। ১৯৮৩ সালের ১৭
সেপ্টেম্বর তিনি প্রথম একটি হাঁচি মুক্ত দিন কাটিয়েছিলেন বলে ডোনা তার লেখা বইয়ে
উল্লেখ করেন ডোনা।
২০২০ সালের
জানুয়ারিতে, ডোনার রেকর্ডটি ব্রিটিশ টিভি প্যানেল শো কিউআইতে দেখানো হয়েছিল। তখন
কমেডিয়ান জিমি কার রসিকতা করে বলেছিলেন যে, ডোনা নিশ্চয়ই একটি মরিচ কারখানায় কাজ
করতেন। কিন্তু ডোনা কোনো মরিচ কারখানায় সেসময় কাজ করতেন না। এরপরই গিনেস বুক অব
ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি হাঁচি দেওয়ার জন্য ডোনা গ্রিফিথস এর নাম
ঘোষণা করা হয়।
সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড
রেকর্ড/ আরব নিউজ
মন্তব্য করুন


রায়হান রাফির সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের সুপারস্টার শাকিব খান।
সুপারস্টার শাকিব খান কে নিয়ে ‘তুফান’ নামে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা আগেই দিয়েছিলেন রায়হান রাফি।
এবার সিনেমায় ‘গডফাদার’-এর চরিত্রে অভিনয় করবেন শাকিব। ইতোমধ্যে সিনেমাটির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ শুরু হয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি বছর কুরবানির ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। ভারতের হায়দরাবাদে রামুজি ফিল্ম সিটিতে চলছে ‘তুফান’-এর সেট নির্মাণের কাজ।
সম্প্রতি এসকে ফিল্মসের ইউটিউবে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে নির্মাতা রায়হান রাফি ‘তুফান’ সিনেমার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেছেন।
রায়হান রাফি জানান, শাকিব খান চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করেন। আমি অনেক দিন থেকে এই সিনেমার প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রায় ৪ মাস থেকে প্রি-প্রোডাকশনের কাজ চলছে।
আর এদিকে সিনেমাটির শুটিং সেটের কিছু ডামি ছবি প্রকাশ পেয়েছে, নব্বই দশকের বাড়িঘর, গাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনায় সাজানো হয়েছে সেট। তা দেখে রীতিমতো মুগ্ধ হয়েছেন সিনেমাপ্রেমীরা।
মন্তব্য করুন