শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক

জননেত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে কানাডা প্রবাসী আওয়ামী লীগের নেতারা।

আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন অন্টারিও আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক ভিপি বাকসু ফয়জুল করিম, অন্টারিও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লিটন মাসুদ, সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার নওশের আলী, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মুশফিকুর রহমান আকন্দ, নির্বাহী সদস্য এস বি আব্দুল হামিদ, কানাডা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক শেখ জসিম উদ্দিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক কবিরুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক সুকোমল রায়, তাজুল ইসলাম, জাফর আহমেদ, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. হুমায়ুন কবির, সহ-সভাপতি ড. এ এম তোহা ও কানাডা ছাত্রলীগের সভাপতি ওবায়দুর রহমান।

বক্তারা আলোচনায় বলেন, দীর্ঘ দুই যুগ ধরে চলমান মুক্তি সংগ্রামকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধে রূপান্তর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যার মাধ্যমে ১৯৭১ সালে বিশ্বের বুকে চূড়ান্তভাবে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ। এরপর সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষের ঘরে ঘরে স্বাধীনতার সুফল পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করেন তিনি। এছাড়া কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির বিকাশের পাশাপাশি শিল্প-বিপ্লব, তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষাদানের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী নতুন প্রজন্ম তৈরি, অর্থনৈতিকভাবে বৈষম্যহীন সমাজ গঠন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে একটি মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত অপরাধী ছাড়া বাকি সবাইকে নিয়ে দেশগঠনে মন দেন বঙ্গবন্ধু। কিন্তু সেই কর্মযজ্ঞ অর্ধসমাপ্ত অবস্থাতেই মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অপশক্তির চক্র তাকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে মাঝপথে থমকে দেয়। ফলে মুখ থুবড়ে পড়ে বাংলাদেশ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর উগ্রবাদীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে স্বৈরাচারেরা। দীর্ঘ মুক্তিসংগ্রামের মূলমন্ত্র, বাংলাদেশের জাতীয় সংবিধানের মূলনীতি, বাঙালি জাতির হাজার বছরের সম্প্রীতির সংস্কৃতির চেতনার মূলে কুঠারাঘাত করে জামায়াতসহ স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী দলগুলো। 

তারা বলেন, উগ্রবাদী ও স্বাধীনতা বিরোধীদের নিয়ে স্বৈরাচার জিয়াউর রহমান কর্তৃক অবৈধভাবে বিএনপি গঠনের পরপরই দলটি মুক্তিযুদ্ধের জাতীয় স্লোগানকে নিষিদ্ধ করে দেশে, পতাকার রঙ বদলে দেওয়ার অপচেষ্টা করে, ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বোকা বানায় দেশের সাধারণ জনগণকে, দেশে চালু করে ধর্মব্যবসা, জঙ্গিবাদ এবং সহিংসতার রাজনীতি। এ অপশক্তির সন্ত্রাস ও কালোবাজারির কাছে অসহায় হয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ। ধসে পড়ে দেশের অর্থনীতি ও পঙ্গু হয়ে যায় জাতীয় সংস্কৃতি। রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হয় মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতা-কর্মী। স্বৈরাচার ও উগ্রবাদীদের সীমাহীন সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটপাট ও নির্যাতনে অস্থির হয়ে ওঠেন সাধারণ মানুষ। দ্বিমুখী ষড়যন্ত্রে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় বাংলাদেশ ও আওয়ামী লীগ। এরকম পরিস্থিতিতে নিজের জীবনকে বিপন্ন করে বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রকে রক্ষা করতে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরেন শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সভাপতির দায়িত্ব নিয়েই দলকে পুনর্জীবিত করতে দেশের প্রতিটি প্রান্তে ছুটতে শুরু করেন তিনি। শুরু হয় এক নতুন সংগ্রাম। 

তারা আরও বলেন, নব্বইয়ের দশকজুড়ে সারাদেশ সফর করে একদিকে আওয়ামী লীগকে তৃণমূল থেকে যেমন গুছিয়ে তোলেন, তেমনি দেশের প্রান্তিক মানুষের জীবনমান ও সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেন শেখ হাসিনা। ফলে ছিন্নভিন্ন আওয়ামী লীগকে যখন আপত্য-মায়ায় মেখে আবারও গড়ে তুলছিলেন, ঠিক তখনই বাংলাদেশ পুনর্গঠনের প্রাথমিক পরিকল্পনাও সম্পন্ন হয়ে যায়। এরপর শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যতই গুছিয়ে উঠেছে, সন্ত্রাস-লুটেরা ও উগ্রবাদীদের কড়াল গ্রাস থেকে মুক্ত হয়ে ততোই ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। এ কারণে বাংলাদেশ এবং আওয়ামী লীগের যাত্রাপথ অনেকটা এক ও অভিন্ন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু যেমন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশে, তেমনি শেখ হাসিনাও আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুনর্নির্মাণের পটভূমি রচনা করেন স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর। এ কারণে শেখ হাসিনার এ প্রত্যাবর্তন অনেকটা বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক।

তারা বলেন, বাংলাদেশের জন্য এ দিনটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। উগ্রবাদী ও লুটপাটকারীদের থাবায় পিষ্ট ও বিধ্বস্ত বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি আবারও নতুন জীবন পেয়ে নতুন উদ্যমে অগ্রযাত্রার পথে ধাবিত হয়েছে। শেখ হাসিনার দূরদর্শী, বিচক্ষণ ও মানবিক নেতৃত্বের কারণে আজ বাংলাদেশ পৃথিবীর রোল মডেল।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কানাডায় ‘নজরুল সংগীত সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

নিউইয়র্কে সাস্ট অ্যালামনাইয়ের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

চীন-বাংলাদেশের দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈঠক

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক

ষষ্ঠ টরন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল শুরু ১৮ সেপ্টেম্বর

ফ্রাঙ্কফুর্টে বৈশাখী উৎসব ও রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠিত

কুয়েত প্রবাসীদের জন্য ব্যাগেজের সুবিধা দিলো বিমান

কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত


শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক

জননেত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে কানাডা প্রবাসী আওয়ামী লীগের নেতারা।

আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন অন্টারিও আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক ভিপি বাকসু ফয়জুল করিম, অন্টারিও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লিটন মাসুদ, সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার নওশের আলী, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মুশফিকুর রহমান আকন্দ, নির্বাহী সদস্য এস বি আব্দুল হামিদ, কানাডা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক শেখ জসিম উদ্দিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক কবিরুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক সুকোমল রায়, তাজুল ইসলাম, জাফর আহমেদ, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. হুমায়ুন কবির, সহ-সভাপতি ড. এ এম তোহা ও কানাডা ছাত্রলীগের সভাপতি ওবায়দুর রহমান।

বক্তারা আলোচনায় বলেন, দীর্ঘ দুই যুগ ধরে চলমান মুক্তি সংগ্রামকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধে রূপান্তর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যার মাধ্যমে ১৯৭১ সালে বিশ্বের বুকে চূড়ান্তভাবে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ। এরপর সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষের ঘরে ঘরে স্বাধীনতার সুফল পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করেন তিনি। এছাড়া কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির বিকাশের পাশাপাশি শিল্প-বিপ্লব, তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষাদানের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী নতুন প্রজন্ম তৈরি, অর্থনৈতিকভাবে বৈষম্যহীন সমাজ গঠন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে একটি মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত অপরাধী ছাড়া বাকি সবাইকে নিয়ে দেশগঠনে মন দেন বঙ্গবন্ধু। কিন্তু সেই কর্মযজ্ঞ অর্ধসমাপ্ত অবস্থাতেই মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অপশক্তির চক্র তাকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে মাঝপথে থমকে দেয়। ফলে মুখ থুবড়ে পড়ে বাংলাদেশ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর উগ্রবাদীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে স্বৈরাচারেরা। দীর্ঘ মুক্তিসংগ্রামের মূলমন্ত্র, বাংলাদেশের জাতীয় সংবিধানের মূলনীতি, বাঙালি জাতির হাজার বছরের সম্প্রীতির সংস্কৃতির চেতনার মূলে কুঠারাঘাত করে জামায়াতসহ স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী দলগুলো। 

তারা বলেন, উগ্রবাদী ও স্বাধীনতা বিরোধীদের নিয়ে স্বৈরাচার জিয়াউর রহমান কর্তৃক অবৈধভাবে বিএনপি গঠনের পরপরই দলটি মুক্তিযুদ্ধের জাতীয় স্লোগানকে নিষিদ্ধ করে দেশে, পতাকার রঙ বদলে দেওয়ার অপচেষ্টা করে, ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে বোকা বানায় দেশের সাধারণ জনগণকে, দেশে চালু করে ধর্মব্যবসা, জঙ্গিবাদ এবং সহিংসতার রাজনীতি। এ অপশক্তির সন্ত্রাস ও কালোবাজারির কাছে অসহায় হয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ। ধসে পড়ে দেশের অর্থনীতি ও পঙ্গু হয়ে যায় জাতীয় সংস্কৃতি। রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হয় মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতা-কর্মী। স্বৈরাচার ও উগ্রবাদীদের সীমাহীন সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটপাট ও নির্যাতনে অস্থির হয়ে ওঠেন সাধারণ মানুষ। দ্বিমুখী ষড়যন্ত্রে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় বাংলাদেশ ও আওয়ামী লীগ। এরকম পরিস্থিতিতে নিজের জীবনকে বিপন্ন করে বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রকে রক্ষা করতে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরেন শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সভাপতির দায়িত্ব নিয়েই দলকে পুনর্জীবিত করতে দেশের প্রতিটি প্রান্তে ছুটতে শুরু করেন তিনি। শুরু হয় এক নতুন সংগ্রাম। 

তারা আরও বলেন, নব্বইয়ের দশকজুড়ে সারাদেশ সফর করে একদিকে আওয়ামী লীগকে তৃণমূল থেকে যেমন গুছিয়ে তোলেন, তেমনি দেশের প্রান্তিক মানুষের জীবনমান ও সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেন শেখ হাসিনা। ফলে ছিন্নভিন্ন আওয়ামী লীগকে যখন আপত্য-মায়ায় মেখে আবারও গড়ে তুলছিলেন, ঠিক তখনই বাংলাদেশ পুনর্গঠনের প্রাথমিক পরিকল্পনাও সম্পন্ন হয়ে যায়। এরপর শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যতই গুছিয়ে উঠেছে, সন্ত্রাস-লুটেরা ও উগ্রবাদীদের কড়াল গ্রাস থেকে মুক্ত হয়ে ততোই ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। এ কারণে বাংলাদেশ এবং আওয়ামী লীগের যাত্রাপথ অনেকটা এক ও অভিন্ন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু যেমন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশে, তেমনি শেখ হাসিনাও আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুনর্নির্মাণের পটভূমি রচনা করেন স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর। এ কারণে শেখ হাসিনার এ প্রত্যাবর্তন অনেকটা বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক।

তারা বলেন, বাংলাদেশের জন্য এ দিনটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। উগ্রবাদী ও লুটপাটকারীদের থাবায় পিষ্ট ও বিধ্বস্ত বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি আবারও নতুন জীবন পেয়ে নতুন উদ্যমে অগ্রযাত্রার পথে ধাবিত হয়েছে। শেখ হাসিনার দূরদর্শী, বিচক্ষণ ও মানবিক নেতৃত্বের কারণে আজ বাংলাদেশ পৃথিবীর রোল মডেল।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কানাডায় ‘নজরুল সংগীত সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

নিউইয়র্কে সাস্ট অ্যালামনাইয়ের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

চীন-বাংলাদেশের দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈঠক

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক

ষষ্ঠ টরন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল শুরু ১৮ সেপ্টেম্বর

ফ্রাঙ্কফুর্টে বৈশাখী উৎসব ও রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠিত

কুয়েত প্রবাসীদের জন্য ব্যাগেজের সুবিধা দিলো বিমান

কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত


ষষ্ঠ টরন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল শুরু ১৮ সেপ্টেম্বর

ষষ্ঠ টরন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল শুরু ১৮ সেপ্টেম্বর

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র নিয়ে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ষষ্ঠ টরন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০২৩’। কানাডার স্থানীয় সময় শনিবার টরন্টোর ৩০০০ ড্যানফোর্থ এভিনিউয়ের মাল্টিকালচারাল ফিল্ম স্ক্রীনিং সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। 

চার দিনব্যাপী এই চলচ্চিত্র উৎসবটি অনুষ্ঠিত হবে স্কারবোরোর ২২ লেভবিক এভিনিউয়ের সিনেপ্লেক্স ওডেন এবং মাল্টিকালচারাল ফিল্ম স্ক্রীনিং সেন্টার এ।

উল্লেখ্য, টরন্টো ফিল্ম ফোরাম ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করার পর চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, চলচ্চিত্র নির্মাণ ও চলচ্চিত্র বিষয়ে আলোচনায় টরন্টোর বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করে। ২০১৭ সালে কানাডার ১৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে টরন্টো ফিল্ম ফোরাম সেই বছরে ১ম মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করে।

তারপর এর ধারাবাহিকতায় প্রতি বছর টরন্টো ফিল্ম ফোরাম চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করে আসছে। শুধুমাত্র ২০২০ সালে করোনা অতিমারির সংকটের সময় টরন্টো ফিল্ম ফোরামের পক্ষে চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। 

প্রত্যাশা করা হচ্ছে এবার প্রায় ২০টি সংস্কৃতির ৪০টির মত প্রামাণ্য চলচ্চিত্র এবং স্বল্প ও পূর্ণ দৈর্ঘ্যের কাহিনী চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। সেই সঙ্গে উৎসবের সময়ে উপস্থিত থাকবেন প্রদর্শিত চলচ্চিত্রের বেশ কয়েকজন নির্মাতা এবং অভিনয় শিল্পী, যারা ইতোমধ্যে দেশে বিদেশে নিজেদের চলচ্চিত্র নির্মাণশৈলী এবং অভিনয়ের জন্য সুধীজনের দৃষ্টি কেড়েছেন।  

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন টরন্টো ফিল্ম ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এবং ৬ষ্ঠ টরন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের সমন্বয়ক মনিস রফিক। টরন্টো ফিল্ম ফোরামের অনুষ্ঠান সম্পাদক ও ফেস্টিভ্যালের ভলিন্টিয়ার্স কমিটির আহ্বায়ক সোলায়মান তালুত রবিন, টরন্টো ফিল্ম ফোরামের অর্থ সম্পাদক ও ফেস্টিভ্যালের অর্থবিষয়ক কমিটির আহ্বায়ক সাহিদুল আলম টুকু এবং টরন্টো ফিল্ম ফোরামের সভাপতি ও ফেস্টিভ্যালের পরিচালক এনায়েত করিম বাবুল। 

টরন্টো ফিল্ম ফোরামের সভাপতি এনায়েত করিম বাবুল বলেন, বর্তমান সময়ে চলচ্চিত্র একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ শিল্প মাধ্যম, এটার মাধ্যমে খুব সহজেই জাতি-গোষ্ঠী নির্বিশেষে সব মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়ানো সম্ভব। 

টরন্টো ফিল্ম ফোরাম যেহেতু চলচ্চিত্র বিষয়ক একটি সংগঠন, সেহেতু চলচ্চিত্রের মাধ্যমে এই ‘মাল্টিকালচারাল স্পিরিট’টি সবার কাছে পৌঁছে দিতে সংগঠনটি বদ্ধ পরিকর। এবারের এই চলচ্চিত্র উৎসবে বিভিন্ন ভাষা-ভাষী ও সংস্কৃতির চলচ্চিত্রের সঙ্গে বাংলাদেশের তরুণদের একটি উল্লেখ সংখ্যক চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। ফলে আমরা খুব সহজেই উত্তর আমেরিকায় বাংলাদেশের চলচ্চিত্রও পৌঁছে দিতে পারব। 

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কানাডায় ‘নজরুল সংগীত সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

নিউইয়র্কে সাস্ট অ্যালামনাইয়ের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

চীন-বাংলাদেশের দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈঠক

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক

ষষ্ঠ টরন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল শুরু ১৮ সেপ্টেম্বর

ফ্রাঙ্কফুর্টে বৈশাখী উৎসব ও রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠিত

কুয়েত প্রবাসীদের জন্য ব্যাগেজের সুবিধা দিলো বিমান

কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত


কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত

কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত

কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় আব্দুল কুদ্দুস (৫৯) নামে এক বাংলাদেশি মারা গেছেন। সোমবার (১৫ মে) দেশটির ইসবিলিয়া ও রিহাব এলাকায় সংযোগ সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আব্দুল কুদ্দুসের দেশের বাড়ি যশোরে। তিনি জেলার রুপদিয়া উপজেলার কোতোয়ালি সদর থানার কসুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। 

নিহতের ভাগনে ফয়সাল জানান, প্রায় দেড় যুগ ধরে কুয়েতে বসবাস করছেন তিনি। দেশটিতে একটি সুপার মার্কেটে কাজ করতেন আব্দুল কুদ্দুস। দেশের তার দুই ছেলে ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

তিনি জানান, ঘটনার দিন সকালে রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগতির একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। ফলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। বর্তমানে তার মরদেহ ফরওয়ানিয়া হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ দ্রুত দেশে পরিবারের কাছে পাঠানো হবে।

এফকে

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কানাডায় ‘নজরুল সংগীত সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

নিউইয়র্কে সাস্ট অ্যালামনাইয়ের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

চীন-বাংলাদেশের দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈঠক

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক

ষষ্ঠ টরন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল শুরু ১৮ সেপ্টেম্বর

ফ্রাঙ্কফুর্টে বৈশাখী উৎসব ও রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠিত

কুয়েত প্রবাসীদের জন্য ব্যাগেজের সুবিধা দিলো বিমান

কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত


কানাডায় ‘নজরুল সংগীত সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

কানাডায় ‘নজরুল সংগীত সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

বাঙালি জাতিসত্তার প্রকৃত পরিচয় ও বাঙালিয়ানাকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ধরে রাখতে এবং আবহমান বাংলার কৃষ্টি, ইতিহাস, ঐতিহ্যের সঙ্গে সেতু বন্ধন তৈরি করতে সাম্যর কবি, বিদ্রোহী কবি আর ভালোবাসার কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিন উপলক্ষ্যে ‘নজরুল সংগীত সন্ধ্যা’ আয়োজন করেছে কানাডার ক্যালগেরির প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

কানাডার স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় ক্যালগেরির ফলকনরিজ কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বাংলাদেশ থেকে আসা ‘বাংলাদেশ নজরুল সংগীত সংস্থা’র সাধারণ সম্পাদক এবং ছায়ানট সংগীত বিদ্যায়াতনের ভাইস প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী খাইরুল আনাম শাকিল।বরফাচ্ছন্ন কানাডা বছরের এই সময়টাতে প্রকৃতি ভিন্ন অবয়বে নতুন চেহারায় জেগে উঠলেও প্রকৃতিতে বিরাজ করে চাঞ্চল্য আর অস্থিরতার আমেজ। চারদিকে গাছগাছালিতে নতুন রূপ। এমনি এক পরিবেশে শিল্পী শাকিল কবি নজরুলকে গাইলেন নিজের কণ্ঠে। সুর ও বাণীর মালা দিয়ে বাঁধলেন দর্শকদের।

বহু সম্প্রদায়ের দেশ কানাডায় দিনটি গতানুগতিক মনে হলেও প্রবাসী বাঙালিদের কাছে ছিল সম্পূর্ণ আলাদা, আবেগ-অনুভূতি-উচ্ছ্বাসে ভরে ওঠা মাধুর্যমণ্ডিত একটি সন্ধ্যা, যেন নিজেকে নজরুলীয় ভালোবাসায় সমর্পিত ও উদ্ভাসিত করা।কমিউনিটি সেন্টারে সংগীতপ্রেমী নারী পুরুষের পদচারণায় হৃদয় মন ভরে উঠেছিল অন্যরকম এক আবেগ ভালোবাসার মিলনমেলায়। প্রেমময়,সাম্যবাদী, মানবিক চেতনার কবির ‘নজরুল সন্ধ্যা’- প্রবাসীদের মাঝে মাতৃভূমি এবং বাঙালির সাংস্কৃতিক চর্চার ধারাকে আরও সমৃদ্ধ করবে এমন আশা আয়োজকদের।

অনুষ্ঠানের আয়োজক ইকবাল রহমান জানান, আসছে ২৪ মে আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিন। সেই উপলক্ষ্যে ক্যালগেরিতে ভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে আমরা নজরুলকে তুলে ধরেছি যা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এবং প্রবাসীদের মাঝে নজরুলের চেতনাকে জাগ্রত করবে। 

অনুষ্ঠানের অন্যতম আয়োজক খয়ের খোন্দকার রবেল বলেন, খুব ভালো লাগছে প্রবাসে কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিন উপলক্ষ্যে এ রকম একটা আয়োজন করতে পেরে। আমাদের প্রিয় শিল্পী খাইরুল আনাম শাকিলের সুর ও বাণীর মালায় আমরা মুগ্ধ। প্রবাসে ভিন্ন এ আয়োজন আমাদের সংস্কৃতির বলয়কে আরও সুদীর্ঘ করবে, এমনটাই আমার বিশ্বাস।সংগীত শিল্পী সোহাগ হাসান বলেন, প্রবাসে এ ধরনের আয়োজনে আমরা সত্যিই অভিভূত। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার অনবদ্য সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে তিনি আমাদের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবেন।

বাংলাদেশ কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সাধারণ সম্পাদক শুভ্র দাস বলেন, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার সৃষ্টির মধ্য দিয়ে শুধু প্রবাসে নয় সারা বিশ্বের মানুষের মাঝে তিনি জাগ্রত থাকবেন। তার জন্মদিনে আমাদের অভিনন্দন এবং বিনম্র শ্রদ্ধা।

বাংলাদেশ নজরুল সঙ্গীত সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এবং ছায়ানট সংগীত বিদ্যায়তনের ভাইস প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী খাইরুল আনাম শাকিল বলেন, প্রবাসে নজরুল সংগীত সন্ধ্যার এই আয়োজনে প্রবাসীদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখে আমি অভিভূত। ক্যালগেরির প্রবাসী বাঙালিদের দেশপ্রেম ও সংস্কৃতির প্রতি যে ভালোবাসা তা গভীরভাবে লক্ষ্য করেছি। আশাকরি ভবিষ্যতেও এই চর্চা অব্যাহত থাকবে এবং আমাদের নতুন প্রজন্মের হাতে নজরুলের যা কিছু রচনা, যা কিছু সৃষ্টি ভালো অনুবাদের মাধ্যমে তা তুলে দিতে হবে।

দ্রোহ, প্রেম, ধর্মীয় অনুপ্রেরণা ও সাম্যবাদের কবি কাজী নজরুল ইসলামের একেকটি দীপ্তিমান শব্দবর্ধন সেই ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে বাঙালিকে উজ্জীবিত করেছে স্বাধীনতা সংগ্রাম পর্যন্ত। বাঙালির আন্দোলনে তার সৃষ্টি আজও সমানভাবে প্রেরণা যোগায়। 

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কানাডায় ‘নজরুল সংগীত সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

নিউইয়র্কে সাস্ট অ্যালামনাইয়ের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

চীন-বাংলাদেশের দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈঠক

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক

ষষ্ঠ টরন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল শুরু ১৮ সেপ্টেম্বর

ফ্রাঙ্কফুর্টে বৈশাখী উৎসব ও রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠিত

কুয়েত প্রবাসীদের জন্য ব্যাগেজের সুবিধা দিলো বিমান

কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত


চীন-বাংলাদেশের দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈঠক

চীন-বাংলাদেশের দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈঠক

চীনের চিয়াংশি প্রদেশের নানছাং ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুল এবং বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় তাদের মধ্যে শিক্ষা বিষয়ে বাস্তব সহযোগিতা এবং বিনিময় নিয়ে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

মঙ্গলবার সকালে চিয়াংশি প্রাদেশিক বৈদেশিক বিষয়ক অফিস এবং চিয়াংশি পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর ফ্রেন্ডশিপ উইথ ফরেন কান্ট্রিসের সার্বিক সহযোগিতায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বক্তব্য রাখেন- বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কুল কমিটির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ মারুফ, নানছাং ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপাল হউ থিং এবং চিয়াংশি প্রদেশের বৈদেশিক বিষয়ক অফিসের কর্মকর্তা রাও ইয়েসহ আরো অনেকে।অনলাইন এক্সচেঞ্জ মিটিংয়ে দুই স্কুলের প্রতিনিধিরা বাস্তব সহযোগিতা এবং বিনিময় বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

উভয় স্কুলের শিক্ষক-ছাত্রদের দুই দেশ পরিদর্শন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, কোর্স-কারিকুলাম বিনিময়, আন্তর্জাতিক ছাত্র ক্লাব নির্মাণ, সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম, চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি দৃঢ় সম্পর্ক তৈরি করতে অনলাইন এবং অফলাইন কার্যক্রম, একসঙ্গে সহযোগিতা ও বিনিময়ের একটি নতুন অধ্যায় রচনাসহ নানা বিষয়ে একমত পোষণ করেন চীন ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কানাডায় ‘নজরুল সংগীত সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

নিউইয়র্কে সাস্ট অ্যালামনাইয়ের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

চীন-বাংলাদেশের দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈঠক

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক

ষষ্ঠ টরন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল শুরু ১৮ সেপ্টেম্বর

ফ্রাঙ্কফুর্টে বৈশাখী উৎসব ও রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠিত

কুয়েত প্রবাসীদের জন্য ব্যাগেজের সুবিধা দিলো বিমান

কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত


কুয়েত প্রবাসীদের জন্য ব্যাগেজের সুবিধা দিলো বিমান

কুয়েত প্রবাসীদের জন্য ব্যাগেজের সুবিধা দিলো বিমান

কুয়েত ঢাকা রুটে যাতায়াতকারী প্রবাসীদের জন্য সুখবর দিলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এবার কুয়েত প্রবাসীদের জন্য অতিরিক্ত ব্যাগেজ সুবিধা ও মূল্যহ্রাসের সুখবর নিয়ে এলো বিমান।

বুধবার (১০ মে) থেকে ৫ কেজি ১৪ কুয়েতি দিনার, ১০ কেজি ব্যাগেজ ১৯ কুয়েতি দিনার, ২৩ কেজি ব্যাগেজ ৩২ কুয়েতি দিনার এবং সঙ্গে ১ দিনারের সার্ভিস চার্জ নিতে পারবেন যাত্রীরা। ইকনোমিক ক্লাসে যাত্রীরা ৫০ কেজি ব্যাগেজ ও ৭ কেজি হাতে এবং বিজনেস ক্লাসে ৬০ কেজি ব্যাগেজ ও ৭ কেজি  হাতে নিতে পারবেন। অতিরিক্ত এ ব্যাগেজ সুবিধা ও ব্যাগেজের মূল্যহ্রাসের খবরে উচ্ছ্বাসিত কুয়েত প্রবাসীরা।

চট্টগ্রামের কুয়েত প্রবাসী মোহাম্মদ আকবর হোসেন বলেন, অতিরিক্ত ব্যাগেজের দাম কমানোয় আমরা অনেক খুশি। আমাদের পরিবার ও প্রিয়জনদের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক কিছু বাড়ি নিয়ে যেতে পারব। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের একটা অনুরোধ, বিমানে যেন শিডিউল ঠিক রাখে এবং আগের মতো কুয়েত চট্টগ্রাম রুটে বাংলাদেশ বিমানের সরাসরি ফ্লাইট চালু করে।

স্কাই টাচ এবং বদুর ট্রাভেল এজেন্সির সিনিয়র কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসনে মোবারক ও সেলিম হাওলাদার বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এ ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ফলে গ্রাহকদের বিভিন্ন এয়ারলাইন্স সম্পর্কে নানা অভিযোগ ও আবদার আমাদের কাছে আসে। আমরাও চেষ্টা করি তাদের আবদার ও অভিযোগগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দিতে। অতিরিক্ত ব্যাগেজ সুবিধা ও ব্যাগেজের মূল্যহ্রাস সময় উপযোগী চাহিদা ছিল তাদের। এতে কুয়েত বাংলাদেশ বিমানের প্রবাসী যাত্রীদের যাতায়াত বাড়বে। ফলে এতে লাভবান হবে বিমান এবং বাড়বে দেশের রেমিটেন্স। কুয়েত থেকে ঢাকা এবং চট্টগ্রাম রুটে বিমানে আরও  ফ্লাইট বাড়ানো জরুরি বলেন মনে করেন এ কর্মকর্তারা।

কুয়েত বাংলাদেশ বিমানের কান্ট্রি ম্যানেজার আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, সবসময় যাত্রীদের অভিযোগ এবং চাহিদা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত থাকে। ইতোমধ্যে অতিরিক্ত ব্যাগেজ সুবিধা ও ব্যাগেজে মূল্যহ্রাস করেছি। বহির্বিশ্বে লাল সবুজ পতাকাবাহী বাংলাদেশের বিমান আমাদের নিজেদের বিমান। দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে প্রবাসীদের কর্ষ্টজিত আয়ে প্রবাসীদের নিয়মিত বাংলাদেশ বিমানে যাতায়াতের আহ্বান করেন তিনি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কানাডায় ‘নজরুল সংগীত সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

নিউইয়র্কে সাস্ট অ্যালামনাইয়ের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

চীন-বাংলাদেশের দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈঠক

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক

ষষ্ঠ টরন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল শুরু ১৮ সেপ্টেম্বর

ফ্রাঙ্কফুর্টে বৈশাখী উৎসব ও রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠিত

কুয়েত প্রবাসীদের জন্য ব্যাগেজের সুবিধা দিলো বিমান

কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত


ফ্রাঙ্কফুর্টে বৈশাখী উৎসব ও রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠিত

ফ্রাঙ্কফুর্টে বৈশাখী উৎসব ও রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠিত

জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে বৈশাখী উৎসব এবং রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠিত হয়েছে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ফ্রাঙ্কফুর্টের একটি অডিটোরিয়ামে এটি অনুষ্ঠিত হয়। 

জার্মান-বাংলা সনাতন কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনের সভাপতি শ্রী স্বজন কুমার চক্রবর্তী, সহ-সভাপতি মাখন সরকার, সাধারণ সম্পাদক সুজলা সিনহা, কোষাধ্যক্ষ সুনীল ঘোষ, প্রচার সম্পাদক অখিল শর্মাসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। এছাড়া অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা শ্রী আশুতোষ বনিক, শ্রী আদিত্য শর্মা এবং শ্রীমতি জুঁই চক্রবর্তী।

শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে আকর্ষণীয় করে তোলে। রবীন্দ্র সংগীতের সঙ্গে শিশুদের নাচ সবাইকে মুগ্ধ করে। এছাড়াও শিশুশিল্পী প্রকৃতি দে, শ্রীজা ঘোষ, সীমান্ত চক্রবর্তী, নীলান বর্মনসহ শিশু কিশোরদের পরিবেশনা অনুষ্ঠানটিকে উপভোগ্য করে তোলে। অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন জুঁই চক্রবর্তী, মিতা দত্ত, শিউলি দাস, স্মৃতি চক্রবর্তী, হেনা দত্ত, বরুণ চক্রবর্তীসহ অনেকে। সব মিলিয়ে পুরো অনুষ্ঠান হয়ে উঠেছিল প্রবাসের বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ। জার্মানির বিভিন্ন শহরে অধ্যয়নরত বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। 

প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করে সকলের মাঝে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কানাডায় ‘নজরুল সংগীত সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

নিউইয়র্কে সাস্ট অ্যালামনাইয়ের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

চীন-বাংলাদেশের দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈঠক

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক

ষষ্ঠ টরন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল শুরু ১৮ সেপ্টেম্বর

ফ্রাঙ্কফুর্টে বৈশাখী উৎসব ও রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠিত

কুয়েত প্রবাসীদের জন্য ব্যাগেজের সুবিধা দিলো বিমান

কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত


নিউইয়র্কে সাস্ট অ্যালামনাইয়ের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

নিউইয়র্কে সাস্ট অ্যালামনাইয়ের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

নিউইয়র্কে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘সাস্ট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএ ইনক’ এর উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

রোববার (১৪ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা নিউইয়র্কের কুইন্সের এস্টোরিয়ায় অবস্থিত জালালাবাদ ভবনে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে। এতে নিউইয়র্ক ও নিউজার্সি স্টেটের বিভিন্ন পেশায় কর্মরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রায় অর্ধশতাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী অংশ নেন। দুপুর ৪টা থেকে নিউইয়র্কের বিভিন্ন বোরো থেকে অংশগ্রহণকারীরা জালালাবাদ ভবনের সামনে জড়ো হতে থাকে। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সময়ের স্মৃতিচারণসহ সহপাঠী, সিনিয়র-জুনিয়র ও অতিথি শিক্ষকবৃন্দদের আলাপচারিতায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো অনুষ্ঠান।অনুষ্ঠানের শুরুতে পরিবেশন করা হয় বিকেলের নাস্তা। এরপর শুরু হয় মূল পর্ব। এ পর্বে ছিল পরিচিতি পর্ব ও সাধারণ সভা। সাধারণ সভায় উপস্থিত প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের মতামতের ওপর ভিত্তি করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি সিলেকশন বোর্ড গঠিত হয়। আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে এই সিলেকশন বোর্ড একটি ২১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী ও ৭ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটি গঠনে কাজ করবে ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর এ এইচ এম বেলায়েত হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালীন থেকেই উন্নত বিশ্বের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একাডেমিক সিলেবাস তৈরি করা হয় এবং বিশ্বমানের বিভিন্ন লেখকদের বইগুলো পাঠ্যবই হিসেবে সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর পাশাপশি দক্ষ ও মেধাবী শিক্ষকদের দ্বারা একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত শিক্ষাকে পেশাগত জীবনে শতভাগ কাজে লাগাতে সক্ষম। যার প্রতিফলন শিক্ষার্থীরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে উন্নত বিশ্বে গড়ে তুলছেন তাদের কাঙ্ক্ষিত ক্যারিয়ার।
 
এছাড়া আরও বক্তব্যে রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফরিদুল আলম। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে সাস্টিয়ানদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল, সাস্ট অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএ একটি রোল মডেল হিসেবে দেখতে চাই। কারণ সাস্ট আমাদের ভালোবাসা, আবেগ ও অনুভূতিজুড়ে।
  
এনওয়াইপিডির ক্রিমিনাল জাস্টিস ব্যুরোতে কর্মরত ও কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও পলিমার সায়েন্সের ২য় ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী লেফট্যানেন্ট সাজেদুর রহমান বলেন, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশে প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষায় সুযোগ লাভের পাশাপাশি নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ, আইবিএম, গুগল, আমাজনের মতো বিশ্বের নামকরা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাকরি লাভের ক্ষেত্রে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা অন্যান্যদের তুলনায় বেশ এগিয়ে রয়েছে । 

একই ব্যাচের শিক্ষার্থী মাসুদ আলম বলেন, সাস্টিয়ানদের মিলনমেলায় আসতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। আশাকরি, ভবিষ্যতে এ ধরনের মিলনমেলা অব্যাহত থাকবে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের ছাত্র ফরিদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বেলায়েত চৌধুরী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রসায়ন বিভাগের ৪র্থ ব্যাচের শিক্ষার্থী বেলায়েত চৌধুরী।
   
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে নৈশ ভোজনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বেলায়েত চৌধুরী, মো. ফখরুল ইসলাম, সায়েদ জাবেদুর মুনির, আহমেদুর রহমান রণি, অসীম কুমার সরকার, আলমগীর হোসেন, মাহবুব আহমেদ মাসুম, আজহার আহমেদ, মো. মইনুল হোসেন বাবু, কাজী লিমন, মিসকাত জাহান, ফারহানা ইসলাম, দীপঙ্কর দাস দীপন, শাকির হোসেন, তাসফীক রহমান, মৌসুমী কাপালী, মো. জাবেদুল হক, মো. শফিকুল ইসলাম, সাইদুর রহমান, রাজেশ মাহা, ওবাইদুর রহমান, রিয়াদুল ইসলাম, শোয়েব চৌধুরী, আতাউল গণি আসাদ, মো. সাদিকুর রহমান সুফিয়ান, টিপু, আহমেদ ফাহাদ ও প্রদীপ্তা রায় প্রমুখ।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কানাডায় ‘নজরুল সংগীত সন্ধ্যা’ অনুষ্ঠিত

নিউইয়র্কে সাস্ট অ্যালামনাইয়ের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

চীন-বাংলাদেশের দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈঠক

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক

ষষ্ঠ টরন্টো মাল্টিকালচারাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল শুরু ১৮ সেপ্টেম্বর

ফ্রাঙ্কফুর্টে বৈশাখী উৎসব ও রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠিত

কুয়েত প্রবাসীদের জন্য ব্যাগেজের সুবিধা দিলো বিমান

কুয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত