

শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনা সত্যি। মুম্বাইয়ের যানজট থেকে বাঁচতে অচেনা এক ব্যক্তির বাইকে চেপে বসেন বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। এবং সেটিতে করে সঠিক সময়ে শুটিংয়ে পৌঁছান। পুরো ঘটনায় বেশ কৃতজ্ঞ অভিনেতা। সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ছবি প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অচেনা বন্ধুটিকে।
ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে বিগ বি লিখলেন, ‘এই যাত্রার জন্য ধন্যবাদ বন্ধু। তোমায় চিনি না। কিন্তু তুমি যে দায়িত্ব নিয়ে আমায় পৌঁছে দিলে, প্রশংসনীয়। মুম্বাইয়ের জ্যাম থেকে বাঁচিয়ে তাড়াতাড়ি আমায় পৌঁছে দিলে, ধন্যবাদ! হলুদ জামা এবং সাদা টুপির মালিক।’
এই আপদকালীন যাত্রায় নামও জানেননি সেই আগন্তুকের। কিন্তু তারপরও ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি অমিতাভ।
এমন একটি নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখে মুগ্ধতা ঝরে পড়েছে নেটাগরিকদের কণ্ঠে। পাশাপাশি সতর্ক করেছেন উভয়কেই। হেলমেট না পরতেই কেউ কেউ বলে বসলেন, ‘দুজনেই হেলমেট ব্যবহার করুন। কখন বিপদ আসে বলা যায় না।’
মন্তব্য করুন


২০১৪ সালে
লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার সুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজে পথচলা শুরু হয়
নাজিফা তুষি। ক্যারিয়ারে বেশি কাজ না করলেও বারবার আলোচনায় উঠে এসেছেন নাজিফা
তুষি। ২০২২ সালের আলোচিত সিনেমা ‘হাওয়া’র সফলতা ক্যারিয়ারে অনেকটা এগিয়ে দিয়েছে। ২৯
জুলাই ২০২২ সালে ‘হাওয়া’ সিনেমাটি মুক্তি পায়। এখনও সিনেমাটি চলছে দেশ- বিদেশি
ওটিটি মাধ্যমে। সিনেমাটি ভারতীয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম সনি লিভে মুক্তি পেয়েছে।
বাংলা, হিন্দি, তেলেগু, তামিল ও মালয়ালাম ৫ টি ভাষায় দেখা যাচ্ছে সিনেমাটি।
বিষয়টি নিয়ে ‘হাওয়া’র
নায়িকা নাজিফা তুষির ভাষ্য, এটা খুবই ভালো লাগার বিষয়। প্রথম যখন দেখলাম আমার মুখে
কথা তামিল বা অন্য ভাষায় ডাবিং করা হয়েছে, বিষয়টি মজাই লেখেছে।
হাওয়া সনি লিভে মুক্তি
পাওয়ার পর থেকেই ভারতের কলকাতা ও মুম্বাই থেকে কাজের অফার পাচ্ছে তুষি। তার ভাষ্য,
যেখানেই কাজ করি না কেন কোয়ালিটি কাজের ক্ষেত্রে এক চুলও ছাড় দিতে চাই না আমি।
নাজিফা তুষি বলেন, আমি
কাজের মানের দিকে সব সময়ই নজর রাখি। আমার ক্যারিয়ারে অনেক কাজ করিনি, কয়েকটি
চরিত্রে অভিনয় করেছি। সংখ্যার চেয়ে কোয়ালিটির দিকে মনযোগী ছিলাম।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
সোমবার (১৫ মে) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চিত্রনায়ক ফারুকের ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, চিত্রনায়ক ও সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন পাঠান দুলু ওরফে ফারুকের প্রথম নামাজে জানাজা সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ আসবে। পরে সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
উল্লেখ্য, চিত্রনায়ক ফারুক সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন। মঙ্গলবার (১৬ মে) সকালে তার মরদেহ দেশে আনা হবে।
মন্তব্য করুন


৩৩০
কোটি টাকার মালিক এই স্টারকিড! বলিউডের সব থেকে ধনী তারকা সন্তানের তকমা পেয়ে গেছে
ছোট্ট রাহা কাপুর! আর সে স্টারকিড হচ্ছে ‘রণলিয়া’ খ্যাত
দুই বলিউড তারকা রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাটের একমাত্র মেয়ে।
কিন্তু
কীভাবে এতো অর্থ জমা পড়েছে ছোট্ট মেয়ে রাহার অ্যাকাউন্টে?
আনন্দবাজার
পত্রিকার এক প্রতিবেদন জানিয়েছে, এই মুহূর্তে মুম্বাইয়ের পালি হিলস্
এলাকায় এক অ্যাপার্টমেন্টের ৯ তলায় থাকেন ‘রণলিয়া’
দম্পতি। এই আবাসনে আলিয়ারও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৩২ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪২ কোটি টাকা)। অন্যদিকে,
গত ৩ বছর ধরে বান্দ্রায় নিজেদের বাংলো তৈরি করছেন এই তারকা
দম্পতি। দাদা রাজ কাপুরের ‘কৃষ্ণা রাজ’ বাংলোকেই নতুনভাবে তৈরি করছেন তারা। কাজ প্রায় শেষ, খুব শিগগিরই নিজেদের স্বপ্নের বাড়িতে প্রবেশ করবেন রণবীর-আলিয়া।
আর
এই বাংলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫০ কোটি রুপি তথা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩০
কোটি টাকা। কারণ, শাহরুখ খানের ‘মন্নত’ ও অমিতাভ বচ্চনের ‘জলসা’র সমপরিমাণ বাজারমূল্য এই ‘কৃষ্ণা রাজ’বাংলোর।
বলিউডের
ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, নিজেদের উপার্জনের অনেকটা অর্থই ‘কৃষ্ণা রাজ’বাংলোতে বিনিয়োগ করছেন ‘রণলিয়া’। আর বাংলোটি ইতোমধ্যেই মেয়ে রাহার নামে করে দিয়েছেন তারা। সে
হিসেবে রাহা কাপুরই এই মুহূর্তে বলিউডের সব থেকে ধনী তারকা সন্তান।
মন্তব্য করুন


জলের
গান’ বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড। সেকড়ের গানে সবসময়ই সরব এই দলটি। নতুন নতুন জীবনমুখী
গান উপহার দিয়ে আসছে জলের গান। এই দলের সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও বাদ্যযন্ত্রী রাহুল
আনন্দের রাজধানীর ধানমন্ডির বাসার নিজস্ব স্টুডিওতে যাওয়ার কথা রয়েছে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট
এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর।
১০
সেপ্টেম্বর আজ সন্ধ্যায় ঢাকা সফরে আসছেন ম্যাক্রোঁ। এরপর রাতে রাহুলের স্টুডিওতে যাবেন
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট । বিষয়টি জানিয়েছেন রাহুল আনন্দ নিজেই।
রাহুল
আনন্দ বলেন, ফ্রান্স দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি আমিও জেনেছি। তবে
লিখিতভাবে জানানো হয়নি। কিন্তু আমি এবং আমার পরিবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল
ম্যাক্রোঁকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। শুনেছি আমি যে ধরনের যন্ত্র নিয়ে
সংগীত করি সেসব সম্পর্কে তিনি (ম্যাক্রোঁ) জানতে চান। পাশাপাশি আমাদের সংস্কৃতি সম্বন্ধে
জানতে চান। এছাড়া তিনি যদি আমাকে কোনো গান শোনাতে বলেন, শোনাব। বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে
তুলে ধরার চেষ্টা করব।
জানা
গেছে, রোববার সন্ধ্যায় ঢাকায় নেমেই সরাসরি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে যাবেন ম্যাক্রোঁ।
রাতে ডিনারে অংশ নেবেন। ডিনারের আগে কিংবা পরে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে শাস্ত্রীয়
সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করা হবে। ১১ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ৮টায় ধানমন্ডি লেকে হাঁটবেন
ম্যাক্রোঁ। এরপর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে
শ্রদ্ধা জানাবেন ম্যাক্রোঁ। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের
কথা রয়েছে তার।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


‘টাইগার’ ফ্র্যাঞ্চাইজির
৩য় কিস্তি নিয়ে হাজির হলেন সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ জুটি। যশরাজ ফিল্মস
প্রযোজিত সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে ১২ নভেম্বর (রোববার)। কিন্তু সিনেমাটি মুক্তির কয়েক ঘণ্টা পরই অনলাইনে ফাঁস হয়েছে। মুক্তির
প্রথম দিনে ফাঁস হওয়ায় বক্স অফিসের আয়ে প্রভাব ফেলতে পারে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম
ইন্ডিয়া ডট কম জানিয়েছে, মুক্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সালমান খানের ‘টাইগার ৩’
সিনেমা অনলাইনে ফাঁস হয়েছে। এইচডি কোয়ালিটির প্রিন্ট পাওয়া যাচ্ছে টরেন্ট
ওয়েবসাইটে। তা ছাড়াও তামিল রকার্স, টেলিগ্রাম, মুভিরুলসে পাওয়া যাচ্ছে সিনেমাটি।
মুক্তির প্রথম দিনে ফাঁস হওয়ায় বক্স অফিসের আয়ে প্রভাব ফেলতে পারে।
‘টাইগার ৩’ সিনেমায়
অতিথি চরিত্রে দেখা যাবে শাহরুখ খানকে। সিনেমাটির অ্যাকশন দৃশ্যে সালমানের সঙ্গে
হাজির হবেন কিং খান।
‘টাইগার ৩’ সিনেমার অনান্য
চরিত্রে আছেন ইমরান হাশমি,আশুতোষ রাণা, রেবতী, রণবীর শোরে, বিশাল জেঠওয়া, রিদ্ধি
ডোগরা।
মন্তব্য করুন


ঢালিউড
সুপারস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘রাজকুমার’ এর শুটিং শুরু
হবে মঙ্গলবার। রাজকুমার সিনেমায় শুটিংয়ে অংশ নিতে ঢাকায়
এসেছেন মার্কিন অভিনেত্রী কোর্টনি কফি।
গতকাল
সোমবার (১০ ডিসেম্বর) রাতে রাষ্ট্রপতি ও
বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সাহাবুদ্দিনের জন্মদিন
উপলক্ষে বঙ্গভবনে গিয়েছিলেন শাকিব খান। তার সঙ্গে
দেখা গিয়েছে মার্কিন অভিনেত্রী কোর্টনি কফিসহ আরও উপস্থিত ছিলেন
অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী, ‘প্রিয়তমা’র নায়িকা ইধিকা
পাল, কণ্ঠশিল্পী কোনালসহ আরও শিল্পী।
জানা
যায়, মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) ঢাকায়
শুরু হবে রাজকুমার সিনেমার
শুটিং। পাবনা এবং পরে আমেরিকাতে
সিনেমাটির শুটিং শেষ হবে। সিনেমাটি নির্মাণ
‘প্রিয়তমা’ খ্যাত পরিচালক হিমেল আশরাফ।
প্রেম,
পারিবারিক সম্পর্ক এবং একজন স্বপ্নবাজ
তরুণের বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় যাত্রার
গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মিত হবে
‘রাজকুমার’।
মন্তব্য করুন


রাতে রহস্যজনক স্ট্যাটাস আর সকালে অ্যাপার্টমেন্টের ফ্ল্যাটে শাড়ি দিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেল ভারতীয় অভিনেত্রী অমৃতা পান্ডের মরদেহ।
অমৃতা পান্ডে ‘অন্নপূর্ণা’ নামে ইন্ডাস্ট্রিতে
পরিচিত ছিলেন। বিহারের ভাগলপুরের জোগসার থানা এলাকার আদমপুর জাহাজ ঘাটে অবস্থিত একটি
অ্যাপার্টমেন্টের ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় অভিনেত্রীর মৃতদেহ পাওয়া যায়। অভিনেত্রীর
মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ
উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। তবে কী কারণে অমৃতা আত্মহত্যা করেছেন, তা এখনো
জানা যায়নি।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুসারে,
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অমৃতা তাঁর মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি
নোট শেয়ার করেছিলেন।
পুলিশ রিপোর্ট অনুসারে, হোয়াটসঅ্যাপে
অমৃতার নোটে লেখা ছিল, ‘কেন দুই নৌকায় ভাসছিল জীবন, নৌকা ডুবিয়ে জীবন সহজ করে দিয়েছি।’
রিপোর্ট বলছে, অমৃতা তাঁর স্বামীর সঙ্গে
মুম্বাইয়ে থাকতেন। কিন্তু তিনি সম্প্রতি ভাগলপুরে একটি বিয়ের জন্য তাঁর আত্মীয়দের
সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত জেগে ছিলেন অমৃতা এবং তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ
স্ট্যাটাসে সেই নোটটি পোস্ট করেন।
এর কয়েক ঘণ্টা পর তাঁকে তাঁর ঘরে মৃত
অবস্থায় পাওয়া যায়।
মন্তব্য করুন


সম্প্রতি একটি
অনুষ্ঠানে লাল রঙের জ্যাকেট সেট পরে অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি। যা নেটিজেনদের
দৃষ্টিগোচর হয়েছে।তা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে সামনে
এসেছে পোশাকটির দামের বিষয়।
পোশাকটির
দামের বিষয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, প্রিন্টেড জ্যাকেট
সেটটি ডিজাইন করেছেন ভারতীয় ফ্যাশন ডিজাইনার নচিকেত ভার্বে। ওয়েবসাইট ঘুরে দেখা
যায়, এ পোশাকের নাম দিয়েছেন মুনফ্লাওয়ার জ্যাকেট সেট। সেখানে আরও উল্লেখ করা
হয়েছে, পোশাকটি মূল্য ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮৫০ রুপি। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ লাখ ৬৩
হাজার টাকার বেশি।
মন্তব্য করুন


এ বছর মুক্তিপ্রাপ্ত শাহরুখ খান অভিনীত ‘পাঠান’ ছবিটি দেশ ও বিদেশে বেশ মোটা অঙ্কের ব্যবসা করেছে। আয়ে হাজার কোটির মাইলফলক স্পর্শ করেছে সিনেমাটি। এবার শোনা যাচ্ছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। দাবি করা হচ্ছে শাহরুখ খানের ব্লকবাস্টার ‘পাঠান’কেও নাকি পেছনে ফেলে দিয়েছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’।
নানা বিতর্ক সঙ্গী হলেও বেশ রমরমিয়ে চলছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। বক্স অফিসে ছবির আয় ভালোই। মাত্র ৯ দিনে ১০০ কোটির ক্লাবে পৌঁছল পরিচালক সুদীপ্ত সেনের ‘বিতর্কিত’ সিনেমা।
‘পাঠান’কে পেছনে ফেলে দেওয়ার এমন দাবির যুক্তি কী? লভ্যাংশ। হ্যাঁ, শতকরা লাভের পরিমাণ দেখেই এমনটা বলা হচ্ছে। ‘জুম টিভি ডিজিটাল’-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ভারতে ‘পাঠান’ সিনেমার আয় ৫৪৩.২২ কোটি টাকা। আর তাতে ছবির লাভ ২৯৩.২২ টাকা। অর্থাৎ শতকরা হিসেবে ধরলে বক্স অফিস থেকে শাহরুখের ছবি আয় ১১৭.২৮%।
এদিকে মাত্র নয় দিনে এক শ কোটি পার করে ফেলেছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। ছবির আয় ১১২.৯২ কোটি টাকা। ছবির বাজেট ছিল মাত্র ৩০ কোটি টাকা। ফলে বিপুল শাহ প্রযোজিত ছবির লভ্যাংশের পরিমাণ এখনই ২৭৬.৪%।
বাংলা, তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যে নিষিদ্ধ হলেও সারা দেশের ২০০টি স্ক্রিনে চলছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশে ছবিকে করমুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
যদিও এখনো ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে নানা মত রয়েছে। এক পক্ষের বক্তব্য, এ ছবি সম্পূর্ণভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তৈরি করা হয়েছে। আরেক পক্ষের দাবি, ছবির মাধ্যমে বাস্তব তুলে ধরা হয়েছে।
মন্তব্য করুন