আমরা প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছি না, বিচার করতে চাচ্ছি: অ্যাটর্নি জেনারেল

আমরা প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছি না, বিচার করতে চাচ্ছি: অ্যাটর্নি জেনারেল
ছবি: সংগৃহীত

অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘জুলাই গণহত্যার বিচারে আমরা কি প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছি এমন অনেক প্রশ্ন আসছে। আমরা বলতে চাই, আমরা প্রতিশোধ নিতে চাচ্ছি না। আমরা বিচার করতে চাচ্ছি। কেন বিচার করতে চাচ্ছি? আমরা আগামী প্রজন্মকে ইতিহাসের একটি দায় থেকে মুক্ত করতে চাচ্ছি।’


শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ‘ঐক্য, সংস্কার ও নির্বাচন’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী জাতীয় সংলাপের আয়োজন ‘ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ’ এ অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। শনিবার শেষ দিনের প্রথম পর্বে ‘গুম-খুন থেকে জুলাই গণহত্যা: বিচারের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এই পর্বে সঞ্চালক ছিলেন সাংবাদিক মনির হায়দার।


সংলাপে অংশ নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘বর্তমান সময়ে এসে কেউ জমি দখলে ব্যস্ত, কেউ ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ব্যস্ত, কেউ পদ-পদবী দখলে ব্যস্ত, কেউ নিজস্ব লোক পুনর্বাসনে ব্যস্ত, কিন্তু খুনিদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য, খুনিদের বিচারের জন্য আমাদের উপর যে পরিমাণ চাপ প্রয়োজন ছিল সেদিকে আপনারা ফোকাস করেন নি।’


তিনি বলেন, ‘আপনারা যত বেশি চাপে রাখবেন, আমরা তত বেশি এই বিষয়টাকে (বিচার) সামনের দিকে এগিয়ে নিতে দৃঢ় চেষ্ট থাকবো। আপনারা যত বেশি অতন্দ্র প্রহরীর মত দায়িত্ব পালন করবেন, আমরা রাষ্ট্রকে এবং জনগণের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ততবেশি এজেন্ডা ভিত্তিক সাহসিকতা নিয়ে এগিয়ে যাবো।’


দেশে ঐক্যের প্রয়োজন উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘ঐক্য ছাড়া সংস্কার সম্ভব নয়। সংস্কার ছাড়া যৌক্তিক কোন বাংলাদেশ আপনাদের উপহার দেওয়া সম্ভব নয়। ঐক্য ছাড়া, সংস্কার ছাড়া এই বিচার প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ের মধ্যে করাটা কঠিন এবং দুরুহ।’


বিচারের চ্যালেঞ্জ বিষয়ে আলোচনা কম হওয়ায় কিছুটা হতাশা প্রকাশ করে রাষ্ট্রের প্রধান এই আইন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা ছিলো চ্যালেঞ্জের জায়গাটা কি সেটা আমাদের বলবেন। আমরা সেটায় যেন যৌক্তিক সমাধানের জায়গায় যেতে পারি, সেটা সুনির্দিষ্টভাবে আমরা পাইনি।’ তিনি বলেন, ‘আমার কাছে চ্যালেঞ্জের প্রধান জায়গাটা হলো, জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তের বিনিময়ে যে চেতনায় উদ্ধুদ্ধ হয়ে আমরা রাস্তায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়েছিলাম, সেই লক্ষ্য, সেই ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তা, সেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে, হাতে হাত মিলিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করার যে ঐক্য, সেই ঐক্যটাতে যে ফাটল ধরেছে, সেই ফাটলটাই প্রধান চ্যালেঞ্জ।’


বিভিন্ন মিথ্যা মামলা প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘পার্সোনাল গ্রাস এক্সপোজ করার জন্য মামলা দিয়েছেন, আসামির খাতায় নাম দিয়েছেন, এই মামলাগুলোর পরিণতি কি হবে এবং এটার সাথে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের যে মামলা তার কোনো কনফ্লিক্ট হবে কি-না প্রশ্ন এসেছে।’


তিনি বলেন, ‘আপনাদের আইনিভাবে, স্পষ্টভাবে বলতে চাই, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে যে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে, সেই ট্রাইব্যুনাল ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১৯৭৩ এর ১৯ নম্বর আইন। সে আইনে মানবতাবিরোধী আইনের যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে হত্যা, নির্যাতন, গুমসহ অনেকগুলো অপরাধের কথা বলা হয়েছে, যে অপরাধগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সিভিলিয়ান পপুলেশনের উপর ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তার বিচার হবে। সেটি একটা দুইটা স্পেসিফিক ঘটনার দরকার নেই। ইন জেনারেল সেটার বিচার হবে। ঐ আইনেই বলা আছে, ডমেস্টিক অন্যান্য আইনে যাই বলা থাকুক না কেন, ঐটার বিচার ওখানে হবে। অর্ডিনারি গুমের বিচার, খুনের বিচার, নির্যাতনের বিচার, নিপীড়নের বিচার, এইগুলো অর্ডিনারি কোর্টে হতে কোন বাধা নেই এবং সেটাও চলবে।’

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

শাহজালাল বিমানবন্দরে ২৪ ঘণ্টার জন্য দর্শনার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ

শাহজালাল বিমানবন্দরে ২৪ ঘণ্টার জন্য দর্শনার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ
ছবি: সংগৃহীত



হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২৪ ঘণ্টার জন্য দর্শনার্থী প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিশেষ অপারেশনাল ও নিরাপত্তাজনিত কারণে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।


মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।


এতে বলা হয়েছে, যাত্রীসেবা, বিশেষ নিরাপত্তা এবং অপারেশনাল শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে আগামীকাল বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিমানবন্দর এলাকায় নির্ধারিত যাত্রী ছাড়া সব সহযাত্রী/দর্শনার্থী প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।


এদিকে ২৫ ডিসেম্বর দেশে আশার কথা রয়েছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। তার প্রত্যাবর্তন ঘিরে দেশজুড়ে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।


তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা’ হিসেবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।


দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে একজন অভিজ্ঞ সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

৫ আন্তঃনগর ছাড়া সব ট্রেন দাঁড়াবে টঙ্গী স্টেশনে

৫ আন্তঃনগর ছাড়া সব ট্রেন দাঁড়াবে টঙ্গী স্টেশনে
ছবি: সংগৃহীত




বিশ্ব ইজতেমা চলাকালীন সময়ে পাঁচটি ননস্টপ আন্তঃনগর ছাড়া সব ট্রেন দুই মিনিট করে যাত্রা বিরতি করবে টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশনে। এছাড়া ইজতেমা উপলক্ষ্যে কয়েকটি ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ ও যাত্রা বাতিল করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।


বৃহস্পতিবার রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।


সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টঙ্গীতে আসন্ন বিশ্ব ইজতেমায় অংশগ্রহণকারী মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়ে বিভিন্ন রুটে সাত জোড়া বিশেষ ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ৩০ জানুয়ারি রাত (৩১ জানুয়ারি) ১২টা থেকে ২ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাত পর্যন্ত ননস্টপ সুবর্ণ, সোনার বাংলা, কক্সবাজার, পর্যটক ও বনলতা এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ছাড়া অন্য সব আন্তঃনগর, মেইল এক্সপ্রেস ও কমিউটার ট্রেন টঙ্গী স্টেশনে উভয় পথে ২ মিনিট করে থামবে।


ইজতেমা চলাকালীন জয়দেবপুর কমিউটার ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ শনিবার বাতিল করে শুক্রবার করা হয়েছে। ইজতেমা চলাকালীন শুক্রবার জয়দেবপুর কমিউটার-৪ (জয়দেবপুর-ঢাকা) বাতিল করে রেকটি জয়দেবপুর থেকে ঈশ্বরদী পাঠানো হবে। এবং বন্ধ সার্ভিসিং শনিবারের পরিবর্তে শুক্রবার করা হবে। শনিবার ৭৫৪ নম্বর ট্রেনের ইন রিপোর্টে টাঙ্গাইল পর্যন্ত এনে ‘টাঙ্গাইল-টঙ্গী স্পেশাল-১’ হিসেবে টাঙ্গাইল থেকে দুপুর ১২টায় টাঙ্গাইল-টঙ্গী-ঢাকা রুটে চালনো হবে। আখেরি মোনাজাতের দিন ওই রেক দিয়ে ভোর ৫টা ২৫ মিনিটে জয়দেবপুর কমিউটার-১ এর পরিবর্তে মোনাজাত স্পেশাল হিসেবে টঙ্গী পর্যন্ত চালানো হবে। এরপর জয়দেবপুর কমিউটার-১ হিসেবে ট্রেনটি টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর এবং জয়দেবপুর কমিউটার-২ হিসেবে জয়দেবপুর থেকে ঢাকায় ফিরবে। পরবর্তীতে জয়দেবপুর কমিউটার-৩ ট্রেনটি ঢাকা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত চালিয়ে ১২টায় রুট বর্ধিত করে টঙ্গী থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত 'টঙ্গী-টাঙ্গাইল স্পেশাল-২' হিসেবে চালানো হবে এবং টাঙ্গাইল থেকে সুবিধাজনক পথে জয়দেবপুর কমিউটারের রেকটি ঢাকায় ফেরত আনা হবে। জয়দেবপুর কমিউটার-৩ টঙ্গী-জয়দেবপুর রুট এবং জয়দেবপুর কমিউটার-৪ বাতিল করা হয়েছে।



আখেরি মোনাজাতের দিন (২ ফেব্রুয়ারি তুরাগ কমিউটার ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। মোনাজাতের দিন বিশেষ ট্রেন পরিচালনার জন্য ২ ফেব্রুয়ারি ১১, ১২, ৪৫, ৪৬, ৯ এবং ১০ নম্বর ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। ৭৫/৭৬ নম্বর ধলেশ্বরী এক্সপ্রেস ট্রেন ও ২৬১, ২৬২, ২৬৩ ও ২৬৪ নম্বর লোকাল ট্রেন ১ ও ২ ফেব্রুয়ারি বন্ধ থাকবে। বিশেষ ট্রেন চলাচলের পাশাপাশি এক্সপ্রেস, কমিউটার ও লোকাল ট্রেনে যথাসম্ভব অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হবে।


ইজতেমা উপলক্ষ্যে টঙ্গী স্টেশনে অতিরিক্ত বুকিং কাউন্টার খোলা হবে এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক টিকিট পরীক্ষক নিয়োজিত থাকবেন। ইজতেমায় অংশগ্রহণকারী মুসল্লিদের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক এবং পরিষ্কার-পরিছন্নতা ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখার জন্য একজন কর্মকর্তাসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক পরিচ্ছন্নতা কর্মী সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করবেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ
ছবি: সংগৃহীত



ঋণখেলাপি, দ্বৈত নাগরিকত্ব ও অন্য কোনও বিষয়ে তথ্য গোপন করে এবারের নির্বাচনে পার পেয়ে গেলেও ভোটের পরে প্রমাণ হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ। 


সোমবার দুপুরে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।


ইসি মাছউদ বলেন, ভোটের স্বচ্ছতার প্রশ্নে ইসি আপস করবে না। এখন পর্যন্ত নির্বাচনি পরিবেশ বজায় আছে। রাজনৈতিক কোনও চাপ অনুভব করছে না ইসি।


সুষ্ঠু এবং সুন্দর পরিবেশে ভালো ভোট হবে আশা প্রকাশ করে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান আব্দুর রহমানেল মাছউদ।


তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কোনও চাপ নেই। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে। রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিবর্তন এসেছে।


জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, তাদের নির্বাচনের বাইরে রাখার কোনও সুযোগ নেই। কারণ তাদের নিবন্ধন বহাল রয়েছে। আইন অনুযায়ী তারা ভোটে অংশগ্রহণ করতে পারবে। সব প্রার্থীর জন্য আমরা সমান সুযোগ তৈরি করছি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়লো

রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়লো
ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচন কমিশন (ইসি) নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য সময়সীমা বাড়িয়ে ২২ জুন পর্যন্ত করেছে। রোববার (২০ এপ্রিল) ইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।


এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য আবেদনের সময়সীমা ৯০ দিন বাড়ানোর অনুরোধ জানায়। 'নির্বাচন কমিশন সংস্কার ও রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের জন্য সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন' শিরোনামে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ অনুরোধ করা হয়। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী তরুণদের উদ্যোগে গঠিত এনসিপি এ আবেদন করে।


এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন ও তাজনূভা জাবীন এবং সদস্য মনিরুজ্জামানের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, বর্তমান নির্বাচনী আইনের মধ্যেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ও তার অনুগত নির্বাচন কমিশন গত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে ভোটবিহীন সংসদ সদস্য নির্বাচন, জাল ভোট, রাতের ভোটসহ নানা অনিয়মের মাধ্যমে নির্বাচন পরিচালনা করেছে। একইভাবে, আওয়ামী লীগ সরকারের নির্দেশনায় ইসি স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। বিদ্যমান আইনি কাঠামোতেই ইসির মাধ্যমে সরকার নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংস ও একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে।


এনসিপির চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এমন পরিস্থিতিতে দেশের ছাত্র-জনতা বৈষম্য ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলে, যা শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য করে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

আগামী নির্বাচনকে স্মরণীয় করে রাখতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

আগামী নির্বাচনকে স্মরণীয় করে রাখতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত



আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের মাধ্যমে স্মরণীয় করে রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী আগামী নির্বাচনকে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।


বুধবার (১০ ডিসেম্বর)  সারা দেশের উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের (ইউএনও) সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্বাচন প্রস্তুতি বিষয়ে দিকনির্দেশনা দানকালে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন। সব জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাগণ এসময় অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।


প্রধান উপদেষ্টা ইউএনওদের উদ্দেশে বলেন, ‘ইতিহাস আমাদের নতুন করে একটি সুযোগ দিয়েছে। অন্য জেনারেশন এই সুযোগ পাবে না। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে পারলে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারব, আর যদি না পারি তাহলে জাতি মুখ থুবড়ে পড়বে।’


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এর আগেও আমরা নির্বাচন দেখেছি। বিগত আমলে যে নির্বাচনগুলো হয়েছে, যেকোনো সুস্থ মানুষ বলবে—এটা নির্বাচন নয়, প্রতারণা হয়েছে।’


তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচন অন্যান্য দায়িত্বের মতো নয়; বরং একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব। আমরা যদি ভালোভাবে এই দায়িত্বটি পালন করতে পারি, তাহলে আগামী নির্বাচনের দিনটি জনগণের জন্যও ঐতিহাসিক হবে।’


উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনারা যদি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন তাহলেই সরকার তার দায়িত্বটি সফলভাবে পালন করতে সক্ষম হবে।’


আগামী নির্বাচন ও গণভোট দুটিই জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন আগামী পাঁচ বছরের জন্য, আর গণভোট শত বছরের জন্য ‘ গণভোট সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশটাকে স্থায়ীভাবে পাল্টে দিতে পারি। যে নতুন বাংলাদেশ আমরা তৈরি করতে চাই, তার ভিতটা এর মাধ্যমে গড়তে পারি।’


সদ্য যোগদান করা ইউএনওদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনাদের প্রধান দায়িত্ব হলো একটি শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর নির্বাচন আয়োজন করা।’ তিনি ইউএনওদের নিজ নিজ এলাকার সব পোলিং স্টেশন পরিদর্শনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ, এলাকাবাসী এবং সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেন।


গণভোট বিষয়ে ভোটারদের সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “ভোটারদের বোঝাতে হবে যে আপনারা মন ঠিক করে আসুন—‘হ্যাঁ’-তে দেবেন নাকি ‘না’-তে ভোট দেবেন—মন ঠিক করে আসুন।”


প্রধান উপদেষ্টা কর্মকর্তাদের ধাত্রীর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ‘ধাত্রী ভালো হলে জন্ম নেওয়া শিশুও ভালো হয়।’ তিনি কর্মকর্তাদের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সৃজনশীল হওয়ার পাশাপাশি অপতথ্য ও গুজব প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন।


নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নারীদের অগ্রাধিকার প্রদানের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘নারীরা যেন ঠিকভাবে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।’


শিগগিরই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ইউএনওদের উদ্দেশে বলেন, ‘নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত কখন, কিভাবে, কোন কাজটি করবেন—তার পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি এখন থেকেই নিন।’


অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ, প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম এবং জনপ্রশাসন সচিব মো. এহছানুল হকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম শহীদ খান গ্রেপ্তার

সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম শহীদ খান গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত



শাহবাগ থানার মামলায় সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম শহীদ খানকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার রাজধানীর রমনা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানায়, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম শহীদ খানসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


উল্লেখ্য, আবু আলম শহীদ খান ১৯৯৬-২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১ লাখ সেনা মাঠে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১ লাখ সেনা মাঠে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত



স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাঠে থাকবে ১ লাখ সেনা। এছাড়া নৌবাহিনী, বিমানবাহিনীসহ সব বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন থাকবেন।


তিনি বলেন, জনগণই নির্বাচনের মূল শক্তি। জনগণ যখন নির্বাচনমুখী হবে, তখন তা কেউ আটকাতে পারবে না। যেহেতু ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, সেই বিষয়ে কিছু আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের পরামর্শও এসেছে। এসব বিষয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রস্তুত করা হবে। আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে।


বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলার জেলা প্রশাসক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।


এ সময় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, নির্বাচন শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর করে না, এটি নির্ভর করে জনগণের ওপর। জনগণই আসল শক্তি। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যদি মতৈক্য হয়, তবে সেটি ইতিবাচক হবে। এর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের আইন ও ব্যবস্থাপনারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। গণমাধ্যমও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জাতীয় নির্বাচনের জন্য ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ শুরু হয়ে গেছে, সদস্য সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে মাঠে প্রায় ৩০ হাজার সেনা আছে, নির্বাচনের সময় তা এক লাখে উন্নীত হবে। নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসারসহ সবাই মাঠে থাকবে।


অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের অনেক সফলতা রয়েছে। অনেক কষ্ট করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কিছু অস্ত্র এখনো বাইরে রয়েছে। চট্টগ্রামের ভৌগোলিক অবস্থার কারণে, বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় অভিযান কিছুটা কঠিন। ফটিকছড়ি, রাউজানের মতো অর্ধেক পাহাড়ি, অর্ধেক সমতল এলাকায় সমস্যা থাকলেও উদ্ধার অভিযান চলছে। নির্বাচনের আগেও অভিযান চলবে।


নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিলের বিষয়ে তিনি বলেন, বুধবার ঢাকাতেও মিছিল করেছে। ঢাকার কমিশনার ফোন করেছিলেন, আমি বলেছি এগুলো আইনের আওতায় আনতে। গ্রেফতারও করা হয়। তারপরও তারা জামিন পেয়ে যায়। আমরা চেষ্টা করছি, যাতে তারা সহজে জামিন না পায়।


সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, নির্বাচনের আগে ছাত্রলীগের মিছিলের সংখ্যা বাড়বে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন- নির্বাচনের আগে মিছিলের সংখ্যা বাড়বে, তবে ছাত্রলীগের নয়। সবাই মাঠে নামবে। ছোটখাটো এসব (ছাত্রলীগের) মিছিল আর হবে না।


তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারের সেনারা এখন সীমান্ত এলাকায় নেই। পুরোটা আরাকান আর্মি দখল করেছে। তবে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখছে। আরাকান আর্মি মাদক নির্ভরশীল, প্রচুর মাদক আসে। এর পরিবর্তে আমাদের দেশ থেকে চাল, সার, ওষুধপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র যায়। আমরা আলোচনা করছি, যাতে এগুলো আর না যায় এবং মাদকও ঢুকতে না পারে। মাদক আমাদের সমাজকে ধ্বংস করছে। এজন্য আমরা ফোর্স বৃদ্ধি করেছি, মাদক সমস্যা কমে আসবে।


রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা নিয়ে বাংলাদেশ কোনো হুমকির মুখে নেই। আমাদের লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো। যত তাড়াতাড়ি তাদের ফেরত পাঠানো যাবে, তত দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।


আসন্ন দুর্গাপূজা সম্পর্কে বলেন, এবারের দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর হবে বলে আমরা আশা করছি। কোনো স্থানে বড় ধরনের কোনো সমস্যা নেই। দুর্গাপূজা একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান, এজন্য এর পবিত্রতা রক্ষা করা জরুরি। উদযাপনে ভেতরে দুই ভাগ বা তিন ভাগ। এটি কোনো বাধা হবে না। এটি পুণ্য কাজ, তাই কোনো বাধা সৃষ্টি হবে না বলে আমরা আশা করি।


তিনি অন্যান্য ধর্মের মানুষদেরও অনুরোধ করেছেন, যাতে সহযোগিতা করে পূজার আয়োজন শান্তিপূর্ণভাবে হয়। ধর্মীয় পবিত্রতা রক্ষা পায়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্যাঞ্চলে আড়াইশ ক্যাম্প চায় সেনাবাহিনী

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্যাঞ্চলে আড়াইশ ক্যাম্প চায় সেনাবাহিনী
ছবি: সংগৃহীত



পার্বত্য চট্টগ্রাম আবার অস্থিতিশীল করে তুলতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ভারতীয় মদতপুষ্ট সশস্ত্র সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা ইউপিডিএফ। ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানো, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে পাহাড়ে হামলা চালানো এবং চাঁদাবাজি ও অপহরণের মতো কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েছে সংগঠনটির সদস্যরা। নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, পতিত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর ভারত আবার পাহাড়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলতে চাইছে।


এ পরিস্থিতিতে পাহাড়ে দায়িত্ব পালন করা সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পার্বত্যাঞ্চলে অন্তত আড়াইশ নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। তাদের যুক্তি, নতুন ক্যাম্প হলে প্রতিটি রুটে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানো যাবে, অস্ত্রপ্রবাহ বন্ধ হবে এবং চাঁদাবাজি ও অপহরণ বন্ধ করা সম্ভব হবে। রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প বৃদ্ধি জরুরি।


নাম প্রকাশ না করার শর্তে সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এসব তথ্য জানান।


এসব সেনা কর্মকর্তার দাবি, শান্তিচুক্তির পর ক্যাম্প কমে যাওয়ায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করেছে এবং এখন তারা প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। পাহাড়ের সশস্ত্র গ্রুপগুলো গত এক বছরে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা চাঁদা তুলেছে। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, এর মধ্যে ইউপিডিএফ তুলেছে ১০৪ কোটি টাকা। চাঁদা নেওয়ার তালিকায় রয়েছে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, কৃষি, যানবাহন, ঠিকাদার, কাঠ, বাঁশ ও অপহরণ। এর মধ্যে সশস্ত্র গ্রুপগুলো রাঙামাটি জেলা থেকে ২৪৪ কোটি, খাগড়াছড়ি থেকে ৮৬ কোটি এবং বান্দরবান থেকে ২০ কোটি টাকা চাঁদা তুলেছে।


শুধু চাঁদা নয়; অপহরণ ও হত্যার সঙ্গেও জড়িত ইউপিডিএফ। ২০০৯ থেকে এ পর্যন্ত ৩৩২ জনকে অপহরণ করে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি। এর মধ্যে পাহাড়িরাও ছিলেন। সর্বশেষ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীকে অপহরণ করার ঘটনা ঘটে। তাদের হাতে ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৮৯ জন হত্যার শিকার হয়েছেন, যাদের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য যেমন রয়েছেন, তেমনি সেনাবাহিনীর ১৬ সদস্যও রয়েছেন।


ইউপিডিএফ এবং তাদের সহযোগীরা ভারতের মিজোরামে স্থাপিত ক্যাম্প থেকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে এসে বাংলাদেশের ভেতরে নাশকতা চালাচ্ছে। সেনাবাহিনী মনে করে, সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ক্যাম্প স্থাপন অপরিহার্য। বর্তমানে খাগড়াছড়িতে ৯০, রাঙামাটিতে ৭০ এবং বান্দরবানে ৫০টিসহ ২১০টি ক্যাম্প থাকলেও পাহাড়ের ভৌগোলিক বাস্তবতায় তা যথেষ্ট নয়। আরো অন্তত আড়াইশ নতুন ক্যাম্প হলে সন্ত্রাসীরা আর মাথা তুলতে পারবে না।


সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রতি সদয় ছিল হাসিনার সরকার


সেনা সদর বলছে, শেখ হাসিনার আমলে সশস্ত্র গ্রুপগুলোর প্রতি নমনীয় থাকার অলিখিত নির্দেশ ছিল, যার ফলে সন্ত্রাসীরা রাজনৈতিক মদত ও প্রশাসনিক শৈথিল্য কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী হয়। কিন্তু বর্তমান নীতি হলো ‘নো কম্প্রোমাইজ’। অর্থাৎ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস বা আলোচনার জায়গা নেই, সরাসরি অ্যাকশনই একমাত্র পথ। কারণ, গোষ্ঠীগুলো কখনো সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে না; তারা পাহাড়ি ও বাঙালি- উভয় জনগোষ্ঠীকেই জিম্মি করে রেখেছে।


পাহাড়ে দায়িত্ব পালন করা একজন ব্রিগেড কমান্ডার জানান, ইউপিডিএফ ও অন্যান্য সন্ত্রাসী গ্রুপের কার্যক্রম এখন শুধু চাঁদাবাজি বা অপহরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। তারা ভারতের মিজোরাম থেকে সরাসরি প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র নিয়ে এসে পাহাড়ে হামলা চালাচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হলে অতিরিক্ত সেনা ক্যাম্প স্থাপন অপরিহার্য। আমরা মনে করি, কমপক্ষে আড়াইশ নতুন ক্যাম্প প্রয়োজন।


খাগড়াছড়ি জোনের দায়িত্বে থাকা একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল বলেন, যেভাবে মিথ্যা ধর্ষণের নাটক সাজানো হলো, সামনে আরো বড় কোনো ঘটনা ঘটানো হতে পারে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র ঠেকাতে সেনাদের দ্রুত উপস্থিতি জরুরি। কিন্তু বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকার অনেক জায়গায় সেনা ক্যাম্প নেই, ফলে সন্ত্রাসীরা ফাঁকফোকর কাজে লাগায়। তাই আমরা আড়াইশ ক্যাম্প স্থাপনের দাবি তুলেছি।


বান্দরবানে দায়িত্ব পালন করা একজন মেজর জানান, ইউপিডিএফের চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ডের তথ্য আমাদের হাতে আছে। তারা ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার প্রত্যক্ষ সহায়তায় চলছে। প্রতিটি রুট আমরা চিহ্নিত করেছি। এখন প্রয়োজন তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ। নতুন ক্যাম্পগুলো হলে আমরা এক ঘণ্টার মধ্যেই যেকোনো স্থানে অভিযান চালাতে পারব।


রাঙামাটির এক জোন কমান্ডার বলেন, আমাদের হাতে গোয়েন্দা প্রমাণ রয়েছে যে, ইউপিডিএফের অন্তত ছয়টি ক্যাম্প ভারতের মিজোরামে। তাদের লোকজন প্রশিক্ষণ নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। সীমান্ত পাহাড়ে ক্যাম্প বাড়ানো ছাড়া এ অনুপ্রবেশ ঠেকানো যাবে না। জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সেনা ক্যাম্পের সংখ্যা আড়াইশতে উন্নীত করা জরুরি।


সার্বিক বিষয়ে খাগড়াছড়িতে দায়িত্ব পালন করা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেন, নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়টি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। আমরা এখন আমাদের যা পুঁজি আছে, সেগুলো নিয়ে নজরদারি করছি। ধর্ষণের ঘটনাকে পুঁজি করে সাধারণ পাহাড়ি নারী ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সামনে দিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করছে ইউপিডিএফ। এসব কর্মসূচিতে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে দেশীয় ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করে ফায়ারিং করা হয়েছে। সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবে।


নিরাপত্তা বিশ্লেষক মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমানে ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসী তৎপরতা, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড নতুন মাত্রা পেয়েছে। সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার চাইলে কেন আমরা তা প্রত্যাহার করব? আমরা আমাদের কৌশলে এগিয়ে যাব।


নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শহীদুজ্জামান বলেন, ইউপিডিএফ এবং অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠী ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা থেকে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, যা আমাদের জন্য শঙ্কার বিষয়। সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং কার্যকর নজরদারি ছাড়া দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সম্ভব নয়। সে কারণে আড়াইশ নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন এখন একান্ত জরুরি। এসব ক্যাম্প স্থাপন করা হলে সেনাবাহিনী দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারবে এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম কার্যকরভাবে দমন করা সম্ভব হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

বাংলাদেশ নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: উপদেষ্টা তৌহিদ

বাংলাদেশ নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: উপদেষ্টা তৌহিদ
ছবি: সংগৃহীত



পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা এবং সম্মিলিত বৈশ্বিক পদক্ষেপের পক্ষে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। অভিন্ন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আলোচনা ও সহযোগিতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।


শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস (সাফা) আয়োজিত ‘নেক্সট জেনারেশন প্রফেশন: কনভার্জিং এথিক্যাল এআই অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।


পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দায়িত্বশীল প্রতিবেশী এবং জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সক্রিয় সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা এবং সম্মিলিত পদক্ষেপের পক্ষে। আমরা আলোচনা, আস্থা বৃদ্ধি ও অভিন্ন উদ্বেগের বিষয়ে সহযোগিতামূলক সমাধানকে সমর্থন করি।


তৌহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ স্থিতিশীলতা, আস্থা ও সহযোগিতামূলক সমাধান প্রচারে বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে।


তিনি আরও বলেন, নৈতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও টেকসই রিপোর্টিংয়ের সমন্বয় ক্রমেই প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে। কারণ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিশ্বব্যাপী পেশাকে রূপান্তরিত করছে। একইসঙ্গে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থার ওপর বৈশ্বিক গুরুত্ব বাড়ছে।


পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের জন্য প্রযুক্তি ও টেকসই উন্নয়নের সমন্বয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা এবং বৈশ্বিক সংহতি জোরদার করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


তিনি উল্লেখ করেন, পেশাদারদের শুধু প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ হওয়া নয়, বরং নৈতিকভাবে দৃঢ় ও দায়বদ্ধ থাকা প্রয়োজন।


তৌহিদ হোসেন বলেন, সাফা সম্মেলনের মতো মঞ্চ জ্ঞানের আদান-প্রদান, সেরা পন্থা-পদ্ধতিগুলো ভাগ করে নেওয়া এবং অর্থবহ সহযোগিতার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


তিনি আরও বলেন, এই সম্মেলন দক্ষিণ এশিয়া এবং এর বাইরেও বিশেষজ্ঞ, পেশাজীবী এবং চিন্তাবিদদের একত্রিত করেছে দেখে আমি উৎসাহ বোধ করছি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০

নির্বাচন বাদ দিয়ে অন্য কাজ গ্রহণযোগ্য হবে না: রুহুল কবির রিজভী

নির্বাচন বাদ দিয়ে অন্য কাজ গ্রহণযোগ্য হবে না: রুহুল কবির রিজভী
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো নির্বাচন পরিচালনা। এই বিষয়টি উপেক্ষা করে যদি অন্তর্বর্তী সরকার অন্যান্য কাজে বেশি মনোযোগ দেয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।


শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ‘রোড টু ইলেকশন’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।


রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, গণতন্ত্র রক্ষার জন্য সরকারের দায়িত্ব হলো অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা। তবে নির্বাচন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো স্বেচ্ছায় সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে আগ্রহী হয়ে উঠলে নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হয়। তাই সংবিধান প্রদত্ত আইনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে হবে।


এ সময় তিনি জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণকারী ব্যক্তিদের নির্বাচন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগ দেওয়ারও আহ্বান জানান।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আ’লীগের আমলে হয়রানিমূলক মামলাগুলো প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী

তেল সংকট মোকাবেলায় জাপান ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে

বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ, প্রথম পাবেন যারা

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির কথা ভাবছি না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক পদক্ষেপ নেয়, এতে তাদের সমস্যাই বাড়বে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

চিরবিদায় নিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ

১০

কারামুক্ত সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

১১

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রথমবার অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা

১২

লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১০ জন নিহত

১৩

ঢাকা থেকে কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াস গ্রেপ্তার

১৪

কুমিল্লায় ৮ বছররে শিশুকে ধর্ষণ, প্রতিবাদ করায় মামার পায়ের রগ কাটলো ধর্ষকের বাবা

১৫

প্রয়োজনীয় ক্লিয়ারেন্স পেলেই বাংলাদেশে আসবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

১৬

শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল গঠনের প্রস্তাব

১৭

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে বেড়ে ১৭২৮

১৮

পর্যাপ্ত তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ, চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

১৯

এক মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

২০