

২০২৪ সালে তুরস্ক তিন হাজার ৭০ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জেকি আকতুর্ক এই তথ্য দেন। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
জেকি আকতুর্ক বলেন, নিহত সন্ত্রাসীদের মধ্যে সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে এক হাজার ৫৭৯ জন এবং ইরাকের উত্তরাঞ্চলে এক হাজার ৪৯১ জন ছিলেন।
তিনি আরও জানান, সিরিয়া ও ইরাকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে তুরস্কের সামরিক বাহিনীর চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এসব সন্ত্রাসীকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আকতুর্ক বলেন, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া অভিযানে এখন পর্যন্ত তিন হাজার ৭০ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি গত বছর তুরস্কের নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের কাছে ১০৭ জন সন্ত্রাসী আত্মসমর্পণ করেছে।
তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইরাক ও সিরিয়ার বিভিন্ন অভিযানে সন্ত্রাসীদের বহু আস্তানা, অস্ত্রের ভাণ্ডার, গোলাবারুদ এবং অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।
আকতুর্ক বলেন, “সন্ত্রাসীদের সম্পূর্ণ নির্মূল না করা পর্যন্ত আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এই লড়াই কোনোভাবেই থামবে না।”
মন্তব্য করুন


পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের কারণ কী- এখন এমন প্রশ্ন সবার মনে। শনিবার (১১ অক্টোবর) রাতে হঠাৎই তীব্র সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশের নিরাপত্তা বাহিনী। আফগান তালেবান যোদ্ধাদের হামলার পর পাকিস্তানি সেনারা পাল্টা গোলাবর্ষণ শুরু করলে সীমান্তজুড়ে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি চলে।
এই সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে চলতি সপ্তাহে কাবুলে পাকিস্তানের কথিত বিমান হামলার পর। এটি নিয়ে দুই দেশের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, পাকিস্তান তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে হামলা চালিয়েছে।
তালেবান কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, তারা হেলমান্দ প্রদেশের দক্ষিণাঞ্চলে পাকিস্তানের অন্তত দুটি সীমান্তচৌকি দখল করেছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষও এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
পাকিস্তানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আফগান বাহিনীর হামলার জবাবে তারা ভারী অস্ত্রে পাল্টা গুলি চালিয়েছেন। ‘শনিবার রাতে তালেবান বাহিনী একাধিক সীমান্তপয়েন্টে গুলি চালায়। আমরা চারটি স্থানে আর্টিলারি দিয়ে জবাব দিয়েছি,’ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন পাকিস্তানের এক সরকারি কর্মকর্তা।
তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের ভূখণ্ডে আফগান তালেবানের আগ্রাসন বরদাশত করব না। পাকিস্তানি সেনারা ভারী গোলাবর্ষণের মাধ্যমে আফগান সীমান্ত পোস্টগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনী আর্টিলারি, ট্যাংক, হালকা ও ভারী অস্ত্র ব্যবহার করেছে বলে নিশ্চিত করেছে সামরিক সূত্র।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার আফগান রাজধানী কাবুলে দুটি ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এরপর আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পাকিস্তানকে এই হামলার জন্য দায়ী করে বলে, ‘এটি আফগান সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন।’
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
মন্তব্য করুন


সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান এক রাজকীয় ডিক্রির মাধ্যমে শেখ সালেহ আল-ফাওযানকে দেশটির গ্র্যান্ড মুফতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সুপারিশের ভিত্তিতে করা হয়েছে। খবর সৌদি গেজেট
রয়্যাল ডিক্রিতে বলা হয়েছে, শেখ আল-ফাওযানকে গ্র্যান্ড মুফতির পাশাপাশি ‘কাউন্সিল অব সিনিয়র স্কলার্স’-এর চেয়ারম্যান এবং ‘পার্মানেন্ট কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা’-এর প্রধান হিসেবেও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, শেখ সালেহ আল-ফাওযান প্রয়াত গ্র্যান্ড মুফতি শেখ আবদুল আজিজ আল-শেখের উত্তরসূরি হলেন। শেখ আবদুল আজিজ ২৩ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। শেখ সালেহ আল-ফাওযানের জন্ম ১৯৩৫ সালে সৌদি আরবের আল-কাসিম অঞ্চলে। তিনি বুরাইদা শহরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। পরে তিনি রিয়াদের কলেজ অব শরিয়াহ থেকে ফিকহ (ইসলামী আইন) বিষয়ে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষা জীবন শেষে তিনি হায়ার ইনস্টিটিউট অব জুডিশিয়ারির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯২ সালে শেখ আল-ফাওযানকে পার্মানেন্ট কমিটি ফর স্কলারলি রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা-এর সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি আরও যেসব দায়িত্ব পালন করেন তার মধ্যে আছে কাউন্সিল অব সিনিয়র স্কলার্সের সদস্য, মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগের অধীন ইসলামিক ফিকহ কাউন্সিলের সদস্য ও হজ মৌসুমে দাওয়াত ও প্রচার কার্যক্রম তদারকি কমিটির সদস্য। শেখ আল-ফাওযান বহু ইসলামী বই ও ফতোয়ার সংকলন রচনা করেছেন। তিনি বিভিন্ন রেডিও অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘নূর আলা আদ-দারব’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
মন্তব্য করুন


হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সের সঙ্গে এক বৈঠকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে তীব্র বাক্বিতণ্ডা হয়। এ ঘটনায় একপর্যায়ে জেলেনস্কিকে হোয়াইট হাউস ত্যাগ করতে বলা হয়। মার্কিন এক কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ঘটনাটির পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কো রুবিও বলেছেন, জেলেনস্কির উচিত ক্ষমা চাওয়া। সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আজ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ভলোদিমির জেলেনস্কির যে বৈঠক হয়েছে তা বিপর্যয়কর। ইউক্রেনীয় এই নেতার উচিত ক্ষমা চাওয়া।
জেলেনস্কি সম্পর্কে রুবিও আরও বলেন, সেখানে গিয়ে তার প্রতিপক্ষ হওয়ার কোনো প্রয়োজন ছিল না।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, "আপনি যখন আক্রমণাত্মকভাবে কথা বলা শুরু করবেন এবং প্রেসিডেন্ট একজন চুক্তিবিশেষজ্ঞ, তিনি সারাজীবন চুক্তি করেছেন— তখন আপনি মানুষকে চুক্তির টেবিলে আনতে পারবেন না।"
রুবিও তার সাক্ষাৎকারে এও উল্লেখ করেন যে, জেলেনস্কি সম্ভবত শান্তিচুক্তি চান না।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ চলছে। তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের কাছ থেকে ইউক্রেন কয়েক শ কোটি ডলারের অস্ত্র ও আর্থিক সহায়তা পেয়েছে।
তবে ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ইউক্রেন নতুন করে সংকটে পড়ে। এই যুদ্ধের জন্য জেলেনস্কিকে দায়ী করেন ট্রাম্প। তাই গতকালের বৈঠকটি নিয়ে সবার নজর ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ওই বৈঠক চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে শেষ হয়।
মন্তব্য করুন


ইসরাইলের অভ্যন্তরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে অস্বস্তি বাড়াচ্ছে ইয়েমেনের ইরানপন্থি হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠী। বুধবার রাতে ইসরাইলের অভ্যন্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তারা। হুথিদের এই কার্যক্রমে উদ্বিগ্ন হয়ে তাদের লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দিয়েছে তেল আবিব।
তবে ইসরাইলের এসব হুমকিকে আমলে না নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। তবে, টাইমস অব ইসরাইল জানিয়েছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলে প্রবেশের আগেই ধ্বংস করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরপর দ্বিতীয় রাতে হুথি গোষ্ঠী মধ্য ইসরাইলে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যা রাতের ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইয়েমেনের হুথিদের ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ধ্বংস করা হয়।
ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সম্ভাবনা বিবেচনায় সাইরেন সক্রিয় রাখা হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে ৫ম বার হামলার কারণে লাখ লাখ ইসরাইলি নাগরিককে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, হুথি বিদ্রোহীদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিয়েছে ইসরাইল। ইউরোপের সব কূটনৈতিক মিশনকে এই গোষ্ঠীকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে তারা।
এই কূটনৈতিক পদক্ষেপের মাধ্যমে হুথিদের আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা এবং তাদের কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি হুথিরা ইসরাইলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। তারা এই হামলাকে গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের লড়াইয়ে সংহতি জানানোর অংশ হিসেবে দাবি করেছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মরুভূমির দেশ সৌদি আরবে নজিরবিহীন বৃষ্টি ও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। যার ফলে দেশটির একাধিক শহরের রাস্তাঘাট ও আবাসিক এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা দিয়েছে।
সৌদি আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আবহাওয়ার এই নিম্নচাপ আরও কয়েক দিন ধরে চলতে পারে।
একসঙ্গে সৌদি আরবের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র মঙ্গলবার দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন স্তরের সতর্কতা জারি করেছে। পবিত্র দুই শহর মক্কা ও মদিনা এবং পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। যা সবচেয়ে উচ্চ স্তরের সতর্কতার নির্দেশক।
এছাড়া রাজধানী রিয়াদ, মধ্যাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আসির ও জাজান প্রদেশে কম মাত্রার কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে সেখানেও নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের রেড ক্রিসেন্ট অথরিটি এবং অন্যান্য উদ্ধার সংস্থাগুলো পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। রেড ক্রিসেন্ট নিশ্চিত করেছে যে, তাদের অ্যাম্বুলেন্স সেবা ও উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে তারা সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের সতর্ক থাকার এবং বিশেষত লাল সতর্কতার আওতাভুক্ত এলাকায় নিরাপত্তা নির্দেশিকা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে।
অন্যদিকে সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ জনগণকে উপত্যকা, নিচু এলাকা এবং এমন জায়গা এড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে, যেখানে বৃষ্টির পানি জমা হতে পারে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, বন্যার পানি রাস্তাঘাটের গাড়িগুলোকে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং ভবনগুলো ডুবে যাচ্ছে। প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের কারণে পানি ক্রমশ বাড়ছে, যা সৌদি আরবে বিরল একটি দৃশ্য।
মন্তব্য করুন


বছরব্যাপী ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরবে যান ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। এবার তাদের জন্য সৌদি আরব থেকে একটি নতুন খবর এসেছে। আরব নিউজের প্রতিবেদনে জানা যায়, ওমরাহ পালন করতে যাওয়া ব্যক্তিদের জন্য দেশটি লাগেজ বিনা মূল্যে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেছে।
২৫ ডিসেম্বর, বুধবার কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্র্যান্ড মসজিদের পূর্ব দিকে মক্কা লাইব্রেরির কাছে এবং পশ্চিম দিকে গেট ৬৪-এর কাছে বিনা মূল্যে লাগেজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ৭ কেজি ওজনের ব্যাগ (বিচ্ছিন্ন জিনিস ছাড়া) সংরক্ষণ করা যাবে। সংরক্ষণাগারে ব্যাগ সর্বোচ্চ চার ঘণ্টা রাখা যাবে। তবে, ব্যাগে মূল্যবান জিনিসপত্র, নিষিদ্ধ পণ্য, খাবার ও ওষুধ সংরক্ষণ করা যাবে না। ব্যাগ ফেরত নেওয়ার জন্য একটি ক্লেইম টিকিট দেখাতে হবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে গ্র্যান্ড মসজিদের চারপাশের সব এলাকায় ব্যাগ রাখার ব্যবস্থা করা হবে, যাতে দর্শনার্থীদের আরও ভালোভাবে সহায়তা করা যায়। সৌদি আরব সরকার অনুমোদিত ডিজিটাল হজ সেবা গেটওয়ে "নুসুক" অ্যাপের মাধ্যমে পারমিট দেখিয়ে এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন ওমরাহ পালনকারীরা। মক্কার পবিত্র দুই মসজিদে প্রবেশ করতে হলে নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে ওমরাহ পারমিট গ্রহণ বাধ্যতামূলক।
নুসুক অ্যাপ দিয়ে ই-ভিসা আবেদন, ভ্রমণ পরিকল্পনা এবং বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সহযোগিতা পাওয়া যায়। এর মাধ্যমে ভ্রমণকারীরা মক্কা, মদিনা এবং অন্যান্য শহরে ভ্রমণের জন্য যাত্রাপথ নির্দিষ্ট করতে পারবেন। হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের সফর ত্রুটিমুক্তভাবে সম্পন্ন করাই নুসুক পরিষেবার লক্ষ্য।
নুসুকের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, এর মাধ্যমে ভ্রমণকারীরা খুব সহজেই সৌদিতে তাদের ভ্রমণ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করতে পারবেন। এর মাধ্যমে ই-ভিসায় আবেদন করা, হোটেল বুক করা এবং ফ্লাইট বুক করার মতো সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়া ওয়েবসাইটটি ওমরাহ বা হজযাত্রীদের জন্য বিভিন্ন বিষয়ের বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করবে।
মন্তব্য করুন


বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক জলপথ দক্ষিণ চীন সাগরে ভাসমান ব্যারিয়ার বসিয়েছে চীন। অভিযোগ উঠেছে, সাগরের এমন জায়গায় ব্যারিয়ার বসানো হয়েছে— যেটি আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে দেশটির সার্বভৌম এলাকার মধ্যে পড়ে না।
চীনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছে এই সাগরপাড়ের অন্যতম দেশ ফিলিপাইন। দেশটির কোস্টগার্ড বাহিনীর মুখপাত্র জায়ে তারিয়েলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) সেই ব্যারিয়ারের ছবি পোস্ট করে জানিয়েছেন, সাগরের স্কারবোরোফ শোয়াল নামের এলাকার একটি অংশে বসানো হয়ে এই ব্যারিয়ার এবং এটির কারণে ফিলিপাইনের মৎসজীবীরা মাছ ধরার জন্য সেখানে যেতে পারছেন না।
আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন অনুসারে স্কারবোয়াফ শোয়াল কোনোভাবেই চীনের সার্বভৌম এলাকার মধ্যে পড়ে না দাবি করে এক্স পোস্টে জায়ে তারিয়েলা বলেন, ‘আমাদের সমুদ্র অধিকার ও মেরিটাইম ডোমেইন রক্ষার স্বার্থে এই ইস্যুতে ফিলিপাইনসহ দক্ষিণ চীন সাগরের উপকূলবর্তী অন্যান্য দেশের সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক হুমকি মোকাবিলা নিয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে মতবিরোধের জেরে দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড পদত্যাগ করেছেন।
সোমবার, ট্রুডোর কাছে পাঠানো একটি চিঠিতে তিনি তার পদত্যাগের ঘোষণা দেন। চিঠিতে তিনি কানাডার জন্য সর্বোত্তম পথ নিয়ে ট্রুডোর সঙ্গে মতবিরোধ এবং ট্রাম্পের ‘আগ্রাসী অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদ’ নীতির ‘গুরুতর চ্যালেঞ্জ’ তুলে ধরেন।
ফ্রিল্যান্ড বলেন, ট্রুডো যখন তাকে জানান যে, তিনি আর ফ্রিল্যান্ডকে তার সরকারের শীর্ষ অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দেখতে চান না, তার এক সপ্তাহ পরেই পদত্যাগের এই সিদ্ধান্ত আসে। ফ্রিল্যান্ডের ধারণা ছিল যে, তিনি পার্লামেন্টে সরকারের বার্ষিক আর্থিক আপডেট উপস্থাপন করবেন, কিন্তু তার কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
ফ্রিল্যান্ডের পদত্যাগের এই ঘোষণা ট্রুডোর প্রশাসনকে সংকটে ফেলতে পারে, কারণ এটি ইতিমধ্যেই নড়বড়ে সংখ্যালঘু সরকারের দিকে চলে যাচ্ছে।
নয় বছর ক্ষমতায় থাকার পর, জাস্টিন ট্রুডোর বিরুদ্ধে একের পর এক পদত্যাগের আহ্বান আসছে। অনেকের ধারণা, তিনি তার দলের ভবিষ্যতের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। এক জরিপের ফল অনুযায়ী, ২০১৫ সালে প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার সময় ট্রুডোর গ্রহণযোগ্যতা ছিল ৬৩ শতাংশ, কিন্তু ২০২৪ সালের জুন মাসে তা কমে ২৮ শতাংশে পৌঁছেছে।
সোমবার ফ্রিল্যান্ডের পদত্যাগের পর পাঁচজন লিবারেল সংসদ সদস্য প্রকাশ্যে ট্রুডোর পদত্যাগের আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


আইফোন ভক্ত তরুণ-তরুণীদের কাছে লাখ টাকা যে কোনও প্রতিবন্ধকতা নয় সেটিই যেন প্রমাণ হলো ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে। শুক্রবার দিল্লিতে সর্বশেষ মডেলের আইফোন বিক্রি শুরু হওয়ার পর তা কেনার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন শত শত তরুণ-তরুণী। আর সেখানেই ঘটেছে এক মর্মান্তিক কাণ্ড; অর্থ পরিশোধের পর আইফোন হাতে তুলে দিতে দেরী হওয়ায় দোকানের কর্মীদের বেধড়ক পিটিয়েছেন দুই ক্রেতা।
আইফোন নিয়ে ভারতে ভক্তদের এমন উন্মাদনার শেষ এখানেই নয়। দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, দিল্লিতে আইফোনের সর্বশেষ সংস্করণের জন্য দোকানের সামনে ১৭ ঘণ্টা কিংবা তারও বেশি সময় ধরে সারিতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে ক্রেতাদের।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইফোন-১৫ এর ডেলিভারি বিলম্বিত হবে বলে জানানোর পর দিল্লিতে দুই ক্রেতা দোকানের কর্মীদের মারধর করেছেন।
উত্তর দিল্লির কমলানগর মার্কেটে এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, শুক্রবার ইলেকট্রনিক্স শোরুমের দুই কর্মচারীকে লাঞ্ছিত করছেন দুই ব্যক্তি। পরে জাসকিরাত সিং ও মনদীপ সিং নামের ওই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ।
পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ভারতে বিক্রি শুরুর প্রথম দিনেই দোকানের কর্মীরা আইফোন সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই দুই ক্রেতাকে তাদের ফোনের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি বলে দোকানের পক্ষ থেকে জানানোর সঙ্গে সঙ্গে ক্ষেপে যান তারা।
দুই গ্রাহকে ক্ষোভ এতটাই ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছিল যে, এমনকি ১০ জনের বেশি কর্মচারীর হস্তক্ষেপও তাদের সহকর্মীদের বেধড়ক মারধর থেকে রক্ষা করতে পারেনি। পরে দোকানের এক কর্মচারীর ওপর হামলে পড়েন জাসকিরাত ও মনদীপ। এ সময় তারা তাকে কিল-ঘুষির পাশাপাশি লাথিও মারেন। দোকানের ওই কর্মীর টি-শার্ট ছিঁড়ে ফেলেন তারা।
ভারতের প্রথম অ্যাপল স্টোর মুম্বাইয়ের বান্দ্রা-কুরলা কমপ্লেক্সেও (বিকেসি) শুক্রবার নতুন আইফোন, অ্যাপল ওয়াচ এবং এয়ারপডস কেনার জন্য দেশটির বিভিন্ন স্থান থেকে ক্রেতাদের আসার খবর পাওয়া গেছে। প্রথম দিনেই আইফোন হাতে পাওয়ার জন্য আহমেদাবাদ এবং বেঙ্গালুরুর মতো স্থান থেকেও অনেক লোকজন মুম্বাইয়ে গেছেন বলে এনডিটিভি জানিয়েছে।
দেশটির বার্তা সংস্থা এএনআইকে একজন আইফোন ক্রেতা বলেছেন, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা থেকে আমি এখানে রয়েছি। ভারতের প্রথম অ্যাপল স্টোরে প্রথম আইফোন পাওয়ার জন্য আমি ১৭ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। আমি আহমেদাবাদ থেকে এসেছি।
বেঙ্গালুরু থেকে আসা আরেক ক্রেতা বিবেক বলেন, ‘নতুন আইফোন ১৫ প্রো পেয়ে আমি খুশি। আমি অত্যন্ত উত্তেজিত।’
মন্তব্য করুন


থাইল্যান্ডের সাবেক রানি ও বর্তমান রাজা ভজিরালংকর্নের মা সিরিকিত মারা গেছেন। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত ৯টা ২১ মিনিটে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে ৯৩ বছর বয়সে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
থাই রাজপরিবারের দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রানি সিরিকিত দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। চলতি মাসে তার রক্তে সংক্রমণ দেখা দেয়।
সিরিকিত ছিলেন থাইল্যান্ডের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় রাজত্ব করা রাজা ভূমিবল আদুলিয়াদেজের স্ত্রী। ভূমিবল ২০১৬ সালে মারা যান।
রাজা ভজিরালংকর্ন তার মায়ের রাজকীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছেন। রানি সিরিকিতের দেহ ব্যাংককের গ্র্যান্ড প্যালেসের দুসিত থ্রোন হলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সংরক্ষিত থাকবে। রাজপরিবারের সদস্যরা এক বছর শোক পালন করবেন।
বিবিসির তথ্যমতে, ফ্রান্সে সঙ্গীত নিয়ে পড়াশোনার সময় রাজা ভূমিবলের সঙ্গে সিরিকিতের পরিচয় হয়। সেই সময় তার বাবা ছিলেন ফ্রান্সে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত। ব্যাংককে রাজা ভূমিবলের অভিষেকের এক সপ্তাহ আগে তারা বিয়ে করেন।
১৯৬০-এর দশকে রাজা-রানিরা বিশ্বভ্রমণে বেরিয়েছিলেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ার, রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ও সংগীতশিল্পী এলভিস প্রিসলির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছিলেন তারা। রানি সিরিকিত থাইল্যান্ডে মা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৭৬ সাল থেকে তার জন্মদিন ১২ আগস্ট থাইল্যান্ডে মা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
২০১২ সালে স্ট্রোকের পর থেকে তিনি জনসমক্ষে খুব কমই দেখা আসতেন। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে ও তিন মেয়েকে রেখে গেছেন।
মন্তব্য করুন